Faruksir ICT CARE

Faruksir  ICT CARE

Share

Md. Omar Faruk,
Lecturer,
Department of ICT,
Hazera-Taju Degree College

20/04/2025

৫০টি ফ্রি AI
এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।

১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

12/03/2025

প্রোগ্রামিং শিখে: জব/ইন্টার্ন ছাড়াও আর কী কী করা যায়?

[ যদিও একটা সময় পরে মোটামুটি সবাইকে জব/ইন্টার্ন এ যেতে হবে। কিছু না কিছু একটা করে ফ্যামিলি চালাতে হবে। তারপরেও হাতে বাড়তি সময় থাকলে, শরীরে বাড়তি তেল থাকলে জব/ইন্টার্ন ছাড়াও আরো অনেক কিছুই করা যায়। আমি কয়েকটা উদারহণ দিচ্ছি। ]

1️⃣ স্টার্টআপ, বিজনেস, এন্টারপ্রেনারশিপ
এখনকার দিনে বেশিরভাগ স্টার্টআপই টেকনোলজি রিলেটেড স্টার্টআপ। সেগুলাতে এপ লাগে, ওয়েবসাইট মাস্ট লাগে, সফটওয়্যার লাগে। আর তাই বিজনেস ইন্টারেষ্ট আছে এমন প্রোগ্রামাররা দ্রুত আইডিয়া থেকে বিজনেস স্টার্ট করে দিতে পারে। অন্যদিকে নন-টেকনিক্যাল ফাউন্ডারদের টেকনিক্যাল কো-ফাউন্ডার খুঁজে পেতে প্রচুর প্যারা খেতে হয়।

তবে খেয়াল রাখতে হবে: শুধু প্রোগ্রামিং জানলে অটো বিজনেস হয়ে যাবে না। বরং প্রোগ্রামিং, বিজনেস থিংকিং, লাক, এবং লম্বা সময় লেগে থাকার একটা কম্বিনেশন লাগে।

2️⃣ Competitive প্রোগ্রামিং ও কনটেস্ট
বেশিরভাগ ভালো প্রোগ্রামাররা প্রোগ্রামিং কনটেস্ট করে করে প্রোগ্রামিং জগতে দক্ষ হয়ে উঠে। তাই যাদের হাতে ৩-৪ বছর কষ্ট করার মতো সময় আছে। বিশেষ করে CSE ফার্স্ট-সেকেন্ড ইয়ারের স্টুডেন্টদের আমি রিকমেন্ড করি প্রব্লেম সলভিং ট্রাই করতে।

শুরুটা করতে পারো বেসিক প্রোগ্রামিং, ডাটা স্ট্রাকচার, এলগরিদম শিখতে শিখতে বিগিনার ফ্রেন্ডলি কনটেস্ট দিয়ে। কয়েকমাস করার পর অনলাইন প্লাটফর্মগুলাতে কনটেস্ট দেয়া শুরু করতে পারো। CodeChef Starters, Codeforces Div 3 & 4 দেখতে পারো। তারপর সিরিয়াসলি কম্পিটিশন করতে থাকলে একটা সময় পরে International Olympiad in Informatics (IOI) বা ভার্সিটি লেভেলে গিয়ে ICPC এর কথা চিন্তা করতে পারো।

দুনিয়ার সবাইকে কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামার হওয়া লাগবে না। তবে হাতে সময় থাকলে চেষ্টা করে দেখা উচিত।

3️⃣ হ্যাকাথন (Hackathons)
বাইরের দেশে হ্যাকাথন অনেক বেশি জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও হ্যাকাথন এর সংখ্যা বাড়তেছে। কয়েকজন মিলে হ্যাকাথন এ একটানা একদিন-দুইদিন বা তার কম-বেশি সময় কোন একটা জিনিস ডেভেলপ করার চেষ্টা করার মধ্যে একটা আনন্দ আছে। চ্যালেঞ্জ আছে। এবং পুরস্কার পাওয়ার সুযোগও আছে। তার চাইতে বড় বিষয় হচ্ছে প্রেসারের মধ্যে কাজ করার একটা ইউনিক অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। ফিউচারে অনেক কাজে লাগে।

কেউ কেউ তাদের বিজনেস আইডিয়ার ফার্স্ট ভার্সন হ্যাকাথন এ বানিয়ে ফেলে।

4️⃣ওপেন সোর্স কন্ট্রিবিউশন:
ওপেন সোর্স বলতে বুঝায়-- সফ্টওয়ার এর কোড ওপেন থাকবে। অর্থাৎ যেকেউ কোড দেখতে পারবে। চাইলে কোড যোগ করতে পারবে। অর্থাৎ কন্ট্রিবিউট করতে পারবে। বেশিরভাগ ভালো ভালো ওপেন সোর্স প্রজেক্ট এ দুনিয়ার সেরা সেরা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গা থেকে কন্ট্রিবিউট করে। তাই ভালো ওপেন সোর্স প্রজেক্ট এ কন্ট্রিবিউট করার মাধ্যমে একজন প্রোগ্রামারের কোয়ালিটি ফুটে উঠে।

যদিও ওপেন সোর্স কন্ট্রিবিউট করে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফ্রি সোয়াগ, টাকা বা ডোনেশন পাওয়া যায়। তারপরেও ওপেন সোর্স কন্ট্রিবিউশন অনেকটা প্রোগ্রামিং কমিউনিটি সম্মান, শেখা, কমিউনিটিতে কন্ট্রিবিউশন এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে খুব কাজে লাগে।

একদম বিগিনারদের জন্য GitHub-এ ‘good first issue’ খুঁজে বের করে ছোটখাট বাগ বা ডকুমেন্টেশন এর সিম্পল কিছু মোডিফিকেশন দিয়ে দিয়ে শুরু করতে পারো। এছাড়া অক্টোবর এ Hacktoberfest- নামক ওপেন সোর্স এর একটা মেলা হয়। সেটাতে যোগ দিয়ে ফাটাফাটি পরিমানে ওপেন সোর্স কন্ট্রিবিউশন করে ফেলতে পারে অনেকেই।

5️⃣শখ ও প্যাশন প্রোজেক্ট
জাস্ট শখের কারণে কেউ কেউ গেম, মোবাইল এপ, ওয়েবসাইট, ইত্যাদি বানিয়ে ফেলে। এমনকি কেউ কেউ শখের বসে ছোট খেলনা রোবট বানায়, IOT দিয়ে অটোমেটিক কিছু একটা করে ফেলে, হয়তো রুমে ঢোকার সাথে সাথে অটোমেটিক ভাবে ফ্যান চলা শুরু হবে। বা রুম থেকে বের হয়ে গেলে লাইট-ফ্যান অফ হয়ে যাবে। কিংবা নিজে নিজেই স্মার্ট একটা ডাস্টবিন বানিয়ে ফেললো। যেটার উপরে হাত দিলে সেটা অটোমেটিকভাবে খুলে যাবে। কিংবা একটা নিদৃস্ট সময় পর পর গাছে পানি অটোমেটিকভাবে দিবে। ভয়েস কমান্ড দিয়ে AI কোন টুলস বানিয়ে ফেললো। মনের আনন্দে ব্লাড ডোনেশন এর ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেললো। কিংবা ক্যাম্পাসের জন্য কোন একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেললো।

