16/08/2024
চুয়েটের একজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে নামঃ মাসুদ হোসেন রুবেন। অফিসঃ পার্সোনাল প্রশাসন। পদবি:রেকর্ড কিপার(৩য় শ্রেণীর কর্মচারী) । নামে সে একজন ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী হলেও তার ক্ষমতা অনেক। এবং তার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকায় তিনি অনেক শিক্ষকের বিশ্বস্ত লোক ও সোর্স হিসেবে কাজ করে। এছাড়া ক্ষমতাধর ব্যক্তি হওয়ায় তার মন মতো অফিস করতেন। এবং তার অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই বিষয়ে ভয় কিছু বলতে পারতেন না।
মূল কথায় আসি মাসুদ হোসেন রুবেল হচ্ছেন রাউজান উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি এবং পাহাড়তলীর চেয়ারম্যানের এবং এমপি মহোদয় বিসস্ত লোক। যার কারনে ক্ষমতা অনেক। তার কথা আপনাদেরকে বলার কারণ
ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা সমূহঃ
ঘটন ১ঃ আরো ৫-৬ বছর আগে সম্ভবত চুয়েটর ছাত্রছাত্রীদের সাথে পাহাড়তলী এরিয়ার রাজনৈতিক নেতাদের সাথে কনো একটি বিষয় নিয়ে জামেলা হয়। আপনাদের সিনিয়রদের থেকে হয়তো এই ব্যাপারে জানতে পারবেন। তখন এই মাসুদ হোসেন রুবেল চুয়েটে চাকুরী করার সর্তেও চেয়ারম্যান সহ দলবল নিয়ে চুয়েট গেটের বাহিরে সার্বক্ষনিক উপস্থিত ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের মারার জন্য এবং মাসুদ হোসেন রুবেলের হাতে লাঠি সোটা ও ছিল। যতটুকু মনে পড়ছে সেই ঘটনায় মাড়ামাড়ি ও দুর্বৃত্তদের পক্ষ হতে গোলাগুলিও করা হয় ছাত্রছাত্রীদের উপর। বাকি ঘটনা আপনাদের সিনিয়রদের থেকে শুনে নিয়েন।
ঘটনা ২ঃ
কোঠা আন্দোলনের সময় অহেতুক যখন চুয়েট ছাত্রছাত্রীদের উপর শহরের ছাত্রলীগ দ্বারা মারপিট ও নির্যাতন করা হয়, সেই দিন ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গেটের ভিতরে অবস্থান করছিল ঠিক সেই সময় এই মাসুদ হোসেন রুবেল এমপির নির্দেশে চেয়ারম্যানের নেতাকর্মী ও ছেলেপেলে লাঠি সোটা নিয়ে গেটের বাহিরে অবস্থান করছিল, যদি ছাত্রছাত্রীরা গেটের বাহিরে যায় তাদের আটকানোর জন্য, যদি তাতেও না মানে এটাক করার প্ল্যান ছিল তাদের।
এই ব্যাক্তি সব সময় ক্যাম্পাসে চেয়ারম্যান ও এমপির নৈরাজ্য বজায় রাখতো, ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী কি করত না করত সকল খবরাখবর চেয়ারম্যান ও এমপির কাছে পৌঁছে দিত।আর আপনারা ছাত্রছাত্রীরা তো জানেন চেয়ারম্যান কিরকম ইম্প্যাক্ট ফেলে চুয়েটে। চুয়েটের অবকাঠামো গত উন্নয়ন ধীর গতিতে চলার অন্যতম কারণ চেয়ারম্যান। টেন্ডার নিয়ে, সময় মত কাজ করে না এবং কাজে দুর্নীতি করে অনেক। চেয়ারম্যানের এই সকল এজেন্ডা গুলোতে সহায়তা করে থাকে মাসুদ হোসেন রুবেল। এই ব্যাক্তি পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড থাকায় অনেক শিক্ষকেরও সে বিশ্বস্ত। সেই সুবাদে অনেক শিক্ষক প্রায় সময় তার বাসায় দাওয়াতও খেতে যেতো।
তিনি কর্মচারী হয়েও শিক্ষক,চ্যায়ারম্যান ও এমপির দালালীর মাধ্যমে কর্মচারীদের অনেক বড় বড় ক্ষতি করে এসেছে।
কর্মচারীদের পক্ষে ক্ষতি সমূহঃ
