Blue Green Foundation Bangladesh

Blue Green Foundation Bangladesh

Share

This Foundation is about to create public awareness on the Oceans & Environments and a commitment of

Photos from Blue Green Foundation Bangladesh's post 11/08/2024

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ও রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে এখনও ছাত্রছাত্রীদের খুনের নির্দেশ দাতা ও পলাতক রাজনৈতিক এর ছবি থাকে কি করে?

এসব বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ভিসি, প্রোভিসি, ট্রেজারার ও প্রক্টরসহ দলবাজ কোটায় নিয়োগদের পদত্যাগের কোন খবর নাই কেন?

কোটাবিরোধী আন্দোলন কোটা পুনর্বহাল করা চলবে না , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কোটা সংস্কার আন্দোলন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার

Khan Talat Mahmud Rafy Abdullah Farhan Asif Mahammad Rasel Ahmed

11/08/2024

বাংলাদেশের বর্তমান ঋণ ৯৯.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার,

আর

গত ১৬ বছরে পাচার হইছে ৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশী টাকায় কনভার্ট করলে আসে ১১ লক্ষ কোটি টাকা (+-)।

এ টাকা দিয়ে ৫৭ টা মেট্রোরেল আর ২৬ টা পদ্মাসেতু করা যেত !

আসুন ৫৭ বার কান্না করি আর ২৬ বার টুপ করে ফেলে দেই

11/08/2024

দলীয় পেটুয়া বাহিনীতে পরিণত করে রাষ্ট্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কিভাবে ধ্বংস করে দেয়া হলো তা থেকে ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছেন নিশ্চয় শিক্ষা নেবেন।

10/08/2024

বিপ্লবের নিকট ভবিষ্যতের প্রতিবিপ্লব চলছে ! গুজব, আতংক, পাল্টা হুমকি!
অবধারিত সত্য এসব
প্রতিবিপ্লব ঠেকাতে পারলেই টেকসই হবে বিপ্লব ।

10/08/2024

গত তিন দশক দেখছি ক্যাম্পাসে ছাত্র সংগঠনগুলো রাজনীতির নামে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ভিন্নমত দমনে পাশবিকতা চালানো তাদের মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়ায়। ওয়ার্ল্ড রেংকিং এর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এরকম ছাত্ররাজনীতি আছে? কোন বিশ্ব নেতা ছাত্ররাজনীতি করে নেতা হয়েছেন?

09/08/2024

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সেশনজটমুক্ত, শিক্ষা ও গবেষণা সমৃদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করতে চবি শিক্ষার্থীদের ১০ দফার সাথে মিলিয়ে আমার প্রস্তাবনা
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন, ওশানোগ্রাফি বিভাগ, চবি।

১) কোনো বিভাগে সেশনজট থাকতে পারবেনা ★ প্রতি বছর নভেম্বর মাসের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করতে হবে। ★চূড়ান্ত পরীক্ষার ৩ সপ্তাহ পূর্বে টিউটোরিয়াল, প্রেজেন্টেশন শেষ করতে হবে এবং ৪ সপ্তাহ পূর্বে PL দিতে হবে। ★ মৌখিক (ভাইবা) পরীক্ষা শেষ হবার ৭৫ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। ★ শিক্ষকদের পরীক্ষার খাতা গ্রহন করার তিন সপ্তাহের মধ্যে মার্কসসহ জমা দিতে হবে। ★ পরীক্ষার একই খাতা দ্বিতীয় পরীক্ষণের নিয়ম বাতিল করে প্রশ্নের ৫০% মার্কস A ও ৫০% মার্কস B অংশ করে আলাদা দুইটা খাতায় A ও B এর উত্তর লেখার ব্যবস্থা করতে হবে। দুই অংশ ২ জন শিক্ষকের কাছে পাঠিয়ে ৩ সপ্তাহের মধ্যে সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে রেজাল্ট তৈরি ও পাবলিশ করার সময়ক্ষেপণ কমে যাবে।

২) বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ভর্তি ফি,পরীক্ষা ফি সহ যাবতীয় আর্থিক লেনদেন অনলাইনে করার ব্যাবস্হা নিতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল, ট্রান্সক্রিপ্ট ও মার্কসীট অনলাইনে অটোমেশন পদ্ধতিতে প্রণয়নের ব্যবস্থা করতে হবে।

৩) আবাসিক হলগুলোতে Faculty Based Allotment দিতে হবে। কোনো প্রকার রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চলবে না। ক্যাম্পাসে কোন রাজনৈতিক দলের কিংবা নেতার পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন থাকতে পারবে না। ক্যাম্পাসে থাকবে বিজ্ঞানী, দার্শনিক ও কবি সাহিত্যিকদের উৎসাহবেঞ্জক বানী, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ, স্কলারশিপ এর পোস্টার, ব্যানার ইত্যাদি।

৪) বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনীতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

৫) শাটলে পাওয়ার কার যুক্ত করতে হবে। আমাদের ডেম্যু ট্রেন ফিরিয়ে দিতে হবে/ ট্রেনের সিডিউল বৃদ্ধি করতে হবে। ছাত্রীদের জন্য ও শিক্ষকদের জন্য ২/১টা আলাদা বগি ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষকদের ক্যাম্পাস ও শহরে যাতায়াতের জন্য সকালে শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে অফিস টাইম অনুযায়ী শুধুমাত্র একটা করে সিডিউল থাকবে।

৬) বিশ্ববিদ্যালয়কে "International Ranking" এ স্হান করে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় Research, Publications করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ, বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশী ছাত্রছাত্রী ভর্তি, দেশ বিদেশের বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ও গবেষক প্রয়োজনে চুক্তি ভিত্তিক/ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে করতে হবে। অনুষদ, লাইব্রেরী ও গবেষণা সেল এর মাধ্যমে নিয়মিত রুটিনমাফিক সেমিনার, ওয়ার্কশপ, কনফারেন্স ও ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষকদের গবেষণা প্রজেক্টে ছাত্রছাত্রীদের গবেষণা সহকারী (পেইড) এবং সিনিয়র শিক্ষকদের সাথে টিএ হিসেবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।

৭) "চাকসু" চালু করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে। রাজনৈতিক মতাদর্শে নির্বাচন করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে ক্লাস প্রতিনিধি নির্বাচন করবে ক্লাসের ছাত্রিছাত্রীরা, ক্লাস প্রতিনিধিরা বিভাগ/ইন্সটিটিউট প্রতিনিধি নির্বাচন করবে এবং বিভাগ/ইন্সটিটিউট প্রতিনিধিরা চাকসু ও হল প্রতিনিধি নির্বাচন করবে নির্বাচিতদের মধ্য হতে।

৮) বিভাগীয় একাডেমিক রুটিন অনুযায়ী ক্লাসে/পরীক্ষার হলে শিক্ষক যথাসময়ে ঢুকবেন, নির্ধারিত সময় পর্যন্ত উপস্থিত থেকে ক্লাস/পরিক্ষা শেষ করবেন। কারণবশত ক্লাস নিতে না পারলে রাতের মধ্যে CR দেরকে জানিয়ে দিবেন।

৯) ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে বহিরাগতদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ। জিরো পয়েন্ট ও ২ নং গেইটে নিরাপওা জোরদার করতে হবে। ক্যাম্পাসে অসামাজিক বেহায়াপনা ও অবাধে অসংলগ্ন মেলামেশা বন্ধ করতে হবে।

১০) সকল বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের জন্য একটা আলাদা কেন্দ্রিয় ল্যাব করার ব্যবস্থা করতে হবে যেখানে ন্যানোটেকনলজি থেকে শুরু করে রোবটিক্স, পরিবেশ, রসায়ন, সমুদ্র বিজ্ঞান ইত্যাদির সর্বাধুনিক ইনস্ট্রুমেন্টস, কেমিকেলস ও গবেষণার প্রয়োজনীয় ফেসিলিটিজ থাকবে। লাইব্রেরী ও ল্যাব ৭/২৪ ঘন্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