এমন অনেক শখ আর ফান হিসেবে অনেক প্রজেক্ট করে ফেলতে পারে প্রোগ্রামাররা।

6️⃣বিজনেস কম্পিটিশন
বেশিরভাগ বিজনেস কম্পিটিশন এ ওয়েবসাইট বা এপ দরকার পড়ে। তাই প্রোগ্রমাররা কয়েকজন মিলে বা একজন প্রোগ্রামার তার সাথে বিজনেস মাইন্ডেড কারো সাথে টিম গঠন করে বিজনেস কম্পিটিশন এ চলে যেতে পারে। মজা আছে। লার্নিং আছে। এবং জিতলে পুরস্কারও আছে।

7️⃣ ডিজিটাল প্রোডাক্ট: themes, templates, plugins
গত কয়েক দশক ধরেই বাংলাদেশের অনেকেই এই কাজ করে আসতেছে। অনেকগুলা মার্কেটপ্লেস (ThemeForest, CodeCanyon, TemplateMonster) এ থিম, প্লাগইন বিক্রি করে অনেকে বিজনেসও দাঁড় করিয়ে ফেলছে। আবার নিজে নিজে ব্যক্তিগতভাবেও অনেকেই ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন, শপিফাই প্লাগইন, ওয়েবসাইট টেমপ্লেট ইত্যাদি বানিয়ে ফেলে।

8️⃣ শিক্ষার্থী জীবন ও দৈনন্দিন কাজ Automate করুন
আমাদের সবার লাইফেই অনেক কিছু দরকার হয়। একজন ভালো প্রোগ্রামার তাই লাইফের টুকিটাকি অনেক কিছু অটোমেশন করে ফেলতে পারো। এতে মজা হয়। সেটা হতে পারে: লম্বা লেকচার নোট summarize করা। রেজাল্ট বা কোন এনাউন্সমেন্ট আসছে কিনা: সেটা অটোমেটিক চেক করা। দ্রুত ভিসা ফর্ম সাবমিট করা। I am sorry মেসেজ এক হাজারবার পাঠাতে হবে– এগুলা অটোমেটিক করা। ইত্যাদি ইত্যাদি।

9️⃣কনটেন্ট ক্রিয়েশন: প্রোগ্রামিং টিচার
হাজার হাজার প্রোগ্রামার আছে যারা YouTube কোডিং টিউটোরিয়াল বানাচ্ছে । পরিচিতি পাচ্ছে, আবার চা-নাস্তার পয়সাও পাচ্ছে। আবার কেউ কেউ ব্লগ লিখে → Medium, quora -এর মতো প্ল্যাটফর্ম গুলাতে। কেউ কেউ টিচার বা মেন্টর হিসাবে বিভিন্ন প্লাটফর্ম এ জুনিয়রদের শেখানোর কাজ করে।
এছাড়া বিভিন্ন কলেজ, ভার্সিটিতে শিক্ষক হওয়ার একটা বিষয়তো আছেই।

🔟 Research
যারা CSE রিলেটেড রিসার্চ করে তাদের বেশিরভাগের তো প্রোগ্রামিং লাগেই। এর বাইরেও অন্য ডিপার্টমেন্টের অনেকেরই রিসার্চ এর ডাটা কালেকশন, ডাটা প্রসেসিং, রিপোর্টিং, ইত্যাদি কাজে প্রোগ্রামিং দরকার হয়ে পড়ে। হয়তো মেডিকেল ফিল্ডের কেউ ক্যান্সারের ডাটা নিয়ে রিসার্চ করতেছে কিংবা ফার্মাসিটিউক্যাল, এমনকি লার্জ সাইজের ফিনান্সিয়াল ডাটা নিয়ে কাজ করার সময় প্রোগ্রামিং জানার দরকার পড়ে

1️⃣1️⃣ Bug Bounty, security vulnerabilities
বিভিন্ন ওয়েবসাইট যেমন HackerOne, Bugcrowd, Synack, Intigriti এর মতো সাইটে তুমি বিভিন্ন সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইট এ সত্যিকারের ইস্যু খুঁজে বের করতে সেগুলা ফিক্স করার সাজেশন দিলে পুরস্কার হিসেবে কিছু টাকা পাওয়া যায়। কেউ যদি খুব ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বা ভালো Ethical Hacker হয় তাহলে অনেক টাকা উপার্জনও করতে পারে।

1️⃣2️⃣ Freelance
প্রোগ্রামিং রিলেটেড, বা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং রিলেটেড ফ্রিল্যান্সিং কাজ নিয়ে বেশি বলবো না। এইটা নিয়ে আরো বেশি জানতে চাইলে রাজুতে আসেন

উপরের কোনটাই সহজ না। আবার কোনটাই অসম্ভব না।

15/04/2024

১. কথা হজম করতে শিখুন, এটা অনেক বড় গুণ- আপনাকে জিততে সহায়তা করবে! কথা না বাড়িয়ে নীরবে কাজ করে যান; আপনার কাজই আপনার হয়ে কথা বলবে। মন খারাপের কারণ অতীত আর টেনশন-এর কারণ ভবিষ্যৎ। তারচেয়ে বরং বর্তমানকে উপভোগ করুন; আনন্দে বাঁচুন!

২. ঠেকতে ঠেকতে সোজা সরল ভালো মানুষটিও বুঝে যায়- কে তাকে সত্যিকারের ভালোবাসে আর কে তাকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে? আপনার সামনে যিনি আপনার প্রশংসা আর অন্যের সমালোচনা করেন, একটু পরেই তিনি অন্যের কাছে আপনাকে নিয়ে একই কাজ করবেন!

৩. পরম সমালোচনাকারী হচ্ছে- যিনি প্রতিনিয়ত আপনাকে আর্শীবাদ করেন ‘একজন’ হয়ে উঠার জন্য...! সমালোকেরা নিঃসন্দেহে আপনার ভালো বন্ধু- বিনা পয়সায় ভুল ধরিয়ে দিতে সর্বদা তৎপর থাকেন... তাঁদের কখনোই অবহেলা করবেন না! আপনি বরং বিনয়ী হোন, মানুষকে সম্মান করুন ও গুরুত্ব দিন; সবকিছু বহুগুণ হয়ে আপনার কাছেই ফেরত আসবে!

৪. কেউ যদি আমায় ঈর্ষা করে, আমি খুবই খুশি হই। কারণ আমি বুঝতে পারি যে, আমি সঠিক কাজটাই করছি! আপনার কাজ বা কথা নিয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করল না, তার মানে আপনি সঠিক জায়গায় পৌঁছতে পারেননি!! মানুষের জনপ্রিয়তার মাত্রা নির্গত হওয়া উচিত তার শত্রু ও সমালোচকের সংখ্যার ভিত্তিতে!!!

৫. জিততে হলে কখনো কখনো হারতে হয়। আজকের হারই হয়ত ভবিষ্যতে বড় বিজয় এনে দেবে। কখনো বোকার সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না- এটা সময়ের অপচয়! সম্ভব হলে আপনি অন্যদেরকে জিতিয়ে দিন, জিতে গেছে ভেবে কেউ যদি খুশি হয়, আপনিও নীরবে একটুখানি হেসে নিন। অন্যের সুখে সুখী হতে পারলে আপনিই মহাসুখী!

