28/07/2023
S. S. C. RESULT 2023
THIS PAGE IS ONLY FOR INTRODUCING
চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্রে চতুর্দিকে পাহাড় আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ঘেরা সমতল ভূমি থেকে একটু উঁচু ঢিলা, নগরীর মূল সড়ক এশিয়ান হাইওয়ের পাশ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে পুলিশ ব্যারাক। ষাট দশকের শুরুতে চট্টগ্রাম পুলিশের এস পি আবদুল খালেক একজন র্কীতিমান শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি উদ্যোগেই 1963 সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় চিটাগাং পুলিশ ইনস্টিটিউশন। এস পি খালেক প্রথম দিকে স্কুলটি করেছিলেন পুলিশ বিভাগের জন্য। পরবর্তীতে স্কুল
28/07/2023
S. S. C. RESULT 2023
Summary of our students Achievement..........
BUSINESS STUDIES: PASSED=129; NOT PASSED=6; GPA5=2;
HUMANITIES: PASSED=5;
SCIENCE: PASSED=126; NOT PASSED=1; GPA5=48;
..............SSC RESULT 2018...............
BOARD OF INTERMEDIATE & SECONDARY EDUCATION, CHITTAGONGRESULT OF SSC EXAMINATION, 2018
Institution: CHITTAGONG POLICE INSTITUTION
Centre: CHITTAGONG-25, Thana/Upazilla: DOUBLE MOORING, Zilla: CHITTAGONG
No. of Students: { Appeared: 266, Passed: 260, Percentage of Pass: 97.74, GPA 5: 50 }
: BUSINESS STUDIES : -515782[4.39], 515783[4.22], 515784[3.89], 515785[4.22], 515786[4.39], 515787[4.67], 515788[4.78], 515789[4.61], 515790[3.94],515791[4.06], 515792[3.39], 515794[3.44], 515795[3.78], 515796[4.17], 515797[4.11], 515798[4.56], 515799[4.67], 515800[4.22],515801[4.56], 515802[4.33], 515803[4.11], 515804[4.00], 515805[4.17], 515806[3.39], 515807[3.89], 515808[4.78], 515809[5.00],515810[3.83], 515811[4.67], 515812[3.89], 515813[3.67], 515814[4.61], 515815[4.17], 515816[4.28], 515817[4.83], 515818[4.67],515819[4.17], 515820[3.00], 515821[3.33], 515822[2.56], 515823[3.50], 515824[3.56], 515826[3.00], 515827[3.83], 515828[3.94],515829[3.50], 515830[3.17], 515831[3.72], 515832[3.22], 515833[3.78], 515834[4.39], 515835[4.17], 515836[3.28], 515837[3.89],515838[4.44], 515839[2.94], 515840[4.33], 515841[3.50], 515842[4.06], 515843[4.28], 515844[4.22], 515845[3.72], 515847[3.67],515848[3.39], 515849[4.67], 515850[4.17], 515851[3.50], 515852[4.17], 515853[4.06], 515854[4.78], 515855[3.11], 515856[3.56],515857[3.56], 515858[3.61], 515859[3.78], 515860[3.78], 515861[3.94], 515862[3.83], 515863[4.17], 515864[3.89], 515865[3.67],515866[3.72], 515867[4.06], 515868[3.44], 515869[4.22], 515870[4.50], 515871[4.67], 515872[3.78], 515873[4.28], 515874[3.89],515876[4.61], 515877[4.17], 515878[4.50], 515879[4.44], 515880[4.11], 515881[3.33], 515882[3.72], 515883[4.72], 515884[3.61],515885[3.61], 515886[4.33], 515887[4.22], 515888[4.11], 515889[3.33], 515890[3.39], 515891[3.83], 515892[3.28], 515893[3.33],515894[3.22], 515895[3.39], 515896[3.67], 515897[3.61], 515898[3.33], 515899[3.33], 515900[3.61], 515901[3.39], 515902[4.06],515903[3.39], 515904[3.39], 515905[3.33], 515906[3.56], 515907[4.00], 515908[5.00], 515909[4.28], 515910[4.22], 515911[3.18],515912[3.59], 515914[3.09], 702546[3.14] =129515793[F1], 515825[F1], 515846[F1], 515875[ABS.], 515913[F2], 702545[F1] : HUMANITIES : -702540[3.33], 702541[3.11], 702542[4.00], 702543[2.94], 702544[3.06] :
