🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের দ্বাদশ অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের দ্বাদশ অধ্যায় "মহাকাশ ও উপগ্রহ"-এ মহাজগৎ, উপগ্রহের প্রকারভেদ এবং কৃত্রিম উপগ্রহের কার্যপ্রণালী ও মানবজীবনে এর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
১. মহাকাশ ও মহাজগৎ (Outer Space & Universe)
✅ মহাকাশ: গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান, যেখানে কোনো বায়ুমণ্ডল বা বাতাস নেই।
✅ মহাজগৎ: আমাদের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যের সমস্ত পদার্থ, শক্তি, গ্রহ, নক্ষত্র এবং সীমাহীন মহাকাশের সমষ্টি।
২. উপগ্রহ ও এর প্রকারভেদ (Satellites)
✅ প্রাকৃতিক উপগ্রহ: মহাকর্ষ বলের প্রভাবে যেসব প্রাকৃতিক বস্তু কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে। যেমন—চাঁদ হলো পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
✅ কৃত্রিম উপগ্রহ: মহাকাশে অনুসন্ধানের জন্য মানুষের তৈরি যান, যা নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
৩. কৃত্রিম উপগ্রহ কীভাবে কক্ষপথে ঘোরে? কৃত্রিম উপগ্রহকে রকেটের সাহায্যে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় নিয়ে আনুভূমিকভাবে তীব্র গতিতে ছুড়ে দেওয়া হয়। পৃথিবীর মহাকর্ষ বল উপগ্রহটিকে নিজের দিকে টানে এবং এর নিজস্ব গতির কারণে এটি বাইরের দিকে যেতে চায়। এই দুটি বলের সঠিক ভারসাম্যের কারণে উপগ্রহটি নিচে না পড়ে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে থাকে।
৪. কৃত্রিম উপগ্রহের শ্রেণিবিভাগ ও ব্যবহার
✅ যোগাযোগ উপগ্রহ (Communication Satellite): টেলিভিশন সম্প্রচার, টেলিফোন যোগাযোগ, ইন্টারনেট ও দূরশিক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয় (যেমন: বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১)।
✅ আবহাওয়া উপগ্রহ (Weather Satellite): মেঘের অবস্থান, বায়ুমণ্ডলের চাপ, সমুদ্রের তাপমাত্রা মেপে ঝড়-ঝঞ্ঝা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করে।
✅ পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহ (Earth Observation Satellite): ফসলের অবস্থা পর্যবেক্ষণ, বনভূমি রক্ষা, পরিবেশ দূষণ ও ম্যাপ তৈরির কাজে তথ্য সরবরাহ করে।
✅ সামরিক ও গোয়েন্দা উপগ্রহ (Military Satellite): শত্রুপক্ষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও সীমান্ত সুরক্ষায় গোপনীয় তথ্য সংগ্রহে কাজ করে।
✅ মহাকাশ গবেষণা উপগ্রহ (Navigational & Research Satellite): জিপিএস (GPS) পরিচালনায় এবং গভীর মহাকাশের গ্রহ-নক্ষত্রের ছবি তুলে গবেষণায় সাহায্য করে।
★ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট
✅ ভূ-স্থির উপগ্রহ (Geostationary Satellite): যেসব উপগ্রহের আর্নিল গতির সাথে মিল রেখে ২৪ ঘণ্টায় একবার পৃথিবী ঘুরে আসে, ফলে পৃথিবী থেকে দেখলে এগুলোকে স্থির মনে হয়।
✅ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১: এটি ২০১৮ সালের ১২ মে উৎক্ষেপণ করা বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব যোগাযোগ উপগ্রহ।
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
Chittagong Govt. Girls' High School
Our mission & vission to reach more information quickly to student about education.
