NexTop-USA (Higher Study in USA)

NexTop-USA (Higher Study in USA)

Share

An academic institute and free counseling center
for those who wants to make USA their
NEXT STOP FO We help make USA your next step for higher study in USA.

We are the first GRE coaching center in Chittagong and still the highest acclaimed academic center for GRE in this region. Our TOEFL program is rich with fantastic materials. We also provide best consultancy (for absolutely no charge) for higher study in USA.

01/01/2022

Happy new year to all dear NexTopians.

May this be the year in which your dream of higher study in USA comes true. All the best.

যে ৫ ফেসবুক গ্রুপে ভিনদেশে পড়ালেখার তথ্য পাবেন 11/08/2021

নেক্সটপের উল্লেখ প্রথম আলোতে। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে নিবেদিত গ্রুপগুলোর মধ্যে আমরাই সবচেয়ে বড় গ্রুপ।

গ্রুপ লিংক - fb.com/groups/nextop.usa

যে ৫ ফেসবুক গ্রুপে ভিনদেশে পড়ালেখার তথ্য পাবেন ফেসবুক গ্রুপগুলো শিক্ষার্থীদের মোটামুটি একটি ‘নেটওয়ার্ক’ তৈরি হয়ে যায়। ভিনদেশে পড়ছেন, এমন শিক্ষার্থীরা একদিক দ...

21/01/2021

The Department of Community Sustainability at Michigan State University is looking to admit a master’s student to work in a recently- NSF funded interdisciplinary project aimed at understanding the perceptions of hydropower dams in the US and Brazil and how those perceptions are shaped by experience, media exposure, and other information sources.

More specifically, they are looking to fund a student to work on a content analysis of news related to hydropower dams in the US, and with a focus on the state of Michigan.

The student will begin the Master’s program in the Community Sustainability department in Fall 2021, and will be provided a graduate research assistantship that covers stipend, tuition and health insurance.

The student should have a Bachelor’s degree in social science, environmental science, or journalism.

Qualifications:

Experience with content analysis is a plus, but not necessary.

Willingness to do fieldwork in Michigan (once Covid protocols permit it).

Excellent writing editing and verbal communication skills.

Self-driven and motivated to excel are qualities needed.



For more information, please contact Dr. Maria Claudia Lopez at [email protected]

02/01/2021

Happy new year to all NexTopians. May you win an assistantship+visa this Fall session.

25/06/2020

#নো_চিন্তা

ট্রাম্পের এক্সিকিউটিভ অর্ডারে কারা আক্রান্ত হবে, আর কারা হবে না, এই নিয়ে অনেকের চিন্তার কোনো শেষ নেই। আসুন, নিচের তালিকায় দেখে নিই।

**** কারা কারা আক্রান্ত হবে না?
যারা আমেরিকার বাইরে F1 বা J1 ভিসার জন্য অপেক্ষা করছেন।
যারা ইতোমধ্যেই F1, J1, H1B ভিসা নিয়ে আমেরিকায় আছেন।
জুনের ২২ তারিখের মধ্যে যারা আমেরিকার ভেতরে ছিলেন।
যারা আমেরিকার ভেতর থেকে অন্য কোনো ভিসা স্ট্যাটাস থেকে H1B ভিসার জন্য এপ্লাই করবেন।
জুনের ২২ তারিখের মধ্যে যাদের পাসপোর্টে ভিসা ছিলো, তারা বাইরে থাকলেও আবার আমেরিকাতে ঢুকতে পারবেন।

**** কারা কারা আক্রান্ত হবেন?
যারা আমেরিকার বাইরে H1B ভিসার জন্য অপেক্ষা করছেন।
কিছু কিছু ক্যাটাগরিতে যারা J1 ভিসার জন্য অপেক্ষা করছেন।
প্রাইমারি আর সেকেন্ডারি শিক্ষক প্রোগ্রামে যারা অংশ নিতে চান।
J1 ভিসার অধিকারীদের সঙ্গী আর সন্তান

তার মানে, যারা আমেরিকাতে পড়াশোনা করতে আসতে চান, তাদের কেউ আক্রান্ত হবেন না।

03/05/2020

পুষ্টিবিজ্ঞানের (Nutritional Sciences) শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রোফাইল উন্নত করবেন?

- নির্ঝর রুথ
=============================

যারা পুষ্টিবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডায় আসতে চান, তারা একটা ব্যাপার মাথায় রাখুন - দিন দিন পুষ্টিবিজ্ঞানের জগতে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। এই বিষয়ের উপর উচ্চশিক্ষা (মাস্টার্স/পিএইচডি) এখন শুধু পুষ্টিবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাই নেয় না, নেয় চিকিৎসক, নেয় স্নায়ুবিজ্ঞান কিংবা প্রাণরসায়নের ছেলেমেয়েরাও। এমনও দেখা গেছে, পুষ্টি বা খাদ্যবিজ্ঞানে ব্যাচেলর/মাস্টার্স করার সময় ঐ ভার্সিটিরই প্রফেসরদের সাথে যোগাযোগ করে ছেলেমেয়েরা সরাসরি মাস্টার্স/পিএইচডিতে ঢুকে যাচ্ছে। ফলে বাইরের আবেদনকারীদের জন্য প্রতিযোগিতা বেড়ে যাচ্ছে।

আবার, ধীরে ধীরে পুষ্টিবিজ্ঞানের সাথে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা একীভূত হয়ে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন Interdepartmental Program. যেমন Purdue University, University of Nebraska-Lincoln, North Carolina State University, Iowa State University-তে এই সুযোগ আছে। Michigan State University-তে Ph.D Dual Major Program (Food Science and Human Nutrition/Environmental Toxicology) আছে। এক্ষেত্রে আপনি একই সাথে দুটো বিষয়ের উপর পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করবেন। আবার Saint Louis University-তে Master of Public Health and Master of Science in Nutrition and Dietetics নামে Dual Degree Program আছে। এতে একই সাথে M.P.H./M.S. শেষ করতে পারবেন। এসব Interdepartmental Program-এ বিভিন্ন অনুষদের ছেলেমেয়েরা পড়তে আসে। তাই প্রতিযোগিতাটা যে ধীরে ধীরে কড়া হচ্ছে, এতে সন্দেহ নেই। তাই কীভাবে প্রস্তুতি নিলে, কী কৌশল অনুসরণ করলে প্রতিযোগিতায় একটু হলেও এগিয়ে থাকা যাবে, সেটা দেখি চলুন।