SCIENCE : 107372[4.44], 107373[5.00], 107374[4.83], 107375[5.00], 107376[5.00], 107377[5.00], 107378[5.00], 107379[5.00], 107380[5.00],107381[5.00], 107382[4.94], 107383[5.00], 107384[4.89], 107385[5.00], 107386[4.78], 107387[4.83], 107388[4.61], 107389[5.00],107390[4.61], 107391[5.00], 107392[5.00], 107393[5.00], 107394[5.00], 107395[5.00], 107396[4.72], 107397[5.00], 107398[4.61],107399[5.00], 107400[4.83], 107401[5.00], 107402[4.94], 107403[5.00], 107404[5.00], 107405[5.00], 107406[5.00], 107407[5.00],107409[4.28], 107410[4.61], 107411[4.11], 107412[4.39], 107413[4.33], 107414[4.61], 107415[5.00], 107416[5.00], 107417[3.89],107418[4.44], 107419[3.50], 107420[4.22], 107421[4.39], 107422[3.72], 107423[5.00], 107425[4.11], 107426[4.78], 107427[4.94],107428[4.72], 107429[4.67], 107430[5.00], 107431[4.56], 107432[4.89], 107433[5.00], 107434[4.67], 107435[4.61], 107436[4.44],107437[4.39], 107438[4.17], 107439[3.94], 107440[4.61], 107441[4.67], 107442[4.22], 107443[4.22], 107444[4.72], 107445[4.56],107446[4.17], 107447[4.50], 107448[4.83], 107449[5.00], 107450[5.00], 107451[5.00], 107452[5.00], 107453[5.00], 107454[5.00],107455[5.00], 107456[5.00], 107457[4.67], 107458[3.33], 107459[4.50], 107460[3.89], 107461[4.39], 107462[4.94], 107463[5.00],
SCIENCE (CONTD.) : -107464[5.00], 107465[5.00], 107466[5.00], 107467[4.22], 107468[3.67], 107469[4.11], 107470[4.17], 107471[3.94], 107472[3.61],107473[3.61], 107474[4.28], 107475[5.00], 107476[5.00], 107477[4.94], 107478[4.72], 107479[5.00], 107480[5.00], 107481[4.28],107482[5.00], 107483[4.61], 107484[4.94], 107485[4.72], 107486[4.94], 107487[3.89], 107488[5.00], 107489[5.00], 107490[4.78],107491[4.22], 107492[4.17], 107493[4.00], 107494[4.39], 107495[4.44], 107496[4.28], 107497[4.28], 107498[4.06], 107499[3.86] =126107408[F1] =1----------------------------------------------------- : END OF RESULT : -------------
এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের ফঁাস হওয়া প্রশ্নপত্রের একটা ছবি ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এ ছাপা হয়েছে ()। ছবিটির কল্যাণে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি কিছুটা বোঝার সুযোগ হয়েছে। প্রশ্ন ফঁাসের অনাকাঙ্ক্ষিত উপকার আর কি! প্রশ্ন ফঁাস না হলে পত্রিকায়ও আসত না, আমারও দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণাটা সেকেলেই রয়ে যেত।
ফাঁসকৃত প্রশ্নের দুটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশ ব্যাকরণ আর দ্বিতীয় অংশ গঠনমূলক রচনা নিয়ে। ব্যাকরণে সর্বোচ্চ নম্বর ৬০ আর রচনামূলকে ৪০। কাজেই ধরে নেওয়া যায়, বরাদ্দকৃত ৩ ঘণ্টা সময়ের সাকল্যে ১ ঘণ্টা ১২ মিনিট সময় বরাদ্দ রয়েছে রচনামূলক অংশের জন্য। এখন চলুন দেখি কী প্রশ্ন আছে এই অংশে।
রচনামূলক অংশের প্রথম প্রশ্নটি এ রকম
‘মেঘনা ব্যাংকে কিছু হিসাবরক্ষণ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হবে। তুমি, মনির/মনিরা এ পদে যোগ দিতে খুবই আগ্রহী। এই চাকরিতে দরখাস্তের নিমিত্তে একটা জীবন-বৃত্তান্ত এবং একটি কভার লেটার তৈরি কর।’
জনাব প্রশ্নকর্তা কিংবা আপনারা যাঁরা পাঠ্যক্রমটি তৈরি করেছেন দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য, তাঁদের কাছে আমার প্রশ্ন, দশম শ্রেণি পাস করা ছাত্র কি বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে দরখাস্ত করার যোগ্যতা রাখে? একজন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার যে গুণাবলি আবশ্যক, তা কি দশম শ্রেণিতে পড়া একজন ছাত্রের জানার কথা?
একটি খালি পদে আবেদন করার জন্য সেই পদ সম্পর্কে, সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানা কি আবশ্যক নয়? আপনারা কী শেখাচ্ছেন ছাত্রছাত্রীদের? একটা পদের নাম এবং একটা ব্যাংকের নাম জেনেই সে কভার লেটার লিখে ফেলবে? কার বরাবর সে চিঠিটি লিখবে? কোন মাধ্যমে সে এই কর্মখালির সংবাদটি পেয়েছে? তার কী কী গুণ আছে, যেটা পদের দায়িত্বের সঙ্গে মিলে যায়; সে কারণে সে এই পদে দরখাস্ত করতে আগ্রহী হয়েছে—কীভাবে সে তার বর্ণনা দেবে?
