Korean Language Club - Chattogram

Korean Language Club - Chattogram

Share

Korean language training center in Chittagong

আসসালামু আলাইকুম,যারা কোরিয়াতে আছেন বা যাবেন বা যারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন, ইপিএস টপিক,প্রেরন, রোষ্টার, শুধু টপিক, স্টাডি, স্টুডেন্ট ভিসা, বিজনেস ভিসা ইত্যাদি কোরিয়া সম্পর্কিত সকল ইনফরমেশন পাবেন এই পেইজে।
ধন্যবাদ।

20/05/2026

🔰 নিচের ছবিটি দেখে সঠিক উত্তর বাছাই করুন।

19/05/2026

🇰🇷📌 EPS কর্মী নির্বাচন: শুধু ভাষা নয়, প্রয়োজন সামগ্রিক যোগ্যতা 🇰🇷🇰🇷

দক্ষিণ কোরিয়া গামী EPS রোস্টারভুক্ত কর্মীদের চলমান আন্দোলন একটি সংবেদনশীল বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে সীমিত সংখ্যক কর্মী নিয়োগের বিপরীতে বিপুল সংখ্যক প্রার্থী রোস্টারে জমে থাকায় হতাশা তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এই বাস্তবতাও বুঝতে হবে যে, দক্ষিণ কোরিয়া কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা বা বিশৃঙ্খলার দায় বহন করবে না। অতিরিক্ত জটিলতা তৈরি হলে তারা ভবিষ্যতে নিয়োগ কমিয়ে দেওয়া কিংবা বন্ধ করার সিদ্ধান্তও নিতে পারে, যার ক্ষতি হবে পুরো বাংলাদেশের।
এ কারণেই ভবিষ্যতে EPS-TOPIK UBT সার্কুলারে শুধু ভাষাগত যোগ্যতার উপর নির্ভর না করে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জোর দেওয়া প্রয়োজন।
কারণ, একজন কর্মী শুধু ভাষা জানলেই একজন আদর্শ বিদেশগামী কর্মী হয়ে যায় না। বিদেশে গিয়ে তাকে কাজের পরিবেশ, আইন-কানুন, শৃঙ্খলা, সহকর্মীদের সাথে আচরণ এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব— সবকিছুই সামলাতে হয়। বাস্তবে দেখা যায়, অনেকেই ভাষা পরীক্ষায় পাস করলেও আচরণগত দুর্বলতা, দায়িত্বহীনতা, অশৃঙ্খল মনোভাব বা কাজের অদক্ষতার কারণে নিজের পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত করেন।
দক্ষিণ কোরিয়া অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক ও পেশাদার একটি দেশ। সেখানে কর্মীদের সময়ানুবর্তিতা, ভদ্র আচরণ, ধৈর্য, দলগত কাজের মানসিকতা এবং দায়িত্ববোধকে অনেক গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই ভবিষ্যৎ সার্কুলারে ভাষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি প্রার্থীর শিক্ষাগত অবস্থা, আচরণ, যোগাযোগ দক্ষতা, মানসিক প্রস্তুতি এবং কাজের উপযোগিতাও মূল্যায়নের আওতায় আনা উচিত।
এতে করে শুধু দক্ষ কর্মীই নির্বাচিত হবে না, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের সুনামও বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে, অযোগ্য বা দায়িত্বহীন ব্যক্তিদের কারণে যেন পুরো দেশের শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ তরুণ বিদেশে কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখেন। তাই এখন সময় এসেছে আবেগের চেয়ে বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে এমন একটি নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে তোলার, যেখানে যোগ্যতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধকে সমানভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
🇧🇩 বিদেশে কর্মসংস্থান শুধু ব্যক্তিগত সুযোগ নয়, এটি দেশের সম্মান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সাথেও জড়িত — তাই দায়িত্বশীল ও যোগ্য কর্মী নির্বাচন এখন সময়ের দাবি।
#দক্ষিণ_কোরিয়া #প্রবাসীকল্যাণ

17/05/2026

🇰🇷🇰🇷 ১৬ মে শুরু হওয়া Beginner Korean TOPIK 1 (Level 1 & 2) ব্যাচে এখনও ২টি সীট খালি — ভর্তি চলছে! 🇰🇷🇰🇷

Korean Language Club, Chattogram এ ১৬ মে থেকে শুরু হওয়া Beginner Korean TOPIK 1 (Level 1 & 2) ব্যাচে ৫টি খালি সীট মধ্যে ৩ আসন ইতোমধ্যে পূরণ হয়েছে, আরও ২টি আসন খালি আছে। আগ্রহীদের যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

