Mowlabi Abdul Karim Master Bari

Mowlabi Abdul Karim Master Bari

Share

Late mowlabi abdul karim master. He was a teacher & imam.

13/12/2023

শোক সংবাদ!
মৌলভী আবদুল করিম মাস্টার বাড়ী নিবাসী,
মরহুম আবদুল খালেকের ২য় পুত্র মো: আবু তাহের (ফারুক, পারভেজ এর পিতা,) ভোর ৫ টায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

জানাজা: দুপুর ২টা
(শমসের আলী মুন্সীর জামে মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গনে)

14/08/2022

কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়ঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
🔴CBC যে যে রোগে করা হয়ঃ
"""''''''''""""""""""""""'"''"'""""'''''''''"
⏩জ্বর হলে কি কারণে হচ্ছে তার ধারণা নেয়ার জন্য।অনেক সময় blood culture করতে হয়।
⏩শরীরে রক্তের পরিমাণ কেমন আছে জানার জন্য।
⏩রক্তের ঘাটতি থাকলে সেটা আয়রণ বা ভিটামিনের অভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য।
⏩শরীরে এলার্জি কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্তে ইনফেকশন বা প্রদাহ কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্ত জমাট বাধার উপাদান কি পরিমাণ আছে তা জানা যায়।
⏩ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Urine R/E প্রস্রাব টেস্ট যে যে কারনে করা হয়ঃ
""'''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""
👉ইনফেকশন আছে কিনা,থাকলে সিভিয়ারিটি কতটুকু
👉ডায়াবেটিস আছে কিনা
👉প্রোটিন যায় কিনা
👉রক্ত যায় কিনা
👉কিডনীতে পাথর আছে কিনা
🔴RBS-Random Blood Sugar: ডায়াবেটিস আছে কিনা তার ধারণা করার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔵Serum Creatinine:যেইসব রোগীর কিডনীর সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এ টেস্ট তাদের করা হয়।(প্রেশার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বাধ্যতামূলক টেস্ট। ব্যথার ঔষধ দেয়ার আগেও এটেস্ট করা উচিত)
🔴Lipid profile: রক্তে চর্বির পরিমাণ বুঝার জন্য এটা করা হয়।হার্টের ও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর জন্য এটা খুব জরুরি।
🔵Serum Bilirubin: জন্ডিস আছে কিনা দেখা হয়।একদম প্রাথমিক টেস্ট।জন্ডিস হয়ে গেলে আরো টেস্ট করতে হয়।
🔴SGPT/SGOT: লিভারের কন্ডিশন বুঝার জন্য এটা করা হয়।লিভার কতটুকু এনজাইম উৎপন্ন করছে তা দেখা হয়।
🔵Serum Electrolyte: রক্তে খনিজের পরিমাণ জানার জন্য এটা করা হয়।শরীর দূর্বল লাগলে,বেশীবমি, ডায়রিয়া এসব ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা হয়।
🔴HBsAG: জন্ডিস এবং লিভার কন্ডিশন বুঝার জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔵HBA1c: ডায়বেটিস বা রক্তে গ্লুকোজ নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵LFT: লিভারের সমস্যা বুঝতে এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴BT CT: রক্তরােগের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Via Test: সার্ভিক্সের ইনফেকশন বা ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴TSH: Thyroid stimulating hormone এই পরিক্ষা হরমন নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵EcG: হৃদরােগের অবস্থা বুঝার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔴ChestX-ray: বুকের ও হার্টের কন্ডিশন বুঝার জন্য করা হয়।
©

13/06/2021

বউমা আলুর তরকারি তে এতো ঝাল দিয়েছো খেতে পারছি না আমি, কতদিন বলি তরকারি তে ঝাল একটু কম করে দিও কিংবা আমার জন্য উঠায় রাখলেও পারো।
শাশুড়ির এমন কথায় খাবার টেবিলে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। বউমা বলে উঠলো, সারাদিন এতো খাটাখাটুনি করার মধ্যে এই ঝাল কমবেশি ব্যাপার টা আমার মাথায় থাকে না মা। তাছাড়া আপনি একজন এর জন্য আমাদের বাকি চারজন এর খাবারের স্বাদ তো নষ্ট করতে পারি না।
শাশুড়ীর আর বলার মতো কোনো শব্দ রইলো না।
মনে মনে ভেবেছিলাম আমার ছেলেটা হয়তো কিছু বলবে বউমা কে। কিন্তু ভুল ভেবেছিলাম, একমাত্র ছেলে টারও আজ খোঁজ নেই মায়ের ভালো মন্দের প্রতি।

আজ অনেক দিন পর চোখের কোণে পানি জমছে বার বার। যে ছেলে ঝাল খেতে পারতো না বলে সবসময় তরকারি ঝাল ছাড়া ও ধুয়ে খাওয়াতাম, আজ সেই ছেলের মা বেশি ঝাল খেতে পারে না বলে তার রাতের খাবার খাওয়াই হলো না। ভিতর ভেঙে কান্না আসছে আমার, নিজের কলিজা ছিঁড়ে বের করে এনেছি ছেলেটাকে পৃথিবীতে আমি।
মা হওয়ার কি যে কষ্ট, তা শুধুমাত্র মা-ই বোঝেন।
চোখের পানি মুছে নিজের মনকে শান্ত করলাম।
মায়েদের মন আকাশের মতো অসীম দয়ালু, এতো সহজে তো মা কে ভেঙে পড়লে চলবে না।
মাঝ রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলো পায়ে কারও হাতের স্পর্শ পেয়ে, বুঝতে বাকি রইলো না এ আমার ছেলের হাত। মাঝে মধ্যে পারিবারিক বিষয়ে টুকটাক ঝামেলা হলে ও আসে আমার ঘরে এসে পায়ে সালাম করে কিংবা আমাকে ডেকে গল্প করে, কখনও বা গল্প করতে করতে আমার কোলেই মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরে। আমার কোলে মাথা রেখে ঘুমানোর সময় ছেলেকে দেখে মনে হয় সেই ছোট্ট বাবু'টি আছে এখনও আমার সন্তানটি, অবশ্য সন্তানেরা কখনোই মায়েদের কাছে বড় হয়না।

