শৈশবে যখন পলোগ্রাউন্ড কলোনিতে ছিলাম তখন আকাশটা আরেকটু নীল ছিল। এই তামাপোড়া শহরে আরেকটু খোলা বাতাস ছিল। কংক্রিটের জঙ্গলের মাঝে ২-১টা মাঠ ছিল ছোট-বড়-মাঝারি। টাইগারপাস থেকে বহদ্দারহাট যাওয়ার পথে মিষ্টি চেহারার কয়েকটা বাড়ির সামনে একচিলতে উঠানও ছিল। বৃহৎ বৃহৎ অট্টালিকার নিচে চাপা পড়ে গেছে শৈশবের সেই শহর, কিন্তু পলোগ্রাউন্ড কলোনি এখনো ঠিক সেই আগের মতই আছে।
বিদেশি ফুটবল এবং ক্রিকেট খেলা ব্যাতীত এই কলোনিতে আরো কত রকম খেলা যে খেলেছি তার কোনো ইয়ত্তা নাই। শিশু বয়সে সবচেয়ে অপমানজনক ছিল যার মাথা ন্যাড়া তার জন্য একখানা চার লাইনের ছড়া---"বেল মাথা চাইর আনা,চাবি দিলে ঘুরেনা,চাবি হইলো নষ্ট,বেল মাথার কষ্ট।"শুধু ছড়া কেটে ছেড়ে দিলে এক কথা ছিল, সাথে যে যখনি সুযোগ পেত মাথায় তবলা বাজিয়ে যেত, ওদিকে মা-বাপদের একটা ধারণা ছিল যে মাথাটা টাক্কু বেল করলে চুল হবে ঘন কালো, কাজেই নিয়মিত শুনতে হতো ঐ ছড়া।
মাঝে মাঝে বড়রা খেলায় না নিলে মেয়েদের সাথে খেলতাম পুতুল আর রান্নাবাটি। কিছুক্ষন খেলেই উৎসাহ হারিয়ে ফেলতাম, এ জিনিসে পোষাবে না। এছাড়া মেয়েরা আরো কিছু ছড়া কাটতো। কি যেন........."আকাশ থেকে নেমে এল ছোট্ট একটি প্লেন,সেই প্লেনে বসে ছিল একটি ছোট্ট মেম,মেমকে আমি জিজ্ঞেস করলাম হোয়াট ইজ ইউর নেম?, মেম আমাকে উত্তর দিল মাই-নেম-ইজ-বিউ-টি-ফুল।"এই বলে হাসতে হাসতে মেয়েরা একে অপরের গায়ে গড়িয়ে পড়তো, যদিও এই ছড়ায় এত হাসির কি আছে, এখনো বুঝিনি। মাঝে মাঝে সবাই হাত পাততো, আবার চলতো ছড়া, প্রতি শব্দে একেকজনের হাতে ছোঁয়া--"ইচিং বিচিং চিচিং চা, প্রজাপতি উড়ে যা"। যার হাতে পড়তো "যা", সে বাদ পড়ে গেল।
তারপরে একটু বড় হয়েছি, তবে অতটা বড় না যে বড়দের সাথে খেলতে পারি, কিন্তু লাফঝাঁপ পারি হালকা। প্রতিবেশিনী বোনেরা খেলার সাথীর অভাব হলে মাঝে মাঝে আমাদের ডাক দিতেন "কুতকুত" খেলায়। এক টুকরা চাড়া ছুড়ে দিয়ে তারপরে একদমে কুতকুত কুতকুত বলতে বলতে এক পায়ে লাফিয়ে সেই চাড়াটাকে ঠেলে ঠেলে কোর্টের শেষ মাথায় নিতে হবে,৬ নম্বর ঘরে গিয়ে আবার ২ পা ফেলা যেত। আপুদের দড়িলাফেও মাঝে মাঝে অংশ নেয়ার সুযোগ হতো, দড়িতে পা বেঁধে আমরা পড়ে যেয়ে আপুদের বিনোদন দেয়া ছিল আমাদের মত "দুধভাত" দের কাজ। দুদভাত মানে, তোমরা খেলার অংশ নও, তবে থাকতে পারো আরকি, কান্নাকাটি করো না। দুধভাত নেয়ার ব্যবস্থা সব খেলাতেই ছিল, যে পিচ্চিটাকে বড়রা খেলায় না নিলে গিয়ে বাপ-মাকে নালিশ করে সাধের খেলাটা পণ্ড করে দেয়ার ব্যবস্থা করবে তাকে ঠাণ্ডা করার জন্য রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল এটা।
