Automotive Learning School.

Automotive Learning School.

Share

I want to contribute for the development of automotive sector in Bangladesh.

দেশেই তৈরি হবে বিলাসবহুল বাস-ট্রাক ll দৈনিক বীর চট্টলা 04/03/2021

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=275398287362323&id=109817020587118

দেশেই তৈরি হবে বিলাসবহুল বাস-ট্রাক ll দৈনিক বীর চট্টলা এখন থেকে দেশেই তৈরি হবে বিলাসবহুল বাস-ট্রাক।  এ কথা বলেছেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন।তিনি বলেন, অবশ....

26/09/2020

আসছে ই-ডিজেল চালিত গাড়ি
বিশ্বে প্রতিদিনই গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে, আর এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের ব্যবহারও। এতে সৃষ্টি হচ্ছে পরিবেশ দূষণসহ নানা রকমের সমস্যা। আর এসব সমস্যা সামাল দিতেই গাড়ি নির্মাতা জার্মান প্রতিষ্ঠান আউডি নিয়ে আসছে ইথানল ডিজেল বা ‘ই-ডিজেল’, যা কি না প্রচলিত জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করবে। এই ডিজেল সিনথেটিক জ্বালানি হিসেবেও পরিচিত। ই-ডিজেল তৈরির খবরটি জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ওয়্যার্ড।

24/05/2020

অটোমোটিভ লার্ণিং স্কুল এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানায় পবিত্র ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা

08/03/2020

অটোমোটিভ লার্নিং স্কুল নারী দিবসে পৃথিবীর সকল নারীর প্রতি জানাচ্ছে বিনম্র শ্রদ্ধা।

02/11/2019

০১/১১/১৯ ইং থেকে সারাদেশে কার্যকর হতে যাচ্ছে আলোচিত সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮

30/10/2019

অটোমোবাইল কাকে বলে, আবিস্কারের ইতিহাস এবং অটোমোবাইলের প্রধান কম্পোন্টের নাম সমুহ।

অটোমোবাইল লেকচার -১
যা আছে
১.আটোমোইল কাকে বলে?
২.আধুনিক অটোমোবাইল আবিস্কারের ইতিহাস .
৩.অটোমোবাইলের প্রধান অংশগুলো কি কি?

আসসালামু্ওয়ালাইকুম। আসাকরি সবাই ভালো আচেন, আমরা সরাসরি আলোচনায় চলে যাচ্ছি।

১.অটোমোবাইল বলতে সাধারনত রাস্তায় চলাচলকারি যানবাহনকে যেমন: কার, জীপ, মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক, ইত্যাদিকে বুঝায়,যার নিজস্ব শক্তি উ্ৎপাদন কেন্দ্র বা ইন্জিন আছে ।

অটোমোবাইল অর্থ স্বয়ংক্রিয় যান যা স্থলপথে যাএী এবং মালামাল বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অটোমোবাইল এমন এক প্রকার যান যার মধ্যে শক্তি উৎপাদন এবং সে উৎপাদিত শক্তিবিভিন্ন যন্তাংশের মাধ্যমে চাকায় স্থানান্তর করে নিজে চলে এবং যাএী ও মালামাল বহন করে।

২. আধুনিক অটোমোবাইল আবিস্কারের ইতিহাস



জার্মানির নিকোলাস অগাস্ট অটো- ১৮৭৬সালে চার স্ট্রোক ইঞ্জিন আবিস্কার করেন, যাকে অটো সাইকেল ইঞ্জিন বা পেট্রোল ইঞ্জিন বলে

জার্মানির কার্ল ব্রেঞ্জ – ১৮৮৫-১৮৮৬ সালে তিন চাকার গাড়িতে পেট্রোল ইঞ্জিন স্থাপন করেন,যা ১৮৮৬সালের ২৯ জানুয়ারীতে চালানো হয় যার গতি ছিল ঘন্টায় দুই কিলোমিটার ।

ডেইমলার- ১৮৮৯সালে ফোর হুইল মোটরযান তৈরী করেন,এতে ইঞ্জিন , পাওয়ার ট্রান্সমিশন, ব্রেক, ক্লাচ সিস্টেম যুক্ত ছিল ।