পরদিন দুপুরের খাবারে ঝাল কমলো একটু, বুঝলাম আমার ছেলে বউমা কে এ ব্যাপারে সকলের সামনে কিছু না বললেও পরে বুঝিয়ে বলেছে। আসলে স্ত্রী কে সকলের সামনে পারিবারিক বিষয়ে মন্দ কোনো কথা বলা উচিত নয় আমি মনে করি।
বিকেলে বউমা কিছু তরকারি কুটতে দিলো রাতের জন্য রান্না হবে। আজকাল চশমা টা আর কাজ করছে না, বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের সমস্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তরকারি কুটতে গিয়ে হাত এর আঙুলের বেশ খানিকটা কেটে ফেললাম।
বয়স্ক মানুষের শরীরে মনেহয় রক্তের পরিমাণ একটু বেশি থাকে, ঝড় ঝড় করে রক্ত পড়ছিলো হাত থেকে। নাতনি রক্ত দেখে চিৎকার করে মা মা বলে ডাকে আর বলে দিদা'র হাত কেটে গেছে মা। বউমা'র অপেক্ষা না করে নাতনি নিজেই ঘরে ছুটে যায় ডেটল ও তুলা আনতে। কিছুক্ষণ পর বউমা আসে হাতে কিছু তুলা ও ডেটল এর বোতল নিয়ে।
"মা দেখে কাজ করবেন না, ফেললেন তো হাত টা কেটে।
বলতে চেয়েও বলতে পারলাম না যে, আসলে বউমা চশমা টা আজকাল ঠিক মতো কাজ করছে না।
নতুন চশমা লাগবে ডাক্তার দেখাতে হবে, এ তো অনেক টাকার ব্যাপার সেজন্য বলতে দ্বিধা ও লজ্জা দু’টোই কাজ করে আমার ভিতরে।

নিজেই হাত ডেটল দিয়ে পরিস্কার করে, নরম পাতলা পরিস্কার কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখলাম।
মনে পড়ে গেলো আমার শাশুড়ির কথা, বিয়ের পর প্রথম যেদিন হাত কেটে ফেলেছিলাম পুরো বাড়ি চিৎকার করে মাথায় তুলেছিলেন।
এতো লোকজন থাকা স্বত্বেও সেদিন ওনার ডাক কারও কানে পৌঁছায় না, শেষে নিজে দৌড়ে বাড়ির বাইরে এসে দূর্বাঘাস তুলে পেস্ট করে কাটা স্থানে লাগিয়ে দেয়। সেদিন সকাল থেকে কোনো কাজে হাত দিতে দেয় না আমাকে আর। দিন যত যেতে থাকে আমার শাশুড়ির কঠিন আচরণ ততই প্রকাশিত হতে থাকে। ভাত খেতে সকলের তুলনায় একটু বেশি সময় লাগতো বলে অনেক কথার খোঁটা শুনতে হতো। এক পর্যায়ে সময় বেশি লাগলে অবশিষ্ট ভাত তিনি মুখের সামন থেকে কেড়ে নিয়ে বাড়িতে থাকা পশুপাখি দের সামনে ফেলে দিতেন। একসাথে খেতে বসতাম ওনার আগে খাওয়া হয়ে গেলে হাত ধুয়ে আমার খাবার থালা নিয়ে যেতেন। আস্তে আস্তে পেটের ক্ষুধায় তাড়াতাড়ি খাওয়া শিখে গেলাম, ওনার আগে আমার খাওয়া শেষ হলে ওনি হাসতেন আর বলতেন আয় বউ এখন আমার খাবার নিয়ে মুরগি কে দে আজ তো আমি দেরি করেছি।
আমি মুচকি হাসতাম, আর পান সুপারি সাজাতাম খাওয়ার জন্য।

সাত বছরেও যখন আমি মা ডাক শুনতে পারি নাই, আশেপাশের মানুষের কথা আত্নীয় স্বজনদের কটু কথার উপযুক্ত জবাব দিতেন মা।
তিনি বলতেন আল্লাহর দান ওনি যখন খুশি দিবেন, বউ এতো দূর চিন্তা করিস না। দুপুরে ভাত খেতে প্রায় বিকেল হয়ে যেতো গ্রামের বাড়িতে অনেক কাজ থাকত এখন শহরে ভাড়া বাসায় থাকি ছেলের চাকরি সূত্রে। দুপুরে খাওয়ায় পর দুই বউ শাশুড়ি মিলে পান সুপারি খেয়ে, মাথায় তেল দিতে বসতাম সপ্তাহে দুই দিন মাথা সাবান দিয়ে ধুয়ে তেল দিতাম বাকি দিনগুলো এমনি গল্প করতাম কিংবা সময় বেশি থাকলে ঘুমাতাম। আমি যখন সন্তানসম্ভবা মা তখন অনেক কষ্ট করেছিলেন আমার জন্য, সবসময় খোঁজ রাখতেন আমার। আল্লাহ ওনাকে জান্নাতবাসী করুক, আমিন।
হাতের কাটা স্থান টা জ্বলছে খুব, আজ একটা মেয়ে সন্তান থাকলে হয়তো স্বস্তি পেতাম। নিজের মনের কথা গুলো খুলে বলতে পারতাম, হঠাৎ মাঝ রাতে ভয় পেয়ে ঘুম ভেঙে গেলে হয় দু'দিন এর জন্য আমি গিয়ে মা মেয়ে একসাথে ঘুমাতাম কিংবা মেয়েকে নিয়ে আসতাম আমার কাছে । বুকের ভিতরটা জুড়াইত আমার তখন। নাতনি টা প্রায় সময় আমার সাথে ঘুমায়, ও-ই আমার শেষ বয়সের বান্ধবী প্রাণের আত্নীয়।

