GREEN BUDS International School

GREEN BUDS International School It is an educational institute, located at Chittagong, in Bangladesh.

A free dental check-up camp was successfully held today (June 14) at Green Buds International School, under the supervis...
14/06/2026

A free dental check-up camp was successfully held today (June 14) at Green Buds International School, under the supervision of Dental Surgeon Dr. Tasneen Akter.

The initiative was organized with the aim of promoting oral health awareness among students and identifying dental issues at an early stage. The camp was inaugurated by the school's Principal, Arpita Nargis.

During the camp, participating students underwent dental health screenings and received professional advice regarding their oral care. Awareness sessions were also conducted on proper tooth-brushing techniques, maintaining oral hygiene, and preventive measures against common dental diseases.

Speaking on the occasion, Dr. Tasneen Akter emphasized that regular dental check-ups are essential for ensuring children's oral health. She noted that many complex dental problems can be effectively prevented through proper care and increased awareness.

Principal Arpita Nargis welcomed such healthcare-oriented initiatives and expressed her hope that similar programs would continue in the future for the well-being of the students.

The camp received an enthusiastic response from students, teachers, and parents alike, reflecting the community’s strong interest in promoting oral health and preventive healthcare.

শিশুর হাম হলে বুঝবেন কীভাবে অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ শাহরিয়ার  প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:২৫একটি শিশুর হাসি যেমন একটি পরিব...
07/04/2026

শিশুর হাম হলে বুঝবেন কীভাবে
অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ শাহরিয়ার

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:২৫
একটি শিশুর হাসি যেমন একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় শক্তি, তেমনি একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগের কারণে সেই হাসি ম্লান হয়ে যাওয়া আমাদের সবার জন্যই বেদনাদায়ক। বাংলাদেশে সম্প্রতি শিশুদের মধ্যে হাম রোগের পুনরুত্থান আমাদের সামনে এমনই এক কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরছে; যেখানে সামান্য অসচেতনতা বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
কতটা ভয়ংকর এই ‘হাম’?
হাম পৃথিবীর অন্যতম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ।
একজন আক্রান্ত শিশু থেকে গড়ে ১২-১৮ জন
অ-টিকাপ্রাপ্ত শিশু সংক্রমিত হতে পারে। বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস খুব দ্রুত পরিবার ও সমাজে বিস্তার লাভ করে। প্রথমেই জেনে নিন, শিশুর হাম হলে বুঝবেন কীভাবে।

লক্ষণ: প্রথমেই চিনে নিন
l উচ্চ জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া
l চোখ লাল হয়ে যাওয়া
l মুখের ভেতরে সাদা দাগ (Koplik spots)
l মুখ থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া লাল ফুসকুড়ি

জটিলতা: অবহেলার সুযোগ নেই
হাম কখনোই ‘হালকা’ রোগ নয়; বিশেষ করে কিছু শিশুর জন্য এটি জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।প্রথমেই জেনে নিন শিশুর হাম হলে বুঝবেন কিভাবে

সম্ভাব্য জটিলতা
l নিউমোনিয়া l ডায়রিয়া ও ডিহাইড্রেশন
l কানের সংক্রমণ l এনসেফালাইটিস
l দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যাওয়া

জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশু: তারা কি বেশি ঝুঁকিতে?
একজন পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট হিসেবে আমার অভিজ্ঞতায়–জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুরা হামের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকে, বিশেষ করে–
l যাদের হার্টের সমস্যা এখনও সম্পূর্ণ সংশোধন (corrected) হয়নি
l যাদের হার্ট ফেইলিউর বা ফুসফুসে অতিরিক্ত রক্তপ্রবাহ রয়েছে
l অপুষ্ট বা বারবার অসুস্থ হয়ে পড়া শিশু
কেন তারা বেশি ঝুঁকিতে?
l হামের সময় নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা আগে থেকেই দুর্বল হার্ট ও ফুসফুসের জন্য বিপজ্জনক
l জ্বর ও সংক্রমণের কারণে হার্টের ওপর চাপ বাড়ে
l অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ে, যা সায়ানোটিক হার্ট ডিজিজে সমস্যা বাড়াতে পারে
l হাইড্রেশন ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা হার্টের অবস্থা খারাপ করতে পারে
অর্থাৎ একটি ‘সাধারণ ভাইরাল সংক্রমণ’ এই শিশুদের জন্য দ্রুত জটিল অবস্থায় রূপ নিতে পারে।
এসব শিশুর জন্য বিশেষ সতর্কতা
টিকাদানে কোনো বিলম্ব নয়
l নির্ধারিত সময়েই MR টিকা অবশ্যই দিতে হবে
l প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে আগাম সুরক্ষা পরিকল্পনা করা যেতে পারে
সংক্রমণ এড়িয়ে চলা
l ভিড় বা অসুস্থ মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন
l পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে শিশুকে আলাদা রাখুন

দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ
l জ্বর, কাশি বা ফুসকুড়ি দেখা দিলেই দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান
l ‘দেখি নিজে নিজে ভালো হয় কিনা’–এই অপেক্ষা বিপজ্জনক হতে পারে

পুষ্টি ও ফলোআপ নিশ্চিত করা
l অপুষ্টি থাকলে ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ে
l নিয়মিত কার্ডিওলজি ফলোআপ বজায় রাখা জরুরি
প্রতিরোধ: টিকাই একমাত্র ঢাল

বাংলাদেশ সরকারের Expanded Programme on Immunization (EPI) অনুযায়ী–
l ৯ মাসে MR টিকার প্রথম ডোজ
l ১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ
দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে প্রায় ৯৭% পর্যন্ত সুরক্ষা পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন ধরে হাম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে–
l জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি (EPI)
l দেশব্যাপী MR ক্যাম্পেইন
l কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনামূল্যে টিকা
l মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ
এই সমন্বিত উদ্যোগই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
সরকারি হাসপাতালে কী চিকিৎসা পাওয়া যায়?
হামের নির্দিষ্ট ওষুধ না থাকলেও কার্যকর সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়–
l ভিটামিন A l জ্বর নিয়ন্ত্রণ (প্যারাসিটামল)
l ORS বা স্যালাইন l পুষ্টি সহায়তা
l নিউমোনিয়ায় অ্যান্টিবায়োটিক l অক্সিজেন সাপোর্ট l জটিল ক্ষেত্রে ভর্তি চিকিৎসা
প্রতিদিন আমরা এমন শিশু দেখি, যাদের কেবল একটি টিকা না নেওয়ার কারণে অপ্রয়োজনীয় কষ্ট পেতে হচ্ছে।
বিশেষ করে জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে–অবহেলা কখনও কখনও জীবন-মৃত্যুর ব্যবধান তৈরি করে।
শেষ কথা: একটি টিকা, একটি জীবন
হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ; কিন্তু আমাদের অসচেতনতা একে প্রাণঘাতী করে তুলছে। বিশেষ করে যেসব শিশু আগে থেকেই অসুস্থ; যেমন জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত–তাদের সুরক্ষা আমাদের আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে।v
[পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি বিভাগ, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল]

জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা অনেক ক্ষেত্রে ভয়ংকর জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। হাম-পরবর্তী জটিলতা হিসেবে প্রায়ই নিউমোনিয়া ও গুরুতর ডায়রিয়া দেখা যায়, যা শিশুদের জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে। এছাড়া আক্রান্ত শিশুর শরীরে ভিটামিন এ-এর মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে চোখ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে এবং চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। এই অবস্থার কারণে রাতকানা থেকে শুরু করে স্থায়ী অন্ধত্ব পর্যন্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। হামে আক্রান্ত অনেক শিশুর ক্ষেত্রে কান পাকা, মুখে ঘা, তীব্র অপুষ্টি এবং মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে এসব জটিলতার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে–
lশ্বাসকষ্ট lখিঁচুনি lশিশুর অস্বাভাবিক নিস্তেজতা lখেতে না পারাlতীব্র ডায়রিয়া
বা ডিহাইড্রেশন

