Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Anjuman Research Center, Educational Research Center, Chittagong.
Anjuman Research Center is a part of Anjuman-e Rahmania Ahmadia Sunnia Trust which is in a mission to here to spread the classical teachings of Islam through peace, unity & love amongst all, this team is based on the Aqaid of Ahlus Sunnah. আনজুমান রিসার্চ সেন্টার
( ইসলামী গবেষণা, দ্বীনী গ্রন্থাদি প্রকাশনা, দা’ওয়াতে খায়র পরিচালনাসহ প্রভৃতি বিষয়ের লক্ষ্যে)
কার্যালয়: আলমগীর খানক্বাহ্ শরীফ, ২য় তলা, পশ
্চিম ষোলশহর, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম।
বরকতময় শুভ উদ্বোধন:
রাহনুমা-ই শরী‘আত ও ত্বরীক্বত, আলমবরদার-ই আহলে সুন্নাত, ওয়াক্বিফ-ই আসরার-ই হাক্বীক্বত ও মা’রেফত হযরতুল আল্লামা আল্হাজ্জ সায়্যিদ মুহাম্মদ ত্বাহের শাহ্ সাহেব [হুযূর ক্বিবলা দামাত বারাকাতুহুমুল ‘আলিয়া ওয়া ফুয়ূযুহুমুল ‘আলিয়া]-এর বরকতময় হাতে
সদয় উপস্থিত ছিলেন:
হযরতুলহাজ্জ আল্লামা সায়্যিদ মুহাম্মদ ক্বাসিম শাহ্ সাহেব ক্বিবলা [দামাত বারাকাতুহুমুল ‘আলিয়া]
শুভ উদ্বোধন তারিখ ও সময়:
সকাল ১১ টা, বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ
উপস্থিত অতিথিবৃন্দ:
জনাব আল্হাজ্জ্ব মুহাম্মদ মহসিন সাহেব, জনাব আল্হাজ্জ মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সাহেব, জনাব আল্হাজ্জ সুফী মুহাম্মদ মিযানুর রহমান সাহেব, জনাব আল্হাজ্জ সিরাজুল হক্ব সাহেব, জনাব আল্হাজ্জ মুহাম্মদ শামসুদ্দিন সাহেব, শেরে মিল্লত ওস্তাযুল আসাতিযাহ্ হযরতুল আল্লামা মুফতী মুহাম্মদ ওবাইদুল হক্ব নঈমী সাহেব (রাহমাতুল্লাহি তা‘আলা আলায়হি), জনাব আল্হাজ্জ পেয়ার মুহাম্মদ সাহেব, জনাব আল্হাজ্জ মুহাম্মদ বখতিয়ার সাহেব, জনাব আল্হাজ্জ অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর সাহেব এবং জনাব আল্হাজ্জ মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন সাহেব প্রমূখ।
বর্তমানে গবেষণা কর্মে দায়িত্ব পালনকারীগণ:
ক্রমিক নং- নাম পদবী
০১ মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান মহাপরিচালক
০২ মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম পরিচালক
০৩ মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন ফারূক্বী কম্পিউটার অপারেটর
০৪ মুহাম্মদ শামসুল আলম পিয়ন
নতুন প্রকাশিত গ্রন্থাবলির তালিকা:-
বইয়ের নাম লেখকের নাম
১. খতমে নুবূয়ত ও ক্বাদিয়ানী ফির্কা- মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
২. হাদীসের আলোকে মহিমান্বিত জুমু‘আর একশত এক বৈশিষ্ট্য- মূল: ইমাম সুয়ূতী (রহ.) মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৩. ফযীলতপূর্ণ রজনীসমূহ- মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৪. শাফা‘আতে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম- মূল: আ’লা হযরত (রহ.) অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৫. ক্বোরআন ও হাদীসের আলোকে দুরূদ-ই তাজ - মূল: ড. মাসঊদ আহমদ, অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৬. চল্লিশ হাদীসের আলোকে বরকতময় রমযান- মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৭. মাহে রমযানুল মুবারকে ঐতিহাসিক দিবসসমূহের স্মরণ- মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৮. নাম রাখার বিধান ও শিশুদের ইসলামী নামের অভিধান: মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
একনজরে আনজুমান রিসার্চ সেন্টার থেকে প্রকাশিত গ্রন্থাবলির তালিকা:-
বইয়ের নাম লেখকের নাম
১. মজমু‘আহ্-ই সালাওয়াতে রসূল (১-১৭ শ পারা)- মূল: খাজা আবদুর রহমান চৌহরভী- তরজমা: অনুবাদকমণ্ডলী
২. আওরাদ-ই কাদেরিয়া (বঙ্গানুবাদ ও উচ্চারণসহকারে)- মূল: খাজা আবদুর রহমান চৌহরভী- অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
৩. গাউসিয়া তরবিয়াতী নেসাব- লেখকবৃন্দ, সম্পাদনা: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৪. যুগজিজ্ঞাসা- অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান
৫. ওযীফা-ই গাউসিয়া- সংকলনে: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৬. সত্য সমাগত, বাতিল অপসৃত, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৭. রহমতে আলম- মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৮. আমীর-ই মু‘আভিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৯. রিসালাহ্-ই নূর মূল: মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী (রহ.) অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
১০. মীলাদে সুয়ূত্বী- মূল: ইমাম সুয়ূতী (রহ.) অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
১১. তানযীহুর রহমান- মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
১২. নবীর মানহানির শাস্থি মৃত্যুদণ্ড- মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
১৩. শানে রিসালত- মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
১৪. আল্লামা পীর সাবির শাহ্ মাদ্দাযিল্লুহুল আলীর দিক-নির্দেশনামূক ভাষণ- অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
১৫. হাযির-নাযির: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
১৬. হুযূর ক্বেবলা-ই আলম সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রহ.)’র নূরানী তাক্বরীর
১৭. দা’ওয়াতে খায়র তাৎপর্য ও পদ্ধতি: অ্যাডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতেয়ার
১৮. গাউসিয়া কমিটি কী ও কেন? : অ্যাডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতেয়ার
১৯. হযরত গাউসুল আজম ও গেয়ারভী শরীফ- অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভী
২০. দরসে হাদিস- মাওলানা মুহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন
২১. ইনতিকালের পর জীবিত হলেন যাঁরা - মূল: ইমাম ইবনু আবিদ্ দুনয়া- অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
২২. হায়াতুল আম্বিয়া- প্রণীত ইমাম বায়হাক্বী, অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
২৩. নবীগণ স্বশরীরে জীবিত- মূল: ইমাম সুয়ূতী (রহ.) অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
২৪. প্রশ্নোত্তরে আক্বাইদ ও মাসাইল- মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
২৫. অহংকার পতনের মূল- মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
২৬. ইখলাস- মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
২৭. আহলে বায়তের ফযীলত- মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
২৮. শবে বরাত- মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
২৯. চল্লিশ হাদীস- মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
৩০. দো‘আ ও মুনাজাত- মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
৩১. তাওবা ও ইস্তিগফার- মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আযহারী
৩২. আদ্-দা’ওয়াত (দাওয়াত-ই খায়র বিষয়ক ম্যাগাজিন) লেখকবৃন্দ, সম্পাদনা: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৩৩. দা’ওয়াতে খায়র ইজতিমার তোহফা- মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৩৪. নজরে শরীয়ত: লেখকবৃন্দ
৩৫. সহজ নামায শিক্ষা- লেখকবৃন্দ
৩৬. শাজরা শরীফ-
৩৭. ছোটদের বড়পীর গাউসে পাক রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু- মাওলানা মুহিবুল্লাহ্ সিদ্দিক্বী
৩৮. খতমে নুবূয়ত ও ক্বাদিয়ানী ফির্কা- মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৩৯. হাদীসের আলোকে মহিমান্বিত জুমু‘আর একশত এক বৈশিষ্ট্য- মূল: ইমাম সুয়ূতী (রহ.) মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৪০. ফযীলতপূর্ণ রজনীসমূহ- মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৪১. শাফা‘আতে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম- মূল: আ’লা হযরত (রহ.) অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৪২. ক্বোরআন ও হাদীসের আলোকে দুরূদ-ই তাজ - মূল: ড. মাসঊদ আহমদ, অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৪৩. চল্লিশ হাদীসের আলোকে বরকতময় রমযান- মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৪৪. মাহে রমযানুল মুবারকে ঐতিহাসিক দিবসসমূহের স্মরণ- মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
৪৫. নাম রাখার বিধান ও শিশুদের ইসলামী নামের অভিধান : মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম
(চলবে...)