বাসায় জায়গা কম বলে শহরের বড় এক রেস্টুরেন্টে নাতনির সপ্তম জন্মদিন পালন হচ্ছে। সবাই সেজেগুজে বিকেলে চলে গেছে জন্মদিনের পার্টিতে , আমারও ভীষণ যেতে ইচ্ছে করছিলো সবার সাথে বলতে পারি নাই। বয়স বাড়ছে পাছে না অনুষ্ঠানে কোনো ভুল ভাল কাজ করে বসি আমি।
রাতে অনেক উপহার ও খাবার নিয়ে বাসায় ফেরে সবাই, নাতনি এসে জড়িয়ে ধরে আমাকে দিদা দিদা বলে আদর করে খাবার খাইয়ে দেয়।
খাবার খাওয়া শেষে উপহার সামগ্রী দেখার পালা, সব উপহার দেখা শেষ এ নাতনি আমায় জড়িয়ে ধরে তার গলার স্বর্ণের চেইন এবং হাতের আংটি দেখায়। আমিও খুশি হয়ে আদর করে দিই নাতনিকে আর বলি আমার অনেক গহনা আছে সেগুলো সব প্রায় তোর, তবে কিছু গহনা আমার নাতবউ এর জন্য আছে।
--চেইন তো আমার ছেলে দিয়েছে তবে এই আংটি কে উপহার দিলো?
-- আমি মা,পাশ থেকে বউমা বললো।
আমি তাকালাম বউমার দিকে, বললাম তুমি তো চাকরি করো না বউমা।
-- আমার কিছু জমানো টাকা ছিলো মা তা দিয়ে মেয়ের শখ আহ্লাদ পূরণ করলাম।
-- তা বেশ ভালো বউমা, তবে শেষ বয়সে তোমার শখ আহ্লাদ পূরণ করার জন্য কিছু হলেও জমিয়ে রেখো। না হলে পরে আফসোস করবে বউমা, প্রয়োজন টাও ঠিক ভাবে প্রকাশ করতে পারবে না আত্মসম্মানবোধের কারণে।
তোমার সন্তান কে তুমি উপহার দিয়েছো এতে মন্দ কিছু নেই, এতে আমিও অনেক খুশি হয়েছি। কিন্তু নিজের জন্য কিছু রেখো সবকিছু শেষ করে দিও না।
বউমা মাথা নিচু করে আছে, মুখটা গম্ভীর বুঝতে পারলাম না রাগ হয়েছে কিনা। কথাটা বলা প্রয়োজন জন্য বলে দিলাম এতে বউমা খারাপ কিছু মনে করলে সেটা তার ব্যর্থতা।
দুইদিন পর, বউমা বাজার থেকে ফিরে এসে আমার হাতে একটা প্লাস্টিকের টাকা রাখার ব্যাংক দিলেন আর বললেন মা এখানে আমরা সকলে খুচরা টাকা ফেলবো। প্রথম টাকা আপনি ফেলেন এই বলে চকচক একটা একশত টাকার নোট গুঁজে দিলেন, নিলাম না।
বললাম আমার টাকা আছে বউমা, সেখান থেকে পুরাতন একটা একশত টাকার নোট ফেললাম ব্যাংক এ চকচকে টকা টা বউমা'র হাত দিয়ে ব্যাংকে রাখলাম।
মা আজ থেকে এই ব্যাংক আপনার।সকলে এখানে ভালোবেসে টাকা ফেলবে, কিন্তু টাকা গুলোতে অধিকার শুধুই আপনার থাকবে। আপনি মন খুশি মতো আপনার জন্য খরচ করবেন। এই ধারা অব্যাহত থাকবে এখন থেকে এই পরিবারের প্রজন্ম পরম্পরায়, এই বলে বউমা সহ নাতি নাতনি আমাকে জড়িয়ে ধরে।

18/04/2021

েমন_হবে_স্বাস্থ্যকর_সেহরী_ইফতার

সংযম ও রহমতের মাস রমজান। আমাদের ব্যক্তিজীবনে রমজান মাসের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ধর্মীয় দিক থেকে নয়, রোজা পালন করা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী, এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। রমজান মাসে আমাদের খাবারের রুটিনে অনেকটা পরিবর্তন আসে। সাহ্‌রি, ইফতার ও রাতের খাবার—এই তিন সময় আমরা যে খাবার গ্রহণ করে থাকি, সেই খাবার থেকেই আমাদের দৈনিক ক্যালরি, ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ করতে হয়। তাই রমজান মাসে সাহ্‌রি, ইফতার ও রাতের খাবার—তিনটিই আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটিও বাদ দেওয়া উচিত নয়।

