ইসলামিক সাধারণ জ্ঞান

ইসলামিক সাধারণ জ্ঞান

Share

"আল্লাহ তা'আলা যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন"
আল হাদীস

04/05/2026

ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে?

বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান?

‎ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল।

‎ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।

‎বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল।

‎ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)

‎◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)

‎◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)

‎◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)

‎◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)

‎▶ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল

‎◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল

‎◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল

‎◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা।

‎ ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে

‎◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)

‎◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)

‎◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)

‎◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ

‎উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে।

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)

‎◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)

‎◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)

‎◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)

‎◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)

‎◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)

‎উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷

‎ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

‎▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)

‎◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)

‎◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)

‎◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।

‎▶ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

‎▶ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

‎◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।

‎◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

‎◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।

‎★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!

‎১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।

‎★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।

‎▶শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা

‎◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)

‎◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী

‎◾ সংসদ ভবন

‎◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ

‎◾ বাংলা একাডেমি

‎◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

‎◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

‎◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)

‎◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা

‎◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)

‎◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)

‎◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)

‎◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল

‎◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প

‎◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন

‎◾ ঢাকা স্টেডিয়াম

‎◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)

‎◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প

‎◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন

‎◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

‎◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)

‎◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান

‎◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি

‎◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)

‎◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী

‎◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা

‎◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা

‎◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।

‎◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১

‎◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯

‎◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০

‎◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮

‎◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩

‎◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

‎◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২

‎◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩

‎◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩

‎◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩

‎◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

‎১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।

‎তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।

‎তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

‎তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।

‎দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।

‎তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।

‎এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

‎এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটি বড় খেল দেখিয়েছে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে। তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি তে নিজেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে কূটনীতি ও সামরিক পার্সপেক্টিভে। যারা আমেরিকা এবং ইরানকে ও এক টেবিলে বসাতে পারছে।

‎আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিয়ে পৃথিবীর প্রথম চেতনা বোমা বানিয়েছে। যা চীনের হাইড্রোজেন বোমার চেয়েও ভয়ংকর।

‎ এই পর্যন্ত সংসদের মতো একটা স্থানে চেতনা বড় নাকি আধুনিকতা বড়! এই নিয়ে কয়েকশ অধিবেশন চলছে।আফসোস🙂
‎ #কপিপোষ্ট

01/05/2026

➤আজ জুমু’আহর দিন : সূর্যোদয় হওয়া দিনসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম দিন

➤জুমু’আহর দিনের গুরুত্বপুর্ন আমলগুলি করুনঃ
➤সঙ্গে কমপক্ষে একজনকে হলেও #দরুদ_সূরা_কাহাফ_পাঠে_দুআ_ইস্তিগফারে উৎসাহিত করুন।

➤দরুদে দরুদে মুখরিত হয়ে উঠুক আজকের সারা দিন
اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ

01/05/2026

🍁সহজ সূত্রে কুরআন শিখি | উস্তায মোহাম্মদ হুসাইন মাদানী | আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০১: https://t.me/SHAhmadullahDawah/445
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০২: https://t.me/SHAhmadullahDawah/446
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০৩: https://t.me/SHAhmadullahDawah/447
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০৪: https://t.me/SHAhmadullahDawah/448
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০৫: https://t.me/SHAhmadullahDawah/449
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০৬: https://t.me/SHAhmadullahDawah/450
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০৭: https://t.me/SHAhmadullahDawah/451
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০৮: https://t.me/SHAhmadullahDawah/452
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ০৯: https://t.me/SHAhmadullahDawah/456
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১০: https://t.me/SHAhmadullahDawah/457
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১১: https://t.me/SHAhmadullahDawah/458
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১২: https://t.me/SHAhmadullahDawah/459
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১৩: https://t.me/SHAhmadullahDawah/462
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১৪: https://t.me/SHAhmadullahDawah/463
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১৫: https://t.me/SHAhmadullahDawah/464
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১৬: https://t.me/SHAhmadullahDawah/466
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১৭: https://t.me/SHAhmadullahDawah/467
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১৮: https://t.me/SHAhmadullahDawah/469
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ১৯: https://t.me/SHAhmadullahDawah/470
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ২০: https://t.me/SHAhmadullahDawah/472
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ২১: https://t.me/SHAhmadullahDawah/473
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ২২: https://t.me/SHAhmadullahDawah/474
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ২৩: https://t.me/SHAhmadullahDawah/475
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ২৪: https://t.me/SHAhmadullahDawah/478
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ২৫: https://t.me/SHAhmadullahDawah/479
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ২৬: https://t.me/SHAhmadullahDawah/480
সহজ সূত্রে কুরআন শিখি পর্ব ২৭: https://t.me/SHAhmadullahDawah/482