🎯 উপযোগী—
✅ TOPIK 1 প্রস্তুতি।
✅ EPS-TOPIK UBT মৌলিক প্রস্তুতি।
✅ দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ প্রস্তুতি।

📚 পাঠদানঃ
🔹 Sejong Korean 1A
🔹 Sejong Korean Workbook 1

🗓️ ক্লাস সময়ঃ
শনিবার, সোমবার ও বুধবার।
⏰ বিকাল ৩:০০ টা – ৪:৩০ টা।

📍 আগ্রহীদের আগামী সোমবার বিকাল ৩ টায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

17/05/2026

🇰🇷🇰🇷 EPS রোস্টার ডিলিট আন্দোলন: আবেগ নয়, বাস্তবতা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন 🇰🇷🇰🇷

বর্তমানে রোস্টার ডিলিট হওয়া অনেক EPS কর্মী আন্দোলন করছেন এবং বিভিন্ন দাবি তুলে ধরছেন। তাদের কষ্ট, হতাশা ও ক্ষোভ অবশ্যই বাস্তব। বছরের পর বছর কোরিয়ান ভাষা শেখা, পরীক্ষা দেওয়া, মেডিকেল, টাকা খরচ ও স্বপ্ন দেখার পর রোস্টার ডিলিট হয়ে যাওয়া সত্যিই কষ্টের বিষয়।
তবে আবেগের পাশাপাশি বাস্তবতাও বুঝতে হবে। শুধু বোয়েসেল অফিসের সামনে আন্দোলন করলেই দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা পাওয়া যাবে না। কারণ BOESL কাউকে সরাসরি ভিসা দেয় না। ভিসা দেওয়া হবে কি হবে না, সেটা মূলত নির্ভর করে দক্ষিণ কোরিয়ার মালিক পক্ষ (Employer) এবং HRD Korea এর উপর।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— রোস্টার ভুক্ত ও রোস্টার ডিলিট হওয়া কর্মীদের বুঝতে হবে, মূলত তাদের কথা চিন্তা করেই ২০২৪ সালের পর থেকে নতুন সার্কুলার দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা হয়েছে। যাতে নতুন পরীক্ষার্থী ও নতুন রোস্টার যুক্ত হলে পুরাতন রোস্টার ভুক্তদের ভিসা ইস্যু আরও কমে না যায়। অর্থাৎ পুরাতনদের অগ্রাধিকার দিতেই সার্কুলার সীমিত রাখা হয়েছে।
তারপরও যদি দাবি তোলা হয় “নতুন সার্কুলার দেওয়া যাবে না”, তাহলে সেটা বাস্তবতার সাথে যায় না। কারণ HRD Korea ও BOESL এর সম্পর্ক এবং EPS চুক্তির বড় ভিত্তিই হলো নিয়মিত সার্কুলার ও পরীক্ষা কার্যক্রম। সার্কুলার থাকলে EPS TOPIK ব্যবস্থা সচল থাকে, নতুন পরীক্ষা হয়, চুক্তি কার্যকর থাকে। কিন্তু দীর্ঘদিন সার্কুলার বন্ধ থাকলে পুরো প্রক্রিয়াই দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সহজভাবে বললে — সার্কুলার আছে মানে EPS ব্যবস্থা চালু আছে, সার্কুলার নেই মানে ভবিষ্যতে পুরো ব্যবস্থাই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই সার্কুলার খুব দ্রুত হওয়া উচিত। কারণ সার্কুলার হলে রোস্টার ডিলিট হওয়া ব্যক্তিরাও আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। কিন্তু সার্কুলারই যদি বন্ধ থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগও থাকবে না।
এখানে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। HRD Korea ইতিমধ্যে রোস্টার ডিলিট হওয়াদের জন্য সরাসরি পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে। অর্থাৎ তারা পুরো দরজা বন্ধ করে দেয়নি। তাই বাস্তবতা বুঝে সেই সুযোগ কাজে লাগানোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখতে হবে, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের অনুরোধে কর্মী নেয় না; তারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মী নেয়। তাই “আমাদের নিতেই হবে” — এমন মনোভাব কোরিয়ানদের কাছে নেতিবাচক বার্তা দিতে পারে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সম্পর্ক, আস্থা ও দেশের ভাবমূর্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার মালিক পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের কিছু কর্মীর আচরণ, ভাষাগত দুর্বলতা, চুক্তি ভঙ্গসহ বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তুষ্ট। এর প্রভাব ইতিমধ্যে ভিসা ইস্যুর উপর পড়ছে। দিন দিন ভিসা সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে এসব কারণও রয়েছে।
সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলো— দক্ষিণ কোরিয়া শুধু বাংলাদেশ থেকেই কর্মী নেয় না। তারা আরও অনেক দেশ থেকে কর্মী নিচ্ছে। অতীতে বিভিন্ন দেশের সাথে HRD Korea EPS চুক্তি স্থগিত বা বাতিলও করেছে। তাই এমন কোনো আন্দোলন বা দাবি করা উচিত না, যা পুরো বাংলাদেশের EPS ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।
আন্দোলন অবশ্যই নাগরিক অধিকার। কিন্তু সব দাবি আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করা যায় না। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আবেগের চেয়ে কৌশল, দক্ষতা ও ইতিবাচক সম্পর্ক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তাই নতুন সার্কুলার বন্ধ রাখার দাবির পরিবর্তে বাস্তবসম্মত দাবি, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা উচিত। কারণ একটি ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব শুধু আজকের আন্দোলনকারীদের উপর নয়, ভবিষ্যৎ হাজারো বাংলাদেশি EPS প্রত্যাশীর উপরও পড়তে পারে।

