Marine Explorers BD
Its all about OCEAN
Due to some reasons, our admins took a long break. we're coming with new hope after Eid-ul-Fitre. Advance Eid Mubarak and thanks to you all for being with us.
{R}
02/08/2012
জেলী ফিশের শরীরের ৯৫% পানি ।
এই ছবিটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জেলীফিশের ।
The day after tomorrow, on 7th july, begining the National Fisheries Week, 2012. It will held 7th July to 13th July. Institute of Marine Sciences & Fisheries (IMSF), Chittagong University is going to organize various programs to celebrate this week. Everyone is invited.
I m Requesting to other Admins-plz update some posts to run the page.. .. .. I m quite busy and cant be free untill 1 July.
[D]
:::::সাগরতলের সবচেয়ে বিপজ্জনক ৫টি হাঙ্গর::::::
[D]
পানিতে বসবাসকারী শিকারী প্রানীগুলোর মধ্যে হাঙ্গরই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। হিংস্রতার দিক দিয়েও এর তুলনা হয় না। হাঙ্গর কি আসলেই বিপজ্জনক? গবেষকরা বলে থাকেন, কোন হাঙ্গর যেটি ৬ ফিট এর বেশি লম্বা সেটি মানুষের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। কারন এটি আকারে বড়, সুগঠিত চোয়াল এবং শক্ত দাঁতের অধিকারী। মূলত গ্রেইট হোয়াইট এবং বুল শার্ক জাতীয় হাঙ্গরগুলো ছাড়া অন্যান্য হাঙ্গরগুলো মানুষ থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করে। এবার আসা যাক কোন কোন হাঙ্গরগুলো আপনার সমূদ্র স্নান দূঃস্বপ্নে পরিনত করতে পারে।
৫. শর্টফিন ম্যাকাওঃ
সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন এই হাঙ্গর অনেক সময় মাছ ধরার নৌকা আক্রমন করে থাকে। এর এক কামড়ে একটি নৌকা যতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাতে এটি ডুবে যেতে ২-৩ মিনিট সময় লাগে। এই জন্য শর্টফিন ম্যাকাও জেলেদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক হাঙ্গর। অনেক সময় জেলেরাও এর জন্য বিপজ্জনক। ম্যাকাও যদি কখনো বর্শিতে আটকা পড়ে তখন এটি খুবই আক্রমনাত্নক হয়ে ওঠে। এটি সাধারনত গভীর পানিতে বাস করে। আর তাই তীরে সাঁতার কাটা সাঁতারুদের চাইতে জেলে অথবা ডুবুরিদের এর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বেশি থাকে।
৪. ওশানিক হোয়াইটটিপঃ
হোয়াইটটিপ সাগরতলের বড় প্রানীগুলোর মধ্যে একটি। যদিও এটি মানুষকে আক্রমন করার ইতিহাস খুব একটা নেই। যখন কোন যুদ্ধের নৌযান শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে ডুবে যায়, তখন গভীর পানিতে থাকা এই হাঙ্গর অনেক সময় যোদ্ধাদের শত্রু হয়ে ওঠে। এটি যখন শিকার ধরে তখন অন্য কোন দিকে খেয়াল থাকে না। এই জন্যই মূলত একে বিপজ্জনক হাঙ্গর এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৩. টাইগার শার্কঃ