অতি সাধারণ কিছু কৌশল হল সিজিপিএ যতটা সম্ভব ভালো রাখা (বেশিরভাগ ভার্সিটিতে মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট ৩.০০ হলেও সিজিপিএ যত বেশি হবে, প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা তত সহজ হবে), জিআরই আর ল্যাংগুয়েজ টেস্টে ভালো স্কোর তোলা। এগুলোর পাশাপাশি যেসব কাজ আপনাকে এগিয়ে রাখতে পারে, সেগুলো নিচে দিলাম। এসব দক্ষতা না থাকলে বা এসব কাজ না করলে যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ একদমই পাবেন না, তা না। তবে এগুলো আপনাকে বাড়তি সুবিধা দেবে। এখনকার চরম প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এটাই দরকার।

১) প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়্যারের কাজ শিখে রাখা। যেমন, SPSS, SAS, R । SPSS হয়ত অনার্স/মাস্টার্সের গবেষণায় ব্যবহার করেছেন, কিন্তু ঠিকমত শিখেছেন তো? শেখাটাই আসল। একইভাবে SAS এবং R-এর উপর দখল থাকলে (জবরদস্ত না হলেও চলবে) সেটা প্লাস পয়েন্ট হবে। কারণ এসব সফটওয়্যার থিসিস বেইজড মাস্টার্স/পিএইচডির সময় লাগবে।

২) পেপার পাব্লিশ করা (একটা হলেও)। আপনি পুষ্টিবিজ্ঞানে থাকতে চান, বা পুষ্টিবিজ্ঞান থেকে সুইচ করে পাবলিক হেলথে (গণস্বাস্থ্য) যেতে চান, সবক্ষেত্রেই পাব্লিশড পেপার থাকা জরুরী। গণস্বাস্থ্যের অন্যান্য শাখার কথা বলতে পারছি না, কিন্তু যদি এপিডেমিওলজিতে (রোগতত্ত্ব) পড়তে চান, কমপক্ষে তিনটা পেপার পাব্লিশড থাকলে আপনি প্রতিযোগিতার লাইনে থাকবেন। নতুবা ছিটকে যাবেন। এসব পেপার হতে পারে রিভিউ পেপার (এটা কী জিনিস, সেটা সম্পর্কে জানতে পারবেন নিচের লিংক থেকে)।

পড়াশোনা শেষে পুষ্টি সংক্রান্ত চাকরিতে ঢুকতে পারলে তো ভালোই, না পারলেও বেকার অবস্থাটাকে কাজে লাগিয়ে মানসম্মত রিভিউ পেপার লেখার উদ্যোগ নিয়ে ফেলুন। আপনার যে বিষয়ের উপর গবেষণা করার ইচ্ছা, ঐ বিষয়ের উপর। এতে করে আবেদন পাকাপোক্ত হবে।

৩) বিভিন্ন সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ লুফে নেওয়া। আইসিডিডিআর,বি, ব্র্যাক, কেয়ার বাংলাদেশ বা এই ধরনের প্রতিষ্ঠান যারা গণস্বাস্থ্য/পুষ্টি নিয়ে কাজ করে এবং ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেয়, তাদের থেকে এই সুযোগ নেওয়া উচিৎ। টাকাপয়সা হয়ত পাবেন না, উল্টো দিতে হতে পারে। কিন্তু ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা পাবলিক হেলথ/নিউট্রিশনের উচ্চশিক্ষার জন্য বাড়তি পয়েন্ট দিবে।

৪) যে সুপারভাইজরের অধীনে আন্ডারগ্র্যাড বা মাস্টার্সের থিসিস করেছেন, পড়াশোনার পাট চুকিয়ে বের হবার পর উনাদের কোনো গবেষণার সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে পারেন কিনা, খোঁজ নিন। অথবা উনাদের মাধ্যমে অন্য কারো গবেষণার সাথে যুক্ত হওয়া। মোট কথা, গবেষণার অভিজ্ঞতা ভারী করা।

৫) পড়াশোনা চলাকালে ল্যাবরেটরির কাজগুলো খুব ভালভাবে শিখে ফেলা। কোষ বা প্রাণী সংক্রান্ত জটিল প্রক্রিয়া ল্যাবে শেখানো না হলেও অল্পকিছু যাই শেখানো হয় (ক্রোমাটোগ্রাফি, পুষ্টি উপাদান পৃথকীকরণ, ইত্যাদি), ভালমত শিখে ফেলুন। নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো।

৬) কোয়েশ্চেনিয়ার/সার্ভে (Questionnaire/Survey) তৈরি করার কাজে যুক্ত হতে পারেন কিনা, দেখুন। এর validity, reliability পরীক্ষা করে কীভাবে, এসব ব্যাপারে অভিজ্ঞতা থাকলে অনেক ভালো।

৭) Qualtrics, SurveyMonkey, Google Forms, ইত্যাদি সফটওয়্যারের সাথে জানাশোনা থাকা ভালো। এগুলো দিয়ে চট করে সার্ভে তৈরি করা যায়।

রিভিউ পেপারের সাধারণ ধারণাঃ http://websites.uwlax.edu/biology/ReviewPapers.html

[কারো মাথায় যদি আরও পয়েন্ট আসে, মন্তব্যের ঘরে লিখে দেওয়ার অনুরোধ রইল। আমি পোস্টে ক্রেডিটসহ যোগ করে দেব। ধন্যবাদ!]

06/03/2020

B-1/B-2 ভিসা ইন্টার্ভিউ: কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?

Written by: নির্ঝর রুথ
=================================

অনেকে সমাবর্তনে বাবা-মাকে নিয়ে আসতে চান। এজন্য উনাদের প্রয়োজন বি১/বি২ ভিসা বা বি২ ভিসা। বি১ হল বিজনেস ভিসা, বি২ হল পর্যটন ভিসা, বি১/বি২ হল বিজনেস/পর্যটন ভিসা। বি ক্যাটাগরির ভিসাগুলোকে বলে visitor visa (temporary, non-immigrant)। আমি বেশ কয়েকজনকে দেখেছি বাবা-মায়ের জন্য বি২-এর বদলে বি১/বি২ ভিসার আবেদন করতে। উনারা পেয়েও গিয়েছেন ভিসা। আমার মা এবং বাবাও বি১/বি২ ভিসার জন্য আবেদন করে ভিসা পেয়েছেন। তাই আমার সঠিক ধারণা নেই বি২-এর বদলে বি১/বি২ দিলে কখনো কোনো ঝামেলা হতে পারে কিনা। আজ বলব বাবা কীভাবে ভিসা পেলেন, সে ঘটনা। মা আগেই আলাদাভাবে আবেদন করে ভিসা পেয়েছিলেন।

আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিত সমাবর্তনে আসার জন্য বাবা ভিসার আবেদন করেছিলেন। আমাদের চিন্তা ছিল, সমাবর্তনের কথা বললে যদি ভিসা পাওয়াটা সহজ হয়! যদি তখন নাও আসতে পারেন, তবু তো ভিসাটা হয়ে থাকবে। ভিসা থাকলে সুযোগমত আসা যাবে। এজন্যেই সমাবর্তন মাথায় রেখে আবেদন করলাম। যুক্তরাষ্ট্রে বসে আমি DS160 ফর্ম পূরণ করে দিলাম। বাবা ২ বাই ২ ইঞ্চি ছবি তুলেছিলেন, সেটার সফট কপি ফর্মে জুড়ে দিলাম। ফর্ম সাবমিট করার পর যথারীতি কনফার্মেশন পেইজ এল। সেটা বাবা প্রিন্ট করে নিলেন। তারপর ইবিএল ব্যাংকে গিয়ে ভিসা ফি জমা দিলেন। ব্যাংক থেকে টাকা জমাদানের রিসিট নিলেন। একদম আপনি যা যা করেছেন, তাই। তারপর ভিসা ইন্টার্ভিউ করতে হয় যে ওয়েবসাইট থেকে, সেখানে গিয়ে আমি সুবিধামত একটা তারিখে ইন্টার্ভিউ স্কেজিউল করলাম। অনলাইনের সব কাজ আপনি যুক্তরাষ্ট্রে বসে করে দিতে পারবেন। এগুলো দেশ থেকে করতে হবে, তা না।

যেহেতু বাবা-মা দুইজনই আসবেন, তাই দুজনের আসা-যাওয়া, থাকা-খাওয়া, ঘোরাঘুরি সব মিলিয়ে আমরা সম্ভাব্য খরচ ধরেছিলাম ৮০০০ ইউএস ডলার। সে অনুযায়ী ফান্ড দেখানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (স্যালারি সার্টিফিকেট, ব্যাংক সল্ভেন্সি) যোগাড় করেছিলাম। এরপর একটা তালিকা বানালাম কী কী প্রশ্ন করতে পারে, তার। মজার ব্যাপার হল, আমি বাবার ইন্টার্ভিউও নিয়েছিলাম ওসব প্রশ্ন ধরে। একদম বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো আর কি। ইন্টার্ভিউয়ের দিন নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট নিয়ে বাবা হাজির হলেন ইউএস এমব্যাসিতে।

প্রবেশের জন্য যা যা নিয়েছিলেনঃ

* Original Passport with a six-month validity beyond expected arrival date in USA.
* All old passports.
* One colored photograph 2 X 2 inches square for each candidate, showing a full face, without covering the head, against a light background.
* DS160 US Visa application confirmation page.
* MRV fee receipt (Eastern Bank) to show payment of the visa application fee.
* Printout of US Interview appointment letter.
* National ID

নিজের বক্তব্যকে জোরদার করার জন্য সাক্ষাৎকারের সময় যা যা সাথে রাখতে পারেনঃ

* Travel itinerary (plane ticket), if any
* Proof of funds (bank statement, copy of passbook, any other proof of cash).
* Tax ID copy of last year’s tax documents.
* Children’s admission letter, assistantship contract.
* Letter of invitation from children or relatives.
* Leave of Absence Letter from employee
* If you are employed, get a letter of employment verification.
* সরকারী চাকুরেদের জন্য NOC নিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক কিনা, আমার জানা নেই।

আগে হয়ত ভার্সিটি থেকে সমাবর্তনের আমন্ত্রণ পত্র উঠানো যেত, কিন্তু এখন আর এই সিস্টেম নেই। তবুও যদি চান, নিজের আমন্ত্রণ পত্র লিখে দিতে পারেন। সেখানে সাধারণত লেখা থাকে, যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালে আপনার পিতামাতার থাকা-খাওয়াসহ যাবতীয় খরচ আপনি বহন করবেন। আমি অবশ্য যাবতীয় খরচের কথা লিখিনি। আমি দুই পয়সার কামলা। নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। তাই শুধু থাকা খাওয়ার কথা লিখেছিলাম। আমার এপার্টমেন্টে উনারা থাকবেন, খাবেন কিন্তু ঘোরাঘুরির খরচ সম্পূর্ণ উনাদের। বাবা-মায়ের উছিলায় আমাদের ঘোরা হবে, এটাই বাস্তবতা।

ইন্টার্ভিউয়ের জন্য বাবাকে যখন ডাকা হল, তখন শুধু একটা প্রশ্নই জিজ্ঞেস করল ভিসা অফিসার, “হোয়াই ডু ইউ ওয়ান্ট টু গো টু আমেরিকা?” এটা ছিল আমার তালিকার প্রথম প্রশ্ন। বাবা তো প্রশ্ন কমন পেয়ে পুরো মুখস্ত ঝাড়লেন, “আই ওয়ান্ট টু অ্যাটেন্ড মাই ডটার’স গ্র্যাজুয়েশন সিরিমনি।” অফিসার আর কোনো প্রশ্ন করলেন না। কলম আর কাগজ এগিয়ে দিয়ে বললেন, “প্লিজ রাইট ডাউন ইউর ডটার’স নেইম এন্ড ডেট অফ বার্থ।” বাবা চটপট লিখে দিলেন। এরপর অফিসার কম্পিউটারে খুটখাট করে ঘোষণা করলেন, “আপনার ভিসা অনুমোদন করা হল।” বাবা বিস্মিত। এত এত প্রশ্ন যে প্র্যাকটিস করলেন, কিছুই তো ধরল না! এত এত ডকুমেন্ট আনলেন, কিছুই দেখতে চাইল না।

আমি যতদূর জানি, বি১/বি২ ভিসা ইন্টার্ভিউয়ের সময় চাইলে বাংলা ভাষায় কথা বলা যায়। তাই ইংরেজি নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। আমিও বাবাকে বলে রেখেছিলাম যেন প্রশ্ন বুঝতে সমস্যা হলে বাংলায় ইন্টার্ভিউ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু মাত্র একটা প্রশ্নের উপর দিয়ে যাওয়ায় ভাষা নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়নি।

Q: Why are you going to the U.S.?

Q: What does your daughter/son do?

Q: What does your daughter/son do for a living?
Note: Memorize the designation and name of company. Show proof of studentship and admission-related papers at this point, ONLY if asked.

Q: How much does your daughter/son earn?
Note: Carry financial documents to support your answers. Show proof of stipend, ONLY if asked.

Q: Where does your daughter/son work?
Note: Memorize the name of the company.

Q: What program is your daughter/son in?

Q: What is your daughter/son going to do after her graduation?