সাহ্‌রি
সারা দিন রোজা রেখে সুস্থ ও সতেজ থাকার জন্য সাহ্‌রি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই সাহ্‌রি খেতে চান না অথবা খুব তাড়াতাড়ি খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে যান। এটা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। সাহ্‌রি সারা দিনের কাজ করার শক্তি জোগায়। তাই সাহ্‌রিতে একটু সময় নিয়ে পরিমিত পরিমাণে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা উচিত।
ভাতের সঙ্গে সবজি, মাছ অথবা মুরগির মাংস খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া দুধ-কলা-ভাত অথবা আম-দুধ-ভাত খাওয়া যায়। ভাত, সবজি ও মাছ খাওয়ার পর এক কাপ দুধ ও খেজুর খেলে সারা দিন সুন্দরভাবে রোজা রাখা যায়। অনেকেরই চা-কফি পান করার অভ্যাস থাকে। তাই অনেকেই সাহ্‌রি খাওয়ার পর চা অথবা কফি পান করে থাকেন, এটা মোটেও উচিত নয়।
সাহ্‌রিতে যথাসম্ভব সালাদ, ডাল, ভাজা সবজি বা মাছ এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এতে অ্যাসিডিটি হতে পারে। সাহ্‌রি খাওয়ার পর একটি বা দুটি খেজুর খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়, যা সারা দিন পানিশূন্যতা রোধ করতে সাহায্য করে।

ইফতার
ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি বা দুটি আইটেম রাখা যায়। যেমন যেদিন ছোলার সঙ্গে পেঁয়াজি খাওয়া হয়, সেদিন বেগুনি বাদ দেওয়া যায়। পেঁয়াজি অথবা বেসন দিয়ে ভাজা বেগুনি ও বিভিন্ন ধরনের চপ সবই ডাল জাতীয় খাবার। প্রতিদিন এ ধরনের খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
রমজানে শরীরের সুস্থতা ও পুষ্টি চাহিদার কথা বিবেচনা করলে ইফতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সাধারণত মুখরোচক বিভিন্ন খাবার দিয়ে ইফতার মেনু তৈরি করে থাকি কিন্তু আমাদের শরীরের পুষ্টি চাহিদার কথা বিবেচনা করি না। একটি পুষ্টিসম্মত ইফতারে সাধারণত কোন ধরনের খাবার থাকা উচিত, সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।
অবশ্যই ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার দিয়ে ইফতারি করা উচিত। যথাসম্ভব সহজপাচ্য খাবার ইফতার মেনুতে রাখতে হবে। ইফতারে প্রথমে বিশুদ্ধ পানির সঙ্গে খেজুর খাওয়া উচিত। এরপর শরবত অথবা জুস খাওয়া যায়। আমরা ঐতিহ্যগতভাবে ইফতারে ছোলা খেয়ে থাকি। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ইফতারে সহজপাচ্য খাবার হিসেবে মুড়ি, চিড়া, দই, খই অথবা সবজি দিয়ে বানানো নুডলস ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া মৌসুমি ফল ও সালাদ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, যা ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ করে।

ইফতারে আমরা সাধারণত প্রচুর ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার খেয়ে থাকি, যেমন পেঁয়াজি, বেগুনি, বেসন দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের চপ। এমনকি অনেক সময় বাইরে থেকে মুখরোচক খাবার কিনে আনি, যা মোটেও উচিত নয়।
ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি বা দুটি আইটেম রাখা যায়। যেমন যেদিন ছোলার সঙ্গে পেঁয়াজি খাওয়া হয়, সেদিন বেগুনি বাদ দেওয়া যায়। পেঁয়াজি অথবা বেসন দিয়ে ভাজা বেগুনি ও বিভিন্ন ধরনের চপ সবই ডাল জাতীয় খাবার। প্রতিদিন এ ধরনের খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। পুরো রমজান মাস এ ধরনের খাবার খাওয়া হলে স্বাস্থ্যগত জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে, হাত-পা চিবানো এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চপ জাতীয় খাবার সব সময় বেসন দিয়ে না ভেজে ডিম অথবা টোস্টের গুঁড়া দিয়ে ভাজা যায়।
ইফতারে প্রতিদিন একই মেনু না রেখে ২-১ দিন পর পর মেনু পরিবর্তন করা উচিত। ইফতারে ডিম ও দুধের তৈরি খাবার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এ ছাড়া ইফতারের কিছুক্ষণ পর একটি ডিম সিদ্ধ খাওয়া যেতে পারে, যা আমাদের প্রথম শ্রেণির প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করবে।

রাতের খাবার
সারা দিন রোজা রাখার পর অনেকেই ইফতারে অনেক বেশি খাবার খেয়ে থাকেন এবং রাতের খাবার না খেয়ে ঘুমিয়ে যান। এটা শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। অল্প পরিমাণে হলেও সহজপাচ্য খাবার দিয়ে রাতের খাবার সেরে নেওয়া উচিত। যেমন রাতের খাবারে সাদা ভাতের সঙ্গে সবজি ও এক টুকরা মাছ অথবা মাংস থাকতে পারে। কখনো কখনো রুটি-সবজি, হালিম অথবা স্যুপ খাওয়া যেতে পারে। ইফতারে যদি ডাল জাতীয় খাবার, যেমন ছোলা, পেঁয়াজি, বেসন দিয়ে ভাজা চপ ইত্যাদি খাওয়া হয়ে থাকে তাহলে রাতের খাবারে ডাল না খাওয়াই ভালো।

রমজানে পানীয়
এই গরমে রোজায় দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। এ সময় একটি সাধারণ সমস্যা হলো পিপাসা বোধ হওয়া।
এই পিপাসার কারণে আমরা ইফতারে একসঙ্গে অনেক বেশি শরবত অথবা পানি পান করে থাকি, যা ঠিক নয়। এতে আমাদের পাকস্থলীতে চাপ পড়ে এবং আমাদের অস্বস্তি বোধ হতে পারে। ইফতারে সাধারণত দুই থেকে তিন গ্লাসের বেশি পানীয় পান না করাই ভালো। এরপর ঘুমানোর আগ পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় এক গ্লাস করে পানি খাওয়া উচিত।
সারা দিন পানি খাওয়া যাবে না, এই ভেবে সাহ্‌রিতে অতিরিক্ত পানি পান করা উচিত নয়। সাহরিতে সাধারণত দুই গ্লাস পানি পান করাই আমাদের জন্য যথেষ্ট।

সাহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত মোট ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করলে তা আমাদের শরীরের পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করতে পারে।

সতর্কতা
ইফতারে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত অথবা কৃত্রিম জুস খাওয়া উচিত নয়।
যারা দীর্ঘমেয়াদি কোনো অসুখে ভুগছেন তাঁরা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রোজা রাখবেন।
যারা দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিক, কিডনি রোগ, হজমজনিত সমস্যা ইত্যাদিতে ভুগছেন তাঁরা একজন পুষ্টিবিদ অথবা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে সাহ্‌রি, ইফতার ও রাতের খাবার পরিকল্পনা করবেন। এতে সুস্থ থেকে পুরো রোজা শেষ করতে পারবেন কোনো ধরনের সমস্যা ছাড়া।

লেখক: পুষ্টিবিদ, লেকসিটি ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, খিলক্ষেত, ঢাকা।

প্রথম আলো
১৭-০৪-২১

04/08/2020

ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস। ইসলাম ধর্মের একজন নিবেদিত প্রচারক। ১৯৪৬ সালের ৬ জানুয়ারি জ্যামাইকায় এক খ্রিস্টান পরিবারে তার জন্ম। বড় হন কানাডায়। জন্মসূত্রে নাম ছিল ডেনিস ব্র্যাডলি ফিলিপস।

১৯৭২ সালে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। মুসলিম হওয়ার পর মদীনার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক থিওলজিতে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি কাতারে বসবাসরত আছেন।

ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপসের বিখ্যাত উক্তিগুলোর মধ্য থেকে এখানে ২০টি তুলে ধরা হল-


১/ 'আপনার জীবনের জন্য আপনার পরিকল্পনা থেকে আল্লাহর পরিকল্পনাই উত্তম।

২/ 'যেখানে আপনি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছেন, সেখানে চিন্তিত হওয়ার কোন মানে হয় না । প্রয়োজন শুধু একটু ধৈর্যধারণ করা...।'

৩/ 'আপনি কি মনে করছেন এমন কেউ নেই যাকে আপনার ব্যক্তিগত কথা ও দুশ্চিন্তাগুলো শেয়ার করবেন? তাহলে আপনি শ্রেষ্ঠ শ্রবণকারীর আল্লাহ্ তা'আলাকেই ভুলে গেছেন।'

৪/ 'আপনি যা ই করেন না কেন এই দুনিয়ার মানুষদের সন্তুষ্ট করতে পারবেন না। তাই দুনিয়ার সকল মানুষদের খুশি করার মিথ্যা আশা ছেড়ে তাদের সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করতে চেষ্টা করুন।'

৫/ 'ফর্সা আর সৌন্দর্য কখনোই এক কথা নয়। ফর্সা কেবল চামড়ার মধ্যে ফুটে উঠলেও সৌন্দর্য ফুটে উঠতে প্রয়োজন আল্লাহর আনুগত্য ও উত্তম চরিত্র।'

৬/ 'আল্লাহর পক্ষ হতে নির্ধারিত প্রতিটা বিষয়ই আপনার প্রতি সুবিচার। প্রয়োজন শুধু আপনাকে তাঁর প্রতি আস্থাশীল ও নির্ভরশীল হওয়া এবং তাঁরই উপর ভরসা করা।'

৭/ 'আপনি যত বেশি আল্লাহর উপর ভরসা করবেন, আপনার পক্ষে ধৈর্যধারণ ততোবেশি সহজ হবে।'

৮/ 'একাকীত্ব সবসময়ই একটু বিরক্তিকর মনে হয় । তবে যে তাঁর প্রভুর (আল্লাহর) আনুগত্য করে করে সে কখনো একাকীত্ব অনুভব করে না।'

৯/ 'মুসলিম হিসেবে জন্মগ্রহণের চেয়ে মুসলিম হিসেবে মৃত্যুবরণ করতে পারাটাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।'

১০/ 'এমন কাউকে ভালোবাসা উচিত নয় যে আল্লাহকেই ভালোবাসতে জানেননা।'

১১/ 'আমরা অনেক সময় ধরে কোন মানুষকে প্রভাবিত করেও তার খুব কমই দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারি, অথচ আমরা এমন এক সত্তাকে (আল্লাহকে) ভুলে থাকি যে কিনা সবসময়ই আমাদের প্রতি দৃষ্টি রাখেন।'

১২/ 'সবচেয়ে কষ্টসাধ্য বিষয় হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এমন কিছু বর্জন করা যা আপনি ভালোবাসেন। তবে মনে রাখবেন আল্লাহ সবসময়ই কোন কিছুর পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম কিছু দিয়ে থাকেন।'

১৩/ 'এমন কারো সঙ্গী হোন যে আপনাকে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।'

১৪/ 'যদি কেউ আপনার প্রভুর আনুগত্য পছন্দ না করে তবে আপনারও তাকে পছন্দ করার কোন যুক্তি নেই।'

১৫/ 'যখন পৃথিবীর কেউ আপনাকে বুঝতে চেষ্টা করে না, তখন এতটুকু মনে রাখুন আল্লাহ্ আপনাকে বুঝেন।'

১৬/ 'নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে প্রতিটা বিষয়ে আল্লাহর উপর ভরসা করুন। কেননা আপনার জন্য কোনটি কল্যাণকর তা তিনিই ভালো জানেন।'

১৭/ 'যেখানে এক নিমিষেই পেছনের সকল অন্যায় থেকে পরিত্রাণ পেয়ে একটি সুন্দর আগামীর আশা করা যায় সেখানে নিরাশ হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না । প্রয়োজন শুধু সত্যকে মেনে নেয়ার সৎসাহস।'

১৮/ 'যেখানে রসূলুল্লাহ্ (সা:) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, সেখানে আমরা অন্তত দুই-একবার করছিতো?'