১১) এমফিল, পিএইচডি ও বিদেশী ছাত্রছাত্রী ও গবেষকদের জন্য আলাদা ডরমেটরী (পোস্টগ্রেড ডরমেটরী ও ইন্টারন্যাশনাল ডরমেটরী) করতে হবে।

১২) দেশে ও বিদেশে ছাত্রছাত্রীদের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ ও ট্রেনিংয়ে অংশ গ্রহনের জন্য ট্রাভেল কস্ট এর বাজেট রাখতে হবে

১৪) গত ১২ বছরে রাজনৈতিক পরিচয়ে ও ডিও লেটারে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকদের যাদের ব্যাপারে ক্লাসে পারফরমেন্স, গবেষণা নিয়ে আপত্তি আছে এবং এখনও উচ্চতর ডিগ্রী নিতে পারেন নাই তাদের তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণে অব্যহতি দিয়ে নতুন ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে

১৫) গত ১০ বছরে যেসকল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, বিশেষ করে চারিত্রিক, আচরণ, যৌন কেলেঙ্কারি ও রেজাল্ট টেম্পারিং এর অভিযোগ উঠেছিল, তাদের ব্যাপারে নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি করে বিচারের আওতায় আনতে হবে

১৬) যেসকল কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়মিত অফিস না করে সমিতি, কমিটি ও রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকে এবং ছাত্রছাত্রীদের সাথে অসদাচরন করে, নিরধারিত অফিস টাইমে ডেস্কে থাকেনা তাদের আইডেন্টিফাই করে চাকুরী হতে অব্বহতি দিতে হবে।

১৭) শিক্ষকদের লাল/সাদা/হলুদ/নীল ইত্যাদি দলাদলিতে নির্বাচন বা ইলেকশনের ব্যবস্থা বাতিল করে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পারফরমেন্স এক্সিলেন্স এর উপর ভিত্তি করে সকল পর্ষদে (ডিন, প্রভোস্ট, প্রক্টর, লাইব্রেরী, আইটি, রিসারস সেল, ষ্টেট, কলেজ পরিদর্শক ইত্যাদি) শিক্ষকদের দায়িত্ব দিতে হবে.

১৮) পিএইচডি, পিয়াররিভিউড জার্নালে নির্দিষ্ট সংখ্যক পাবলিকেশন্স এবং গবেষণা অভিজ্ঞতা ছাড়া ও রাজনৈতিক পরিচয়ে কিংবা ডিও লেটারে শিক্ষক নিয়োগ সম্পূর্ণ রুপে বন্ধ করতে হবে। শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ কমিটি সংশ্লিষ্ট নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ দিয়ে গঠন করতে হবে।

১৯) শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সমন্বয় ও মেলবন্ধনের সেতু হিসেবে শহরে "TSC" চালু করতে হবে। টিএসসি ফেসিলিটিজ তৈরি ও ব্যবস্থাপনা এলম্নাই এসোসিয়েশনের মাধ্যমে করার প্রস্তাব করছি।

২০) রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে করা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বা একাডেমিক বিল্ডিং এর নামকরণ পরিবর্তন করে বিশেষজ্ঞ, পন্ডিত, বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের নামে করতে হবে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বাংলা বসন্তে'র ২০২৪এর বৈষম্যমুক্তির যুদ্ধে যারা শহিদ হয়েছে তাদের সম্মানে বিশেষ করে চবির দুই বীর শহিদ এর নামে বর্তমানে/নিকট ভবিষ্যতে নির্মিত ভবনের নামকরণ ও তাদের জন্য সৃতি সৌধ করতে হবে ।