20/08/2026
🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের দ্বাদশ অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের দ্বাদশ অধ্যায় "মহাকাশ ও উপগ্রহ"-এ মহাজগৎ, উপগ্রহের প্রকারভেদ এবং কৃত্রিম উপগ্রহের কার্যপ্রণালী ও মানবজীবনে এর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
১. মহাকাশ ও মহাজগৎ (Outer Space & Universe)
✅ মহাকাশ: গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান, যেখানে কোনো বায়ুমণ্ডল বা বাতাস নেই।
✅ মহাজগৎ: আমাদের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যের সমস্ত পদার্থ, শক্তি, গ্রহ, নক্ষত্র এবং সীমাহীন মহাকাশের সমষ্টি।
২. উপগ্রহ ও এর প্রকারভেদ (Satellites)
✅ প্রাকৃতিক উপগ্রহ: মহাকর্ষ বলের প্রভাবে যেসব প্রাকৃতিক বস্তু কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে। যেমন—চাঁদ হলো পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
✅ কৃত্রিম উপগ্রহ: মহাকাশে অনুসন্ধানের জন্য মানুষের তৈরি যান, যা নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
৩. কৃত্রিম উপগ্রহ কীভাবে কক্ষপথে ঘোরে? কৃত্রিম উপগ্রহকে রকেটের সাহায্যে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় নিয়ে আনুভূমিকভাবে তীব্র গতিতে ছুড়ে দেওয়া হয়। পৃথিবীর মহাকর্ষ বল উপগ্রহটিকে নিজের দিকে টানে এবং এর নিজস্ব গতির কারণে এটি বাইরের দিকে যেতে চায়। এই দুটি বলের সঠিক ভারসাম্যের কারণে উপগ্রহটি নিচে না পড়ে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে থাকে।
৪. কৃত্রিম উপগ্রহের শ্রেণিবিভাগ ও ব্যবহার
✅ যোগাযোগ উপগ্রহ (Communication Satellite): টেলিভিশন সম্প্রচার, টেলিফোন যোগাযোগ, ইন্টারনেট ও দূরশিক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয় (যেমন: বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১)।
✅ আবহাওয়া উপগ্রহ (Weather Satellite): মেঘের অবস্থান, বায়ুমণ্ডলের চাপ, সমুদ্রের তাপমাত্রা মেপে ঝড়-ঝঞ্ঝা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করে।
✅ পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহ (Earth Observation Satellite): ফসলের অবস্থা পর্যবেক্ষণ, বনভূমি রক্ষা, পরিবেশ দূষণ ও ম্যাপ তৈরির কাজে তথ্য সরবরাহ করে।
✅ সামরিক ও গোয়েন্দা উপগ্রহ (Military Satellite): শত্রুপক্ষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও সীমান্ত সুরক্ষায় গোপনীয় তথ্য সংগ্রহে কাজ করে।
✅ মহাকাশ গবেষণা উপগ্রহ (Navigational & Research Satellite): জিপিএস (GPS) পরিচালনায় এবং গভীর মহাকাশের গ্রহ-নক্ষত্রের ছবি তুলে গবেষণায় সাহায্য করে।
★ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট
✅ ভূ-স্থির উপগ্রহ (Geostationary Satellite): যেসব উপগ্রহের আর্নিল গতির সাথে মিল রেখে ২৪ ঘণ্টায় একবার পৃথিবী ঘুরে আসে, ফলে পৃথিবী থেকে দেখলে এগুলোকে স্থির মনে হয়।
✅ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১: এটি ২০১৮ সালের ১২ মে উৎক্ষেপণ করা বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব যোগাযোগ উপগ্রহ।
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের ১১শ অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের ১১শ অধ্যায় হলো "আলো" (Light)। এই অধ্যায়ে আলোর প্রতিসরণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, লেন্সের প্রকারভেদ এবং মানব চক্ষুর গঠন ও ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
১. আলোর প্রতিসরণ (Refraction of Light)
আলোক রশ্মি যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যমদ্বয়ের বিভক্তলে এর দিক পরিবর্তিত হয়। একে আলোর প্রতিসরণ বলে।
