Arefin'S crochet creation

Arefin'S crochet creation

Share

Thanks for being with us .��

Bedcover, Table cloth,Cushion covers, Tea pot mat, Blanket, Rannar, Doily,deep fridge cover,oven cover, multipurpose placemats,and other crochet products, you can order here .

14/03/2026

একেক টা project এর পেছনে যেই পরিমান খাটনি করতে হয়,কেউ চোখে দেখলে তখন সেটা realize করতে পারতো।

২২ রমজানে এই রানার সেট গুলোর কাজ শেষ করেছি।
প্রথম রমজান থেকে এই ২২ রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন ফজরের সালাত আর কুরআন পড়ে না ঘুমিয়ে,rest না নিয়ে এই ২ টা রানারের কাজ করছি।
এত detailing work এইখানে।

আমার সেলাই মেশিন থাকা সত্ত্বেও কাজের চাপ কমাতে টেইলর কে দিয়ে রানারের base টা সেলাই করিয়ে আনিয়েছি extra payment দিয়ে।

টাসেল কিনতে পাওয়া যায়,তাও একটা একটা টাসেল নিজে বসে বসে বানাইছি,যাতে মূল project এর সাথে টাসেলের similarity থাকে......

চাইলে কেনা টাসেল দিয়ে দায়সারা কাজ করতে পারতাম।

আমি কাজটা ভালোবাসি বলেই,এতটা যত্ন নিয়ে করতে পারি।
কর্মি দিয়ে সবাই করায়।টাকার জন্য।

আমি তো ভালোবেসে করি।

12/03/2026
Photos from Arefin'S crochet creation's post 12/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ কিছু client এতটা understanding হয়.......
মন ভালো হয়ে যায়।
আপুর একটা কথায় আমি fully relaxed হয়ে গেছি।

গত ২ টা দিন আমি যেই mental pressure এ ছিলাম,বলে বোঝানোর মতো না।
রমজান মাসের একটা ব্যাস্ততা তো আছেই, সাথে বুয়ার যন্ত্রণা, বাচ্চাদের হাউকাউ আর আমার client দের সাথে আমার commitment

সব মিলিয়ে জগাখিচুড়ী অবস্থা।

গত ২ দিন আগে একটা Purcell পাঠিয়েছি এক আপুর,উনি ৫ মাস চুপচাপ সময় দিয়েছেন আমাকে।আর বলেছেন relaxely কাজ করো।

আর এই আপু ও আমাকে যথেষ্ট সময় দিয়েছেন।
শুধু তাই নয়, trust করে project না নিয়েই tk advance করতে চাইছেন।

যদিও আমি নিষেধ করছি।

কিন্তু উনার understanding behaviour আর আমার প্রতি উনার trust দেখে ভীষণ ভালো লাগছে 🥰

Photos from Arefin'S crochet creation's post 10/03/2026

ঈদের order রোজার আগেই closed করেছি।
প্রতিদিন অনেকেই knock দেন।
সবাই কে sorry 😔
আমি পারলে অবশ্যই আমার client দের ফেরাতাম না।
হাতের কাজ তো একটু সময় লাগে।

10/03/2026
Photos from Arefin'S crochet creation's post 10/03/2026

রাগ করলে বেশিরভাগ সময় মানুষ চিৎকার করে।
কিন্তু অভিমান করলে নীরব হয়ে যায়।
রাগ তো সবাই করতে পারে, কিন্তু অভিমান করার অধিকার শুধুমাত্র প্রিয়জনদের থাকে।
তাই যে আপনার চিৎকার শুনেও থামলো না, বিশ্বাস করুন,সে আপনার এই নীরব অভিমান কখোনো ই বুঝবে না।

Photos from Arefin'S crochet creation's post 09/03/2026

কথায় আছে,"ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়"
আপনার ইচ্ছা শক্তি ই আপনাকে দিয়ে সব করাতে পারে।
শুধু আপনাকে চাইতে হবে।

