20/04/2025
আমাদের সহপাঠী প্রিয় বন্ধু রশিদুল আনোয়ার রতন ২০০৭ সালের এই দিনে অনন্তলোকে পাড়ি জমায়।
তার আত্মা পরপারে চির শান্তিতে থাকুক মহান আল্লাহ্'র কাছে এই প্রার্থনা করি।
বন্ধু কাজী রফিকের আজকের ফেসবুক পোস্টটি হুবুহু এখানে পেশ করলাম।
প্রিয় বন্ধুকে হারানোর দিন আজ
---------------------------------------
বন্ধুকে হারিয়েছি ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল । স্মৃতিতে ফিরে আসে শৈশব কৈশর যৌবনের অনেক ঘটনা।
কেটেছে দুজনের অবিচ্ছিন্নভাবে।কখনো কখনো তুমুল ঝগড়া করে অভিমানে দুজন বিপরীত পথে চলতে শুরু করি।চলতে চলতে দেখি কখন আবার এক মোড়ে মিলিত হলাম। দুজন ছিলাম সংস্কৃতির মানুষ। আমি ছিলাম কবি ও নাট্যশিল্পী,বন্ধু ছিলো কন্ঠশিল্পী।দুজনে মনের সব কষ্ট ও সুখ শেয়ার করতাম, খুব মনে পড়ছে বন্ধু তোকে।তোর গানের স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা।
বন্ধু রশিদুল আনোয়ার রতন।সত্তোরের দশকে যারা চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ছিলেন তাদের ভোলার কথা নয় ঈর্ষনীয় এই সঙ্গীত শিল্পীকে।অসম্ভব জনপ্রিয় ছিলো চট্টগ্রামের দর্শকদের কাছে।গাইতো আধুনিক,লোকসঙ্গীত,গজল ,স্কুল খুইলাছেরে মওলা স্কুল খুইলাছে.....ইত্যাদি মাইজভান্ডারী গান।যে গান প্রথম পাশ্চাত্য মিউজিকের সঙ্গে মঞ্চে নিয়ে এলো রশিদ।ঢাকায় পল্টনে রিদম স্টুডিও থেকে ওই গানের প্রথম ক্যাসেট বের হলো।গানের মাঝে মাঝে আধ্যাত্বিক কথাগুলো ছিলো আমার লেখা,কন্ঠ দিয়েছিলো বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী বন্ধু শফি কামাল।
চট্টগ্রামে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমিও সঙ্গে থাকতাম। সে গাইতো মাইজভান্ডারী গান,মানুষ পাগলের মতো নেচে নেচে জিকির করতো।রাত কেটে ভোর হতো গানে গানে।কত স্মৃতি মনে পড়ে আজ।অনেক আগে চলে গেলি তুই।ভালো থাকিস বন্ধু ওপারে।ভালোবাসা অম্লান।
30/03/2025
চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের '৬৭ ব্যাচের পক্ষ থেকে, এই বিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন ও বর্ত্তমান ছাত্র, বন্ধুবান্ধবসহ সকলকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
ঈদ মোবারক।
16/02/2025
ঢাকায় একুশের বই মেলায় বন্ধু মইনুল, কাজী রফিক ও জন্গী এবং চট্টগ্রামের বই মেলায় বন্ধু কিবরিয়া ও জসীম। কি দারুণ!
15/02/2025
আমরা চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের'৬৭ ব্যাচ এস এস সি'র সহপাঠী বন্ধুরা সপরিবারে ( মোট ৪৯ জন ) ০৩/০২/২০২৫ তারিখ থেকে ০৬/০২/'২৫ তারিখ পর্যন্ত এম ভি উৎসব নামের ক্রুজ শিপে ও নৌকায় চড়ে সুন্দরবনের ভিতরে পশুর নদী ও আশেপাশে সংযুক্ত খালে ঘুরে বেড়িয়েছি।
৪র্থ দিন, ০৬/০২/'২৫, বৃহস্পতিবার
এবার বিদায়ের পালা, ফিরে আসার আগে মনে পড়ল
__রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর কবিতার দুটো লাইন,
"দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া একটি ধানের শিষের উপরে একটি শিশির ..."
