গুণবতী ডিগ্রী কলেজ/Gunabati Degree College

“ গুণবতীসহ সকল তথ্য জানতে জানাতে”

Operating as usual

17/04/2024

বাঙালির বিদেশ যাত্রার প্রথম প্রস্তুতি হচ্ছে সুটকেস ধার করা। নিজেদের যত ভালো স্যুটকেসই থাকুক বিদেশ যাত্রার আগে অন্যের কাছে স্যুটকেস ধার করতে হবে। এটাই নিয়ম।
গুলতেকিন অবশ্যি নিয়মের ব্যতিক্রম করল–স্যুটকেস কিনে অনিল। হুলস্থুল ধরনের বিশাল এক বস্তু। আমি চোখ কপালে তুলে বললাম, এটা কি?
সে বিরক্ত হয়ে বলল, সব সময় রসিকতা ভালো লাগে না। একটু বড় সাইজ কিনেছি তাতে হয়েছে কি! স্যুটকেস হলো ঘড়ির মতো, যত ছোট তত দাম।
বেশি। বেশি দাম দিয়ে ছোট জিনিস কেন কিনব?
কিছু মনে করো না গুলতেকিন, এই বস্তু এরোপ্লেনের দরজা দিয়ে ঢুকবে না। দরজা কেটে ঢুকাতে হবে।
দরজা কেটে ঢুকাতে হলে দরজা কেটে ঢুকাবে। আর এই নাও তোমার হ্যল্ডিব্যাগ।
হ্যান্ডব্যাগ দেখেও আমি চমৎকৃত হলাম। সেই হ্যান্ডব্যাগে নানান জায়গায় গোটা ত্রিশেক পকেট। আমি বিস্ময় মাখা গলায় বললাম, অদ্ভুত অদ্ভুত সব জিনিস তোমার চোখে পড়ে। এইটা তাহলে হ্যান্ডব্যাগ? ধরব কোথায়? হাতল বা কাঁধে ঝুলাবার ফিতা কোনোটাই তো দেখছি না।
দেখা গেল ঐ হ্যান্ডবাগে হাতে নেবার বা কাঁধে ঝুলাবার ব্যবস্থা নেই। বগলে নিয়ে ঘুরতে হবে। তাই সই।
যথাসময়ে হ্যান্ডব্যাগ বগলে নিয়ে এবং পর্বতপ্রমাণ স্যুটকেস টানতে টানতে এয়ারপোর্টে উপস্থিত হলাম। যিনি বোডিং কার্ড দেন তিনি বিস্ময়ে আপ্লুত হয়ে বললেন, এই সুটকেস আপনার? কোত্থেকে কিনেছেন বলুন তো?
বিমান আকাশে উড়ল এবং এক সময় বিমানবালার গলায় শুনতে পেলাম-তী হাজার ফুট উছতায়–অর্থাৎ আমরা ত্রিশ হাজার ফুট উচ্চতায় ভ্রমণ করছি। বাংলাদেশ বিমান এই অদ্ভুত উচ্চারণের বাংলা কোত্থেকে জোগাড় করেছে কে জানে। বাংলা একাডেমীর প্রাক্তন মহাপরিচালক মরহুম আবু হেনা মোস্তফা কামালের এই বিষয়ে একটি থিওরি আছে। তিনি মনে করেন এই উচ্চারণ ওরা পেয়েছে পাকিস্তানিদের কাছ থেকে। এক সময় পি.আই. এর কোনো বাঙালি বিমানবালা ছিল না। উর্দুভাষী বিমানবালারা অনেক কষ্টে এইভাবে বাংলা বলত। সেই থেকে এটাই হয়ে গেল বিমানের স্টান্ডার্ড বাংলা উচ্চারণ। পাকিস্তানি ভূত এত সহজে ঘাড় থেকে নামবার নয়। এখনকার বাঙালি বিমানবালারা অনেক কষ্টে উর্দু উচ্চারণে বাংলা রপ্ত করে। এই উচ্চারণ এদের অনেক ত্যাগ এবং তিতিক্ষায় শিখতে হয়। ওদের ট্রেনিং-এর এটাই সবচে’শক্ত পার্ট।
হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছলাম ভোরবেলা। বিমান থেকে নেমে ট্রানজিট লাউঞ্জে যাবার আগেই বিপদে পড়ে গেলাম। বিপদে পড়ব জানা কথা, এত আগে পড়ব বুঝতে পারিনি। সম্ভবত আমাকে ড্রাগ ডিলারদের মতো দেখাচ্ছিল। জনৈক মেয়ে পুলিশ এগিয়ে এসে নিখুঁত ভদ্রতায় বলল, তুমি কি আমার সঙ্গে একটু আসবে?
আমি গেলাম তার সঙ্গে।
তোমার বগলের এই ব্যাগে কি আছে?
আমি জানি না কি আছে।
তোমার ব্যাগ অথচ তুমি জানো না?
আমার স্ত্রী ব্যাগ গুছিয়ে দিয়েছে। কাজেই আমি জানি না কি আছে।
ব্যাগ খুলো।
খুললাম। প্রথম যে জিনিস বের হয়ে এলো তা হচ্ছে গোটা পঞ্চাশেকপ্যারাসিটামল ট্যাবলেট। আমার দীর্ঘদিনের সহচর–মাথাব্যথাকে বশে রাখার জন্যে তিন মাসের সাপ্লাই। মহিলা পুলিশের চোখে-মুখে আনন্দের ঝিলিক খেলে গেল। এই ঝিলিকের অর্থ হলো-পাওয়া গেছে। পাওয়া গেছে।
তুমি কি দয়া করে ব্যাখ্যা করবে এগুলি কি?
এগুলি হচ্ছে মাথা ধরার অষুধ। কমার্শিয়াল নেম প্যারাসিটামল। এক ধরনের এনালজেসিক। ক্যামিকেল কম্পোজিশন এসিটামিনোফেন।
এগুলি তুমি কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?
আমেরিকায়।
আমেরিকায় কি এ ধরনের অষুধ পাওয়া যায় না?
পাওয়া যায় নিশ্চয়ই, তবু নিয়ে যাচ্ছি।
কি করবে?
খাব।
দেখি তোমার পাসপোর্ট।
দিলাম পাসপোর্ট। সে অতি মনোযোগে পাতা উল্টে দেখতে লাগল। যেন এটা জাল পাসপোর্ট। দেখা গেল আমার মতো আরো দুর্ভাগা আছে। সিলেটি এক পরিবার ধরা খেয়েছে। বাবা-মা এবং ছ’টি নানান সাইজের ছেলেমেয়ে। এদের একজনের হাতে পলিথিনের কাগজে মোড়া বিশাল আকৃতির দুটি মানকচু। পরিবারের কর্তা করুণ গলায় ক্রমাগত বলছে–আই ব্রিটিশ, ফ্যামিলি ব্রিটিশ। অল চিলড্রেন বর্ন ব্রিটিশ। আই ব্রিটিশ কান্ট্রি লিভ থার্টি ইয়ার।
যে পুলিশ অফিসার ওদের নিয়ে এসেছে সে এইসব কথাবার্তায় মোটেই কান দিচ্ছে না। সে সবার হাত থেকে পাসপোর্ট নিয়ে নির্বিকার ভঙ্গিতে অন্য একটা ঘরে ঢুকে পড়ল। পরিবারের কর্তা আমাকে বললেন, ওরা আফনারে দরল কি কারণ?
আমি বললাম, এখনো বুঝতে পারছি না।
ভাইছাব, মনে মনে দুয়া ইউনুস পড়েন। এরা বড় হারামি জাত।
আমি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললাম।
দরিদ্র দেশে জন্মগ্রহণের অনেক যন্ত্রণা।
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ

17/04/2024

আমি কখনো আমার বাবা ভাই কে ছেঁড়া লুঙ্গি পড়তে দেখিনি।
কিন্তু আমার স্বামীকে দেখেছি ছেঁড়া লুঙ্গি কিভাবে পেঁচিয়ে আড়াল করে পড়তে হয়।
সেইদিন গুলোতে আত্মীয়রা সবাই হারিয়ে গিয়েছিলো। চিরচেনা মুখগুলো ঝাপসা হয়েছিলো।
যেদিন ঘরে রান্না করার মতো কিছু থাকতো না, সেদিন কাঁচা মরিচ আর পেয়াজ ভেজে ভর্তা করে গরম ভাত মাখিয়ে খেতাম।
আমার ভাইয়েরা তখন খোঁজ নিতে ভয় পেতো।
মাস্টার্স শেষ করা ছেলেটা যখন চাকরি না পেয়ে গার্মেন্টসে অল্প বেতনের চাকরিতে ঝুঁকেছিলো, আমার বাবার বাড়ির আত্মীয়রা তার জন্য লজ্জায় কুঁকড়ে যেতো।
সেবার ঈদের পরদিন বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলাম। আমার স্বামীর অবহেলা পরিমাণে এতটায় বেশি ছিলো যে সে বাড়িতে এক বছরের মতো আর পা রাখিনি।
আমার তিন বছরের ছেলেটা ভাসুরের ছেলের সাথে খেলতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে বাম পায়ে প্রচন্ড আঘাত পেয়েছিলো। আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরোয় অবস্থা। ডাক্তার, ঔষুধ ভালো চিকিৎসা করার মতো সামর্থ্য ছিলো না। বাধ্য হয়ে আমার স্বামী ভাসুরের কাছে হাত পেতেছিলো। কিন্তু কিঞ্চিৎ সাহায্যও কেউ করেনি। নিরুপায় হয়ে অবশিষ্ট কানের দুল জোড়া বিক্রি করেছিলাম।

আলহামদুলিল্লাহ আজ আমাদের সব আছে। দূর্দিন কাটিয়ে উঠেছি। প্রিয় থেকে প্রিয় মানুষগুলোর মুখ চিনে রেখেছি।
গত সপ্তাহে আমার ভাই এক জোড়া ইলিশ মাছ নিয়ে বাসায় এসেছিলো। ভাইয়ের বউ প্রায়শই কল দিয়ে বলে কবে যাবো বেড়াতে।
ভাসুরের শরীরে নানা ধরনের রোগের উৎপাত। চিকিৎসার জন্য গত মাসেও টাকা পাঠানো হয়েছে।
সৃষ্টিকর্তার রহমতে আমার স্বামীর ব্যবসাটাও বেশ বড়-সড় হয়েছে। সাথে মান-মর্যাদা, প্রতিপত্তির বুঝি কমতি নেই। আত্মীয়রা আমাদের নিয়ে এখনও কানাঘুঁষা করে তবে হয়ত ইতিবাচক কিছু।
আমার স্বামীর সেই ছেঁড়া লুঙ্গিটা আজও আমি আলমারিতে অনেক যত্নে তুলে রেখেছি৷ সেদিনও লুঙ্গিটা দেখলে যতটা কষ্ট হতো আজও ঠিক ততোটাই কষ্ট হয়।
ব্যবধানটা শুধু দুর্দিন আর সুদিনের।
---(সংগৃহিত)