১৮৯৩সালে – আমেরিকার চালর্স ডুরি এবং ফ্রাংক ডুরি নামের দুই ভাই পেট্রোল ইঞ্জিন চালিত মোটযান তৈরী করেন ।

প্রথম বিশ্বযুদ্বের সময় মোটরযানের বডি কাঠ দিয়ে এবং পরে ধাতব বডি তৈরী করা হয়, এভাবে আধুনিক মোটরযানের আবির্ভাব ঘটে ।


৪.অটোমোবাইলের প্রধান অংশাবলি(Major Component of Automobile)

# অটোমোবাইল বডি (Automobile body)

# ফ্রেম (Frame)

# চেসিস (Chessis)

# ড্রা্‌ইভ লাইন

# ক্লাচ(Clutch)

# সাসপেনসন সিস্টেম (Suspension system)

# ট্রান্সমিশন সিস্টেম (Transmission system(transmission gear)

# ড্রাইভ শ্যাফট (Drive shaft(propelar shaft)

# ডিফারেন্সিয়াল গিয়ার (Differential gear box)

# এক্সেল (Axle)

# স্টিয়ারিং সিস্টেম (Stearing system)

# ব্রেক (Break system)

# হুইল এবং টায়ার (Wheel and tyres)

10/04/2018

ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর।

প্রশ্ন ০১ঃ মোটরযান কাকে বলে?

উত্তরঃ মোটরযান হলো কোন যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোন উৎস থেকে সরবাহ করা হয়ে থাকে।

প্রশ্ন ০২ঃ গাড়ি চালনাকালে কি কি কাগজপত্র সাথে রাখতে হয়?

উত্তরঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিম্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ব্লু-বুক), ট্যাক্স টোকেন, ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট (মোটর বাইকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়), রুটপারমিট (মোটরবাইক, চালক ব্যাতীত সর্বোচ্চ ৭ আসন বিশিষ্ট ব্যাক্তিগত/যাত্রীবাহী গাড়ীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।

প্রশ্ন ০৩ঃ গাড়ি চালনার আগে করনীয় কাজ কি কি?

উত্তরঃ ১) গাড়িতে জ্বালানি আছে কি না তা পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমান মতো নেওয়া।

২) রেডিয়েটর ও ব্যাটারীতে পানি আছে কি না তা পরীক্ষা করা।

৩) ব্যাটারী কানেকশন পরীক্ষা করা।

৪) লুব/ইঞ্জিন অয়েলের লেভেল ও ঘনত্ব পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমানমতো নেওয়া।

৫) মাষ্টার সিলিন্ডারের ব্রেকফ্লুইড, ব্রেকঅয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।

৬) গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, নাট-বোল্ট টাইট আছে কিনা তা অর্থাৎ সার্বিকভাবে মোটরযানটি ক্রুটিমুক্ত আছে কিনা তা পরীক্ষা করা।

৭) ব্রেক ও ক্লাচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।

৮) অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও ফার্ষ্ট এইড বক্স গাড়িতে রাখা। (এটা আমাদের দেশের গাড়িতে সাধারণত থাকে না। উন্নত দেশে মাষ্ট থাকতে হবে)।

৯) গাড়ির বাইরের এবং ভিতরের বাতির অবস্থা, চাকা (টায়ার কন্ডিশন, হাওয়া, নাট, এলাইনমেন্ট, রোটেশন, স্পেয়ার চাকা) পরীক্ষা করা।

১০) ইন্ডিকেটর বাতিসমুহ কাজ করে কিনা তা পরীক্ষা করা।

১০) ফুয়েল লাইনে কোন লিকেজ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা।

প্রশ্ন ০৪ঃ সার্ভিসিং বলতে কি বোঝায় এবং গাড়ী সার্ভিসিং এ কি কি কাজ করা হয়?