সূত্র : দৈনিক সমকাল

দেশজুড়ে হামের প্রকোপশিশুকে সুরক্ষা দেবেন কীভাবেডা. আসসাদে তারান্নুমপ্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএমহাম মিজেলস ভাইরাসজনি...
04/04/2026

দেশজুড়ে হামের প্রকোপ
শিশুকে সুরক্ষা দেবেন কীভাবে
ডা. আসসাদে তারান্নুম
প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম

হাম মিজেলস ভাইরাসজনিত একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা বর্তমানে অনেক বেশি পরিমাণে শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি মূলত টিকা না নেওয়া শিশু, শিশুদের মধ্যে ০-৫ বছর, অপুষ্ট শিশু, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন দুর্বল ব্যক্তিদের মাঝে বেশি হচ্ছে।

* কীভাবে ছড়ায়

আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে, সুস্থ শিশু এটি শ্বাসের মাধ্যমে নিলেই সংক্রমিত হতে পারে। ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস বা থুতুর ফোঁটা দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বাতাস/পৃষ্ঠে জীবিত থাকতে পারে। একই ঘরে থাকলে অকার্যকর টিকা নিলে, ইমিউনিটি নেই বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন মানুষের মধ্যে ৯০ শতাংশ সংক্রমিত হতে পারে।

* উপসর্গ

সাধারণত সংক্রমণের ৭-১৪ দিনের মধ্যে শুরু হয়। জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট, নাক দিয়ে পানি বের হওয়া, চোখ লাল হওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া, মুখের ভেতরে ছোট ছোট সাদা দাগ-এসব প্রধান উপসর্গ। এগুলো র‌্যাশ হওয়ার আগেই দেখা যায়। র‌্যাশ প্রথমে মুখ/ঘাড় থেকে শুরু হয়ে শরীরের ওপর থেকে নিচে ছড়িয়ে পড়ে। র‌্যাশ হওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই এবং র‌্যাশের ৪ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রমিত করতে পারে। যেহেতু র‌্যাশ হওয়ার আগেই অন্য উপসর্গ দেখা দেয়, তাই উপসর্গ দেখা দেওয়া মাত্রই বাচ্চাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সচেতন হতে হবে।

* জটিলতা

হামের ফলে তৈনি হওয়া জটিলতাগুর্লোর মধ্যে রয়েছে ফুসফুসের সংক্রমণ (নিউমোনিয়া), কানের সংক্রমণ, মস্তিষ্কে প্রদাহ (এনসেফালাইটিস), দীর্ঘমেয়াদে পুষ্টির অভাব/ইমিউন সিস্টেমে ক্ষতি এবং খুব বিরল ক্ষেত্রে Subacute Sclerosing Panencephalitis (SSPE) কয়েক বছর পরে হতে পারে। এটি মস্তিষ্কের জটিল রোগ।

* করণীয়

হাম হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীকে বাসায় রেখে সঠিক যত্ন নিলে ভালো হয়ে যায়। তবে সতর্কতা খুব জরুরি, কারণ এটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং জটিলতা হতে পারে।

▶ আলাদা/আইসোলেট রাখুন।

▶ জ্বর নিয়ন্ত্রণ করুন-প্যারাসিটামল দিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করুন।

▶ পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দিন (পানি, স্যালাইন, সহজপাচ্য খাবার-খিচুড়ি, স্যুপ, ফল হিসাবে কলা, ভাতের সঙ্গে ১ পিস লেবু, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত হলে ডাবের পানি)।

▶ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল হাম চলাকালীন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করুন। বয়স অনুযায়ী ডোজ আলাদা খাওয়াবেন। ৫ বছর পর্যন্ত হামের উপসর্গ না থাকলেও যেসব শিশু ৬ মাসের মধ্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খায়নি তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করুন।

বিপজ্জনক লক্ষণ দেখলে হাসপাতালে নিয়ে যান, যেমন-

শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, খুব বেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া, খাওয়া বা পানি পান বন্ধ, কান ব্যথা বা কানে পুঁজ ও জ্বর ৪-৫ দিনের বেশি থাকলে।

