12/12/2024
এস এস সি ' ২৫ পরীক্ষার রুটিন।
Welcome to the official page of Academic and Admission private batch by Engr. Faisal (BUET).
শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের যোগ্য সহায়ক হতে পারে - Engr.
Faisal স্যার এর প্রাইভেট ব্যাচের ক্লাস। ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে মেধার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বিকশিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের স্বনামধন্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যাপীঠ বুয়েট (BUET) থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা Engr. Faisal এসএসসি ও এইচএসসি শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা প্রদান করার মাধ্যমে তাদের মধ্যকার সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলা এবং ইংলিশ, দুটি ভার্সনেই তিনি শিক্ষার্থীদের শিক্
12/12/2024
এস এস সি ' ২৫ পরীক্ষার রুটিন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি প্রিলিমিনারী ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে এর আগে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে। আবেদন চলবে আগামী ২৫ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩ জানুয়ারি শুরু হবে।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২৪ সনের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তির জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে কেবল তারাই ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
ভর্তি প্রার্থীরা আগামী সোমবার ৪ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি ১০৫০ টাকা এবং আইবিএ ইউনিটের আবেদন ফি ১৫০০ টাকা চারটি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের (সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী) যে কোন শাখায় অথবা অনলাইনে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সেবা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা আবেদন ফি জমা দিবে।
১. কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট: শনিবার (২৫ জানুয়ারি) ২০২৫
২. বিজ্ঞান ইউনিট: শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ২০২৫
৩. ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট: শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি)২০২৫
৪. চারুকলা ইউনিট (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন): শনিবার (৪ জানুয়ারি)২০২৫
৫. আইবিএ ইউনিট: শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ২০২৫।
শিক্ষার্থীরা ৫ টি ইউনিটে আবেদন করতে পারবে। আবেদনের যোগ্যতাসহ ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ওয়েবসাইটে প্রদত্ত সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ভর্তি নির্দেশিকায় উল্লেখ থাকবে।
বিতর্কিত কারিকুলামের মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর আগের সব বই বাতিল করা হয়েছে। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা ২০১২ সালের কারিকুলামের আলোকে পরিমার্জিত বা সংশোধিত বই হাতে পাবে। অন্যদিকে প্রাথমিকের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা নতুন কারিকুলামের যে বই হাতে পাবে সেখানেও থাকছে পরিবর্তন। তবে এই তিন শ্রেণীর মধ্যে শুধু তৃতীয় শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে প্রশ্ন বা অনুশীলনী। অন্য দিকে চতুর্থ এবং পঞ্চম শ্রেণীর পাঠ্যবই যেহেতু এখনো নতুন কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত হয়নি তাই এই দুই শ্রেণীর পাঠ্যবই ২০১১ সালের কারিকুলামের আলোকেই পরিমার্জিত আকারে শিক্ষার্থীরা হাতে পাবে।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের প্রাণঢালা অভিনন্দন!!🎉❤