15/05/2026

🇰🇷📌 অটো রোস্টার নয়, প্রয়োজন দক্ষতা ও বাস্তবসম্মত চিন্তা 🇰🇷

যারা দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাস করে বা কোরিয়ার সিস্টেম সম্পর্কে জানেন, তারা খুব ভালো করেই জানে—এখানে কোনো দক্ষতার মূল্যায়ন চিরস্থায়ী নয়।
TOPIK, KIIPসহ বিভিন্ন ভাষা দক্ষতা পরীক্ষারও নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর আবার পরীক্ষা দিয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়। কারণ কোরিয়ার সিস্টেমে দক্ষতা যাচাইয়ের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড আছে।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—
দুই বছর পর রোস্টার ডিলিট হয়ে গেলে পুনরায় পরীক্ষার মাধ্যমে সুযোগ পাওয়ার যে ব্যবস্থা রয়েছে, সেটিকে পুরোপুরি অস্বীকার করে “অটো রোস্টার” দাবি করা কতটা যৌক্তিক?
অটো রোস্টার চালু হলে বাস্তবতা হলো—
নতুন করে সার্কুলার হওয়ার সুযোগ কমে যাবে। একই ব্যক্তিরা বারবার রোস্টারে থেকে যাবে, আবার ডিলিট হয়ে পুনরায় রোস্টারভুক্ত হবে। এতে নতুন পরীক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ সংকুচিত হবে।
আমাদের কি শুধু নিজের সুযোগের কথা চিন্তা করা উচিত, নাকি ভবিষ্যৎ নতুন প্রজন্মের কথাও ভাবা উচিত?
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
দক্ষিণ কোরিয়া বরাবরই বাংলাদেশি কর্মীদের ভাষাগত দুর্বলতাকে একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখে। ভাষাগত অযোগ্যতা কোরিয়ানদের কাছে নেতিবাচক বার্তা দেয়, যা ভিসা কম ইস্যু হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবেও বিবেচিত হয়।
এমন অবস্থায় যদি অটো রোস্টার চালু হয়, তাহলে দক্ষতা মূল্যায়নের গুরুত্ব আরও কমে যেতে পারে, যার প্রভাব পুরো বাংলাদেশের EPS প্রক্রিয়ার উপর পড়বে।
তাই প্রয়োজন “অটো রোস্টার” নয়, বরং যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে কোরিয়ায় যাওয়ার মানসিকতা তৈরি করা।
কারণ এটি শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়; এটি দেশের ভাবমূর্তি, ভবিষ্যৎ কর্মীদের সুযোগ এবং বাংলাদেশি কর্মীদের সামগ্রিক গ্রহণযোগ্যতার সাথেও জড়িত।
এখানে আরেকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখা জরুরি—
প্রতিটি সার্কুলারে BOESL স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে:
“EPS-TOPIK UBT পরীক্ষায় পাশ বা ফেল দক্ষিণ কোরিয়া গমনের নিশ্চয়তা বহন করে না।”
অর্থাৎ, শুধুমাত্র পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়াই চূড়ান্ত নিশ্চয়তা নয়। পুরো প্রক্রিয়াটিই নির্ভর করে দক্ষতা, চাহিদা, সিস্টেম এবং কোরিয়ান পক্ষের মূল্যায়নের উপর।
আন্দোলন অবশ্যই নাগরিক অধিকার।
কিন্তু সেই দাবির ভেতরে যুক্তি, বাস্তবতা, দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এবং সিস্টেমের প্রতি সম্মান থাকা জরুরি।
কারণ একটি আবেগপ্রসূত বা ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব শেষ পর্যন্ত হাজারো সাধারণ কর্মীকে ভোগ করতে হতে পারে।
তাই আন্দোলনকারীদের প্রতি অনুরোধ—
বিষয়গুলো আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা ও দেশের সামগ্রিক স্বার্থ বিবেচনা করে দেখুন।