Q: How long has your daughter/son been in the US?

Q: When did your daughter/son go to US?

Q: Which visa is your daughter/son and daughter/son-in-law on?

Q: What visa did your daughter/son enter the U.S. on?

Q: Is your daughter/son married?

Q: Does your daughter/son have any children?

Q: Is your daughter/daughter-in-law pregnant?

Q: When did your daughter/son last visit Bangladesh?

Q: When does your daughter/son plan to visit Bangladesh next?

Q: What does your son-in-law/daughter-in-law do?

Q: Have you been to the U.S. before?

Q: Do you have relatives in the US?
Note: Do not give details of other relatives unless they ask first.

Q: Who is going to sponsor your visit?

Q: Where will you stay in the US?
Note: Memorize the address. It should correspond to the one on your visa application.

Q: Will your wife/husband accompany you on your trip?

Q: When do you plan to travel?

Q: Why do you want to travel at that time?

Q: What are you going to do in the US?

Q: What is the purpose of your trip?

Q: Have you booked your tickets?

Q: Do you have return air tickets, medical insurance etc.?

Q: How much expense do you expect from this trip?

Q: Have you been outside Bangladesh before?

Q: Where did you go?

Q: Is this your first visit to US?

Q: What places do you want to visit?

Q: How long will you stay in the US?

Q: Why do you want to stay for so long?

Q: What is the guarantee that you will come back?
Note: Be prepared for this question. Have papers (property; financial, job related) to prove it.

Q: When did you last see your daughter/son?

Q: Where do you stay in Bangladesh?

Q: What work do you do and where?

Q: What is your job profile?

A: Give job details, responsibilities etc.

Q: How much do you earn/ What is your annual income?
Note: Carry financial documents to support your answers.

Q: Did you take leave from your office/institution?
Note: Show leave certificate.

Q: Your income is not enough to support international travel. What do you plan to do?
Note: Carry appropriate documents. Sponsor’s salary certificate, bank balance, Provident fund, etc.

Q: What assets/property do you have in Bangladesh?
Note: If you have property or immovable assets in Bangladesh, do mention them during the interview – it will be seen as a reason to return.

Q: Who will take care of your property in Bangladesh while you are gone?

Q: Can I see your Business/visiting card?

Q: Do you have a credit card?

Q: Will you work in the US?

Q: How many children do you have? where are they? What do they do? Are they married?

Q: What is your daughter/son’s birth date?

Q: When is your daughter/son’s wedding anniversary?

Q: Can you tell me your daughter/son’s contact details?
Note: Make sure your answers correspond with details given on visa documents.

Q: Show me your financial documents.

Source: https://www.immihelp.com/us-visitors-visa-interview-sample-questions-answers/

সামনে যারা দাঁড়াবেন, সবার জন্য শুভ কামনা।

05/03/2020

অন-ক্যাম্পাস ইন্টার্ভিউয়ের প্রস্তুতি

Written by: নির্ঝর রুথ
=======================

অন-ক্যাম্পাস ইন্টার্ভিউ নিয়ে আমার কোনো ধারণা ছিল না। হালকা নাম শুনেছিলাম বটে, কিন্তু এটা কী এবং কেন আয়োজন করে, সে সম্পর্কে জানতাম না। এক সুন্দর দুপুরে A ভার্সিটি থেকে আমাকে ইমেইল দিয়ে জানাল, ওরা অন-ক্যাম্পাস সাক্ষাৎকার নিতে চায়, সেখানে যেতে পারব কিনা। ঐ সাক্ষাতকারে অ্যাডমিশন কমিটির শর্ট লিস্টে থাকা সবাই আসবে। ওদের সাথে আমার পরিচয়, কথাবার্তা হওয়ার একটা সুযোগ এটা। অনুষদের ফ্যাকাল্টি এবং বর্তমান গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ করারও সুযোগ দেওয়া হবে। ক্যাম্পাস ঘুরানো হবে, সৌজন্যমূলক খাওয়া দাওয়া হবে, ইত্যাদি। এত আয়োজন দেখে আমার মাথা ঘুরে গেল। আমি কি ফাইরবো ঠিকঠাক সামাল দিতে? যা হোক, বলে দিলাম আমি যেতে খুবই আগ্রহী। এরপর ওরা বলল, আমার থাকা-খাওয়া-আসা-যাওয়া সবকিছু ওরাই কভার করবে। শুরু হল অন-ক্যাম্পাস সাক্ষাৎকার নিয়ে আমার চুলচেরা বিশ্লেষণ। অন্তরজালে যত প্রবন্ধ আছে, সব পড়ে ফেললাম। বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কারো এরকম অভিজ্ঞতা আছে কিনা। অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী নিজেদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করলেন। সেখান থেকে কিছু পয়েন্ট টুকে নিলাম। তারপর সবকিছু মিলিয়ে নিজের মত করে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করলাম।

আমি যতদূর বুঝেছি, অনেক ভার্সিটি তাদের টপ লিস্টেড আবেদনকারীদের নিজ খরচে ক্যাম্পাসে নিয়ে যায়। ডিপার্টমেন্টের সাথে মুখোমুখি সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করে। এরপর একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসে, ওকে অ্যাডমিশন দেওয়া হবে কিনা। অনলাইন ইন্টার্ভিউয়ের (স্কাইপ, যুম) চেয়ে এটা আমার কাছে বেশি পীড়াদায়ক লেগেছে। কেন লেগেছে, পরে বলছি। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত আবেদনকারীদের অন-ক্যাম্পাস ইন্টার্ভিউয়ের জন্য উড়িয়ে নিতে দেখেছি। সঠিক জানি না, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে আবেদনকারীদের নিয়ে আসে কিনা।

প্রথমে বলে নিই আমাকে কীসের ভিতর দিয়ে যেতে হয়েছিল। এতে হয়ত একটু ধারণা আসবে অন-ক্যাম্পাস সাক্ষাৎকারে কী কী পর্যায় থাকতে পারেঃ
১) ৮ জন প্রফেসরের সাথে সাক্ষাৎকার। তিনজন ছিলেন আমার স্টেটমেন্ট অফ পারপাসে উল্লিখিত ফ্যাকাল্টি, বাকিরা ছিলেন অ্যাডমিশন কমিটির সদস্য।
২) ক্যাম্পাস টুর
৩) বর্তমান পিএইচডি স্টুডেন্টদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং খাওয়া দাওয়া
৪) নির্দিষ্ট কয়েকজন পিএইচডি স্টুডেন্টদের সাথে রাতের খাওয়া এবং কিছু প্রেজেন্টেশন দেখা
৫) একজন পিএইচডি স্টুডেন্টের থিসিস ডিফেন্স দেখা
৬) অনুষদের ভাইস চেয়ারের বাসায় রাতের খাবার খাওয়া
৭) শেষ দিন শহরের ভেতর ছোট্ট একটা টুর

