Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম

Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম, Educational consultant, 197, lalchand Road, chawkbazar, Chittagong.

A Glorious Medical and Dental Admission Coaching

আমাদের সেবা সমূহঃ https://sites.google.com/view/retinactg/home-our-success
রেটিনা, চট্টগ্রাম।
01711396212
01842396212

Photos from Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম's post 25/04/2026

🎯 সাফল্যের ধারায় এগিয়ে চলছে সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজ!

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজ—একটি স্বপ্ন, একটি অগ্রযাত্রা। ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে সরকারি স্বীকৃতি লাভের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার মান ও ফলাফলে নিজেদের একটি শক্ত অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

🏆 ২০২৫–২৬ সেশনে Retina Medical & Dental Admission Coaching, চট্টগ্রাম শাখার সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে এই কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
📌 এটি শুধুমাত্র একটি ফলাফল নয়-
এটি কঠোর পরিশ্রম, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং অদম্য আত্মবিশ্বাসের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।

🤍 সকল কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া।
তাদের এই সাফল্য ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে চলার জন্য হবে এক শক্তিশালী প্রেরণা। ✨

Photos from Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম's post 24/04/2026

🌟 সাফল্যের ধারাবাহিকতা | কক্সবাজার সরকারি কলেজ🌟

কক্সবাজার সরকারি কলেজ—একটি নাম, একটি ঐতিহ্য, একটি গৌরবের প্রতীক।
জেলার সর্ববৃহৎ এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে একাডেমিক উৎকর্ষতার মাধ্যমে নিজের স্বকীয়তা প্রমাণ করে আসছে।

📚 চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ধারাবাহিকভাবে সেরা কলেজগুলোর তালিকায় স্থান করে নেওয়া,
🎓 এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অসাধারণ ফলাফল—সব মিলিয়ে এটি আজ একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষার কেন্দ্র।
🏛️ সাম্প্রতিক সময়ে কলেজটির পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজে উন্নীত হওয়া এই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করেছে।

🏆 ২০২৫–২৬ সেশনের Retina Medical & Dental Admission Coaching -এর দিকনির্দেশনায় এই কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
💙 তাদের এই অর্জন প্রমাণ করে—
সঠিক দিকনির্দেশনা, কঠোর পরিশ্রম এবং স্বপ্ন থাকলে সাফল্য অবশ্যম্ভাবী।
👏 সকল কৃতী শিক্ষার্থীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।
তোমাদের পথচলা হোক আরও গৌরবময় ও অনুপ্রেরণাদায়ক।

Photos from Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম's post 21/04/2026

🔥 CUET ক্যাম্পাস থেকে উঠে আসা ভবিষ্যতের ডাক্তাররা!🔥

চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ, যা চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় অবস্থিত এবং Chittagong University of Engineering and Technology (CUET) ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থিত-একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য প্রতিষ্ঠিত হলেও, বর্তমানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্যও উন্মুক্ত এই প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করে আসছে।

✨স্বপ্নজয়ের অনন্য দৃষ্টান্ত!

২০২৫–২৬ সেশনে Retina Medical & Dental Admission Coaching, Chattogram এর তত্ত্বাবধানে এই কলেজের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

📚 তাদের এই অর্জন শুধু নিজেদের নয়, বরং প্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং আমাদের সকলের জন্যই গর্বের বিষয়।

🤍 সকল সফল শিক্ষার্থীদের জন্য রইলো আন্তরিক দোয়া ও শুভকামনা- তোমাদের আগামী পথচলা হোক আরও উজ্জ্বল ও সফল, ইনশাআল্লাহ।

🚀 Stay focused, stay dedicated — success will follow.

20/04/2026

SSC ও সমমান - ২০২৬ এর পরীক্ষার্থীদের জন্য আন্তরিক দোয়া ও শুভকামনা।

Photos from Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম's post 20/04/2026

🎉 CONTENT SHARING WINNER PRIZE DISTRIBUTION 🎉

Retina Medical & Dental Admission Coaching, Chattogram থেকে আমাদের Content Sharing Campaign–এর বিজয়ীদের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে।
এই প্রতিযোগিতায় যারা জিতেছে, তারা সত্যিই তাদের পরিশ্রম আর নিয়মিত একটিভ থাকার মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করেছে। 👏

