। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন ।

। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন ।

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from । পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন ।, Education, Chittagong.

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমতুল্লাহ।

আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,

﴿وَٱلۡمُؤۡمِنُونَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتُ بَعۡضُهُمۡ أَوۡلِيَآءُ بَعۡضٖۚ يَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَيُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤۡتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَيُطِيعُونَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓۚ أُوْلَٰٓئِكَ سَيَرۡحَمُهُمُ ٱللَّهُۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٞ﴾ [التوبة : 71]

‘আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা একে অপরের বন্ধু,

20/03/2016

হুজুগে বাঙ্গালী!!!
কত বড় বলদ এই জাতি!!!!!!!!!!

পাকিস্তানকে হারালে ৭১ এর প্রতিশোধ নেয়া হয়।
ভারতকে হারালে সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যার রক্তের বদলা ও ফেলানীর প্রতিশোধ নেয়া হয়।
...
দেখেন কত্ত কিউট এই জাতি, পুরো বিশ্বে মনে একমাত্র আমরাই এই বলদ জাতি যারা হত্যার বদলা নিই খেলার মাধ্যমে!!!!!!!

এই জাতি আবার গর্ব করে বলে--- ক্রিকেট পুরো জাতীকে এক করে দেয়। এই ক্রিকেটের প্রতি এই জাতির আবেগ দেখলে হাসি পায়। গ্যালারীতে বেপর্দা, অর্ধনগ্ন নারী, বেনামাজী, পাপিষ্ঠ যুবক হাত তুলে মুনাজাত করে পছন্দের দলকে জিতিয়ে দেয়ার জন্য।
কত বড় বলদ!!!!!!!!!

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তায়ালা মনে হয় তার এই ভিত্তিহীন আবেগ শোনার জন্য বসে আছেন।
এই ক্রিকেটে হেরে গেলে পুরো জাতি কাঁদে।


আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি একবার দোযখের কথা স্মরণ করে কাঁদতে লাগলেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কে তোমাকে কাঁদাল?
রাসুল (সাঃ) এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) বললেনঃ আমি দোযখের ভয়ে কাঁদছি। আপনি কি কেয়ামতের দিন আপনার পরিবারের কথা স্মরণ রাখবেন?
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ
তিনটি স্থানে কেউ কাউকে স্মরণ রাখতে পারবে না-
১। মীযানের (আমল পরিমাপক যন্ত্র) নিকট যতক্ষণ না জানতে পারবে যে, তার নেকীর পাল্লা ভারী হয়েছে না হালকা,
২। আমলনামা পেশ করার সময়, যখন বলা হবে আস তোমার আমলনামা পাঠ কর, যতক্ষণ না জানতে পারবে যে, তার আমলনামা ডান হাতে দেওয়া হচ্ছে না পিঠের পিছন থেকে বাম হাতে।
৩। পুলসিরাতের উপর দিয়ে অতিক্রম করার সময় যখন তা জাহান্নামের উপর স্থাপন করা হবে।’ - - - - [[সুনানে আবু দাউদ, হাদীস :: ৪৭২২]]

এই বলদ জাতি কাঁদে ক্রিকেটের জন্য, কত কিউট এই জাতি!!!!
এই জাতি কি কখনো জাহান্নামের কথা স্মরণ করার চেষ্টা করে?
কান্না করা তো দূরের কথা, এসব নিয়ে চিন্তা করার সময় কোথায় এই জাতির???

ক্রিকেট নাকি দেশপ্রেমের প্রকাশের মাধ্যম। কত বড় বলদ!!!!!!
ক্রিকেট কখনো দেশপ্রেমের প্রকাশ হতে পারেনা।
এটা একধরনের সস্তা আবেগ আর ক্ষণিকের বিনোদন ছাড়া আর কিছুই না।

আমি এই বলদ জাতির অন্তর্ভুক্ত হয়ে লজ্জিত।

27/01/2016

মেয়েটার শরীরের অন্য কাপড় মশারীর ন্যায় পাতলা অথবা যেমন-ই হোক
না কেন, মাথায় একটা কাপড়ের পট্টি বেধেছে এই জন্য সে হিজাবী !!!!!

- সে মাথায় একটু কাপড় দিয়ে মোরালেও ব্রু প্লাক করা, মুখে বিশাল মেকআপ মারা তারপরেও সে হিজাবী !!!

- সারাদিন মোবাইলে আলাপ/বয়ফ্রেন্ডের সাথে মাথায় কাপড় দিয়ে ঘুরে তারপরেও সে হিজাবী !!!

- অন্যান্য ছেলেদের সাথে হেসে খেলে, রঙ-ঢং করে কথা বলছে যদিও মাথায় কাপড় সেজন্য সে হিজাবী !!!!!

- গায়ে টাইট জিন্স/পাতলা টাইস কিন্তু যেহেতু মাথায় কাপড় আছে তাই সে হিজাবী !!!!!

হিজাবের কি অপূর্ব সংগা !!!!! জি, এই definition দিয়েই হারামকে হালালাইজড করার অপচেষ্টা চলছে......
হিজাবের সংজ্ঞা যেন ওদের বাপ-দাদাদের কাছ থেকে এসেছে....।
মাথায় একটা কাপড়ের পট্টি বেধে এইবার দুনিয়ার সব অপকর্ম করেও যদি হিজাবী টাইটেল পাওয়া যায় তাহলে তো ভালই !!!

