#এটা_আগে_কখনো_জেনেছেন?
#ব্রিটেন_ইংল্যান্ড_ও_যুক্তরাজ্য তিনটা
নাম দিয়ে একই অর্থ বুঝায় না:
-
ক: ইংল্যান্ড মানে শুধু ইংল্যান্ড
দেশটাকে বোঝায়।
-
খ: ব্রিটেন মানে: ইংল্যান্ড+ওয়েলস
+স্কটল্যান্ড।
-
গ: যুক্তরাজ্য হলো চারটা
স্বায়ত্বশাসিক রাষ্ট্রের সমষ্টি।
ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, উত্তর
আয়ারল্যান্ড।
-
ঘ: অন্যভাবে বলতে পারি: যুক্তরাজ্য
মানে: ব্রিটেন+উত্তর আয়ারল্যান্ড।
-
এখন Brexit শব্দটা বেশ অালোচিত হচ্ছে।
এটা মূলত গঠিত হয়েছে Britain এর Br ও exit
সহযোগে। সম্প্রতি ইউ থেকে বের
হয়েছে ‘ব্রিটেন’। আওতায় আসবে:
ইংল্যান্ড+ওয়েলস+স্কটল্যান্ড।
Lotus Academy
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Lotus Academy, Education, Sub area, ghatforhadbeg, near Andorkilla, Chittagong.
29/06/2016
♦♣"প্রোটোপ্লাস্ট ও প্রোটোপ্লাজম এর পার্থক্য"♦♣
♣প্রোটোপ্লাস্ট হল ( উদ্ভিদ / ব্যাক্টেরিয়া/ ফাংগাস এর) এমন সব কোষ, যাদের কোষপ্রাচীর অপসারণ করা হয়েছে যান্ত্রিকভাবে বা এনজাইমের মাধ্যমে।
জীবজগতে উদ্ভিদ, ব্যাক্টেরিয়া ও ফাংগাসের(ছত্রাক) কোষে কোষপ্রাচীর দেখতে পাওয়া যায়। এদের কোষ হতে যান্ত্রিক উপায়ে অথবা এনজাইম ব্যবহার করে কোষপ্রাচীর অপসারণ করা হলে যা অবশিষ্ট থাকে তাই হল প্রোটোপ্লাস্ট। ভেবে দেখ, কোষপ্রাচীর বাদে একটি কোষে আর কি কি থাকে??
১। কোষঝিল্লি। ( সজীব অংশ)
২। সাইটোপ্লাজম ও এতে ভাসমান অংগানু/ ক্ষুদ্রাংগ এবং বর্জ্য পদার্থ ( সজীব ও নির্জীব অংশ)
৩। নিউক্লিয়াস। ( সজীব অংশ)
তাহলে বোঝা যাচ্ছে, কোষপ্রাচীর ছাড়া কোষের বাকি সকল কিছু (সজীব ও নির্জীব/ জড় অংশ) নিয়ে প্রোটোপ্লাস্ট গঠিত । তাই এভাবেও বলা যায়, কোষপ্রাচীর দ্বারা পরিবেষ্টিত সমুদয় পদার্থকে একসাথে প্রোটোপ্লাস্ট বলে।
♣আর প্রোটোপ্লাজম হল উদ্ভিদ কোষের শুধুমাত্র সজীব অংশ। কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস (শুধু সজীব অংশ) দিয়ে প্রোটোপ্লাজম গঠিত। এটি ঘন, অর্ধতরল, স্বছ, জেলির ন্যায়, কলয়েড ধর্মী। উত্তাপে, এসিড / এলকোহলে এটি জমাট বাধে( ডিমের কথা চিন্তা কর!! ডিম কিন্তু একটা কোষ, আর এটিকে উত্তপ্ত করলে এটিও জমাট বাধে)।
♦তাহলে প্রোটোপ্লাজম হল কোষের সজীব অংশ আর প্রোটোপ্লাস্ট সজীব ও নির্জীব উভয় অংশ।
♦প্রোটোপ্লাজম, প্রোটোপ্লাস্ট এর অংশ। কিন্তু প্রোটোপ্লাস্ট, প্রোটোপ্লাজম এর অংশ নয়।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
★চিত্র: এনজাইমের মাধ্যমে উদ্ভিদকোষ হতে কোষপ্রাচীর অপসারিত করে প্রোটোপ্লাস্ট তৈরি।।
♦♣HSC জীববিজ্ঞান♣♦
♦উদ্ভিদবিজ্ঞান :১ম অধ্যায় : কোষ ও কোষের গঠন♦
উদ্ভিদ কোষের নির্জীব বস্তুসমূহ:
১/ সঞ্চিত পদার্থ : প্রোটিন, লিপিড, কার্বোহাইড্রেট।
২/ নিঃসৃত পদার্থ : এনজাইম, নেক্টার।
৩/ বর্জ্য পদার্থ :
খনিজ কৃস্টাল(crystal-C),
জৈব এসিড( organic acid-O), উদ্বায়ী তেল (oil -O),
ল্যাটেক্স (L),
রেজিন( R),
এলকালয়েডস(A),
ট্যানিন (T),
গাম (G)
(★মনে রাখার Mnemonic: "COOL RAT Gamble"!!)