তারপর আপনারা তাকে বলেছেন একটা জীবনবৃত্তান্ত তৈরি করতে। পরীক্ষার হলে বসে জীবনবৃত্তান্ত লেখা? ধরণি দ্বিধা হও! বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্যারিয়ার সার্ভিস বিভাগ রয়েছে, যাদের কাজ হচ্ছে তাদের ছাত্রদের শেখানো—কীভাবে চাকরি খুঁজতে হয়, কীভাবে কভার লেটার লিখতে হয়, জীবনবৃত্তান্ত তৈরি করতে হয়। এখানে পিএইচডির ছাত্ররা যে জীবনবৃত্তান্ত আর কভার লেটার লেখে, তা তাদের উপদেষ্টাদের ঠিক করে দিতে হয় অহরহ!
ছাত্রদের তাদের কোর্সওয়ার্কের বাইরে সময় খুঁজে এসবের জন্য ট্রেনিং নিতে হয়। এত সবের পরও আমরা যখন কোনো পদে নিয়োগের জন্য দরখাস্ত চাই, নতুন পাস করা ছাত্রদের কভার লেটার আর জীবনবৃত্তান্তে ভুল থাকে হরহামেশা। আর আপনারা দশম শ্রেণির ছাত্রদের পরীক্ষা নিচ্ছেন পরীক্ষার হলে বসে কভার লেটার আর জীবনবৃত্তান্ত তৈরি করার? শাবাশ! এই প্রশ্নের জন্য নম্বর ধরা হয়েছে ৮। এর মানে হচ্ছে, ৭২ মিনিটের রচনামূলক পরীক্ষায় যেহেতু সব মিলিয়ে ৪০ নম্বর, সেহেতু এই প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে ১৪ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে। তা-ও আবার বিদেশি ভাষায়! ও সুপারম্যান, তুমি কোথায়?
পরের প্রশ্ন তিনটি এ রকম
‘ধরো, তুমি, সুমন/সুমনা জামালপুর জেলা স্কুলের শিক্ষার্থী। তোমাদের স্কুলে কোনো ক্যানটিন নেই বলে তোমাদের টিফিন খেতে অসুবিধা হয়। তোমাদের স্কুলে একটা ক্যানটিন স্থাপনের জন্য প্রধান শিক্ষক বরাবর একখান দরখাস্ত লেখ। (নম্বর ১০)’
‘“চন্দ্রালোকিত রজনী”-এর ওপর একটি অনুচ্ছেদ লেখ। (নম্বর ১০)’
‘“তোমার প্রিয় শখ”-এর ওপর একটি রচনা লেখ। (নম্বর ১২)’
এখন আপনি চিন্তা করুন। ইংরেজি, যেটা আমাদের মাতৃভাষা নয়, সেই ভাষায় আমাদের দশম শ্রেণিতে পড়া ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে আমরা এতগুলো রচনামূলক প্রশ্নের উত্তর আশা করছি ১ ঘণ্টা ১২ মিনিটের মধ্যে। এই পরীক্ষাব্যবস্থার ফলাফল আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। ছাত্ররা ১০-২০টা করে অন্যের লেখা রচনা, অন্যের লেখা শ খানেক ভাব অন্যের হাতে সম্প্রসারিত হওয়ার পর মুখস্থ করে রচনা আর অনুচ্ছেদ লিখছে, জনৈক অভিজ্ঞ হেডমাস্টারের লেখা গাইড বইয়ের দরখাস্ত মুখস্থ করে এসে নিজের বলে পরীক্ষার হলে উগরে দিচ্ছে। এত কিছু মুখস্থ করার পরও সে পরীক্ষার হলে এসে খারাপ করছে, কারণ সে আপনাদের দেওয়া সময়ের মধ্যে সেটা উগরে দিতে পারছে না। তারপর আমরা তাদের দোষারোপ করছি মুখস্থের জন্য। আর যারা মুখস্থবিদ্যায় পারদর্শী নয়, তারা ছুটছে প্রশ্নের পেছনে আর আমরা তাদের দোষারোপ করছি তারা প্রশ্নের পেছনে ছুটছে বলে।
আমাদের এখানে বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে একটা অলিখিত নিয়ম আছে। যিনি প্রশ্ন তৈরি করবেন, তাঁকে প্রশ্নগুলোর সমাধান করতে হবে। সমাধান করতে তাঁর যে সময় লাগবে, তার দুই থেকে তিন গুণ সময় বেশি দিতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। কারণ, আপনি প্রশ্ন তৈরির পেছনে যে ভাবনা ভেবেছেন, তারা তা ভাবেনি। তাদের সেই ভাবনার জন্য সময় দিতে হবে।
জনাব প্রশ্নকর্তা, আপনাকে কিছু করতে হবে না। এই ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষাটিই আপনিই দিয়ে দেখুন না একবার! ৭২ মিনিটের মধ্যে রচনামূলক অংশ শেষ করুন তো? দেখি আপনি প্রথম প্রশ্নটি শেষ করতে পারেন কি না?
প্রশ্নকর্তাগণ, নীতিনির্ধারকগণ, ভাবুন একটু আমাদের ছাত্রদের আপনারা যা শেখাচ্ছেন, যেসব জিনিস তাদের পরীক্ষার হলে বসে উগরে দিতে বলছেন, তা তাদের কী কাজে আসছে? মাধ্যমিক লেভেলে ইংরেজিতে কভার লেটার আর জীবনবৃত্তান্ত লেখা শেখার উদ্দেশ্যটা আমাকে কেউ একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?