৬. চিতা বাঘ কখনো কুকুরের সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না। আপনি যে চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন। হয়ত অনেক কিছু পারেন; তবে দরকার নেই তা বলে বেড়ানোর। নীরবে কাজ করে যান... যার প্রয়োজন তিনি আপনাকে ঠিকই খুঁজে নেবেন। তবে অযোগ্য কাউকে টেনে উপরে তুললে সে-ই এক সময় উল্টো আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রতিশোধ নেবে!

৭. আপনি দুনিয়ার কাউকে বদলাতে পারবেন না, শুধু নিজেকে ছাড়া। আপাতত সেটাই করুন- নিজেকে বদলে ফেলুন; আর অন্তত দুজন অসহায় মানুষকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করুন। সবাই এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে কাজ করলে চারপাশের দুনিয়া এমনিতেই বদলে যাবে!

৮. আপনার চিন্তা-ভাবনার ওপরে যারা আস্থা রাখতে পারে না, তাদেরকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন- এটাই আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী ও আস্থাভাজন করে তুলবে; স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

৯. জীবনের পরীক্ষায় অনেকেই হেরে যান কারণ তারা অন্যকে copy করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাদের আসলে জানা নেই- প্রত্যেকের প্রশ্নপত্রটাই আলাদা! কোথায় জন্মেছেন- সেটা আপনার নিয়তি; কোথায় পৌঁছাবেন- সেটা আপনার কর্মফল!

১০. আজকে থেকে ঠিক ৯৯৯ দিন পরে আপনার অবস্থান কোথায় হবে- সবকিছুই নির্ভর করছে এখন কাদের সঙ্গে মিশছেন আর কী কী বই পড়ছেন, তার ওপর!

১১. কোনো কথা শোনামাত্রই যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না। কেননা মিথ্যা কথা সব সময়ই সত্যের চাইতেও তীব্রতর। প্রমাণের ঝামেলা নেই বলে মিথ্যে কথা ও গুজব দ্বিগুণ গতিতে ছোটে। কিন্তু সত্যটা প্রমাণ করতে যথেষ্ট সময়ক্ষেপণ ও বেগ পেতে হয়!

১২. জীবনটা বড্ড ক্ষণস্থায়ী, ভালো করারই সময় কম। মন্দ কাজ করার সুযোগ কই? ভালো মানুষ সাজার ভান না করে ভালো মানুষ হয়ে গেলেই তো হয়!

১৩. আপনার স্বপ্ন নিয়ে কেউ যদি হাসা-হাসিই না করে, তবে বুঝে নেবেন- লক্ষ্যটা খুব ছোট হয়ে গেছে! আবার স্বপ্ন পূরণে বেশি কালক্ষেপণ করলে অন্য কেউ সেটা বাস্তবায়ন করে নিজের বলে চালিয়ে দিতে পারে..! তবে যে স্বপ্ন বাস্তবায়নের শুরুতেই অন্যের সহযোগিতা নিতে হয় অর্থাৎ নিজে এগিয়ে নিতে পারেন না- সেই স্বপ্ন দেখবেন না।

১৪. কেউ কেউ ইতিহাস গড়েন, বাকিরা সেই ইতিহাস পড়ে পরীক্ষায় পাস করেন! বিখ্যাত মানুষের সঙ্গে সেলফি তুলে পোস্ট না দিয়ে এমন কাজ করুন, যাতে অন্যেরা আপনার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক গণমাধ্যমে পোস্ট করে।

১৫. মানুষ মাটি দিয়ে তৈরি, মাটিজাত খাবার খেয়ে বাঁচে, মৃত্যুর পরে আবার মাটিতেই মিশে যাবে; তার কি অহংকার ও রাগ করা সাজে? মানুষের গ্রহণযোগ্যতা কখনো ফেসবুক-এ লাইক-এর সংখ্যা দিয়ে যাচাই করা যায় না; মৃত্যুর পর উনার জানাজায় ক’জন হাজির হলেন- সেটাও দেখার বিষয়!

১৬. সুস্থ দেহ+প্রশান্ত মন = উপভোগ্য জীবন। শরীরের সুস্থতার জন্য চাই পরিমিত খাদ্যাভ্যাস আর মনের প্রশান্তির জন্য চাই রুচিশীল পাঠ্যাভ্যাস।

১৭. জ্ঞানীরা বলেন কেননা তাঁদের কাছে বলার মতো কিছু কথা আছে; আর মূর্খরা বলেন কেননা তাদেরও কিছু বলতে ইচ্ছে করে! কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার আগে অন্তত তাঁর সমান যোগ্যতা অর্জন করে নিতে হয়...!

১৮. যে কাজের জন্য বিবেক প্রশ্নবিদ্ধ করে, সে কাজ থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। যা কিছু পেয়েছেন, তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন, ধৈর্যধারণ করুন… ভবিষ্যতে আরো ভালো দিন আসবে!

১৯. প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মাঝে যে সমন্বয় ঘটাতে পারে, সে-ই প্রকৃত সুখী। হবে না, পারবো না, আমার কপালে নেই কথাগুলো প্রায়ই বলে থাকি। কিন্তু মজার ব্যাপার- নিজেকে জিজ্ঞেস করলে যে উত্তর পাওয়া যাবে, তা কিন্তু একেবারেই উল্টো। আমি পারবো, আমাকে দিয়েই হবে- এই শক্তি অন্তরে লুকিয়ে থাকে, জীবন যুদ্ধে শক্ত হাতে হাল ধরতে পারাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নেতিবাচক ভাবনার টানুন ইতি, বেড়ে যাবে জীবনের গতি!

২০. মস্তিষ্ক কখনো অলস সময় কাটাতে পারে না, সর্বক্ষণ কিছু না কিছু চিন্তা করবেই। মজার ব্যাপার হলো- আপনি যখনি আগের চিন্তা ডাউনলোড করে ফেলবেন (অর্থাৎ কাগজ-কলম নিয়ে লিখে ফেলবেন এবং কাজে প্রয়োগ করবেন), মস্তিষ্ক কেবলমাত্র তখনি নতুন কিছু ভাববার সুযোগ পায়, নচেৎ আগের চিন্তাটাই মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। কোনো একটা চিন্তা কাজে পরিণত না করে মাথায় নিয়ে বসে থাকলে নতুন চিন্তা মাথায় আসে না (ঢোকার জায়গা পায় না)। কোনো পরিকল্পনাই গ্রহণযোগ্য নয়, যতক্ষণ না সেটি বাস্তবায়িত হচ্ছে…! তাই মাথায় যত বুদ্ধি আসে, যত দ্রুত সম্ভব কাজে লাগান; হয় লাভ হবে নইলে অভিজ্ঞতা হবে! অর্জন হিসেবে কোনোটাই মন্দ নয়।

২১. পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই- যা করলে জীবন ব্যর্থ হয়। জীবন এতই বড় ব্যাপার যে একে ব্যর্থ করা খুবই কঠিন! যারা কোনোকালেই কিছু করবে না- তারাই কেবল বলে অসম্ভব। এ জগতে মানুষের কাছে অসম্ভব বলে কিছুই নেই- থাকতে পারে না। এ পৃথিবীতে অসম্ভব বলে যদি কিছু থাকে, সেটা আছে কেবল মূর্খ ও অলসদের অভিধানে!