১৯/ 'যে কেউ আল্লাহর নিকট নিজেকে সমর্পণ করবে সে কিছুই হারাবে না।'

২০/ 'সত্যিকার সফল তখনই হবেন, যখন আপনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন।'

17/06/2020
13/06/2020

আমাদের দেশে ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। মূলত ব্যবহারকারীদের অসতর্কতার কারনেই আইডি হ্যাক হয়ে থাকে। এ পোষ্টে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করা হবে যাতে করে আপনারা আপনাদের আইডিকে হ্যাক প্রুফ করতে পারেন।
------------------------------------------------------------
💦 আইডিতে সাধারনত যে সকল দুর্বলতা দেখা যায়-

❌ লগ ইনের সময় ইমেইল এড্রেসের পরিবর্তে মোবাইল নম্বরের ব্যবহার করা।

❌ ২ ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন না রাখা।

❌ দুর্বল ও অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ডের ব্যবহার (যেমন মোবাইল নম্বর, ডাক নাম, সন্তানের নাম, জন্ম তারিখ, পিতা মাতার নাম ইত্যাদি)

❌ রিকভারি অপশন চালু না রাখা।

❌ আপনার ফেসবুক আইডির নাম, জন্ম তারিখ, অরিজিনাল নাম ও জন্ম তারিখ থেকে আলাদা হওয়া।

❌ জন্ম তারিখ ওপেন রাখা।

❌ ফেসবুক ও যে মেইল দিয়ে ফেসবুক ওপেন করা হয়েছে তার পাসওয়ার্ড একই থাকা। তাহলে হ্যাকার যখন আপনার ফেসবুক হ্যাক করবে, সাথে সাথে আপনার ইমেইল ও হ্যাক হয়ে যাবে।
------------------------------------------------------------
💦 সিকিউর করুন আপনার ফেসবুক-

✅ মোবাইল নম্বরের পরিবর্তে ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করুন। কেননা আপনার পাসওয়ার্ড বা ইমেইল হ্যাকার চেঞ্জ করলে সাথে সাথেই ফেসবুক আপনার ইমেইলে মেইল পাঠিয়ে আপনাকে সতর্ক করবে। সেখানে রিকভারির লিংক দেয়া থাকে। তাতে ক্লিক করে আপনি সহজেই আইডি রিকভার করতে পারবেন।

✅ ফেসবুকের সেটিংস থেকে Security and login>use two-factor authentication এ গিয়ে আপনার মোবাইল নম্বর যুক্ত করুন। এর পর অন্য কোন মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে আপনার আইডি তে লগইন করার চেষ্টা করুন, দেখুন পাসওয়ার্ড দেবার পর কোড চায় কিনা। যদি চায় তাহলে আপনার ২ ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু হয়েছে। এখন কেউ আপনার ইমেইল+পাসওয়ার্ড জানলেও আপনার মোবাইল হাতে না পেলে হ্যাক করতে পারবে না।

✅ অনেকের পাসওয়ার্ড থাকে শুধু মাত্র সংখা দিয়ে যা অত্যন্ত দুর্বল। পাসওয়ার্ড তৈরি করুন Capital letter, small letter, number & symbol মিলিয়ে। ৮ ক্যারেক্টারের নিচে পাসওয়ার্ড না হওয়াই উত্তম।

✅ সেটিংস এ গেলে ১টি অপশন আছে Choose 3 to 5 friends to contact if you get locked out. এখানে আপনি আপনার ৩ থেকে ৫ জন কাছের মানুষকে যোগ করুন যাদের সাথে আপনার সরাসরি/ফোনে যেকোন সময় যোগাযোগ করতে পারবেন। যদি আপনার আইডি হ্যাক হয়ে যায় তাহলে তাদেরকে বলতে হবে Facebook .com/recover এ লিংকে যেতে। তারা সেখানে আপনার আইডি রিকভার করার জন্য কোড পাবে আর সে কোড ব্যবহার করেও আপনি আপনার আইডি রিকভার করতে পারবেন।

✅ বর্তমানে আইডি রিকভার করতে গেলে ফেসবুক ভিকটিমের আইডি কার্ডের ছবি চায়। কিন্তু দেখা যায় যে, আইডি কার্ডে যে নাম ও জন্ম তারিখ আছে তার সাথে ফেসবুকের নাম ও জম্ন তারিখ মেলে না। ফলে রিকভার করা সম্ভব হয় না। সুতরাং অবশ্যই আপনার আইডিতে যে নাম ও জন্ম তারিখ আছে তা ব্যবহার করুন।

✅ আপনার জন্ম তারিখ যদি ওপেন থাকে তাহলে আপনি ১ ধরনের আক্রমনের আওতায় রয়েছেন। ১ গ্রুপের হ্যাকার রয়েছে যারা আপনার ফেসবুকের নাম ও জন্ম তারিখ মিলিয়ে মিথ্যা পরিচয় পত্র তৈরি করে আপনার আইডির কন্ট্রোল আপনার কাছে নিয়ে নেয়। সুতরাং কখওই জন্ম তারিখ ওপেন থাকা উচিত নয়।
------------------------------------------------------------
💦 ফেসবুকে যে সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা উচিত-

⚠ কখনোই আপনার একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি ফেসবুকে বিশেষ করে ম্যাসেঞ্জারে কারো সাথে শেয়ার করবেন না। দেখা যায় যে অনেকেই তার আপনজনের সাথে তাদের ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করে। পরবর্তিতে ঐ দুই জনের যে কোন একজনের ফেসবুক হ্যাক হয়ে গেলেই হ্যাকার ঐ সকল ছবি সংগ্রহ করে ব্লাকমেইল করা শুরু করে।