17/04/2024

বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী ছিলেন অতি সুন্দরী। বঙ্কিমচন্দ্র একবার তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ট্রেনে করে চলেছেন। স্ত্রীর মুখ ঘোমটায় ঢাকা।
খানিকক্ষণ পর বঙ্কিমচন্দ্র দেখলেন একটি যুবক বারবার আড়চোখে ঘোমটায় ঢাকা তাঁর স্ত্রীর মুখের দিকে তাকাচ্ছে।
বঙ্কিমচন্দ্র তো এই ঘটনায় বেশ মজা পেলেন। তিনি যুবকটিকে কাছে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন ‘কি কাজ করা হয়?'
যুবকটি এ প্রশ্নে ঘাবড়ে গিয়ে বলল ‘কেরানীর চাকরি করি।’
বঙ্কিম বললেন ‘কত মাইনে পাও?’
যুবকটি বলল ‘বত্রিশ টাকা।’
বঙ্কিমচন্দ্র তখন বললেন ‘তুমি যে এই মহিলার দিকে বার বার আড়চোখে তাকাচ্ছ, তা আমি এর ঘোমটা খুলে দিচ্ছি। ভালো করে দেখে নাও। আর এও শুনে রাখ। আমি একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। আমার মাইনে আটশো টাকা। এছাড়া বই পত্র লিখেও ভাল রোজগার হয়।
সব মিলিয়ে মাসিক আয় হাজার দেড়েক। এইসবই এই মহিলার পায়ে সমর্পণ করেছি। তবু তার মন পাইনি। আর তুমি সেখানে মাত্র বত্রিশ টাকার কেরানী হয়ে এর মন পেতে চাও?
যুবকটি খুব লজ্জা পেয়ে পরের স্টেশনেই অন্য কামরাতে চলে যায়।
বঙ্কিম ঘটনাবলী (১০ এপ্রিল, ২০১৮, বঙ্গদর্শন ইনফরমেশন ডেস্ক)
Bankimchandra's second wife was very beautiful. Bankimchandra was once traveling in a train with his wife. The wife's face was covered with a veil.
After a while, Bankimchandra saw a young man repeatedly squinting at the face of his wife covered with a veil.
Bankimchandra was quite amused by this incident. He called the young man to him and asked 'What work is done?'
The young man was nervous about this question and said 'I work as a clerk.'
Bankim said, 'How much do you get as salary?'
The young man said, "Thirty-two rupees."
Bankimchandra then said 'I am removing the veil of this woman whom you are looking at with narrow eyes again and again. Take a good look. And listen to m. I am a Deputy Magistrate. Eight hundred rupees is my salary. Apart from this, writing books also earns well.
Total monthly income is one and a half thousand. All these I have surrendered at the feet of this woman. But I didn't get his mind. And you want to be a clerk there for only thirty-two rupees?"
The young man got very shy and went to another room at the next station.
Bankim Facts (April 10, 2018, Bangdarshan Information Desk)

17/04/2024
17/04/2024

বৃটিশ আমলে একপাই সিক্কা।

17/04/2024

কেবল কাউকে খাওয়ানোর মাধ্যমে আপনি তাকে সন্তুষ্ট করতে পারবেন!

17/04/2024

মাঝিদের এমন ব্যস্ততা এখন তেমন চোখে পড়েনা।

16/04/2024

❝ফেরদৌসের একটা ছোট্ট গল্প বলার লোভ সামলাতে পারছি না। পাঠকরা জানেন কি না জানি না, ছবির সব নায়ক এবং নায়িকাদের আলাদা চেয়ার এবং বিশাল রঙিন ছাতা থাকে। নায়ক নায়িকাদের সহকারীরা চেয়ার এবং ছাতা বহন করে।
আমি একদিন ভুল করে ফেরদৌসের চেয়ারে বসে পড়েছি। খুবই আরামদায়ক চেয়ার। ফেরদৌস ব্যাপারটা লক্ষ করল এবং সঙ্গে সঙ্গেই তার স্ত্রীকে টেলিফোন করল।
স্যার আমার চেয়ারটায় বসে খুব আরাম পেয়েছেন বলে আমার মনে হয়েছে। তুমি তো লন্ডনে। তুমি অবশ্যই লন্ডনের যে দোকান থেকে আমার এই চেয়ারটা কিনেছ, অবিকল সেরকম একটা চেয়ার কিনে সিলেটে পাঠাবার ব্যবস্থা করবে।
আমি ফেরদৌসের টেলিফোনের বিষয়ে জানি না। একদিন বিস্মিত হয়ে দেখি, একই রকম দুটি চেয়ার পাশাপাশি। ফেরদৌস বিনিত গলায় বলল স্যার, এটা আপনার জন্য।
গহীন জঙ্গলে পাওয়া এই উপহার কিছুক্ষনের জন্য আমাকে অভিভূত করে রাখল। মনে হলো সে আমার অভিনেতা না, আমারই ছেলে বাবার বসার কষ্ট দেখে দূরদেশ থেকে একটা চেয়ার আনিয়েছে।❞
—হুমায়ূন আহমেদ (কাঠপেন্সিল)