মানুষের বদলে টাইগার শার্ক মূলত জুতা, টিনের কৌটা, ব্যাগ, সিগারেটের প্যাকেট এগুলো খেতেই বেশি পছন্দ করে। কারন এর পেটে প্রায়ই এগুলো পাওয়া যায়। যেখানে অন্যান্য হাঙ্গররা কোন মানুষ পেলে হয়ত একটি কামড় দিয়ে দেখবে এটি খাওয়ার যোগ্য কিনা, সেখানে টাইগার শার্ক এক কামড় দিয়ে কোন মতেই ছেড়ে দেবেনা। আর এটি যদি একবার
খাওয়া চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সেটি কারো জন্যই খুব একটা সুখকর হবেনা। এর চোয়ালে ইলাস্টিক পেশী রয়েছে। যার কারনে এটি স্বাভাবিক এর চাইতে বড় কামড় দিতে পারে। এটির ক্ষুরের মত ধারালো শক্ত দাঁতের কাছে যেকোন কিছু হার মানতে বাধ্য। অনেক সময় এটি শক্ত খোলসে ঢাকা সামদ্রিক কচ্ছপ খেতেও দ্বিধা করে না।
২. বুল শার্কঃ
এর নাম থেকেই এর স্বভাব সম্পর্কে ধারনা করা যাচ্ছে। ষাঁড়ের মত আক্রমন করতেই এরা বেশি পছন্দ করে। বুল শার্ক দ্বারা আক্রান্ত হওয়া এক ব্যক্তি এটিকে ট্রাক দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সাথে তুলনা করেছেন। মিঠা পানি এবং লবনাক্ত পানি
সবখানেই এদের দেখা যায়। স্বাধারনত তীরের কাছের অগভীর পানিতেই এদের বেশি পাওয়া যায়।
১. গ্রেইট হোয়াইটঃ
হোয়াইট বলা হলেও গ্রেইট হোয়াইট কিন্তু পুরপুরি সাদা নয়। এর পেটের দিকটি সাদা এবং পিঠের দিকটি গাড় ধূসর রঙের হয়ে থাকে। ‘মাইন্ডলেস কিলিং মেশিন’ নামে পরিচিত গ্রেইট হোয়াইট শার্ক সম্পর্কে প্রায় সবাই জানে। এটি মানুষের প্রতি খুবই আগ্রহী এবং কামড় দিয়ে পরখ করে দেখে এটিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহন করা যায় কিনা। মানুষ এবং নৌযানে আক্রমন করার কুখ্যাতি রয়েছে এর অনেক। যদিও অনেক গবেষকরা বলে থাকেন পানির নিচ থেকে সার্ফ বোর্ডকে দেখতে সীল মাছের মত দেখায় বিধায় এটি ভুল করে সার্ফ বোর্ড আক্রমন করে। তবে মানুষের চাইতে সীল মাছের চর্বিযুক্ত নরম মাংসই এদের বেশি পছন্দ। এটি এক কামড়ে ৯ থেকে ১৪ কেজি মাংস মুখে পুরে ফেলতে পারে। ৫ কিলোমিটার দূর থেকে সামান্য রক্তের আভাস পেলে এটি ছুটে আসতে পারে।
আপনারা যারা ‘Jaws’ অথবা ‘Deep Blue Sea’ এর মত হাঙ্গরের মুভি দেখেছেন তারা এর আক্রমন এবং ধংস ক্ষমতা সম্পর্কে সহজেই ধারনা করতে পারেন। মুভিতে যতটুকু দেখানো হয়েছে বাস্তবে হাঙ্গর কিন্তু এর চাইতে কম বিপজ্জনক নয়।
ভাল লাগলে লাইক এবং কমেন্ট করতে ভুলবেন না ......।
পৃথিবীর মোট উদ্ভিদ জগতের ৮৫% সমুদ্রের নিচে । [D]
11/06/2012
পেজের একজন মেম্বারের অনুরোধে নীল তিমি নিয়ে একটি পোস্ট দিচ্ছি আশা করি সবার ভালো লাগবে। [D]