আবদুশ শাকুর ওয়াহেদ যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গের প্রাণ-পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক
মাননীয় পুলিশ কমিশনার জনাব মো. ইকবাল বাহার পিপিএম, বিপিএম,
মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে আগামী ২০১৮ সন থেকে চিটাগাং পুলিশ ইনস্টিটিউশন একাদশ শ্রেণির কার্যক্রম শুরুর অনুমতি পেয়েছে।
দিল্লিতে একটা সামুচা ওয়ালা ছিল এবং তার দোকানের সামনে একটি বড় কোম্পানির অফিস ছিল। একদিন এক ম্যানেজার দোকানে সামুচা খেতে গেল। ২ টা সামুচা নিয়ে সামুচা ওয়ালাকে প্রশ্ন করলো যে, তুমি খুব সুন্দর করে দোকানটা সাজিয়েছো, সিস্টেম গুলো ভালো, সুন্দর এডমিনিষ্টেশন, তাহলে তোমার এত সুন্দর প্লানিং নিয়ে আমার মত জব করলে ভালো হতো না,এই সামুচা বিক্রি করে তো তোমার সময় নষ্ট করছো না?
সামুচা ওয়ালা হাসি দিয়ে বলল - স্যার আমার কাজটা আপনার থেকে অনেক ভাল।
আজ থেকে ১০ বছর আগে আমি সামুচা বিক্রি করতাম টুকরীতে। তখন আমার আয় ছিল ১০০০/মাস এবং আপনার বেতন ছিল ১০ হাজার।
আজ ১০ বছর পর আমার আয় ১ লক্ষ এবং কোন কোন মাসে ১ লক্ষ বেশি আর আপনার এখন বেতন ১লক্ষ। তাহলে আপনার থেকে আমার কাজটা বেশি ভালো না?
আমার পরে আমার এই ব্যবসা আমার ছেলে দেখবে। সে সাজানো একটা ব্যবসা পাবে কিন্তু আপনার ছেলে মেয়ে কি আপনার মত পজিশন পাবে?
আমি শুন্য থেকে শুরু করেছি কিন্তু আমার ছেলে মেয়ে রা শুন্য থেকে শুরু করবে না কিন্তু আপনার ছেলে মেয়েদের প্রথম থেকেই শুরু করতে হবে। আপনি চাইলেও আপনার পজিশনে আপনার ছেলে মেয়ে কে বসাতে পারবেন না।
আপনি ১০ বছর আগে যে কষ্টটা করেছেন আপনার ছেলে মেয়েদের কেউ একই কষ্ট করতে হবে।আমার ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যত গুছিয়ে দেওয়া আমার দায়িত্ব আর আমি তাই করেছি যা আপনি পারেন নাই।
লোকটা কথা গুলো শুনে ৫০ টাকা বিল পরিশোধ করে চলে গেল। এন্টারপ্রেনারের জন্ম হয় কঠোর পরিশ্রমে যার পিছনে থাকে সূদৃড় প্লান ও পরিশ্রম। বি এ এন্টারপ্রেনার।
ঝুঁকি নিতেই হবে
ছাত্রজীবনেই ব্যবসার পরিকল্পনা শুরু করা উচিত বলে মনে করেন দেশের অনেক উদ্যোক্তা। বিডি জবসের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘আমাদের এখানে ডিগ্রি নিতেই জীবনের ২৩-২৪ বছর পার হয়ে যায়। ভিন দেশের তরুণেরা কিন্তু আরও আগে থেকেই পেশাজীবন নিয়ে ভাবতে শুরু করে। ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরু করলে পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি একটা বাস্তব জ্ঞান অর্জন করা যায়। কয়েকজন বন্ধু মিলে শুরু করতে পারলে ভালো। কেউ হয়তো বিপণনে ভালো, কারও আবার প্রযুক্তি সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে—এ রকম একেক দক্ষতার মানুষ মিলে একটা ব্যবসা শুরু করলে সুবিধা হয়।’
রায়ানস কম্পিউটারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান বলছিলেন, ‘আমি তো মনে করি ছাত্রজীবনে যে শুরু করতে না পারবে, তার জন্য সফল ব্যবসায়ী হওয়া কঠিন। ব্যবসায় ঝুঁকি থাকবেই, কিন্তু ঝুঁকিটা নিতে হবে।’ ঝুঁকি প্রসঙ্গে ফাহিম মাশরুরের বক্তব্য, ‘ভুল থেকেই তো মানুষ শেখে। ছাত্রজীবনে না শিখলে শিখবে কখন? ব্যবসা আর পড়ালেখা, দুটো সমানতালে চালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বরং ব্যবসার ঝুঁকির চেয়ে বড়। কারও যদি বিশ্বাস থাকে যে আমি দুটোর সমন্বয় ঠিকভাবে করতে পারব, তার উচিত দেরি না করে শুরু করে দেওয়া।’
কুমিল্লার কোন ভাই থাকলে দয়া করুন দয়া!!