26/01/2016

শয়তানের শিং, কাল পতাকা, দাজ্জাল, ইয়াজুজ মাজুজ...

শয়তানের শিং, কাল পতাকা , দাজ্জাল, সৌদি সরকারের তুমুল সমালোচনা, ইয়াজুজ মাজুজ... এসব আনুখা বিষয় নিয়ে কত গবেষণা চলছে আজকাল তা ভাবতেও অবাক লাগে। মনে প্রশ্ন জাগে এসব শয়তানের প্ররচনা নয়তো? আরে ভাই এর চেয়ে অধিকতর গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় রয়েছে সে গুলো নিয়ে ভাবো।

এক শয়তান নজদ থেকে শিং বের করলে তাতে কি?
কালো পতাকা কবে কোত্থেকে উড়বে তা নিয়ে এত ব্যস্ত কেন?
ইয়াজুজ মাজুজ ও দাজ্জালের হাদিস নিয়ে এত মাথা ব্যথা কেন? -- এই হাদিস গুলো নিয়ে এত নানা ধরণের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ কেন?
কিবারুল উলামারাই তো ওসব নিয়ে মাথা ঘামান নাই। পূর্বের স্বালফে-স্বালেহীনগণ এই নিয়ে মাথা ঘামান নাই। মোটা মোটা বই লিখে যান নি। অথচ উনারা ইসলামকে আমাদের চাইতে ভাল বুঝতেন।

ইয়াজুজ মাজুজ ও দাজ্জালের হাদিস গুলো নিয়ে-- কেউ বলেছেন এক কথা, আর কেউ বলেছেন অন্য কথা। যখন সবাই শয়তানের শিং ছিল তখন তো আল্লাহর নবী একাই ইসলামকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। এক শয়তান সেখান থেকে শিং বের করলে তাতে কি হবে যদি বাকীরা ঈমান-আমলে ঠিক থাকে।

শয়তানের কাজ-ই তো সর্বদা শিং বের করে গুতানো। সে এই কাজে সর্বদা-ই লিপ্ত আছে! এসব বাদ দিয়ে আসল কাজে মননিবেশ করুন!!

আমি আমার ফ্রেন্ডলিস্টের এমন অনেককেই দেখেছি যে, তারা ইসলামের এই সমস্ত বিষয় গুলোর ব্যাপারে তারা খুব সিরিয়াস বিভিন্ন রাফাউল ইয়াদাইন ও জোড়ে আমীন বলার মত সুন্নাত-মুস্তাহাব নিয়ে মানুষের সাথে তুমুল তর্কে লিপ্ত হয় কিন্তু তারা-ই আবার বিভিন্ন অশ্লীল পেজে লাইক দিয়ে রেখেছে, গান শোনে, সিনেমা দেখা আরো কত কি!!!

আমি ব্যক্তিগত ভাবে এমন মানুষকে-ও চিনি যারা দাজ্জাল, সৌদি সরকারের তুমুল সমালোচনা, ইয়াজুজ মাজুজ... এসব আনুখা বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রচন্ড ঝগড়ায় লিপ্ত হয় কিন্তু নিজে ফজরের সালাত পড়ে সূর্য উঠার পর।
আল্লাহ্‌ এদের হিদায়াত দিন।

এসব বাদ দিয়ে আসল কাজে মননিবেশ করুন!!

নিজের ঈমান-আমলের প্রতি মনোযোগ দিক। বেশি বেশি ইলম অর্জন করুন। অযথা সময় নষ্ট না করে কুরআন-হাদিস অধ্যায়ণ করুন, অন্যকে সৎ কাজের আদেশ করুন এবং অসৎ কাজে নিষেধ করুন।

25/01/2016

আমাদের মাঝে আজকাল দেখা যায় অনেকে মুসলিম বোন-ই হিজাব পরেন, বোরকা পরেন কিন্তু ব্রু প্লাক করেন এবং চেহারা খোলা রাখা যায় এই ফতোয়ার ভিত্তিতে মুখ ঢাকেন না উল্টো চেহারায় মারাত্মক মেকাপ করে রাস্তায় বের হন।
অথচ এটি পুরুষদের জন্য যেমন ফিতনা ঠিক আপনার জন্য-ও এটি জাহান্নামী হওয়ার কারন।

চেহারায় আল্লাহ্‌ তায়ালা যে লোম গুলো দিয়েছেন তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তার জন্য-ই দিয়েছেন-- যা আজ বিজ্ঞান দ্বারা প্রমানিত।

তাই চেহারার মধ্যে সৃষ্ট লোম উপড়ে বা অন্য কোন উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত করা আল্লাহ্‌ নিষেধ করে দিয়েছেন, এবং এর মধ্যে কোন কিছু আলাদাভাবে সংযোজন করা-ও নিষেধ করে দিয়েছেন।

তাই চেহারার মধ্যে শুধু নারীদের জন্য-ই ব্রু প্লাক করা হারাম নয় বরং পুরুষের জন্য-ও তার চেহারার উপর সৃষ্ট দাড়ি চেঁছে ফেলা হারাম।

♣♣♣ এবং এর সাথে সাথে আলগা চুল লাগানো, আলগা পাপড়ি লাগানো, শরীরে ট্যাটু লাগানো ইত্যাদি নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই হারাম।♣♣♣