16/04/2024

বাড়িয়াখালী,মিরসরাই।

15/04/2024

"স্রোতের বিপরীতে "
আপনার সন্তানকে অভাবের বদলে 'আভিজাত্য' শেখান। তাকে মন ও মননে বড়ো হতে শেখান। তাকে সাধ্যের মধ্যে থেকে যতটুকু পারেন,দামী জিনিসপত্র কিনে দেন। এডগার এলেন পো কিংবা আইজ্যাক বশেভিস সিঙ্গারের বই জন্মদিনে গিফট করেন।
তাকে সামান্য রাখাল বালকের ব্যাংকার হওয়ার গল্প না বলে এরদোয়ান কিংবা বাইডেনের গল্প বলেন। 'মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়ো হয়',এই চরম সত্যটা ছোটবেলায় তার মাথায় গেঁথে দেন। তাকে বুঝান ভালো শিক্ষা,ভালো রেজাল্ট করার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ | নিউজ পেপার এ প্রকাশিত সমস্ত শিক্ষার্থীর সফলতার গল্প সত্য হয় না |
তাকে বলেন,যেকোন কাজ সন্মানের। শুধু চেয়ারে বসাই পড়ালেখার উদ্দেশ্য নয়। চিন্তার মুক্তি না হলে,পিএইচডি করেও কোন ফায়দা নেই।নিজের বিবেকের কাছে তাকে সৎ থাকার শিক্ষা দেন। তাকে শিখান একমাত্র ধার্মিক ব্যক্তি এ দিনশেষে শান্তিতে মরতে পারে | অসৎ উপার্জন চিরস্থায়ী হয় না |
তাকে বলেন, কোন দেশেই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ না।পৃথিবীতে আরো অনেক বড়ো বড়ো দেশ,জাতি,মানুষ,সভ্যতা আছে। প্রচুর ভ্রমণকাহিনী পড়তে দেন। দশ,বারো বছর বয়স হলেই যেন তার ভিতর চীনের মহাপ্রাচীর কিংবা কাশ্মীরের কোন সকাল দেখার স্পৃহা তৈরি হয়। তার মধ্যে যেন স্বপ্ন তৈরি হয় যে আমি লুক্সেমবার্গকে আমার দ্বিতীয় বাড়িটি বানাবো যে দেশের জিডিপি কানাডা আমেরিকা থেকেও বেশি |
বাচ্চাকে অভাব শিখাবেন কিন্তু তা পালন করা শেখাবেন না। অভাবী মানুষ পৃথিবীকে কিছু দিতে পারে না। এদের জীবন কাটে ধুঁকে ধুঁকে। খরকুটোর মতো বেঁচে থাকা আসলে কোন 'জীবন' না। টাকায় দরিদ্র হওয়া কোন অপরাধ না। অপরাধ হলো,নিজের চিন্তা ভাবনাকে 'গরীব' করে রাখা।
যে আপনার সন্তানের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে খাটো করে দেখে,তারা হতাশাগ্রস্ত লোক।এদের কাছ থেকে ৫০০ হাত দূরে থাকুন।
এই পোস্ট সবাই বুঝতে পারবে না, বোঝার ক্ষমতা থাকা কথাও না, আমরা আমাদের চিন্তার শৃংখলায় আবদ্ধ সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা খুব কম মানুষের আছে ❤️
(সংগৃহিত পোস্ট)

15/04/2024

ভারতীয় ধনকুবের রতন টাটাকে জার্মানির এক রেস্তোরাঁয় খাবার নষ্টের অপরাধে ৫০ ইউরো জরিমানা করা হয়। এই সামান্য অর্থ তাঁর জন্য বড় কোনো বিষয় ছিল না। তবে সেদিন রেস্তোরাঁয় গিয়ে তিনি যা শিখেছেন, তিনি তা সত্যিই অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।
তিনি লেখেন— “বিশ্বের অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ জার্মানি। একবার সহকর্মীকে নিয়ে হামবুর্গে একটি রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলাম আমি। যেহেতু আমরা খুব ক্ষুধার্ত ছিলাম, সেজন্য বেশ অনেকটা খাবার অর্ডার করেছিলেন আমার সহকর্মী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খাবারই ছুঁয়ে দেখা হলো না আমাদের।"
এরপর আমি ও আমার সহকর্মী যখন রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, ওই সময় এক বয়স্ক মহিলা বিরক্ত হয়ে বললেন, “তোমাদের খাবার নষ্ট করা উচিত হয়নি।”
সহকর্মী ওই মহিলাকে উত্তর দিল, “আমরা টাকা দিয়ে খাবার কিনেছি। খাবার খাব না ফেলে দেব এটাতে তোমার মাথা ঘামানোর কী আছে?”
এই উত্তরে বেশ ক্ষেপে গেলেন ওই মহিলা। সঙ্গে থাকা আরেকজন তৎক্ষণাৎ ফোন বের করে কাকে যেন ফোন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার পোশাক পরা এক ব্যক্তি এসে হাজির হলেন।
ওই ব্যক্তি সবকিছু শুনে আমাকে এবং সহকর্মীকে ৫০ ইউরো জরিমানা করে বসলেন।
ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে যাই আমি।
তারপর সেই কর্মকর্তা রাগান্বিত সুরে বললেন: "তুমি যা খেতে পারবে, শুধুমাত্র তাই অর্ডার কর। ❝টাকা তোমার ঠিকই, কিন্তু সম্পদ সমাজের❞
এই পৃথিবীতে এমন অনেকেই আছে যারা খাবারের অভাবে ভুগছে। সম্পদ নষ্ট করার কোনো অধিকার তোমার নেই।"
(সংগৃহীত পোস্ট)

08/04/2024

এই দৃশ্য দেখার পর যারা আমরা তার চেয়ে ভালো আছি, তাদের রাহমানুর রাহিম আল্লাহ্ সুবহানাতায়ালার নিকট আর কি অভিযোগ থাকতে পারে ?