“ওই ভোর বেলার শপথ, এবং দশ রাতের, এবং জোড় ও বিজোড়ের, এবং রাতের, যখন অতিক্রম করে যায়-”[ ]
হযরত আবদুল্লাহ& ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুমা থেকে বর্ণিত, এ দশ রাত দ্বারা উদ্দেশ্য যিলহজ্জের প্রথম দশ রাত| কেননা এ সময়গুলোর হজ্জের কার্যাদিরতে রত থাকার সময় এবং হাদীস শরীফে এ দশকের অনেক ফযীলত বর্ণিত হয়েছে|[ ]
আর ভোর বেলা দ্বারা উদ্দেশ্য ১ মুহাররমের সকাল, যা দ্বারা নতুন বছর শুরু হয় অথবা ১ যিলহজ্জের সকাল, যার সাথে দশ রাত মিলিত কিংবা ঈদুল আযহার সকাল| আর রাতসমূহের জোড় ও বিজোড়-এর শপথ দ্বারা উদ্দেশ্য হয়ত নামাযসমূহের জোড় ও বিজোড়ের, অথবা এও বলা হয়েছে যে, জোড় দ্বারা সৃষ্টিকুল এবং বিজোড় দ্বারা আল্লাহ& তা‘আলা উদ্দেশ্য| রাত দ্বারা উদ্দেশ্য মুযদালিফার রাত অথবা শব-ই ক্বদর, যাতে বিশেষ রহমতরাশি অবতীর্ণ হয়|[ ]
আল্লাহ& তা‘আলা এ চার আয়াতে পাঁচটি বস্তুর শপথ করেছেন| ১. ভোরের, ২. দশ রাতের, ৩. জোড়ের, ৪. বিজোড়ের এবং ৫. রাতের|
জুম&হুর মুফাস&সিরীন দশ রাত দ্বারা যিলহজ্জের প্রথম দশ রাত উদ্দেশ্য নিয়েছেন| যার দলীল নিচের হাদীস শরীফসমূহ-
হযরত জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত,
❏ হাদীস শরীফ
হযরত আবূ হোরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
لَا يَشْرَبَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ قَائِمًا، فَمَنْ نَسِيَ فَلْيَسْتَقِئْ
“লা ইয়াশরাবান্না আহাদুম মিনকুম ক্বা-ইমান&, ফামান নাসিয়া ফালইয়াস্তাক্বি’|”
“তোমাদের মধ্যে কেউ যেন দাঁড়িয়ে পান না করে| কেউ ভুলে গিয়ে পান করে থাকলে, সে যেন তা বমি করে ফেলে|” [ ]
দাঁড়িয়ে পানাহার করা নিন্দনীয়| কিন্তু বসার মত জায়গা বা পরিবেশ না থাকলে অথবা অন্য কোন অসুবিধা বা প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে পানাহার করা যায়|
06/05/2026
এক প্রকারের খাবার হলে এক স্থান থেকে খাবে এবং নিজের সামনে থেকে আহার করবে
❏ হাদীস শরীফ
হযরত ‘ইকরাশ ইবনে যুয়াইব রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের নিকট অনেক অনেক সরীদ ও গোশত বিশিষ্ট পেয়ালা আনা হলো| তখন আমি সেটার পার্শ্বগুলোতে আমার হাত ব্যবহার করলাম| আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম নিজের সামনে থেকে খেলেন| তারপর হুযূর-ই আকরাম নিজের বাম হাতে আমার ডান হাত ধরে ফেললেন, আর বললেন,
يَا عِكْرَاشُ، كُلْ مِنْ مَوْضِعٍ وَاحِدٍ فَإِنَّهُ طَعَامٌ وَاحِدٌ
ইয়া ইকরাশু, কুল মিন মাওদি‘ঈন ওয়াহিদিন, ফা-ইন্নাহু তা‘আমুন ওয়াহিদুন
“হে ‘ইকরাশ! এক স্থান থেকে খাও| কেননা এগুলো একই খাবার|” তারপর আমাদের নিকট একটি বড় পাত্র আনা হলো, যার মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের খোরমা (খেজুর) ছিল| তারপর আমি আমার সামনে থেকে আরম্ভ করলাম| আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর হাত মুবারক পাত্রের মধ্যে ঘুরছিলো| তারপর ইরশাদ করেন:
يَا عِكْرَاشُ، كُلْ مِنْ حَيْثُ شِئْتَ فَإِنَّهُ غَيْرُ لَوْنٍ وَاحِدٍ
ইয়া ইকরাশু, কুল মিন হাইসু শি’তা, ফা-ইন্নাহু গাইরু লাওনিন ওয়াহিদিন&
“হে ‘ইকরাশ! যেখান থেকে ইচ্ছা হয় খাও| কারণ এগুলো একাধিক ধরনের (খাদ্য)|” অতঃপর আমাদের নিকট পানি আনা হলো| তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম আপন হাত মুবারক ধৌত করলেন এবং হাতে লেগে থাকা পানি নিজের বরকতময় চেহারা, কুনুইযুগল এবং মাথায় মালিশ করে নিলেন| আর ইরশাদ করেন............
05/05/2026
খাদ্য বস্তু রুটির সম্মান করা উচিত
❏ হাদীস শরীফ
উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহা থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম গৃহে তশরীফ আনলেন, রুটির একটি টুকরা পড়ে থাকতে দেখলেন, সেটা নিয়ে মোছে নিলেন, অতঃপর খেয়ে নিলেন এবং ইরশাদ করলেন:
তরজমা: “আয়েশা, উত্তম বস্তুর সম্মান করবে| এ বস্তু (রুটি) যখন কোন সম্প্রদায় থেকে পলায়ন করেছে, তখন আর ফিরে আসেনি| অর্থাৎ যদি অকৃতজ্ঞতার কারণে কোন সম্প্রদায় থেকে রিযক্ব চলে যায়, অতঃপর তা পুনরায় ফিরে আসে না
03/05/2026
হযরত আবূ হোরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
“নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম কখনও খাবারের দোষ অন্বেষণ করেন নি | যদি পছন্দ.......