আপনার এই চেহারা-সৌন্দর্য আল্লাহ্‌র একটি নিয়ামত এবং আল্লাহ্‌র আমানাত। আল্লাহ্‌র এই আমানতের খিয়ানত করার কোন অধিকার আপনার নেই।
বরং আপনাকে এর যত্ন নিতে হবে। আর যত্ন সেভাবেই নিতে হবে যেভাবে আল্লাহ্‌ বলে দিয়েছেন। যা হারাম করে দিয়েছেন তা করা যাবে না, আর যা আল্লাহ্‌ বৈধ করেছেন তা করা যাবে।

শরীরে ট্যাটু অংকনকারী, ভ্রু প্লাককারী, দাঁত শানিতকারীর উপর আল্লাহ্‌র অভিশাপ বলে নাবী (সাঃ) উল্লেখ করেছেন। এবং ও পরচুলা লাগানো ব্যাক্তির প্রতিও নাবী (সাঃ) সাবধান করেছেন।

আল্লাহ বলেন ,(মানুষকে ভ্রান্ত করার ব্যাপারে শয়তানের বক্তব্য- আমি তাদেরকে পথ ভ্রষ্ট করব। তাদেরকে আশ্বাস দেব, তাদেরকে পশুদের কর্ণ ছেদন করতে বলব এবং আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতি পরির্বতন করতে আদেশ দেব। (সূরা নিসা: ১১৯)

অতএব বুঝা গেল- আল্লাহর সৃষ্টির পরির্বতন করা শয়তানের পরার্মশ। শরীরে ট্যাটু অংকন করা, ভ্রু প্লাককরা, দাঁত শানিত করা, দাড়ি চেঁছে ফেলা, পরচুলা লাগানো ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে মূলত আল্লাহ্‌র সৃষ্টির পরিবর্তন করা হয়, এবং এদের উপর আল্লাহ্‌র অভিশাপ।

ইমর ওমর(রাঃ)বলেন, রাসূল(সাঃ) বলেছেন যে চুলে জোড়া লাগায় এবং অন্যের দ্বারা লাগিয়ে নেই, যে নারী দেহে কিছু অংকন করে এবং অন্যের দ্বারা করিয়ে নেই উভয়ের প্রতি অভিশাপ করেছেন।
-(বুখারি, মুসলিম/৪৪৩০- পোশাক অধ্যায়)

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসূঊদ(রাঃ) বলেন ,আল্লাহ বলেন ঐসব নারীদের প্রতি অভিশাপ করেছেন। যারা সৌদ্দর্য বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে দেহে উল্কি করে এবং করিয়ে নেয় উভয়ে অভিশপ্ত। এবং যারা ভ্রু উপরে চিকন করে ,দাঁত সমূহকে সরু বানায়। কারন তারা আল্লাহর স্বাভাবিক সৃষ্টির বিকৃতি ঘটায়।
-(বুখারী,মুসলিম/৪৪৩১)

অথচ আজ আমাদের সমাজে যুবক-যুবতীদের নিকট এই হারাম কাজ গুলো খুবই জনপ্রিয়। আল্লাহ্‌ আমাদের এই ধরণের হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দিন।

24/01/2016

বাংলাদেশের মুসলিমদের কুরআনের উপর বিশ্বাস কম।
তারা এই কিতাবের কিছু অংশ মানে কিছু বর্জন করে।
======================================

“আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন নির্দেশ দিলে কোন মুমিন পুরুষ ও নারীর জন্য নিজেদের ব্যাপারে ভিন্ন কিছু করার কোন এখতিয়ার থাকে না; আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করল সে স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে”
-- সূরা আল আহযাব: ৩৬।

"অতঃপর তারা যদি আপনার কথায় সাড়া না দেয়, তবে জানবেন, তারা শুধু নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। আল্লাহর হেদায়েতের পরিবর্তে যে ব্যক্তি নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে? নিশ্চয় আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে পথ দেখান না।"
-- সূরা আল কাসাসঃ ৫০।

"যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব। "
-- সূরা ত্বোয়া-হাঃ ১২৪।

আমরা আল্লাহর বিধানের উপর ভরসা করতে পারি না। আল্লাহর বিধান আমাদের পুরোপুরি ভালো লাগে না। তাই আমরা যে গুলো সহজ সহজ বিধান সেগুলো খুব যত্ন সহকারে পালন করি, আর যেগুলো একটু কঠিন সেগুলো এড়িয়ে যাই।

আর এজন্যই অধিকাংশ মুসলিমকেই ফজরের জামাআতে দেখা যায় না।

23/01/2016

আপনি এই দুনিয়ায় কিভাবে চলতে হবে, কিভাবে দু'পয়সা বেশি কামানো যায়-- সবই বোঝেন, কিন্তু ধর্মের ব্যপারে কেন বোকা সেজে থাকেন?
মহান আল্লাহ্‌ বলেন-
"তারা পার্থিব জীবনের বাহ্যিক দিক ভালো জানে এবং তারা পরকালের খবর রাখে না। (সুরা রূমঃ ৭)

পার্থিব বিষয় গুলো কি আপনি মায়ের পেট থেকে শিখে এসেছিলেন?
কিভাবে চাকুরী করতে হবে, কিভাবে ব্যবসায় উন্নতি করা যাবে, কিভাবে দু'পয়সা বেশি কামানো যাবে-- এগুলো কি আপনি মায়ের পেট থেকে শিখে এসেছিলেন?
কিন্তু ধর্মের ব্যপারে তো আপনি মায়ের পেট থেকে শিখে আসেন নি, ঠিক কথা কিন্তু শেখার বা জানার চেষ্টা করেন না কেন?