৯/৮/২০২৪

Photos from Blue Green Foundation Bangladesh's post 09/08/2024

অক্টোবর ২৯' ২০২২ বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ডক্টর Mohammed Kamal Uddin এর আয়োজনে Noman Ullah Baharসহ সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলোকিত শিক্ষাবিদ নোবেল বিজয়ী ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস স্যার ও উপদেষ্টা সদস্য ফারক-ই-আজম বীরপ্রতিক এর সাথে চট্টগ্রাম জিয়া জাদুঘর অডিটোরিয়ামে একটা প্রোগ্রামে থ্রী জিরো ক্লাব এর সেমিনারে বক্তব্য দিয়েছিলাম আমি ও আমার মেয়ে সামিহা সুলতানা জাহিন।
নোবেল শান্তি বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের তিনটি শূন্যের একটি বিশ্ব তৈরির দৃষ্টিভঙ্গি-শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ, দারিদ্র্যের অবসানের জন্য শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ এবং সর্বোপরি উদ্যোক্তা প্রকাশের মাধ্যমে শূন্য বেকারত্বের লক্ষ্য অর্জনের একটি উদ্যোগ।

সমুদ্র শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন 18/05/2024

সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ ও সংরক্ষণকে কাজে লাগিয়ে
জাতীয় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতেঃ
সমুদ্র শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন

সমুদ্র শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন সমুদ্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। মানুষ পৃথিবীর যেখানেই থাকুক না কেন, সমুদ্র মানুষের জীবনের প্রতিটি ....

Photos from Blue Green Foundation Bangladesh's post 12/06/2021
Photos from Blue Green Foundation Bangladesh's post 17/10/2020

বিজ্ঞানের সেরা হাতিয়ারঃ ডেটা বা তথ্য
(সমুদ্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা)

বিজ্ঞানীদের কাছে ডেটা হচ্ছে আবিষ্কারের জন্য সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টুল বা হাতিয়ার। ডেটা হল এমন এক হাতিয়ার যা অনুমান যাচাই এবং চলমান পরিক্ষীণসমূহ সম্ভব করে। তবে ভাল ফলাফল পেতে হলে যে কোনও সরঞ্জামের মতো ডেটাও সঠিকভাবে সংগ্রহ ও ব্যবহার করা জানতে হবে। ডেটা বা তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হয় তা জানা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, এটি সংগ্রহ করার পরে কীভাবে বিশ্লেষণ করা যায় তাও গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং,বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার জন্য ডেটা কেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কীভাবে ভাল ডেটা তৈরি করা যায় এবং কীভাবে ডেটা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয় তা আমাদের জানা অত্যন্ত জরুরী। তার আগে আমাদের সমুদ্র বিজ্ঞানীদের এটাও জানা দরকার যে, ডেটা সংগ্রহের ক্ষেত্রে কীভাবে নিরবিছিন্ন মহাসাগর পর্যবেক্ষণ উদ্যোগ একটা বিস্ময়কর চমক তৈরি করল।