08/04/2024

হুমকির মুখে দেশের আকাশসীমা।।
দক্ষিন এশিয়ায় একমাত্র বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করলে অন্তত ৯৫ ভাগ বানিজ্যিক বিমানকে- বাংলাদেশকে কোন ডলার দিতে হয় না। বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করে, কিন্তু চার্জ পায় ভারত। ভারতের রাডার থেকে সিগনাল রেজিস্ট্রার করা হয়, তাই এইসব বিমান থেকে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যবহারের সকল অর্থ পায় ভারত। আন্তর্জাতিক নিয়মে কোন দেশের আকাশ, অন্য দেশের বানিজ্যিক বিমান ব্যবহার করলে- অন্তত পাঁচশত ডলার দিতে হয় সেই দেশকে।
🔶 মূল কারন হল- ১৯৮০ সালে [বর্তমান শাহ জালাল (রহঃ) বিমান বন্দর] এ একটি মাত্র রাডার বসানো হয় ও কমিশন করা হয়। এই একটি মাত্র রাডার দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের আকাশ পাহারা দেয়া হয়। ৪৪ বছরের পুরাতন রাডার যা অনেক বছর আগেই ডেট এক্সপায়ারড হয়ে গেছে। এখনও বারবার মেরামত করে প্রথম প্রজন্মের এই রাডার ব্যবহার করতে হয়। এত পুরাতন রাডার দক্ষিন এশিয়ায় শুধুমাত্র বাংলাদেশই ব্যবহার করে। যার কার্যক্ষমতা আন্তর্জাতিক মান দন্ডে প্রশ্নের মুখে বহুদিন থেকে।
মজার তথ্য হল হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ২০১৭ সালে, ছয় বছর আগে চট্টগ্রামের জন্য নতুন একটি ৪র্থ প্রজন্মের রাডার কেনা হয়। উক্ত রাডারটি ২০১৭ সালে স্থাপন করা হলেও এখন পর্যন্ত চালু করে কমিশন করা সম্ভব হয় নাই। ভারতের কারণেই এই রাডার সচল করা হচ্ছে না। রাডারটি বসানোর সময়েও ভারত আপত্তি জানায়। অথচ ভারত তাদের রাডার ব্যবহার করে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ভাড়া গুনছে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো থেকে। যার বার্ষিক আয়ের পরিমান প্রায় ১০০ কোটি ডলারের উপরে। এক ভারতকেই প্রতিদিন গড়ে একশোর উপর বিমান বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রদেশে যাতায়ত করতে হয়। অথচ ছয় বছর থেকে চট্টগ্রামের রাডারটি অযত্নে থেকে মেয়াদ হারাচ্ছে প্রতিদিন। (সংগৃহিত)

08/04/2024

পবিত্র ঈদুল ফিতর সমগ্র মানবজাতির জন্য বয়ে আনুক বাসযোগ্য বসুন্ধরা, বিদ্বেসহীন বিবেক, স্বার্থপরতাহীন মনোরম সমাজ এবং বৈষম্যহীন এক মন্ত্রমুগ্ধকর বিশ্ব ।
সকলের সুখ-সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য, নিরাপদ জীবন, দীর্ঘায়ু ও প্রশান্তি কামনা করছি, সাথে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি। ঈদ মোবারক

07/04/2024

কুমিল্লায় ইফতার প্রোগ্রাম এবং ঈদের কেনাকাটা শেষে বাাড়ি যাচ্ছিলাম এত রাতে,তখন
এই লোকটাকে যমুনা গাড়িতে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেছে,
আমি লোকটাকে পরীক্ষা করে দেখলাম পালস খুব কম,
পিউপিল ফিক্সড,মোটামুটি কনফার্ম কেউ অজ্ঞাত কিছু খাওয়ায়ে দিয়েছে উনাকে,পয়জনিং হয়েছে
উনাকে জরুরি ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কমপ্লেক্সে নিয়ে যাচ্ছি আমরা কজন
এনআইডি কার্ডে নাম-ফয়সাল আহমেদ হৃদয়,
বাড়ি চান্দিনা
কেউ চিনে থাকলে একটু যোগাযোগ করবেন,
ডাক্তার হিসাবে দায়িত্ব এড়াতে পারছি না,করণীয় কি এমন পরিস্থিতিতে একটু জানাবেন। (সংগৃহিত)

07/04/2024

“কাকে উপরে তুলছেন!!!
যা‌কে উপ‌রে তুল‌ছেন, সে কি জা‌নে যে কি করে উপরে উঠতে হয়? সেতো জানে না যে, উপরে উঠার জন্য সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। আপনারা যারা অযোগ্য লোককে অ‌াস্কারা দি‌য়ে মাথায় তুলছেন কিংবা জোর ক‌রে যোগ্য বানাচ্ছেন, একদিন সে নিজেও পড়বে আপনাকেও ফেলবে। অতএব সময় থাক‌তে সতর্ক হউন। (সংগৃহিত)

07/04/2024

বিয়েতে মেয়ের বাড়িতে বরযাত্রী নিয়ে গেলাম ২৪৬ জন।মেয়ের বাবা আড়ালে ডেকে বললেন
" বাবা,তোমাদের না ১০০ বরযাত্রী আনার কথা ছিলো? "
বললাম " বাবা আমি পরিবারের ছোট ছেলে।সবার শখ বিয়েতে আসবে।কিকরে না বলি বলুন তো? "
" সে নাহয় ঠিক আছে।আগে থেকে বললে ভালো হতো।এখন ওদেরকে একটু বলে দাও খাবারে সামান্য দেরী হবে।সবার আয়োজন করে একসাথে খেতে দিবো "
" বাবা আপনি টেনশন করবেন না।আমি বলে দিবো "
বিয়েতে আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব কাউকে আনা বাদ রাখিনি।সবাই তো কাছের মানুষ, কাকে রেখে কাকে বাদ দেই!
বিয়ে হয়ে গেলো।বছর ফিরতে স্ত্রীর ডে"লিভা"রি।হসপিটালে আমার রুদ্ধশ্বাস! এ নে"গেটিভ র"ক্তের অভাব।আত্নীয়-স্বজন অনেকের সাথে র"ক্ত মিলে যায়,তারা বাহানা দিয়ে এড়িয়ে গেলো।
রিক্সায় উঠে রওনা হলাম কলেজ গুলোর উদ্দেশ্য।সেখানে র"ক্ত জোগাড় করার সেচ্চাসেবী কমিটির ছেলেমেয়েরা থাকে।ওদের বললে যদি কোনো উপায় হয়!
আমার ছটফটানি দেখে রিক্সাওয়ালা মামা বললো " মামা এতো ঘাবড়াইছেন কেন? কার কি হইছে? "
" র"ক্ত লাগবে।জোগাড় হয়নি, স্ত্রীর ডে"লিভা"রি "
" কি র"ক্ত লাগবো? "
" এ নে"গেটিভ "
" মামা আমার তো এই র"ক্ত। আমার কাছে র"ক্ত নিবেন? "
শেষমেশ রিকশাওয়ালা মামার র"ক্ত দিয়েই স্ত্রীর ডে"লিভা"রি হলো।মাথায় হাত রেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবলাম, বিয়েতে গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে কাদের নিয়ে গিয়ে খাওয়ালাম?কাদের আপন ভাবতাম?এই বি*পদের দিনে আমি একা! কেউ নাই।
রিকশাওয়ালা মামার নাম্বার নিয়ে রাখলাম।বাড়িতে ভালোমন্দ রান্না হলে তাকে ডেকে খাওয়াই।সে আপনজন " (সংগৃহিত)