কুমিল্লা সেন্ট্রাল হসপিটালে ভর্তি একজন সন্তান সম্ভবা বোনের
জন্য অতি জরুরী ভিত্তিতে এ নেগেটিভ ( A -) রক্তের প্রয়োজন।
মা ও সন্তানকে বাচাতে জরুরী অপারেশান করানোর প্রয়োজন
স্বাপেক্ষেও রক্তের জন্য অপরেশান করানো যাচ্ছেনা।
এ বোনের জন্য সবাই একটু এগিয়ে আসি।
প্রয়োজনেঃ 01815053130 (রোগীর বাবা)
অথবা রোগীর আত্নীয় 01913993099।।
কোন পিসি চলছে বেশি?
বিশ্বজুড়ে পারসোনাল কম্পিউটার (পিসি) বিক্রির হার ক্রমশ কমছে। এর মধ্যে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক অর্থাৎ, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে পিসি বিক্রিতে এইচপি ও লেনোভোর মধ্যে ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। ১১ অক্টোবর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনার।
বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এইচপির দখলে ছিল বাজারের ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। লেনোভোর দখলে ছিল ২১ দশমিক ৪ শতাংশ। গার্টনারের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্বজুড়ে পিসি বিক্রির ক্ষেত্রে টানা পাঁচ প্রান্তিক ধরে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে এইচপি ইনকরপোরেশন। লেনোভো গত ১০ প্রান্তিকের মধ্যে আট প্রান্তিকে পিসি বিক্রির হার কমতে দেখেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ৬ কোটি ৭০ লাখ পিসি বাজারে এসেছে, যা গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের চেয়ে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কম।
গার্টনারের প্রধান বিশ্লেষক মিকা কিতাগাওয়া বলেছেন, জাপান, লাতিন আমেরিকাসহ ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলে পিসির বাজার স্থিতিশীল হওয়ার চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পিসি বিক্রি ১০ শতাংশ কমেছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ২ কোটি ৪০ লাখ ইউনিট পিসি বিক্রি হয়েছে, যা গত বছরের ওই সময়ের চেয়ে ২ দশমিক ১ শতাংশ কম। অর্থাৎ, এশিয়া অঞ্চলেও পিসি বিক্রি কমছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ছাড়া অন্য অঞ্চলগুলোতে এইচপির পিসি বিক্রি বেড়েছে। এশিয়া ও লাতিন আমেরিকায় এইচপির পিসি বেশি বিক্রি হয়েছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টানা পাঁচ প্রান্তিক ধরে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে এইচপি।
২০০৫ সালে মার্কিন প্রতিষ্ঠান আইবিএমের পিসি ব্যবসা বিভাগকে কেনার পর থেকে প্রতিবছর দেশটিতে পিসি বিক্রি কমছে চীনের প্রতিষ্ঠানটির।
এইচপি ও লেনোভোর মতোই হাল ডেলের। গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের চেয়ে এ বছর পিসি বিক্রির হার কিছুটা কমেছে ডেলের। ২০১৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে প্রথম পিসি বিক্রির হার কমার অভিজ্ঞতা হয় মার্কিন প্রতিষ্ঠানটির।
পিসিতে সাধারণ ক্রেতার আগ্রহ কম থাকলেও ব্যবসার ক্ষেত্রে তা এখনো স্থিতিশীল। বিশেষ করে নোটবুকের চাহিদা বেশি।
গার্টনারের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে চীনের বাজারে পিসি বিক্রি ৫ শতাংশ কমেছে। তথ্যসূত্র: আইএএনএস।
ঘরে-বাইরে এখন দেদার ব্যবহৃত হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতল। এক বোতল পানি কিনে খেলেন তো বোতলটা হয়ে গেল বারবার পানি খাওয়ার আধার। যত দিন যায় আর কি। শিশু সন্তানের স্কুলে পানি দেবেন? সেখানও ওই প্লাস্টিকের বোতল বা কনটেইনার দেওয়া হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, এসব প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার করা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত বা শরীরের জন্য নিরাপদ?
এ প্রশ্নর উত্তর খুঁজতে গেলে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের মানের বিষয়টি প্রথমে এসে যায়। কোন ধরনের প্লাস্টিক স্বাস্থ্যসম্মত?