ধর্মের বিষয়ে যতটুকু-ই জানেন ততটুকু-ও অলসতা কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন করেন না কেন? কি করে এরপরেও জান্নাত বসবাসের আশা রাখেন।

দুনিয়ায় মানুষ কদিন বাঁচে.? ৮০/১০০ বছর.? আর আখিরাতের জীবন তো অনন্ত অসীম। আপনি এই ৮০-১০০ বছর জন্য সমস্ত শ্রম, সমস্য যৌবন, সমস্ত শক্তি ব্যয় করে দিচ্ছেন আর অনন্ত জীবনের সমৃদ্ধি ছেড়ে দিতে চান? এর থেকে বোকামি আর কি হতে পারে?
তাই আপনি ফিরে আসুন। নিজেকে সংশোধন করে নিন।
যারা ফিরে আসবে এই মুহূর্ত থেকে তাদের জন্য আল্লাহ সুসংবাদ দিয়েছেন,
“আর যারা খারাপ কাজ করে, তারপরে তওবা করে নেয় এবং ঈমান নিয়ে আসে। তবে নিশ্চয়ই তোমার রব এরপরও ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” [ সূরা আ’রাফ ১৫৩]

“তারা কি দেখে না, তারা প্রতি বছর একবার কিংবা দুবার বিপদগ্রস্ত হয়.? এরপরও তারা তওবা করে না এবং উপদেশ গ্রহণ করে না।” [ সূরা তাওবাঃ ১২৬]

“সুতরাং তারা কি আল্লাহর নিকট তওবা করবে না? এবং তার নিকট ক্ষমা চাইবে না? আর আল্লাহ ক্ষমাশীল,পরম দয়ালু।” [সূরা মায়েদাঃ ৭৪]

আল্লাহ্‌ ভূমিকম্প দিচ্ছেন, এত দুর্যোগ দিচ্ছেন, ব্যক্তিগত জীবনেও কত ক্ষয়ক্ষতি দিচ্ছেন এরপরেও কি আপনারা ফিরে আসবেন না?
যারা ভাবে, এখন পাপ করি পরে সময় মত তওবা করে নেব। তাদের সাধারণতঃ কোন দিনই তওবা করার সৌভাগ্য পাবে না।
মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা বলেনঃ
“আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা পাপ কাজ করতেই থাকে। এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।” [সূরা নিসাঃ ১৮]

তাই আমার ভাই ও বোনেরা.! ফিরে আসুন এখনই, এখনই এবং এখনই। তওবা করে ফিরে আসুন। আল্লাহর কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করুন।

22/01/2016

১৬ বছরের একটি মেয়ে ১৮ বছরের একটি ছেলের সাথে বিছানায় শুয়ে আছে!!!!!


প্রগতিশীলদের কাছে এটিঃ
ব্যক্তি স্বাধীনতা, মিউচ্যুয়াল রিলেশন, জৈবিক চাহিদা।


১৬ বছরের একটি মেয়ে ১৮ বছরের একটি ছেলেকে বিয়ে করেছে!!!!!


প্রগতিশীলদের কাছে এটিঃ
ধর্মীয় গোঁড়ামি, বাল্যবিবাহ, নারী নির্যাতন।

21/01/2016

আপনি তো নিশ্চয় জানেন, নামাজ পড়া ফরজ, আপনি এটাও জানেন যে, নামাজ না পড়লে জাহান্নামে যেতে হবে। আপনার এটাও জানা আছে যে, জাহান্নাম অত্যন্ত ভয়াবহ। দুনিয়ার কোন শাস্তিই জাহান্নামের ধারে কাছেও নেই।

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সঃ)
বলেছেনঃ জাহান্নামে সবচেয়ে হালকা আযাব দেওয়া হবে আবু তালেবকে, তাকে এক
জোড়া আগুনের জুতা পড়িয়ে দেয়া হবে। এর ফলে তার মস্তিষ্ক ফুটে বিগলিত হয়ে পড়তে থাকবে।
নোমান বিন বাশির (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম শাস্তি হবে ঐ ব্যক্তির, যার পায়ের নিচে আগুনের ২টি অঙ্গার (জুতা পরিয়ে দেয়া হবে) রাখা হবে, যার ফলে তার
মস্তিষ্ক টগবগ করে গলে গলে পড়তে থাকবে। [সহিহ মুসলিম, ১ম খন্ড, কিতাবুল ঈমান, হাদিস নং- ৪০৭]

তাহলে তবুও কেন আপনি নামাজ পড়ছেন না?
আপনি কি জেনে বুঝে নিকৃষ্ট জায়গায়, ভয়াবহ শাস্তির জায়গায় ইচ্ছাকৃত ভাবে নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন না?

