09/06/2020
বিশ্বাস না হলে গুগলে সার্চ দেন
পৃথিবীর সবচেয়ে দামী দুইটা সফটওয়ার হচ্ছে Cry Engine (1.2m$), Unreal Engine 7,50,00$.
এই দুইটাই গেম বানানোর সফটওয়ার। বাংলাদেশের সাস্থ্য অধিদপ্তর কোনও ভার্চুয়াল গেইম বানাচ্ছে না এতটুকু নিশ্চিত আমি।
পৃথিবীর তৃতীয় দামী সফটওয়ারটা হচ্ছে New World System Public Administration (5,00,000$) বিভিন্ন দেশের সরকার এইটা ব্যাবহার করে।
এখন সাস্থ্য অধিদপ্তর যদি এই সফটওয়ারটাও কেনে, মানে কাস্টমাইজ করে ব্যাবহার করলেন। পাচটার দাম হয় ২৫ লাখ ডলার।
মানে ২১ কোটি টাকা।
কিন্তু আমাদের সাস্থ্য অধিদপ্তর ৫ টি সফটওয়্যার কিনছেন ৫৫ কোটি টাকা দিয়ে! এইটা শিওর উনারা এলিয়েনদের কাছ থেকে কিনছেন। পৃথিবীতে তো আর এত দামী সফটওয়্যার নেই।
একটা ওয়েবসাইট বানাতে প্লাটফর্ম, হোস্ট, ডিজাইন, ডেভলাপমেন্ট, ব্রান্ডিং, অয়েব এপস মিলিয়ে দুনিয়ার সবচেয়ে দামী রিসোর্স এবং ওয়েব এপ ব্যাবহার করলেও একেকটি সাইটে ১ লাখ ডলারের বেশি খরচ করার উপায় নাই। কোনভাবেই নেই! রকেট সাইন্স তো আর হচ্ছে না!
২ লাখ ডলার হিসেব করলেও তো, চারটা ওয়েবসাইটে ৮ লাখ ডলার। বাংলাদেশী টাকায় ৬.৫ কোটি টাকার মতন।
এখানে ৪ টি ওয়েবসাইট বানাতে সাস্থ্য অধিদপ্তরের খরচ হয়েছে ১০ কোটি টাকা!
স্বয়ং বিল গেটস কিংবা গোবেচারা এলন মাস্কও এত টাকা বিল করার সাহস করতো না!
আমরা নির্ঘাত এলিয়েন দিয়ে ওয়েবসাইট বানাচ্ছি। এর মধ্যে বাংলাদেশের সরকারি ওয়েবসাইটগুলোর মান নিয়ে কোনও মন্তব্য করার সাহস আসলেই পাচ্ছি না আমি। আপনারা ভালো জানেন।
আরো আছে ৩০ টা অডিও-ভিডিও ক্লিপ বানাতে ১১ কোটি টাকার বাজেট! আয়নাবাজি মুভি বানাতে খরচ হয়েছিল ১.৫ কোটি টাকা। একটা রিসোর্স থেকে পাওয়া, অনন্ত জলিলের নতুন মুভি "দিন-The Day" যেইটা ইরানের সাথে যৌথ প্রডাকশনে বানানো, মরক্কোতে শুটিং করা, সেটার আনুমানিক বাজেট ১০ কোটি টাকার চেয়ে কিছু বেশি।
ইনোভেশনে খরচ ৩৬ কোটি! এইটা একটা মজার জিনিস। ইনোভেশন করতে প্রয়োজন রিসার্চ। আমি আসলেই জানি না সাস্থ্য অধিদপ্তর ঠিক কি রিসার্চে ৩৬ কোটি টাকা খরচ করেছে। কেউ যদি জানেন জানাবেন।
বাকিগুলো নিয়ে আমার কোন জানাশোনা নেই, সেসব নিয়ে আমি কথাও বললাম না।
© Zadhid Ahmed