05/07/2023
যখন কোন কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায়, বুঝে নিবেন তার জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হবে!
নোবেল বিজয়ী ডেসমন্ট টু টু একবার বলেছিলেন, 'যখন মিশনারীরা আফ্রিকায় এসেছিল, তখন তাদের বাইবেল ছিল এবং আমাদের জমি ছিল' । তারা বলল, 'আমরা আপনার জন্য দোয়া করতে এসেছি'। আমরা চোখ বন্ধ করেছি, যখন খুললাম তখন আমাদের হাতে বাইবেল ছিল, আর তাদের হাতে আমাদের জমি ছিল ।
একইভাবে যখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট এলো। তখন তাদের ফেসবুক - হোয়াটসঅ্যাপ ছিল, আর আমাদের ছিল স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা।
তারা বলেছিল 'এটা বিনামূল্যে'। আমরা চোখ বন্ধ করেছিলাম এবং যখন খুললাম তখন আমাদের ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ আছে এবং তাদের কাছে আমাদের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত তথ্য আছে।
যখনই কোন কিছু ফ্রী পাওয়া যায় তখনই তার মূল্য আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে দিতে হয়।
"জ্ঞান থেকে শব্দ বোঝা যায়, অভিজ্ঞতা থেকে অর্থ বোঝা যায়"
25/01/2022
জীবনেতো সমস্যা থাকবেই;
টেকটিক্স জানলে সবকিছুর সমাধান সম্ভব। 😊
Life is all about adjustment.
17/01/2022
☞ ছড়াচ্ছে Omicron, ঘরে রাখুন Oxygen Concentrator।
উন্নত প্রযুক্তির কল্যাণে কোভিড পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী কৃত্রিমভাবে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন পিউরিফাই করে রোগীকে অক্সিজেন যোগান দেয়ার বহুল আকাঙ্ক্ষিত যন্ত্রটির নাম অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর; এটি আপনার ঘরের পরিবেশ থেকে অক্সিজেন পরিশুদ্ধ ও ঘনীভুত করে তরল অক্সিজেনে পরিণত করে নলের মাধ্যমে আপনাকে গ্যাসীয় অক্সিজেন সরবরাহ করবে, প্রয়োজন পড়বে না আর আলাদা অক্সিজেন সিলিন্ডার।
☞ শুধু কোভিড নয়, COPD, ক্রোনিক এ্যাজমা, স্ট্রোক ও কিছু হৃদরোগেও রোগীর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকায় ডাক্তাররা তাদের বাসায় অক্সিজেন থেরাপী নিতে বলেন।
☞ সাধারণ অক্সিজেন সিলিন্ডিরের চেয়ে এটি কেন ভাল?
• এটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তি
• প্রতি মিনিটে এক থেকে দশ লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করতে সক্ষম। (বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে ৫-১০লিটার/ মিনিট ফ্লো অক্সিজেনেও রোগীর শ্বাসকষ্ট থাকলে তাকে জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে নিতে হবে।)
দশ লিটারে কনসেন্ট্রেটরে একই সাথে দুজন অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারবেন।
• ন্যাসাল ক্যানুলা চেন্জ করে একাধিক ব্যাক্তি ব্যবহার করতে পারবেন ।
আমাদের প্রতিটা মডেলের কনসেন্ট্রেটরে নেবুলাইজার ও পালস্ অক্সিমিটার সংযুক্ত।
• গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন ধরবার সম্ভাবণা নেই।
• বারবার গ্যাস রিফিল করার ঝামেলা নেই।
• রিফিলের জন্য অক্সিজেন কোম্পানীর লোকের আপনার বাসায় যাতায়তের প্রয়োজন নেই।
• যখন প্রয়োজন তখনই ফ্রেশ অক্সিজেন সরবরাহ পাবেন চব্বিশ ঘন্টা, তিনশ পয়ষট্টি দিন।
• দূর্যোগ, পরিবহণ গোলযোগে আটকে থাকবে না অক্সিজেনের সরবরাহ।
• মেয়াদ উত্তীর্নের সমস্যা নেই।
• চাকা যুক্ত, সহজে বহণযোগ্য। তাই বৃদ্ধরাও সহজে এক রূম থেকে অন্য রূমে বহন করতে পারবে।
✪ প্রয়োজনে ইনবক্স কিংবা What's App +880 1786179747
05/10/2020
♦ যদি লিখাটি আপনি পড়তে পারেন, তবে এখনই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করুন আপনার শিক্ষকের প্রতি।
-------------*******--------------********-------------
হঠাৎ নোটিশ এল, 'আগামীকাল তোমাকে নতুন এক জগতে পাঠানো হবে।'
বিস্ময়চিত্তে শিশুর প্রশ্ন, 'কেন? এখানে আমি যে নার্সিং - কেয়ারিং পেয়েছি ওখানে কে করবে?