আপনি কি মনে করেন আপনি এভাবে নামাজ না পড়ে, না পড়ে, পাপ কাজ করে করে জীবন পার করে দিবেন আল্লাহ্‌ আপনাকে এমনিতেই মাফ করে দিবেন??
মহান আল্লাহ্‌ বলেন-
"আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা পাপ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। (সুরা আন নিসাঃ ১৮)

আপনি কি জানেন সালাত ত্যাগ করা কুফুরী??
জাবের (রাঃ) বলেন- আমি রাসুলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ্‌র বান্দা ও শিরক-কুফরের মধ্যে পার্থক্যকারী হচ্ছে সালাত ত্যাগ করা। [সহিহ মুসলিম, ১ম খন্ড, ঈমান অধ্যায়, হাদিস নং-১৫৪]

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন- আমাদের ও কাফেরদের মাঝে চুক্তি হল সালাত। সুতরাং যে ব্যক্তি তা ত্যাগ করবে সে কাফির হয়ে যাবে। ( তিরমিজিঃ ২৬২১, ইবনে মাজাহঃ ১০৭৯)

তাহলে এভাবে সালাত পরিত্যাগ রত অবস্থা যদি আপনি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে কি আপনি কুফুরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলেন না??
-
তখন আপনার কি অবস্থা হবে? কে আপনাকে বাঁচাবে?
-
মহান আল্লাহ্‌ বলেন-
"তাহলে সে দিনেকে ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না। (সুরা বাকারাঃ ৪৮)

20/01/2016

জর্দা নাকি নায়েবে রাসুলদের শান???
===========================

ভারত-বাংলাদেশ-পাকিস্তানের জর্দা খাওয়া মোল্লাদের অনেকেই দাবী করে পান-সুপারী-জর্দা নাকি তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। এটি নাকি তাদের শান।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আলিমের মর্যাদা সম্পর্কে ইরশাদ করেন, ‘আলিমগণ নবীদের উত্তরাধিকারী, আর নবীগণ উত্তরাধিকার হিসেবে দিনার-দিরহাম রেখে যাননি। তাঁরা উত্তরাধিকার হিসেবে রেখে গেছেন ইলম। অতএব যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করেছে, সে বিপুল অংশ লাভ করেছে।’ [সুনান আবু দাউদঃ ৩৬৪৩]

তাই আলিমদেরকে-নায়েবে রাসুল বলা হয়। কিন্তু এই বর্তমান যুগের এই কথিত নায়েবে রাসুলদের শান যদি হয় হারাম জর্দা খাওয়া তাহলে তাদেরকে সাধারণ জনগন কি শিখবে??

তাদের অনুসারীদের মধ্যে অনেকেই অদ্ভুত কিছু যুক্তি দিয়ে থাকে- যা নিতান্তই মূর্খতার পরিচয়।

১. জর্দা-সিগারেট খাওয়া একটি অপব্যয়।
============================
অপব্যয় তাকেই বলে যার দ্বারা কোন উপকার পাওয়া যায় না। জর্দা-সিগারেট ইত্যাদি খেলে শরিরের কোন উপকার হয় না বরং ক্ষতি হয়, এবং এগুলো খেলে ক্ষুধা-ও মেটে না। আর যা খাওয়ার দ্বারা কোন উপযোগ পাওয়া যায় না তার নাম অপচয়।
আল্লাহ্‌ তায়ালা কুরআনুল কারীমে বলেন-
“খাও ও পান কর এবং কিছুতেই অপব্যয় করো না। তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না। (সুরা আ’রাফঃ ৩১)
"নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। শয়তান স্বীয় পালনকর্তার প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ। (সুরা বনী ইসরাইলঃ ২৭)

২. এগুলো খাওয়ার কারনে পরিবেশ দুষিত হয় এবং অপর মুসলিম কষ্ট পায়।
====================================================
যারা জর্দা-সিগারেট তথা তামাকজাত দ্রব্য খায় তাদের মুখে সবসময় দুর্গন্ধ থাকে।
আর রাসুল (সাঃ) কাঁচা পিয়াজ-রসুনের দুর্গন্ধ মুখে নিয়ে মসজিদে পর্যন্ত আসতে নিষেধ করেছেন।
রাসুল (সাঃ) বলেন-
“যে ব্যক্তি পিয়াজ, রসুন এবং পিয়াজের মতো গন্ধ হয় এমন কোনো সবজী খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের ধারে কাছেও না আসে, কেননা; মানুষ যে খারাপ গন্ধ দ্বারা কষ্ট পায়, ফিরিস্তারাও তদ্রূপ কষ্ট পায়।” (সাহীহ মুসলিম, ২য় খন্ড, মসজিদ ও সালাতের স্থান অধ্যায়, হাদিস নং- ৩৯৫)

যারা পান জর্দা খায় তারা যেখানে সেখানে পানের পিক ফেলে পরিবেশ নষ্ট করে, অনেক সময় তা মানুষের জামা-কাপড়ে লেগে চায়, চুন-ও যেখানে সেখানে মুছে রাখে। সিগারেটখোররা তো তাদের পরিতাক্ত ধোঁয়া দ্বারা মানুষকে কষ্ট দেয়।
আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন-
"যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে। (সুরা আল আহযাবঃ ৫৮)

৩. জর্দা-সিগারেট তথা তামাকজাত দ্রব্য খাওয়ার কারনে অনেক মারাত্মক রোগ হয়ঃ
==========================================================
তামাক একটি খুবই ঘাতক বস্তু। এই তামাক মানুষের শরীরে কান্সার হওয়ার জন্য যথেষ্ট। তামাক হচ্ছে এক প্রকার slow poisoning.
তামাকের মূল উপাদান হচ্ছে- নিকোটিন আর টার।
গবেষণায় জানা গেছে তামাকজাত দ্রব্য খাওয়ার কারনে হয়ঃ
১. ফুসফুসে ক্যান্সার, কিডনীতে ক্যান্সার, ব্ল্যাড ক্যান্সার ইত্যাদি
২. হাই ব্লাড প্রেশার
৩. অ্যাজমা
৪. ইম্পাইসেমা
৫. ব্রঙ্কাইটিস
৬. ব্রেন ষ্ট্রোক ইত্যাদি এমন আরো মারাত্মক রোগ হয়।
তাই এমন মরন ঘাতী একটা বস্তু কি করে হালাল হতে পারে?
আল্লাহ্‌ তায়ালা কুরআনুল কারীমে বলেন-
"তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিও না। (সুরা বাকারাঃ ১৯৫)