একেবারেই উপভোগ করতে পারতাম না যে খেলাটা, তার নাম "কানামাছি।" একবার চোর হয়েছ তো তোমার দফা শেষ, চোখ বেঁধে মাঝখানে ছেড়ে দেয়া হবে আর তোমার কাজ হলো তোমার আশপাশে ঘুরে ঘুরে যারা "কানামাছি ভোঁ ভোঁ, যারে পাবি তারে ছোঁ" বলে গায়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে (আসলে কিলিয়ে কাঁঠাল পাকিয়ে যাচ্ছে) তাদের পাকড়াও করা। সিনেমাতে মাঝে মাঝে নায়ক-নায়িকা এই মহা রোমান্টিক খেলাটা খেলে থাকেন, আগেকার বাদশাহ-বেগমরাও নাকি খেলতেন।
একদম বাচ্চাকালের আরেকটা খেলা ছিল, ওপেনটি বায়োস্কোপ। জেমসের গানটা মনে আছে? ওই যে---"ওপেনটি বাইস্কোপ,নাইন টেন টেইস্কোপ,সুলতানা বিবিয়ানাসাহেব বাবুর বৈঠকখানা।"এই ছড়া বলতে বলতে রেলগাড়ির মত লাইন করে একদল ঘুরে ঘুরে যেত হাত উঁচু করে রাখা ২ জনের মাঝ দিয়ে, ছড়া শেষ হবার সাথে সাথে হাত নামিয়েএকজনকে পাকড়াও করে ফেলা হয়, যে ধরা খাবে তার কাজ হলো ঐ দু'জনের ছড়ানো পায়ের উপর দিয়ে লাফ দেয়া। লাফ দিতে গিয়ে মাঝে মাঝেই মুখ থুবড়ে পড়লেও উৎসাহের অভাব নেই, ধুলা না লাগলে আর খেলাধুলা কি? ওটার সাথেই চলতো "এলন্ডি লন্ডন" নামের আরেকটা খেলা, যে চোর, সে পেছন ফিরে থাকবে, অন্যরা একটু দূর থেকে তার দিকে এগিয়ে আসবে, চোর "এলন্ডি লন্ডন" বলেই ঝট করে পেছন ফিরে তাকানোর আগেই একদম স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে যেতে হবে, যদি নড়াচড়া ধরা পড়ে তবে একদম আগের জায়গায়। যে সবার শেষে থাকবে, সে হবে পরবর্তী চোর।
বৃষ্টিতে ঘরের বাইরে খেলতে না পারলে তখন চলতো "চোর-পুলিশ-সাহেব-গোলাম", চার টুকরো কাগজে চারটা নাম লেখা হবে, প্রতিটায় আলাদা পয়েন্ট থাকবে, না দেখেই চারজন চারটা তুলে নেবে, যে পুলিশ পাবে, তাকে অনুমান করতে হবে কে চোর। যদি পারে, চোরের পয়েন্ট টাও সে পাবে, না পারলে, শূন্য।
ডাঙ্গুলি খেলাটা খেলেছি যখন শিশু থেকে শৈশবে পৌছেছি। একটু বিপজ্জনক থাকায় বাব-মায়ের ভয়ে খুব বেশি দিন খেলতে পারিনি। ব্যথা পাবার ১০০ ভাগ সম্ভাবনা নিয়েও অবশ্য "বম্বাস্টিং" খেলাটা খেলেছি নিয়মিত। একটা টেনিস বল নিয়ে যাকে নাগালে পাও যাবে তাকেই গায়ের জোরে মারাটাই হচ্ছে বম্বাস্টিং খেলা। টেনিস বল লাগতো আরেকটা