নীল তিমি পৃথিবীর বৃহত্তম স্তন্যপায়ী প্রাণী। অনেকে নীল তিমিকে তিমি মাছ বললেও আসলে কিন্তু ওরা মোটেও মাছ নয়। বরং ওরা প্রাণিজগতের কর্ডাটা পর্বের সিটাসিয়া বর্গের বেলিনপটেরিডি গোত্রের স্তন্যপায়ী প্রাণী। ইংরেজি নাম ব্লু হোয়েল ।নীল তিমি প্রধানত আর্কটিক ও এ্যান্টার্কটিক মহাসাগরে বেশি পাওয়া যায়। তবে পৃথিবীর সব সাগর-মহাসাগরেও কমবেশি এদের দেখতে পাওয়া যায়। পূর্ণবয়স্ক একটি পুরুষ নীল তিমির দৈর্ঘয প্রায় ৮২ ফুট আর স্ত্রী তিমির দৈর্ঘয প্রায় ৮৫ ফুট। একটি তিমির ওজন ১৭৫,০০০ পাউন্ড থেকে ২৮৫,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে।
স্বভাব : বিজ্ঞানীদের মতে অন্যান্য সামুদ্রিক স্তন্যপায়ীদের মতো নীল তিমিরাও প্রাচীন স্থলচর প্রাণীদের থেকে উত্পত্তি লাভ করেছে। লাখ লাখ বছর আগে সমুদ্রে সামুদ্রিক প্রাণীদের প্রাচুর্য ছিল বেশি। বেশি বেশি শিকারের লোভে ওরা পানিতে নেমে যায়। অধিকাংশ সময় জলজ পরিবেশে কাটানোর ফলে কালক্রমে ওদের শারীরিক বৈশিষ্ট্যেরও ব্যাপক পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে। বর্তমানে নীল তিমিরা জীবনের একটি বেশিরভাগ সময়ই আর্কটিক ও এ্যান্টার্কটিক মহাসাগরে কাটায়। এখানে ওদের প্রধান খাদ্য প্ল্যাংকটন প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। শীতকালে ওরা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় মহাসাগরের পানিতে অভিপ্রয়াণ করে চলে আসে। কিন্তু এখানে যথষ্টে পরিমাণে খাবার পাওয়া যায় না বলে এ সময় ওরা পুষ্টির জন্য নিজেদের দেহে জমানো পুরু চর্বির স্তরের ওপর নির্ভর করে। বংশবৃদ্ধি : নীল তিমিরা পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে। এজন্য ওদের প্রায়ই দুই থেকে চারটি তিমির ছোট ছোট দলে দলবদ্ধভাবে চলতে দেখা যায়। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় মহাসাগরের উষ্ঞ পানিতেই মা নীল তিমি বাচ্চার জন্ম দেয়। বাচ্চা জন্মানোর সময় অন্যান্য মেয়ে তিমিও মায়ের পাশে থেকে নবজাতক তিমির যত্ন নিতে মাকে সাহায্য করে। বাচ্চার জন্মের পর পরই তারা সবাই মিলে বাচ্চাটিকে সমুদ্রের পানির ওপরে টেনে তুলে ধরে ওকে বাতাসে শ্বাস নিতে সাহায্য করে। জন্মের সময় নবজাতক তিমিটি দৈর্ঘযে প্রায় ২৩ ফুট আর ওজনে প্রায় ১৬,০০০ পাউন্ড হয়ে থাকে। সাগরের পানির নিচেই বাচ্চাটি মায়ের দুধ পান করতে থাকে। একটি বাচ্চা নীল তিমি দৈনিক প্রায় ১৬০ গ্যালনেরও বেশি দুধ পান করে! ৭ মাস বয়সে বাচ্চাটি নিজে নিজে খাবার খুঁজে খেতে শুরু করে।
নীল তিমিরা কি খায় : এ্যান্টার্কটিক মহাসাগরে নীল তিমিরা ক্রিল নামে পরিচিত এক ধরনের প্ল্যাংকটন খেয়ে থাকে। অন্যদিকে আর্কটিক মহাসাগরে ওরা শুধুমাত্র ৩ প্রজাতির খোলসযুক্ত চিংড়ি জাতীয় প্ল্যাংকটন খেয়ে বঁাচে। বরফশীতল পানিতে উষ্ঞ পানির চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি অক্সিজেন ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড থাকে। এজন্য এ পানিতে প্রচুর পরিমাণে সামুদ্রিক