মহান আল্লাহ্‌ আরো বলেনঃ "তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না।" (সুরা নিসাঃ ২৯)

আমরা সবাই জানি আত্মহত্যা করা মহাপাপ। তাই যারা বলে জর্দা নাকি নায়েবে রাসুলদের শান-- তারা যে কোন মানের নায়েবে রাসুল আল্লাহ্‌ই ভালো জানেন।

18/01/2016

এই পৃথিবীতে কেউ-ই পারফেক্ট নয়!

আল্লাহ্‌ আমাদের এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছে উনার মুখাপেক্ষী করে।
আল্লাহ্‌ কারো মুখাপেক্ষী নন, কিন্তু আমারা সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী।
আল্লাহ্‌ আমাদের সৃষ্টি করেছেন কোন না কোন দিক দিয়ে অভাবী করেই।

=> কেউ হয়তো বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী!

=> কারো হয়তো হাত বিকলাঙ্গ, কারো হয়তো পা বিকলাঙ্গ।

=> কাউকে আবার আল্লাহ্‌ হাত-পা পূর্ণাঙ্গ করে সৃষ্টি করার পরেও কোন এক্সিডেন্টে তার হয়তো হাত/পা হারিয়েছে।

=> কারো হাতের আঙ্গুলে সমস্যা।

=> কারো হয়তো চোখ ট্যারা।

=> কারো হয়তো গায়ের রঙ কালো।

=> কারো হয়তো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই।

=> কারো হয়তো টাকা-পয়সা তেমন নেই।

=> কেউ হয়তো খুব-ই দরিদ্র

=> কারো হয়তো পরিবারে অশান্তি।

=> কারো হয়তো বাবা/মা ভাল না।

=> কারো হয়তো স্বামী/স্ত্রী ভাল না।

=> কারো হয়তো সন্তান কথা শুনে না।

এমন প্রতি মানুষের-ই কোন কোন দিকে দিয়ে অভাব রয়েছেই।
আর এ নিয়ে আমারা হীনমন্যতায় ভুগি।
এমনিভাবে আমরা আমাদের Lacking গুলো নিয়ে চিন্তা করতে করতে তোটাই মানসিক হীনমন্যতাগ্রস্থ হয়ে পরি যে- এ জীবনটাই আমাদের কাছে অসহ্য লাগে।।

আমাদের মনে রাখতে হবে--
=================================
এই পৃথিবীতে কখনোই সব কিছু পাওয়া যাবে না।
=================================

জীবনের এই অপ্রাপ্তি-ই হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা পরিক্ষা।

মহান আল্লাহ্‌ বলেন-
"বরকতময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন,যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কেতোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনিপরাক্রমশালী, ক্ষমাময়। (সুরা মূলকঃ১-২)

তাই আমাদেরকে এর উপর সন্তুষ্ট থাকতে হবে। এবং এই অপ্রাপ্তির সাথে বন্ধুত্ব করে নিতে হবে। একে আপন করে নিতে হবে। আল্লাহ্‌ ইনশাআল্লাহ্‌ জান্নাতে আমারে এই চাওয়া-পওয়া গুলো পূরণ করে দিবেন, কিন্তু এই পৃথিবীতে তা পাওয়া যাবে না, এটিই মেনে নিতে হবে।
এই গুলো মেনে নেয়ার মাধ্যমে আমাদেরক পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। এবং আল্লাহ্‌র উপর আস্থা রাখতে হবে। আল্লাহ্‌র শুকরিয়া আদায় করতে হবে। আল্লাহ্‌র উপর সন্তুষ্ট থাকতে হবে। চিন্তা করে দেখতে হবে, আমার চেয়েও করুন অবস্থায় তো কত কাউকে আল্লাহ্‌র রেখেছেন।
আমাকে তো আল্লাহ্‌র তাদের চেয়ে ভাল রেখেছেন। তাই-- আলহামদুলিল্লাহ্‌!

আমাদের মালিক বলেন-
"আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দিবেন।" (সুরা তালাক:৭)

"অতপর নিশ্চয় কষ্টের সাথে সুখ রয়েছে। নিশ্চয় কষ্টের সাথে সুখ রয়েছে।" (সুরা ইনশিরাহ: ৬-৭)

"আমি কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত কষ্ট দেই না।" (সুরা আন'আম: ১৫২)

"আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।" (সুরা আনফাল: ৩০)

"আল্লাহ সবচেয়ে দ্রুত পরিকল্পনা তৈরী করতে পারেন।" (সুরা ইউনুস: ২১)

"আর তুমি সবর কর। তোমার সবর তো শুধু আল্লাহর তৌফিকেই।" (সুরা নাহল: ১২৭)

"আর আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব যতক্ষণ না আমরা অবগত হই তোমাদের মধ্যে কারা সংগ্রামকারী এবং সবরকারী এবং আমরা তোমাদের কথা-কাজ পরীক্ষা করে নেব।" (সুরা মুহাম্মাদ: ৩১)

