✅ জমিজমা সংক্রান্ত সকল সেবা সম্পর্কে জানুনঃ
১। অনলাইন নামজারি আবেদনের জন্য এই লিংকে ক্লিক করুনঃ https://land.gov.bd/pages/mutation
২। আর, এস খতিয়ান দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুনঃ https://www.land.gov.bd/pages/R-S-Khotian
৩। ভার্চুয়াল রেকর্ডরুমে যেতে এখানে ক্লিক করুনঃ http://drr.land.gov.bd/vrr-map
৪। খতিয়ান/পর্চার আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুনঃ http://drr.land.gov.bd/porcha-application
৫। আপনার অনলাইন আবেদনের সবশেষ অবস্থা জানতে এই লিংকে ক্লিক করুনঃ http://drr.land.gov.bd/
Legal Advice BD
Law provides rights for all
The law is the means by which the disobedience which underpins the power of the state is sublimated into recognition of the legitimacy of the state’s authority
জমির খতিয়ান কি ? খতিয়ান কত প্রকার ও কি কি ? CS, SA, RS, BS খতিয়ান চেনার উপায় !! Legal Advice BD
জমির খতিয়ান কি ? খতিয়ান কত প্রকার ও কি কি ? CS, SA, RS, BS খতিয়ান চেনার উপায় !! Legal Advice BD
Fair Use Disclaimer:
This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” as described in The Copyright Act 2000 Law No. 28 of the year 2000 of Bangladesh under Chapter 6, Section 36 and Chapter 13 Section 72. According to that law allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.
Please Subscribe Live bd news
https://www.youtube.com/channel/UC4XeGERLkSWCuyoUu97brGg
খতিয়ান কি,খতিয়ান চেনার উপায় কি,নামজারি খতিয়ান কি,খতিয়ান কিভাবে চিনব,খতিয়ান কত প্রকার,সিএস খতিয়ান কি,আর এস খতিয়ান কি,বি এস খতিয়ান কি,সিএস খতিয়ান চেনার উপায়,এস এ খতিয়ান চেনার উপায়,আর এস খতিয়ান চেনার উপায়,বি এস খতিয়ান চেনার উপায়,আর এস খতিয়ান মৌজা জমির মালিকানা দাবি,খতিয়ান কিভাবে তুলতে হয়,খতিয়ান দিয়ে জমির মালিকানা দাবি করা যায় কিনা,রেকর্ডিয় খতিয়ান কি,জরিফ খতিয়ান কি,খতিয়ানের অংশ বের করার নিয়ম,খতিয়ান দিয়ে জমির মালিকানা,RS khatian
04/03/2022
জেনে নিন মুসলিম আইনে কখন স্বামী তার স্ত্রী ভরণ পোষণ দিতে বাধ্য, এবং কখন বাধ্য নয় || Legal Advice BD
জেনে নিন মুসলিম আইনে কখন স্বামী তার স্ত্রী ভরণ পোষণ দিতে বাধ্য, এবং কখন বাধ্য নয় || Legal Advice BD
Fair Use Disclaimer:
This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” as described in The Copyright Act 2000 Law No. 28 of the year 2000 of Bangladesh under Chapter 6, Section 36 and Chapter 13 Section 72. According to that law allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.
https://www.youtube.com/watch?v=oRWM5sf07LE
স্বামী যদি স্ত্রীকে ভালো না বাসে,স্বামী যদি স্ত্রীকে সময় না দেয়,স্বামী যদি স্ত্রীকে কষ্ট দেয়,স্ত্রীর হক,স্বামী স্ত্রীর গায়ে হাত তোলে,ভরণ-পোষণ,স্ত্রীর অধিকার,narir odhikar,strider voron-poshon,ভরণপোষন ও তালাকের পর সন্তানের অভিবাকত্ব।,মুসলিম পারিবারিক আইন,স্ত্রীর ভরণপোষণ,স্বামী স্ত্রীর ভরণপোষণ,ইসলামে নারীর মর্যাদা,স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর শাস্তি,স্ত্রী ভরণ পোষণ,স্ত্রীর প্রতি স্বামীর দায়িত্ব,ইসলাম,স্ত্রীর ভরণপোষন,সন্তানের ভরণ পোষণ আইন,legal advice bd
0 Comments
জেনে নিন মুসলিম আইনে কখন স্বামী তার স্ত্রীর ভরণ পোষণ দিতে বাধ্য, এবং কখন বাধ্য নয় | Legal Advice BD জেনে নিন মুসলিম আইনে কখন স্বামী তার স্ত্রী ভরণ পোষণ দিতে বাধ্য, এবং কখন বাধ্য নয় || Legal Advice BDজেনে নিন মুসলিম আইনে কখন স.....