15/05/2026

🇰🇷 ১৬ মে থেকে শুরু হচ্ছে Beginner Korean TOPIK 1 (Level 1 & 2) নতুন ব্যাচ! 🇰🇷

📢 Korean Language Club, Chattogram এ আগামী ১৬ মে, শনিবার বিকাল ৩ টায় Beginner Korean TOPIK 1 (Level 1 & 2) কোর্সের নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু হতে যাচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, TOPIK 1 ও EPS-TOPIK UBT প্রস্তুতির জন্য কোরিয়ান ভাষার শক্তিশালী মৌলিক ভিত্তি গড়ে তুলতে এখনই সঠিক সময়। ✨

🎯 এই কোর্সটি বিশেষভাবে উপযোগী—
✅ সেপ্টেম্বর ইন্টেকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য।
✅ ১০৮তম TOPIK 1 পরীক্ষার প্রস্তুতিপ্রার্থীদের জন্য।
✅ EPS-TOPIK UBT পরীক্ষার মৌলিক প্রস্তুতির জন্য।
✅ SSC পরবর্তী সময় দক্ষতা উন্নয়নে কাজে লাগাতে আগ্রহীদের জন্য।

📚 কোর্সে থাকছেঃ
🔹 Vocabulary & Grammar
🔹 Reading & Listening
🔹 Speaking & Writing

📝 TOPIK 1 Question Pattern অনুযায়ী মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং বিগত TOPIK 1 পরীক্ষার কমপক্ষে ৪টি প্রশ্নপত্র অনুশীলন করানো হবে।

📘 পাঠদান করা হবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত King Sejong Institute এর বই—
📕 Sejong Korean 1A
📗 Sejong Korean Workbook 1

📌 আমরা কোনো বাংলা বই অনুসরণ করি না।
শিক্ষার্থীদের সরাসরি কোরিয়ান মৌলিক Textbook এর মাধ্যমে পাঠদান করা হয়, যাতে ভাষার প্রকৃত ভিত্তি শক্তিশালী হয়।

🌟 যারা নিয়মিত ও একাডেমিক পরিবেশে কোরিয়ান ভাষা শিখতে আগ্রহী, তাদের অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো যাচ্ছে।
📍 Korean Language Club, Chattogram










14/05/2026

🇰🇷⚠️ দক্ষিণ কোরিয়া স্টুডেন্ট ভিসা: প্রতারণামূলক এজেন্সি থেকে সতর্ক থাকুন! 🇰🇷

বর্তমানে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষার আগ্রহ বাড়ার সাথে সাথে অসংখ্য এজেন্সি গড়ে উঠেছে—যাদের অনেকেই যথাযথ অভিজ্ঞতা, স্বচ্ছতা কিংবা বৈধতা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করছে।
চটকদার বিজ্ঞাপন, “গ্যারান্টি ভিসা”, “নিশ্চিত ভর্তি”, “স্টাডি গ্যাপ সমস্যা না” ইত্যাদি কথার মাধ্যমে অনেক শিক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
দেখা যাচ্ছে, কিছু এজেন্সি—
🔰 এইচএসসি পাশের দীর্ঘ স্টাডি গ্যাপ থাকা শিক্ষার্থীদেরও অবাস্তব আশ্বাস দিচ্ছে।
🔰 বয়স ও একাডেমিক যোগ্যতা বিবেচনা না করেই ফাইল গ্রহণ করছে।
🔰 শুরুতেই বিভিন্ন খাতে অগ্রিম টাকা নিচ্ছে।
🔰 অনেক শিক্ষার্থীর ফাইল একসাথে নিয়ে শেষ পর্যন্ত খুব অল্প সংখ্যকের ভিসা নিশ্চিত করতে পারছে।
🔰 ভিসা না হলেও “প্রসেসিং”, “ডকুমেন্ট”, “বিশ্ববিদ্যালয় যোগাযোগ” ইত্যাদি অজুহাতে অর্থ ফেরত দিচ্ছে না।