🍁আরেকটি রিসোর্স - অনলাইনে কুরআন শিখুন ও নিজেকে টেস্ট করুন- লিংক- https://www.searchtruth.com/quran_teacher/quran.php?lesson=1

➤আল্লাহর সন্তুষ্ট অর্জন করাই হল মূল উদ্দেশ্য, দুনিয়াবী কোন স্বার্থ হাসিল নয়।

সাথে থাকুন ইসলামিক সাধারণ জ্ঞান এর সাথে,সওয়াবের উদ্দেশ্য শেয়ার করুন।

Telegram: Contact @SHAhmadullahDawah

14/02/2026

নোয়াখালী-৬ হাতিয়াতে ধানের শীষে ভোট না দেওয়ায় ৩ সন্তানের জননীকে ধর্ষণ করেছে বিএনপি নেতা। ধর্ষণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

এদিকে এই ঘটনা ফেসবুকে আসার পর বিএনপির অ্যাক্টিভিস্টরা এটা "গুজব" আর "নাটক" বলে মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছে। এদের সাথে ফ্যাসিস্টলীগের চরিত্রের আদৌ কোন তফাৎ আছে কী?

18/10/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

22/09/2025

#প্রতিদিন_ইসলামিক_কুইজ

প্রশ্নঃ কিয়ামতের আগে কোন বড় আলামত আসবে?

(ক) সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদয় হবে।
(খ) ইমাম মাহদির আগমন।
(গ) দাজ্জালের আবির্ভাব।
(ঘ) সবগুলোই।

ইসলামিক জ্ঞান চর্চার জন্য ইসলামিক সাধারণ জ্ঞান পেইজের পাশে থাকুন এবং সঠিক উত্তর দিয়ে জ্ঞান চর্চার করুন

21/09/2025

➤ফজরের কিছুক্ষন পর যখন মসজিদের মাইকে বলে " মক্তবে চলে আসুন" তখন কথাটা মনে এক ধরনের প্রশান্তি দেয়!

➤খুব করে মনে পড়ে সেই দিনগুলোর কথা,যখন হাতে একটা কায়েদা নিয়ে হুজুরের কাছে যেতাম,হুজুরের কত ধমক খেয়েছি তবুও হুজুরের কাজগুলো করতে অনেক পছন্দ করতাম।

➤গ্রামের দিকে গেলে এখনো শুনি আর ভাবি যদি আবার পুরোনো একটা কায়েদা নিয়ে নতুন করে যেতে পারতাম!!
➤"মক্তবে চলে আসুন" কথাটা আমাদের স্মৃতি, আমাদের আবেগ ও অনুভূতিতে রয়ে যাবে সবসময়।

21/09/2025

আলহামদুলিল্লাহ
বরকতময় ফজর

21/09/2025

আপনি কিভাবে ফজরে উঠেন?

আমি কিন্তু একদিন বা দুইদিন ফজরে উঠার কথা বলছি না। বরং আমি বলছি আপনি কিভাবে প্রতিদিন, কোনোদিন মিস না করেই নিয়মিত ফজরে উঠেন?

অনলাইনে ভুরি ভুরি ওয়েবসাইট আপনাকে সকাল সকাল ঘুম থেকে জাগার টিপস ও উপদেশ নিয়ে বসে আছে। কিন্তু আমাদের আজকের এ আলোচনার ফোকাস কিন্তু দুনিয়াবি টিপস দেয়া না, আমাদের ফোকাস হল ফজরে উঠার আধ্যাত্মিক কলা-কৌশল নিয়ে আলোচনা করা।

প্রতিদিন আপনি কমপক্ষে ১৭ বার সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। আপনি তিলাওয়াত করেন, “আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি, আর আপনারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি”। আপনি আল্লাহর ইবাদত করতে চান?- “হ্যা!” তবে আপনার প্রয়োজন আল্লাহর সাহায্য। আপনি ফজরে উঠতে চান? – “হ্যা, অবশ্যই।” এক্ষেত্রেও আপনার আল্লাহর সাহায্য প্রয়োজন। আপনি কোনোভাবেই আল্লাহর সাহায্য ছাড়া ফজরে উঠতে পারবেন না। আমি আবারো বলছি, আপনি পারবেন না। এখন নিজেকে প্রশ্ন করুন, আমি সত্যিই ফজরে উঠতে চাই- তা আল্লাহর নিকট উপস্থাপন করতে আমি কি করতে পারি?

