Fayez Dwip Hatiya

Fayez Dwip Hatiya

Share

27/05/2026

তাকাব্বালাল্লাহু মিননা ওয়া মিনকুম।

আলহামদুলিল্লাহ, ত্যাগ, ভালোবাসা ও তাকওয়ার বার্তা নিয়ে আবারও আমাদের মাঝে উপস্থিত পবিত্র ঈদুল আযহা। ❤️

মহান আল্লাহ আমাদের কুরবানি, ইবাদত ও সকল নেক আমল কবুল করুন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দান করুন রহমত, শান্তি ও বরকত। আমিন।

24/05/2026

আল্লাহুম্মা লাব্বাইক 🕋 ❤️
আল্লাহ সবাইকে হজ্জ করার তাওফিক দান করুন।

18/05/2026

গ্রাফিতি অংকন নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করছে মেয়র ও পুলিশ। হিতে বিপরীত হতে পারে।

29/04/2026

মদিনার এক সাধারণ ঘর। মাটির দেয়াল, খেজুর পাতার ছাদ। ভেতরে একটি চাটাই বিছানো। সেই চাটাইয়ের উপর ঘুমিয়ে আছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ, রাসূলুল্লাহ (সা:)। ঘুম থেকে যখন উঠলেন, তাঁর পিঠে চাটাইয়ের দাগ বসে গেছে।
একদিন উমার (রা:) সেই দাগ দেখে কেঁদে ফেললেন। বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ, কিসরা ও কায়সারের লোকেরা রেশমি বিছানায় ঘুমায়, আর আপনি আল্লাহর রাসূল হয়ে এই চাটাইয়ে?" রাসূলুল্লাহ (সা:) মুচকি হেসে বললেন, "উমার, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, দুনিয়া তাদের জন্য আর আখিরাত আমাদের জন্য?" (সহিহ বুখারি)

26/04/2026

যে জীবন নিয়ে আপনি হতাশায় ভুগছেন, সে জীবন কারো কাছে স্বপ্নের। শোকর করুন, কৃতজ্ঞ হোন।
আলহামদুলিল্লাহ! 🌺

Photos from Fayez Dwip Hatiya's post 08/04/2026

পরিবার চেয়েছিল তাকে ডাক্তার বানাতে।
কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি আজ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা একজন আলেম মাওলানা তারিক জামিল হাফি.

ছাত্রজীবনে তাকে তিন দিনের তাবলীগ জামাতে পাঠানো হয়। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে ১ চিল্লা, ৩ চিল্লা এবং আলেম হওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা তার অন্তরে জাগে। কিন্তু পরিবার তখন তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি হতে দেয়নি, এমনকি ঘর থেকেও বের করে দেওয়া হয়েছিল। তবুও তিনি হাল ছাড়েননি।
অবশেষে সেই ছাত্রটিই আজ লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। তার বয়ান শুনে মানুষের চোখে অশ্রু ঝরে, অন্তর প্রশান্ত হয়।

তিনি'ই আমাদের প্রিয় আল্লামা তারিক জামিল হাফি.

08/03/2026

হাদি হ'ত্যা'কাণ্ড: প্রধান আ'সামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ দুজন কলকাতায় গ্রে'প্তার।

02/03/2026

গত বারের তুলনায় এবারের যুদ্ধ কৌশলে কিছু ভিন্নতা এসেছে। সেইটা কি তা বুঝতে প্রথমত আমরা দেখবো ১২ দিনের যুদ্ধ কৌশলে কি ছিল?

সে সময় আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করতে ইরান একসাথে একশোটি মিসাইলের ঝাঁক প্রেরণ করতো।

সেগুলোকে প্রথমে জর্ডান ও সিরিয়ার আকাশে নিষ্ক্রিয় করতে বিমান ও দূর পাল্লার এন্টি মিসাইল arrow ব্যবহার করা হতো, আরো কাছে আসলে আমেরিকার থাড ও ডেভিড স্ট্রিং ব্যবহার করতো, শেষ মুহূর্তে ব্যবহৃত হতো আয়রন ডোম। এভাবে একশটির মধ্যে মাত্র তিনটি মিসাইল ল্যান্ডিং করতে পেরেছে।

কিন্তু কেন ইরান এভাবে ঝাঁকে ঝাঁকে পাঠাতো? কারণ একটি দুইটি পাঠালে এত বিশাল নিরাপত্তা বলয় পার হবার আগেই শেষ হয়ে যাবে এই শংকায়। সেই তুলনায় একসাথে এতগুলো পাঠাতো যেন কন্ট্রোল করতে না পারে, রাডার জ্যাম হয় এবং একসাথে এতগুলো ম্যানেজ করতে না পেরে মিসাইল ল্যান্ডিং করে।

কিন্তু অচিরেই এর থেকে ভালো বুদ্ধি বের করলো ইরান। তা হচ্ছে যেহেতু মিসাইল দামী এবং এর প্রতিরক্ষা আরো অনেক দামী তাই কিছু মিসাইলের খোসা পাঠিয়ে দেই। এভাবে খরচ লাগলো কম আর শত্রুর ব্যয় বেশি।