📢বাস্তবতা হলো, দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিসা প্রক্রিয়ায় একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, স্টাডি গ্যাপ, বয়স, আর্থিক সক্ষমতা ও ডকুমেন্টের সত্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
শুধু এজেন্সির কথার উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিলে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

📌 তাই আবেদন করার আগে অবশ্যই—
✅ এজেন্সির পূর্বের সফলতার তথ্য যাচাই করুন।
✅ লিখিত চুক্তি ছাড়া অর্থ প্রদান করবেন না।
✅ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য মিলিয়ে নিন।
✅ নিজের ডকুমেন্ট নিজে বুঝে জমা দিন।
✅ সম্ভব হলে নিজে নিজে আবেদন করার চেষ্টা করুন।

বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে একজন শিক্ষার্থী নিজেও আবেদন সম্পন্ন করতে পারে।
সচেতনতা ও সঠিক তথ্যই পারে প্রতারণা থেকে রক্ষা করতে।
শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আবেগ দিয়ে নয়, যাচাই-বাছাই করে নিন। 🇰🇷🎓











#সতর্কতামূলক_পোস্ট
#দক্ষিণ_কোরিয়া
#স্টুডেন্ট_ভিসা

13/05/2026

ওয়ানস্টপ সেবার মাধ্যমে আগামী ১৮ মে ২০২৬ তারিখ ১৫ জন ইপিএস প্রার্থীর ফ্লাইট সংক্রান্ত নোটিশ:

ফ্লাইটের ধরণ: শিডিউল ফ্লাইট (ভায়া ব্যাংকক)
কর্মীর ধরণ: জেনারেল।
দক্ষিণ কোরিয়া প্রবেশ: ১৯ মে ২০২৬ তারিখ ১৫ জন, মঙ্গলবার।

সংশ্লিষ্ট সকলকে অবশ্যই প্রদত্ত নোটিশ পড়ে বর্ণিত কার্যাদি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর সন্নিকটে উত্তরায় নির্ধারিত হোটেলে অবস্থান করে নির্ধারিত প্রশিক্ষণসহ ওয়ান স্টপ সেবা গ্রহণের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত কার্যাদি গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো:

১। HRD-Korea থেকে নিম্নবর্ণিত ১৫ জন প্রার্থী আগামী ১৯ মে ২০২৬ তারিখ দক্ষিণ কোরিয়ায় গমন করবে সংক্রান্ত ইমেইল পাওয়া গিয়েছে। সেমতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বোয়েসেল থেকে বার্তা প্রেরণ করা হবে/হয়েছে;

২। আগামী ১৫ মে ২০২৬ তারিখ শুক্রবার বিকেল ৩ টা থেকে ৪ টার মধ্যে নিম্নবর্ণিত হোটেলে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত মেডিকেল সেন্টারের প্রতিনিধি কর্তৃক সিফিলিস টেস্ট সম্পন্ন করতে হবে। সিফিলিস টেস্টে কেউ পজিটিভ শনাক্ত হলে হোটেলে অবস্থান করা যাবে না। প্রয়োজনীয় টেস্ট-এর সময় প্রার্থীর ৩ (তিন) কপি রঙিন পাসপোর্টের কপি, ছবি এবং লেবার কন্ট্রাক্ট সঙ্গে রাখতে হবে;

৩। ফ্লাইটের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় লাগেজ ও সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। শীত নিবারণের প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিতে হবে (প্রায় সময় কোরিয়ায় প্রচন্ড শীত থাকে)। প্রার্থী চাইলে হোটেলে অবস্থানকালীন প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য এবং ট্রানজিটকালীন সময়ে অল্প পরিমান শুকনো খাবার যেমন খেজুর ও বিস্কিট সঙ্গে রাখতে পারবেন। তবে লাগেজে কোনো ধরনের খাদ্য দ্রব্য, মসলা, সকল প্রকার তামাক জাতীয় দ্রব্য, বডি স্প্রে, আতর, প্রেসক্রিপসন ব্যতীত কোন প্রকার ওষুধ ইত্যাদি সঙ্গে রাখা যাবে না;

৪। লাগেজের সাইজ ২৫-২৭ ইঞ্চি (মিডিয়াম) এবং ওজন সর্বোচ্চ ২৩ কেজি এবং হ্যান্ড লাগেজের সাইজ ২১ ইঞ্চি (মিডিয়াম) সর্বোচ্চ ৭ কেজি (নমুনা সংযুক্ত);