সংগ্রাহক :

Photos from Ashraful Alam Nobel Patowary's post 24/03/2024
04/02/2024

⭐ সফলতার ১৫টি সূত্রঃ

১. আজ থেকে পাঁচ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কী ধরনের বই পড়ছেন, কোন ধরনের মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন সেটার উপর।

২. এডিসন বলেন, সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম আর ৫% অনুপ্রেরণার ফল।

৩. যে ব্যক্তি পড়তে পারে কিন্তু পড়ে না আর যে ব্যক্তি পড়তে পারে না দুই-ই সমান।

৪. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোন কথা বলার আগেই একজনের সাথে সাক্ষাত হওয়ার তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা হয়ে যায়। We never get a 2nd chance to make the first impression.

৫. আপনি কী অর্জন করেছেন, সাফল্য মাপার মানদন্ড সেটা নয় বরং আপনি পড়ে যাওয়ার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।

৬. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও খারাপ।

৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। কারণ প্রত্যেকটা পরাজয়ের সাথে ব্যক্তি তার আত্ম-মূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা পরবর্তী পরাজয়ের কারণ।

৮. পরাজিতরা কোন কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে। তারা কখনই কোন কিছু ঘটাতে পারে না।

৯. যে সবকিছু তৈরি পাওয়ার জন্য তৈরি, সে জীবনে কিছু করতে পারে না। সফল ও ব্যর্থ উভয়ের দিনই ২৪ ঘন্টায়।

১০. NO মানে একেবারে না নয়। NO = Next Opportunity.

১১. বাহ্যিক সাফল্য আচরণের উপর নির্ভর করে। যদি আপনি নিজেকে চরিত্রবান, সাহসী, সৎ বলে বিশ্বাস করেন তাহলে এগুলো আপনার আচরণে প্রতিফলিত হবে।

১২. জয়ী হতে হলে কী কী করতে হবে বিজয়ীরা সেটার উপর গুরুত্ব দেয়। আর বিজিতরা যা যা পারে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।

১৩. আপনি সবসময় যা করে এসেছেন, এখনও যদি সেটাই করেন তাহলে সবসময় যা পেয়েছেন, এখনও তাই পাবেন।

১৪. সম্পর্ক তৈরি করা একটা প্রক্রিয়া, কোন ঘটনা না।

১৫. আপনার ইচ্ছা শক্তি আপনার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করবে।

Ayman Sadiq 🔥 Munzereen Shahid

20/01/2024

চিত্রে শিক্ষা...

25/08/2023

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্স (Virtual Reality, Artificial Intelligence & Robotics)

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? (What is Virtual Reality?)

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি বলতে কি বুঝায়? প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের ন্যায় চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞান নির্ভর কল্পনাকে Virtual Reality বলে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে মূলত কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত Simulation বা Modelling এর মাধ্যমে একটি কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক পরিবেশ তৈরি করা হয় যেখানে বাস্তবের ন্যায় অনুভূতি পাওয়া যায়।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

Head Mounted Display বা Headset যার মাধ্যমে ত্রিমাত্রিক ভার্চুয়াল দৃশ্য অবলোকন করা যায়, হাতে Data Gloves যা দ্বারা ভার্চুয়াল পরিবেশের বিভিন্ন কাজের নির্দেশনা দেওয়া যায়, এমনকি তা স্পর্শের অনুভূতিও প্রদান করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ (Virtual Reality Applications):

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ।ফ্লাইট সিমুলেশনের মাধ্যমে বিমান পরিচালনা প্রশিক্ষণ।নভোচারীদের ভার্চুয়াল পরিবেশে মহাকাশে অভিযান পরিচালনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদান।সিমুলেটেড সার্জারির মাধ্যমে নতুন ডাক্তার কিংবা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান।সামরিক বাহিনীতে যুদ্ধ পরিচালনা, অস্ত্র চালনা, আধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবহার, যুদ্ধ জাহাজ পরিচালনা, বিভিন্ন যুদ্ধসামগ্রী ব্যবহার প্রভৃতি ক্ষেত্রে উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান।কোনো পণ্য উৎপাদনের পূর্বে পণ্যের মান ও গুণাগুণ পরীক্ষার জন্য ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে তা জনসম্মুখে উপস্থাপন।বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় কম্পিউটার গেইম তৈরি।জাদুঘরে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রয়োগের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন।সিনেমার ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য ধারণে কিংবা বিভিন্ন ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন সিনেমা তৈরি।স্থাপত্য ও নগর পরিকল্পনায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগে নকশা প্রণয়ন কিংবা বিভিন্ন নগর উন্নয়ন রূপরেখার কাল্পনিক রূপদান।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির নেতিবাচক প্রভাব :

সমাজে Dehumanization বা মনুষ্যত্বহীনতার মতো ব্যাপারগুলো বৃদ্ধি পাবে।একে অপরের মাঝে পারস্পরিক Interaction এর অভাবে সমাজে অনিশ্চয়তা বিরাজ করবে।ইচ্ছেমতো কল্পনার জগতে বিচরণের সুযোগ লাভের ফলে মানুষ বাস্তবতার অনুভূতি সম্পর্কে উদাসীন থাকবে।মানুষের দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তির ক্ষতি হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি? (What is Artificial Intelligence?)

একজন মানুষ যেভাবে চিন্তা-ভাবনা করে কৃত্রিম উপায়ে কোনো যন্ত্র বা কম্পিউটারে সেরূপ বুদ্ধিমত্তা অর্জনের রূপদান করাকেই Artificial Intelligence বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মূলত কোনো যন্ত্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, উপলব্ধি সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন, অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানো, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, উদ্ভুত কোনো নতুন পরিস্থিতিতে সাড়া প্রদান প্রভৃতি বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করে থাকে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন অ্যালান টুরিং। ১৯৫০ সালে তার উদ্ভাবিত ‘টুরিং টেস্ট’ এর মাধ্যমে কোনো যন্ত্রের চিন্তা করার ক্ষমতা আছে কিনা তা পরীক্ষা করা যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়, যেমন- PROLOG, LISP, CLISP, Java, C/C++ ইত্যাদি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ :

প্রধানত রোবটিক্সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করা হয়। এছাড়াও এক্সপার্ট সিস্টেম, ফাজি লজিক, নিউরাল নেটওয়ার্ক, প্রাকৃতিকভাবে ভাষার প্রক্রিয়াকরণ, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ইত্যাদি ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশেষ ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

রোবোটিক্স কাকে বলে? (Robotics)

রোবোটিক্স হলো প্রযুক্তির এমন একটি শাখা যেখানে রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন ও কাজ, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা প্রক্রিয়া প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এতে রোবটসমূহের নিয়ন্ত্রণ, সেন্সরি ফিডব্যাক এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটার সিস্টেমগুলো সম্পর্কেও গবেষণা করা হয়।

রোবটের নিজস্ব কোনো বিবেক-বুদ্ধি থাকে না। অর্থাৎ, রোবট নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো কাজ করতে পারে না। এক্ষেত্রে তাই রোবটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে উপলব্ধি সম্পর্কিত বিষয়ে, কোনো রোবটের কাজের ধারা কেমন হবে কিংবা উদ্ভূত কোনো নতুন পরিস্থিতিতে কীভাবে সাড়া প্রদান করবে এই বিষয়গুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে একটি রোবটে আগে থেকেই ঠিক করে দেয়া থাকে।