এই দুনিয়ার যার যত সমস্যা রয়েছে ঐ সকল সব সমস্যার সমাধান হবে না। তাই দুনিয়াবী এই সমস্ত দুশ্চিন্তা বাদ আমাদের উচিৎ নিজেরদের ভবিষ্যৎ জীবন তথা আখিরাতকে সুখ ও সমৃদ্ধময় করার প্রতি মনোনিবেশ করা।
মহান আল্লাহ্‌ বলেন-
"আমি কি তোমাদেরকে এসবের চাইতেও উত্তম বিষয়ের সন্ধান বলবো? -যারা পরহেযগার, আল্লাহর নিকট তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাত, যার তলদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত-তারা সেখানে থাকবে অনন্তকাল। আর রয়েছে পরিচ্ছন্ন সঙ্গি-সঙ্গিনীগণ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি সু-দৃষ্টি রাখেন। (সুরা আলে ইমরানঃ ১৫)

11/01/2016

পুরুষ তো বটেই, আজকাল মেয়েদেরও একটা অংশ পর্ণ ছবি দেখে।
-
গত বছর একটি সমীক্ষা থেকে এ কথা জানা গেছে। ফলে পর্ন ফিল্ম দেখা
নিয়ে রাখঢাক করে লাভ নেই। বাস্তবটা মেনে নেওয়াই ভালো। কেননা, এর কুফলও পড়তে শুরু করেছে। এবং সেটা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
কী দেখে, কেন দেখে- এসব আলোচনা ছেড়ে সোজাসুজি একটা কথা
বুঝে নেওয়া দরকার, উপমহাদেশে সেক্স-এডুকেশন বলে কিছু নেই।
ফলে ভাল-মন্দ বুঝে ওঠার আগেই অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা পর্ন ছবি দেখতে শুরু করছে। আর তার চেয়ে বড় চিন্তার বিষয়, দেখে দেখে সেটাকে অনুকরণ করার চেষ্টা করছে। শুধু অনুকরণই নয়, অনেকে আবার ছবি তুলে সংগ্রহ করে রাখছে নিজের কাছে। ফল যে কত মারাত্মক হতে পারে, তা চিন্তা না করেই।

পর্ন ছবি দেখার আরও কুফল আছে। সেগুলো একনজরে দেখে নেওয়া যাক।

১. মন নয়, শুধুই শরীর প্রেমের সম্পর্ক হারিয়ে যাচ্ছে। সবটাই শরীরসর্বস্ব হয়ে উঠছে। শরীরের চাহিদা মেটাতেই অপরের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হচ্ছে। ফলে ভেঙেও যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি। বিয়ের পর, অনেক ক্ষেত্রেই যৌনতায় অতৃপ্তি তৈরি হচ্ছে। এবং শেষ পর্যন্ত ছাড়াছাড়ি পর্যন্ত গড়াচ্ছে।

২. বিপরীত লিঙ্গের প্রতি অশ্রদ্ধা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অশিক্ষিত পুরুষ অবজ্ঞার চোখে দেখতে শুরু করছে মেয়েদের। ভাবছে নারী বোধহয় শুধুই ভোগ্যবস্তু। শুধু যৌন বাসনা মেটানোর জন্য নারীর প্রয়োজন। সমাজে নারীর গুরুত্ব হারাচ্ছে। ফলে বাড়ছে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা। যে দেশে অশিক্ষিতের সংখ্যা বেশি, সেখানে এর কুফলই বেশি আসবে, তাতে সন্দেহ কী। কারণ ভালোমন্দ বুঝে নেওয়ার ক্ষমতা এই অশিক্ষিত শ্রেণির মধ্যে নেই। অথচ হাতে আছে সিডি, ডিভিডি, পেন-ড্রাইভ, ইন্টারনেট।

৩. সামাজিক মূল্যবোধ হারাচ্ছে সৃষ্টিশীলতা, সৃজনশীলতা ধ্বংস হচ্ছে। সারাক্ষণই যৌনতা ঘুরছে অল্পবয়সী, না বুঝে ওঠা ছেলে মেয়েদের মধ্যে। বাঁধন হারাচ্ছে সবকিছুর। সামাজিক মূল্যবোধ হারাচ্ছে। নারী হলেই হলো। সম্পর্ক দেখছে না। ছাত্রী, পাড়ার বোন, ভাবি- বাদ যাচ্ছে না কিছুই। এমনকী রেহাই পাচ্ছে না ছোটো ছোটো শিশু। সব মেয়ের দিকেই লোলুপ দৃষ্টি। সামাজিক অবনমন হয়েই চলেছে দিন কে দিন।

৪. অশ্রাব্য ভাষা ও ইঙ্গিত বাড়ছে ছোটো ছোটো ছেলেরা পর্ন ছবি দেখে
অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। নারী দেখলেই অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলছে। ইঙ্গিতপূর্ণ
কথা বলছে। লজ্জা, শঙ্কা, ভয়, ডর- কিছুই থাকছে না। মনে করছে পৃথিবীর সবই হাতের মুঠোয়।

৫. পর্ন ছবির যৌনতাকে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা নীল ছবির রগরগে যৌনতাকে অনুকরণ করার চেষ্টা করছে। কখনও সেটা ভয়ংকর হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভারতের নির্ভয়াকাণ্ডের মতো বীভৎস ঘটনার সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে।