📚 বিজয়ীদের জন্য Prize হিসেবে দেওয়া হয়েছে মেডিকেলের ১ম বর্ষের বইগুলি।

🎁 পুরস্কার তুলে দেন
রেটিনা চট্টগ্রাম শাখার নির্বাহী পরিচালক নাজমুল হাসান জায়েদ
এবং চট্টগ্রাম শাখার ডিএমডি ডা. আমির হোসাইন
সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ❤️

তোমাদের এই শুরুটা যেন সামনে আরও বড় সাফল্যে গিয়ে পৌঁছায় — এই কামনা রইলো।

💙 Retina সবসময় চেষ্টা করে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে, তাদের পরিশ্রমকে মূল্য দিতে।
🚀 মন দিয়ে লেগে থাকো, ভালো কিছু অবশ্যই আসবে।

19/04/2026

𝐖𝐨𝐫𝐥𝐝 𝐋𝐢𝐯𝐞𝐫 𝐃𝐚𝐲 𝟐𝟎𝟐𝟔 | 𝐒𝐨𝐥𝐢𝐝 𝐇𝐚𝐛𝐢𝐭𝐬, 𝐒𝐭𝐫𝐨𝐧𝐠 𝐋𝐢𝐯𝐞𝐫
“Eat well, move more, and stay in control. Liver health is the heart of your soul. Keep a strong liver and a happy heart.”