বিজ্ঞান হচ্ছে পৃথিবী কিভাবে কাজ করছে তা উৎঘাটন করা । একজন বিজ্ঞানী যা নিয়ে ই কাজ করেন না কেন, উনি মূলত পৃথিবীকে ই দেখার বা বুঝার চেষ্টা করেন । পৃথিবীকে দেখতে হলে সবার আগে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন হল যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জামের যোগান। সুতরাং, বিজ্ঞানীরা আমাদের গ্যালাক্সির কৃষ্ণগহবর নিয়ে গবেষণা করুক অথবা মহাসাগরের ভাইরাস অনুসন্ধান করুক, সকল বিজ্ঞানীর ই মূল টার্গেট হল পৃথিবী কিভাবে পরিচালিত হচ্ছে দেখে তা বুঝতে পারা। মহাসাগর দেখার সর্ব প্রথম অভিযান করেছিলেন জন মরি এবং চার্লস অইভল থমসন ১৮৭২ সালে এইচএমএস চেলেঞ্জোর নামক গবেষণা জাহাজে বিশ্বসমুদ্র অভিযানের মাধ্যমে। এ সকল বিজ্ঞানীরা মহাসাগর প্রদক্ষিণ করেছিলেন, ওজন এবং দড়ি ব্যাবহার করে মহাসাগরের গভীরতা মেপেছিলেন, সমুদ্রতল থেকে কাদা ও প্রাণী তুলে এনেছিলেন, অসংখ্য রেকর্ড লিপিবদ্ধ করেছিলেন এবং প্রচুর ছবি এঁকেছিলেন। ১৮২৩ সালে যখন মেরী এনিং জীবাশ্ম দেখতে চেয়েছিলেন; তিনি হাতুরি, ব্যাগ ও নোটবুক নিয়ে ই উঁচু পাহাড়ের খাঁড়ি বেয়ে পাহাড়ে উঠেছিলেন এবং তিনিও অনেক ছবি এঁকেছিলেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল একটা সম্পূর্ণ প্লিজিওসর (লম্বা গলা যুক্ত সামুদ্রিক সরীসৃপ) যা তখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত-ই হয়নি। মেরীকুরি, ডারউইন, কেপলারসহ এধরনের সকল বিজ্ঞানী-ই তৎকালীন সময়ে সহজলভ্য সরঞ্জাম ব্যাবহার করে সে সময়ের তথ্য সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করে তাদের চারিদিকে পৃথিবীকে বুঝার চেষ্টা করেছিলেন। তারা যে সকল তথ্য, উপাত্ত্ব সংগ্রহ করেছেন, এঁকেছেন ও লিপিবদ্ধ করেছেন তার সবগুলো ই ছিল ডেটা।
আজকের পৃথিবীতে বিজ্ঞানীদের কাছে অসংখ্য উন্নত সরঞ্জাম রয়েছে যা দিয়ে তারা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারছেন আরও দ্রুত, সঠিক ও বিপুল পরিমানে। কিন্তু এখনও তারা একই কাজ ই করছেন, পৃথিবীটাকে দেখে ডেটা সংগ্রহ করছেন। পরিমাপ, নমুনা, ফটোগ্রাফ, অঙ্কন, এসব-ই ডেটা। বিজ্ঞানী হিসেবে মাঠে কিংবা ল্যাবে যেখানে-ই কাজ করুন না কেন, ডেটা সংগ্রহ-ই তাদের কাজের মূল উদ্দেশ্য। কারণ, ডেটা-ই পৃথিবী কে দেখার ও ছবি আঁকা সম্ভব করে দেয়। এ জন্য বলা হয় পৃথিবী কিভাবে কাজ করে তা ব্যাখ্যা করতে, নির্ভুল তত্ত্ব তৈরিতে ডেটা নিজে-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম হিসেবে কাজ করে ।
যে কোন সরঞ্জামের মত ডেটা কে ও সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। ডেটার ভুল ব্যাবহারে ভুল ছবি তৈরি হয়, যা ভুল সিদ্ধান্তে উপনীত করে। ডেটাকে সঠিক ভাবে ব্যাবহারের জন্য বিজ্ঞানীরা দুটো বিষয় বিবেচনায় আনেনঃ ডেটা কি ভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ডেটা কিভাবে পরজবেক্ষন, ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