খেলাতেও, সেটা "সাত চাড়া", একটা ইটের উপর ৭টা চাড়া (ইটের টুকরো) বসিয়ে দূর থেকে বল মেরে সেগুলো মাটিতে ফেলেই ভোঁ দৌড় দিতে হবে, এবং তারপর বিপক্ষের হাত এড়িয়ে আবার ওই চাড়াগুলো ইটের উপর বসাতে হবে। বিপক্ষের কাজ হবে বলটা নিয়ে চাড়াভাঙ্গা দলের গায়ে লাগানো, বলাই বাহুল্য, এখানেও গায়ে বল মারার ব্যাপারে কোনরকম দয়ামায়া চলতো না, চারা বসানোর বীরপুরুষ হওয়া তাই খুব একটা সোজা কাজ ছিল না।
গত ১২ই মে আমার ছোট্ট একটা অপারেশন হয়েছে। বেশ কয়েকদিন অবসর সময় কাটালাম, আশাকরি দু-এক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে উঠবো। পুরো অবসর সময়টাই কাটিয়েছি পলোগ্রাউন্ড কলোনির স্মৃতিচারন লিপিবদ্ধ করে।
ম.ই উজ্জ্বল
Facebook.com/ujjalakg
Pologround Multilateral High School, Chittagong
Pologround Multilateral High School Students Community Join this Group If you are belongs to Pologround High School, Chittagong
"স্কুলে প্রথম দিন"
জীবনের দিনগুলো কখনও এক জায়গায় আবদ্ধ হয়ে থাকে না। এগিয়ে যাওয়াই জীবনের বৈশিষ্ট্য। সেই কোনো এক অতীতে প্রথম প্রবেশ করেছিলাম স্কুলে। আজ তা স্মৃতি হয়ে মনের কোণে ভেসে আছে। তারপর আনন্দ বেদনায় মুখর কতো শত দিন চলে গেছে, তবু মনে হয় বুঝি এই সেদিন ১১ নং বিল্ডিং থেকে স্কুলের দিকে পা বাড়িয়েছিলাম। স্মৃতিতে অস্পষ্ট হলেও আমার খুব স্পষ্ট মনে আছে স্কুলের প্রথম দিনের স্মৃতি। তবে প্রথম ক্লাশের সেই ফরিদা আপার কথা আজও বেশ মনে পড়ে। উনি খুব আদর করেই সবার সাথে কথা বলতেন। তবে ভয় পেয়েছিলাম বড় আপাকে দেখে কারন উনি চশমার উপর দিয়ে তাকাতেন। এটিই ছিলো আমার স্কুল জীবনের প্রথম দিন, জীবনের প্রথম কোনো স্মরণীয় মুহূর্ত।
দূর অতীতকে জীবন্ত করে বর্তমানকে ভুলিয়ে দিতে চায় স্মৃতি। ভালো লাগে অতীতের স্মৃতিচারণ করতে। স্মৃতিচারণে সে অধ্যায়টি আমার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় তা হলো আমার স্কুল জীবন। যদিও স্কুল জীবন আরো ২৬ বছর আগে পার করে এসেছি। তারপরও স্কুল জীবনের স্মৃতি আমার জীবনের অনেকখানি জায়গা জুড়ে আছে। সব ভোলা যায় কিন্তু স্কুল জীবনের স্মৃতি কখনও ভোলা যায় না। তা চির স্মরণীয়।
ম.ই উজ্জ্বল
Facebook.com/ujjalakg
বাংলাদেশের প্রায় সব কলোনির কাহিনী, জীবন-চিত্র কি প্রায় একই রকম?
আমার কাছে আমার পলোগ্রাউন্ড কলোনি সবচেয়ে আলাদা।
বিল্ডিং অনেক কিন্তু ঘর একটাই...