18/04/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাক্বাতুহু
মূলত আমি ছিলাম একজন সেকেন্ড টাইমার। এই "সেকেন্ড টাইমার" শব্দ টা তে কতটা ভয়, সংকোচ, অনিশ্চয়তা ও দ্বিধা কাজ করে সেটা কেউ স্বয়ং সেকেন্ড টাইমার না হলে বোঝা দায়। আমার বাবা নিজেও একজন চিকিৎসক। ছোটবেলায় যখন বাড়ি যেতাম তখন সবার মুখে একটাই কথা ডাক্তারের মেয়ে ডাক্তার ই হবে। ডাক্তার হবে না তো কি হবে?? তখন তো আর এতকিছু বুঝতাম না। ভবিষ্যৎ নিয়ে তেমন একটা মাথাব্যথাও ছিলনা।মামা চবির পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক।তার সাথে যখন মাঝে মধ্যে ভার্সিটি তে বেড়াতে যেতাম তখন মনে হত টিচার হব। আবার বাবাকে দেখে ডাক্তার হব ভাবতাম। মানে ঠিক করা ছিল না কি হব।ছোট বেলা থেকে অত আহামরি ভালো স্টুডেন্ট না হলেও এভারেজ ছিলাম। মানে পড়লেই খুব ভাল মার্কস আসবে কিন্তু পড়তাম না। আমার মা এই বিষয়টি খুব ভালোভাবে বুঝত। তাই তিনি আমাকে সবসময় উৎসাহিত করত পড়ার জন্য। জেএসসিতে বৃত্তি আসার পর অনুভুত হলো আমি অতটাও খারাপ স্টুডেন্ট না যতটা আমি মনে করি, চেষ্টা করলেই পারা সম্ভব।
এসএসসির কিছুদিন আগে আমার ডেঙ্গু ধরা পড়ে। তার উপর স্কুল থেকে ব্যবহারিক এ বাদ পড়ে যাওয়া পরীক্ষণ যুক্ত হলো। আমি ১০৪° জ্বর নিয়ে ব্যবহারিক ও পাশাপাশি পরীক্ষার পড়া পড়তে লাগলাম। শুধুমাত্র ১০ টা নাম্বারের জন্য আমি চট্টগ্রাম কলেজে পড়ার সুযোগ হারালাম। মন ভারী হয়ে গেল। পুরো ইন্টারমিডিয়েট লাইফ জুড়ে আমার একটা ওভারথিংকিং কাজ করত। বই ভিজে যেত অশ্রুকণায়। এতগুলো মানুষের আশা আমি রক্ষা করতে পারব তো?কলেজে রেজাল্টও তেমন ভালো হত না। মানে টেনেটুনে পাশ যেটাকে বলে।তার উপর আমার আম্মু মাঝখানে অসুস্থ হয়ে গিয়েছিল এবং রাস্তায় দূর্ঘটনায় আব্বুর হাতের কব্জিতে হাল্কা ফ্র‍্যাকচার ধরা পড়েছিল। পুরো বাসা জুড়ে তখন একটা যেন মুমূর্ষু অবস্থা। তখন অনুভব করলাম মানুষের এহেন কঠিনতম সময়ে পাশে থাকার তীব্র আকাঙ্ক্ষা, এমন অসহায়ত্বের সময় স্বস্তির কারণ হবার অভিলাষ, স্বপ্ন বুনা শুরু করলাম, "ডাক্তার হব"। আমার মা ছিল আমার জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ।তাঁর মুখ নিঃসৃত প্রতিটি শব্দে ছিল স্বস্তির সুর, পর্বতসম হতাশা দূরীভূত করার অসীম শক্তি।আমি যখন তাকে বলতাম আমি কি বেশি দেরি করে ফেলেছি? তখন তিনি বলতেন, "মানুষের সাধ্যের বাইরে কিছু নেই , চেষ্টা করে মানুষ সেটাই পায় না যা সেটা চায় না''। মনে কিছুটা সাহস পেলাম। শুরু হল এইচএসসি। শিশু,বৃদ্ধ, তরুণ, কিশোর নির্বিশেষে সকল মহান জুলাই শহিদদের উপর নৃশংশ হত্যাযজ্ঞের চিত্র সর্বক্ষণ মনে ঘুরপাক খাওয়ায় মাঝখানে আন্দোলনের কারণে স্থগিত হওয়া পরীক্ষার পড়া পড়তে গিয়ে কোনো ভাবেই মনোনিবেশ করতে পারতাম না। একটা অশান্তি কাজ করত। অনেক দিন পড়িনি।
তারপর যখন খবর আসল পরীক্ষা আর হবে না, তখন চিন্তা করলাম রেটিনার কথা। যেহেতু সিনিয়রদের কাছ থেকে রেটিনার সুনাম আগে থেকে জানা ছিল। ভর্তি হলাম। শুরু করলাম আমার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রয়াস। প্রথমদিকে ঠিক ঠাক থাকলেও সময় যেতে যেতে কেন জানি পেরে উঠতে পারছিলাম না। মুল বইয়ের পাশাপাশি আনুষঙ্গিক বইসমূহ তার উপর জিকে, ইংলিশ কেমন যেন অগোছালো হতে লাগল।রেটিনার অমায়িক, আন্তরিক, সুদক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী আমায় ভরসা দিয়েছিল যে আমি পারব। কিন্তু কেন জানি কিছুতেই পেরে উঠতে পারছিলাম না। পড়া শেষ করতে না পারায় সৃষ্টি হতে লাগল বাড়তি ভয়, মানসিক চাপ। যাই হোক, যেকোনোভাবে শেষ করে পরীক্ষা দিতাম মার্ক আসত এভারেজ। কেন জানি পড়া গুছিয়ে নিতে পারিনি। ১৭ ডিসেম্বর পরীক্ষা দিয়ে আমি বুঝে গেছি চান্স হবে না।নাম্বার আসলো ৭০। রেজাল্ট পাওয়ার পর মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম আবার চেষ্টা করব।এরপর বাকি পরীক্ষা গুলো কোনোমতে দিলাম। চবি বাদে একটাতেও হল না। যদিও মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সেকেন্ড টাইম দেব, মনে একটা ভয় কাজ করতে লাগল। কারণ ২য় বার পরীক্ষা দিয়েও চান্স না পাওয়ার লজ্জা বা অপমান কোনোটাই সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই। পরিবার কে আমার সিদ্ধান্তের কথা জানালাম , আমার গৃ্‌হশিক্ষক, আমার মামা,মা, নানু আমায় সমর্থন করল। আব্বু কিছুটা শঙ্কিত ছিল পাছে track out হয়ে যাই! যাইহোক পরে রাজি হয়েছিল। আমার মা বাবার পরে কেও যদি সবচেয়ে বেশি অবদান রেখে থাকে তাহলে সেটা হবে আমার মামা। ছোট বেলা থেকেই আমার পড়ায় বিশেষ যত্নবান ছিলেন ও পড়া সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সহায়তা করতেন।যাইহোক সময় মোটামুটি যেহেতু হাতে ছিল সেহেতু পড়া কিছুটা হলেও গুছিয়ে নিতে পেরেছিলাম। গতবার যদিও পড়া শেষ করতে পারতাম না তবে বেসিক অতটা খারাপ ছিল না। তার সাথে সহায়িকা হিসেবে ছিল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যবহুল ও সমৃদ্ধ ডাইজেস্ট,অনুশীলন প্রশ্নব্যাংক, ক্লাসে ভাইয়াদের দেয়া গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক অতিরিক্ত তথ্য, নোট। প্রস্তুতি জোরালো করতে মূল বইয়ের পাশাপাশি রেটিনার এসব সহায়িকার অবদান অনস্বীকার্য।বিশেষ করে জিকের কথা যদি বলি, তাহলে এবারের জিকে ডাইজেস্টে বাড়তি ও কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ দেয়ার পাশাপাশি টপিকের শেষে যে বিগত বিসিএস, মেডিকেল,ডেন্টালের বহুনির্বাচনি যুক্ত করার দিকটা ছিল খুব ফলপ্রসূ ও সময় বাঁচানো পদক্ষেপ। এতে বোঝা যেত কোনটিতে emphasize করা লাগবে।রেটিনার প্রতিটা পরীক্ষা যেন একেকটি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা।
সেকেন্ড টাইম জার্নি টা ছিল আমার জন্য খুবই স্পর্শকাতর সময়। প্রতিটি পরীক্ষা তে আমি আমার সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করতাম। কখনো যদি একটানা নাম্বার কম আসত তখন ভেতরে হতাশার বিষবাষ্পে ভরে যেত। সেই ধোঁয়াশায় চারদিক ঝাপ্সা অনুভূত হত৷ কিন্তু আমার মা, মামা, নানু, রেটিনার ভাইয়ারা, সাথে আমার গৃহশিক্ষক প্রতিনিয়ত আমার ভরসা দিয়েছে। আমার মা, বাবা যখন দুশ্চিন্তা করত তখন আমার গৃহশিক্ষক তাদের বলতেন এবার যদি কোনো সেকেন্ড টাইমার চান্স পায় সেটা ও পাবে। কেননা মার্ক মোটামোটি ভালই আসত,পড়ে যাই আর আর না পড়ে যাই।
পরীক্ষার আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। শেষ রিভিশনের শেষের দিকে। পড়া অল্প কিছু বাকি ছিল কিন্তু পড়তে পারছিনা, অস্থির লাগছে, বই খুললেই দম বন্ধ হয়ে আসছে, যেন আমি নতুন বই খুলছি কিচ্ছুই পারিনা। মনোযোগ তো দূরে থাক বইয়ের দিকে তাকাতেও পারছিনা।যাইহোক কোনোভাবে মন শান্ত করে শুধু বইয়ের পাতা উল্টাতে লাগলাম।আগের রাতে ঘুমানোর চেষ্টা করেও পারলাম না। পরীক্ষার খাতিরে শুধু চোখ বন্ধ করে রাখলাম। আমার গৃহশিক্ষক বললেন, " শুধু মাথা টা ঠান্ডা রাখলে কেবল চান্স না টপ হবে তোমার। টেনশন ফ্রি হয়ে পরীক্ষা দিবা। "