আপনার কি এমন দিন গেছে যে আপনি ঘুমাতে যাচ্ছেন আর গভীরভাবে অনুভব করছেন যে আপনি অবশ্যই ফজরে উঠবেন? এবং আপনার কি এমন দিন গেছে যেদিন আপনি নিশ্চিত ছিলেন আপনি অতিরিক্ত ঘুমাবেন? এ দুটি দৃশ্য কল্পনা করুন। আমি নিশ্চিত, আমাদের কেউ কেউ এমন অভিজ্ঞতার ভিতর দিয়ে গিয়েছেন:

◾দৃশ্য এক◾
আপনার ঈমান খুব বেশি আজ। রাতে আপনি এশা ও বিতর নামায পড়েলেন। কিছি সময় ধরে তিলাওয়াত করলেন পবিত্র কুরান। দেখা গেল, ফজর পর্যন্ত ঘুমানোর সময় আছে আর মাত্র ২ ঘন্টা। আপনি নিশ্চিত যে আপনি ফজরে উঠবেন কারণ, আপনি নিজের মন ঠিক করে নিয়েছেন। আসলে কখনো কখনো আপনি মাঝরাতে না ঘুমিয়ে হাটাচলা করতে থাকেন। আপনি ভাবেন, একটু পরই ফজর শুরু হবে, ঘুমিয়ে গেলেই নামাজ মিস হবে। আচ্ছা, আপনার যদি এমনটা করার অভিজ্ঞতা না থাকে তবে ওই দিনের কথা মনে করুন, যেদিন খুব ভোরে আপনার বিমান, বাস বা ট্রেইনে উঠার কথা ছিল। আপনি চিন্তা করুন, আপনার শরীর, মন ও মস্তিষ্ক সেদিন কেমন ‘সুইচ অন’ ছিল। আপনি সেদিন কতসময় ঘুমিয়েছেন তাতে কিছু আসে যায় না, আপনি জেগে উঠেছিলেন।

◾দৃশ্য দুই◾
আবার এমন দিনও আছে যেদিন আপনি আসলে ঘুমে ডুবে থাকতে চান, উঠতে চান না। আপনি মনে মনে আশা করেন ‘অতিরিক্ত ঘুম’ হোক আজ, যাতে আপনি ফজরে না উঠলে নিজেকে কম দোষী ভাবতে পারেন। আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন, কিন্তু আপনি জেগে যান। এলার্মের শব্দের সাথে যুদ্ধ শুরু হয় এবং শুরু হয় শয়তানের সেই পুরোনো কৌশল, “এই তো, আর পাঁচ মিনিট”…!

প্রতিদিন আমরা কিভাবে ‘দৃশ্য এক’ মেইনটেইন করব?
উপরের দুটি দৃশ্যের একটিতে আপনি হৃদয়ের গভীর থেকে অনুভব করেন, আপনি অবশ্যই ভোরে জেগে উঠবেন। আর অন্যটিতে আপনি হৃদয়ের গভীরে এমন মনোভাব রাখেন, আপনি আসলে ঘুম থেকে উঠতে চান না। আপনি ভোরে উঠার ক্ষেত্রে শয়তানের যে বাধা, সেটির সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত নন।
নিচে আমরা কিছু বাস্তব ও আধ্যাত্মিক উপায়ের কথা বলব, যেগুলো আপনাকে ‘দৃশ্য এক’ বাস্তবায়ন করতে সাহায্য করবে অর্থাৎ ফজরে জাগ্রত হতে সাহায্য করবে, ইন শা আল্লাহ…

◾ফজরে উঠার আধ্যাত্মিক কলা-কৌশল◾

◾আল্লাহকে জানুন: এটা ফজরে জাগার মূল ও এক নম্বর অস্ত্র। আপনি যদি জানেন যে আপনি কার ইবাদত করছেন, এবং আপনি জানেন যে তিনি আপনাকে ভোরে উঠে তার উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করতে বলেছেন; তবে আপনি উঠে পড়বেন। এটা আমাদের কমতি যে আমরা আল্লাহকে চিনতে পারি নি, ফলে আমরা সর্বদাই ‘দৃশ্য দুই’ এর মধ্যে নিপতিত হই (ভোরে/ফজরে উঠতে পারি না)। এজন্য আপনার করণীয়, আপনার রবকে জানুন, এটাই প্রধানতম উপায়।

