Jewel Mahmud

Jewel Mahmud

Share

Author l Teacher l Khatib l publisher.

19/08/2025

“শেষ পরিণতির বিচার”

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “সেই সত্তার কসম! যিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই, তোমাদের মধ্যে কেউ জান্নাতবাসীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব অবশিষ্ট থাকে; তখন তাকদীরের লিখন অগ্রগামী হয়ে যায়, ফলে সে জাহান্নামবাসীদের কাজ করতে শুরু করে এবং অবশেষে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কেউ জাহান্নামবাসীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব অবশিষ্ট থাকে; তখন তাকদীরের লিখন অগ্রগামী হয়ে যায়, ফলে সে জান্নাতবাসীদের কাজ করতে শুরু করে এবং অবশেষে সে জান্নাতে প্রবেশ করে।” (সহিহ বুখারী: 3208, সহিহ মুসলিম: 2643)

মানুষের জীবন যেন এক দীর্ঘ যাত্রা। আমরা পথে পথে কাজ করি, আমল করি, আর ভাবি—আমরাই তো নিজের ভাগ্যের নির্মাতা। অথচ এই হাদিসে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের চোখে সত্যের এক ভীতিকর চিত্র তুলে ধরেছেন—
কোনো মানুষ হয়তো বাহ্যিকভাবে সারা জীবন জান্নাতবাসীদের মতো কাজ করছে, নামাজ-রোজা করছে, দান করছে, কিন্তু তার অন্তরের গভীরে আছে ভণ্ডামি, অহংকার বা কপটতার আগুন। শেষ সময়ে আল্লাহ তাকদীরের কলম দিয়ে তার প্রকৃত রূপ প্রকাশ করে দেন। তখন দেখা যায়, যাকে মানুষ “সৎ” ভেবেছিল, সে আসলে ধ্বংসের পথে।
অন্যদিকে, কেউ হয়তো সারা জীবন পাপের অন্ধকারে কাটাচ্ছে। মানুষ তাকে নষ্ট চরিত্রের, অধঃপতিত ভেবে অবজ্ঞা করছে। অথচ আল্লাহর রহমত যখন তার অন্তরে জেগে ওঠে, তখন মৃত্যুর পূর্বে সে এমন আমল করে যে তার পরিণাম জান্নাত।
এ যেন এক শিহরণ জাগানো শিক্ষা— আমরা কারো অন্তর জানি না। বাহ্যিক চেহারার পেছনে কী আছে, তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। আমাদের কারো আমলের শেষ মুহূর্ত কীভাবে হবে, তা নিয়ে আমরা নিশ্চিত হতে পারি না।
এই হাদিস যেন আমাদের কানে কানে ফিসফিস করে বলে— “হে মানুষ! নিজের আমলের ওপর কখনো গর্ব কোরো না। কারণ তুমি জানো না, শেষ সময়ে তোমার অন্তর কিসের দিকে ঝুঁকবে।”

মূল শিক্ষা:
শেষ পরিণতিই আসল আমল – মানুষের কাজের বিচার হবে কিভাবে শুরু করল তার ওপর নয়, বরং কীভাবে শেষ করল তার ওপর।
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “কর্মসমূহের বিচার হবে পরিণামের ওপর।” (সহিহ বুখারী: 6607)
তাকদীর আল্লাহর হাতে – মানুষ স্বাধীন ইচ্ছায় কাজ করে, কিন্তু চূড়ান্ত লিখন আল্লাহর ইলমে আগে থেকেই নির্ধারিত।
অহংকার থেকে সাবধান – আমরা যত ভালোই হই না কেন, অহংকার বা আত্মপ্রশংসা সবকিছু ধ্বংস করে দিতে পারে।
হতাশ না হওয়া – যতই পাপী হই না কেন, শেষ মুহূর্তে তাওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন। তাই কাউকে অবজ্ঞা করা যাবে না।

ভাবুন, রাতের নিস্তব্ধতায় আপনি সিজদায় কাঁদছেন। মসজিদের অন্ধকার কোণায় আপনার অশ্রু ঝরছে। হাদিসটি তখন কানে বাজছে— “হয়তো আজ আমি সিজদায় আছি, কিন্তু কালই আমার অন্তর বদলে যাবে, যদি আল্লাহ আমাকে আঁকড়ে না ধরেন!”
তখন হৃদয় কেঁপে ওঠে। মনে হয়— আমার আসল দোয়া হওয়া উচিত: “আল্লাহ! আমাকে হিদায়তের ওপর শেষ করো। আমার অন্তরকে উল্টেপাল্টে দিও না।”
কারণ সবশেষে আমরা শুধু এতোটুকুই জানি— তাকদীরের কলম আল্লাহর হাতে। আর আমাদের হাত কেবল দোয়ার জন্য উঁচু হতে পারে।