এই নগরসভ্যতার কল্যাণে বলা চলে প্লাস্টিকের তৈরি জিনিস ছাড়া জীবন চালানো একটু কঠিনই। ঘরকন্নার কাজে প্লাস্টিকের সামগ্রী যে কত ব্যবহার করা হচ্ছে, এর কোনো হিসাব নেই।
আপনি জানেন কি, এই প্লাস্টিকের বোতল বা পাত্রের ঠিক তলায়ই আছে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা? না দেখে বাড়ি বা কর্মস্থলে আপনার নাগালে থাকা প্লাস্টিক পণ্যের নিচে একপলক চোখ বুলিয়ে নিন।
সেখানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে তিনকোনা রিসাইক্লিং চিহ্নের মধ্যেই দেওয়া আছে সতর্ক নম্বর। কোন বোতল বা পাত্র কতবার ব্যবহার করা যাবে, ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ হবে—এই নম্বরই তার আভাস দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মাননিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান এএসটিএম ইন্টারন্যাশনাল প্রথম এই কোড প্রচলন করে। কানাডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অ্যাসোসিয়েশনসহ সারা বিশ্বে তা এখন প্রচলিত। আমাদের দেশের প্লাস্টিকে সামগ্রীর বেলায়ও তা দেখা যায়।
এসব নম্বর ১ থেকে ৭ পর্যন্ত হয়ে থাকে। পাশে থাকে সাংকেতিক কোড। এর মধ্যে ২, ৪ ও ৫—এই তিনটি নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। ১ ও ৭ নম্বরযুক্ত প্লাস্টিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। আবার ৩ ও ৬ নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ।
সতর্কতা নম্বর ১: এএসটিএম ইন্টারন্যাশনালের মতে, এই শ্রেণির প্লাস্টিককে পলিথিলিন প্যারেসথালেট বলে। এর সাংকেতিক কোড পিইটি বা পিইটিই নামে পরিচিত। এ ধরনের প্লাস্টিক প্রসাধনসামগ্রীর বাক্স, বাসায় ব্যবহারযোগ্য জিনিস, পানি বা জুসের বোতল তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়। কোমল পানীয় ও তেল রাখার জন্যও এ জাতীয় প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্লাস্টিকের বোতল বা পাত্র অনেক দিন ব্যবহার করা ঠিক নয়। দীর্ঘ সময় গরম স্থানে রাখলে তা থেকে স্বাস্থ্যের জন্য পদার্থ নির্গত করে। এ জন্য এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক একাধিকবার ব্যবহার করা ক্ষতিকর।
সতর্কতা নম্বর ২: এ ধরনের প্লাস্টিক উচ্চ ঘনত্বের পলিথিলিন; যা সংক্ষেপে এইচডিপিই নামে পরিচিত। এই প্লাস্টিক শক্ত ও স্বচ্ছ; যা কিছুটা উচ্চ তাপমাত্রায় রাখা যেতে পারে। এ নম্বরযুক্ত প্লাস্টিকের সামগ্রী সবচেয়ে নিরাপদ। এ ধরনের প্লাস্টিক সাধারণত বাচ্চাদের খেলনা ও খাবার প্যাকেজিংয়ে ব্যবহার করা হয়। বাজারে দুধ রাখার যে পাত্রগুলো পাওয়া যায়, তা-ও এই প্লাস্টিক থেকে তৈরি। এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিকের জিনিস একাধিকবার ব্যবহার করা যায়।
সতর্কতা নম্বর ৩: এটাকে পলিভিনাইল ক্লোরাইড প্লাস্টিক বলে; যা সংক্ষেপে পিভিসি নামে পরিচিত। নিত্য ব্যবহারের জন্য এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক বোতল বা পাত্র অত্যন্ত বিপজ্জনক। সাধারণত, এ ধরনের প্লাস্টিক থেকে গোসলখানার পর্দা, পুলে ব্যবহারের জন্য নিরাপত্তাসামগ্রী, বিভিন্ন ইনফ্লাটেবল জিনিস ও পোশাক তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়।
এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। সে ক্ষেত্রে অরগানিক হিসেবে তৈরি গোসলখানার পর্দা ব্যবহার করতে পারেন।
সতর্কতা নম্বর ৪: এ ধরনের প্লাস্টিক কম ঘনত্বের পলিথিলিন, যা সংক্ষেপে এলডিপিই নামে পরিচিত। এ ধরনের প্লাস্টিক স্বচ্ছ ও বাঁকানো যায়। এটি জুস ও দুধের পাত্রে ব্যবহার করা হয়। বেশির ভাগ বাজারের ব্যাগ এই প্লাস্টিক থেকে তৈরি। এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক নিরাপদ।
সতর্কতা নম্বর ৫: এই শ্রেণির প্লাস্টিককে পলিপ্রোপাইলিন বলে; যা সংক্ষেপে পিপি নামে পরিচিত। বাচ্চাদের বোতল, কাপ ইত্যাদি এই প্লাস্টিক থেকে তৈরি হয়ে থাকে। রান্নাঘরে জিনিস ও মাইক্রোওয়েভে এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। তবে, এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিকের জিনিস একাধিকবার ব্যবহার করা যায়।
রান্নাঘরে গরম পাত্র রাখার জন্য কাচের জিনিস উত্তম। আর মাইক্রোওয়েভ কিনলে অভ্যন্তরে কাচের গাত্র দেখে কেনা ভালো।