◾আন্তরিক হোন: ফজরে উঠার ব্যাপারে অন্তরিক মনোভাব লালন করুন। কেবল নিজেকে এটা বললেই হবে না- “ইন শা আল্লাহ, ফজরে উঠলে তো ভালই হয়!” ফজরে উঠা নিয়ে আন্তরিক হোন, দৃঢ় নিয়ত রেখে বলুন- “আমি ফজরে উঠব, কিভাবে উঠব জানি না, তবে অবশ্যই উঠব”। আমি ব্যক্তিগত ভাবে এমনটি বলাতে উপকার পেয়েছি।

◾ঘুমানোর পূর্বে ওযু করুন: ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ইরশাদ করেন,
“এ অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো ধৌত পবিত্র কর, আল্লাহও তোমাদের পবিত্র করবেন। যে বান্দা পবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে যায়, একজন ফেরেশতা তার সাথে রাতে অবস্থান করে। যতবার বান্দা এপাশ ওপাশ করে, ফেরেশতা ততবার বলে, ‘হে আল্লাহ! আপনার এ বান্দাকে আপনি ক্ষমা করুন, কেননা সে পবিত্র অবস্থায় ঘুমিয়েছে।”
আপনার কি মনে হয়, যে বান্দার জন্য ফেরেশতারা এমন দু'আ করে, সে বান্দা কি অতিরিক্ত ঘুমাতে পারে, এবং ফজর মিস করতে পারে?

◾বিতরের নামায ও দু'আ: বিতর নামায পড়ে ঘুমানো নিশ্চিত করুন। বিতরের সালাতে মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করুন যাতে তিনি আপনাকে ফজরে উঠতে সাহায্য করেন। মনে রাখবেন, আমরা প্রতিনিয়তই তিলাওয়াত করি, “আমরা তোমারই ইবাদত করি, এবং তোমারই নিকট সাহায্য চাই।”

◾পবিত্র কুরআন থেকে কিছু অংশ তিলাওয়াত করুন: মহা পবিত্র কুরানের আয়াত পাঠের মাধ্যমে আপনার দিনের সমাপ্তি সালাতের জন্য জাগ্রত হওয়ার ফোকাস নিশ্চিত করে। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে ঘুমানোর পূর্বে সূরা আস-সাজদাহ ও সূরা আল-মুলক তিলাওয়াতের উপদেশ দিয়েছেন।

◾ঘুমানোর পূর্বে আল্লাহর যিকর: এ বিষয়টির কথা আমি প্রথমেই বলেছিলাম। ঘুমানোর পূর্বে যতরকম মাসনূন দু'আ আছে, সেগুলো আপনি খুব সহজেই জানতে পারেন। প্রথম দিকে হয়ত আপনাকে প্রিন্ট করা পেইজ দেখে দেখে এগুলো পড়তে হবে, কিন্তু এভাবে এক-দুই সপ্তাহ চললে এ দু'আগুলো আপনার পুরোপুরি মুখস্ত হয়ে যাওয়াই উচিত। আপনার কাজ শুধু চোখ বুজার আগে এগুলো পাঠ করা।

◾ফজরের নামায আদায়ের পুরস্কারসমূহের কথা মনে করুন: ফজরের নামায পড়লে আপনি মুনাফিক হওয়া থেকে বেচে থাকবেন। বিচার দিবসে নূরের জ্যোতি লাভ করবেন। পুরোদিন মহান আল্লাহর নিরাপত্তার চাদরে আবৃত থাকবেন। ফজর নামায আদায়ে আমাদের মধ্য হতে অলসতা দূর হবে, আমরা প্রোডাক্টিভ হয়ে উঠব- ঘুমানোর সময় ফজর নামাযের এসব পুরস্কারের কথা স্মরণ করুন, আশা করাযায়, আপনি অবশ্যই ফজরে উঠে পড়বেন।