⚠ অনেকে ফেসবুকে সিক্রেট এলবাম তৈরি করে তাতে তার বিভিন্ন ছবি, সার্টিফিকেট, আইডি কার্ড সংরক্ষন করে থাকে। এটি হ্যাকারদের জন্য হীরার খনি। আপনার আইডি হ্যাক হওয়া মানে আপনার সকল ব্যক্তিগত তথ্য তার কাছে চলে গেল। এটা কখনোই করা উচিত নয়।

⚠ কোন লিংকে ক্লিক করে যদি ফেসবুকে রিডাইরেক্ট হয়ে যান ও সেখানে ফেসবুকের আইডি ও পাসওয়ার্ড দিতে বলা হয়, তাহলে সম্ভবত আপনাকে ফিশিং করা হচ্ছে। ভুলেও সেখানে আইডি, পাসওয়ার্ড দেবেন না। যে সাইটে গেলেন তার URL আগে খুব ভাল করে দেখে নিন। Facebook না Faecbook এ গেলেন? প্রয়োজনে অন্য ১টি ট্যাবে আলাদা ভাবে নিজে ব্রাউজ করে ফেসবুকে গিয়ে লগ ইন করুন।

⚠ হঠাৎ আপনার ইনবক্সে আপনার বান্ধবি ম্যাসেজ পাঠাতে পারে যে, আমি ওমুক ১টা ফেসবুক গ্রুপে গিয়ে দেখলাম যে তোর কিছু অসামাজিক ছবি আপলোড করা হয়েছে। নিচে লিংক দেয়া আছে। ক্লিক করলে আপনার ১টি এডিটেড ছবি ও তার নিচে লগ ইন করে বাকি সব ছবি ও ভিডিও দেখার জন্য বলা থাকতে পারে। এটাও এক ধরনের ফিশিং। আসলে আপনি লগইন করতে গেলে আপনার ফেসবুকের আইডি আর পাসওয়ার্ড চুরি হয়ে যাবে।

⚠ মোবাইলে যে সকল কোড আসবে তা কখনোই কারো সাথে শেয়ার করবেন না।

⚠ “ঘুম থেকে উঠলাম”, “ক্লাসে যাচ্ছি”, “কিছু ভাল লাগছে না” এই টাইপের স্টাটাস না দেয়া উচিৎ। ধরুন আপনি আপনার পুরো ফ্যামিলি নিয়ে ইদে গ্রামের বাড়ী বেড়াতে যাচ্ছেন। রেলগাড়ীতে উঠে ১টা স্টাটাস, বাড়ী পৌছে আর ১টা স্টাটাস দিলেন। আর আপনার ফ্রেন্ড লিষ্টে থাকা কোন এক জন ব্যক্তি বুঝে গেল যে আপনার বাড়ী ফাঁকা, আর এ সুযোগে আপনার বাসার সব চুড়ি করে নিয়ে গেল। আপনার একটি সাদামাটা পোষ্ট আপনার ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াতে পারে।

⚠ অনলাইনে যে কোন পোষ্ট বা কমেন্ট করার আগে চিন্তা ভাবনা করে করা উচিৎ।

পরিশেষে, আপনার ফেসবুক আইডি আপনার সম্পদ। এটির সিকিউরিটি ও আপনার কাছে, এ থেকে প্রদত্ত পোষ্টের দ্বায়িত্ব ও আপনার।