দেশের ভিতরে এখনও অনেক কিছু দেখার বাকি রয়ে গেল, দেশকে দেখুন, জানুন, ভালবাসুন, প্রকৃতি ও জীব-বৈচিত্র রক্ষা করুন। ধন্যবাদ
****
সুন্দরবন সম্পর্কে গুগল থেকে কিছু তথ্য ;
সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলির অন্যতম। পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীত্রয়ের অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত এই অপরূপ বনভূমি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার কিছু অংশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে বিস্তৃত।
[২] সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি।
[৩] ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,৫১৭ বর্গ কিলোমিটার (৬৬%)
[৪] রয়েছে বাংলাদেশে
[৫] এবং বাকি অংশ (৩৪%) রয়েছে ভারতের মধ্যে।
সুন্দরবন
অবস্থান
খুলনা বিভাগ, বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ , ভারত
নিকটবর্তী শহর
খুলনা, কলকাতা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, কাকদ্বীপ, ও ক্যানিং
স্থানাঙ্ক
২১°৫৭′ উত্তর ৮৯°০৫′ পূর্ব
আয়তন
১,৩৯,৫০০ হেক্টর (৩,৪৫,০০০ একর)
স্থাপিত
১৯৯১
কর্তৃপক্ষ
বাংলাদেশ সরকার (৬৬%), ভারত সরকার (৩৪%)
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
ধরন
প্রাকৃতিক
মানদণ্ড
ix, x
মনোনীত
১৯৮৭ (১১তম অধিবেশন)
সূত্র নং
৭৯৮
রাষ্ট্র
বাংলাদেশ, ভারত
অঞ্চল
এশিয়া প্যাসিফিক
রামসার জলাভূমি
প্রাতিষ্ঠানিক নাম
সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্ট
মনোনীত
২১ মে ১৯৯২[১]
সুন্দরবন ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।[৬] এর বাংলাদেশ ও ভারতীয় অংশ বস্তুত একই নিরবচ্ছিন্ন ভূমিখণ্ডের সন্নিহিত অংশ হলেও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ভিন্ন ভিন্ন নামে সূচিবদ্ধ হয়েছে; যথাক্রমে 'সুন্দরবন' ও 'সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান' নামে। এই সুরক্ষা সত্ত্বেও, আইইউসিএন রেড লিস্ট অফ ইকোসিস্টেম ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে ২০২০ সালের মূল্যায়নে ভারতীয় সুন্দরবনকে বিপন্ন বলে মনে করা হয়েছিল।[৭] সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ক্ষুদ্রায়তন দ্বীপমালা। মোট বনভূমির ৩১.১ শতাংশ, অর্থাৎ ১,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার জুড়ে রয়েছে নদীনালা, খাঁড়ি, বিল মিলিয়ে জলাকীর্ণ অঞ্চল।[৪] বনভূমিটি, স্বনামে বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও নানান ধরনের পাখি, চিত্রা হরিণ, কুমির ও সাপসহ অসংখ্য প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। জরিপ মোতাবেক ১০৬ বাঘ ও ১০০০০০ থেকে ১৫০০০০ চিত্রা হরিণ রয়েছে এখন সুন্দরবন এলাকায়। ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। সুন্দরবনে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ঘুরতে আসে। প্রতি বছর দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক সুন্দরবনের অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে সুন্দরবন ভ্রমণ করার মাধ্যমে প্রকৃতি থেকে বিভিন্ন জ্ঞান অর্জন করে।
সর্বাধিক প্রচুর গাছের প্রজাতি হল সুন্দরী এবং গেওয়া। বনে ২৯০টি পাখি, ১২০টি মাছ, ৪২টি স্তন্যপায়ী, ৩৫টি সরীসৃপ এবং আটটি উভচর প্রজাতিসহ ৪৫৩টি প্রজাতির বন্যপ্রাণীর বাসস্থান রয়েছে।[৮]
মাছ এবং কিছু অমেরুদণ্ডী প্রাণী ছাড়া অন্য বন্যপ্রাণী হত্যা বা দখলের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, মনে হচ্ছে বিংশ শতাব্দীতে হ্রাসপ্রাপ্ত জীববৈচিত্র্য বা প্রজাতির ক্ষতির একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ প্যাটার্ন রয়েছে, এবং বনের পরিবেশগত গুণমান হ্রাস পাচ্ছে।[৯] পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন জাতীয় উদ্যানের প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বন অধিদপ্তর। বাংলাদেশে ১৯৯৩ সালে বন সংরক্ষণের জন্য একটি বন চক্র তৈরি করা হয় এবং এরপর থেকে প্রধান বন সংরক্ষক দের নিযুক্ত করা হয়েছে। উভয় সরকারের কাছ থেকে সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও, সুন্দরবন প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট উভয় কারণে হুমকির মুখে রয়েছে। ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরের ভূমিধ্বসের কারণে প্রায় ৪০% সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি এবং স্বাদুপানির সরবরাহ হ্রাসের কারণে বনটি বর্ধিত সালিনিটিতেও ভুগছে। আবার ২০০৯ সালের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় আইলা ব্যাপক হতাহতের সাথে সুন্দরবনকে বিধ্বস্ত করে। এই ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১,০০,০০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।[১০][১১] প্রস্তাবিত কয়লা চালিত রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র টি বাংলাদেশের খুলনার বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার (৮.৭ মাইল) উত্তরে পশুর নদীর তীরে অবস্থিত, ইউনেস্কোর ২০১৬ সালের একটি প্রতিবেদন অনুসারে এই অনন্য ম্যানগ্রোভ অরণ্যের আরও ক্ষতি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।[১২]
15/02/2025
আমরা চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের'৬৭ ব্যাচ এস এস সি'র সহপাঠী বন্ধুরা সপরিবারে ( মোট ৪৯ জন ) ০৩/০২/২০২৫ তারিখ থেকে ০৬/০২/'২৫ তারিখ পর্যন্ত, এম ভি উৎসব নামের ক্রুজ শিপে ও নৌকায় চড়ে সুন্দরবনের ভিতরে পশুর নদী ও আশেপাশে সংযুক্ত খালে ঘুরে বেড়িয়েছি।
৩য় দিন ০৫/০২/ '২৫, বুধবার,
কটকা অভায়ারণ্য ও সমুদ্র সৈকত থেকে ফিরে পুরো বিকেল এবং সন্ধ্যা আমরা জাহাজে ই কাটাই।
সন্ধ্যার পরে ডাইনিং হলে সবাই সমবেত হয়ে রাতের খাবারের আগে পর্যন্ত চলে আড্ডা, কৌতুক, আবৃতি, গান ও লটারি এবং পুরস্কার বিতরণী।
সহপাঠী বন্ধু, ভাবি, সন্তান, নাতিনাতনি এবং জাহাজ কর্তৃপক্ষ, নাবিক, সহকারী ও সেবা প্রদানকারী জাহাজের সকল কর্মীবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে ভ্রমণের আনুষ্ঠানিক ইতি টানা হয়।
15/02/2025
আমরা চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের'৬৭ ব্যাচ এস এস সি'র সহপাঠী বন্ধুরা সপরিবারে ( মোট ৪৯ জন ) ০৩/০২/২০২৫ তারিখ থেকে ০৬/০২/'২৫ তারিখ পর্যন্ত, এম ভি উৎসব নামের ক্রুজ শিপে ও নৌকায় চড়ে সুন্দরবনের ভিতরে পশুর নদী ও আশেপাশে সংযুক্ত খালে ঘুরে বেড়িয়েছি।
৩য় দিন ০৫/০২/ '২৫, বুধবার,
সূর্য উঠার আগেই জাহাজ থেকে নেমে নৌকা যোগে আমরা কটকা অভয়ারণ্য পৌঁছি। কটকা অভায়ারণ্য এবং সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন স্থানে বানর, হরিণ প্রভৃতির দেখা পাই। ১৮ বৎসর পূর্বে প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় সিডর এই অঞ্চল লণ্ডভণ্ড করে দেয়, যার চিহ্ন এখনও জাজ্বল্যমান, এখানকার পশু পাখী, গাছপালা কমে যাওয়ার কারণে খাদ্য সংকটে ভুগছে, খাবারের আশায় বানর ও হরিণ আমাদের কাছাকাছি ঘুরাফিরা করে, বানর রীতিমত আক্রমণ করে কাপড় ব্যাগ ধরে টানাটানি করে,আর হরিণ গুলো ডাগর মায়াবী চোখে একটু দূর থেকে খাবারের আশায় তাকিয়ে থাকে তবুও করুণ সেই দৃষ্টি অগ্রাহ্য করে আমাদের ফিরে আসতে হয়।
15/02/2025
আমরা চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের'৬৭ ব্যাচ এস এস সি'র সহপাঠী বন্ধুরা সপরিবারে ( মোট ৪৯ জন ) ০৩/০২/২০২৫ তারিখ থেকে ০৬/০২/'২৫ তারিখ পর্যন্ত, এম ভি উৎসব নামের ক্রুজ শিপে ও নৌকায় চড়ে সুন্দরবনের ভিতরে পশুর নদী ও আশেপাশে সংযুক্ত খালে ঘুরে বেড়িয়েছি।
২য় দিন০৪/০২/ '২৫, মঙ্গলবার
আন্ধারমানিক বনে ঘুরাফিরা করে আমরা জাহাজে ফিরে আসি, এরপরে যাত্রা শুরু কটকা'র দিকে ৫-৬ ঘন্টার যাত্রাপথে জাহাজের লাউঞ্জ, করিডোর, ডাইনিং হলে আমাদের ম্যারাথন আড্ডা, হাসি-ঠাট্টা চলতে থাকে আর দফায় দফায় খাবার চা-পানিতো আছেই। কটকা পৌঁছে জাহাজ নোঙর করে, সেখানেই রাত কাটাই।
14/02/2025
আমরা চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের'৬৭ ব্যাচ এস এস সি'র সহপাঠী বন্ধুরা সপরিবারে ( মোট ৪৯ জন ) ০৩/০২/২০২৫ তারিখ থেকে ০৬/০২/'২৫ তারিখ পর্যন্ত, এম ভি উৎসব নামের ক্রুজ শিপে ও নৌকায় চড়ে সুন্দরবনের ভিতরে পশুর নদী ও আশেপাশে সংযুক্ত খালে ঘুরে বেড়িয়েছি।
২য় দিন
০৪/০২/ '২৫, মঙ্গলবার আন্ধারমানিক বনে