৫। দি রিপাবলিক অব কোরিয়া (দক্ষিণ কোরিয়া) হতে নির্ধারিত কোম্পানির অধীন চাকরির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছি, আমি নিয়োগকর্তা কর্তৃক অটোরিলিজ ব্যতীত তুচ্ছ কারণে এক বছরের মধ্যে কর্মস্থল পরিবর্তন করব না বা রিলিজ নিবো না বা অন্য কোম্পানিতে চাকরির জন্য চুক্তিবদ্ধ হব না এবং চাকরি/ভিসার মেয়াদ সম্পন্ন শেষে দক্ষিণ কোরিয়াতে অবৈধভাবে অবস্থান করব না এবং তুচ্ছ কারণে নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ/মামলা করবো না মর্মে প্রত্যেক কর্মী থেকে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা প্রদান করতে হবে;

৬। উক্ত অঙ্গিকারনামা প্রার্থীর অভিভাবক (বাবা /মা /ভাই /বোন /স্ত্রী) স্বাক্ষর করতে হবে। বিধায় হোটেলে প্রবেশের দিন অভিভাবক সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে এবং অবশ্যই অভিভাবকের ছবি, জন্ম নিবন্ধন/জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে।

৭। নির্ধারিত প্রশিক্ষণ গ্রহণের লক্ষ্যে প্রার্থীদের জুম অ্যাপস উপযোগী নিজস্ব মোবাইলে ইন্সটল করে জুম ক্লাস গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেয়া হলো। জুম ক্লাসের সময় অবশ্যই একটি নোটবুক/ডায়েরী এবং কলম সঙ্গে রাখতে হবে।

উল্লেখ্য যে, দক্ষিণ কোরিয়ায় সুশৃঙ্খলভাবে গমনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জনসমাগম এড়িয়ে চলারও পরামর্শ দেয়া হলো। তাছাড়া ইপিএসকে আরও শক্তিশালীকরণ এবং নির্ধারিত কোটা পূরণের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে বর্ণিত প্রার্থী থেকে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হবে:
ক) বাংলাদেশে হোটেলে থাকা অবস্থায় হোটেলের নিয়ম-নীতি অনুসরণ এবং নির্ধারিত রুম থেকে কোনো অবস্থায় বের হবো না;
খ) কোনো ধরণের খাদ্য দ্রব্য ও বীজ ল্যাগেজ/বিমান-এ বহন করবো না;
গ) ফেইস মাস্ক পরিধান করবো;
ঘ) ট্রানজিটের ক্ষেত্রে দুই বিমান বন্দরে খাদ্য গ্রহণ ও ধূমপান থেকে বিরত থাকবো;
ঙ) দক্ষিণ কোরিয়াতে এয়ারপোর্ট ও কোরিয়ার নির্ধারিত প্রশিক্ষণে অন্যান্য বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকবো;
চ) বোয়েসেল কর্তৃক নির্ধারিত গ্রুপ লিডারকে অনুসরণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল নিশ্চিত করবো;
ছ) এইচআরডি কোরিয়া ও বোয়েসেল-এর নির্ধারিত নিয়মনীতি বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করবো;
জ) একাধিক পাসপোর্ট থাকলে ফ্লাইটের সময় সবগুলো পাসপোর্ট অবশ্যই নিজের সাথে বহন করবো;
ঝ) রেজিস্টার্ড ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন ঔষধ বহন করবো না এবং
ঞ) উল্লেখ্য যে, মাংস, মাংসজাত পণ্য, পশুজাত পণ্য, ডিমজাত পণ্য, দুগ্ধজাত পণ্য এবং সমস্ত উদ্ভিদজাত পণ্য বহন করলে যাচাইয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করে বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং জরিমানা সর্বনিম্ন ১ কোটি কোরিয়ান ওন পর্যন্ত (ইনচন বিমানবন্দর আঞ্চলিক সদর দপ্তর, কৃষি, খাদ্য ও গ্রামীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয় দক্ষিণ কোরিয়া)।

উপর্যুক্ত শর্তে রাজি এবং নির্ধারিত টেস্টে রেজাল্ট ইতিবাচক হলে আগামী ১৯ মে ২০২৬ তারিখ ১৫ জন ইপিএস কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় গমন করবে। প্রার্থীর সুবিধার্থে হোটেলে থাকা অবস্থায় ইপিএস কর্মী থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ টিকেট ফি গ্রহণ করবেন।

হোটেলের নাম:
Hotel Serial No: 01 (A)
Serial No: 01 to 15
Hotel Silver Paradise
House 03, Road 13/D, Sector 06, (Near North City
Corporation Office Front Side) Uttara, Dhaka –1230,
MOBILE: +88 01701 522109