যাদের আইন অফিসার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা আছে তারা পড়ে রাখতে পারেন....
অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের ও বিচার পদ্ধতি (Procedure for filing of cases in Artha Rin Adalat):
২০০৩ সালের অর্থ ঋণ আদালত আইনে অর্থ ঋণ মামলার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঠিক তুলে ধরা হয়েছে। অন্যান্য ক্ষেত্রে এই আইনের সাথে অসংগতিপূর্ণ না হওয়া, দেওয়ানী কার্যবিধি আইন প্রয়ােগযােগ্য হবে। অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ তা অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের ও বিচার পদ্ধতি নিম্নে তুলে ধরা হল-
১। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি ৮ ধারার বিধান অনুসারে আরজি দাখিলের মাধ্যমে অর্থ ঋণ মামলা দায়ের করবে।
২। আরজির সাথে আরজির দাবীর সমর্থনে দালিলিক প্রমাণাদি দাখিল করতে হবে। দলিল বাদীর দখলে থাকলে দলিলটি বা এর সত্যায়িত নকল বা ফটোকপি ফিরিস্তি সহকারে
আদালতে দাখিল করতে হবে।
৩। আরজির বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট দালিলিক প্রমাণের সমর্থনে একটি হলফনামা (Affidavies) আরজির সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
৪। আরজির সাথে মূল্যানুপাতিক (Ad valorem) কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে।
৫। আরজিটি ৮ ধারাসহ অন্যান্য আইন অনুসারে যথাযথ হলে তা অর্থ ঋণ মামলা হিসাবে নির্ধারিত রেজিস্ট্রারে ক্রম অনুসারে অন্তর্ভূক্ত হবে।
৬। বাদী-আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে মূল ঋণগ্রহীতা (Principal debtor)-এর সাথে সাথে তৃতীয় পক্ষ বন্ধকদাতা (Third party mortgagor) এবং তৃতীয় পক্ষ জামিনদার। (Third party guarantor)-গণকেও বিবাদী শ্রেণীভূক্ত করতে হবে। তবে তাদেরকে ঋণের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে।
৭। ৭ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে বিবাদীগণের প্রতি সমন জারি করতে হবে। ৭ ধারাতে সরাসরি, বিকল্প পদ্ধতিতে এবং অতিরিক্ত জারির বিধান করা হয়েছে।
৮। বিবাদীগণ ৯ ধারা অনুসারে ১০ ধারায় বর্ণিত সময়সীমার মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলের মাধ্যমে অর্থ ঋণ মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।কিন্তু জবাবে কোন প্রতিগণন(set off) বা পাল্টা দাবী (Counter Claim) অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে না।
৯। বিবাদীগণ লিখিত জবাবের সাথে দালিলিক প্রমাণ দাখিল করতে পারবে। এরূপ দলিল বা দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ফিরিস্তি সহকারে দাখিল করতে হবে।
১০। লিখিত জবাবের বক্তব্য ও দালিলিক প্রমাণের সমর্থনে হলফনামা দাখিল করতে হবে।
১১। আরজি ও আরজির সাথে দাখিলকৃত দালিলিক প্রমাণ এবং লিখিত জবাব ও এর সাথে দাখিলকৃত দালিলিক প্রমাণ হলফনামা দ্বারা সমর্থিত হওয়ায় তা মৌলিক সাক্ষ্য (Substantive evidence) হিসাবে গণ্য হবে।
১২। কোন মামলার একতরফা বা তাৎক্ষণিক নিস্পত্তির ক্ষেত্রে কোন সাক্ষীকে পরীক্ষা না তবে এরূপ মৌলিক সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে আদালত রায় বা আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