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
★আগামীকাল হতে HSC জীববিজ্ঞানের ক্লাস শুরু হবে। (নতুন দের জন্য)
সময় : সকাল ৯টা।
★★H.S.C জীববিজ্ঞান (উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান) কোর্স★★
# মেডিকেল স্টুডেন্ট দ্বারা পরিচালিত।
# বাংলা ও ইংরেজি(NC) মাধ্যম।
# মাল্টিমিডিয়ার (LED monitor) ব্যবহার।
# উন্নত মানের ও সহজবোধ্য লেকচার শীট প্রদান।
# প্রতি ব্যাচ এ সীমিত সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী।
# প্রতি ক্লাস শেষে কুইজ আকারে টেস্ট।
# সকাল ও বিকালের আলাদা ব্যাচ।।
★ঠিকানাঃ
সাব এরিয়া, ঘাটফরহাদবেগ, আন্দরকিল্লা।★
★ বিস্তারিত : 01954195781.
২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি
খুঁজছেন, তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই
ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার
ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি, তখন কেউ কেউ নিজের
টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে
দিয়েই চলে যাচ্ছে। কর্পোরেটে যে সবসময় চেহারা
দেখে প্রমোশন দেয়, তা নয়। দিন বদলাচ্ছে,
কনসেপ্টগুলো বদলে যাচ্ছে। শুধু বেতন পাওয়ার জন্য
কাজ করে গেলে শুধু বেতনই পাবেন। কথা হল, কেন
এমন হয়? সবচাইতে ভালটি সবচাইতে ভালভাবে
করে কীভাবে? কিছু ব্যাপার এক্ষেত্রে কাজ করে।
দুএকটি বলছি।
প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা। যারা
আপনার চাইতে এগিয়ে, তারা আপনার চাইতে
বেশি পরিশ্রমী। এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ
আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায়
না। শুধু পরিশ্রম করলেই সব হয় না। তা-ই যদি হত,
তবে গাধা হত বনের রাজা। শুধু পরিশ্রম করা নয়,
এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা। অনলি ইওর
রেজাল্টস্ আর রিওয়ার্ডেড, নট ইওর এফর্টস্।
আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা
মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে? সবার দিনই তো
২৪ ঘণ্টায়। আমার বন্ধুকে দেখেছি, অন্যরা যখন
ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং
করে। ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই! আপনি
বাড়তি কী করলেন, সেটাই ঠিক করে দেবে, আপনি
বাড়তি কী পাবেন। আপনি ভিন্নকিছু করতে না
পারলে আপনি ভিন্নকিছু পাবেন না। বিল গেটস
রাতারাতি বিল গেটস হননি। শুধু ভার্সিটি
ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস কিংবা জুকারবার্গ
হওয়া যায় না। আমার মত অনার্সে ২.৭৪
সিজিপিএ পেলেই বিসিএস আর আইবিএ ভর্তি
পরীক্ষায় ফার্স্ট হয়ে যাওয়া যাবে না।
আউটলায়ার্স বইটি পড়ে দেখুন। বড় মানুষের বড়
প্রস্তুতি থাকে। নজরুলের প্রবন্ধগুলো পড়লে বুঝতে
পারবেন, উনি কতটা স্বশিক্ষিত ছিলেন। শুধু রুটির
দোকানে চাকরিতেই নজরুল হয় না। কিংবা
স্কুলকলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ হয়ে যাওয়া
যাবে না। সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে
চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না,
বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই
কাটিয়ে দেয়।
স্টুডেন্টলাইফে কে কী বলল, সেটা নিয়ে মাথা
ঘামাবেন না। আমাদের ব্যাচে যে ছেলেটা
প্রোগ্রামিং করতেই পারত না, সে এখন একটা
সফটওয়্যার ফার্মের মালিক। যাকে নিয়ে কেউ
কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি, সে এখন হাজার হাজার
মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। ক্যারিয়ার নিয়ে
যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না, সে সবার আগে
পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে। সব পরীক্ষায়
মহাউত্সানহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল
ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন, কী পারেন না,
এটা অন্যকাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না।
পাবলিক ভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে
পড়ছেন? কিংবা ন্যাশনাল ভার্সিটিতে? সবাই
বলছে, আপনার লাইফটা শেষ? আমি বলি, আরে!