আপনাকে মানতে হবে,"আমার অবস্থান থেকে আমার উপর কিছু দায়িত্ব বর্তায়, যেগুলো আমাকে শত কিছু ভুলে ও পালন করতে হবে"

নিজের সমস্ত দায়িত্ব গুলো পালন করার ইচ্ছা,
কারোর সাথে সম্পর্ক সুন্দর রাখার ইচ্ছা,
পরিবার,সমাজ, আত্নীয় স্বজনের প্রতি দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা,
হাজার টা কাজ সামলে নিজের শখের কাজ করার ইচ্ছা,
নিজেকে ভালো রাখার ইচ্ছা,

সব সব সব করা যায়।

আর অযুহাত/বাহানা দেখিয়ে দায়িত্ব এড়াতে চাইলে সেটাও পারবেন।
Ignore করবেন,
সব বুঝে ও না বোঝার ভান ধরে বসে থাকবেন,
এর,ওর দোষ খুঁজে বেড়াবেন,
কখোনো অভাব,কখোনো অসুস্থতা,কখোনো জেদ,কখোনো অভিমান................

মানুষ তার নিয়তের উপর প্রতিষ্ঠিত।যেমন তার নিয়ত, তেমন তার জীবন।

02/03/2026

আমি কারো সাথে এতোটা ভালো হতে চাই না,যতটা ভালো হলে তাঁকে তাঁর অন্যায় গুলো বলতেই পারবো না।

Photos from Arefin'S crochet creation's post 01/03/2026

২/৪ দিন আগে husband একজনের কথা বলছিলেন,যিনি তাঁর ছেলের জন্য এবং ছেলের পড়াশোনার জন্য ভীষণ serious
কিন্তু মেয়ের ব্যাপারে, বিশেষ করে তার পড়াশোনার ব্যাপারে ভীষণ উদাসীন।
তখন আমি বললাম,"কি হবে মেয়েটার পড়াশোনা করে?? যেটুকু প্রয়োজন করছে তো, enough....
বিয়ের পরের জীবন তো সেই চুলা-চাক্কি,হান্ডি- ডেকচি নিয়েই কাটবে"

আমার এই কথা শুনে যেকোনো ভালো মানুষ ভাববে, শিক্ষিত একটা মহিলা হয়ে আমি এতটা সেকেলে ধারণা কিভাবে কাজ করে আমার মধ্যে???????

পরিস্থিতির কারণে , চারপাশের মানুষের মুখোশধারী আচরণ এর কারণে আমার মধ্যে এধরনের ধারণা লালিত হচ্ছে।

মেয়েটা যখন বড় হবে তার মধ্যে নিজেকে নিয়ে স্বপ্নেরা ডানা মেলবে।
নিজেকে নিয়ে সে অনেক দূর ভাববে।
Life এ কিছু একটা হতে চাইবে।

টাকার জন্য নয়, নিজের মেধা, নিজের পরিশ্রম, সময়, dedication সবকিছুর একটা বিনিময়ে সাফল্য চাইবে।

স্বপ্নের মাঝপথে মেয়েটার যখন বিয়ে হয়ে যাবে,তখন তার জীবন টা একদম পাল্টে যাবে।

যেন মেয়েটার 'বিয়ে' হয়নি,তাকে খাঁচায় বন্দী করে পোষ মানানোর জন্য আনা হয়েছে।

তাকে বলা হবে " এখন তোমার পড়াশোনা করার সময় না, তোমার বাচ্চার পড়াশোনা নিয়ে ভাবো"

তাকে প্রতিটা পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার আগে ঘরের কাজ, রান্না,আর বাচ্চা সামলানোর পর একটু সময় বের করতে হবে কোনরকম পাশ মার্ক আনার জন্য😢

তাকে struggle করতে হবে "অমুক মুখ কেন ভার করলো?"
"ঘরের কোনো দায়িত্ব পালনে চুক হলো কিনা?"
কেউ কথা বলছে না কেন?