✅ হালকা থেকে ঘন মাধ্যম (যেমন: বাতাস থেকে পানি): আলোক রশ্মি অভিলম্বের দিকে বেঁকে আসে (আপতন কোণ > প্রতিসরণ কোণ)।
✅ ঘন থেকে হালকা মাধ্যম (যেমন: কাচ থেকে বাতাস): আলোক রশ্মি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায় (আপতন কোণ < প্রতিসরণ কোণ)।
২. সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
✅ সংকট কোণ (Critical Angle): আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় যে আপতন কোণের মান ১ হলে প্রতিসরণ কোণ $90^\circ$ হয়, তাকে সংকট কোণ বলে।
✅ পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: আপতন কোণ যদি সংকট কোণের চেয়ে বড় হয়, তবে আলো প্রতিসরিত না হয়ে ১ম মাধ্যমে সম্পূর্ণ ফিরে আসে।
★ প্রয়োগ: ডায়মন্ডের উজ্জ্বলতা, মরীচিকা এবং অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য প্রেরণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. লেন্সের তুলনা
বৈশিষ্ট্য উত্তল লেন্স (Convex) অবতল লেন্স (Concave)
গঠন মাঝখান মোটা, প্রান্তভাগ সরু মাঝখান সরু, প্রান্তভাগ মোটা
প্রকৃতি আলোক রশ্মিকে অভিসারী (একবিন্দুতে মিলিত) করে আলোক রশ্মিকে অপসারী (ছড়িয়ে দেয়) করে
ব্যবহার দীর্ঘদৃষ্টি ত্রুটি দূর করতে, মেগনিফাইং গ্লাসে হ্রস্বদৃষ্টি ত্রুটি দূর করার চশমায়
৪. চোখের ত্রুটি ও প্রতিকার
✅ হ্রস্বদৃষ্টি (Myopia): চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখে কিন্তু দূরের বস্তু দেখতে পায় না। অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে এটি হয়।
★ প্রতিকার: অবতল লেন্সযুক্ত চশমা ব্যবহার করা।
✅দীর্ঘদৃষ্টি (Hypermetropia): চোখ দূরের বস্তু স্পষ্ট দেখে কিন্তু কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না।
★ প্রতিকার: উত্তল লেন্সযুক্ত চশমা ব্যবহার করা।
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
E-commerce website: https://www.hbemm.com/
Admin this:
https://www.facebook.com/cgghs1967
https://www.facebook.com/hbechannelbd
https://www.youtube.com/
19/08/2026
🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের ১১শ অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের ১১শ অধ্যায় হলো "আলো" (Light)। এই অধ্যায়ে আলোর প্রতিসরণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, লেন্সের প্রকারভেদ এবং মানব চক্ষুর গঠন ও ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
১. আলোর প্রতিসরণ (Refraction of Light)
আলোক রশ্মি যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যমদ্বয়ের বিভক্তলে এর দিক পরিবর্তিত হয়। একে আলোর প্রতিসরণ বলে।
✅ হালকা থেকে ঘন মাধ্যম (যেমন: বাতাস থেকে পানি): আলোক রশ্মি অভিলম্বের দিকে বেঁকে আসে (আপতন কোণ > প্রতিসরণ কোণ)।
✅ ঘন থেকে হালকা মাধ্যম (যেমন: কাচ থেকে বাতাস): আলোক রশ্মি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায় (আপতন কোণ < প্রতিসরণ কোণ)।
২. সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
✅ সংকট কোণ (Critical Angle): আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় যে আপতন কোণের মান ১ হলে প্রতিসরণ কোণ $90^\circ$ হয়, তাকে সংকট কোণ বলে।
✅ পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: আপতন কোণ যদি সংকট কোণের চেয়ে বড় হয়, তবে আলো প্রতিসরিত না হয়ে ১ম মাধ্যমে সম্পূর্ণ ফিরে আসে।
★ প্রয়োগ: ডায়মন্ডের উজ্জ্বলতা, মরীচিকা এবং অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য প্রেরণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. লেন্সের তুলনা
বৈশিষ্ট্য উত্তল লেন্স (Convex) অবতল লেন্স (Concave)
গঠন মাঝখান মোটা, প্রান্তভাগ সরু মাঝখান সরু, প্রান্তভাগ মোটা