আমি যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম
======================

১) আমি ধরে নিয়েছিলাম, বিমানবন্দর থেকে আমাকে পিক আপ করতে এসেছে যে পিএইচডি স্টুডেন্ট, তার সাথে দেখা হওয়ার সাথে সাথেই আমার ইন্টার্ভিউ শুরু। হয়ত তাকে জিজ্ঞেস করবে আমার আচরণ কেমন ছিল, মিশতে পেরেছি কিনা ওর সাথে। তাই যতবার যতজন আমাকে পিক করতে এসেছে (হোটেল থেকে অনুষদে, অনুষদ থেকে হোটেলে, অনুষদের এক রুম থেকে আরেক রুমে), ততবার আমি স্বতঃস্ফূর্ত থাকার চেষ্টা করেছি। গল্প করার চেষ্টা করেছি। প্রোগ্রাম, লেখাপড়া, গবেষণা, জীবন - সবকিছু নিয়েই গল্প করেছি। যে আইটিনেরারি দিয়েছিল, সেখানে লেখা ছিল কোন কোন পিএইচডি স্টুডেন্টের সাথে আমার দেখা হবে। আমি ওদের প্রোফাইল সম্পর্কে ওয়েবসাইট থেকে পড়ে গিয়েছিলাম। ফলে ওদের গবেষণা, আগ্রহ ইত্যাদি নিয়ে কথা বলতে সমস্যা হয়নি।

২) প্রফেসরদের বেলায়ও একই কাহিনী করেছি। সবার প্রোফাইল ঘেঁটে, সবার আগ্রহ আর গবেষণা মাফিক নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন রেডি করে নিয়েছিলাম। প্রতিটা ইন্টার্ভিউয়ের সময় আমার হাতে ছিল প্রিন্ট করা কাগজ। সেখানে ছিল প্রফেসরের প্রোফাইল আর উনাকে যেসব প্রশ্ন করব, সেগুলো। সব প্রশ্ন তো মনে থাকে না, তাই কাগজ দেখে দেখে প্রশ্ন করেছিলাম।

৩) আমার লক্ষ্য কী, উদ্দেশ্য কী, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য আমি কী কী পদক্ষেপ নিয়েছি বা নিচ্ছি, ভবিষ্যৎ গবেষণার সাথে সম্পর্কিত কোর্সওয়ার্ক করা আছে কিনা, কীভাবে অমুক অমুক বিষয়ের উপর আমার আগ্রহ জন্মাল, কীভাবে পিএইচডি ক্যারিয়ারে সফল হওয়া যায়, পিএইচডি করার জন্য কী কী দক্ষতা বা গুণ লাগে, ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর অনুশীলন করে গিয়েছিলাম।

৪) যে তিনজন প্রফেসরের সাথে আমার কাজ করার ইচ্ছে, উনাদের সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা করে গিয়েছিলাম। আবেদন করার আগে উনাদের যেসব ইমেইল দিয়েছিলাম, স্টেটমেন্টে যা লিখেছি, সব ঝালিয়ে নিয়েছিলাম। যখন উনাদের সাথে কথা বলার সুযোগ এল, সবকিছু মিলিয়ে আড্ডা দিলাম। আমার কিছু আইডিয়া শেয়ার করলাম, উনাদের বর্তমান গবেষণা নিয়ে প্রশ্ন করলাম। মোট কথা, আগ্রহ দেখালাম।

৫) যারা অ্যাডমিশন কমিটির সদস্য হিসেবে আমার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই সবার সাথে আমার গবেষণার আগ্রহ মিলেনি। তাই উনাদের বেলায় প্রোগ্রাম নিয়ে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করেছিলাম। সাথে এই প্রশ্ন সবাইকে করেছিলাম, “একজন পিএইচডি স্টুডেন্টের মধ্যে আপনি কোন কোন গুণ দেখতে চান?”। অ্যাডমিশন কমিটির সদস্যরা আমাকে ৪ নাম্বার পয়েন্টে উল্লিখিত প্রশ্নগুলোই ঘুরে ফিরে ধরেছিলেন। অনেকে পাব্লিকেশন নিয়ে পেঁচিয়েছেন, অনেকে রিসার্চ পেপার কীভাবে লিখতে হয় সেটা নিয়ে। আলাপ কোথা থেকে কোথায় যাবে, আগে থেকে বুঝা যায়নি। আমি স্রোতের সাথে গা ভাসিয়েছিলাম, স্মার্ট থাকার চেষ্টা করেছিলাম, তাৎক্ষণিক উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। একজন প্রফেসর বলেছিলেন, “আমি তোমাকে একাডেমিক বা পেশাগত কোনো প্রশ্ন করব না। তুমি আমাকে বল, একজন মানুষ হিসেবে তুমি কেমন। কোন জিনিসটা তোমাকে আনন্দ দেয়, কোনটা দেয় কষ্ট।” আমার কোনো প্রস্তুতি ছিল না এমন প্রশ্নের জন্য। তারপরও যথাসম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

৬) ডিনার বা লাঞ্চে আপনার এটিকেট দেখতে পারে। তাই খাওয়ার পাশ্চাত্য আদব কায়দাগুলো (কীভাবে ছুরি-কাঁটাচামচ ধরে, কীভাবে ন্যাপকিন কোলের উপর বিছায়, ইত্যাদি) শিখে নেওয়া ভালো। ভাইস চেয়ারের বাসায় যখন খেতে গিয়েছিলাম, তখন সেটা ছিল ইনফর্মাল পার্টি। রসিকতা, হই হুল্লোড় চলছিল। ঐ পরিবেশে আপনি কতটুকু খাপ খাইয়ে নিতে পারছেন, এটা দেখাও একটা পয়েন্ট হতে পারে। আমি মোটামুটি সবার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছি, তবে সেটা যেন জোর করে আরোপিত মনে না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য ছিল। সবসময় মানুষ বকবক করতে পারে না। আমিও অনেক মুহূর্তে কথা বন্ধ রেখে বিশ্রাম নিয়েছি, অন্যদের কথা শুনেছি। কিন্তু সেটা যেন ‘অন্যদের এড়িয়ে চলা’ মনে না হয়।