জুয়েল মাহমুদ
১৯। ০৮।২০২৫ইং

17/08/2025

♦️জরুরী সতর্কবার্তা 📢

দু'তিনদিনের মধ্যে পূজা শুরু হবে। পূজায় বেশ ভালো সংখ্যক পাঠা বলি দেওয়া হয়। তাই বাজারে প্রচুর ছাগলের মাথা সহ অংশবিশেষ বিক্রি হবে। মুসলমান ভাই/বোনদের বলছি— এই ক'দিন ছাগলের মাংস বা মাথা কেনা থেকে বিরত থাকুন।

গাইরুল্লাহর নামে জবাই করা সকল পশু-পাখি মুসলমানদের জন্য হারাম। তাই এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করছি।

07/08/2025

লোকমান হাকীমের (আলাইহি ওয়া-সালাম) পুত্রকে দেয়া উপদেশসমূহ:

১. আল্লাহর সঙ্গে শরিক করো না
❝হে আমার বৎস! তুমি আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করো না। নিশ্চয়ই শিরক মহা জুলুম।❞ — (সূরা লুকমান, ১৩)

২. মাতাপিতার প্রতি সদ্ব্যবহার করো
❝আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি... তাদের উভয়ের জন্য কৃতজ্ঞ হও; আমারই দিকে প্রত্যাবর্তন।❞ — (লুকমান, ১৪)

৩. কোনো কাজ যত ছোটই হোক, তা আল্লাহর অজানা নয়
❝হে আমার বৎস! কোনো কাজ যদি সরিষার দানার মতোও হয়... তবুও আল্লাহ তা উপস্থিত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সুপরিচিত।❞ — (লুকমান, ১৬)

৪. নামাজ প্রতিষ্ঠা করো
❝হে আমার বৎস! তুমি নামায কায়েম করো...❞ — (লুকমান, ১৭)

৫. সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করো
❝সৎ কাজের আদেশ দাও এবং অসৎ কাজে নিষেধ করো...❞ — (লুকমান, ১৭)

৬. ধৈর্য ধারণ করো
❝...যে বিপদ তোমার উপর আসে, তা ধৈর্যের সাথে সহ্য করো। নিশ্চয় এটি দৃঢ় সংকল্পের কাজ।❞ — (লুকমান, ১৭)

৭. অহংকার ও গর্ব পরিহার করো
❝তুমি মানুষের প্রতি অবজ্ঞার দৃষ্টি দিয়ে তাকিও না এবং পৃথিবীতে অহংকারের সঙ্গে হাঁটো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অহংকারী, গর্বিতকে পছন্দ করেন না।❞ — (লুকমান, ১৮)

৮. চলার ভঙ্গিমায় বিনয়ী হও, কথা বলায় নম্র হও
❝তুমি তোমার চলনে সংযত হও এবং তোমার কণ্ঠস্বর নিচু করো। নিশ্চয়ই সবচেয়ে বিরক্তিকর আওয়াজ গাধার আওয়াজ।❞ — (লুকমান, ১৯)

(সূরা লুকমান, আয়াত ১২–১৯):

লোকমান হাকীমের এসব উপদেশে আক্বীদা (বিশ্বাস), ইবাদত, আখলাক (নৈতিকতা), সামাজিকতা, ধৈর্য ও বিনয়ের প্রতি তীব্র আহ্বান রয়েছে। এসব উপদেশ আজকের যুগেও সন্তানদের জন্য এক মূল্যবান পথনির্দেশনা।

05/07/2025

পবিত্র আশুরা দিবসের পালনীয় আমল সমূহ:

আশুরা দিবসটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ, এ দিবসের প্রত্যেকটি নেক আমলের বেশি বেশি সাওয়াব ও বিনিময় দেওয়া হয়। তন্মধ্যে কয়েকটি নেক আমলের কথা উল্লেখ করা হলো।
* আশুরা দিবসে নফল নামাজ অত্যন্ত গুরুত্ববহ ও ফজিলতপূর্ণ:

(ক) যে ব্যক্তি এই দিবসের রাত্রিবেলায় চার রাকাত নফল নামাজ আদায় করবে (দুই দুই রাকাত করে) প্রত্যেক রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে ৫০ বার সূরা এখলাছ অর্থাৎ কুলহুয়াল্লাহু আহাদ সূরাটি পড়বে, আল্লাহ তা'আলা তাঁর বিগত জীবনের ৫০ বছর ও সামনের জীবনের ৫০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেন এবং জান্নাতে এক হাজার মহল তৈরি করেন।

(খ) যে ব্যক্তি অন্ধকার কবর আলোকিত হবার উদ্দেশ্যে এই রাত্রিতে দুই রাকাত নফল এই নিয়মে পড়বে, প্রত্যেক রাকাতে সুরা ফাতেহার পর সূরা এখলাছ তিন। তিনবার করে। মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর কবর কেয়ামত পর্যন্ত আলোকিত রাখবেন ইনশাআল্লাহ।

(গ) যে ব্যক্তি আশুরার দিবসে দিনে চার রাকাত নামাজ এই নিয়মে আদায় করবে, সূরা ফাতিহার পর সূরা এখলাছ ১১ বার। আল্লাহ তাআলা তাঁর জীবনের ৫০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন এবং তাঁর জন্য একটি নুরের মিম্বর তৈরি করবেন।

* এই দিবসের নফল রোজা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ:

প্রিয় নবীজি (দ.) এরশাদ করেছেন, রমজান মাসের ৩০ রোজার পর মুহররম মাসের রোজা সবচেয়ে উত্তম। আর পাঞ্জেগানা ফরজ নামাজের পর তাহাজ্জুদের নামাজ সবচেয়ে উত্তম। অপর হাদিসে বর্ণিত প্রিয় নবীজি (দ.) ইরশাদ করেছেন আমি আল্লাহ তাআলার উপর আশা রাখি, তিনি আশুরা দিবসের রোজা পালনকারীর পূর্বের এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।

(তবে আমাদেরকে আশুরার রোজা দুটি রাখতে হবে ৯ ও ১০ তারিখ। আর ৯ তারিখ সমস্যা হলে ১০ ও ১১ তারিখ)
এই দিবসে এতিম সন্তানের মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া।
পবিত্র হাদীস শরীফে এসেছে যে ব্যক্তি আশুরা দিবসে ইয়াতিমের মাথায় হাত বুলিয়ে দিবে তার জন্য এতিমের মাথায় যত চুল রয়েছে বেহেশতে তত মর্যাদা বুলন্দ করা হবে। (সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি)
আশুরা দিবসে গোসল করা।
হাদীস শরীফে এসেছে যে ব্যক্তি এই দিবসটিতে গোসল করবে সে ব্যক্তি মৃত্যুর রোগ ব্যতীত সকল প্রকারের রোগ থেকে নিরাপদ থাকবে।
এ দিনটিতে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে বেশি করে তাওবা-ইস্তেগফার করা।
হযরত মুসা কলিম উল্লাহ (আ.)'র উপর মহান আল্লাহর পক্ষ হতে অহি নাজিল হয়েছিল, হে মুসা! উম্মতদেরকে বলুন মুহররমুল হারামের দশ তারিখে তারা যেন আমার নিকট তাওবা করে, আমি তাদের ক্ষমা করে দিবো।
এই দিবসে চোখে সুরমা দিলে চোখের যাবতীয় রোগ থেকে বেঁচে থাকবে।
এই সুরমা খারেজিদের মতো আনন্দ-উল্লাসের জন্য নয় বরং হাদিস শরীফের উপর আমল করার জন্য।
এই দিনে পরিবারের সদস্যদের জন্য ভালো খাবারের আয়োজন করা।
পবিত্র হাদীস শরীফে এসেছে, প্রিয় নবীজি (দ.) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি আশুরা দিবসে নিজ পরিবার-পরিজন এর জন্য উন্নত মানের খাবারের আয়োজন করবে, মহান আল্লাহ তা'আলা সারাটি বছর তার উপর রিজিক প্রশস্ত করে দিবেন। উল্লেখ্য যে, এ ব্যাপারে প্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) ও হযরত সুফিয়ান ইবনে ওআয়ানা (রা.) বলেছেন ইহ। আমাদের পরিক্ষিত আমল।