প্রাণী পাওয়া যায়। একই কারণে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় মহাসাগরের উষ্ঞ পানির তুলনায় আর্কটিক ও এ্যান্টার্কটিক মহাসাগরের বরফ-শীতল পানিতে ২০ গুণ বেশি প্ল্যাংকটন পাওয়া যায়। বিশাল আকারের প্রাণী হওয়া সত্ত্বেও নীল তিমিরা ঘণ্টায় ১০-১৫ নট& বেগে চলতে পারে। ডুবন্ত অবস্থাতেই ওরা বেশির ভাগ খাবার শিকার করে। ওরা সাগরের তলদেশে ১৬৫০ ফুট গভীরে ডুব দিয়ে কমপক্ষে ২ ঘন্টা যাবত্ সেখানে ডুবে থাকতে পারে। নীল তিমিদের চোয়ালে দঁাতের পরিবর্তে বেলিন নামে পরিচিত কয়েক সারি পে্লট থাকে। এগুলো খাবার সংগ্রাহক হিসেবে কাজ করে। তিমির মুখ আর বেলিন একসঙ্গে বিরাটাকৃতির একটি ছঁাকনি হিসেবে কাজ করে। একবার মুখ হঁা করলে এর মুখে প্রায় ৫ টন পানি ও প্ল্যাংকটন একসঙ্গে উঠে আসে। নীল তিমির চোয়ালে প্রায় ৩২০টি বেলিনের পে্লট আছে। এগুলো প্রায় ৪০ ইঞ্চি লম্বা আর ২২ ইঞ্চি চওড়া। প্রত্যেকটি পে্লটের শেষ প্রানে্তর কঁাটার মতো অংশগুলো সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম জীবগুলোকেও আটকে ফেলে। প্রবল বেগে মুখের পানিগুলো বেলিনের মধ্যদিয়ে বের করে দিয়ে কেবল প্ল্যাংকটনগুলোকে ওরা মাংসল জিহ্বা দিয়ে চিবোতে থাকে। এ যাবত্ ধরা পড়া বৃহত্তম নীল তিমিটির দৈর্ঘয ছিল ১০২ ফুট। সবচেয়ে ওজনদার নীল তিমিটি ওজনে ছিল প্রায় ৩৯০,০০০ পাউন্ড। নীল তিমিদের দেহ সালফারের মতো সবুজাভ হলুদ শৈবালে ঢাকা পড়ে যেত বলে নাবিকেরা ওদের সালফার পেটওলা তিমি বলে ডাকত। নীল তিমিরা সাগরের শ্বাস নেয়ার জন্য পানির ওপর ভেসে উঠে প্রবল বেগে বাতাস ছুঁড়ে মারে। এগুলো অনেক দূর থেকে দেখেই সাগরে এদের উপস্থিতি সম্পর্কে বোঝা যায়। নীল তিমির গড় আয়ু প্রায় ৮০ বছর। নীল তিমি ও মানুষ বিরাটাকৃতির কারণে তিমি-শিকারীদের কাছে নীল তিমি একটি লোভনীয় শিকার ছিল। এর দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণে তেল পাওয়া যায়। এজন্য এ্যান্টার্কটিক মহাসাগরে তিমি শিকারীরা ১৯৩০ থেকে ১৯৩১ সালের মধ্যেই প্রায় ৩০,০০০ নীল তিমি শিকার করেছে। ১৯৮৬ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে তিমি শিকার বন্ধ রয়েছে। এজন্য বর্তমানে নীল তিমির সংখ্যাও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে আনুমানিক প্রায় ১০,০০০ নীল তিমি সারা পৃথিবীতে আছে বলে ধারণা করা হয়।
Source:http://prothom-aloblog.com/posts/16/42992
সমুদ্রের রাজা নীল তিমি Visit Prothom Alo for up-to-date bangla news, breaking news, reviews, opinion and feature stories. Prothom Alo provides trusted Bangladesh and International news as well as local and regional perspectives. Find also entertainment, business, science, technology, sports, movies, travel, jobs, educatio...
