14/01/2019
EEE Tutorial & Industrial Solution -ETIS
Hello everyone,
If you interest to learn any troubleshooting you stay with us. Thanks
ETIS
Chittagong, Bangladesh
14/01/2019
09/01/2019
ক।আমরা যদি পুরো ইলেকট্রিক সিস্টেম কে গ্রামার(ব্যাকরন) মনে করি তাহলে-
১। পাওয়ার হাউজ= ভাষা।
২। ট্রানসমিশন লাইন =বাক্য।
৩। সাব স্টেশন =Parts of Speech
৪। সুইচ গিয়ার =নাউন।
৫। ট্রানসফরমার=ভার্ব(VERB)
৬। পিএফআই =এ্যাডজেকটিভ
খ।আবার যদি ম্যাগনেটিক কনট্যাকটর কে সেম করি তা'হলে -
১। ম্যাগনেটিক কনট্যাকটর=নাউন।
২। ম্যাগনেটিক কনট্যাকটর কয়েল=ভার্ব
৩। সাপ্লাই ভোল্টেজ =প্রিনসিপাল ভার্ব।
৪। সুইচিং কয়েল ভোল্টেজ =অক্সিলারি ভার্ব।
৫। ইনপুট ভোল্টেজ =ননএ্যাকটিভ ভার্ব।
৬। আউটপুট ভোল্টেজ =এ্যাকটিভ ভার্ব।
৭। পাওয়ার রেটিং =এ্যাডজেকটিভ।
MCCB এবং VCB তে আছে
ICU=Ultimate breaking capacity.
ICS=Servicing breaking capacity.
ICM=Short Circuit marking capacity.
ICW= Short circuit with stand current.
IEC=International Electro-technical Commission.
Ue=Rated Operation Voltage.
Ui=Interger Unit
US=Rated Control Supply Voltage
পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
এ.সি. সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা
অ্যাকটিভ পাওয়ার ও আপাত পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
মানে পাওয়ার ফ্যাক্টর = অ্যাকটিভ পাওয়ার / আপাত পাওয়ার
কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ ϴ হলে,
পাওয়ার ফ্যাক্টর হবে (pf) = Cosϴ
■ পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকার:
১. ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor)
২. লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)
৩. ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)
■ ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor):
এ.সি. সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাকটিভ লোড বেশী হলে, কারেন্ট ভোল্টেজের পরে অবস্থান করে,অর্থাৎ কারেন্ট Lag করে
(ইনডাকটিভ সার্কিট এর ভেক্টর ডায়াগ্রাম দেখলেও দেখা যায় কারেন্ট Lag করতেছে) সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ইন্ডাকটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
E L I
ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)
L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।
■ লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)
এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশী হলে, ভোল্টেজ কারেন্টের পরে অবস্থান করে, অর্থাৎ কারেন্ট লিড করে (কেপাসিটিভ সার্কিট এর ভেক্টর ডায়াগ্রাম দেখলেও দেখা যায় কারেন্ট Lead করতেছে) সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
I C E
কারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)
C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।
■ ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)
এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোড ও ক্যাপাসিটিভ লোড সমান হলে, ভোল্টেজ ও কারেন্ট একসাথে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। অর্থাৎ এখানে কারেন্ট ও ভোল্টেজ এর কোণের কোসাইন জিরো।
এই সার্কিটকে রেজিস্টিভ সার্কিট বলে। ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর 1 হয়।
সবাইকে ধন্যবাদ।
স্প্যানের দৈর্ঘ্য (আনুমানিক) ট্রানসমিশন লাইনের জন্য
১। 400 V এর জন্য =৫০-৭০ মিটার।
২। 11 KV লাইনের জন্য =৮০-১২০ মিটার।
৩। 33 KV লাইনের জন্য =১১০-১৩০ মিটার।
৪। 66 KV লাইনের জন্য =১৮০-২৪০ মিটার।
৫। 132 KV লাইনের জন্য =২৫০-৩২০ মিটার
28/12/2018
She is an Electrical Engineer
28/12/2018
Boeing Motor/Boeing engine
27/12/2018
কি কারণ হতে পারে??
নবীন প্রকৌশলরা বলুন
25/12/2018
Solenoid valve
24/12/2018
For what uses it this type of Motor????
24/12/2018
1HP=?? Watt
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chittagong