১৩। বাদী ১১ ধারার বিধান অনুসারে লিখিত জবাবের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জবাব দাখিল করতে পারবে।
১৪। ১৩(১) ধারা অনুসারে আদালত লিখিত জবাব দাখিলের পরবর্তীতে ধার্য একটি | নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত উভয়পক্ষকে শুনে বা তাদের অনুপস্থিতিতে মামলার বিচার্য | বিষয় থাকলে বিচার্য বিষয় (Issue) গঠন করবেন।
১৫। আরজি ও জবাবের পােষকতায় কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত অবিলম্বে রায় বা আদেশ প্রদান করবেন।
১৬। ১৩(৩) ধারা অনুসারে বিবাদী কোন ভাবে বাদীর আরজির বক্তব্য স্বীকার করলে এবং বাদী যদি সেভাবে রায় বা আদেশ প্রার্থনা করে তাহলে আদালত অন্যান্য বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির অপেক্ষা না করে উপযুক্ত রায় বা আদেশ প্রদান করবেন।
১৭। অর্থ ঋণ মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইনগত বা ঘটনাগত কোন বিরােধ নেই তাহলে আদালত অবিলম্বে
রায় বা আদেশ প্রদান করে মামলা নিষ্পত্তি করবেন।
১৮। ১৪ ধারায় অর্থ ঋণ মামলার শুনানী মুলতবির ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরােপ করা হয়েছে এবং কোন একপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে একবারের বেশী মামলা মুলতবি করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯। ২২ ধারা অনুসারে আদালতের মাধ্যমে আদালতের সহায়তায় মধ্যস্থতা হয়। বিবাদী হাজির হলে এ ধরণের মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক।
২০। বিবাদী জবাব দাখিলের পর আদালত মামলা মধ্যস্থতায় পাঠাতে বাধ্য। ২২ ধারায় মধ্যস্থতার বিধান করা হয়েছে। ৩৮ ধারায় জারির পর্যায়েও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরােধ নিস্পত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
২১। ২৩ ধারায় বলা হয়েছে, ২২ ধারা অনুসারে বিকল্প পদ্ধতিতে বিরােধ নিষ্পত্তি না হলে আদালত রায় প্রদানের পূর্বে মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালতের অনুমতিক্রমে পক্ষগণ বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারবে।
২২। ১৫ ধারা অনুসারে অর্থ ঋণ আদালতের বিচারক মৌখিক যুক্তিতর্ক শুনতে বাধ্য নয়। তবে সাক্ষ্য সমাপ্ত হওয়ার ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে মামলার কোন পক্ষ লিখিত যুক্তিতর্ক দাখিল করতে পারে। এই লিখিত যুক্তিতর্কের বিরুদ্ধে প্রদানের কোন সুযোেগ অর্থ ঋণ আদালত আইনে নেই।
২৩। ১৬ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য সমাপ্ত হওয়ার বা যুক্তিতর্কের ১০ (দশ) টি এ আদালত রায় প্রদান করবেন।
২৪। ২০ ধারা অনুসারে অর্থ ঋণ আদালতের আদেশ, রায় বা ডিক্রী চুড়ান্ত। | আদালতের আদেশ, রায় বা ডিক্রীর বিষয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে। আইনের বিধান উপেক্ষা করে কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষের নিকট প্রশ্ন উত্থাপন করা হলে ঐ আবেদন কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে না।
২৫। ১৬(২) ধারা অনুসারে অর্থ ঋণ আদালত এর রায় বা আদেশে ডিক্রীকৃত টাকা (ষাট) দিনের মধ্যে যে কোন একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে তার মধ্যে পরিশোধের জন্য বিবাদীকে নির্দেশ প্রদান করবেন।