* প্রতিরোধ

টিকা হলো প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। মিসেলস, মাম্পস, রুবেলা (এমএমআর) ভ্যাকসিন বেসরকারিভাবে দেওয়া যায়। বাংলাদেশে জাতীয় সম্প্রসারিত ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি অনুযায়ী এমআর (মিসেলস, রুবেলা) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এই ভ্যাকসিন সাধারণত প্রথম ডোজ দেওয়া হয় ৯ মাস বয়সে, দ্বিতীয় ডোজ ১৫ মাস বয়সে। ১ম ডোজ দিলে ৮৫-৯৫ শতাংশ (আনুমানিক ৯০ শতাংশ) কার্যকারিতা ও ২য় ভোজ ভ্যাকসিনে আনুমানিক ৯৭-৯৯ শতাংশ কার্যকারিতা দিয়ে থাকে। WHO এবং বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, দুই ডোজই নেওয়া বাধ্যতামূলক। রেগুলার স্কুল, এক্সট্রা কারিকুলার শিক্ষার জায়গা-আর্ট, গান, কারাতে ইত্যাদিতে ভর্তির সময় ভ্যাকসিন কার্ডের কপি দেওয়া বাধ্যতামূলক করার মতো ব্যবস্থা সরকার নিতে পারে।

* টিকা নিয়ে কিছু কথা

▶ আউটব্রেক-এর সময় ৯ মাসের আগেই শিশুরা ৬ মাস বয়স থেকে টিকা নিতে পারে।

▶ ৬ মাসের আগে টিকা নেওয়ার প্রয়োজন সাধারণত হয় না। কারণ মায়ের শরীর থেকে এন্টিবডি বাচ্চার কাছে আসে।

▶ ৯ মাস আগেই টিকা নেওয়া থাকলে ৯ মাস ও ১৫ মাসে টিকা নিতে হবে।

▶ যেসব শিশু ৯ মাসে ১টি টিকা নিয়েছে কিন্তু ১৫ মাস হতে এখনো বেশ সময় বাকি তারা এ আউটব্রেকের সময় যদি ৯ মাসের পর ৪ সপ্তাহ পার হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই ২য় ডোজ টিকা গ্রহণ করতে পারবেন ১৫ মাস না হওয়া সত্ত্বেও।

▶ ৯ ও ১৫ মাসে টিকা দেওয়া থাকলে পরবর্তীতে আর কোনো বুস্টার টিকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

▶ সরকারিভাবে মিজেলস ক্যাম্পেইন শুরু হলে অবশ্যই আগে টিকা দেওয়া থাকুক বা না থাকুক আপনার শিশুকে টিকা প্রদান করবেন।

▶ যারা আগে বিভিন্ন কারণে টিকা নিতে পারেননি-তারা অতিসত্বর ২ ডোজ টিকা ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে নিতে পারেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

* জনসাধারণের জন্য সতর্কতা

▶ রোগীর কাছ থেকে দূরে থাকা।

▶ হাত ধোয়া, নাক ও মুখ ঢেকে রাখা-মাস্ক ব্যবহার করা।

▶ ভ্যাকসিন না নেওয়া শিশুদের জনগণের সংস্পর্শ থেকে বিরত রাখা।

▶ স্বাস্থ্যকর্মী/জনসাধারণ যারা আছেন হাম রোগীর সংস্পর্শে এলে।

টিকা নেওয়া থাকলে ২১ দিন পর্যন্ত উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করুন। উপসর্গ হলে আইসোলেট/ আলাদা থাকুন। টিকা না দেওয়া থাকলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে MR/MMR টিকা নিন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে বেশিরভাগ হামের রোগী যারা আগে টিকা গ্রহণ করেননি তারা অসুস্থ হয়ে আসছে। অনেকে টিকা পাওয়া সত্ত্বেও কেন হাম হচ্ছে এইটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করা দরকার। ধারণা করা হচ্ছে-টিকা যে লটে আসে সেটার ত্রুটি থাকতে পারে বা কোল্ড চেইন ভালোভাবে মেইনটেইন হচ্ছে না।