প্রার্থীরদের রেফারেন্স নম্বর, নাম ও জন্ম তারিখ:
1 31597 SEN SUMON 1995/05/20
2 31620 MIAH SHIAM 1996/10/19
3 31621 MISTRY ANJAN KUMAR 1997/01/05
4 31632 MOHAMMAD NUR 1997/10/05
5 31634 SAMAD ABDUS 2000/06/09
6 31636 MILON MD MAHEDI SAMAD 1997/05/01
7 31637 HOSSEN MD FAISAL 2001/01/17
8 31638 SHOVON SHAHRIAR RAHMAN 2005/02/11
9 31639 RAHMAN SABBIR 2000/11/05
10 31642 JUBAYER 2002/08/08
11 31643 HOSSEN MD SHAKIB 2003/09/21
12 31644 MIA MD ROBIN 1998/10/10
13 31646 ISLAM ARIFUL 1991/06/05
14 31648 RAHMAN SAJIBUR 2004/12/23
15 31652 ISLAM SAIFUL 2005/12/05

হোটেলে অবস্থানের মাধ্যমে ওয়ানস্টপ সেবা প্রদানের কারণ:
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন ২০১৩ অনুযায়ী অভিবাসন প্রত্যাশী কর্মীগণের বিদেশ গমনের প্রয়োজনে ৩ দিনের প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (PDO) সম্পন্ন বাধ্যতামূলক। তাছাড়া বোয়েসেল পরিচালনা পর্ষদের ২৬০তম সভার সিদ্ধান্ত ও এইচআরডি কোরিয়া কর্তৃক নির্ধারিত কারিকুলাম অনুযায়ী ইপিএস কর্মীদের ফ্লাইটের পূর্বে ৩ দিন ব্যাপী ২০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। কোভিড অতিমারির পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীগণ বোয়েসেল অফিসে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে উক্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকে।

কোভিড অতিমারিকালীন কোভিড রোধকল্পে ২০২১ সালে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সঙ্গনিরোধ অবস্থায় উক্ত প্রশিক্ষণ ভার্চুয়াল প্লাট ফর্মে প্রদান করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ইপিএস কর্মীদের ফ্লাইটের পূর্বে ৭ দিন হোটেলে অবস্থান নিশ্চিত করে ভার্চুয়াল প্লাট ফর্মে নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রদান, নির্ধারিত হোটেলে মেডিকেল সেন্টার কর্তৃক সিফিলিস ও ভিডিআরএল টেস্ট, এয়ারলাইন্স কর্তৃক হোটেল থেকে নির্ধারিত এয়ার টিকিট ফি গ্রহণ, অঙ্গীকারনামা গ্রহণ, পাসপোর্ট, টিকিট, ভিসা, নির্ধারিত নেইম ট্যাগ বিতরণ, ই-অ্যারাইভাল কার্ড ও কিউ কোড গ্রহণ, বোয়েসেল পক্ষ হতে কোরিয়ান নিয়োগকর্তাকে ক্রেস্ট প্রদান এবং বহির্গমন কার্যাদিসহ প্রয়োজনীয় সেবা ওয়ান স্টপভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে। তাছাড়া এইচআরডি কোরিয়ার চাহিদা মোতাবেক ইপিএস কর্মীদের লাগেজ চেক করে নিষিদ্ধ খাদ্য দ্রব্য অপসারণ করে বোয়েসেল-এর ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত পরিবহনের মাধ্যমে হোটেল থেকে বিমান বন্দরে পৌঁছানো হয়ে থাকে।

ভার্চুয়াল প্লাট ফর্মে নির্ধারিত প্রশিক্ষণে মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, মিশন অডিটের কর্মকর্তা, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক/ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ দূতাবাস সিউলের কর্মকর্তা, কোরিয়ান নেটিভ, এইচআরডি কোরিয়ার প্রতিনিধি, কেবিজ এর প্রতিনিধি, দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশে সফল ইপিএস কর্মী গেস্ট স্পিকার হিসেবে অনলাইনে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। কিন্তু বোয়েসেলে অফিসে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হলে উক্ত গেস্ট স্পিকারগণের মধ্যে অধিকাংশ গেস্ট স্পিকার পক্ষে সরাসরি ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে না।