02/05/2026
আহারের সময় সাথে থাকা ব্যক্তিবর্গ
অবসর না হওয়া পর্যন্ত হাত গুটিয়ে নিবে না
❏ হাদীস শরীফ-০১
হযরত আবদুল্লাহ বিন ওমর রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
إِذَا وُضِعَتِ الْمَائِدَةُ، فَلَا يَقُوْمُ رَجُلٌ، حَتَّى تُرْفَعَ الْمَائِدَةُ، وَلَا يَرْفَعُ يَدَهُ، وَإِنْ شَبِعَ، حَتّٰى يَفْرُغَ الْقَوْمُ، وَلْيُعْذِرْ، فَإِنَّ الرَّجُلَ يُخْجِلُ جَلِيْسَهُ، فَيَقْبِضُ يَدَهُ، وَعَسَى أَنْ يَكُوْنَ لَهُ فِي الطَّعَامِ حَاجَةٌ-
“যখন দস্তরখানা বিছানা হয়, তখন কোন ব্যক্তি দস্তরখানা থেকে উঠে দাঁড়াবেন না, যতক্ষণ না দস্তরখান উঠিয়ে নেয়া হয়, এবং খাওয়া থেকে হাত গুটিয়ে নেবে না, যদিওবা তৃপ্তিভরে খেয়ে নেয় যতক্ষণ পর্যন্ত সকল ব্যক্তি অবসর না হয় আর হাত উঠিয়ে নিতে চাইলে ক্ষমা চেয়ে......
30/04/2026
শাহানশাহে সিরিকোট রাদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে জানতে পড়ুন দৈনিক আজাদী, দৈনিক পূর্বকোণ, দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার বিশেষ প্রবন্ধ। শেয়ার করুন।
25/04/2026
মাসিক তরজুমান এ আহলে সুন্নাত ওয়াল জমাত- ১৪৪৭ হিজরির যিলক্বদ সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে।
আজই আপনার কপি সংগ্রহ করুন
25/04/2026
আহার ও দুধ পান করার পর নিম্নোক্ত দো‘আ পড়বে
❏ হাদীস শরীফ-০১
হযরত ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন কোন ব্যক্তি আহার করবে তখন এভাবে বলবে,
اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ، وَأَبْدِلْنَا خَيْرًا مِنْهُ-
“হে আল্লাহ! আমাদের জন্য এ (খাবারের) মধ্যে বরকত দাও এবং আমাদেরকে এর চেয়ে উত্তম বদলা দান করো|” আর যখন দুধ পান করবে তখন এভাবে বলবে-
اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ، وَزِدْنَا مِنْهُ
“হে আল্লাহ! আমাদের জন্য এতে বরকত দাও এবং আমাদেরকে আরো বেশী দান করো|”
23/04/2026
আহারের পর ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলবে এবং এ দো‘আ পড়বে
❏ হাদীস শরীফ-০১
সহীহ বোখারী শরীফে এসেছে, হযরত আবূ উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আন&হু থেকে বর্ণিত, যখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর দস্তারখানা তুলে নেয়া হতো, তখন তিনি বলতেন,
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُبٰرَكًا فِيْهِ غَيْرً مَكْفِيٍّ وَلَامُوَدَّعٍ وَّلَامُسْتَغْنًي عَنْهُ رَبَّنَا -
“আল্লাহরই সমস্ত প্রশংসা, অনেক প্রশংসা, পবিত্র, যাতে বরকত দেয়া হয় (এ বেঁচে যাওয়া খাদ্য) না যথেষ্ট হয়েছে, না বিদায় করা হয়েছে এবং না এটা থেকে বে-পরোয়া করা হয়েছে, হে আমাদের রব! (কবূল করো!)”
❏ হাদীস শরীফ- ০২
সহীহ মুসলিম শরীফে এসেছে, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ& সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
إِنَّ اللهَ لَيَرْضَى عَنِ الْعَبْدِ أَنْ يَأْكُلَ الْأَكْلَةَ فَيَحْمَدَهُ عَلَيْهَا أَوْ يَشْرَبَ الشَّرْبَةَ فَيَحْمَدَهُ عَلَيْهَا-
“আল্লাহ তা‘আলা বান্দার উপর খুশি হন (এর উপর যে,) সে গ্রাস খায়, অতঃপর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে| অথবা পানির ঢোক পান করে, অতঃপর এর উপর আল্লাহর শোকর আদায় করে|”