লেখক: শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
সূত্র : দৈনিক যুগান্তর
৪ এপ্রিল, ২০২৬

স্মার্টফোনের প্রভাবে মায়োপিয়া বাড়ছে শিশু-কিশোরদেরবিরূপ প্রতিক্রিয়া মানসিক বিকাশেওনিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশ: শনিবার ৪ এপ্রি...
04/04/2026

স্মার্টফোনের প্রভাবে মায়োপিয়া বাড়ছে শিশু-কিশোরদের
বিরূপ প্রতিক্রিয়া মানসিক বিকাশেও

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার ৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪২

ঢাকার একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী লাবিবা ইসলাম মৌনি। দূরের বস্তু স্পষ্ট দেখতে না পাওয়ায় পঞ্চম শ্রেণী থেকেই নিয়মিত চশমা ব্যবহার করে সে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় মায়োপিয়া।

এর প্রভাবে কাছের জিনিস দেখতে অসুবিধা না হলেও দূরের জিনিস আবছা লাগে। লাবিবার মা সিরাজুম মনি জানান, মায়োপিয়া ছাড়াও প্রায়ই মাথাব্যথার সমস্যা হয় লাবিবার। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন দৈনিক স্মার্টফোন, ল্যাপটপের মতো ডিভাইসগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং স্ক্রিন টাইম দেড় থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধা রাখতে। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘মৌনি দৈনিক অন্তত ৪-৫ ঘণ্টা স্মার্টফোন বা ল্যাপটপে সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং, গেম খেলা, ওয়েব সিরিজ দেখে পার করে। বিষয়টি শারীরিকভাবে যেমন বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে, তেমনি তার পড়ালেখায়ও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। চেষ্টা করেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।

লাবিবার মতো একই সমস্যার শিকার শিশু-কিশোরদের বড় অংশ। চিকিৎসাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস যেমন আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করে তুলেছে, তেমনি এর অতিরিক্ত ব্যবহার শিশু-কিশোরদের বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও ফেলছে এবং মানসিক বিকাশকেও বাধাগ্রস্ত করছে।

সম্প্রতি মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ওপর স্মার্টফোনের প্রভাববিষয়ক তথ্য উঠে এসেছে ‘এক্সপ্লোরিং স্মার্টফোন ইউজ অ্যামাং সেকেন্ডারি স্কুল স্টুডেন্টস ইন আ রুরাল স্কুল ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে। ওই গবেষণায় চাঁদপুরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর ৫৯ শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে প্রায় ৬৩ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছিল তারা পড়ালেখা বা কাজে মনোযোগের অভাব অনুভব করে। প্রায় ৪২ শতাংশ প্রায়ই মাথাব্যথার কথা জানায়। ৩৩ শতাংশ শিশু-কিশোর দৃষ্টিশক্তির সমস্যার কথা জানিয়েছিল। এছাড়া ৩৩ শতাংশ জানায়, তাদের ফলাফল খারাপ হচ্ছে এবং ২২ শতাংশ প্রায়ই পিঠে ব্যথা অনুভব করে।

‘বাংলাদেশের কিছু এলাকায় স্কুলের শিশুদের দৃষ্টিত্রুটি পরিস্থিতি’ শিরোনামে ২০২১ সালে একটি গবেষণা করেছিল ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল। ঢাকা, বরিশাল, জামালপুর ও নওগাঁর বিভিন্ন স্কুলের ৩২ হাজার ৭৪৮টি শিশুর চোখ পরীক্ষা করে ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল জানিয়েছিল দেশের স্কুলশিক্ষার্থীদের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ১৪ জনের দৃষ্টিত্রুটি রয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, চার জেলার মধ্যে রাজধানী ঢাকার শিশুদের দৃষ্টিত্রুটির হার সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৪০ শতাংশ।