প্রকৃতি আলোক রশ্মিকে অভিসারী (একবিন্দুতে মিলিত) করে আলোক রশ্মিকে অপসারী (ছড়িয়ে দেয়) করে
ব্যবহার দীর্ঘদৃষ্টি ত্রুটি দূর করতে, মেগনিফাইং গ্লাসে হ্রস্বদৃষ্টি ত্রুটি দূর করার চশমায়
৪. চোখের ত্রুটি ও প্রতিকার
✅ হ্রস্বদৃষ্টি (Myopia): চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখে কিন্তু দূরের বস্তু দেখতে পায় না। অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে এটি হয়।
★ প্রতিকার: অবতল লেন্সযুক্ত চশমা ব্যবহার করা।
✅দীর্ঘদৃষ্টি (Hypermetropia): চোখ দূরের বস্তু স্পষ্ট দেখে কিন্তু কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না।
★ প্রতিকার: উত্তল লেন্সযুক্ত চশমা ব্যবহার করা।
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের ১০ম অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের দশম অধ্যায় হলো "অম্ল, ক্ষারক ও লবণ"। এই অধ্যায়ে এসিডের বৈশিষ্ট্য, ক্ষারক ও ক্ষারকের পার্থক্য, লবণের প্রস্তুতি এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এগুলোর ব্যবহার ও সাবধানতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
★ এসিড (অম্ল)
✅ এসিড টক স্বাদের হয়।
✅ এটি নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে।
✅ পানিতে হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) দেয়।
✅ উদাহরণ: লেবুর রসে সাইট্রিক এসিড, ভিনেগারে অ্যাসিটিক এসিড। [1]
★ ক্ষারক ও ক্ষার
✅ ক্ষারক সাধারণত তিক্ত স্বাদের এবং পিচ্ছিল।
✅ এটি লাল লিটমাস পেপারকে নীল করে।
✅ ক্ষার হলো পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারক।
✅ উদাহরণ: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড।
★ লবণ ও প্রশমন বিক্রিয়া
✅ এসিড ও ক্ষারক মিলে লবণ ও পানি তৈরি করে।
✅ এই প্রক্রিয়াকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।
✅ উদাহরণ: HCl + NaOH → NaCl + H₂O (লবণ ও পানি)।
আপনি কি এই অধ্যায়ের কোনো নির্দিষ্ট সৃজনশীল প্রশ্ন, রাসায়নিক বিক্রিয়া বা বইয়ের অনুশীলনী সম্পর্কে আরও জানতে চান?
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
E-commerce website: https://www.hbemm.com/
Admin this:
https://www.facebook.com/cgghs1967
https://www.facebook.com/hbechannelbd
https://www.youtube.com/
18/08/2026
🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের ১০ম অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের দশম অধ্যায় হলো "অম্ল, ক্ষারক ও লবণ"। এই অধ্যায়ে এসিডের বৈশিষ্ট্য, ক্ষারক ও ক্ষারকের পার্থক্য, লবণের প্রস্তুতি এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এগুলোর ব্যবহার ও সাবধানতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
★ এসিড (অম্ল)
✅ এসিড টক স্বাদের হয়।
✅ এটি নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে।
✅ পানিতে হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) দেয়।
✅ উদাহরণ: লেবুর রসে সাইট্রিক এসিড, ভিনেগারে অ্যাসিটিক এসিড। [1]
★ ক্ষারক ও ক্ষার
✅ ক্ষারক সাধারণত তিক্ত স্বাদের এবং পিচ্ছিল।
✅ এটি লাল লিটমাস পেপারকে নীল করে।
✅ ক্ষার হলো পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারক।
✅ উদাহরণ: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড।
★ লবণ ও প্রশমন বিক্রিয়া
✅ এসিড ও ক্ষারক মিলে লবণ ও পানি তৈরি করে।
✅ এই প্রক্রিয়াকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।
✅ উদাহরণ: HCl + NaOH → NaCl + H₂O (লবণ ও পানি)।
আপনি কি এই অধ্যায়ের কোনো নির্দিষ্ট সৃজনশীল প্রশ্ন, রাসায়নিক বিক্রিয়া বা বইয়ের অনুশীলনী সম্পর্কে আরও জানতে চান?