পরীক্ষার দিন, সৃষ্টিকর্তার কাছে মিনতি, "জীবনে যদি কোনো একটা ভাল কাজ ও করে থাকি সেটার উসিলায় হলেও আমাকে এটা দিয়ে দাও। আমার পড়া এগুলা কিছুই না যদি না তোমার রহমত না থাকে।" মা বাবা,ভাই, বোন মামা,নানু গৃহশিক্ষক ও শুভাকাঙ্খীদের দোয়া নিয়ে পরীক্ষার জন্য রওয়ানা হলাম। কোনোমতে স্নায়ুচাপ নিয়ন্ত্রণ করে পরীক্ষা দিলাম। হলেই বুঝলাম আমার চান্স হবে।যদিও বাসায় এসে দেখলাম অনেক সহজ প্রশ্ন ভুল করেছিলাম। পরীক্ষা দিয়ে বাসায় আসতেই দেখলাম পরিবারের প্রত্যেকটা সদস্য কোরআন পাঠ করছে🥹

রেজাল্টের দিন স্বাভাবিকভাবেই এক উত্তেজনা কাজ করতে লাগল। ভয় হলো হিসাব করা নাম্বারের চেয়ে যদি কমে যায়।
যাইহোক সকলের উত্তেজনার অন্তিম ঘটিয়ে অবশেষে ফলাফল প্রকাশিত হলো।যেটার জন্য সেই সুদীর্ঘ বারো বছরের যাত্রা সেটা বাস্তবে দেখার পর নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে খানিকটা সময় লাগল। It was too good to believe, Alhamdulillah.