উত্তরঃ মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে। গাড়ী সার্ভিসিং এ করণীয় কাজ সমূহঃ-

ক) ইঞ্জিনের পুরাতন লুব অয়েল ফেলে দিয়ে নতুন লুবঅয়েল নেয়া। নতুন লুবঅয়েল দেয়ার আগে ফ্লাশিং অয়েল দ্বারা ফ্লাশ করা।

খ) ইঞ্জিন ও রেডিয়েটরে পানি ড্রেন আউট করে ডিটারজেন্ট ও ফ্লাশিং গান দিয়ে পরিস্কার করা, অতঃপর পরিস্কার পানি দিয়ে পূর্ণ করা।

গ) ভারী মোটরযানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজ গান দিয়ে গ্রিজ দেওয়া।

ঘ) গাড়ীর স্পেয়ার হুইলসহ প্রতিটি চাকাতে পরিমাণমতো হাওয়া দেওয়া।

ঙ) লুবঅয়েল ফিল্টার, ফুয়েল ফিল্টার ও এয়ার ক্লিনার পরিবর্তন করা।

প্রশ্ন ০৫ঃ রাস্তায় গাড়ির কাগজ-পত্র কে কে চেক করতে পারেন?

উত্তরঃ সার্জেন্ট বা সাব ইন্সপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএ এর কর্মকর্তা এবং মোবাইল কোর্টের কর্মকর্তা।

প্রশ্ন ০৬ঃ মোটর সাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কি?

উত্তর: মোটর সাইকেলে চালক ব্যাতীত একজন আরোহী বহন করা যাবে। উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে।

প্রশ্ন ০৭ঃ সড়ক দূর্ঘটনার প্রধান কারণ কি কি?
উত্তরঃ অত্যাধিক আত্মবিশ্বাস, মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অননুমোদিত ওভারটেকিং, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।

প্রশ্ন ০৮ঃ গাড়ী দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করণীয় কি?
উত্তরঃ আহত ব্যাক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা, ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিকটস্থ থানায় রিপোর্ট করাX(X((। (বাস্তবে এই কাজ জীবনেও করবেন না; বাংলাদেশের পাবলিক যে ক্ষ্যাপা প্রকৃতির। গাড়ি দুর্ঘটনা মানে চালকের দোষ মনে করেই দেয় মাইর;:((:P আগে পালান, তারপর অন্য কথা। আহতদের সুচিকিৎসা নিকটস্থ জনগনই করবে)।

প্রশ্ন ০৯ঃ আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গাড়ীর সর্বোচ্চ গতিসীমা কত?
উত্তরঃ হালকা মোটরযান ও বাইকের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭০ মাইল/ঘন্টা, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহি বাহনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৫ মাইল, মাঝারি বা ভারী মালবাহী যানের ক্ষেত্রে ৩০ মাইল/ঘন্টা।

প্রশ্ন ১০. মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কি?
উত্তরঃ সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ পারমিটই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।

প্রশ্ন ১১. অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?
উত্তরঃ যে লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক কারো বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটর সাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পরিবহনযান ব্যাতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।

প্রশ্ন ১২ঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিন্ম বয়স কত?
উত্তরঃ পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর, অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।

প্রশ্ন ১৩ঃ কোন কোন ব্যাক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির অযোগ্য?
উত্তরঃ মৃগীরোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানারোগী, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপ ব্যাক্তি, বধির ব্যাক্তি এবং বাহু বা পা চলাচল নিয়ন্ত্রন করতে অসমর্থ এমন ব্যাক্তি।

প্রশ্ন ১৪ঃ হালকা মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬০০০ পাউন্ড বা ২৭২৭ কেজির বেশী নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।

প্রশ্ন ১৫ঃ মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিষ্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ২৭২৭ কেজির বেশী কিন্ত ৬৫৯০ কেজির বেশী নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।

প্রশ্ন ০১৬ঃ ভারী মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিষ্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬৫৯০ কেজির বেশি তাকে ভারী মোটরযান বলে।

প্রশ্ন ০১৭ঃ প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ ড্রাইভার ছাড়া ৮ জনের বেশী যাত্রী বহনের উপযোগী যে মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং বিনা ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করা হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে।