সব মিলিয়ে একটি মিসাইল ধ্বংস করতে একাধিক স্তরে মোট যেই পরিমাণ খরচ করতে লাগে তা প্রায় দশ গুণের সমান। অর্থাৎ, মিসাইল আর খালি মিসাইলের ঝাঁক একত্রে পাঠিয়ে তাকে ইচ্ছা মত দেউলিয়া বানানো যাক।

এভাবে চলতে থাকলে ইজরাইল নিজেও সতর্ক হয়ে উঠে। তখন সে কেবল মাত্র শহর এবং সামরিক স্থাপনায় আসা মিসাইল ঠেকাতে কাজ করে বাকি গুলো ছেড়ে দেয়।

এত দিনে ইরান বুঝে উঠে দিনের কোন সময় কোন প্যাটার্নে মিসাইল মারলে এন্টি মিসাইল কম কাজ করে। দিন শেষে এটি সফটওয়্যার ও রাডার এর খেলা। তাই এদেরকে কোন এলগরিদমে ফাকি দেওয়া সহজ তা বিশ্লেষণ করে কাজ করতে থাকলে সাক্সেস রেট বেড়ে যায়।

তাই তারা অনেক ক্ষেত্রে প্রথমে এক ঝাঁক পাঠিয়ে ঠিক তার পরেই আসল লক্ষ্য বরাবর কিছু উন্নত মিসাইল পাঠালো। কিংবা পূর্ব আকাশে নিক্ষেপ করে পশ্চিমে আরেক ঝাঁক পাঠালো।

এর ফলে শহরের কেন্দ্র বিন্দু, গোয়েন্দা হেড কোয়ার্টার ইত্যাদিতে আক্রমণ করে নাকানি চুবানি খাওয়াতে থাকে শত্রুকে।

কিন্তু তখনও মূল খেলা শুরু হয় নি। খুব দ্রুত ইরান লক্ষ্য করে শত্রুর কেমন যেন গা ছাড়া ভাব। মিসাইল সাক্সেস রেট ৩৩% এ চলে আসছে। সেই সময় সবচেয়ে সাক্সেসফুল অপারেশন গুলো সম্পন্ন হতে থাকে। কিন্তু কেন?
একই সময়ে ইরান নিজেও প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।
তার আকাশ প্রতিরক্ষা এখন পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়ায় নি।

এই মুহূর্তে আমেরিকার প্রবেশ করে। আমেরিকা লোক দেখানো আক্রমণ করে। ইরান নিজেও পালটা কাতারের মার্কিন বেইসে হামলা করে এভাবে যুদ্ধ স্থগিত হয়। শান্তি।

কিন্তু ইরান সেই সময় জানতো না শত্রুর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা কোথায় ছিল। পরবর্তীতে আবিষ্কার হয় কেবল জঙ্গি রাষ্ট্র ইজরাইলকে রক্ষা করতে সে এত বেশি থাড ব্যবহার করে যে আমেরিকার সেই পরিমাণ তৈরি করতে দুই বছর লাগে। সোজা বাংলায় আমেরিকার স্টক শেষ হয়ে সে নিজে অরক্ষিত হয়ে পড়ে। একই সাথে ইজরাইল নিজেও আকাশ প্রতিরক্ষায় শূন্য। কথিত আছে ১২ দিনের শেষে ইজরাইল বলেছে যে তারা পারমাণিক হামলা করতে যাচ্ছে যদি না আমেরিকা ভূগর্ভস্ত স্থাপনা ধ্বংস করে। তাই সবাই মিলে বিরতি নেয়।

আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি খুব সূক্ষ্ম। খুব অল্প কিছু কারখানা ও ব্যক্তি এই কাজ পারে। চাইলেই উতপাদন বৃদ্ধি করার সুযোগ নেই। এখন পর্যন্ত এই ঘাটতি রয়েছে।

সেজন্য এবারে ইরানের টার্গেট যত পারা যায় তাদের ষ্টক শেষ করা। আর এবারে অনেক ক্ষেত্রে চেষ্টা করছে না মিসাইল ঠেকানোর যেহেতু স্টক সিমিত। সেজন্য ইরান কম দামি মিসাইল ও ড্রোন অল্প অল্প করে মেরে সহজ টার্গেট ধ্বংস করছে। শত্রু আরো দুর্বল হলে উন্নত মিসাইল দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট শেষ করবে বলে। আর আমেরিকা পড়েছে বিপদে। না পারছে এই কম দামী মিসাইল ঠেকাতে না পারছে চুপ করে বসে থাকতে। তাই সৈনিকদের সরিয়ে হোটেলে বসিয়ে খাওয়াচ্ছে। আর স্থাপনা ধ্বংস হতে দিচ্ছে। দামী অস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে বলে তথ্য আসছে। আর প্রতিশোধ হিসেবে ইরানে গিয়ে শিশু থেকে শুরু করে সৈনিক নির্বিচারে মানুষ হত্যা করছে। সাথে ধ্বংস করছে অনেক স্থাপনাও।

#কৌশল_বিদ্যা
Md Fayez Uddin

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Chittagong