৭) বর্তমান পিএইচডি স্টুডেন্টরা যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে আগ্রহী থাকে। তাই যত প্রশ্ন আছে, সব ওদের করে ফেলুন। একই প্রশ্ন প্রফেসরদেরও করতে পারেন। আমি কিছু কিছু প্রশ্ন দুই পক্ষকেই করেছি। এতে ভালো ধারণা হয়েছে বিষয়টা নিয়ে।

৮) একজন আমাকে বলেছিলেন, উনারা পিএইচডি স্টুডেন্টের মধ্যে কোলাবোরেশন বা সহযোগিতার মনোভাব দেখতে চান। টিমওয়ার্ক ব্যাপারটা পিএইচডির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ইন্টার্ভিউয়ের সময় উনারা আপনার সবার সাথে মিশতে পারা, কথা বলতে পারা, হাস্যোজ্জ্বল থাকা – ইত্যাদি বিষয় খেয়াল করতে পারেন।

৯) আপনাকে যদি কেউ পিক আপ করতে আসে, তাহলে অবশ্যই সময়মত দেখা করুন। কাউকে অপেক্ষা করিয়ে রাখবেন না।

১০) পোশাকের স্বাধীনতার ব্যাপারে নিশ্চিত জানি না, তবে প্রফেশনাল পোশাক পরাটাই নিরাপদ।

১১) আই২০, পাসপোর্ট, টিকেট, হোটেল রিজারভেশনের প্রিন্ট আউট ছাড়া আর কোন ডকুমেন্ট নিইনি। তবে এয়ারলাইন্সের অ্যাপ নামিয়ে নিলে প্রিন্টেড টিকেটও লাগে না। মোবাইল থেকে বোর্ডিং পাস দেখানো যায়। হোটেলেও শুধু নাম জিজ্ঞেস করে রুমের চাবি দিয়ে দিয়েছিল, রিজারভেশনের প্রিন্ট দেখাতে হয়নি। তবুও নিরাপদ থাকার জন্য ডকুমেন্ট নিয়েছিলাম।

ফ্যাকাল্টিরা বারবার বলেছেন, আমাদের সিভি-স্টেটমেন্ট-রিকোমেন্ডেশন লেটার উনাদের দেখা হয়ে গেছে। অন-ক্যাম্পাস ইন্টার্ভিউয়ের সময় উনারা দেখতে চান, আমরা উনাদের প্রোগ্রামের জন্য কতখানি ফিট। মানে বেস্ট ফিট কিনা। আমার কাছে মনে হয়েছে, উনারা এইসব বিষয় খেয়াল করেছেনঃ

১) আমি কীভাবে সবার সাথে মিশছি, নতুন কারো সাথে introduced হওয়া শুরু করে কথা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা কেমন, সবার সাথে আমার ব্যবহার কেমন (চুপচাপ ধরনের, নাকি হাসিখুশি)। সম্ভবত উনারা আমার কোলাবোরেটিভ নেচার বুঝতে চাচ্ছিলেন।
২) প্রফেসরদের সাথে মিথস্ক্রিয়া কেমন ছিল, নাকি উনারাই একটানা কথা বলছেন,
৩) গবেষণা নিয়ে আমার মোটিভেশন কেমন পর্যায়ের, ক্যারিয়ার নিয়ে কতদূর চিন্তা করেছি।
ডিস্ক্লেইমারঃ লেখাটা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে বর্ণিত। অন্যদের অভিজ্ঞতা আলাদা হওয়া খুব স্বাভাবিক। তাই এই লেখাকে ধ্রুব সত্য ধরে নেবেন না, প্লিজ।

21/02/2020

যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তিচ্ছু Food & Nutrition-এর শিক্ষার্থীদের জন্য

লিখেছেনঃ নির্ঝর রুথ
=======================================

আমাদের দেশ থেকে যে হারে ইঞ্জিনিয়ারিং বা কেমিস্ট্রিতে পড়া ছেলেমেয়েদের বিদেশ যেতে দেখি, খাদ্য ও পুষ্টিতে পড়া ছেলেমেয়েদের সেভাবে দেখি না। আমি নিজে যখন আমেরিকায় পুষ্টির জন্য চেষ্টা করছিলাম, হাতে গোনা মাত্র ৬/৭ জনকে পেয়েছিলাম যারা পুষ্টির উপর আমেরিকায় গ্র্যাজুয়েট লেভেলের পড়াশোনা করছেন। আরও অনেকে হয়তো আছেন, কিন্তু আমি খুঁজে পাইনি। যা হোক, পোস্টটা খাদ্য ও পুষ্টির স্টুডেন্টদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য যে, সুযোগ তাদের জন্যেও আছে। সত্যি বলতে কি, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়ায় খাদ্য ও পুষ্টির জন্য অনেক সুযোগ আছে। ইন্টারনেটে খুঁজলেই পাওয়া যাবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় যারা খাদ্য ও পুষ্টির উপর মাস্টার্স আর ডক্টরাল ডিগ্রি দিচ্ছে। তবে আমার পোস্ট শুধু আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে যেহেতু অন্য দেশ সম্পর্কে আইডিয়া খুব কম।

আমেরিকান ভার্সিটিগুলোয় খাদ্য ও পুষ্টির প্রোগ্রামকে তিনটা ভাগে ভাগ করা যায়ঃ

১) যেসব ভার্সিটিতে খাদ্য ও পুষ্টির উপর শুধু ব্যাচেলর তথা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির অফার আছে, মাস্টার্স/ডক্টরাল ডিগ্রি তথা গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির অফার নেই।

২) যেসব ভার্সিটিতে শুধু ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স ডিগ্রির অফার আছে, ডক্টরাল ডিগ্রির নেই।

৩) যেসব ভার্সিটিতে ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং ডক্টরাল – তিন ধরনের ডিগ্রিরই অফার আছে।