মেয়েটা পৃথিবীর যেই প্রান্তেই থাকুক,দৌড়ে,উড়ে আসবে সেসব hypocrite দের রাগ ভাঙাতে,

মেয়েটা জানবেই না কখোনো,যে আজীবন এদের পা ধরে বসে থাকলেও মেয়েটা কোনোদিন ও এদের মনে এতটুকু সহানুভূতি পাওয়ার ও যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে না।

সব কষ্টের চেয়ে বড় কষ্ট যার (স্বামী) হাত ধরে সেই মেয়েটি তার নতুন স্বপ্নের ঠিকানায় যাবে,যাকে মেয়েটা তার পুরো পৃথিবী ভাববে,তার super hero ভাববে,যে তাকে সমস্ত অন্যায় থেকে হেফাজত করবে, রক্ষা করবে,

সে- ই super hero সবার আগে হাত টা ছেড়ে দিবে।
সে-ই সবার আগে মেয়েটার সাথে অন্যায় করবে।

তারপর তার মনে হবে আমার তো বাবা আছে,মা আছে,ভাইয়েরা আছে।
আমার তো আরেকটা পৃথীবী আছে।

কিন্তু যখন সেই পৃথিবীতে উঁকি ঝুঁকি দিয়ে নিজের জায়গা খুঁজতে যাবে,দেখবে এখানে তার জন্য যে ছোট্ট একটা জায়গা ছিল,সেটা মুছে গেছে।
তাকে বলা হবে তোমার জায়গা এখন তোমার নতুন পৃথিবী তে।তাকে পরিষ্কার বুঝিয়ে দেয়া হবে -
এখানে শুধু বেড়াতে আসবা।তাও বেশিদিনের জন্য নয়।

তারপর মেয়েটার ঘোর কাটবে। তখন সেই মেয়েটা বুঝবে আরেহ আমার বাবাই তো সঠিক ছিলেন,যিনি আমাকে নিয়ে এতটা ভাবতেনই না,
আমার আত্মীয় স্বজনেরাই তো ঠিক ছিলেন, যাঁরা বলতেন, মেয়েদের এতো পড়াশোনার দরকার কি???
আমার চারপাশের মানুষেরাই সঠিক ছিলেন যাঁরা মুচকি হেসে তাচ্ছিল্য করতেন,

একটা স্বপ্ন দেখা ,carrier oriented মেয়ে আস্তে আস্তে পোষ মানা শুরু করবে।

সে জানবে,বুঝবে,মানবে " আমার বলে এখানে কিছু নেই,কেউ নেই............😢
পুরো পৃথিবী টা তার কাছে"ধুলোবালিময় মরুভূমির"
চেয়ে বেশি কিছু মনে হবে না।

Moral of the story is:" স্বপ্ন দেখিয়ে সেটা ভেঙ্গে দেয়ার চাইতে, স্বপ্ন দেখার সুযোগ দেয়ার ই প্রয়োজন নেই "😢

Photos from Arefin'S crochet creation's post 27/02/2026

খাওয়া-দাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া একটি ভুল প্রথা।
দাওয়াত হবে ঘুমের জন্য।

রুম টেম্পারেচার হবে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাউন্ডপ্রুফ রুমে থাকবে আধো আলো আধো অন্ধকারাছন্ন পরিবেশ! সাথে আরামদায়ক বিছানা, বালিশ আর কম্বল।

টেবিলে কয়েক রকম বালিশ আর কম্বল সাজানো থাকবে। দাওয়াতী লজ্জা লজ্জা কন্ঠে বলবেন, 'কিছুই আয়োজন করতে পারিনি। কম্বল কোনটা নেবেন বলেন!' পাশ থেকে অন্য কেউ অনুরোধের সুরে বলবেন,
'আরেক পিস বালিশ দেই?'

ঘন্টা কয়েক ঘুমিয়ে বিদায় নেয়ার সময় দাওয়াতী মন খারাপ করে বলবে, ''আপনি তো দেখি কিছুই ঘুমালেন না। পরের বার আসলে কিন্তু অবশ্যই নাক ডাকতে হবে😌

©

একমত মায়েরা?🙃

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Chittagong