এই দিবসে রোগিদের খবরা-খবর নেওয়া অত্যন্ত পুণ্যের কাজ।
পবিত্র হাদীস শরীফে এসেছে, প্রিয় নবীজি (দ.) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি আশুরার দিবসে কোন এক রোগির খবরা-খবর নিল, সে যেন সমগ্র আদম সন্তানের
সেবা করুণ।

এই দিবসে গরিব-মিসকীনদেরকে পানি অথবা দুধ পান করানো বড় সাওয়াবের কাজ।
প্রিয় নবীজি (দ.) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোন গরিব-মিসকিন কে পানি পান করালো, সে যেন কিছুক্ষণের জন্য আল্লাহর নাফরমানি করলো না।
এই দিবসে বেশি বেশি দান-দক্ষিনা ও সদকা-খয়রাত করা অনেক সওয়াবের কাজ।
ইহা দ্বারা বান্দার গুনাহ মাফ হয় এবং মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
ঘটনা ০১: হযরত ইমাম নাসাফি (র.) বলেন, একজন মুসলিম ব্যক্তি কাফেরদের হাতে বন্দি ছিলেন। তিনি আশুরার দিবসে সুযোগ পেয়ে পালিয়ে যান, কাফেররা পেছন থেকে ধাওয়া করতে করতে তাঁকে পুনরায় পেয়ে গেল। মুসলিম ব্যক্তি মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করলেন হে প্রভু, আশুরার দিবসের বরকতে আমাকে তাদের থেকে নাজাত দান করো। আল্লাহ তা'আলা কাফেরদেরকে অন্ধ করে দিলেন, তারা তাঁকে আর দেখতে পেল না।
তিনি আশুরার রোজা রেখেছিলেন, ইফতারের সময় তিনি পানাহারের জন্য কিছুই পাননি। ক্ষুধার্ত অবস্থায় তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন, স্বপ্ন দেখলেন একজন ফেরেশতা তাঁর জন্য শরবত নিয়ে এলেন আর তিনি তা পান করে নিলেন। এরপর তিনি ১০ বছর বেঁচে ছিলেন, কিন্তু তাঁর পানাহারের আর প্রয়োজন হয়নি (সুবহানাল্লাহ)।
সূত্র: 'নুজহাতুল মাজালিস' কৃত হযরত আব্দুর রহমান সঙ্কুরি শাফেয়ী (রহ.)।
ঘটনা ০২: প্রতিবছর আশুরা দিবসে মিশরের মসজিদ আমর ইবনুল আস (র.)-এ ফজরের নামাজে মহিলারাও উপস্থিত হতো। সেদিন ধনীরা গরিবদের দান-দক্ষিনা করতো। এক মহিলা এক ব্যক্তির কাছে আশুরা দিবসের উসিলা দিয়ে কিছু চাইলে লোকটি তাকে ঘরে নিয়ে যায় এবং তার গায়ের কাপড় খুলে দিয়ে দিলেন কারণ তার কাছে দেওয়ার মতো আর কিছুই ছিল না। কাপড়টি পেয়ে মহিলা মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করল, আল্লাহ আপনাকে বেহেশতী পোশাক দান করুন। লোকটি রাত্রে ঘুমিয়ে পড়লে স্বপ্নে দেখেন তার ঘরে খুব রূপসী একজন মহিলা হাতে একটি নাশপতি নিয়ে তাঁর ঘরে আসলেন। সম্পূর্ণ ঘর সুবাসিত হয়ে গেল, তিনি জিজ্ঞেস করলেন আপনার নাম কি? আপনার পরিচয় কি? মহিলা উত্তরে বললেন আমি বেহেশতের হুর; আমার নাম আশুরা, আর আমি বেহেশতে আপনার স্ত্রী হবো। এ কথা বলে হাতে থাকা ফলটি দ্বিখন্ডিত করলে একটি কাপড় বেরিয়ে আসে যাতে সুগন্ধি আরো বেশি ছড়িয়ে পড়ে।

লোকটির ঘুম ছুটে যায়, তাড়াতাড়ি উঠে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে আল্লাহর দরবারে মুনাজাত করলেন, হে আল্লাহ; এই মহিলা সত্যিই যদি জান্নাতে আমার সঙ্গিনী হয়ে থাকে তাহলে তুমি আমাকে তোমার নিকট নিয়ে যাও। লোকটির দোআ কবুল হলো।
সূত্র: 'নুজহাতুল মাজালিস' কৃত হযরত আব্দুর রহমান সঙ্কুরি শাফেয়ী (রহ.)।

02/07/2025

মুমিনরা কখনও চারটি বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকে না!

ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রহ.) বলেন—
দূরদৃষ্টিসম্পন্ন লোকেরা কখনও চারটি বিষয়ে নিশ্চিন্ত হয় না :
(১) অতীতের গুনাহের ব্যাপারে; কারণ, সে জানে না তার রব তার সাথে এ ব্যাপারে কেমন আচরণ করবেন।
(২) জীবনের অবশিষ্ট আয়ুর ব্যাপারে; কারণ, সে জানে না ভবিষ্যৎ তার জন্য কল্যাণকর হবে না ধ্বংসাত্মক।
(৩) প্রাপ্ত নেয়ামতের ব্যাপারে; কারণ, সে জানে না এই নেয়ামত তাকে কৌশলস্বরূপ দেওয়া হয়েছে নাকি এর ওছিলায় তাকে পাঁকরাও করা হবে।
(৪) গোমরাহির ব্যাপারে; কারণ, তার অন্তর যেকোনো সময় বিপথগামী হতে পারে এবং তা চোখের পলকের চাইতেও দ্রুত ঘটতে পারে। এতটাই দ্রুত ঘটতে পারে যে, মনের অজান্তেই নিজের দ্বীন হারিয়ে ফেলতে পারে।

[সূত্র : শুআবুল ঈমান, ১/৫০৭]

02/07/2025

অন্তর কঠিন হয়ে যাওয়া, মরে যাওয়ার ফলে সেই অন্তরে কুরআনের বাণী, ওয়াজ, নসীহত কোনো ভাবেই তাকে প্রভাবিত করতে পারে না।
অধিক পাপের কারণে তার অন্তরে মরীচীকা ধরে যায়।

এই ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,
کَلَّا بَلۡ ٜ رَانَ عَلٰی قُلُوۡبِہِمۡ مَّا کَانُوۡا یَکۡسِبُوۡنَ ﴿۱۴﴾
১৪. কখনো নয়; বরং তারা যা অর্জন করেছে তা-ই তাদের হৃদয়ে জঙ ধরিয়েছে।
সুরা মুতাফফিফীন, আয়াত ১৪।

30/06/2025

*"রাত একটা ফি-ত-না!"*

রাতে মানুষ একা হয়, মন দুর্বল হয়, অনেক নিষিদ্ধ কাজ সহজ হয়ে যায়, গুনাহ করার পরিবেশ বেশি তৈরি হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায়, চ্যাটে, ভিডিও কনটেন্টে, এমনকি নিজের চিন্তা-ভাবনাতেও রাত ফি-ত-না-র দরজা খুলে দেয়।

নি-ফাক, শয়_তানি কু-মন্ত্রণা ও কু-প্রবৃত্তির শক্তি বাড়ে রাতে। রাতের নীরবতা আর একাকিত্ব মানুষকে এমন সব পথে নিয়ে যেতে পারে, যেখান থেকে ফেরত আসা কঠিন।

বেশিরভাগ হা-রাম সম্পর্ক, চ্যাট, ভিডিও দেখা, গি-বত — রাতেই হয়।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "ফি-ত_নার সময় রাতে ঘুমিয়ে থাকা, দিনের ইবাদতের চেয়ে উত্তম।" (আবু দাউদ, হাদীস : ৪৩১১)

রাতের নিঃশব্দতা অনেক সময় গুনাহকে সহজ করে দেয়, কারণ মানুষ ভাবে— কেউ দেখছে না।
অথচ আল্লাহ! দেখছেন।

30/06/2025

যদি মৃত্যু না হতো, তাহলে দুনিয়ার কষ্টে ভুগে মানুষ নিজেই মৃত্যুর জন্য তাদবির খুঁজে বেড়াত, আর বলত, মরব কীভাবে ভাই?
এ জন্য মৃত্যুও আমাদের জন্য রহমতস্বরূপ। মৃত্যু সুনিশ্চিত, এটা জানার পরেও তো কিছু মানুষ আগেই মরার জন্য অস্থির হয়ে যায়।

দুনিয়াবী পেরেশানীর কথা বাদ দিলেও, মানুষ কখনো এক জিনিসে অভ্যস্ত হতে পারে না। এটা মানুষের স্বভাব। এ জন্যই মৃত্যুর প্রয়োজন রয়েছে।