09/10/2024
এইচএসসি '২৪ এর ফলাফলপত্র ডাউনলোড যেভাবে করবেন।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১৫ অক্টোবর। সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এ তথ্য জানান।
15/09/2024
শিক্ষার্থীদের জেএসসি ও এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের সঙ্গে মিলিয়ে (বিষয় ম্যাপিং) এবারের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করার প্রস্তুতি নিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।
এ ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ৭৫ শতাংশ ও জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ২৫ শতাংশ নম্বরকে বিবেচনায় নিয়ে এইচএসসি বা সমমানের ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে এই ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। একাধিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র : প্রথম আলো
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল অটোপাসের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হবে না। অনুষ্ঠিত পরীক্ষাগুলোতে প্রাপ্ত নম্বর এবং যে পরীক্ষাগুলো বাতিল হয়েছে সেগুলোর ক্ষেত্রে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে এ সার্বিক ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন। তাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় কোন শিক্ষার্থী ফেল করলে ওই শিক্ষার্থী সার্বিক ফলাফলে ফেলই করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। যদিও এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের প্রস্তাবনা এখনো প্রস্তুত হয়নি। সোমবার (২৬ আগস্ট) ওই প্রস্তাবনা প্রস্তুতের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের বেশ কিছু বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের জেরে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো গত ২০ আগস্ট বাতিল ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এমন পরিস্থিতিতে কী উপায়ে এ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে সে বিষয়ে প্রস্তাবনা প্রস্তুত করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলোর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও সিস্টেম এনালিস্টরা। তবে সে প্রস্তাবনা এখনও প্রস্তুত হয়নি। যদিও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বাতিল হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাগুলোর ফলাফল ৪০ দিনের মধ্যে প্রস্তুত করে প্রকাশের প্রাথমিক রূপরেখা ঠিক করা হয়েছিল।
22/08/2024
১।
২৬ জুলাই ২০০৫। আচমকা ভারী বর্ষণে মহারাষ্ট্র ভেসে গেল বন্যায়। মুম্বাই শহর অব্দি রক্ষা পায়নি। শহরের প্রধান বিমানবন্দর পানিতে ডুবে বন্ধ থাকলো ৩০ ঘন্টা। মুম্বাই-পুনে এক্সপ্রেসওয়েতে কোনো গাড়ি চলল না ২৪ ঘন্টা।
পানিতে ভেসে ডুবে "হাবুডুবু খেতে খেতে" মারা গেল অন্তত ১০৯৪ জন ভারতীয় নাগরিক।
২।
২০০৮ সাল। এবার উত্তর প্রদেশের গোমতি নদীর(!) পানি ফুলে বন্যায় ভাসল লখনৌ। ১৫ জন ভারতীয় মারা গেলেন সেবার।
৩।
২০১৩ সালের জুন মাস। উত্তর ভারতে অস্বাভাবিক বৃষ্টি হলো। উত্তরাখন্ডসহ উত্তরের রাজ্যের মানুষ বৃষ্টিতে স্রেফ ভেসে গেল। মৃতের সংখ্যা ঠিক কত হিসেব করা যায়নি। ধারণা করা হয় এই সংখ্যাটা ৬ হাজারের কম নয়।
৪।
২০১৫ সালের জুন জুলাই মাস। উত্তর থেকে এবার পশ্চিম ভারত, গুজরাট। জুন জুলাই মাসে দুই ধাপের বন্যায় মারা গেল অন্তত ১৫০ জন মানুষ।