সাগর মহাসাগর থেকে ডেটা সংগ্রহ সব সময় ই সমস্যা সংকুল। এর প্রধান কারণ সমুদ্র অনেক বিশাল এবং এটি সব সময় গতিশীল বা অস্থির। ১৮৭২ সালে বিজ্ঞানীরা চ্যালেঞ্জের জাহাজে ৪ বছর সমুদ্রে অভিযান করে নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টের ডেটা সংগ্রহ করেছিলেন এবং অপরিশোধিত ডেটা নিয়ে ফিরে এসেছিলেন। ১৮৭০ সাল পর্যন্ত মহাসাগরের কোন তথ্য ই জানা ছিল না। সুতরাং তৎকালীন সময়ে নেয়া নির্দিষ্ট সময়ের স্বল্প ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল ডেটা ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু যেহেতু সমুদ্র সব সময়ই প্রবাহমান, তাই সঠিকভাবে সমুদ্র কে বুঝতে হলে বা বিশেষ করে সময়ে সাথে সমুদ্র কিভাবে পরিবর্তিত হয় তা জানতে হলে অপেক্ষাকৃত মানসম্পন্ন, নিরবিচ্ছন্ন এবং ধারাবাহিকভাবে সংগ্রহ করা ডেটার কোন বিকল্প নেই। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অসামান্য উন্নতির ফলে সমুদ্র পর্যবেক্ষণের উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে বিপ্লবী সব সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি যা দিয়ে বিপুল পরিমাণের ডেটা সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা অ্যাটলান্টিক, প্যাসিফিক ও ভারতীয় মহাসাগরের নীচে আধুনিক উন্নত সরঞ্জামের সমাহার বসিয়ে ডেটা সংগ্রহ স্টেশন স্থাপন করেছেন যেগুলো অবিচ্ছিন্ন ভাবে সমুদ্র পর্যবেক্ষণ করছে ধারাবাহিক ভাবে। যেমনঃ স্বয়ংক্রিয় ডুবো রোবট, সৌর চালিত সেন্সর সিস্টেম বয়, ক্যাবল সংযুক্ত সী ফ্লোর সেন্সর সিস্টেম এবং ক্যামেরা যেগুলো বিদ্যুৎ ও ডেটাসহ কন্ট্রোল ষ্টেশনের সাথে সংযুক্ত। সুতরাং, সমুদ্রের মূল অংশ থেকে এখন ধারাবাহিক ভাবে তাৎক্ষণিক পানির তাপমাত্রা, সামুদ্রিক স্রোতের গতিবেগ ও গতিপথ, লবনাক্ততা, টারবিডিটি, সামুদ্রিক শৈবালের ঘনত্ব বা ক্লোরোফিলের উজ্জ্বলতার ডেটা সংগ্রহ হচ্ছে। এইসকল অত্যাধুনিক শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে ডেটা সংগ্রহের সবচেয়ে বিপ্লবী উন্নতি হল অবিচ্ছিন্ন ও প্রতি একক সময়ে আগের চেয়ে অনেক বেশী ডেটা সংগ্রহের সক্ষমতা । এসকল অবিচ্ছিন্ন ও ধারাবাহিক ডাটা ব্যাবহার করে সময়ের সাথে সমুদ্রের ট্র্যাক পরিবর্তনের পর্যবেক্ষণ সম্ভব হচ্ছে। এইচএমএস চ্যালেঞ্জেরে ৪ বছরে যে ডেটা সংগ্রহ হয়েছে তার চেয়ে ও অনেক বেশী ডেটা এখন প্রতিদিন সংগ্রহ হচ্ছে আরও বিশুদ্ধ ও উন্নত পদ্ধতিতে। অবিচ্ছিন্ন ও ধারাবাহিক এ বিশাল ডেটা ভাণ্ডার স্টোর ও বিশ্লেষণ করতে এখন বিজ্ঞানীরা ব্যাবহার করছেন উন্নত ও শক্তিশালী কম্পিউটার । যান্ত্রিক বুদ্ধিমত্তার উন্নত এসকল সরঞ্জাম এখন ক্লান্তিহীন ভাবে সপ্তাহের প্রতিদিন ২৪ঘণ্টা ই ডেটা সংগ্রহ, মজুত ও বিশ্লেষণ করছে, এমনকি সংক্রিয় ভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব করছে।