◾ফজরে উঠার অন্যান্য কলা-কৌশল◾

◾বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের বলুন আপনাকে জাগিয়ে দিতে: এটা ফজরে উঠার এক নম্বর রুল। পরিবারের একজন সদস্য, বন্ধু বা স্ত্রীকে জাগিয়ে দিতে বলুন। আপনারা এক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতা করুন। আপনি যদি তাদের আগে উঠে পড়েন, তাহলে স্বার্থপর না হয়ে তাদের উঠাও নিশ্চিত করুন।

◾১.৫ আওয়ার স্লিপ রুল: হ্যা… একটি গোপন কৌশল, স্লিপ সাইন্সের এ থিউরি বলে,প্রতিটি মানুষ ১.৫ ঘন্টায় পুরো একটি ‘স্লিপ সাইকেল’ পূর্ণ করে। অতএব, আপনি বহু ১.৫ ঘন্টা পর জাগ্রত হতে পারবেন (যেমন ১.৫ ঘন্টা পর, ৩ ঘন্টা পর, বা ৪.৫ ঘন্টা পর। এমন ১.৫ ঘন্টার সাইকেল মেনে ঘুম থেকে জাগ্রত হলে আপনি সতেজ ও উজ্জীবিত বোধ করবেন। অন্যথায়, আপনি অলস অবস্থায় জাগ্রত হবেন। ফলে যদি ফজরের সময় থাকে ভোর ৫ টায়, আর আপনি ১২ টায় ঘুমাতে যান তবে আপনি ৪ টা ৩০ মিনিটে এলার্ম দিন। কারণ, এভাবে আপনি ৪.৫ ঘন্টা ঘুমানোর সুযোগ পাচ্ছেন অর্থাৎ স্লিপ সাইকেল পূর্ণ হচ্ছে, ফলে আপনার ঘুম থেকে উঠা সহজ হবে। (আর অবশ্যই, যদি আপনার ঘুমাতেই লেগে যায় ১.৫ ঘন্টা, তবে সময়ের হিসাব সে অনুযায়ীই ঠিক করবেন।)

◾সন্ধায় হালকা ঘুম: এটা আরেকটি লাইফ হ্যাক, যা সুন্নাহ ও বিভিন্ন বিজ্ঞ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া। তা হল, নিশ্চিত করুন, আপনার এই একটু ঘুমের পরিমাণ যেন মাত্র ২০ মিনিটের হয়। হ্যা, মাত্র ২০ মিনিট! বিশ্বাস করুন, বিগত ৩ বছর ধরে আমি সন্ধ্যাহ এ ২০ মিনিট ঘুমাই। আর কখনোই এটি আমাকে উজ্জীবিত করতে ব্যর্থ হয় নি। আপনার যদি এই সময়টুকু ঘুমানোতে প্রশিক্ষণ নিতে চান, তবে pzizz ডট com ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পরামর্শ দিচ্ছি। এই অসাধারণ সফটওয়্যারটি আপনাকে এই স্বল্প সময় ঘুমানোর প্রশিক্ষণ দিবে। আমি নিজেও এখানে প্রশিক্ষণ নিয়েছি।

◾নিজেকে ট্রিট দিন: আমি একজন ব্রেকফাস্ট পাগল মানুষ। তো যদি আম সকালে উঠতে পারি, আমি ব্রেকফাস্টে বিশাল খাবারের আয়োজন করি। কখনো কখনো আমি এ ব্রেকফাস্টের জন্য আগের দিন সন্ধ্যা থেকে মুখিয়ে থাকি। ফজরে উঠার ছোট্ট পুরস্কার হিসেবে সকালের বিশাল ব্রেকফাস্ট ভক্ষণ করে নিজেকে ট্রিট দিন। এটি আপনার দিনকে সুষম রাখবে, ইন শা আল্লাহ!

ফজরে ঘুম থেকে উঠার ব্যাপারে আমার কাছে থাকা পরামর্শ এগুলোই। আপনার কাছে ফজরে উঠার অন্য কোনো কলা-কৌশল থাকলে আমাদের জানান.....

______________________________
ফজরে উঠবেন যেভাবে
______________________________
মূল: মোহাম্মদ ফারিস
অনুবাদ: মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ

21/09/2025

আসসালামু আলাইকুম
প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা,
এখন থেকে প্রতি দিন জ্ঞান চর্চার জন্য এখানে ইসলামিক কুইজ দেওয়া হবে।
আশা করি আপনারা সকলে পাশে থাকবেন।
জাযাকাল্লাহু খইরন

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Chittagong
3720