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
17/08/2026
🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের ৫ম অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের ৫ম অধ্যায়টি হলো "সমন্বয় ও নিঃসরণ"। এই অধ্যায়ে আমাদের দেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের মধ্যে মিল বা সমন্বয় রক্ষা করা এবং হরমোনের নিঃসরণ ও এর কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র, মস্তিষ্কের কাজ, এবং উদ্ভিদের সমন্বয় ও হরমোনের ভূমিকা এই অধ্যায়ের মূল আলোচ্য বিষয়। বিস্তারিত জানার জন্য আপনি সাইটটি দেখতে পারেন।
★ স্নায়ুতন্ত্র ও নিউরন
✅ স্নায়ুতন্ত্র: যে তন্ত্রের সাহায্যে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ চালনা করা হয় এবং পরিবেশের সাথে যোগাযোগ রাখা হয়।
✅ নিউরন: স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কাজের একক হলো নিউরন বা স্নায়ুকোষ।
✅ মস্তিষ্ক: এটি স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ যা চিন্তা করা, দেখা ও শোনার মতো কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
★ উদ্ভিদের সমন্বয় ও হরমোন
✅ উদ্ভিদের কোনো স্নায়ুতন্ত্র নেই। এরা হরমোনের মাধ্যমে বৃদ্ধি ও সংবেদনশীলতা রক্ষা করে।
✅ উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে অক্সিন (Auxin) নামক হরমোন বিশেষ ভূমিকা রাখে।
✅ আলোর দিকে উদ্ভিদের বেঁকে যাওয়া বা অভিকর্ষের দিকে শিকড়ের বৃদ্ধি সমন্বয়ের উদাহরণ।
★ হরমোন ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি
✅ পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রধান হরমোন গ্রন্থি বলা হয় কারণ এটি অন্যান্য গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
✅ থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয় যা দেহের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
✅ ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতিতে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়, যাকে ডায়াবেটিস বলে।
এই অধ্যায় থেকে কি আপনার কোনো নির্দিষ্ট সৃজনশীল প্রশ্ন, নিউরনের চিত্র কিংবা হরমোনের কাজ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার প্রয়োজন আছে?