কোভিড অতিমারির পর অর্থাৎ বর্তমান স্বাভাবিক অবস্থায় একজন ইপিএস কর্মী বোয়েসেল অফিসে উপস্থিত হয়ে ৩ দিনের নির্ধারিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও ফ্লাইটের পূর্বে পাসপোর্ট-টিকিট-ভিসা-নির্ধারিত নেইম ট্যাগ গ্রহণ, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা, এয়ারলাইন্স কর্তৃক নির্ধারিত এয়ার টিকিট ফি পরিশোধ, ট্রাভেল বীমার ফি পরিশোধ এবং বহির্গমন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাদি নিজ উদ্যোগে সম্পন্ন করতে সময়ের অপচয়সহ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে। এ সকল কারণে এইচআরডি কোরিয়া থেকে ইপিএস কর্মীদের চূড়ান্ত ফ্লাইটের তালিকা প্রাপ্তির পর উক্ত প্রার্থীদের ফ্লাইটের লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর সন্নিকটে উত্তরায় নির্ধারিত হোটেলে ৩ দিন অবস্থান করে বর্ণিত কার্যাদি সম্পন্ন করার পর দক্ষিণ কোরিয়ায় গমন নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে একজন কর্মীর খাওয়া থাকাসহ ব্যয় হচ্ছে দৈনিক তিন হাজার টাকা। ফলে ইপিএস কর্মী ৩ দিনের নির্ধারিত প্রশিক্ষণ, বহির্গমন সংক্রান্ত সকল সেবা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা হোটেল থেকে গ্রহণ করে নির্ধারিত পরিবহনের মাধ্যমে বিমান বন্দরে পৌছানোর পর বর্হিগমন সম্পন্ন করে নিরাপদে দক্ষিণ কোরিয়া গমন করে।

13/05/2026

📢 নোটিশ :
১৬ মে বিকেল ৩ টায় Beginner Korean TOPIK 1 নতুন ব্যাচ শুরু হবে।
আগ্রহীদের অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

13/05/2026

📢 ভিসা আবেদনকারীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা — বাধ্যতামূলক হচ্ছে QR Code যাচাই ব্যবস্থা 🇧🇩

বিদেশে ভিসা আবেদনকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভিসা আবেদন সংক্রান্ত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও অন্যান্য আর্থিক নথিপত্র যাচাই আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে নতুন ব্যবস্থা চালু করা হবে।

📌 নতুন নির্দেশনার মূল বিষয়সমূহঃ
✅ ভিসা আবেদনের জন্য ইস্যুকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট/সার্টিফিকেটে বাধ্যতামূলকভাবে QR Code সংযুক্ত করতে হবে।
✅ QR Code স্ক্যান করে নিচের তথ্য যাচাই করা যাবে—
📍 Account Number
📍 Account Name
📍 Opening Balance
📍 Closing Balance
📍 Statement Generation Date

✅ তথ্যসমূহ কমপক্ষে ৩৬ মাস সংরক্ষণ করতে হবে।
✅ নির্দেশনা জারির তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

🎯 এই উদ্যোগের ফলে—
👉 জাল বা ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রতিরোধ সহজ হবে।
👉 দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত হবে।
👉 ভিসা আবেদনকারীদের সময় ও ঝামেলা কমবে।
👉 আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল যাচাই ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা, চাকরি বা ভ্রমণের জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আপডেট। ✈️🌍

13/05/2026

🇰🇷 ১০৭তম TOPIK-PBT পরীক্ষার সময়সূচী ঘোষণা! 📢

১০৭তম TOPIK-PBT পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশিত হয়েছে। যারা আন্তর্জাতিকভাবে TOPIK পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা এখন থেকেই পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন। 🇰🇷📚

📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহঃ
🗓️ রেজিস্ট্রেশন সময় : ১২ মে – ১৮ মে, ২০২৬
📝 পরীক্ষার তারিখ : ৫ জুলাই, ২০২৬ (রবিবার)
📢 ফলাফল প্রকাশ : ১৩ আগস্ট, ২০২৬

✅ TOPIK-PBT পরীক্ষার বিশেষ সুবিধাসমূহঃ
🔰 কোনো ভাইভা পরীক্ষা নেই।
🔰 রবিবারে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় চাকরিজীবীদের জন্য সুবিধাজনক।
🔰 উত্তীর্ণ হওয়ার পর উচ্চতর লেভেলে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ।
🔰 দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ ও বিভিন্ন সুযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⚠️ উল্লেখ্যঃ বর্তমানে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ১০৭তম TOPIK-PBT পরীক্ষাটি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে না। বাংলাদেশে পরবর্তী ১০৮ তম TOPIK পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

🎯 তাই যারা TOPIK পরীক্ষার লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা এখন থেকেই নিয়মিত অনুশীলন ও প্রস্তুতি চালিয়ে যান।

🇰🇷 সফলতার পথে এগিয়ে যেতে পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন। ✨









Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


193 Bayazid Bostami Road, Chattogram
Chittagong