একটি সাধারণ রোবটে নিচের প্রধান উপাদানগুলো থাকে-

Power System : সাধারণত রিচার্জেবল লেড এসিড ব্যাটারি দিয়ে পাওয়ার দেয়া হয়।
Actuator : রোবটের হাত-পা নড়াচড়া করার জন্য কিছু বৈদ্যুতিক মোটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা। একে রোবটের হাত ও পায়ের পেশি বলেও অভিহিত করা হয়।
Sensing : বিভিন্ন ধরনের Sensor ব্যবহারের মাধ্যমে রোবটেও অনুভূতি তৈরি করা যায়।
Manipulation : রোবটের আশেপাশের বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন পদ্ধতি। রোবটের হাত-পা সাধারণত এই কাজ করে থাকে।

রোবটিক্সের ব্যবহার –

শিল্প-কারখানায় পণ্য উৎপাদন, প্যাকেজিং থেকে শুরু করে পরিবহনসহ বিভিন্ন কাজে।
যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধযান পরিচালনায়, বিশেষ করে Drone সহ দূর নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন রোবটের ব্যবহার।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে সার্জারির কাজে।
কম্পিউটার মাদারবোর্ড বা অন্যান্য সার্কিট তৈরির মতো অতি সূক্ষ্ম কাজে।নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরসহ বিভিন্ন বিপদজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে।
বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা ও অভিযান পরিচালনায়।বোমা নিস্ক্রিয়করণ, ভূমি মাইন সনাক্তকরণ, ঝুঁকিপূর্ণ মিলিটারি অভিযানসহ বিভিন্ন সামরিক কাজে।
খনি কিংবা সমুদ্রের তলদেশে অভিযানসহ বিভিন্ন দুর্গম স্থানে কাজের ক্ষেত্রে। নিরাপত্তা প্রদানের কাজে।বাসাবাড়িতে কাজের লোকের বিকল্প হিসেবে।

রোবট ব্যবহারে অসুবিধা –

রোবট নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বাধীনভাবে কোনো কাজ করতে পারে না। ফলে একটি রোবট দিয়ে ইচ্ছেমতো সকল কাজ করা সম্ভব নয়।
রোবট নির্মাণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
রোবট নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দক্ষ জনবলের প্রয়োজন।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে মানুষের কর্মসংস্থান হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

13/07/2023

মন বসে না পড়ার টেবিলে?

কেউ কেউ গণপরিবহনেও দিব্যি বই পড়তে পারে। অনেকে আবার হট্টগোল, হইচইয়ের মধ্যে মনোযোগই ধরে রাখতে পারেন না। তাঁদের চাই নীরবতা। আবার নীরব পরিবেশে পড়তে পারেন না, এমন মানুষও আপনি আশপাশেই পাবেন। পরিবেশ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বটে। কিন্তু এর বাইরেও একেবারেই নিজস্ব কিছু বিষয় থাকে, যার ওপর নির্ভর করে মনঃসংযোগের ক্ষমতা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে যাচ্ছে, পড়ায় মন বসছে না, কিংবা পড়া মাথায় ঢুকছে না—এমন সমস্যায় ভুগছেন যাঁরা, এই লেখাটি তাঁদের জন্যই।

🎯 মুহূর্তকে গুরুত্ব দিন
যে মুহূর্তে আপনি পড়ালেখা করছেন বা এমন কোনো কাজ করছেন, যাতে মনোযোগ দিতে হবে, সেই মুহূর্তে অন্য সব ভাবনাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। পড়ার মধ্যে হয়তো এমন কোনো কথা মনে পড়ল, যা পরে প্রয়োজন হবে, সেই বিষয়টি আলাদা একটা কাগজে খুব সংক্ষেপে লিখে রাখুন। পড়ালেখা শেষে তবেই অন্য কাজে হাত দিন। একই সঙ্গে একাধিক কাজ করবেন না। না চাইতেই নানা ভাবনা মাথায় চলে আসার সমস্যা এড়াতে মনকে স্থির করার অভ্যাস করুন। রোজ কয়েক মিনিটের জন্য চোখ বুজে স্থির হয়ে বসে থাকুন। ওই সময় লম্বা শ্বাস নিন, আর লম্বা করে নিশ্বাস ছাড়ুন। চোখ বুজে কানে আসা শব্দটাকে কেবল অনুভব করুন। ‘ফোকাস’ স্থির রাখুন। রোজকার এই অভ্যাস পড়ালেখায় মনোযোগ আনতে বেশ কার্যকর।

🎯 এদিক-ওদিক-সেদিক নয়
পড়ার সময় কেউ ডাকলে তাঁকে বলে দিন, খুব জরুরি কোনো বিষয়ে না হলে পড়া শেষ করে তাঁর কথা আপনি শুনবেন। পড়ার সময় বারবার মুঠোফোন দেখবেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ওই সময়টুকুর জন্য নিজেকে বিচ্ছিন্ন থাকুন। সম্ভব হলে মুঠোফোন নীরব রাখুন এবং দূরে রাখুন। তবে হোস্টেল জীবনে এভাবে মুঠোফোন নীরব রাখতে হলে বাড়িতে জানিয়ে রাখুন। নইলে হঠাৎ আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে বাড়ির সবাই দুশ্চিন্তায় পড়ে যেতে পারেন। তা ছাড়া বাড়িতে কোনো জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তাঁরা যেন আপনার সঙ্গে বিকল্প কারও মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন, এমন ব্যবস্থাও রাখুন। পড়ালেখার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রয়োজন হলেও সেই সময় অন্য কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকবেন না বা কারও বার্তা পড়বেন না।

🎯 মনকে অবহেলা নয়
যে সময়টায় আপনার পড়া ভালো হয়, সেই সময়েই পড়ুন। রোজকার জীবনধারায় ভালো লাগার কোনো কাজ, যা না করলে অতৃপ্তি রয়ে যায়, করে ফেলতে পারেন পড়তে বসার আগেই। তবে যদি পড়া শেষ করে পরে সেই কাজটি করতে চান, তাহলে পড়ার সময় কিন্তু বারবার সেটির কথা মনে আনা যাবে না। যখন পড়তে একেবারেই ভালো লাগছে না, তখন জোর করে বই সামনে না রাখাই ভালো। অন্য ধরনের কাজে খানিকটা সময় কাটিয়ে এরপর পড়তে বসুন। ছাদের খোলা হাওয়ায়, খোলা মাঠে কিংবা বারান্দার গাছের সঙ্গে বা পোষা প্রাণীর সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন এমন পরিস্থিতিতে।