২৬। ২০০৩ সালের অর্থ ঋণ আদালত আইনের ১৭ ধারায় মামলা নিষ্পত্তির সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিবাদী হাজির হলে ৯০ দিন আর না হলে ৩০ দিনের মা মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে যথাযথ কারণ থাকলে তা নিষ্পত্তি করতে এই দিনের সাথে আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন বাড়ানাে যাবে।
২৭। ১৯ ধারায় একতরফা ডিক্রী এবং তা রদের সীমিত বিধান বর্ণিত হয়েছে।
২৮। অর্থ ঋণ আদালত আইন ২০০৩ -এর ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদের ২৬ থেকে ৩৯ ধারায় অর্থ ঋণ আদালতের ডিক্রী জারির বিধান বর্ণিত হয়েছে।
২৯। জারি মামলায় তৃতীয় পক্ষ দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের বিধান মতে দাবী সম্বলিত আবেদন পেশ করলে ৩২(২) ধারা অনুসারে ডিক্রীর অনাদায়ী অংশের ১০% জমা প্রদান করলে ৩২ ধারার বিধান মতে আদালত তা বিবেচনা করবেন। এই আবেদন মিস মামলা হিসাবে রেজিস্ট্রিভূক্ত হবে। এই মামলা দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে নিষ্পত্তি হবে।
৩০। ৪১ ধারার বিধান অনুসারে আপীল দায়ের ও নিষ্পত্তি করতে হবে। ৪০ ধারা
অনুসারে আপিলের ক্ষেত্রে এই আইনের সাথে অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রয়ােগযােগ্য হবে।
৩১। ৪২ ধারার বিধান অনুসারে রিভিশন দায়ের ও নিষ্পত্তি করতে হবে। ৪২ ধারা অনুসারে রিভিশনের ক্ষেত্রে এ আইনের সাথে অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রয়ােগযােগ্য হবে।
৩২। ৪৩ ধারার বিধান অনুসারে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে।
৩৩। ৪৪ ধারার বিধান অনুসারে অর্থ ঋণ আদালত সঠিক, পরিপূর্ণ ন্যায় বিচারের প্রয়ােজনে এবং বিচার কার্যক্রমের অপব্যবহার প্রতিরােধের জন্য সংগত মনে করলে যে কোন অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন। কিন্তু এরূপ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না। কিন্তু হাইকোর্টে রীট মামলা দায়ের করা যাবে (62 DLR 533)।
৩৪। ৪৪ক ধারা অনুসারে আপীল বা রিভিশনের যে কোন পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করে আদালতকে অবহিত করলে আদালত সেই অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে ২২(২),(৩) ও (৪) ধারার বিধান তে হবে। তাছাড়া ৪৫ ধারার বিধান অনুসারে অর্থ ঋণ মামলার পরবর্তী যে আপস নিষ্পত্তি করতে পক্ষগণকে বারিত করবে না এবং এই আপস কাতি মামলার অন্যান্য পদ্ধতি বা সময়সীমার হানি বা ব্যত্যয় ঘটাতে পারবে না।
৩৫। অর্থ ঋণ আদালতের রায়, আদেশ বা ডিক্রী সকল বিবাদীগণের বিরুদ্ধে যৌথ ও পথক ভাবে (Jointly and severally) কার্যকর হবে।
৩৬। ডিক্রী জারীর মামলা সকল বিবাদী-দায়িকের বিরুদ্ধে একই সাথে পরিচালিত হবে। এদের কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না। ৬(৫) ধারায় সকল বিবাদীর বিরুদ্ধে এক সাথে অর্থ ঋণ জারী কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে।
৩৭। ২০০৩ সালের অর্থ ঋণ আদালত আইনের ৬(৫) ধারার শর্তাংশে বলা হয়েছে যে, ডিক্রী জারির মাধ্যমে দাবী আদায় হওয়ার ক্ষেত্রে আদালত প্রথমে মূল ঋণগ্রহীতা (Principal debtor)-এর সম্পত্তি যতদূর সম্ভব আকৃষ্ট করবেন।