সতর্কতা নম্বর ৬: এটাকে পলিস্টাইরিন প্লাস্টিক বলে, সংক্ষেপে যা পিএস নামে পরিচিত। এটি পেট্রোলিয়াম থেকে তৈরি। এই শক্ত বা নরম উভয় ধরনের হয়ে থাকে। এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক খুব ক্ষতিকর। সিডি, ডিভিডি বা ডিম বহনের কার্টুন তৈরিতে এই প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমরা হোটেল থেকে ফোমের যে পাত্রে খাবার এনে থাকি, তা-ও এ ধরনের প্লাস্টিক থেকে তৈরি হয়। এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিকের জিনিস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
সতর্কতা নম্বর ৭: এই প্লাস্টিককে পলিকার্বোনেট বলে; যার সাংকেতিক কোড পিসি। এটি মোটামুটি নিরাপদ। বৈদ্যুতিক তার, সিডি ও ডিভিডি এখান থেকে তৈরি হয়। এই নম্বরযুক্ত প্লাস্টিকের জিনিস একাধিকবার ব্যবহার করা যায়। বাচ্চাদের বোতল ও অন্যান্য পানির বোতল এ ধরনের প্লাস্টিক থেকে তৈরি করা হয়ে থাকে।
এ সম্পর্কে বিএসটিআইয়ের পরিচালক (সার্টিফিকেট মার্কস) এস এম ইশাক আলী বলেন, বোতলের পেছনে দেওয়া ১ থেকে ৭—এই নম্বরগুলো আন্তর্জাতিক গ্রেডিং পদ্ধতি। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো এমন নীতিমালা করতে পারিনি। তবে, একটি প্লাস্টিকের জার কত দিন ব্যবহার করা উচিত, সে সম্পর্কে একটি নীতিমালা তৈরির প্রচেষ্টা চলছে।’
আমরা যে পানির বোতলগুলো ব্যবহার করছি, সেটা কি একাধিকবার ব্যবহার করার জন্য উপযোগী?
এ প্রশ্নের জবাবে এস এম ইশাক আলী বলেন, বোতলের তো কোনো দোষ নেই। সেটির ফুড গ্রেড ঠিক আছে কি না, সেটাই আসল ব্যাপার। তবে, এ ধরনের বোতল অতিমাত্রায় ব্যবহার করা ঠিক নয় বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘এটা বলতে পারি, আমরা যে বোতলগুলো সার্টিফাই করি, তা মানসম্মত।
শিক্ষাজীবনে ভালো করতে চাইলে কিংবা কর্মক্ষেত্রের প্রস্তুতি হিসেবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার জ্ঞান ও দক্ষতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে এগিয়ে রাখতে ছাত্রাবস্থায়ই কিছু কিছু সফটওয়্যারের কাজ শেখা শুরু করা উচিত। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, কোন কোন সফটওয়্যার সম্পর্কে কেন জানা ও শেখা জরুরি
১. লেখালেখির জন্য
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড না শিখে, না জেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হওয়াই নাকি বৃথা, এমনটাই বললেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মার্কেটিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক বিপাশা মতিন। তিনি বলেন, ‘যে বিষয়েই পড়ি না কেন, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সম্পর্কে খুব ভালো ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা জরুরি। দ্রুত টাইপিং আর লেখা সম্পাদনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন গ্রাফিক্যাল ডেটাও মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায়।’
২. প্রেজেন্টেশনের জন্য
বিজ্ঞান, বাণিজ্য বা মানবিক যে বিভাগেই পড়ুন না কেন, মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন তৈরি ও উপস্থাপন আপনাকে জানতেই হবে। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসনের প্রভাষক বুশরা হুমায়রা জানান, এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সব বিষয়ের কোনো না কোনো কোর্সে প্রেজেন্টেশন বাধ্যতামূলক থাকে। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট নিজে না জানলে পরবর্তী সময়ে কর্মক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
৩. হিসাব-নিকাশে উপকারী
মাইক্রোসফট এক্সেল সফটওয়্যারটির ব্যবহার ও প্রয়োগ জানা এখন বেশ গুরুত্বসহকারে দেখা হয়। একটা সময় ধারণা ছিল, মাইক্রোসফট এক্সেল শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জানা থাকলেই হলো। সময় এখন অনেক বদলেছে। বিজ্ঞান কিংবা বাণিজ্য যা-ই পড়ুন না কেন, তথ্য-উপাত্ত সঠিকভাবে সাজিয়ে উপস্থাপনের জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল শেখা খুব জরুরি। মাইক্রোসফট এক্সেলের কাজ জানা থাকলে আপনি সেটি সিভিতেও যোগ করতে পারবেন।
৪. বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য