ওখানেও কি এঞ্জেল থাকে?'
জবাব এল- হ্যাঁ, ওখানেও এঞ্জেল পাঠানো হয়েছে অন্য অবয়বে, সময়ের তালেতালে তুমি তাদের সাক্ষাৎ পাবে; ভয় পেয়োনা!
তারপর এক আলোকচ্ছটাময় আড়মোড়া ভাঙা ভোরে পৃথিবী নামক শ্যামলরাজ্যে অংকুরিত হয় সে।
একি! চারপাশে এত চোখ ঝলসানো আলো, এত অপরিচিত মুখ, এত সোরগোল!
ভয়ে- আতংকে কান্নার রোল পড়ে যায় তার!
একটাসময় ঐশ্বরিক মমতাময়ী এক চেহারা চোখের সামনে ভেসে উঠল, পরম যতনে কোলে নিয়ে মুখে তুলে দিল বেহেশতী সুধা!
- তবে কি ওরা উনার কথাই বলেছিল!
স্বস্তি ফিরে পেল সে; চারপাশের ভালবাসা ও আদরে তার বেড়ে উঠা আর বেড়ে উঠা মানেই নতুন কিছু শিখে উঠা; আবোল তাবোল বোলগুলো একেকটা অর্থবহ শব্দে পরিণত হওয়া।
এটা কে?- মা, এটা? পাপ্পা- ওটা কি? - ওটা! মিয়াউ (বিড়াল) , এগুলা মাম (খাবার)..
পুষ্পকোমল হাতটি দিয়ে যেদিন বাবার আঙুলটা ধরা শিখে গেল, তার জগৎটাও যেন আরও প্রশস্ত হল, সামনে এসে হাজির হলো সুদীর্ঘ পথ।
ঘর হতে বের হয়েই সে উপরে তাকায় উৎসুক দৃষ্টিতে।
বাবা বলে - ওটা আকাশ!
- আমি আকাশে যাব
- যেতে হলেতো তোমার সিঁড়ি বাইতে হবে।
- সিঁড়ি কি?
বাবা তার মেঘকোমল মনের ক্যানভাসে কল্পনায় এঁকে দিল সেই সিঁড়ির আলপনা!
- আব্বু আমি ওকে কি নামে ডাকব?
- ওর নাম! ওর নাম স্বপ্ন, ঐ যে উপরে আকাশ দেখছ তার নাম লক্ষ্য।
- আব্বু আমি লক্ষ্যে পৌঁছাতে চাই।
ব্যস, তার ভাঙ্গা ভাঙ্গা হাতে ধরিয়ে দেয়া হল খড়ি-শ্লেট, মনের যত আঁকিবুঁকির রূপ দিতে লাগল সে শ্লেটের উপর।
- আঁকিবুঁকি করলে তো হবেনা বাবা,তোমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে; লিখ - 'অ, আ'
বায়না আর জিদ ধরা শিশুটির স্বভাবসুলভ হাজার চপলতার মাঝেও অসীম মমতা, ধৈর্য নিয়ে তার সিঁড়ির ভীতটা গড়ে দিল মমতাময়ী মা!
- এবার আমি আকাশ ছুঁতে পারব?
- না বাবা,তোমাকে সিঁড়িটা বেয়ে উঠার শক্তি অর্জন করতে হবে।
- আমাকে শক্তি দাও,আমি উঠব।
- আমরাতো পারবোনা
- কে পারবে? এঞ্জেল?
- হ্যা। এঞ্জেল
- আমি এঞ্জেলের কাছে যাব।
পরেরদিন শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হল অন্য এক জগতে!