মনে রাখবেন একদিন আপনাকে আল্লাহ্‌র সামনে দাড়াতেই হবে। আর আপনি যখন পর্ন দেখেন তখন স্মরণ করুন-- আল্লাহ্‌ আপনার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখেছেন। অতএব আল্লাহ্‌কে ভয় করুন।

22/12/2015

- হুজুরেরা লুকিয়ে ঠিকই “পর্ন” দেখে।

- হুজুররা “বউ” পেটায়।

- মাদ্রাসার ছেলেরা “সমকামী”।

- আরব শেখরা “রক্ষিতা” পোষে।

- সৌদি আরবে “যৌন হয়রানি” নথিভুক্ত হয়না, ইত্যাদি ইত্যাদি...।

ছোটকাল থেকে শুনে আসা সেক্যুলারদের কিছু (অ)পবিত্র বাণী। যখন সেক্যুলার ছিলাম তখন মনে হতঃ হয়তো কিছু তথ্য সত্য, আর কিছু হয়তো তারা একটু বেশি বলে, পরে নিজে হুজুর হয়ে দেখি সেক্যুলারদের জীবন হুজুরদের থেকে পুরাই বিচ্ছিন্ন। তাহলে হুজুর নিয়ে এত কথা তাদের বলতে হয় কেন? আর কীভাবেই বা বলে?

এরা বলে হতাশা থেকে নিজেকে প্রবোধ দিতে। আল্লাহ্ সবাইকে সবকিছু বোঝার ক্ষমতা দেন নি। দিলে “উলুল আলবাব” নামে কতিপয় বান্দাকে আলাদা করতেন না।
তাই জাহেল-মূর্খ সেক্যুলাররা সবাইকে নিজেদের মত ভাবে।

এরা কোনদিন চিন্তাও করতে পারে না কীভাবে একটা যুবক মেয়েদের দিকে না তাকিয়ে থাকতে পারে, এমনকি ক্লাসমেটদের দিকেও।

একটা অবিবাহিত যুবক হারাম, অশ্লীল থেকে বাঁচতে সিয়াম পালন করতে পারে, এদের কাছে এ এক ভিনগ্রহের তথ্য। তাই এরা সবাইকে নিজেদের মত ভাবে। যেহেতু হুজুররা পর্নোগ্রাফির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বলে, কাজেই সেক্যুলাররা কল্পনা করে নেয় গোপনে ঠিকই হুজুররাও পর্ন দেখে। পর্ন ছাড়াও যে জীবন হয়, তা তো এদের ধারনায় নেই।

এরা দেখে নিজেদের ম্যারিড লাইফ টেকে না। দুদিন পরপর বিবাহ বিচ্ছেদ। অন্যদিকে হুজুররা বছরের পর বছর সংসার করে যায়।

কোন কোন হুজুর দু-তিনটা বিয়েও করে; হুজুরের বউ আবার তা মেনেও নেয়। তখন সেক্যুলাররা সিদ্ধান্তে আসে যে হুজুররা নিশ্চয়ই বউকে পিটিয়ে ঠাণ্ডা রাখে, ফলে বউ
বাধ্য হয়ে সংসার করে।

সেক্যুলাররা দেখে যে মাদ্রাসার ছেলেরা মেয়েদের সাথে ইটিশ-পিটিশ করে না। বিয়ের আগে এরা কোন মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করে না, রিলেশন তো দূরের কথা, পক্ষান্তরে সেক্যুলাররা রিলেশন করে বিয়ে করাকেই প্রাধান্য দেয়।

তখন সেক্যুলাররা এ সিদ্ধান্তে এসে পড়ে যে নিশ্চয়ই মাদ্রাসা ছাত্ররা নিজেদের মধ্যেই
যৌনভোগ করে, কাজেই মাদ্রাসার ছাত্ররা নিশ্চয়ই সমকামী!

এরা দেখে যে ধর্ষণের রেটে তাদের প্রভু রাষ্ট্রগুলো শীর্ষে, আর মুসলিমপ্রধান দেশগুলো সবার নিচে।

তখন এরা সিদ্ধান্তে চলে আসে মুসলিম দেশগুলোতে সব অপকর্মই ঘটে, কেবল নথিভুক্ত না হওয়ায় লিস্টে নাম আসে না।



এমন না যে হুজুররা কোন পাপ কাজ করে না। যেহেতু হুজুররা-ও মানুষ, তাই তাদের দ্বারা-ও পাপ হয়া-ই স্বাভাবিক। কিন্তু লক্ষনীয় বিষয় হল অভিযোগগুলো করছে তারা, যারা নিজেদের জীবনটা অবাধ যৌনতার সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে, এদের
কেউ হয়তো পর্নসাইটের মালিক, কেউ চটিসাইট চালায়, কেউ অন্তত গ্রাহক।

এরাই সমকামিতাকে অধিকার মনে করে, এরাই কুকুর বেড়ালের মত যত্রতত্র যৌনক্রিয়াকে প্রমোট করে, এরাই আবার মেয়েদের ওপর
টিজিং-ভায়োলেন্স বন্ধের ফেস্টুন, পোষ্টার, প্ল্যাকার্ড, ধরে দাঁড়িয়ে থাকে।

দিনশেষে এরা নিজেদের ওপর একরাশ ঘৃণা নিয়ে ঘুমাতে যায় এবং হুজুরদের গাল দিয়ে সে ঘৃণা লাঘব করার চেষ্টা করে।

The Dog barks, but the cover-van goes on!!!
(সংগ্রহীত)

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Chittagong