১. কর্মচারী সমিতির আগের কমিটিতে তিনি সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সেখানে অনেক অনিয়ম ও আর্থিক কেলেঙ্কারি ও করেছে যার কারণে আমরা অনেক সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়েছি।
২.প্রশাসন কর্তৃক কর্মচারীরারা কোন কিছু থেকে বঞ্চিত হলে কর্মচারীরা অভ্যন্তরীন মেসেঞ্জার গ্রুপের সেটি নিয়ে লেখা লেখি করলে,সেই চ্যাট প্রশাসনের নিকট পৌঁছে দিতো।
৪. কোন কর্মচারী রাজনৈতিক বিষয়ে কোনো কিছু লিখলে সেটি স্ক্রিনশট নিয়ে পৌঁছে দিতেন রাজনৈতিক নেতাদের কাছে এবং উক্ত কর্মচারীকে হেনস্থাও করতেন। কোটা অন্দোলন নিয়ে যখন অনেক কর্মচারী পোষ্ট দিয়েছে সেকল কর্মচারীরা কেনো সেটি লেখলো তা নিয়ে হেনোস্তা করেছে।
৫. সহযোগীদের সব সময় ভয় বিতির মধ্যে রাখতেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ক্ষতিসমূহঃ
১. চেয়ারম্যান ও এমপির কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস।
২. এমপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। এবং প্রত্যেক নিয়গে তার লোক থাকে।
৩.
এতো এতো অনিয়ম করেছে যে তার বিরুদ্ধে লিখে শেষ করা যাবে না এবং এই মূহুর্তে মনেও পড়ছে না। বলতে পারেন এতদিন এগুলো বলিনি কেন, আসলে ভাইয়া ভয়ে কারণে আমাদের ফ্যামিলি আমাদের উপরে নির্ভর। ওনার একটি স্ক্রিনশটে দেখবেন কোটা আন্দোলনের পক্ষে আছি তবে এখন যেটা চাচ্ছেন সেটার পক্ষে না। এটা পুরোটা একটা নাটক। কোটা আন্দোলনের প্রথম থেকেই তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের এটা করা উচিত নয় ঐইটা করা উচিত নয় এবং গালাগালিও করেছেন এ বিষয়ে। আমি নিজে স্টুডেন্ট হওয়ার পরেও এ ধরনের কথাবার্তা শুনে অসহায় হয়ে চুপ হয়ে থাকতাম মনে মনে অনেক রাগ কাজ করতো কিন্তু কিছুই করতে পারতাম না কারণ তারা ক্ষমতাশীল। আপনাদের কাছে মেসেজ দিয়েছি যদি আপনারা কিছু একটা করতে পারেন। আপনারা দেশ পরিবর্তনের সাথে সাথে চুয়েট পরিবর্তন করার মিশনে নেমেছেন,এদের মতো মানুষকে কিছু একটা ব্যবস্থা করতে না পারলে আপনাদের আমাদের এই প্রাণের চুয়েট পরিবর্তন হবে না। চুয়েটের গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং প্রশাসনিক ভবন ২ বিল্ডিং এ তার অফিস হওয়ায় সে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে থাকে এজন্য বলছি কিছু যদি করতে না পারেন এই ব্যাক্তিকে প্রশাসনিক ভবন ২ বিল্ডিং থেকে এটলিষ্ট বের করে দেওয়ার ব্যাবস্থা করিয়েন।
একটি রিকুয়েস্ট আমার পরিচয় গোপন রাখবেন অনেক সাহস নিয়ে লেখেছি এবং এননিমাউস ভাবে পোষ্ট টা করবেন। এরকম অনিয়ম হলে আপনাদের ভবিষ্যতে আবারো জানাবো। ওনার প্রোফাইল থেকে ছবি নিয়ে পোষ্টের সাথে আড্ডা বাজ গ্রুপে শেয়ার করিয়েন।
আর আমি সংযুক্তি হিসেবে আরো ছবি ফরওয়ার্ড করছি এইগুলা পোস্টের কমেন্টে এটাচমেন্ট করে দিয়েন আর ভাই এর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিয়েন আপনারা ছাত্র ভাইয়েরা।
সর্বপারি ছাত্র সমাজের হাত ধরে আমাদের এই প্রণের চুয়েট সুন্দর হওক এই দোয়া করি।
মাসুদ হোসেন রুবেলের আয়ডি লিংকঃ https://www.facebook.com/mdmasud.rubel.50?mibextid=ZbWKwL