25/06/2025

কবরের আযাবের একটি মর্মান্তিক ঘটনা-

একবার হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হজে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক জায়গায় রাত হয়ে গেল। সেখানকার এক বৃদ্ধা নারী দেখে বুঝলেন যে তিনি একজন মুসাফির এবং রাত হয়ে গেছে। তিনি তাঁর বাড়িতে রাত যাপনের আমন্ত্রণ পাঠালেন।
হযরত ইবনে উমর (রাঃ) বলেন: রাতে আমি কিছু চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনতে পেলাম। মনে হলো, হয়তো ওই বৃদ্ধা কারো সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়েছেন। আমি বাইরে বের হলাম—কিন্তু বাইরে কাউকে পেলাম না, শুধু ভয়ানক চিৎকারের আওয়াজ আসছিল।
সারারাত আমি ঘুমাতে পারিনি। ভোরে নামাজ পড়ে আমি বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করলাম: — "রাতে এখানে কী হচ্ছিল? কিসের আওয়াজ ছিল?"
তিনি বললেন, "তুমি কী শুনেছো?" আমি বললাম, "বারবার যেন কেউ 'মশক' (চামড়ার তৈরি পানির পাত্র) এর নাম নিচ্ছিল।"
তখন তিনি বলেন: — “ওটা আমার স্বামী ছিলেন। তিনি মারা গেছেন এবং আমাদের বাড়ির পেছনে কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। একবার এক ব্যক্তি প্রচণ্ড তৃষ্ণায় মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে এসে আমার স্বামীর কাছে পানি চাইলো। তখন আমার স্বামী বললেন, ‘ওখানে মশক (পানির পাত্র) রাখা আছে, গিয়ে সেখান থেকে খাও।’
ওই ব্যক্তি নিজেকে টেনে টেনে মশকের কাছে গেলেন, চরম পিপাসার মাঝে মশক হাতে তুলে দেখলেন সেটা একদম খালি। তখন আমার স্বামী হেসে বললেন, ‘আমি তো শুধু মজা করছিলাম!’
আর সেই লোক পিপাসায় কাতর হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
যেদিন থেকে আমার স্বামী মারা গেছেন ও দাফন করা হয়েছে, আমি যেই আল্লাহওয়ালা মানুষকে দেখি, তাদের দিয়ে তাঁর জন্য দোয়া করাই। কেননা তিনি এমন একটি জঘন্য কাজ করেছিলেন—এক মুমিন ভাইয়ের সাথে এমন নির্মম ঠাট্টা করেছিলেন।
আজ আমার চুল পেকে গেছে, তবু আল্লাহর কসম, দাফনের দিন থেকে আজ পর্যন্ত তাঁর কবরে আযাবের চিৎকার শুনতে পাই।”
الله أكبر (আল্লাহ মহান)
ভাইয়েরা, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ভীষণ ভালোবাসেন। কিন্তু কেউ যখন কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তখন সেই ব্যক্তির বিচার নিজ হাতে না করে, সেই কষ্ট পাওয়া ব্যক্তির হাতেই ছেড়ে দেন।
তাই সাবধান! কখনো কারো হৃদয় আঘাত দিও না, কারণ সেই কষ্ট কিয়ামতের দিন তোমার গলার ফাঁস হয়ে ঝুলিয়ে দেবে!

23/06/2025

গুনাহ করার পরেও যে ১০ ব্যক্তিকে আল্লাহ পছন্দ করেন!
১. তওবা কারী,
২. অশ্রুসিক্ত হয়ে ক্ষমা চাওয়া মানুষ,
৩. গুনাহ করে লজ্জিত হয়ে ফিরে আসা,
৪. গুনাহ করার পর নেক কাজ বাড়িয়ে দেয়,
৫. বারবার গুনাহ করেও তওবায় ফিরে আসে,
৬. নফসের সঙ্গে সংগ্রাম করে,
৭. গোপনে গুনাহ করে গোপনে কান্না করে
৮. নম্রতা ও বিনয় প্রকাশ করে,
৯. গুনাহ করে কিন্তু অন্যকে উপদেশ দেয়
১০. গুনাহ করে, পরে সে পথ ছেড়ে দেয়।