🎯 জীবনযাপন হোক ইতিবাচক
ঘুম, খাওয়াদাওয়া, শরীরচর্চা—সবই হওয়া চাই ঠিকঠাক। রাত জেগে সিনেমা দেখে, আড্ডা দিয়ে কিংবা চ্যাট করে সকালে ক্লাসে গেলে মনোযোগ বসাতে না পারাটাই স্বাভাবিক। ঘুম চাই পর্যাপ্ত। পরীক্ষার আগমুহূর্তের জন্য সব পড়া জমিয়ে রাখলে তখন কিন্তু ঘুমের অভাবে পড়ায় মনোযোগ না-ও আসতে পারে। তাই সময়ের পড়া সময়েই করে ফেলুন। ক্ষুধার্ত অবস্থায় পড়ায় মন বসবে না। আর এমন খাবার খেতে হবে, যাতে হঠাৎ করে মস্তিষ্কে গ্লুকোজের অভাব না হয়। গোটা শস্যদানার খাবার (রিফাইনড নয়) এবং আঁশসমৃদ্ধ ফলমূল ও শাকসবজি খেলে বেশ লম্বা সময় পর্যন্ত ক্ষুধা লাগে না। এসব খাবার ছাড়াও মাছ, বাদাম এবং অলিভ অয়েল দিয়ে সাজিয়ে নিন আপনার খাদ্যতালিকা। এভাবে গড়ে তুলতে পারেন ‘মেডিটেরিনিয়ান ডায়েট’-এর অভ্যাস, যা মস্তিষ্কের জন্য ভালো। খানিকটা চা বা কফি খেতে পারেন রোজ। নেশাজাতীয় দ্রব্য অবশ্যই বর্জনীয়। রোজ অল্প সময়ের জন্য হলেও শরীরচর্চা করুন। কায়িক শ্রমের খেলাধুলা কিন্তু দারুণ ব্যায়াম। এ ছাড়া সুডোকু, পাজল, ক্রসওয়ার্ড বা শব্দজব্দ সমাধান করার অভ্যাস করতে পারেন। এগুলো মস্তিষ্কের ব্যায়াম।

🎯 বুঝে পড়ুন, বিরতি দিন
যা পড়ছেন, তা বুঝে পড়ার চেষ্টা করুন। না বুঝে মুখস্থ করলে আখেরে কোনো কাজে আসে না। ক্লাসে পড়া বুঝে নিন। না বুঝলে প্রশ্ন করুন, দ্বিধা করবেন না। প্রয়োজনে গ্রুপ স্টাডি করুন। সেখানেও মন দিয়ে শুনুন অন্যের কথা। একটানা পড়ালেখা না করে প্রয়োজনমতো বিরতি নিন। কিন্তু বিরতির সময় মুঠোফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার না করাই ভালো। বরং মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিন। বিরতিতে একটু হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। হালকা ধাঁচের কোনো ‘স্ট্রেচিং’ ব্যায়ামও করতে পারেন।

🎯 বলার অভ্যাস
নিজে যা পড়লেন, তা বলতে পারেন সহপাঠী বা বন্ধুকে, এমনকি নিজেকেও। যা শিখলেন, তা অন্যকে বোঝাতে হলে যেভাবে বলবেন, সেভাবে নিজে নিজেও আওড়াতে পারেন পড়ার বিষয়গুলো। এক দিনেই এভাবে বলতে না পারলেও পড়ার পরে বলার এই অভ্যাস পরে আপনার পড়ার সময় মনোযোগ বাড়াবে।

🎯 পড়ার অভ্যাস
পড়ার বইয়ের বাইরেও কিন্তু অনেক বই আছে, যা পড়ার অভ্যাস ধরে রাখতে সাহায্য করে। আপনার পছন্দের বিষয়ের ওপর কিছু পড়তে পারেন, আবার মজার কোনো বইও পড়তে পারেন। কোনো না কোনো বইয়ের পাতায় মনোযোগ স্থির করার অভ্যাসটা পরে পাঠ্যবইয়ে মন বসাতেও কাজে দেবে।

Alo

18/11/2022

এইচএসসির পর বিদেশে পড়তে হলে যে ১১টি বিষয় মাথায় রাখতে হবে ✍️

সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করা নানজীবার একদম শুরু থেকেই ইচ্ছে ছিল বিদেশে পড়াশোনা করার। তাই তো এই লকডাউনেই সে এইচ এস সি পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করে দেয়। আর নিজের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ পেয়েই কানাডায় উড়াল দেয় নানজীবা। আপনি যদি নানজীবার মত নিজেকে এইচএসসি-র পর এই অবস্থায় দাঁড় করাতে চান তবে আপনাকে কিছু জিনিস মনে রাখতে হবে। অসংখ্য শিক্ষার্থী HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনা করতে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু বেশিরভাগ সময় দেখা যায় ভালো রেজাল্ট থাকা সত্ত্বেও সঠিক তথ্যের অভাবে স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে যায়।
যারা এইচএসসির পর বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী, তাদের জন্যই আজকের এই ব্লগ। চলুন জেনে নেওয়া যাক ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে যা এইচএসসির পর বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্য জরুরী।

🔴 টার্গেট ঠিক রাখা:
অমুক এইচএসসি-র পর বিদেশে পড়তে যাচ্ছে দেখে আপনারও যেতে হবে, ব্যাপারটা এমন না। জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে আমরা অনেকেই বাইরে যেতে চাই ৷ কিন্তু এটা যেহেতু জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত, সেহেতু এটা নিতে হবে অনেক ভেবেচিন্তে। আপনার বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অর্থ, পরিবারের সম্মতিসহ সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হবে।

🔴 ভালো ফলাফল:
যদিও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট সব বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজন হয় না, তবুও ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চাইলে ভালো ফলাফল করাটা জরুরি। আপনি যে প্রোগ্রাম বা কোর্সের জন্যই বিদেশে যান না কেন, আপনার রেজাল্ট যত ভালো হবে, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আপনার ভর্তি এবং স্কলারশিপের সুযোগ তত বেশি হবে।

🔴 সহশিক্ষা কার্যক্রম:
ইসিএ বা এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস আপনার আবেদনপত্রে প্লাস পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনার পাশাপাশি নাচ, গান, আবৃত্তি, খেলাধুলা, স্বেচ্ছাসেবা, লেখালেখি, রান্না, বিতর্ক, ফটোগ্রাফি, অলিম্পিয়াডের মতো বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহী হতে পারে। আর এই আগ্রহ থাকার ব্যাপারটি শুধু বললেই হবে না, দেখাতে হবে নিজের আবেদনপত্রে বিভিন্ন রচনার মাধ্যমে, শিক্ষকদের সুপারিশপত্র এবং সাক্ষাৎকারে জীবনের ছোট ছোট গল্পের মধ্য দিয়ে।

🔴 ভাষাগত দক্ষতা:
বেশিরভাগ দেশে ইংরেজি ভাষা প্রচলিত হওয়ায় IELTS কিংবা TOFEL -এ ভালো স্কোর থাকতে হবে। এসব স্কোরের মেয়াদ থাকে দুই বছর।
যুক্তরাষ্ট্রে যারা ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদে স্নাতকোত্তর করতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য প্রয়োজন GRE (Graduate Record Examination)। আর যারা ব্যবসা অথবা মানবিক বিষয়ে পড়তে ইচ্ছুক তাদের জন্য আছে GMAT (Graduate Management Admission Test)। আর যারা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে বিদেশে যেতে চায় অথবা বিদেশে কোন কলেজে ভর্তি হতে চায়, তারা SAT (Scholastic Aptitude Test) দিয়ে থাকে। ইউরোপীয় দেশগুলোতে সাধারণত আমেরিকাভিত্তিক GRE বা GMAT প্রয়োজন হয় না। GRE/ GMAT এর মেয়াদ ৫ বছর থাকে।
তবে যারা ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশোনা করেন তারা IELTS স্কোর ছাড়াও বিদেশে পড়াশোনা করার সুযোগ পেতে পারেন, যেহেতু তাদের পড়াশোনার মাধ্যম বা Medium of Instruction হলো ইংরেজি। বাইরের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় Medium of Instruction কে IELTS বা TOEFL এর সমতুল্য হিসেবে গ্রহণ করে। সাধারণত বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সাম কন্ট্রোলার থেকে এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রি দপ্তর থেকে এই সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হয়।
চীন, জাপান, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্স ইত্যাদি দেশে যেতে চাইলে এসব দেশের ভাষা আগেভাগেই শিখে নেওয়াটা ভালো। ভাষা জানা থাকলে এসব দেশগুলোতে বৃত্তি পাওয়াটা যেমন সহজ হয়, তেমন পার্টটাইম কাজের ক্ষেত্রেও এই ভাষার দক্ষতা উপকারে আসে।