৫।
সাল একই, কিন্তু এবার দক্ষিণ ভারত। সেই একই কাহিনী, ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় তামিল নাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা ছিল ৫০০ জনের বেশি।
৬।
ব্যাক টু নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া, আসাম। ২০১২ সালে পাহাড়ি ঢলের বন্যায় ১২৪ জন মানুষ মারা যায় যার বেশিরভাগই ভারতীয় ও অল্প কিছু মানুষ বাংলাদেশী। ২০১৫ সালের বন্যায় আসামের ডুবরি জেলায় মারা যান ৪২ জন। ২০১৬ সালে আসামে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা ১৬। ২০১৭ সালে মিজোরাম ও ত্রিপুরা ছাড়া নর্থ ইস্টের বাকি ৫ রাজ্যেই বন্যা হয়। হাবুডুবু খেয়ে মারা যাওয়া ভারতীয় নাগরিকের সংখ্যা এবার অন্তত ৮৫ জন। এছাড়াও আসামে ২০১৮ সালে ১২ জন, ২০১৯ সালে ৫৯ জন, ২০২০ সালে আসাম ও অরুনাচলে ৩৫ জন এবং ২০২২ সালে আসামে অন্তত ২৫ জন মারা যান।
৭।
২০১৭ সালে ভারী বৃষ্টিতে বন্যায় গুজরাটে মারা যান ২০০ জনের বেশি।
৮।
২০১৮ সালে কেরালায় বন্যায় মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা অন্তত ৪৪৫।
৯।
২০২০ সালে হায়দ্রাবাদে আকস্মিক বন্যায় মারা যান ৯৮ জন।
১০।
২০২১ সালে উত্তরাখান্ডে বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ২০০ জন।
১১।
২০২১ সালে মহারাষ্ট্রের বন্যায় মারা যান অন্তত ২৫০ জন। এছাড়া অন্তত ১০০ জন মানুষের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
১২।
২০২৩ সালের জুলাইতে উত্তর ভারতে বন্যায় মারা যান ১০৫ ভারতীয়। আগস্টে আরেক দফা বন্যা হয়। সেখানে হিমাচল প্রদেশে অন্তত ৭১ জন এবং উত্তরাখন্ডে জীবন হারান ১০ জন।
১৩।
২০২৩ সাল, উত্তর ভারত থেকে দক্ষিন ভারত চেন্নাইয়ে সাইক্লোনের কারণে হওয়া বন্যায় মারা যান ১৭ জন মানুষ।
:
:
আমরা ভাটির দেশ, বন্যা আমাদের নিয়তি। কিন্তু কাঁটাতারের ওপাশের অনেকের মনে হতে পারে ভারতে বোধহয় বন্যা হয়ই না, যা হবার সব বাংলাদেশেই হয়। তাদের জন্য ২০০৫ সাল থেকে এখন অব্দি হওয়া বন্যার হিসাব সংক্ষেপে দিলাম।
হিসাবটা ২০০৫ সালই কেন? কারণ ঐ সময় থেকেই আমার পত্রিকা পড়ার অভ্যাস শুরু হয়। আবার ঐ সময়টা থেকে মার্কিং আরেকটা কারণেও জরুরি। সে সময় সরকারে ছিল বিএনপি জামাত। তারপর এসেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, এরপর ১৬ বছরের আওয়ামী রাজত্ব।
মোটামুটি ৩ টা সরকারের আমলে পত্রিকা পড়েছি। সাক্ষী হয়েছি কীভাবে বাংলাদেশের মিডিয়া ধীরে ধীরে নখদন্তবিহীন হয়ে গেল। মিডিয়াকে আমরা মোটামুটি নিয়মিতই গালাগাল দিই ক্লিকবেইটের জন্য। ২০ বছর একেবারে কম সময় নয়। ভালো মন্দ মিলিয়ে বাংলাদেশি মিডিয়াকে কম দেখলাম না।
কিন্তু একটা জিনিস কোনোদিনই বাংলাদেশী মিডিয়ায় দেখিনি, সেটা হলো বন্যায় বিপর্যস্ত ভীত মানুষকে নিয়ে ট্রল। বাংলাদেশের কোনো মেইনস্ট্রিম মিডিয়া ভারতের এতগুলো ঘটনায় ট্রল দূরে থাক, সহানুভুতির অভাব দেখিয়েও নিউজ করেনি। "হাবুডুবু খেতে খেতে আর্জি" ধরনের নোংরামি শিরোনাম এখনো আমাদের কল্পনার বাইরে।
কলকাতার জি ২৪ ঘন্টা সেখানে অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় মিডিয়া। এমন একটা হেডলাইন ভাবা, সেটা লেখা, সেটাকে ডিজাইন করা এবং সম্পাদনার পর প্রকাশ করতে গিয়ে তাদের একবারও মনে হয়নি কাজটা উচিত না!
এই কদিন আগে একটা ভারতীয় পরিবারের পাহাড়ি ঢলে ভেসে যাওয়ার ভিডিও দেখে প্রায় প্রত্যেক বাংলাদেশী আহত হয়েছে। আমার নিউজফিডে এই ভিডিও এসেছে না হলেও ১০০ বার। কোথাও কোনো ট্রলের উপাদান নেই।