প্রশ্ন ০১৮ঃ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন চিন্হ প্রধানতঃ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ ট্রাফিক বা সতর্কতা চিন্হ প্রধানত তিন প্রকার। ১) বাধ্যতামুলকঃ যা প্রধানত বৃত্তাকৃতির হয়, ২) সতর্কতামুলকঃ যা প্রধানত ত্রিভুজাকৃতির হয়, ৩) তথ্যমুলক, যা প্রধানত আয়তাক্ষেত্রাকার হয়।

প্রশ্ন ১৯ঃ লাল বৃত্তাকার সাইন কি নির্দেশনা প্রকাশ করে?
উত্তরঃ নিষেধ করা বা অবশ্য বর্জনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করে।

প্রশ্ন ২০ঃ নীল বৃত্তাকার সাইন কি নির্দেশনা প্রকাশ করে?
উত্তরঃ করতে হবে বা অবশ্যপালনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করে।

প্রশ্ন ২১ঃ লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কি নির্দেশনা প্রকাশ করে?
উত্তরঃ সর্তক হওয়া নির্দেশনা প্রদর্শন করে।

প্রশ্ন ২২ঃ নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ সাধারণ তথ্যমুলক সাইন।

প্রশ্ন ২৩ঃ সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ পথ নির্দেশক তথ্যমুলক সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন ২৪ঃ কালো বর্ডারের সাদা রঙের আয়তক্ষেত কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ এটিও পথনির্দেশক তথ্যমুলক সাইন, যা মহাসড়ক ব্যাতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন ২৫ঃ ট্রাফিক সিগনাল বা সংকেত কত প্রকার ও কিকি?

উত্তরঃ তিন প্রকার। ক) বাহুর সংকেত, খ) আলোর সংকেত, গ) শব্দ সংকেত।

প্রশ্ন ২৬ঃ ট্রাফিক লাইট সিগনালের চক্র বা অনুক্রম কি কি?

উত্তরঃ লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।

প্রশ্ন ২৭ঃ লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কি নির্দেশনা প্রকাশ করে?

উত্তরঃ লাল বাতি জ্বললে থামুন লাইনের পিছনে গাড়ি থামিয়ে অপেক্ষা করতে হবে, সবুজ বাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে সামনে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদ বাতি জ্বললে গাড়ি থামানোর প্রস্তুতি নিতে হবে।

প্রশ্ন ২৮ঃ নিরাপদ দুরত্ব বলতে কি বোঝায়?

উত্তরঃ সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে পেছনের গাড়িকে নিরাপদে থামানোর জন্য যে পরিমান দুরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হয় তাকে নিরাপদ দুরত্ব বলে।

প্রশ্ন ২৯ঃ পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কিমি গতিতে গাড়ী চললে নিরাপদ দুরত্ব কত হবে?

উত্তরঃ ২৫ মিটার।

প্রশ্ন ৩০ঃ পাকা ও ভালো রাস্তা ৫০মাইল গতিতে গাড়ী চালালে নিরাপদ দুরত্ব কত হবে?

উত্তরঃ ৫০গজ বা ১৫০ফুট।

29/03/2018

::::::::::ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়মাবলী:::::::

ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রকারভেদ :
প্রকারভেদ অনুযায়ী লাইসেন্স ৫ প্রকার। যেমন-

• শিক্ষানবীশ লাইসেন্স

• পেশাদার লাইসেন্স

• অপেশাদার লাইসেন্স

• পি.এস. ভি লাইসেন্স

• ইনস্ট্রাকটর লাইসেন্স

প্রকারভেদ অনুযায়ী লাইসেন্স ৫ প্রকার হলেও শিক্ষানবীশ লাইসেন্স, পেশাদার লাইসেন্স এবং অপেশাদার লাইসেন্সই বেশি প্রচলিত। নিম্নে এ সম্মন্ধে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হলো-

যে ধরণের ব্যক্তিগণ লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন :

• সর্বনিম্ন ১৮ বছর বয়স্ক ব্যক্তি অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

• সর্বনিম্ন ২০ বছর বয়স্ক ব্যক্তি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