আপনার লাইফ তো এখনো শুরুই হয়নি। আপনি কতদূর
যাবেন, এটা ঠিক করে দেয়ার অন্যরা কে?
লাইফটা কি ওদের নাকি? আপনাকে ডাক্তার-
ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন? কিংবা ডাক্তারি
পাস করে কেন ডাক্তারিই করতে হবে? আমার
পরিচিত এক ডাক্তার ফটোগ্রাফি করে মাসে আয়
করে ৬-৭ লাখ টাকা। যেখানেই পড়াশোনা করেন
না কেন, আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে
আপনার নিজের উপর। শুধু ‘ওহ শিট’, ‘সরি বেবি’,
‘চ্যাটিংডেটিং’ দিয়ে জীবন চলবে না। আপনি
যার উপর ডিপেনডেন্ট, তাকে বাদ দিয়ে নিজের
অবস্থানটা কল্পনা করে দেখুন। যে গাড়িটা করে
ভার্সিটিতে আসেন, ঘোরাঘুরি করেন, সেটি কি
আপনার নিজের টাকায় কেনা? ওটা নিয়ে ভাব
দেখান কোন আক্কেলে? একদিন আপনাকে পৃথিবীর
পথে নামতে হবে। তখন আপনাকে যা যা করতে
হবে, সেসব কাজ এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড়
হতে হলে কিছু ভাল বই পড়তে হয়, কিছু ভাল মুভি
দেখতে হয়, কিছু ভাল মিউজিক শুনতে হয়, কিছু ভাল
জায়গায় ঘুরতে হয়, কিছু ভাল মানুষের সাথে
কথা বলতে হয়, কিছু ভাল কাজ করতে হয়।
জীবনটা শুধু হাহা-হিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য
নয়।
একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে, তখন
দেখবেন, পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে,
মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে। স্কিল
ডেভেলাপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়। এসব একদিনে
কিংবা রাতারাতি হয় না। “আপনার মত করে
লিখতে হলে আমাকে কী করতে হবে? আমি আপনার
মত রেজাল্ট করতে চাই। আমাকে কী করতে হবে?”
এটা আমি প্রায়ই শুনি। আমি বলি, “অসম্ভব পরিশ্রম
করতে হবে। নো শর্টকাটস্। সরি!” রিপ্লাই আসে,
“কিন্তু পড়তে যে ভাল লাগে না। কী করা যায়?”
এর উত্তরটা একটু ভিন্নভাবে দিই। আপনি যখন
স্কুলকলেজে পড়তেন, তখন যে সময়ে আপনার
ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে
থাকত, সে সময়ে আপনি গার্লস স্কুলের সামনে
গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন। এখন সময় এসেছে, ও
ওখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে আর আপনি পড়ার
টেবিলে বসে থাকবেন। জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক
মারতে হয়, সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলে, যে
সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা, সে সময়ে
জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন না, এটাই
স্বাভাবিক। এটা মেনে নিন। মেনে নিতে না
পারলে ঘুরে দাঁড়ান। এখনই সময়!