ডেড সি (মৃত সাগর) নিয়ে একটা পোস্ট দিবো ভাবছি...। কিন্তু এটা সম্পর্কে বাংলা এবং ইংলিশে প্রচুর তথ্য পেয়েছি। সব তথ্য দিতে গেলে পোস্ট অনেক বড়ো হবে।। ডোন্ট ওরি! শীঘ্রই গুছিয়ে পোষ্টটি দেয়া হবে। [D]
07/06/2012
Ocean Day Special Post:-
Some amazing informations about our ocean r given below.Even I m astonished to learn these informations.Must go through.
[D]
The oceans contain 99 percent of the living space on Earth, covering over 71 percent of its surface. In all, the oceans contain 328 million cubic miles/1.34 billion cu. km of water.
Ninety-seven percent of the water on Earth is sea water. Less than 1 percent is fresh, while another 2 to 3 percent is contained in glaciers and icecaps.
The surface area of the Pacific Ocean alone exceeds the surface area of all land masses combined.
The record for the longest coastline goes to Canada, with 56,453 miles/ 90,906 km. That’s around 15 percent of the world’s total 372,384 miles/599,652 km of coastline.
Sea water contains almost every element on Earth. In fact, if all the salt were extracted it could cover the continents to a depth of 5 feet/1.5 m. And if all the gold could be extracted, every man, woman and child on Earth would have about 9 pounds/4 kg.
While the average land elevation is 2,755 feet/840 m, the average depth of the ocean is 12,238 feet/3,730 m. The deepest part is the Marianas Trench in an area called Challenger Deep, where it’s 35,802 feet/10,912 m to the bottom, a depth that could completely submerge Mount Everest by more than 8,000 feet/2,438 m. The pressure at the bottom is an astounding 8 tons per square inch. That’s like one person trying to support 50 jumbo jets.
Speaking of Mount Everest, if you thought it was the tallest mountain on Earth, think again. Although Mount Everest is 29,028 feet/8,847 m, when measured from the sea floor, Hawaii’s Mauna Kea is 33,465 feet/10,200 m. (Only 13,796 feet/4,205 m stands above sea level, however.)
On the subject of mountains, the Earth’s longest range is — where else? — underwater. It’s called the Mid-Ocean Ridge and winds its way from the Arctic Ocean through the Atlantic, skirting Africa, Asia and Australia, and crosses the Pacific to the west coast of North America. That’s four times longer than the Andes, Rockies and Himalayas combined.
While land-based volcanic eruptions garner most of the publicity, more than 90 percent of all volcanic activity occurs in the oceans. Scientists have, in fact, located the largest known concentration of volcanoes along the sea floor of the South Pacific in an area roughly the size of New York state. The area contains over 1,100 volcanic cones and seamounts, two or three of which could erupt at any time.
The Atlantic Ocean is still growing at a rate of 1.5 inches/4 cm per year. That means it was about 66 feet/20 m narrower when Columbus landed.
If you think it’s cold where you dive, consider that the average sea-water temperature is a bone-chilling 38˚F/3.5˚C. However, sea surface temperatures in the Persian Gulf can reach over 96˚F/36˚C.
Most of us think of ocean currents as relatively permanent features flowing in only one direction, but there is a notable exception. In the Indian Ocean, currents are seasonal, driven by the monsoon winds. From November to March the current is driven toward Africa, only to reverse direction in May with the changing wind pattern.
For more details:-http://www.dtmag.com/Stories/Ocean%20Science/11-98-feature.htm
07/06/2012
বাংলাদেশে যে মান্দারবাড়িয়া নামে একটা সমুদ্র সৈকত আছে খুব কম লোক ই জানে...এখানে দাঁড়িয়ে দেখা যাবে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত...চলো ঘুরে আসি। কিন্তু সাবধান!মান্দারবাড়ীয়া কেবল মাত্র হার্ডকোর ঘুরুঞ্চিদের জন্য।যারা নিজেদের হার্ডকোর ভ্রমন বিলাসীমনে করো তারাই ঘুরে আসতে পারো... [D]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
University Of Chittagong
Chittagong