৩৮। মূল ঋণগ্রহীতার সম্পত্তির পরও যদি দাবী আদায় না হয় তাহলে যথাক্রমে তৃতীয় পক্ষ বন্ধকদাতা (Third party mortgagor) ও তৃতীয় পক্ষ গ্যারান্টর (Third party guarantor)-এর সম্পত্তি যতদূর সম্ভব আকৃষ্ট করে ঋণ আদায় করে নেওয়ার
ব্যবস্থা করতে হবে।
৩৯। তৃতীয়পক্ষ বন্ধকদাতা (Third party mortgagor) ও তৃতীয় পক্ষ গ্যারান্টর (Third party guarantor) যদি দাবী পরিশােধ করে তাহলে ডিক্রী তাদের অনুকূলে স্থানান্তরিত
হবে এবং মূল ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে তারা তা প্রয়ােগ বা জারী করতে পারবেন।
৪০। ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে, অর্থ ঋণ আদালত আইনের কোন কিছুই বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী যে কোন পর্যায়ে মামলায় আপস-নিষ্পত্তি করা হতে পক্ষগণকে বারিত করবে না। আসলে মামলার বিভিন্ন পর্যায়ে এই আইনে আপস-মীমাংসার কথা বলা হয়েছে। এই আইনে এই সব পর্যায়ে ছাড়াও অন্যান্য পর্যায়েও আপস-মীমাংসা করতে পক্ষগণকে বারিত করবে না।
=========================
08/09/2020
আপনার বাবা দাদার নামে কোথায় কত জমি আছে খুজে বের করুন মোবাইল দিয়ে ৫ মিনিটেই ,নিজেই করুন জমি তল্ আপনার বাবা দাদার নামে কোথায় কত জমি আছে খুজে বের করুন মোবাইল দিয়ে ৫ মিনিটেই ,নিজেই করুন জমি তল্লাশি আপনার বাবা দা.....
23/06/2020
লাদাখে চীনা সেনাদের হাতে নিহত ভারতীয় সেনাদের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতের আলোচিত সাংবাদিক সুবির ভৌমিক ‘দ্য ইস্টার লিঙ্ক ডটকম’ নামক একটি গণমাধ্যমে শনিবার (২০ জুন) ছবিগুলো প্রকাশ করেছেন। ছবিগুলো সেনাবাহিনীর সূত্র থেকে পাওয়া গেছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
12/06/2020
কেউ যদি আমার ছবি বা নাম দিয়ে ফেসবুকে ফেক আইডি খোলে, তাহলে আমার করণীয় কী | Legal Advice BD কেউ যদি আমার ছবি বা নাম দিয়ে ফেসবুকে ফেক আইডি খোলে, তাহলে আমার করণীয় কী | Legal Advice BD কেউ যদি আমার ছবি বা নাম দিয়ে ফেসবু....
15/05/2020
কীভাবে আমার আদালতে রেজিস্ট্রেশন করবেন | Virtual Court Registration and Login process|Legal Advice BD কীভাবে আমার আদালতে রেজিস্ট্রেশন করবেন | Virtual Court Registration and Login process|Legal Advice BD কীভাবে আমার আদালতে রেজিস্ট্রেশন করবেন | Virtual Court Re...
16/03/2020
তামাদি আইন১৯০৮ঃ তামাদি আইনের প্রাথমিক ধারনা The Limitation Act, 1908 তামাদি আইন১৯০৮ঃ তামাদি আইনের প্রাথমিক ধারনা The Limitation Act, 1908 তামাদি আইন১৯০৮ঃ তামাদি আইনের প্রাথমিক ধারনা The Limitation Act, 1908 Fair Use D...
15/03/2020
বার কাউন্সিল MCQ পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২০ !! Bar council exam 2020 !! Legal Advice BD বার কাউন্সিল MCQ পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২০ !! Bar council exam 2020 !! Legal Advice BD বার কাউন্সিল MCQ পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২০ !! Bar council exam 2020 !! Legal Adv...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Chittagong
Chittagong