বড় হতে হলে বড় মানুষের সাথে মিশতে হয়, চলতে
হয়, ওদের কথা শুনতে হয়। এক্ষেত্রে ভার্সিটিতে
পড়ার সময় বন্ধু নির্বাচনটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার সাবকনশাস মাইন্ড আপনাকে আপনার
বন্ধুদের কাজ দ্বারা প্রভাবিত করে। আমরা
নিজেদের অজ্ঞাতসারেই আমাদের চাইতে
ইনফেরিয়র লোকজনের সাথে ওঠাবসা করি, কারণ
তখন আমরা নিজেদেরকে সুপিরিয়র ভাবতে পারি। এ
ব্যাপারটা সুইসাইডাল। আশেপাশে কাউকেই
বড় হতে না দেখলে বড় হওয়ার ইচ্ছে জাগে না।
আরেকটা ভুল অনেকে করেন। সেটি হল, ধনীঘরের
সন্তানদের সাথে মিশে নিজেকে ধনী ভাবতে শুরু
করা। মানুষ তার বন্ধুদের দ্বারা প্রভাবিত হয়।
উজাড় বনে তো শেয়ালই রাজা হয়। আপনি কী
শেয়ালরাজা হতে চান, নাকি সিংহরাজা হতে
চান, সেটি আগে ঠিক করুন।
বিনীত হতে জানাটা মস্ত বড় একটা আর্ট।
যারা অনার্সে পড়ছেন, তাদের অনেকের মধ্যেই
এটার অভাব রয়েছে। এখনো আপনার অহংকার
করার মত কিছুই নেই, পৃথিবীর কাছে আপনি একজন
নোবডি মাত্র। বিনয় ছাড়া শেখা যায় না। গুরুর
কাছ থেকে শিখতে হয় গুরুর পায়ের কাছে বসে।
আজকাল শিক্ষকরাও সম্মানিত হওয়ার চেষ্টা
করেন না, স্টুডেন্টরাও সম্মান করতে ভুলে যাচ্ছে।
আপনি মেনে নিন, আপনি ছোটো। এটাই আপনাকে
এগিয়ে রাখবে। বড় মানুষকে অসম্মান করার মধ্যে
কোন গৌরব নেই। নিজের প্রয়োজনেই মানুষকে সম্মান
করুন।
সুশান্ত পাল
৩০তম বিসিএসে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম
(ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে সংগৃহীত)
খুবই অনুপ্রেরণা মূলক একটি post, আমি যখন হতাশ
থাকি তখন এটা পড়ি। collected post টা পড়ে
দেখো। অনেক inspired হবে
~~আমি আমেরিকায় এসেছি পড়াশোনা
করতে।
নর্থ
ডাকোটা স্টেট
ইউনিভার্সিটি থেকে কেমিস্ট্রির
মতো রসকষহীন
একটি বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি নিতে হবে।
কত দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী কেটে যাবে।
ল্যাবরেটরিতে,
পাঠ্যবইয়ের গোলকধাঁধায়।
মনে হলেই হূৎপিণ্ডের টিকটিক
খানিকটা হলেও শ্লথ
হয়ে যায়।
নর্থ ডাকোটা ইউনিভার্সিটির
ক্লাসগুলো যেখানে হয়,
তার নাম ডানবার হল। ডানবার হলের ৩৩ নম্বর
কক্ষে ক্লাস শুরু হলো। কোয়ান্টাম
মেকানিক্সের ক্লাস।
ছাত্রসংখ্যা পনেরো।
বিদেশি বলতে আমি এবং ইন্ডিয়ান
এক মেয়ে—কান্তা। ছাত্রদের মধ্যে একজন
অন্ধ
ছাত্রকে দেখে চমকে উঠলাম। সে তার
ব্রেইলি টাইপ
রাইটার নিয়ে এসেছে। ক্লাসে ঢুকেই
সে বিনীত
ভঙ্গিতে বলল, আমি বক্তৃতা টাইপ করব। খটখট
শব্দ
হবে, এ জন্য আমি ক্ষমা চাচ্ছি। আমি হতভম্ব।
অন্ধ
ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়াশোনা করে এটা আমি জানি।
আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও কিছু অন্ধ
ছাত্রছাত্রী আছে, তবে তাদের বিষয়
হচ্ছে সাহিত্য,
ইতিহাস, সমাজবিদ্যা বা দর্শন। কিন্তু
থিওরিটিক্যাল
কেমিস্ট্রি যে কেউ পড়তে আসে আমার
জানা ছিল না।
আমাদের কোর্স টিচারের নাম মার্ক গর্ডন।
কোয়ান্টাম
মেকানিক্সের মস্তান লোক। থিওরিটিক্যাল
কেমিস্ট্রির
লোকজন তাঁর নাম শুনলে চোখ
কপালে তুলে ফেলে। তাঁর
খ্যাতি প্রবাদের পর্যায়ে চলে গেছে।
তিনি লেকচার শুরু
করলেন। ক্লাসের ওপর দিয়ে একটা ঝড়
বয়ে গেল। বক্তৃতার
শেষে তিনি বললেন, সহজ
ব্যাপারগুলো নিয়ে আজ
কথা বললাম, প্রথম ক্লাস তো তাই।
আমি মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লাম। কিচ্ছু
বুঝতে পারিনি। তিনি ব্যবহার করছেন গ্রুপ
থিওরি,
যে গ্রুপ থিওরির আমি কিছুই জানি না।
আমি আমার পাশে বসে থাকা আমেরিকান
ছাত্রটিকে বললাম, তুমি কি কিছু
বুঝতে পারলে?