• পেশাদার এবং অপেশাদার লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যাদের বয়স (২০/১৮) নির্ধারিত বয়স অপেক্ষা কম এবং যিনি কমপক্ষে অষ্টম শ্রেনী বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নন।

• ক্ষিপ্রতা গ্রস্ত ব্যক্তি ও মৃগী রোগী

• বধিরতা

• যিনি রাতকানা রোগগ্রস্ত

• হৃতরোগী

• বর্ণান্ধ

• যে সকল ব্যক্তি শারিরীক অক্ষমতা / শারিরীক স্বল্পতা/ ত্রুটির কারণে গাড়ী চালনায় অযোগ্য।

শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতি:

যে কোন ব্যক্তিকে শিৰানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে নিম্নলিখিতভাবে অগ্রসর হতে হবে :

১. বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বি.আর.টি.এ) অফিস হতে ছাপানো নির্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদন করতে হবে।

২. একজন রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তার কর্তৃক শারীরিক ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রক্তের গ্রুপ ফর্মে উল্লেখ থাকতে হবে।

৩. নির্ধারিত আবেদন ফিস স্হানীয় পোস্ট অফিসে জমা দিতে হবে।

৪. আবেদন পত্র সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের তিনকপি ছবিসহ বি আর টি এ অফিসে জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্র পাওয়ার পর লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ আবেদন পত্রের যথার্থতা বিবেচনাক্রমে ৩ (তিন) মাসের জন্য শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে থাকেন। অতঃপর লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে।

একজন চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে যে সমস্ত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হয় তা হলো :

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের দেয়া শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কালের মধ্যে ধার্যকৃত ফিস জমা দিয়ে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন পত্র পাওয়ার পর লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ আবেদনকারীকে-

ক. লিখিত পরীক্ষা

খ. মৌখিক পরীক্ষা

গ. ব্যবহারিক পরীক্ষা অংশ গ্রহণ করতে হবে।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে মটর যানের যে শ্রেণীর (মটর কার, মটর সাইকেল বা হালকা/ভারী) জন্য আবেদন করেছে সে শ্রেণীর গাড়ী নিয়ে বি.আর.টি.এ অফিসের নির্ধারিত স্হানে (জেলা পর্যায়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট/১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে) ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে।

ব্যবহারিক পরীক্ষা ৩ (তিন) টি ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকে। যথাঃ

ক. জিগ জ্যাগ টেস্ট

খ. রেম্প টেস্ট

গ. রোড টেস্ট : এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে লাইসেন্সিং কর্তৃপৰ আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবেন।

এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, মধ্যম ও ভারী যানবাহনের লাইসেন্স পেতে হলে অবশ্যই আবেদনকারীর হালকা মটরযানের লাইসেন্স থাকতে হবে এব তিন বছর পার না হলে উক্ত প্রকার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে না।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পরীক্ষা পদ্ধতি :

তিনটি বিষয়ের উপরে লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়। যথা :

ক. রোড সাইন, ট্রাফিক সিগন্যাল ও ট্রাফিক চিহ্ন,

খ. ট্রাফিক নিয়মাবলী,

গ. মটরযান ও ইহার ইঞ্জিন সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান বিষয়ে।

১) লিখিত পরীক্ষা কত সময় দেয়া হয় এবং পরীক্ষায় পাশের শতকরা হার কত ?
সাধারণতঃ লিখিত পরীক্ষায় ২৫-৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয় এবং শতকরা ৬৬% নম্বর পেলে উত্তীর্ণ হওয়া যায়।

২) লিখিত পরীক্ষায় কি ধরনের প্রশ্ন থাকে ?
উপরোক্ত বিষয়ের উপর ছোট ছোট প্রশ্ন থাকে। যাতে স্বল্প কথায় উত্তর দেওয়া যায়। উত্তর দেওয়ার জন্য প্রত্যেক প্রশ্নের নিচেই ফাঁকা জায়গা থাকে
এবং সেখানেই উত্তর লিখতে হয় অথবা প্রশ্ন পত্রে কয়েকটি উত্তর দেওয়া থাকে সঠিক উত্তরের পাশ্বে টিক দিতে হয়।