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
16/08/2026
🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের ৩য় অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের তৃতীয় অধ্যায়টি “ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন” সম্পর্কিত। এই অধ্যায়ে জীবদেহের কোষের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন পদার্থের চলাচল এবং উদ্ভিদের পানি শোষণ ও বাষ্পাকারে পানি ত্যাগের গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলো সহজভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এনসিটিবি প্রদত্ত সিলেবাসের আলো এই অধ্যায়ের মূল বিষয়গুলোর সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো।
★ ব্যাপন (Diffusion)
✅ সংজ্ঞা: যে প্রক্রিয়ায় কোনো পদার্থের অণুগুলো বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে ব্যাপন বলে।
✅ মূল কথা: এটি কঠিন, তরল ও গ্যাসীয়—সব ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে। যেমন—খুশাবুর সুবাস বা বাতাসে পারফিউমের গন্ধ ছড়িয়ে পড়া কিংবা পানিতে ড্রপার দিয়ে নীল রঙ ফেললে তা পুরো পানিতে সমানভাবে ছড়িয়ে যাওয়া।
✅ জীবদেহের গুরুত্ব: উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসনের সময় পরিবেশ থেকে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড আদান-প্রদান করতে ব্যাপন ব্যবহার করে।
★ অভিস্রবণ (Osmosis)
✅ সংজ্ঞা: যে প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দার মাধ্যমে পৃথক থাকে, তখন কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে দ্রাবক (পানি) বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে যায়, তাকে অভিস্রবণ বলে।
✅ মূল কথা: অভিস্রবণের জন্য একটি অর্ধভেদ্য পর্দা (যেমন কোষপর্দা বা ছাগলের মূত্রথলির পর্দা) জরুরি। এখানে কেবল দ্রাবক বা পানি চলাচল করে।
✅ উদ্ভিদে ভূমিকা: উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলরোমের সাহায্যে যে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে, তার মূল চালিকাশক্তি হলো এই অভিস্রবণ প্রক্রিয়া।
★ প্রস্বেদন (Transpiration)
✅ সংজ্ঞা: উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ (বিশেষ করে পাতার স্টোমাটা বা পত্ররন্ধ্র) দিয়ে যখন অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়, তখন তাকে প্রস্বেদন বলে।
✅ মূল কথা: এটি উদ্ভিদের একটি প্রয়োজনীয় শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। একে উদ্ভিদের “প্রয়োজনীয় শারীরবৃত্তীয় ক্ষতি” বলা হয়, কারণ এটি উদ্ভিদের ঠাণ্ডা থাকতে ও পানি টানে সাহায্য করে।
✅ প্রভাবক: তাপমাত্রা বাড়লে, বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকলে এবং রোদ থাকলে প্রস্বেদনের হার বৃদ্ধি পায়। এটি উদ্ভিদের দেহে খনিজ লবণ শোষণ ও পরিবহনে টান সৃষ্টি করে।
আপনি কি এই অধ্যায় থেকে কোনো নির্দিষ্ট সৃজনশীল প্রশ্ন, চিহ্নিত চিত্র অথবা ব্যাপন ও অভিস্রবণের পার্থক্য সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চান? তাহলে কমেন্টে উল্লেখ করুন।
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
13/08/2026
🔰 ৮ম শ্রেণি বিজ্ঞান বিষয়ের ৪র্থ অধ্যায়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের চতুর্থ অধ্যায়ে (উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি বা পুরোনো সিলেবাস অনুযায়ী কোষ বিভাজন) উদ্ভিদের প্রজনন, পরাগায়ন, এবং কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই অধ্যায়ের মূল বিষয়গুলো হলো পরাগায়নের মাধ্যম, নিষেক প্রক্রিয়া এবং অপত্য সৃষ্টি।
★ পরাগায়ন ও এর প্রকারভেদ
✅ পরাগায়ন: ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলের বা অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে।
✅ স্বপর পরাগায়ন: একই ফুলের বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে।
✅ পর পরাগায়ন: একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগরেণুর আদান-প্রদান ঘটে।
✅ মাধ্যম: বাতাস, পানি, কীটপতঙ্গ এবং পাখি পরাগায়নে মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। [1]
★ নিষেক ও বংশবৃদ্ধি
✅ পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পড়ার পর নালী সৃষ্টি করে ডিম্বাণুর দিকে এগিয়ে যায়।
✅ পুরুষ ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের প্রক্রিয়াকে নিষেক বলে।
✅ নিষকের পর ডিম্বগর্ভ ফলে এবং ডিম্বক বীজে পরিণত হয়। এভাবে উদ্ভিদ নতুন বংশধর তৈরি করে।
সম্পাদনেঃ-
Mohammad Rayhan
ICT specialist
Chittagong Govt. Girls’ High School
Nasirabad, Chattogram.
12/08/2026
এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণ আবেদনের বিজ্ঞপ্তি-২০২৬ খ্রিঃ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Chittagong