আমরা যখন শিশু থেকে কিশোর হয়েছি তখন কলোনিতে কোন বাসা আসলে আমাদের জন্য নির্দিষ্ট ছিলনা। সকালে হয়তো নিজের বাসায় খেয়েছি, দুপুরে আরেক বাসায়, রাতে আরেক বাসায় এমনকি অন্য বাসায় ঘুমানো খুব একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার ছিল না। বর্তমান শিশু কিশোররা স্বপ্নেও হয়তো এতোটা আশা করবে না। বিকালে অথবা রাতে হাটতে বের হলে সবার সাথেই সবার দেখা সাক্ষাৎ হত। কোরবানির সময় দল বেঁধে গরু নিয়ে ঘুরা, ঘুড়ি উড়ানো, মামু ভাগিনার মাজারে সবে-বরাত, রোজার মাসে কেরাম খেলা ইত্যাদি তখন আমার কাছে এসবই খুব স্বাভাবিক দৃশ্য ছিল। আমি ধরেই নিয়েছিলাম এমনই তো হওয়ার কথা। কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সমানুপাতিক হারে আমি বুঝতে পেরেছি কি অদ্ভুত সুন্দর মায়ায় জড়ানো সময়ই না ছিল সেটা।
খেলার মাঠে ধুলা...
বর্ষা থেকে শরৎকালের শেষ পর্যন্ত সবুজ কার্পেট দিয়ে মোড়ানো থাকত আমাদের এই মাঠ, কি সুন্দর লাগত দেখতে! আমাদের মাঠে ক্রিকেট, ফুটবল এবং বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হতো। শীতকালে ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, বর্ষাকালে ফুটবল এভাবেই চলত। খেলার মাঠে মারামারি, মন কষাকষি একটা স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। বিশেষ করে ক্রিকেটে কে আগে ব্যাটিংয়ে নামবে তা নিয়ে প্রায়শই ঝামেলা বাধত। এইসব হাতাহাতি, মারামারি আর মন কষাকষি করতে করতেই ঐ মাঠ যে কত বন্ধু উপহার দিয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।
জুম্মাবার...
শুক্রবার মানেই কলোনিতে আমাদের জন্য ছিল সাপ্তাহিক ঈদ। ঐদিন পড়াশোনার চাপ কম এবং খেলাধুলার চাপ বেশী ছিল। সবার ছুটি বিধায় ছোট এবং বড়দের মধ্যে ফুটবল অথবা ক্রিকেট ম্যাচ হত।
"তবে সবচেয়ে বেশী মজাটা হত মসজিদে। বাসা থেকে তাড়াতাড়ি বের হতাম সত্যি তবে সেটা হুজুরের খুতবা শোনার জন্য নয়। আমরা মসজিদের অদূরেই খুতবা উপেক্ষা করে আড্ডা মারতাম আর কান খাড়া করে রাখতাম কখন ভেসে আসবে ‘আস্কুরুনি ওলা তাকফুরুন’। এইটা শোনার সাথে সাথেই মসজিদের দিকে দে দৌড়। কোনোমতে শেষ কাতারে দাঁড়াতাম। যেহেতু শরিয়তে আছে রুকুতে যাওয়া পর্যন্ত নামাজ ধরা যাবে তাই আমরা এই সর্বোচ্চ সুবিধাটা আনন্দ-চিত্তে গ্রহণ করতাম এবং বিভিন্ন ফাতরামি করে নামাজে দাঁড়ানো অন্যান্য মুমিন মুসলমানদের ঈমানের শক্ত পরীক্ষা নিতাম। নামাজে দাঁড়ানোর পরও আমাদের ঘাড়ের শয়তানের দম ফেলার ফুরসত ছিল না। বেশিরভাগ সময়েই সেজদায় যাওয়ার পর কারও পশ্চাতদেশে নির্মমভাবে আঘাতের ধুমধাম আওয়াজ পাওয়া যেত এবং সালাম ফেরানোর পরে দেখা যেত কয়েকজন ঘটনা ঘটিয়ে নামাজ শেষ হওয়ার আগেই জীবনহানির আশঙ্কায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে।" 😀😀😀😀😀
কলোনিয়াল প্রেম...