🌿 ১. তওবাকারী
ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তি নিজের গুনাহ বুঝে আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দরবারে ফিরে আসে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। তওবা এমন এক ইবাদত, যা আল্লাহ খুব পছন্দ করেন। আল্লাহ বলেন:
"নিশ্চয় আল্লাহ তওবাকারীদেরকে ভালোবাসেন..." 📖 সূরা বাকারা: ২২২

🌿 ২. অশ্রুসিক্ত হয়ে ক্ষমা চাওয়া মানুষ
ব্যাখ্যা: যে গুনাহের বোঝায় ভেঙে পড়ে কান্নায় ভিজিয়ে দেয় সেজদার মাটি—আল্লাহ তার সেই অশ্রুকে ভালোবাসেন। গোপনে একাকী আল্লাহর কাছে কান্না তাঁর কাছে খুবই প্রিয়।

🌿 ৩. গুনাহ করে লজ্জিত হয়ে ফিরে আসা
ব্যাখ্যা: লজ্জা ইমানের একটি শাখা। গুনাহ করে যে নিজের ভুলে লজ্জিত হয়, সে প্রকৃতপক্ষে এখনও ঈমান ধরে রেখেছে। এই লজ্জা তাকে আল্লাহর দিকে ফেরায়।

🌿 ৪. গুনাহর পর নেক কাজ বাড়িয়ে দেয়
ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তি গুনাহ করার পর বেশি বেশি নামাজ পড়ে, কুরআন পড়ে, দান করে ও সৎ কাজ করে—আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। কারণ সে গুনাহকে ঢেকে দেয় নেকির মাধ্যমে। হাদীস:
“তোমরা মন্দ কাজের পর ভাল কাজ করো, তা মন্দকে মুছে দেবে।” 📘 তিরমিযি: ১৯৮৭

🌿 ৫. বারবার গুনাহ করেও তওবায় ফিরে আসে
ব্যাখ্যা: মানুষ বারবার গুনাহ করে, আবার ফিরে আসে আল্লাহর কাছে। যতবার ফিরে আসে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন, যদি তার অন্তর সত্যিকারের অনুতপ্ত হয়। হাদীস:
“একজন বান্দা যদি দিনে ৭০ বার গুনাহ করেও তওবা করে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন।” 📘 তিরমিযি

🌿 ৬. নফসের সঙ্গে সংগ্রাম করে
ব্যাখ্যা: যে নিজের খেয়াল-খুশি, প্রবৃত্তি ও শয়তানের ধোঁকা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চেষ্টা করে, সে আল্লাহর প্রিয়। যদিও সে মাঝে মাঝে হেরে যায়, তবুও সে লড়াই চালিয়ে যায়।

🌿 ৭. গোপনে গুনাহ করে, গোপনে কান্না করে
ব্যাখ্যা: গোপনে গুনাহ করলে যেমন তা লজ্জাজনক, গোপনে কান্না করে ক্ষমা চাইলে তাও অধিক মহিমাময়। এই কান্না আল্লাহর রহমতের দরজা খুলে দেয়।

🌿 ৮. নম্রতা ও বিনয় প্রকাশ করে
ব্যাখ্যা: গুনাহ মানুষকে ভেঙে দেয়, অহংকার ভেঙে দিয়ে বান্দাকে নম্র বানিয়ে দেয়। যে বিনয়ের সঙ্গে আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, সে আল্লাহর প্রিয় হয়ে ওঠে।

🌿 ৯. গুনাহ করে কিন্তু অন্যকে উপদেশ দেয়
ব্যাখ্যা: নিজে দুর্বল হলেও, সে চায় অন্য যেন সেই ভুল না করে। এমন ইচ্ছা ও উপদেশের মাধ্যমে সে নিজের আত্মার জন্যও কল্যাণ কামনা করছে।

🌿 ১০. গুনাহ করে, পরে সে পথ ছেড়ে দেয়
ব্যাখ্যা: গুনাহ করে যে অনুতপ্ত হয়ে চিরতরে সে পথ ছেড়ে দেয়, নতুনভাবে জীবন শুরু করে—আল্লাহ তার অতীত মুছে দিয়ে ভবিষ্যৎ সাজিয়ে দেন। আল্লাহ বলেন:
"যে তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে—আল্লাহ তাদের মন্দ কাজগুলোকে ভালোতে পরিবর্তন করে দেন।" 📖 সূরা ফুরকান: ৭০