🔴 দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই:
প্রথমেই যে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে, তা হলো দেশ নির্বাচন। অর্থাৎ আপনি কোন দেশের কোন শহরে যাবেন। আপনাকে জানতে হবে কোন দেশগুলো উচ্চশিক্ষার মানের দিক থেকে এগিয়ে আছে। বর্তমানে শিক্ষার গুণগত মান বিচারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মালয়েশিয়া, জাপান এগিয়ে আছে।
তবে এই দেশগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে যথেষ্ট চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। কারণ একেকটি দেশের পড়াশোনার ধরন, টিউশন ফি, থাকা-খাওয়ার খরচ ও ভর্তি চাহিদায় পার্থক্য আছে। আপনার বাজেট, আগ্রহ ও যোগ্যতার সাথে সব দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে যে দেশটি, সেটিকেই বেছে নিতে হবে।
দেশ নির্বাচনের পরবর্তী ধাপ হলো বিষয় নির্বাচন। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমন অনেক বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে যেগুলো দেশে নেই। ফলে আপনাকে এমন একটা বিষয় বেছে নিতে হবে যেটির প্রতি আপনার আগ্রহ রয়েছে, ভালো করার সামর্থ্য রয়েছে এবং বিষয়টিতে পড়াশোনা করে পরবর্তীতে ভালো কোনো চাকরির সুযোগও রয়েছে। ঝোঁকের মাথায় কোনো বিষয় পছন্দ করলে চলবে না।
এরপর আসে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন। উন্নত দেশে পেছনের সারির ইউনিভার্সিটি যেমন রয়েছে, তেমনি তুলনামূলকভাবে একটু কম উন্নত দেশে আছে প্রথম সারির ইউনিভার্সিটি। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে টিউশন ফি'র তারতম্যও আছে। অনেকদেশে ফুল ফ্রি স্কলারশিপের ব্যবস্থা প্রচলিত নেই। তাই শিক্ষার গুণগত মান, পরিবেশ, বৈশ্বিক র‍্যাংকিং, টিউশন ফি, বৃত্তি সুবিধা, কোর্সের মেয়াদ, পার্ট-টাইম চাকরির সুযোগ, নাগরিকত্ব, জীবনমান, আবাসন ব্যবস্থা, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা, আবহাওয়া ইত্যাদি বিষয় পর্যবেক্ষণ করেই আপনাকে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। এগুলো দেখার একটা সহজ উপায় হল যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে আপনি ইচ্ছুক, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট ঘাঁটা। ধৈর্য ধরে সব নোট নিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেসব বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে:

- আপনার পছন্দকৃত বিষয় আছে কি না
- পড়াশোনার মান কেমন
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের মান কেমন
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবস্থান কোথায়
- কোর্স মেয়াদ ও টিউশন ফি
- স্কলারশিপ সুবিধা
- আবাসন ব্যবস্থা
- ভর্তি যোগ্যতা

যেকোনো একটা দেশে আবেদন না করে একাধিক দেশের ৪-৫টা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে ভালো ফলাফল পাওয়ার সুযোগ বেশি।
এখন জানবো আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, 'স্কলারশিপ' নিয়ে৷ বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে অনেকেই পড়তে যেতে চান। কারণ বাইরে পড়াটা বেশ ব্যয়বহুল। কিন্তু শিক্ষার্থীদের অনেকেই কীভাবে স্কলারশিপ খুঁজতে হয় সেই বিষয়টি নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। সঠিক পরিকল্পনার অভাব ও বাস্তব জ্ঞান না থাকার কারণে এই স্কলারশিপ পাওয়ার স্বপ্ন মাঝেমধ্যে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
🔴 প্রোগ্রাম নির্ধারণ:
কোর্স বা প্রোগ্রাম নির্ধারণের সময় বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
আপনি কোন বিষয়ে পড়তে চান, বিশ্ব প্রেক্ষাপটে কোনটার চাহিদা বেশি, দেশীয় চাকরি বাজারে কী ভালো হবে, কী পড়লে সহজেই পেশাগত উন্নতি ও লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব, আপনি যেই দেশে পড়তে যেতে আগ্রহী সেই দেশে আপনার পছন্দের বিষয়ে উচ্চশিক্ষার মান বা পদ্ধতি বিশ্বে কতটুকু গ্রহণযোগ্য বা কতটুকু সময়োপযোগী, ভবিষ্যতের পেশাগত জীবন, কোর্সটিতে পড়াশোনা শেষে কোথায় কর্মক্ষেত্র গড়ে তুলবেন, সেখানের সুযোগ-সুবিধা, সম্ভাবনা ও অসুবিধা বা প্রতিবন্ধকতার মাত্রা কতটুকু, আপনার বর্তমান যোগ্যতার সাপেক্ষে কোন কোর্সটি আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী, এই কোর্সের কোনো বিকল্প কোর্স আছে কি না, মেয়াদ ও টিউশন ফি কত, মূলত এসব বিষয়েই চোখ রাখতে হবে।
এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর পাওয়ার জন্য আপনি উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তথ্য ও পরামর্শকেন্দ্রের সঙ্গে অথবা ওই কোর্সে পড়াশোনা করেছেন বা করছেন এমন কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে পরিচয় থাকলে আগে থেকেই আলাপ করে নিতে পারেন।

🔴 প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা:
এইচএসসির পর বিদেশে পড়তে যেতে চাইলে প্রথমেই দেখতে হবে আপনার সব প্রয়োজনীয় একাডেমিক কাগজপত্রসহ যাবতীয় ডকুমেন্টস ঠিকঠাক আছে নাকি। কোনো ডকুমেন্ট বাদ পড়ে গেলে তা বানিয়ে নিতে হবে অথবা সেই সংক্রান্ত অফিস থেকে সংগ্রহ করে নিতে হবে৷ নিজের আপডেটেড সিভি ও কাভার লেটারসহ সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র ইংরেজিতে করিয়ে নিতে হবে। আবেদনের ক্ষেত্রে মূলত:

- পাসপোর্ট
- জম্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট
- জাতীয় পরিচয়পত্র (যদি থাকে)
- এসএসসি-র সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট এবং টেস্টিমোনিয়াল
- এইচএসসি-র ট্রান্সক্রিপ্ট, সার্টিফিকেট ও টেস্টিমোনিয়াল
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি
- স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP) লেটার
- লেটার অব মোটিভেশন
- লেটার অব রিকমেন্ডেশন
- IELTS / TOEFL / ভাষাগত দক্ষতার সার্টিফিকেট