যেসব ভার্সিটিতে ডক্টরাল ডিগ্রির অপশন আছে, সেসব ভার্সিটিতে মাস্টার্সে ফুল ফান্ড পাওয়া বেশ কঠিন হয়। কারণ পিএইচডি স্টুডেন্টদের পিছনে বেশিরভাগ ফান্ড চলে যায়। তাই আপনার যদি মাস্টার্স করার টার্গেট থাকে, তাহলে যেসব ভার্সিটিতে মাস্টার্স পর্যন্ত অপশন থাকে, সেগুলোই বেশি নিরাপদ হবে। কারণ তখন ফান্ডের মূল ভোক্তা হয় মাস্টার্সের স্টুডেন্টরা। তবে দৃশ্যটা ১০০% এরকমই হবে, তা নয়। এটা একটা জেনারেল আইডিয়া। অ্যাডমিশন এতটা সরলরৈখিকভাবে চলে না। তাই ডক্টরাল ডিগ্রির অপশনওয়ালা কোনো ভার্সিটির মাস্টার্স প্রোগ্রাম আপনার পছন্দ হয়ে গেলে 'ফান্ড পাবো না। এপ্লাই করে লাভ কী?' ভেবে সরে গেলে চলবে না। মাস্টার্সে ফান্ড পাওয়ার সম্ভাবনা কেমন, সেটা যাচাই করার বেশ কিছু উপায় আছে। যেমন, ভার্সিটির ওয়েবসাইটেই লেখা থাকে মাস্টার্সে অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ (Graduate Assistantship, Graduate Teaching Assistantship, Graduate Research Assistantship) দেওয়া হয় কিনা, অ্যাডমিশন হলে কী পরিমাণ ফান্ড দেওয়া হবে ইত্যাদি। এছাড়া প্রফেসরদের নক করে জিজ্ঞেস করা যায় তাঁরা অমুক সেশনের জন্য মাস্টার্সে স্টুডেন্ট নিতে আগ্রহী কিনা। আগ্রহী হলে ধরে নেওয়া যায়, উনাদের হাতে দেওয়ার মত ফান্ড আছে। ফান্ড না থাকলে সাধারণত প্রফেসররা সরাসরি বলে দেন যে, তাঁরা স্টুডেন্ট নিবেন না। আবার অনেকে বলতে পারেন, তাদের হাতে ফান্ড নেই তবে আপনার প্রোফাইল পছন্দ হওয়ায় তাঁরা ডিপার্টমেন্টে আপনাকে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের জন্য রেকমেন্ড করবেন। সেক্ষেত্রে আপনার Graduate Assistantship/Graduate Teaching Assistantship পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আবার আপনি গ্র্যাজুয়েট কোঅরডিনেটরকে আপনার প্রোফাইল পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারেন, প্রোফাইলটা অ্যাডমিশন এবং ফান্ড পাওয়ার উপযুক্ত কিনা। উনার উত্তর থেকেও আপনি পরিস্থিতি আঁচ করতে পারবেন।

এখন আসুন, ইউএসএর ৩০০০ ভার্সিটির মধ্যে কীভাবে খুঁজে পাবেন কোন ভার্সিটিগুলোতে খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞানের উপর গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির অফার আছে সে বিষয়ে। খুব সোজা, গুগলে সার্চ দিলেই হয়। কিন্তু তারপরও আপনাদের কাজ সহজ করার জন্য আমি কয়েকটা লিংক দিতে পারি।

প্রথম লিঙ্কটা American Society for Nutrition-এর লিংক, যেখানে প্রতিটা স্টেটের কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞানের উপর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট + গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির অফার দেয়, তাদের তালিকা আছে। দ্বিতীয় লিঙ্কটা USDA প্রদত্ত লিংক, যেখানে বিভিন্ন স্টেটের নাম আছে। স্টেটের নামের উপর ক্লিক করলে আপনি চলে যাবেন ঐ স্টেটের কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞানের উপর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট + গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির অফার দেওয়া হচ্ছে, সে তালিকায়। তবে কোনো লিংকই শুধুমাত্র গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির উপর ভিত্তি করে বানানো হয়নি। আপনাকে কষ্ট করে ভার্সিটির ওয়েবসাইটে ঢুকে ঢুকে বের করতে হবে, কোন ভার্সিটি কোন ধরনের ডিগ্রি অফার করে।

১) https://nutrition.org/meetings/graduate-program-directory/

২) https://www.nal.usda.gov/…/college-and-university-nutrition…

৩) http://www.blueskysearch.com/pages/agriculture-universities

একটা নির্দিষ্ট ভার্সিটির নির্দিষ্ট প্রফেসরের কাছে আমেরিকান সরকারের দেওয়া ফান্ড আছে কিনা, সেটা জানার একটা মোক্ষম ওয়েবসাইট লিংকঃ

NIH Awards by Location and Organization - NIH Research Portfolio Online Reporting Tools (RePORT)

কিছু ভার্সিটির Nutrition প্রোগ্রাম প্রচণ্ড রকমের প্রতিযোগিতামূলক এবং হাইফাই র‍্যাংকিংয়ের। হাইফাই প্রোফাইল ছাড়া এগুলোতে সুযোগ পাওয়া অনেক কঠিন। যেমনঃ Harvard University, Cornell University, Johns Hopkins Center for Human Nutrition, University of California, Berkeley, University of California, Davis, Boston University, Purdue University, Tufts University, University of Illinois at Urbana-Champaign, University of Massachusetts, Amherst, University of Wisconsin - Madison, Texas A&M University, College Station, Pennsylvania State University, University of Maryland, College Park ইত্যাদি।

তাই উচ্চশিক্ষার পথে প্রথমেই যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেটা হল, নিজের প্রোফাইল মূল্যায়ন করা। CGPA, GRE score, IELTS/TOEFL score, রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স, রিলেটেড ফিল্ডে চাকরির অভিজ্ঞতা, পাবলিকেশন, সেমিনার এবং কনফারেন্সে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা, পড়াশোনার বাইরে অতিরিক্ত ট্রেনিংয়ের অভিজ্ঞতা, টিচিংয়ের অভিজ্ঞতা ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে আপনার প্রোফাইল তৈরি হয়। সবগুলো বিষয়ই যে আমেরিকার ভার্সিটিতে সুযোগ পাওয়ার জন্য অত্যাবশ্যক, এমনটা নয়। তবে যত বেশি পয়েন্ট আপনার ঝুলিতে থাকবে, প্রোফাইল তত শক্তিশালী হবে।

এখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মিডল র‍্যাংকের ভার্সিটিগুলোয় কোনোরকম পাবলিকেশন ছাড়া শুধুমাত্র CGPA, GRE score, IELTS/TOEFL score, রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স এবং স্টেটমেন্ট অফ পারপাসের উপর ভিত্তি করে ফান্ডসহ (ফুল কিংবা পারশিয়াল) অ্যাডমিশন হওয়া সম্ভব। তাই আপনার প্রোফাইল বিচার করে ভার্সিটি সিলেক্ট করা অত্যন্ত জরুরি।