চিকিৎসকরা বলছেন, বই বা কোনো কিছু পড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত চোখ থেকে গড়ে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্ব থাকে। কিন্তু স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে এ দূরত্ব ৩০ সেন্টিমিটার এবং কখনো কখনো ১৮-২০ সেন্টিমিটারেও নেমে আসে। এছাড়া ছোট কক্ষে দীর্ঘ সময় কাটানো, বাইরে কম ছোটাছুটির কারণে শিশু-কিশোররা ধীরে ১৫-২০ ফুটের দূরের জিনিস দেখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

শিশু-কিশোরদের এই ঘরে থাকার প্রবণতার কথা বলছেন অভিভাবকরাও। গোপালগঞ্জের বাসিন্দা শিল্পী আখতার বলেন, ‘আমার একজন সন্তানের বয়স সাত বছর, আরেকজনের তিন বছর। দুজনই ঘরের বাইরে খেলার তুলনায় সারা দিন স্মার্টফোনে বিভিন্ন ভিডিও দেখতেই পছন্দ করে। চেষ্টা করেও স্মার্টফোন আসক্তি দূর করতে পারছি না।’

জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘মায়োপিয়ার দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। বাবা-মায়ের মায়োপিয়া থাকলে সন্তানের ঝুঁকি বেশি থাকে। আর দ্বিতীয়টি পরিবেশগত। দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশোনা বা মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবহার চোখে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে, যা মায়োপিয়া বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে কাছ থেকে দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন দেখা, বিরতি ছাড়া ব্যবহার এবং ঘরের ভেতরে বেশি সময় কাটানোর কারণে এ সমস্যা বাড়তে পারে। তবে শুধু স্ক্রিন টাইমই একমাত্র কারণ নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক কারণ।’

শিশু-কিশোরদের মায়োপিয়া প্রতিরোধে অভিভাবকদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘শিশুদের প্রতিদিন অন্তত দেড় থেকে ২ ঘণ্টা খোলা জায়গায় খেলাধুলা করানো এবং বয়স অনুযায়ী স্ক্রিন টাইম সীমিত রাখা প্রয়োজন। প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ডের জন্য অন্তত ২০ ফুট দূরে তাকানো উচিত। বই বা স্ক্রিন চোখ থেকে অন্তত ৩০-৪০ সেন্টিমিটার দূরে রাখা দরকার। অল্প আলো বা অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোর পরিবর্তে উপযুক্ত আলোতে পড়াশোনা করা এবং বছরে অন্তত একবার চক্ষু বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে চোখ পরীক্ষা করানো উচিত।’

মায়োপিয়া বা স্বাস্থ্যগত সমস্যা ছাড়াও শিশুদের মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রেও মায়োপিয়া বিরূপ প্রভাব ফেলছে। রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা হাবিবা মৌ বলেন, ‘আমার সন্তানের বয়স আট বছর। আমি কর্মজীবী হওয়ায় সন্তানকে দ্রুত খাবার খাওয়াতে, শান্তভাবে বসিয়ে রাখতে দিনের বড় সময় ট্যাবে বিভিন্ন কার্টুন দেখাতাম। কিন্তু তার বয়স যখন দুই বছর তখন খেয়াল করলাম সে অন্য বাচ্চাদের মতো কথা বলছে না। তিন বছর বয়স পর্যন্তও সে বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক কথা বলতে পারছিল না। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছিলেন তার সঙ্গে বেশি বেশি কথা বলার। সে প্রায় সাড়ে চার বছর বয়সে মোটামুটি কথা বলতে শিখেছিল।’