🤲 দোআ
হে আল্লাহ! আমাদেরকে গুনাহের কাজ থেকে ফিরে আসার তাওফিক দিন। আমাদের হৃদয়ে তওবার সুধা ঢেলে দিন, আর আমাদেরকে সৎকাজে দৃঢ় রাখুন। আমিন।

18/03/2025

বদরের বিজয়

ঝঞ্ঝার মতো উঠল ডাক, আসলো ঈমানী ঝড়,
বদরের বুকে জ্বলে উঠল, তকদীরের সেই খবর!
সাহাবিদের তেজে ভরা, খোদার খালিস দল,
তলোয়ারে জ্বলে উঠলো, জয়ের অগ্নিজ্বল।

হায়, মক্কার কাফের দল, গর্বে ছিল চোর,
তিনশো তেরো ঈমানী সৈনিক, ধ্বংস করল জোর!
জিব্রাঈলের বারতা এলো, স্বর্গের নূরের সাথে,
"সামনে চলো, আল্লাহ তোমার, বিজয় দিলেন হাতে!"

সেদিন আকাশ কাঁপলো আজি, বজ্রের মতো ডাক,
হামযা, আলী, উমর দাঁড়াল, সত্যের কঠিন শপথ!
এক হাতে তরবারি চলে, এক হাতে ঈমান,
একদিনের সে যুদ্ধ আজও, রাখে দীনের মান।

ওরে ওরে, মুসলিম তরুণ, স্মরণ কর সে দিন,
শত্রুর বাঁধন টুটলো যবে, নামলো ন্যায়-বজ্রবৃষ্টি!
বদরের সেই রক্তজোয়ার, আজো বয়ে চলে,
যেখানেই ঈমানী তেজ, বদর জয়ের বলে!

— জুয়েল মাহমুদ
তারিখ: ১৮.০৩.২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

06/12/2024

"বাড়ির পাশে আরশি নগর, এক পরশি বসত করে, একদিনও না পাইলাম তারে" লাইনটি লালন সাঁই-এর একটি বিখ্যাত গানের অংশ। এই লাইনটি অত্যন্ত গভীর অর্থবহ এবং আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে জীবন ও আত্মার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে।

অর্থ ও ব্যাখ্যা:

1. "বাড়ির পাশে আরশি নগর":
"আরশি নগর" বলতে আমাদের আত্মার জগৎ বা পরমাত্মার (ঈশ্বর, সৃষ্টিকর্তা) উপস্থিতি বোঝানো হয়েছে।
"বাড়ির পাশে" অর্থাৎ এটি খুবই কাছাকাছি, আমাদের মন ও হৃদয়ের মধ্যে বিরাজমান।

2. "এক পরশি বসত করে":
"পরশি" বা প্রতিবেশী হলো আমাদের অন্তরের আত্মা বা পরমাত্মা।
এটি সবসময় আমাদের সাথে রয়েছে, কিন্তু আমরা তার উপস্থিতি অনুভব করতে অক্ষম।

3. "একদিনও না পাইলাম তারে":
অর্থাৎ, সারা জীবন সেই পরম সত্য, পরমাত্মা বা আত্ম-চেতনার সন্ধান করেও তা উপলব্ধি করা যায় না।
এটি বোঝায় আত্ম-সচেতনতার অভাব বা মায়ার কারণে সত্যকে দেখা বা উপলব্ধি করতে না পারা।

দার্শনিক দৃষ্টিকোণ:
লালনের এই গানে মানুষের আধ্যাত্মিক ভ্রমণ এবং আত্ম-অন্বেষণের গভীরতা প্রকাশ পায়। যদিও সৃষ্টিকর্তা বা পরম সত্য আমাদের খুব কাছেই আছে, আমরা মায়ার বাঁধনে আবদ্ধ হয়ে তাকে উপলব্ধি করতে পারি না। গানের মূল বার্তা হলো, নিজেকে জানার এবং আত্মা ও পরমাত্মার মিলনের চেষ্টা করা।

বাস্তব জীবনে প্রাসঙ্গিকতা:
এই লাইনগুলো মানুষের অন্তর্দৃষ্টি, আত্মোপলব্ধি এবং আত্মিক শান্তির অভাবের প্রতীক। আমরা প্রায়শই বাইরের জগতে শান্তি খুঁজি, কিন্তু লালন এখানে বলতে চান যে, সেই শান্তি আমাদের মনেই লুকিয়ে আছে।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Grin Bew2, Sunniha Madrasha
Chittagong
4000