07/04/2024

১০ ঘন্টার ফ্লাইটে, একজন কোরিয়ান মা তার চার মাস বয়সের সন্তান নিয়ে সিউল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো যাচ্ছিলেন। এই মা বিমানের ২০০ জনেরও বেশি যাত্রীকে প্রত্যেকের জন্য একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ বিতরণ করেছিলেন। ব্যাগটিতে ক্যান্ডি, চুইংগাম এবং ইয়ারপ্লাগ ছিল যেগুলি ফ্লাইটের সময় তার 4 মাস বয়সী শিশুর চিৎকারের ঘটনাতে ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয় এবং অগ্রীম ক্ষমাপ্রার্থনা করা হয়।
ব্যাগটিতে একটি বার্তাও ছিল,"হ্যালো, আমি জান উ। আমার বয়স 4 মাস এবং আজ আমি আমার মা এবং দাদির সাথে আমার খালার সাক্ষাতের জন্য আমেরিকা ভ্রমণ করছি। আমি একটু নার্ভাস এবং ভয় পেয়েছি। এটি আমার জীবনের প্রথম ফ্লাইট। কান্না করা বা কিছু ঝামেলা সৃষ্টি করা আমার পক্ষে স্বাভাবিক। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করব, কিন্তু আমি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিতে পারি না। আমার চিৎকার খুব জোরে হলে দয়া করে এটি ব্যবহার করুন.. আপনার ভ্রমণ উপভোগ করুন, ধন্যবাদ" ।
কি দারুন অন্যের স্বাধীনতাকে সম্মান করার সংস্কৃতি.কি চমৎকার ভদ্রতা, এটা অর্জন করতে দরকার মানবিকতা, নৈতিক শিক্ষা যা আমাদের কাছে বিরল। (সংগৃহিত)

07/04/2024

ট্রেনে বসে আছি।জানালায় একজন চা ওয়ালা এসে বললো " বাবা,আজকের দুধ চা খুব দারুণ হইছে।খাইবা? "

কথাটা বলেই তিনি কাপে চা ঢাললেন।আমার দিকে উনি কাপটা এগিয়ে দেওয়ার সময়টুকুতে ট্রেন চলতে আরম্ভ করলো।উনিও ট্রেনের সাথে একপা একপা করে হাঁটছেন।চায়ের রংটা দেখে খাওয়ার ইচ্ছে হলো।

বললাম " কত? "

" দশ টাকা "

ট্রেনে ওঠার সময় পকেটে দশ টাকা রেখেছিলাম।সেটা ভেবেই পকেট থেকে টাকাটা বেড় করলাম।টাকাটা ওনার হাতে দিতেই বুঝলাম ওটা পাঁচশ টাকার নোট!ততক্ষণে টাকাটা ওনার হাতে দিয়ে দিয়েছি।

ট্রেনের গতি বাড়তে লাগলো।চা ওয়ালা রীতিমতো দৌড়াতে শুরু করেছে।পাঁচশ টাকার নোট ওনার হাতে দিয়ে আমি আঁতকে উঠলাম।ছাত্রজীবনে পাঁচশ টাকা বিশাল ব্যাপার।কিন্তু উপায় নেই।দেখতে দেখতেই ট্রেন প্লাটফর্ম ছেড়ে গেলো।

আশা ছেড়ে দিয়ে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলাম।খুব কান্না পাচ্ছে।বাড়িতে যদি এই ঘটনা বলি ভিষণ বকা খেয়ে হবে।

মনম!রা হয়ে বসে আছি হঠাৎ কাঁধে কারো স্পর্শ পেলাম।তাকালাম কিন্তু চিনতে পারলাম না।লোকটা বললো

" বাবা,তুমি এখনি চা নিয়ে পাঁচশ টাকার নোট দিলা না? "

আমার দেহে যেন প্রাণ ফিরে এলো।বললাম " হ্যা হ্যা,আমিই দিয়েছিলাম।আপনি সেই চা ওয়ালা?আপনি ট্রেনে কিভাবে? "

" বাকি টাকাটা ফেরত দিতে ট্রেনে উঠেছি "

" টাকা ফেরত দিতে চলন্ত ট্রেনে উঠে পড়লেন?বিপদ হতে পারতো তো "

লোকটা হেসে বললো " জন্ম নিয়েই বিপদে পড়েছি।এর বেশি কোনো বিপদকে ভয় পাইনা।তাছাড়া চলন্ত ট্রেনে ওঠার অভ্যাস আছে "

কথাটা বলে উনি আমার হাতে ৪৯০ টাকা গুনে দিলেন।বিস্মিত হয়ে ওনার দিকে তাকিয়ে রইলাম।ওনার যায়গায় আমি থাকলে বোধহয় এতো মহৎ চিন্তাধারার অধিকারী হতাম না।এনারা সৎ বলেই কি কপালে এতো দুঃখ?
(সংগৃহিত)