সে বিস্মিত হয়ে বলল, কেন বুঝব না, এসব
তো খুবই
এলিমেন্টারি ব্যাপার। এক সপ্তাহ চলে গেল।
ক্লাসে যাই,
মার্ক গর্ডনের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি।
কিচ্ছু
বুঝতে পারি না। নিজের মেধা ও বুদ্ধির ওপর
যে আস্থা ছিল তা ভেঙে টুকরো
টুকরো হয়ে গেল। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের
প্রচুর বই
জোগাড় করলাম। রাতদিন পড়ি। কোনো লাভ
হয় না।
এই জিনিস বোঝার জন্য ক্যালকুলাসের
যে জ্ঞান দরকার
তা আমার নেই। আমার ইনসমনিয়ার
মতো হয়ে গেল।
ঘুমুতে পারি না।
গ্রেভার ইনের লবিতে ঘণ্টার পর
ঘণ্টা বসে থাকি।
মনে মনে বলি—কী সর্বনাশ!
দেখতে দেখতে মিড-টার্ম পরীক্ষা এসে
গেল।
পরীক্ষার
পর পর যে লজ্জার সম্মুখীন
হতে হবে তা ভেবে হাত-
পা পেটের ভেতর ঢুকে যাওয়ার জোগাড়
হলো।
মার্ক
গর্ডন যখন দেখবে বাংলাদেশের এই
ছেলে পরীক্ষার খাতায়
কিছুই লেখেনি,
তখন তিনি কী ভাববেন? ডিপার্টমেন্টের
চেয়ারম্যানই
বা কী ভাববেন?
এই চেয়ারম্যানকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
রসায়ন
বিভাগের সভাপতি প্রফেসর আলি নওয়াব
আমার
প্রসঙ্গে একটি চিঠিতে লিখেছেন—
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
রসায়ন বিভাগ যে অল্পসংখ্যক অসাধারণ
মেধাবী ছাত্র
তৈরি করেছে, হুমায়ূন আহমেদ
তাদের অন্যতম। অসাধারণ
মেধাবী ছাত্রটি যখন শূন্য
পাবে, তখন কী হবে? রাতে ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন
দেখতে শুরু
করলাম। মিড-টার্ম পরীক্ষায় বসলাম। সব
মিলিয়ে ১০টি প্রশ্ন। এক ঘণ্টা সময়ে প্রতিটির
উত্তর
করতে হবে।
আমি দেখলাম, একটি প্রশ্নের অংশবিশেষের
উত্তর
আমি জানি, আর কিছুই জানি না।
অংশবিশেষের উত্তর
লেখার কোনো মানে হয় না। আমি মাথা নিচু
করে বসে রইলাম। এক ঘণ্টা পর
সাদা খাতা জমা দিয়ে বের
হয়ে এলাম। পরদিন রেজাল্ট হলো। এ তো আর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়
যে ১৫টি খাতা দেখতে ১৫ মাস
লাগবে। তিনজন এ পেয়েছে। ছয়জন বি।
বাকি সব সি।
বাংলাদেশের হুমায়ূন আহমেদ পেয়েছে শূন্য।
সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে অন্ধ ছাত্রটি। এ
ছেলেটির
নাম আমার মনে পড়ছে না। তার
নামটা মনে রাখা উচিত
ছিল।
মার্ক গর্ডন আমাকে ডেকে পাঠালেন।
বিস্মিত গলায়
বললেন, ব্যাপারটা কী বলো তো?