আবেদনের সময় অবশ্যই কী কী ডকুমেন্ট চাওয়া হয়েছে তার লিস্ট দেখে নেবেন ।
ছবি এবং প্রয়োজনীয় সকল ফটোকপি অবশ্যই সত্যায়িত করে নিতে হবে। বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ শাখা থেকে সকল কাগজ পত্রের মূলকপি দেখানো সাপেক্ষে বিনামূল্যে সত্যায়িত করা যায়। এছাড়া নোটারি পাবলিক থেকেও সত্যায়িত করা যায়। ভর্তির কাজ অনলাইনে হলেও অনেকক্ষেত্রে কিছু ডকুমেন্টের হার্ডকপি আপনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কুরিয়ার করে পাঠাতে হবে।

🔴 স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP - Statement of Purpose)
এইচএসসি-র পর বাইরে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের যেসব বিষয় নিয়ে বেশি চিন্তা করতে হবে তার মধ্যে এসওপি বা স্টেটমেন্ট অব পারপাস অন্যতম। SOP হলো আপনার ব্যক্তিগত গল্প। এখানে অমুক বিষয়টি কেন পড়তে চাচ্ছেন, পূর্ব অভিজ্ঞতা কী, গ্র্যাজুয়েশন শেষে দেশে ফিরে এসে কী করবেন, অন্য দশজনকে বাদ দিয়ে আপনাকে কেন নেওয়া উচিত- ইত্যাদি বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবে গল্পের মতো করে লিখতে হবে।
আপনি মানুষ হিসেবে কেমন, উচ্চশিক্ষার চাপ সামলাতে আপনি কতটুকু প্রস্তুত আছেন, আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড, প্রতিভা, অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতার একটা প্রতিচ্ছবি অ্যাডমিশন কমিটি এই এসওপি থেকে জেনে নেয়। মিথ্যের আশ্রয় না নিয়ে আপনি যেমন, ঠিক তেমন করেই প্রাসঙ্গিক ও প্রেরণামূলকভাবে নিজেকে নিয়ে ও নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে লিখবেন।

🔴 লেটার অব রেকমেন্ডেশন (Letter of Recommendation)
আবেদনের সময় এক থেকে তিন জনের কাছ থেকে রেকমেন্ডেশন লেটার (LOR) নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করতে পারবেন যারা আপনার সম্পর্কে ভালো জানেন, যেমন যারা কিনা আপনাকে চেনেন, আপনার কাজ সম্পর্কে ধারণা রাখেন এবং তাঁরা আপনার পরিবারের কেউ নন। তাই দুজনকে ঠিক করা ভালো।
প্রথমত, আপনার একজন সরাসরি শিক্ষক, দ্বিতীয়ত, আপনি যদি কোনো চাকরি করে থাকেন, তাহলে আপনার সরাসরি ঊর্ধ্বতন কেউ। এমন কারও নাম রেফারেন্সে দিন, যাঁর সঙ্গে আপনার ভালো সম্পর্ক আছে, যিনি আপনার জন্য সময় বের করে রেফারেন্স লিখে দেবেন।

১০ স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং:
বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো অফার লেটারে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যেই প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে হবে। অন্যথায় ভর্তি বাতিল বলে ধরা হবে। তাই নির্দিষ্ট তারিখের আগেই আপনাকে সেদেশের ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো দেশে ভিসা পেতে হলে প্রথমে সেদেশের ভিসার আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হয়।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই ভিসার আবেদনপত্র সরবরাহ করে থাকে। তা না হলে নির্দিষ্ট দূতাবাস থেকে ভিসার আবেদনপত্র সংগ্রহ করে সঠিক তথ্য দিয়ে নির্ভুলভাবে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ দূতাবাসে জমা দিতে হবে এবং নির্দিষ্ট দিনে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।

ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমূহ:
- শিক্ষাগত যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র: সনদপত্র, নম্বরপত্র, প্রতিষ্ঠান - প্রধানের প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপিসহ মূলকপি।
জন্মসনদ
- বর্তমান ও আগের পাসপোর্টের ব্যবহৃত পাতা। পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ১ বছর থাকতে হবে এবং পেশা, জন্ম তারিখ ও অন্যান্য সকল তথ্যের সাথে শিক্ষাগত কাগজপত্রের মিল থাকতে হবে।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রমাণপত্র বা অফার লেটার।
- আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণপত্র
- ছবি
- পূরণকৃত অর্থনৈতিক সামর্থ্যের (স্পনসর বা গ্যারান্টর) ফরম।
স্পন্সরের সঙ্গে আবেদনকারীর সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্মসনদ, পাসপোর্ট কিংবা স্কুলের কাগজপত্র।
- স্পন্সরের আয়ের উৎসের বিস্তারিত কাগজপত্র।
- সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করার ইতিহাস থাকলে সেখানে কাজের রেকর্ড ও ছাড়পত্র।
- ভাষাগত দক্ষতার প্রমাণপত্র
- স্বাস্থ্যবিমার প্রমাণপত্র
- পুলিশ ছাড়পত্র

🔴 বিদেশে পড়াশোনার খরচ:
আপনি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তি পাবেন কিনা এর উপর ভিত্তি করে দেশ নির্বাচন করা উচিত, কেননা বিদেশে পড়ালেখার সাথে ব্যয়ের সম্পর্ক রয়েছে। যদি বৃত্তি পেয়ে যান, তাহলে ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং-এ থাকা এক নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতেও অসুবিধা নেই। কিন্তু যদি বৃত্তি না পান অথবা আংশিক বৃত্তি পান, সেক্ষেত্রে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দেশ নির্বাচন করা উচিত।
কারণ, আমেরিকায় সাধারণত গ্রাজুয়েট লেভেলে পড়তে প্রতি বছর বিশ লাখ টাকা লাগে। কানাডায় সেটা পনেরো লাখ টাকা। অস্ট্রেলিয়া ও ইউকেতে পনেরো থেকে আঠারো লাখ টাকা লাগে। মালয়েশিয়া, চীন ও ভারতে মোটামুটি বাংলাদেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতোই পড়ালেখার খরচ।
সেই পরিমাণ অর্থ অবশ্যই ব্যাংকে থাকতে হবে। তবে আপনি যদি স্কলারশিপ পান, স্কলারশিপের শতাংশ এই হিসাবের বাইরে রাখতে পারেন। সেই সাথে ওই দেশে গিয়ে পারিপার্শ্বিক যেসব খরচ হবে, যেমন থাকা-খাওয়া, যাতায়াত, পোশাক, হাতখরচ, চিকিৎসা ইত্যাদির জন্যও ব্যাংকে সন্তোষজনক অর্থ দেখাতে হবে। সব মিলিয়ে যদি দেখা যায় যে, টিউশন ফি হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং থাকা-খাওয়ার খরচ হিসেবে ১০ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে, তাহলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট হিসেবে অন্তত ২৫ লাখ টাকা দেখালে ভালো।
এইচএসসির পর বাইরে স্নাতক করতে যাওয়ার অসংখ্য সুযোগ আছে। একইসাথে আছে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগও। তাই ভালোমতো প্রস্তুতি নিয়েই বাইরে পড়তে যাওয়া উচিত। এসময় বিভিন্ন দালাল কিংবা ফ্রড এজেন্সির লোকেদের থেকে কয়েক হাত দূরে থাকবেন। তারা যেন আপনাদের অনভিজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি না করে বসে!

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Chandgaon
Chittagong
4212