07/04/2024

ছোটবেলায় কিসমিস খেতে খুব ইচ্ছা করত। মা খেতে দিত না। বাজার থেকে অল্প কিসমিস এনে মা কুটুরিতে লুকিয়ে রাখত। শুধুমাত্র সেমাই রান্না করার সময় সেই কুটুরি খোলা হত। ঐ সময় হাতে দুই তিনপিস পেয়ে অতৃপ্ত আমার বাল্যকালে খুশির রঙ লেগে যেত।
যখন টাকা আয় করা শুরু করলাম তখন কিসমিস খাওয়া শুরু করলাম। মুঠো মুঠো করে কিসমিস খাইছি। হয়ত বাল্যকালের সেই তিনপিসের মত টেস্ট পাই নাই, তবে অতৃপ্ত বাল্যকালের উপর কিছুটা প্রতিশোধ নিতে তো পারছি।
ঐদিন এক সুপার শপে দেখলাম নসিলা। ছোটবেলায় টিভিতে শুধু এড দেখতাম, বাচ্চারা টিফিনে নসিলা দিয়ে পাউরুটি মাখিয়ে নিয়ে যায়। এড দেখে বুঝতাম এই জিনিস বিরাট সুস্বাদু, কিন্তু মধ্যবিত্ত বাবা মায়ের নসিলার বোতল কিনে দেয়ার আগ্রহ বা সক্ষমতা কোনটাই ছিল না।
ঐদিন এক বোতল নসিলা কিনে এনে আঙুল দিয়া চেটে পুটে খাইছি। যেটুকো সক্ষমতা আছে, সেটুকোর মধ্যে কোন আক্ষেপ রাখা যাবে না।
এক কলিগের তেল আনতে নুন ফুরায় অবস্থা। একদিন দেখি ফুল ফ্যামিলি কক্সবাজার যাবার বিমানের টিকেট সহ উপস্থিত । সবাই কানাঘুষা করতেছে। আমি ভাইরে ডেকে জিজ্ঞেস করলাম ঘটনা কি?
সে বলল, বাবা সারাজীবন স্বপ্ন দেখাইছে রোল ১ হইলে কক্সবাজার নিয়া যাবে। ক্লাসে সবসময় রোল ১ হইত, কিন্তু স্কুল শিক্ষক বাবার সক্ষমতা হয় নাই। আমিও ছেলেকে বলছিলাম রোল ১ হলে কক্সবাজার নিয়া যাব। একটাই জীবন, আমি আমার বাবার মত হতে চাইনা।
জীবনটা তো ছোট। আজকে আপনার স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার বয়স। টাকা জমিয়ে জমিয়ে কোন একদিন সময় করে বউ নিয়ে ঘুরতে যাবেন, ও স্বপ্ন সহজে পূরণ হবে না।সময়, টাকা, অবসর তিনটা একসাথে আপনার কোনদিন হয়ে উঠবে না।
জীবন একটু একটু করে চলে যাচ্ছে। আজকে যা গেল ওটাই শেষ। আজকে যা করতে পারেন নাই, ওটাই মিস করলেন। যেটুকু আপনার আছে এটুকুই অল্প করে উপভোগ করার মানেই জীবন।
জীবনটাকে নসিলা ভেবে চেটেপুটে খেতে থাকুন, কিসমিসের মত ভবিষ্যতের আশায় কুটুরিতে জমা করে রাখলে শুধু আফসোস বাড়বে।
(সংগৃহিত)

07/04/2024

জাপানের তাকামায়া গ্রামে একজন জ্ঞানী ও বৃদ্ধ কৃষক বাস করতেন। কৃষক লোকটির একটা সুন্দর ও শক্তিশালী ঘোড়া ছিল। কৃষি কাজে , ভারী জিনিস বহনে ও নিত্যদিনের চলা ফেরায় ঘোড়াটিকে তিনি ব্যবহার করতেন।
একদিন ঘোড়াটি হারিয়ে গেলো। তাকে আর খুঁজে পাওয়া গেলো না। কৃষকের স্ত্রীর খুব মন খারাপ। কিন্তু কৃষক লোকটির কোন অস্থিরতা নেই। তার কোন আফসোস নেই। হারিয়ে যাওয়া ঘোড়ার জন্য তার কোন দুঃচিন্তা নেই। তাকে দেখে মনে হচ্ছে কোন কিছুই যেন হারায়নি।
আসে পাশের প্রতিবেশীরা এসে বললো, "তোমার কি দুর্ভাগ্য ! একটা মাত্র ঘোড়া তাও হারিয়ে গেলো "
এই কথা শুনে কৃষক লোকটি একটু মৃদু হেসে বললো , "হতে পারে"
তার কিছুদিন পর ঘোড়াটি আবার কৃষকের বাড়ি ফিরে আসলো এবং তার সাথে আরোও তিনটি বন্য ঘোড়া।
কৃষকের বাড়িতে অনেক আনন্দ। শুধু হারানো ঘোড়া ফিরে আসেনি, তার সাথে আবার আরোও তিনটা ঘোড়া।
প্রতিবেশীরা আবার দেখতে আসলো। সবাই লোকটিকে বলতে থাকলো, "তোমার কি সৌভাগ্য, হারানো ঘোড়া ফিরে পেয়েছো সেই সাথে আবার তিনটা বাড়তি ঘোড়া"
কৃষক আগের মতই হাসি মুখে বললো, "হতে পারে"
দুই দিন পর কৃষকের একমাত্র ছেলে একটা বন্য ঘোড়ায় চড়তে চেষ্টা করে। কিন্তু ঘোড়া থেকে ছিটকে পড়ে যায় এবং পড়ে গিয়ে তার পা ভেঙে ফেলে।
এই খবর শুনে প্রতিবেশীরা এসে খুবই আফসোস করলো। কৃষককে দুঃখ করে বললো, "এমন করে ছেলের পা ভেঙে গেলো, সত্যিই বড় দুর্ভাগ্য!"
কথা শুনে কৃষক লোকটি মুচকি হেসে বললো,
"হতে পারে"
পরদিনই কৃষকের বাড়িতে রাজার সৈন্যরা এসে হাজির। যুদ্ধের জন্য তারা গ্রামের যুবক ছেলেদেরকে ধরে নিয়ে যেতে এসেছে। কিন্তু কৃষকের ছেলের ভাঙা পা দেখে তাকে না নিয়েই চলে গেলো।
এইবার প্রতিবেশিরা এসে সবাই বললো, "তোমারতো দেখছি অনেক বড় সৌভাগ্য, ছেলেকে আর যুদ্ধে গিয়ে মরতে হবে না"
মৃদু হেসে কৃষকের একই উত্তর, "হতে পারে"
আমাদের জীবনের ঘটনাগুলোও অনেকটা একইরকম। কোন ঘটনা কি প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে তা আমরা আগে থেকে জানি না বা জানতে পারি না। তাই, সাময়িক যে ঘটনা ভালো সেটা পরে ভালো নাও থাকতে পারে, ঠিক তেমনিভাবে খারাপ ঘটনার পিছনেও অনেক ভালো কোনো ফল থাকতে পারে।
জীবনে অন্ধকার যেমন আসবে, ঠিক তেমনিভাবে আলোও আসবে। সুখ এবং দুঃখ দুটিই আমাদের জীবনের অংশ।
ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত

07/04/2024

বর্ষা বিলাসী কাছে এটা কাব্যিক স্বস্তি আর সাধারণ মানুষের কাছে অস্বস্তি !

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি। ঈদ মোবারক
পবিত্র ঈদুল ফিতর সমগ্র মানবজাতির জন্য বয়ে আনুক বাসযোগ্য বসুন্ধরা, বিদ্বেসহীন বিবেক, স্বার্থপরতাহীন মনোরম সমাজ এবং বৈষম্য...
আপনার আমার ঈদের আনন্দ প্রস্তুতি দেখে এতিমদের মনের অবস্থা কেমন হতে পারে ? স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভয়েজ এন্ড ভিডিও এডিটিংঃ এম.এস...
আপনার আমার ঈদের আনন্দ প্রস্তুতি দেখে এতিমদের মনের অবস্থা কেমন হতে পারে ?
আপনার আমার ঈদের আনন্দ প্রস্তুতি দেখে এতিমদের মনের অবস্থা কেমন হতে পারে ?স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভয়েজ এন্ড ভিডিও এডিটিংঃ এম.এস ...
আপনার আমার ঈদের আনন্দ প্রস্তুতি দেখে এতিমদের মনের অবস্থা কেমন হতে পারে ?
আপনার আমার ঈদের আনন্দ প্রস্তুতি দেখে এতিমদের মনের অবস্থা কেমন হতে পারে ?স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভয়েজ এন্ড ভিডিও এডিটিংঃ এম.এস ...
স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভয়েজ এন্ড ভিডিও এডিটিংঃ এম. এস সাইফুল মজুমদার।
রমজানে কিভাবে মধ্যবিত্ত প্রতিবেশীকে সহযোগীতা করবেন?
রমজানে কিভাবে মধ্যবিত্ত প্রতিবেশীকে সহযোগীতা করবেন?

Location

Website

Address


Cumilla
Chittagong
Other Colleges & Universities in Chittagong (show all)
University of Science & Technology Chittagong (USTC) University of Science & Technology Chittagong (USTC)
Foy's Lake
Chittagong, 4202

Medicine, Pharma , BBA , IT

CVASU CVASU
Chittagong Veterinary & Animal Sciences University(CVASU), Zakir Hossain Road, Khulshi
Chittagong, 4202

Chittagong Veterinary & Animal Sciences University(CVASU) is the first veterinary University of Bang

Bandarban University Computer Science & Engineering Club Bandarban University Computer Science & Engineering Club
Chittagong

This is the official page of the Bandarban University Computer Science & Engineering Club(BUCSEC),a campus-based science organization of Bandarban University.

Bijoy Smarani College Open University Bijoy Smarani College Open University
Bijoy Smarani College, Bhatiary, Chattogram
Chittagong

open University class and others

« 𖧷 𝐇𝐚𝐟𝐞𝐳 𝐄𝐦𝐫𝐚𝐧 𝐇𝐮𝐬𝐬𝐚𝐢𝐧 𖧷 » « 𖧷 𝐇𝐚𝐟𝐞𝐳 𝐄𝐦𝐫𝐚𝐧 𝐇𝐮𝐬𝐬𝐚𝐢𝐧 𖧷 »
Chittagong

মাননীয় স্পিকার, - মেয়েদের জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়। - ছেলেদের করানো হয়না কেনো? (জাতি জানতে চায়)

Maolana abdur rahman kadery Maolana abdur rahman kadery
Chittagong

Hajrat sheikh saadi siraji (rah) foundation

Ãdīttø çhåkmã Ãdīttø çhåkmã
Chittagong

Sojal gameing Sojal gameing
Chittagong, XOBOGUEHKCUF

Eivljvp bogov lvocivbphofigoy

Katirhat Mohila Degree College Online Class Katirhat Mohila Degree College Online Class
Dhalai, P. O. Katirhat, Upazila: Hathazari
Chittagong, 4333

An official page of Online Class of the Katirhat Mohila Dgree College.

আমরা জামিয়ার গর্বিত সন্তান আমরা জামিয়ার গর্বিত সন্তান
Chittagong, PATIYA

আমরা কোন ব্যাক্তি বা দলের মতাদর্শ নয়। আমরা জামিয়ারই সন্তান। জামিয়ায় আমাদের স্বপ্ন।।

TAREQ vlog TAREQ vlog
Chittagong, 123456

MD.Mahadi hasan k MD.Mahadi hasan k
Chittagong

News