আমি বললাম, কোয়ান্টাম মেকানিক্সে আমার
কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল না। এই হায়ার
লেভেলের
কোর্স আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।
: বুঝতে পারছ না তাহলে ছেড়ে দিচ্ছ
না কেন? ঝুলে থাকার
মানে কী?
: আমি ছাড়তে চাই না।
: তুমি বোকামি করছ। তোমার গ্রেড
যদি খারাপ হয়,
যদি গড় গ্রেড সি চলে আসে,
তাহলে তোমাকে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে
চলে যেতে হবে। গ্র্যাজুয়েট কোর্সের এই
নিয়ম।
: এই নিয়ম আমি জানি।
: জেনেও তুমি এই কোর্সটা চালিয়ে যাবে?
: হ্যাঁ।
: তুমি খুবই নির্বোধের মতো কথা বলছ।
: হয়তো বলছি। কিন্তু আমি কোর্সটা ছাড়ব না।
: কারণটা বলো।
: একজন অন্ধ ছাত্র যদি এই
কোর্সে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেতে পারে,
আমি পারব
না কেন? আমার তো চোখ আছে।
তুমি আবারও নির্বোধের মতো কথা বলছ।
সে অন্ধ
হতে পারে, কিন্তু তার এই বিষয়ে চমৎকার
ব্যাকগ্রাগ্রাউন্ড
আছে। সে
আগের কোর্স সবগুলো করেছে। তুমি করোনি।
তুমি আমার উপদেশ শোনো। এই কোর্স
ছেড়ে দাও।
: না।
আমি ছাড়লাম না। নিজে নিজে অঙ্ক
শিখলাম। গ্রুপ
থিওরি শিখলাম, অপারেটর
অ্যালজেব্রা শিখলাম।
মানুষের অসাধ্য কিছু নেই এই প্রবাদটি সম্ভবত
ভুল নয়।
একসময় অবাক হয়ে লক্ষ করলাম কোয়ান্টাম
মেকানিক্স
বুঝতে শুরু করেছি....
ফাইনাল পরীক্ষায় যখন বসলাম, তখন
আমি জানি আমাকে আটকানোর কোনো পথ
নেই।
পরীক্ষা হয়ে গেল।
পরদিন মার্ক গর্ডন
একটি চিঠি লিখে আমার মেইল
বক্সে রেখে দিলেন। টাইপ
করা একটা সংক্ষিপ্ত চিঠি, যার বিষয়বস্তু
হচ্ছে:
—তুমি যদি আমার সঙ্গে থিওরিটিক্যাল
কেমিস্ট্রিতে কাজ
করো তাহলে আমি আনন্দিত হব
এবং তোমার জন্য আমি একটি ফেলোশিপ
ব্যবস্থা করে দেব। তোমাকে আর কষ্ট
করে টিচিং অ্যাসিসটেন্টশিপ করতে হবে
না।
একটি পরীক্ষা দিয়েই আমি এই
বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচিত
হয়ে গেলাম।
পরীক্ষায় কত পেয়েছিলাম তা বলার লোভ
সামলাতে পারছি না। পাঠক-
পাঠিকারা আমার এই লোভ
ক্ষমার চোখে দেখবেন বলে আশা করি।
আমি পেয়েছিলাম ১০০ তে ১০০।
বর্তমানে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন
বিভাগের
কোয়ান্টাম কেমিস্ট্রি পড়াই। ক্লাসের
শুরুতে ছাত্রদের
এই গল্পটি বলি।
শ্রদ্ধা নিবেদন করি ওই অন্ধ ছাত্রটির প্রতি,
যার
কারণে আমার পক্ষে এই অসম্ভব সম্ভব
হয়েছিল.....