সর্বোপরি, শোকরিয়া আদায় করি সেই মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তায়ালার যার দেওয়া সামর্থ্য, সাধ্য, আত্মবিশ্বাস ও অসীম রহমত কে অবলম্বন করে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।
এই সাফল্য কখনোই আমার না।উপরন্তু মহান আল্লাহর দেয়া আর্তের সেবা করার এক অমূল্য সু্যোগ। এই সাফল্য আমার পরিবার এবং সে সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের যারা প্রতিটি মুহূর্তে আমার পাশে ছিল,সাহস জুগিয়েছে, অনুপ্রেরণা দিয়েছে। যাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে যদি শব্দচয়ন করি, ছোট পড়ে যাবে আমার শব্দমালা। বিশেষ করে আমার মা।
রেটিনা পরিবার ও ছিল সেই সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদেরই একজন।

~ নুজহাত লুবাবা ফুলেল
জাতীয় মেধা ৫১৩তম
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ

16/04/2026

"ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন"

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এর ৫৪ তম ব্যাচের (২০২৫-২৬ সেশন) শিক্ষার্থী আব্দুল ওয়াদুদ সায়েম মাতামুহুরি নদীর পানিতে ডুবে ইন্তেকাল করেছে। তার মৃত্যুতে রেটিনা পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

আল্লাহ আব্দুল ওয়াদুদ সায়েম-কে শহীদ হিসেবে যেন কবুল করুক। আমিন।।

14/04/2026

বাংলা সনের ইতিহাস মূলত ১৫৫৬ সালে সম্রাট আকবরের খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে প্রবর্তিত ‘ফসলি সন’ থেকে শুরু হয়, যা কালক্রমে ‘বঙ্গাব্দ’ নামে পরিচিতি পায়। কৃষি ও গ্রামীণ সমাজকে কেন্দ্র করে প্রবর্তিত এই সনে বছরের শেষ দিনে বকেয়া পরিশোধ এবং পহেলা বৈশাখে নতুন হিসাবের খাতা খোলা বা ‘হালখাতা’ উপলক্ষে আপ্যায়ন ও উৎসবের যে ঐতিহ্য শুরু হয়েছিল, তা আজও অনেক ক্ষেত্রে অমলিন।

কালের বিবর্তনে এই উৎসবটি নাগরিক জীবনে প্রভাব বিস্তার করে এবং বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক চেতনার বহিঃপ্রকাশে পরিণত হয়। বর্তমানে পহেলা বৈশাখ কেবল একটি ঋতুভিত্তিক উৎসব নয়, বরং এটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির সর্বজনীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

10/04/2026

প্রিয় 𝐇𝐒𝐂-𝟐𝟔 ব্যাচ! ফাইনাল পরীক্ষায় নিজের সেরাটা দিতে প্রস্তুত?
👉তাহলে 𝐅𝐢𝐧𝐚𝐥 𝐌𝐨𝐝𝐞𝐥 𝐓𝐞𝐬𝐭 তোমার জন্য—
🎯 শেষ মুহূর্তের সবচেয়ে পাওয়ারফুল প্রস্তুতি।
🎯 নিজের দুর্বলতা ঠিক করার সেরা সুযোগ এবং
🎯 আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সেরা প্ল্যাটফর্ম।

👉 ফাইনাল মডেল টেস্ট পরীক্ষা – ১৩টি

🗓️পরীক্ষা শুরু: ২৮ এপ্রিল ২০২৬

📚প্রকাশনা:
🔸 CQ মাস্টারবুক : ১৩ টি
🔸 MCQ মাস্টারবুক : ১০ টি
🔸 মোট বই: ২৩টি

🛑মডেল টেস্টের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

✅বোর্ড পরীক্ষার অনুরুপ প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা
✅প্রতিটি পরীক্ষার পর বিস্তারিত সল্যুশন
✅অভিজ্ঞ প্যানেল দ্বারা উত্তরপত্র মূল্যায়ন
✅সার্বক্ষণিক Q&A সার্ভিস

🔗 এখনই এনরোল করো: https://forms.gle/4bX8VVSHFi8EtQJ38

☎️ ভর্তি তথ্যসহ যে কোনো প্রয়োজনে: 01711-396212

08/04/2026

সেকেন্ড টাইম মেডিকেল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা,
শুরু হতে যাচ্ছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬-২৭ সেশনের জন্য রেটিনার “সেকেন্ড টাইম এক্সাম ব্যাচ ২.০” প্রোগ্রাম।

তোমার মেডিকেল ভর্তি প্রস্তুতিতে যেন কোনো অপূর্ণতা না থাকে, তাই রয়েছে কমপ্লিট মডিউল। যা প্রস্তুতিকে করবে ১০০ তে ১০০, ইনশাআল্লাহ।

মেডিকেল স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন সলভ করার মাধ্যমে ভুল সংশোধন করে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলো আর প্রস্তুতিকে করো দৃঢ় . . .
তাই তুমি কি প্রস্তুত?