ঢাকার মিরপুর ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের ১৫৩ জন অভিভাবকের মধ্যে ২০২২ সালের আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত একটি ক্রস-সেকশনাল জরিপ পরিচালিত হয়েছিল। জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে ‘শিশুদের ওপর দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব: বিকাশগত ও আচরণগত উদ্বেগ’ শিরোনামে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। গবেষণায় দেখা যায়, ৪৪ শতাংশ অভিভাবক জানিয়েছেন তারা সন্তানদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা লক্ষ করেছেন। ১৭ শতাংশ অভিভাবক জানিয়েছেন তাদের সন্তানরা তুলনামূলক দেরিতে কথা বলেছেন। ১৩ শতাংশ জানিয়েছেন সন্তানরা আক্রমণাত্মক আচরণ করছেন, ৯ শতাংশ জানিয়েছেন তাদের সন্তানরা সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তুলনামূলক দুর্বল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার শিশুর আচরণগত ও মানসিক বিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে। বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে নিমগ্ন থাকা শিশুদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ ধরে রাখা, ভাষা বিকাশ এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে অতিরিক্ত গেমিং বা অবাধ স্ক্রিন টাইম শিশুদের খিটখিটে মেজাজ, অস্থিরতা ও মনোযোগের ঘাটতি বাড়িয়ে দিতে পারে। মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি উদ্বেগের বিষয়। কারণ শৈশব ও কৈশোর হচ্ছে ব্যক্তিত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক দক্ষতা গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।’

স্মার্টফোন শিশুদের সামাজিক জগৎকে একই সঙ্গে প্রসারিত ও সীমাবদ্ধ করছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘একদিকে এটি যোগাযোগের নতুন সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে সশরীরে খেলা, আলাপ, বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং বাস্তব সামাজিক দক্ষতা অনুশীলনের ক্ষেত্র সংকুচিত করছে। ফলে অনেক শিশু ভার্চুয়াল জগতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে, কিন্তু বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, সহমর্মিতা ও আন্তর্ব্যক্তিক যোগাযোগে দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর সঙ্গে সাইবার বুলিংয়ের ঝুঁকিও যুক্ত হয়েছে, যা শিশুদের আত্মসম্মান, মানসিক নিরাপত্তাবোধ এবং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সুস্থতার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।’ তার মতে, সমস্যাটি যন্ত্রে নয়, বরং ব্যবহার-পদ্ধতিতে। অভিভাবক, শিক্ষক ও নীতিনির্ধারকদের এখন প্রযুক্তিকে নিষিদ্ধ করার ভাষা থেকে সরে এসে নিয়ন্ত্রিত, বয়সোপযোগী ও তদারকিভিত্তিক ব্যবহারের দিকে জোর দিতে হবে।

সূত্র : দৈনিক বণিকবার্তা
৪ এপ্রিল ২০২৬

News of the `GBIS Annual Sports and Cultural Competition Award Ceremony 2026' published in various dailies.
21/02/2026

News of the `GBIS Annual Sports and Cultural Competition Award Ceremony 2026' published in various dailies.

The prize distribution ceremony of the 'GBIS Annual Sports and Cultural Competition 2026' was held on February 16 in a c...
21/02/2026

The prize distribution ceremony of the 'GBIS Annual Sports and Cultural Competition 2026' was held on February 16 in a colorful atmosphere of joy, excitement and creativity. With the lively participation of students throughout the day, the enthusiastic presence of guardians and the sincere cooperation of teachers, the campus turned into a gathering of souls.
The program was presided over by the President of GBIS Managing Committee, eminent journalist Absar Mahfuz. Director General of Chittagong Academy Lion Jahangir Mia and President of Chittagong Creative Publishers Council Md. Sahab Uddin Hasan Babu were present as honored guests at the program.
The program began with the welcome speech of the school's principal Arpita Nargis. Her speech clearly reflected the school's educational philosophy, values ​​and commitment to creative education. Speeches were delivered by school teacher Ayesha Akhter and guardian Tahmina Akhter. The entire program was moderated by Campus Coordinator Farjahan Chowdhury.
Medals and certificates were distributed among the winners of the sports competition. Encouragement prizes were awarded to all students participating in the competition.

মহান ভাষাশহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা
21/02/2026

মহান ভাষাশহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

05/02/2026

ছেলেশিশুকে যেভাবে শেখাবেন গুড টাচ–ব্যাড টাচের কথা

GBIS Annual Result Publication Festival 2025
31/12/2025

GBIS Annual Result Publication Festival 2025

Address

House # 16, New I & A Block, Artillery Road, Halishahar, Chittagong, Bangladesh. Phone : 01554304894
Delhi
4100

Telephone

+8801758801605

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GREEN BUDS International School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share