:হুমায়ুন আহমেদ
***Moral : সব মানুষই রক্তে মাংসে গড়া। হূমায়ুন
স্যার পেরেছিলেন কেননা তার মাঝে
ছিলো হার না মানার মানার মানসিকতা। so,
তুমি কেন পারবেনা?? অবশ্যই পারবে..... YOU CAN
DO...:-)
25/03/2015
★ অষ্টম অধ্যায়ঃ টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র★
গতকালের লেকচার টপিকঃ১। স্থায়ী টিস্যু র প্রকারভেদ।
২। সরল স্থায়ী টিস্যু।
স্থায়ী টিস্যু ৩ প্রকারঃ
১। সরল
২। জটিল
৩। ক্ষরণকারী/ নিঃস্রাবী/ বিশেষ
# সরল স্থায়ী টিস্যুঃ
* সবগুলো কোষের আকার, আকৃিত ও গঠন প্রায় একই রকম।
*এক প্রকার কোষ নিয়ে গঠিত।
* ৩ প্রকারঃ প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা ও স্কে্লরেনকাইমা।
★প্যারেনকাইমাঃ আইসোডায়ামেট্রিক কোষ গুলো গোলাকার, ডিম্বাকার, বহুভুজাকার থে পারে।
কোষ প্রাচীর পাতলা ও সেলুলোজ নির্মিত।
আন্তঃকোষীয় ফাক আছে।
কোষ গহ্বর বড়।
ক্লোরোফিল থাকতে পারে।
অবস্থানঃ মুলের কর্টেক্স, কান্ডের ভিত্তি টিস্যু, পাতার মেসোফিল।
কাজঃ খাদ্য সঞ্চয় ও এসিমিলেশন। খাদ্য উত্পাদন।
>এরেনকাইমাঃ বায়ু কোঠর বিশিষ্ট প্যারেনকাইমা, যা জলজ উদ্ভিদ কে ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
> ক্লোরেনকাইমাঃ যেসকল প্যারেনকাইমা তে ক্লোরোফিল থাকে বলে খাদ্য তইরি করতে পারে।
★ কোলেনকাইমাঃ
কোষ গুলো লম্বাটে, গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা বহুভুজাকার।
কোষ প্রাচীর অনিয়মিতভাবে পুরু।
নিউক্লিয়াস উপস্থিত, তাই কোষ গুল সজীব / জীবিত।
কোষ গহ্বর ছোট।
আন্তঃকোষীয় ফাক থাকতে পারে।
ক্লোরোফিল থাকতে পারে ( ক্লোরেনকাইমা)।
অবস্থানঃ িদ্ব বীজপত্রী উদ্ভিদ এর কান্ডের এপিডারমিস/ ত্বক এর নিচে।
★ স্ক্লেরেনকাইমাঃ
কোষ গুল লম্বাটে।
কোষ প্রাচীর লিগনিন যুক্ত হয়ে অনেক পুরু হয়।
নিউক্লিয়াস নেই, কোষ গুল মৃত।
অবস্থানঃ পাট, নারকেল গাছের কান্ডে।
Shovit dutta, 5th year, MBBS.
10/03/2015
উদ্ভিদ বিজ্ঞান ৯ম অধ্যায়ঃ উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব।
★সবাত শ্বসনের ৩য় ধাপঃ ক্রেবস চক্র/ TCA চক্র/ সাইট্রিক এসিড চক্র★
প্রথমবার যারা ক্রেবস চক্র পড়বে, নিঃসন্দেহে এটা কঠিন লাগবে। ৩টা mnemonics দিলাম, আশা করি এই ৩টা বাক্য মনে রাখতে পারলে আর কয়েকবার বই থেকে পড়লে এই চক্র তোমরা মনে রাখতে পারবে।
# "mnemonics":
১। CAN I Keep Selling Something For Money, Officer?
C= সাইট্রিক এসিড / সাইট্রেট
AN =একোনাইটিক এসিড
I = আইসো সাইট্রিক এসিড/ আইসোসাইট্রেট
*o(iso থেকে) = অক্সালোসাক্সিনিক এসিড
K= আল্ ফা কিটোগ্লুটারিক এসিড/ আল্ ফা কিটোগ্লুটারেট
S= সাক্সিনাইল কো এ
S= সাক্সিনেট
F= ফিউমারিক এসিড / ফিউমারেট
M= ম্যালিক এসিড / ম্যালেট
O= অক্সালোএসিটিক এসিড / অক্সালোএসিটেট।
২। 3 Nonsense Girl Friend
প্রতি অনু এসিটাইল কোএ থেকে প্রাপ্ত শক্তি,
3 N =৩ অনু NADH
G= ১ অনু GTP/ATP
F= ১অনু FADH2
৩। Gun for Shoot, Shoot For Fun!