বিজ্ঞান, প্রকৌশল কিংবা গণিতে পড়ুয়াদের জন্য এমএটিল্যাব বা ম্যাটল্যাব সফটওয়্যার সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। ডেটা বিশ্লেষণ, অ্যালগরিদম তৈরি কিংবা গাণিতিক মডেল তৈরির জন্য ম্যাটল্যাব খুব কাজের। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবামা অ্যাট বার্মিংহামের সহযোগী অধ্যাপক ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী রাগিব হাসান বলেন, ‘এখন বিশ্লেষণধর্মী পড়াশোনা ও গবেষণার গুরুত্ব বাড়ছে, কর্মক্ষেত্রেও তথ্য বিশ্লেষণ-অ্যালগরিদম নিয়ে কাজের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। বিজ্ঞানের সব শিক্ষার্থীরই ম্যাটল্যাব সম্পর্কে জানা উচিত।’
৫. ছবি সম্পাদনা
প্রেজেন্টেশনে ভালো ছবি উপস্থাপনের জন্য কিংবা কর্মক্ষেত্রেও হঠাৎ ছবি সম্পাদনার কাজ প্রয়োজন হতে পারে। প্রেজেন্টেশনে আপনি যা বোঝাতে চাইছেন, ঠিক আপনার মনের মতো ছবি হয়তো গুগলে পাবেন না। অ্যাডোব ফটোশপের কাজ জানা থাকলে ছবিগুলো একটু সাজিয়ে নিতে পারবেন। এতে আপনার প্রেজেন্টেশন আরও আকর্ষণীয় হবে।
৬. ভিডিও সম্পাদনাও জরুরি
এখন শখের কাজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অ্যাসাইনমেন্ট বা প্রজেক্টেও শিক্ষার্থীরা ভিডিওচিত্রের সাহায্য নেন। ভিডিও সম্পাদনা আর দৃষ্টিনন্দন ভিডিও ক্লিপ তৈরির জন্য প্রাথমিকভাবে মাইক্রোসফট মুভি মেকার দিয়ে কাজ চালানো যায়। আরেকটু ভালো মানের কাজের জন্য অ্যাডোব প্রিমিয়ারের মতো সফটওয়্যার শিখে নিতে পারেন।
৭. আঁকাআঁকি, নকশা ও গ্রাফিকস
টুকটাক নকশার কাজ নানা প্রয়োজনেই আমাদের করতে হয়। নিজের প্রয়োজনে অ্যাডোব ইলাস্ট্রেটরের কাজ শিখে নিলে গ্রাফিকস-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ বেশ সহজ হয়ে যায়। বিজ্ঞান ও স্থাপত্য বিষয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন বা সিএডি সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। কর্মক্ষেত্রে নানান প্রজেক্ট আর গবেষণায় সিএডি ধরনের সফটওয়্যারগুলোর বিভিন্ন প্রয়োগ দেখা যায়। অটোক্যাড আর ভেক্টরওয়ার্কসও শিখে রাখতে পারেন।
৮. তথ্য গবেষণার জন্য
বাজার বিশ্লেষণ, গবেষণা ব্যাখ্যা কিংবা তথ্য বিশ্লেষণের জন্য এসপিএসএস স্ট্যাটিস্টিকস সফটওয়্যার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রভাষক সাবরিনা রহমানের বক্তব্য, ‘এসপিএসএস স্ট্যাটিসটিকস সফটওয়্যারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার শুরু থেকেই জানার চেষ্টা করা উচিত। এই সফটওয়্যারটির বহুমাত্রিক ব্যবহার শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় নয়, যেকোন ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রয়োগ করা হয়।’
৯. ব্যবসা-বিপণনে যা প্রয়োজন
যাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়ছেন কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে নিজের উদ্যোগে ব্যবসা শুরু করবেন, তাঁদের জন্য হিসাববিজ্ঞান ও গ্রাহক সেবাসম্পর্কিত সফটওয়্যার জানা থাকা ভালো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্সের শিক্ষক ও উদ্যোক্তা সাইমুম হোসেন বলেন, ‘এখন ব্যবসা-বাণিজ্য পুরোটাই অনলাইনে চলে এসেছে। এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স সফটওয়্যার এসএপি, গ্রাহক সেবাসম্পর্কিত সফটওয়্যার সেলসফোর্স এবং অ্যাকাউন্টিংয়ের জন্য ট্যালি সফটওয়্যার সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান থাকলে খুব ভালো।’
১০. আরও যা জানা জরুরি
বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও রেফারেন্সিংয়ের জন্য এন্ডনোট সফটওয়্যারটি শিখে নিতে পারেন। নিজের পোর্টফোলিও বা জীবনবৃত্তান্ত নিখুঁতভাবে তৈরির জন্য অ্যাডোব অ্যাক্রোব্যাট রিডার-এডিটর ও ফক্সিট পিডিএফ এডিটরের কাজ শিখলে তা আপনার উপকারে আসবে।
Collected : prothom allo
02/08/2017
এক আপুর গর্ভেই বাচ্চা মারা গেছে, অতিসত্তর অপারেশন করে বের করতে হবে।। অপারেশনের জন্য ৩ ব্যাগ AB(-) রক্ত দরকার, ইতমধ্য ১ ব্যাগ জোগাড় হয়েছে, আরো ২ ব্যাগ লাগবে।। আপুর জীবন বাঁচাতে, AB(-) রক্ত দাতারা এগিয়ে আসুন।।
স্থান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ওয়ার্ড:২৩, বেড:৩৯।।
মোবা: 01733845391 (রোগীর ভাই)