- এটা কি?
- এটা বিদ্যানিকেতন, এখানেই তুমি সিঁড়ি বেয়ে উঠার শক্তি পাবে।
- ওরা কারা?
- ওরাও তোমার মত আকাশ ছুঁবে বলে এঞ্জেলের কাছে এসেছে।
আবারো অজানা ভয়ে আতংকে কান্না শুরু করে দেয় সে!
- হঠাৎ তার কোমল কাঁধে একটা মমতার স্পর্শ অনুভূত হল;
একি এই স্পর্শ তো আমি পূর্বেও যেন কোথাও পেয়েছিলাম!
- আপনি কি এঞ্জেল?
- না বাবা,আমি তোমার শিক্ষক!
- না, ওরা বলেছিল আপনাকে ওরা পাঠিয়েছে!
মুচকি হেসে এঞ্জেল তার কোমল হাত ধরে নিয়ে গেল নতুন জগতে!
এখানে ও শক্তি পাবে সিঁড়ি বেয়ে উঠার!
আকাশ ছোঁয়ার!
সে আজ খুশিতে উদ্ভাসিত, আবেগে উদ্বেলিত!
- আচ্ছা এঞ্জেল, আকাশে পৌঁছাতে শক্তি কোথায় পাব?
-আত্মবিশ্বাস থেকে।
-তুমি আমাকে আত্মবিশ্বাস দিবে?
-হ্যা,এটাই তো আমার কাজ; তোমাকে নিজের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া, তোমার সুপ্ত স্বত্তাকে প্রস্ফুটিত করা!
-সত্যি!!
শৈশব পেরিয়ে কৈশোর ছেড়ে যৌবনের স্বর্ণালীক্ষণে দণ্ডায়মান সে আজ! সে আজ দিগন্তরেখার সামিয়ানায়! নীচে তাকাতেই বিস্ময় চিত্তে দেখে সুদীর্ঘ সিঁড়ি বয়ে গেছে নিম্নদিগন্তে ...
আর প্রতিটি ধাপে দাঁড়িয়ে হাত নাড়ছেন একেকজন এঞ্জেল!
হ্যা, তারাই আজ তাকে আকাশে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, তারাই এভাবে শতশত আকাশ ছোঁয়ায় বিভূর স্বত্তাকে শক্তি দিয়েছেন, দিয়েছেন আত্মিবিশ্বাস, নিজের মমতার হাতে ডিঙিয়ে দিয়েছেন প্রতিটি ধাপ, দিয়েছেন অনুপ্রেরণা, দিয়ে যাচ্ছেন, আজীবন দিয়েও যাবেন। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট এক অতুল সৃষ্টি এই এঞ্জেল! তবে তারা নিজেদের শিক্ষক বলে পরিচয় দিতেই স্বস্তিবোধ করেন!
হৃদয়ের গভীর থেকে শ্রদ্ধা জানাই আমার সকল এঞ্জেলদের।
(রচনাকাল - ০৫ অক্টোবর, ২০১৬)
08/05/2020
আমরাই যদি না জাগি কেমনে সকাল হবে?
সচেতন নিজেরই হতে হয়, চাপিয়ে দেয়া যায় না।
ঘরে বা বাইরে যেখানেই থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন; নিরাপদে থাকুন।।
©S.M. Ikram Hossain
সচেতনতা স্বকীয় প্রবৃত্তি, একে আরোপ করা যায় না | Bangladhara
এস এম ইকরাম হোসাইন » বরং আমি এই লকডাউন শিথিল করাকে পজিটিভলিই দেখছি। কেন? -সুইডেনের দিকে তাকালেই এর উত্তর মিলে;
08/05/2020
সচেতনতা নিজের ভিতর থেকেই জাগান, এটি কেউ আপনাকে চাপিয়ে দিতে পারেনা।
ঘরে বা বাইরে যেখানেই থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন; নিরাপদে থাকুন।।
©S.M. Ikram Hossain
সচেতনতা স্বকীয় প্রবৃত্তি, একে আরোপ করা যায় না – এস. এম. ইকরাম হোসাইন
বরং আমি এই লকডাউন শিথিল করাকে পজিটিভলিই দেখছি। কেন?