৩) কি কি বিষয়ের উপর মৌখিক পরীক্ষা দিতে হয় ?
রোড সাইন, ট্রাফিক সিগন্যাল ও ট্রাফিক চিহ্ন, ট্রাফিক নিয়মাবলী বাস্তবে চিহ্নিত করতে পারে কিনা এবং মটরযান ও ইহার ইঞ্জিন সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান আছে কিনা। তদুপরি বয়স ও শারীরিক দিক হতে উপযুক্ত কিনা ইত্যাদি বিষয়ে মৌখিক পরীক্ষয় প্রশ্ন করা হয়।

৪) প্রাকটিক্যাল টেস্ট বা মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষা কি ভাবে হয় ?
পরীক্ষার্থী মটরযানের যে শ্রেণীর জন্য লাইসেন্স পেতে চায় সেই শ্রেণীর গাড়ী দিয়েই মাঠে প্রাকটিক্যাল টেস্ট দিতে হয়। এ প্রাকটিক্যাল টেস্টে ইঞ্জিন চালু করা, গিয়ার পরিবর্তন করা, সিগন্যাল লাইট ব্যবহার করা, গাড়ী থামানো, সামনে অগ্রসর হওয়া ও পিছনের দিতে সুষ্ঠুভাবে চালাতে পারে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়। মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা ১ম ধাপ হচ্ছে জিগজাগ টেস্ট। মাঠে যে আঁকা বাকা রাস্তা মার্কিং করা থাকে তার ভিতর দিয়ে গাড়ী নিয়ে অগ্রসর হওয়ার নাম জিগজাগ টেস্ট।

#ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কিংবা ছিড়ে গেলে ‘ইস্যুকরণ পদ্ধতি’

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কিংবা ছিড়ে গেলে লাইসেন্সধারীকে-

নির্ধারিত ফরমে সাদা কাগজে প্রয়োজনীয় ফিস পোস্ট অফিসে জমা দিয়ে লাইসেন্স পূর্ণ বিবরণাদি উল্লেখপূর্বক যে লাইসেন্সিং অথরিটি কর্তৃক ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছিল তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে লাইসেন্সিং অথরিটির নিকট ৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবিসহ আবেদন দাখিল করতে হবে।

লাইসেন্স হারিয়ে বা পুড়ে গেলে সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডাইরি (জিডি এন্ট্রি) করতে হবে এবং তার একটি সত্যায়িত অনুলিপি আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

এছাড়া দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে এবং সেই বিজ্ঞপ্তির তারিখ আবেদন পত্রে উল্লেখসহ উক্ত পত্রিকার নির্দিষ্ট স্হানটি চিহ্নিত করে আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। আবেদন পত্র সঠিক বিবেচিত হলে লাইসেন্সধারীর অনুকুলে একটি প্রতিলিপি ইস্যু করা হবে।

লাইসেন্স ফি:

সকল জেলা শহরেই বেসরকারীভাবে ড্রাইভিং শেখানোর কিছু প্রতিষ্ঠান থাকে যেখানে প্রতিষ্ঠানভেদে ফি ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে ।
সাধারণত ভাল প্রতিষ্ঠানগুলো যে ধরনের ফি নিয়ে থাকে যেমন- শিক্ষানবীশ লাইসেন্স ফি ১২৭০/-

জিগজ্যাগ পরীক্ষা বাবদ ৪৭০/-

অপেশাদার লাইসেন্স বাবদ ২১০০/-

পেশাদার লাইসেন্স বাবদ ১৫০০/-

14/03/2018

একটু অপেক্ষা করে এ্যাম্বুলেন্সকে আগে যাওয়ার সুযোগ করে দিন, আপনার এই সহযোগীতায় বেঁচে যেতে পারে একটি জীবন।

07/03/2018

অটোমোটিভ লার্নিং স্কুল
পৃথিবীর সকল নারীর প্রতি জানাচ্ছে বিনম্র শ্রদ্বা।

07/03/2018

ধীরে গাড়ি চালান নিজে বাঁচুন অপরকে বাঁচান।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Chittagong