Gun= GTP/ATP তইরি হয় Shoot অর্থাৎ, দুই 'S' ( সাক্সিনাইল কোএ এবং সাক্সিনেট) এর মাঝে।
Shoot For Fun. Shoot = সাক্সিনেট, For= FADH2, Fun= ফিউমারিক এসিড। অর্থাত, সাক্সিনেট ( S) ও ফিউমারিক এসিড(F) এর মাঝে FADH2 তইরি হয়।
বাকী ধাপগুলো তে NADH তইরি হয়
** সাবস্ট্রেট/ বিক্রিয়ক গুলোর নাম মনে রাখতে পারলে এন্জাইম গুলোর নাম ও পারবে।
Shovit Dutta, 5th year, MBBS.
08/03/2015
সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে , হাতের কোন স্পর্শ ছাড়াই
তৈরি হচ্ছে পাওরুটি! ঈশ্বরকে অনেক
ধন্যবাদ!! এইসব খেয়েও আমরা বেঁচে থাকি,
মরি না!!!
07/03/2015
উদ্ভিদবিজ্ঞানঃ ৯ম অঃ উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব।
# সবাত শ্বসনের ২য় ধাপঃ পাইরুভিক এসিডের সম্পূর্ণ জারণ ও এসিটাইল কো এ সৃষ্টি
#((Mnemonic)) :
"পায়রা(pyra) TLC র FAN"
১। পাইরুভিক এসিড((pyra)) +TPP((T))= TPP- যোগ / এসিটাইল TPP + CO2
২।এসিটাইল -TPP+ জারিত লাইপোয়িক এসিড ((L))= এসিটাইল লাইপোয়িক এসিড + TPP
৩। এসিটাইল লাইপোয়িক এসিড + কো এন্জাইম এ, Co A((C))= এসিটাইল কো এ+ বিজারিত লাইপোয়িক এসিড
৪। FAD((FA)) + বিজারিত লাইপোয়িক এসিড = FADH2 + জারিত লাইপোয়িক এসিড
৫। FADH2 + NAD+((N)) = FAD + NADH+ + H+
** (( )) এ রাখা ওয়ার্ডগুলো এক সাথে mnemonic টি গঠন করে।
# Shovit dutta, 5th year, MBBS.
ব্যস্ততার কারণে বেশকিছু দিন কোন পোস্ট দিতে পারিনি। এজন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। এখন থেকে নিয়মিত পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করবো, আশা করি পোস্টগুলো থেকে তোমরা উপকৃত হবে।
এবার মূল কথায় আসি। আমার ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা তোমাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। উদ্ভিদবিজ্ঞান এর ৯ম অধ্যায়, "উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব" পড়াতে গিয়ে বুঝতে পারলাম, এই অধ্যায় তোমাদের অনেকের কাছে কঠিন মনে হয়, অনেকে আবার 'ভয়' পায়!! এমন না যে, টপিকস্ গুলো তোমরা বুঝো না, সমস্যা হল এই অধ্যায়ের অনেক নতুন নতুন শব্দ ও রাসায়নিক নামগুলো নিয়ে।
পড়ানোর সময় আমি কিছু রাসায়নিক নামের অর্থ বলে দেই, যেমন এন্জাইম গুলোর নামের অর্থ ও তাদের কাজ। সেগুলো মনে রাখার চেষ্টা করবে, অথবা, বইয়ে লিখে রাখতে পারো।
তাছাড়া, এই অধ্যায়ে কিছু "চক্র" আছে, এগুলো মুখস্থ করা বা মনেরাখাটা ও সহজ না। তাই চিন্তা করলাম 'mnemonics' ব্যবহার করে পড়ালে তোমরা ভাল মনে রাখতে পারবে।
'mnemonics' তোমাদের ধাপগুলো মনে রাখতে সাহায্য করবে, সাথে সাথে রাসায়নিক নাম, বিশেষ করে এন্জাইমের নাম গুলোর অর্থ জানা থাকলে এই চক্রগুলো তোমাদের অনেক সহজ লাগবে, অন্তত 'ভয়' দূর হবে। তখন পড়তে ভালো লাগবে, আনন্দ পাবে,আর সেটাই হবে আমার সার্থকতা!
Shovit Dutta, 5th year, MBBS.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Telephone
Website
Address
Sub Area, Ghatforhadbeg, Near Andorkilla
Chittagong
4000