আমাদের সময় কলোনিতে অনেক উঠতি প্রেমিক-প্রেমিকার বিচরণক্ষেত্র ছিল। তবে তাদের প্রেমের পথ ছিল বন্ধুর। প্রেমিকা যে বিল্ডিংয়ে থাকে প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে সেই বিল্ডিংয়ের সামনে টহল প্রদান, উঁচু গলায় গান পরিবেশনের মাধ্যমে প্রেমিকার দৃষ্টি আকর্ষণ এবং প্রেমিকার পিতা বা মাতাকে ভক্তিভরে সালাম প্রদান ইত্যাদি কর্মের মধ্যে প্রেমিক যুবকরা নিযুক্ত থাকত। এই বিষয়ে আমি কখনো খেলোয়াড়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারি নি বরং গ্যালারির দর্শক হিসেবেই আনন্দ লাভ করেছি। 😎😎😎😎😎
লেখাপড়া....
শুধু শুক্রুবার নয়, সপ্তাহের কোনোদিনই আমার লেখা-পড়ার চাপ ছিলনা| ক্লাস নাইনে অংক, ইংলিশ এবং বানিজ্য গণিতে সর্বোচ্চ মার্ক পেয়ে ৭ বিষয়ে ফেইল করার অভিজ্ঞতা আমার আছে| বড় ভাই নিপ্পন হেড স্যারকে বহু অনুরোধ করে আমাকে দশম ক্লাসে উতীর্ণ করেছিল| হেড স্যারের প্রশ্ন ছিল তিন বিষয়ে হাইয়েস্ট মার্ক পেয়ে বাকি বিষয়ে ফেল করে কিভাবে? আসলে নিপ্পন আমাকে অঙ্ক আর ইংলিশটা সবসময় নিজ থেকে বাসায় জোর করে পড়াত এবং বলত এই দুই বিষয় পর্বর্বর্তিতে লাইফে খুবই গুরুত্বপূর্ণ| ওর কথার মর্ম যে কত বড় ছিল সেটা একটা সময় পর বুঝতে পেরেছি| অন্যদিকে আমার বানিজ্য গণিতের গুরু ছিল বিপু ভাই (১২ নম্বর বিল্ডিং)| উনি আমার accounting এর গোড়া এতো শক্ত করে দিয়েছিল যে, আমাকে পরবর্তিতে জীবনে আর বেগ পেতে হয় নাই|
চমৎকার একটা জীবন কাটিয়েছি এই পলোগ্রাউন্ড স্কুলে| বন্ধের সময় স্কুলের গাছের ডাব চুরি করা ছিল আমার নিত্য নৈমত্তিক কাজ| একবার বন্ধে আমি বাড়িতে ছিলাম, সেবার ডাব চুরি করেছিল অন্যরা| কিন্তু স্কুল খোলার পর ক্লাস শেষে মনোরঞ্জন স্যার আমাকে ডেকে নিয়ে গেল হেড স্যারের রুমে, হেড স্যার তার ডান হাত দিয়ে আমার দুই গালে তার ঐতিহাসিক থাপ্পরটি মারলেন, তারপর বেত দিয়ে মারলেন তপন স্যার ডাব চুরির ঘটনার জন্য| এই স্মৃতি মনে পড়লে আমি কোনো ব্যথা পাই না বরং নিজের আবেগকে সামলাতে পারি না| ইচ্ছে হয় আবারও স্কুলে ফিরে যেতে স্যারদের মার খাওয়ার জন্য| এই আঘাত আমার স্কুল জীবনের স্মৃতির মধ্যে অন্যতম, এই আঘাত ছিল আমার জন্য স্যারদের আশির্বাদ| I sallute them always from deep in my heart
কলোনির স্মৃতির কথা লিখে শেষ করা যাবেনা। এ যেন এক অফুরন্ত স্মৃতির কারখানা.........
ম.ই উজ্জ্বল
Facebook.com/ujjalakg
31/03/2014
29/03/2014
Can anyone recognise this photo?
"If you will pump long enough, hard enough, and enthusiastically enough, sooner or later the effort will bring forth the reward"
ম.ই উজ্জ্বল
Facebook.com/ujjalakg
19/05/2011
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Chittagong
4000