যে কারো ইন্টারনেট সংযুক্তি থাকলে, এসব ডেটার বেশীর ভাগ ই এক্সেস করতে পারে। তবে এসব ডেটা ব্যাবহার করতে জানা-ই এখন দুর্দান্ত যোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ। প্রশ্ন হচ্ছে বিপুল পরিমান ডেটা কিভাবে সামলাতে হবে ও ব্যাবহার করতে হবে?আর এটা ই হল ডেটা বিশ্লেষণের কৌশল! সাধারনত বিজ্ঞানীরা তিনটি ধাপে ই ডেটা বিশ্লেষণ করে থাকেনঃ ১। ওরিয়েন্টেশন বা সাজানো ২। ইন্টারপ্রিটেশন বা ব্যাখ্যা করা ও ৩। সিন্থেসিস বা সমন্নয় করা। ডেটা ওরিয়েন্টেশন বলতে বিজ্ঞানীদের টার্গেট অনুযায়ী ডেটা সুনির্দিষ্ট করে এবং তা কিভাবে, কখন, কোথায় থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে তা নিশ্চিত হয়ে টার্গেট টুলস ও টেকনিকে ব্যাবহার উপযোগী করে সাজানো কে বুঝায়। দ্বিতীয়ত, ইন্টারপ্রিটেশন বা ব্যাখ্যা করা মানে সাজানো ডেটা প্রাথমিকভাবে দেখে প্যারামিটার এর অবস্থা বিচার বিশ্লেষণ করা বিশেষ করে ডেটার ট্রেন্ড ও মেসেজ বুঝতে পারা, যেমন এটা কি বাড়ছে, নাকি কমছে? কি ভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে? কখন এবং কোন অবস্থায় পরিবর্তন লক্ষণীয় মাত্রায় হচ্ছে ইত্যাদি। চূড়ান্ত পর্যায়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার টার্গেট ও প্রাথমিকভাবে ডেটা ব্যাখ্যায় উদ্ভুদ ধারণার বিচার বিশ্লেষণ করে যথাযথ কারণ উদ্ঘাটন করাকে-ই সিন্থেসিস বলা হয়। সুতরাং, এভাবে পৃথিবী ও পৃথিবীতে চলমান সকল প্রাকৃতিক ঘটনপ্রাবাহ বুঝতে ডেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম হেসেবে কাজ করে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ একটি চলমান ও অসমাপ্ত প্রক্রিয়া। কারণ, নতুন তথ্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করে যে তত্ত্ব আবিষ্কার হচ্ছে তা আবার নতুন নতুন আইডিয়া, ধারণা ও উতসাহবেঞ্জক প্রশ্ন তৈরি করছে। এসব ধারণা ও প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আরও ডেটার প্রয়োজন হয়। আবার সে ডেটার ওরিয়েন্টেশন, ইন্টারপ্রিটেশন এবং সিন্থেসিস করতে হয়। এভাবে প্রশ্নের পর প্রশ্ন আর উত্তরের পর উত্তর খুঁজার যে অবিরাম প্রক্রিয়া তা ই গবেষণা। তাই চুরান্তভাবে বলা যায়, ডেটা হচ্ছে এমন এক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম যা শুধু নতুন নতুন হাইপোথিসিস তৈরি করে না, যাচাই বাচাই করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করতেও অবলম্বন হিসেবে কাজ করে। সুতরাং, বিজ্ঞানীরা তাদের তত্ত্ব বা মতবাদ পরিবর্তন পরিবর্ধন করে পরিমার্জন কিংবা সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পারে, যা দিয়ে আরও সঠিক চিত্র বা ছবি তৈরি করে পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নভাবে বুঝতে পারে প্রকৃতি ও পরিবেশ সত্যিকার অর্থে কিভাবে কাজ করছে। এ জন্য যথাযথভাবে বলা হয়ে থাকে যে ভাল ডেটা ছাড়া ভাল বিজ্ঞান করা যায়না ।
-----ডক্টর মোহাম্মাদ মোসলেম উদ্দিন, বিভাগীয় প্রধান, ওশানোগ্রাফি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


51/A Jamal Khan Road; PO: Ctg GPO; Postal Code:; PS: Kotwali
Chittagong
4000