প্রতিটা ভার্সিটির ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের জন্য 'Minimum Requirements' দেওয়া থাকে। সেগুলো দেখে বুঝা যায়, ঐ ভার্সিটিতে এপ্লাইয়ের জন্য আপনার প্রোফাইল কতোটা উপযুক্ত। তবে মনে রাখা দরকার, Minimum Requirements পূরণ করতে পারলেই যে অ্যাডমিশন হয়ে যাবে, ব্যাপারটা এমন না। যাদের প্রোফাইল Minimum Requirements পূরণ করার পরও আরও হাইফাই, তাদেরই সুযোগ বেশি অ্যাডমিটেড হওয়ার। তাই নিরাপদ হল প্রোফাইল অনুযায়ী কিছু 'খাপে খাপ' ভার্সিটিতে এপ্লাই করা, এবং প্রোফাইলের চেয়ে একটু নিচের দিকের কিছু ভার্সিটিতে এপ্লাই করা। চাইলে এগুলোর পাশাপাশি প্রোফাইলের চেয়ে একটু উপরের সারির ভার্সিটিতেও এপ্লাই করতে পারেন। এতে করে এপ্লিকেশন প্রসেসটা ব্যালান্সড হবে।

এখন আসি খাদ্য ও পুষ্টির বিভিন্ন কনসেন্ট্রেশনের উপর। অনেক ধরনের মেজর আপনি দেখবেন ভার্সিটি ঘাঁটাঘাঁটির সময়। যেমন, নিউট্রিশনের মেজরের মধ্যে আছে Biochemical & Molecular Nutrition, Community Nutrition & Health Promotion, Clinical nutrition, Medical Dietetics, Nutraceuticals, Nutrition & Exercise, Maternal, infant and child nutrition, Phytochemicals and disease risk, Obesity/health promotion across lifespan, Nutrition and genetics, Bone health, Dietary effects on GI regulation, Sports nutrition ইত্যাদি।

আবার ফুডের মেজরের মধ্যে আছে Food Science, Food acceptability, Food Science & management, Food Science & Technology, Food safety & defense, Food process engineering ইত্যাদি।

যদি নিউট্রিশন বা ফুড সায়েন্স বাদ দিয়ে পাবলিক হেলথ নিয়ে পড়তে চান, তাহলে এপ্লিকেশন প্রসেডিওর আলাদা হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাবলিক হেলথের জন্য SOPHAS-এর মাধ্যমে এপ্লাই করতে হয়। এসব বিষয়ে ভার্সিটির ওয়েবসাইটে বিস্তারিত লেখা থাকে। পাবলিক হেলথের উপর মাস্টার্স এবং ডক্টরাল – উভয় ডিগ্রিই দেওয়া হয়।

মেজর কনসেন্ট্রেশন বাছার জন্য আপনার আন্ডারগ্র্যাড এবং গ্র্যাড কোর্সগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সাথে ল্যাবরেটরি এক্সপেরিয়েন্সও থাকা জরুরি। যেমন, Nutrition and genetics নিয়ে পড়তে চাইলে আন্ডারগ্র্যাডে জেনেটিক্সের উপর পড়াশোনা থাকতে হবে; সাথে cell, model organism, and animal model নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি। আবার Nutrition & Exercise নিয়ে পড়তে চাইলে আন্ডারগ্র্যাডে Exercise Science নিয়ে পড়াশোনা থাকতে হবে ইত্যাদি। তবে এসব রিকোয়ারমেন্ট ক্ষেত্রবিশেষে শিথিল হতে পারে।

প্রফেসরকে যদি কনভিন্স করা যায় যে, আপনার এসব অভিজ্ঞতা নেই কিন্তু সুযোগ পেলে আপনি দ্রুত এগুলো শিখে নিতে পারবেন, কিংবা আপনার ভেতর এসব বিষয়ের উপর কাজ করার তীব্র ইচ্ছে রয়েছে এবং দ্রুত এগুলোতে দক্ষ হওয়ার মত পটেনশিয়াল আপনার আছে, তাহলে অ্যাডমিশন হওয়া অসম্ভব কিছু না। আরেকটা ব্যাপার হল স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (Statement of Purpose/SOP)। এখানে যুক্তি দিয়ে আপনাকে বুঝাতে হবে, কেন প্রয়োজনীয় রিকোয়ারমেন্ট না থাকা সত্ত্বেও আপনি এই প্রোগ্রামের জন্য নিজেকে যোগ্য ক্যান্ডিডেট মনে করছেন। দুর্বলতাকে ঢেকে দিতে হবে নিজের সামর্থ্যের বর্ণনা দিয়ে।

কিছু ভার্সিটি Interdepartmental Nutrition Program পরিচালনা করে। এক্ষেত্রে নিউট্রিশন ডিপার্টমেন্ট একা নয়, বরং আরও কয়েকটা ডিপার্টমেন্ট মিলে নিউট্রিশন প্রোগ্রামে অংশ নেয়। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট থেকে কিছু কোর্স নিতে হবে। Purdue University, University of Nebraska-Lincoln, North Carolina State University, Iowa State University ইত্যাদিতে এই সুযোগ আছে। আবার Michigan State University-তে Ph.D Dual Major Program (Food Science and Human Nutrition/Environmental Toxicology) আছে। এক্ষেত্রে আপনি একই সাথে দুটো বিষয়ের উপর পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করবেন। আবার Saint Louis University-তে Master of Public Health and Master of Science in Nutrition and Dietetics নামে Dual Degree Program আছে। একই সাথে M.P.H./M.S. শেষ করতে পারবেন।

কিছু ভার্সিটিতে নিউট্রিশন ডিপার্টমেন্টের অধীনে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর বেশ কিছু স্পেশালাইজড ল্যাবরেটরি আছে। যেমন, University of Alabama at Birmingham, University of Georgia, Texas Tech University ইত্যাদিতে। আবার অনেক ভার্সিটিতে এরকম বিষয়ভিত্তিক আলাদা ল্যাবরেটরি নেই, কিন্তু তাই বলে সেখানে ভালো রিসার্চ চলে না, এমনও নয়। সেসব জায়গায় প্রফেসরভিত্তিক নির্দিষ্ট ল্যাবরেটরি থাকতে পারে। তাই খুব সূক্ষ্মভাবে বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে দেখতে হয়। লিংকগুলোতে দেওয়া প্রতিটা ভার্সিটিতে ঢুঁ মারুন, হাতে বেশি অপশন পাবেন।

যারা দেশের বাইরে নিউট্রিশনে পড়াশোনা করছেন, তারা যদি কোনো তথ্যের সংশোধনী দিতে চান বা নতুন তথ্য যোগ করতে চান, কমেন্ট সেকশনে সেটা উল্লেখ করলে খুশি হবো!

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


166/168, College Road, Chawkbazaar
Chittagong

Opening Hours

Monday 14:00 - 21:00
Tuesday 14:00 - 21:00
Wednesday 14:00 - 21:00
Thursday 14:00 - 21:00
Friday 14:00 - 21:00
Saturday 14:00 - 21:00
Sunday 14:00 - 21:00