📌 পরীক্ষা শুরু: ২১ এপ্রিল ২০২৬

''👇বিস্তারিত জেনে এনরোল করো আজই''

08/04/2026

আমি হৃদি বিশ্বাস। আমি একজন সেকেন্ড টাইমার। আমার ফার্স্ট টাইম জার্নিতে আমি রেটিনার এক্সাম ব্যাচে ভর্তি ছিলাম। ফার্স্ট টাইমে আসলে অনেক ঘাটতি ছিল। তবুও পরীক্ষা দিই। পরীক্ষা দিয়েই বুঝেছিলাম চান্স হবে না।

১৯ জানুয়ারি ২০২৫ রেজাল্ট প্রকাশিত হয়। দেখলাম Allotted College এর জায়গাটা ফাঁকা। তখন খুব খারাপ লাগছিল। তারপর সেই দিনই সিদ্ধান্ত নিই যে এবার রেটিনার মূল ব্যাচে ভর্তি হব। অপেক্ষায় ছিলাম রেটিনা কখন তাদের সেকেন্ড টাইম ব্যাচ শুরু করে।

আমি রেটিনার Q-01 ব্যাচে ছিলাম। রেটিনার সেকেন্ড টাইম ব্যাচের রুটিনটা ছিল অনেক গোছানো। ডেইলি ক্লাসগুলো অনেক হেল্পফুল ছিল। স্যাররা খুব ভালো করে বোঝাতেন। শুধু পড়া বোঝাতেন তা নয়, যেহেতু সেকেন্ড টাইম জার্নি অনেক লম্বা এবং কখনো কখনো হতাশাজনক, তাই তাদের মোটিভেশন আমাকে অনেক সাহায্য করেছে।

ডেইলি পরীক্ষা, সাপ্তাহিক টিউটোরিয়াল ও ভাইভা - এই সবগুলো পরীক্ষায় আমি অংশগ্রহণ করতাম। ডেইলি পরীক্ষায় আমার নম্বর কিছুটা কম থাকত, যেমন ৪২–৪৩। কিন্তু টিউটোরিয়াল পরীক্ষাগুলো ভালো হতো। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং অংশ ছিল ভাইভা।

যে স্যাররা ক্লাস নিতেন, তাদের সামনে বসে আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর দেওয়া সত্যিই অনেক সাহসের বিষয়। স্যাররা কখনো বকা দিতেন না; কিছু না পারলে সেটি কীভাবে পড়তে হবে বুঝিয়ে দিতেন। মাঝে মাঝে নম্বর কম এলে খুব হতাশ লাগত। তখন আমার মা আমাকে অনেক সাপোর্ট করতেন। আমার ভাইও বাসায় আমাকে গাইড করত - কোনো বিষয়ে পিছিয়ে গেলে সেটি কীভাবে কভার আপ করা যায়।

অফিসের ভাইয়ারাও অনেক সাহায্য করতেন। মেডিকেল এ্যাডমিশন পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে কোচিং বন্ধ হয়ে যায়। পরীক্ষার কয়েকদিন আগে রেটিনা থেকে কয়েকজন স্যার আমার বাসায় আসেন। তারা যেভাবে আমাকে মোটিভেট করেছিলেন, তা সত্যিই অনেক কাজে দিয়েছে।

তারপর আসে কাঙ্ক্ষিত দিনটি - ১২ ডিসেম্বর ২০২৫। আমাদের রেজাল্ট প্রকাশিত হয় ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ বিকেলে। সৃষ্টিকর্তার অশেষ দয়ায় আমি সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পাই।

হৃদি বিশ্বাস
জাতীয় মেধায় ১৮১৮তম | সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ
রেটিনা রোল: ১২০১০২ | ব্রাঞ্চ: চকবাজার, চট্টগ্রাম

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


197, Lalchand Road, Chawkbazar
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:30
Tuesday 09:00 - 19:30
Wednesday 09:00 - 19:30
Thursday 09:00 - 19:30
Friday 09:00 - 19:30
Saturday 09:00 - 19:30
Sunday 09:00 - 19:30