আমাদের দেশের একটা অংশের মানুষের জন্য আজকে ভয়ানক দিন এসেছে। আন্তর্জাতিক নদীতে বাঁধ দিয়ে মাস্তানির কথা বাদই দিলাম, সাধারণ মানুষ হিসেবে সহানুভূতি দেখিয়ে একটা শিরোনাম দেয়া যেত। সেটা না পারলে চুপ থাকতে পারতো। তার বদলে ইতরের মতো একটা শিরোনাম দিল জি ২৪ ঘন্টা।
মিডিয়া এ ধরনের শিরোনাম দেয় তার অডিয়েন্স টার্গেট করে। বোঝাই যাচ্ছে পশ্চিম বাংলার মানুষজনের মন পড়েই তারা এমন লিখেছে। পশ্চিম বাংলার সাথে আমাদের অনেক দূরত্ব আছে, ভুল বোঝাবুঝি, বিরোধীতা ও পারস্পারিক বিদ্বেষও আছে। কিন্তু তারপরেও সেখানকার মানুষের চিন্তাস্থর এত নিচে নেমেছে এটা ভাবতেই পারিনি। হাজার হোক, একটা কমন ভাষা আমরা শেয়ার করি।
আগেই বলেছি, আমরা বন্যার দেশের মানুষ। আমাদের এখানে বন্যা আসে, বন্যা চলেও যায়। খেয়াল করে দেখবেন, গত ২০ বছরে এখানে বন্যায় আর গণহারে মানুষ মরে না। আমরা ফাইট দিতে শিখছি। শেখা এখনো অনেক বাকি। কিন্তু ভারতের চেয়ে যে বেশি শিখে গেছি এটা ভারতীয়দের মৃত্যুর সংখ্যাই সাক্ষী দিচ্ছে।
এই বন্যাও চলে যাবে। আশা করি বড় কিছু হবে না। হলে কিছু মানুষকে হয়তো আমরা হারাব। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এই ক্ষতি আমাদের জন্য হৃদয় ভঙ্গের। কিন্তু প্রিয় ভারত, আমরা এই বিপদও অবশ্যই জিতব।
একটা ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর আপনারা দুঃখ পেয়েছেন, পেতেই পারেন। কিন্তু তারপর এদেশের সংখ্যালঘু মানুষের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে করলেন ইতিহাসের অন্যতম নির্লজ্জ প্রোপাগান্ডা মিশন। তাতে কী লাভ হয়েছে? আপনাদের মিশন ফেইল করেছে পিও। এই দেশে আপনাদের পরিচিত হিন্দুদের থেকে খবর নিয়ে দেখেন, আপনারা তাদেরকে বিপদে ফেলেছেন। তাদেরকেও আপনাদের শত্রু বানিয়েছেন। আপনাদের নির্লজ্জ ও আকাশ কুসুম প্রোপাগান্ডায় আমাদের হিন্দুদের ন্যায্য দাবী ও ভীতিত ভিত্তি নষ্ট হয়েছে। এই প্রোপাগান্ডার কারণে তারা আক্রান্ত হলেও আর বলার সাহস পাচ্ছে না। বাংলাদেশী হিন্দুদের অপূরনীয় ক্ষতি আপনারা করেছেন।
আমি যে তথ্যগুলো নিয়েছি এইগুলা গোয়েন্দা সংস্থার ক্লাসিফাইড তথ্য না। গুগলে এক ক্লিক করলেই এই তালিকা চলে আসবে। অন্য দেশের বন্যা আক্রান্ত মানুষকে নিয়ে মশকরা করার আগে নিজের দেশে কতজন মরে সেটাও তো অন্তত দেখার দরকার ছিল। নাকি নোংরামির তাড়না এত বেশি ছিল, এসব নিয়ে ভাবতেই ইচ্ছে করেনি?
আমাদের দেশের মানুষ খুব ভালো সেটা আমরাই বলি না। আমরা ভালো খারাপ মানুষজন মিলে ফাইট দেব। আপনাদের পাপেট সরকার নামবে এটা যেমন আপনাদের চিন্তাতেও ছিল না, আপনারা বোধহয় এটাও জানেন না এই সংগ্রামে সাধারণ হিন্দুদের অবদান ত্যাগ বেশি বৈকি কম ছিল না। আপনারা আবারও যদি বিশ্বাস নাও করেন, এই ফাইট হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই মিলে আমরা আবার জিতব, দেখিয়েন।
আর হ্যাঁ, মনে রাখব আমাদের একদম নাজুক সময়ে নিজেদের দেশের বন্যায় হাজার হাজার মৃত্যু দেখার পরেও আপনারা আমাদেরকে মক করেছেন। শুধু মনেই রাখব। এমন দুর্যোগ কারোর হোক চাই না। যদি আবার আপনাদের এমন বন্যা হয়, আবার শয়ে হাজারে মানুষ আপনাদের মারা যায় তখনো আপনাদের এই ঘৃণা মনে রাখব।
না, আপনাদের মতো "বন্যায় হাবুডুবু" শিরোনামের কিছু কেউ লিখবে না। লিখলেও অন্তত আমি সেই মিডিয়া অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করবো।
আমরা মনে রাখব শুধু এটা বোঝাতে, আপনারা নিজেদেরকে আমাদের চেয়ে সভ্য ও ভালো ভেবে যে মিথ্যা আনন্দ পান...আপনাদের এই ধারণা, বিশ্বাস ও আনন্দের পুরোটাই ভুয়া।
# # #
| Monday | 07:00 - 20:00 |
| Tuesday | 07:00 - 20:00 |
| Wednesday | 07:00 - 20:00 |
| Thursday | 07:00 - 20:00 |
| Friday | 09:00 - 20:00 |
| Saturday | 07:00 - 20:00 |
| Sunday | 07:00 - 20:00 |