30/05/2020

্তদানের_যোগ্যতাঃ-
১.. ১৮-৬০ বছর বয়সী সব সুস্থ মানুষ রক্তদান
করতে পারেন।
২.. ৪৫ কেজির বেশি ওজনের সব মানুষই
রক্তদান করতে পারেন।
৩.. যিনি গত ৩ মাসের মধ্যে রক্তদান
করেননি তিনি রক্তদান করতে পারেন।
যখন রক্তদান করা যায়ঃ-
১.. রক্তদান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যে কোনো সময়
করা যায়।
২.. ভরাপেটে খাওয়ার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট
পরে রক্ত দেয়া ভালো।
৩.. খালি পেটে না দিয়ে হালকা খাবার
খেয়ে রক্ত দেয়া ভালো।
রক্ত দান সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও
উত্তরঃ-
১.. রক্ত দানের জন্য সর্বনিম্ন বয়স?
--> আপনি ইচ্ছে করলে ১৮ বছর বয়সের পর
থেকেই
রক্ত দান করতে পারেন।
২.. রক্ত দান কি নিরাপদ ?
--> রক্ত দান করা সম্পূর্ন নিরাপদ।
৩.. রক্ত দানের কি কোন সাইড এফেক্ট
আছে ?
--> না রক্ত দানের কোন সাইড এফেক্ট
নাই।
৪.. রক্ত দানে কতটুকু রক্ত নেওয়া হয় ?
--> আপনার শরীর থেকে প্রায় ৩৮০-৪০০
মি.লি রক্ত
নেওয়া হয়।
৫.. কতদিন পর পর রক্ত দান করা যায় ?
-৩ মাস পর পর আপনি রক্ত দান করতে
পারেন।
৬.. রক্ত দান করতে কত সময় লাগে ?
-->সর্বোচ্ 15 মিনিট সময় লাগে। বিশ্রাম
এবং অন্যান্য সময় ধরলে সর্বমোট ১
ঘন্টা লাগতে পারে।
৭.. রক্ত দান করতে ব্যাথা লাগে কি ?
--> জ্বী না। রক্ত দানের সময় আপনি ব্যাথা
পাবেন
না।
৮.. রক্ত দানের ফলে আমার কি অঙ্গান
হয়ে পড়তে পারি ?
-->না, রক্ত-দান করার পর অবশ্যই বিশ্রাম
নিবেন।
৯.. কিভাবে রক্ত নেওয়া হয় ?
--> প্রথমে আপনার বাম হাত থেকে আধা
সিরিজ
রক্ত নেওয়া হয়, ক্রস মেসিং ও অন্যান্য
পরীক্ষা করার জন্য। তারপর আপনার ডান
হাতের
বাহুতে একটি সিরিন্জ দিয়ে রক্তটানার
ব্যাবস্থা করা হয়। নিডিলটি ঢোকানোর
সময় সামান্য
ব্যাথা লাগে। তারপর আর ব্যাথা লাগবে
না।
আপনার রক্ত একটি নলের মাধ্যমে
স্যালাইনের মত
একটি ব্যাগে সহজেই জমা হয়ে যায়।
১০.. রক্ত দানের জন্য সর্বনিম্ন ওজন কতটুকু ?
--> রক্ত দান করতে চাইলে আপনার ওজন 47
কেজির বেশী হতে হবে।
১১.. রক্ত দানের পর আমার হাত ফুলে বা রক্ত
জমাট
বেধে বা ইনফেক্সন হতে পারে কি ?
--> হাতের যেখান থেকে রক্ত
নেয়া হয়েছে সেখানে ম্যসেজ করবেন না।
ফুলে যাওয়া , জমাট বাধা বা ইনফেক্সনের
সম্ভবনা নেই বললেই চলে।
১২.. এলকোহল ( মদ) খাবার পর রক্ত দান করা
যায় কি ?
--> না । রক্ত দেবার ২৪ ঘন্টা পূর্বে এলকোহল পান
করলে রক্ত দান করা যাবে না। পান করার
২৪ ঘন্টা পর রক্ত দিতে পারেন।
১৩.. এন্টিবায়টিক ওষুধ খাওয়া অবস্থায় রক্ত
দান করা যাবে কি ?
--> না। এন্টিবায়োটিক খাবার অন্তত ৭ দিন পর,
সম্পূর্ন সুস্থ হলে তারপর রক্ত দান করা যাবে।
১৪.. ব্লাড প্রেশারের রোগী রক্ত দান করতে পারবেন কি ?
--> হ্যা। যদি আপনার রক্তচাপ
নিয়ন্ত্রনে থাকে আপনি রক্ত দান করতে পারেন।
১৫.. শিশু বুকের দুধ খায় এ অবস্থায় রক্ত দান
করা যাবে ?
--> না। যখন শিশু শুধুমাত্র বুকের দুধ পান
করে তখন রক্ত দান করা যাবে না।
১৬.. শিশুর জন্মের কতদিন পর মা রক্ত-দান
করতে পারেন ?
--> শিশুর জন্মের ১৫ মাস পর মা রক্তদান
করতে পারেন।
১৭.. সর্দি লাগা/ জ্বর থাকা অবস্থায় রক্ত
দান করা যাবে ?
--> ঠান্ডা বা সর্দি লাগা অবস্থায় যেহেতু
একটি জীবানু সংক্রামন থাকে সেহেতু রক্ত দান
করা যাবে না।
১৮.. জন্ম নিয়ন্ত্রন পিল খাবার সময় রক্ত দান
করা যাবে কি ?
--> হ্যা। জন্ম নিয়ন্ত্রন পিল খাবার সময়
রক্ত দান করা যাবে।
১৯.. ডায়বেটিক রোগী রক্ত দান করতে পারেন ?
--> না। যে সমস্ত ডায়াবেটিক রোগী
ইনসুলিন গ্রহন করেন তাদের
রক্ত দান না করাই ভালো। তবে বিশেষ
প্রয়োজনে তারা রক্ত দান করতে পারেন।
২০.. রোগের ভ্যাকসিন নেবার পর রক্ত দান
করা যাবে ?
--> না। ভ্যাকসিন নেবার অন্তত ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত
রক্ত দান করা যাবে না।
২১.. রক্ত দানের আগে আমার কি করা উচিত ?
--> আগের রাতে ভাল ভাবে ঘুমান। সকালে
ভাল নাস্তা করুন। ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় ( চা ,
কফি) খাবেন না। বেশী চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন
না। পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
২২.. রক্ত দানের সময় কি করা উচিত ?
--> হাফ হাতা পোষাক পরুন। রিল্যাক্স থাকুন।
রক্তদান শেষে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।
২৩.. রক্ত দানের পর কি করা উচিত ?
--> রক্ত দানের পর পর্যাপ্ত তরল পান করুন
অন্তত ৪ গ্লাস( স্যালাইন, ফলের রস)। ৫
ঘন্টা পর্যন্ত ভারী কাজ করবেন না।
মাথা ঘুরলে শুয়ে পড়ুন, এবং পা মাথার
চেয়ে উচুতে রাখুন( পায়ের নীচে একটি বালিশ দিন)। দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন। ধুমপান করবেন না ৫ ঘন্টা।

Copy post

27/05/2020

#জরুরি_কিছু_আমল_দোয়া_জিকির....

#সহজ কিছু কাজ করা যায়....

✅খুশু খুজুর সাথে প্রতি ওয়াক্ত নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে আদায় করে নেয়া
✅মাগরিব, ঈশা আদায়ের পর অতিরিক্ত ২/৪ রাকাত নফল নামাজ আদায় করা
✅দোয়া কবুলের জন্য যে কোন সময় এ দোয়া পাঠ করা:

‎اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلاً

উচ্চারন: আল্লাহু আকবার কাবীরা, ওয়াল হামদু লিল্লাহি কাছীরা ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরতাও ওয়া আসীলা

অর্থ: আল্লাহ মহান, অতি মহান, আল্লাহ তাআলার জন্য অনেক অনেক প্রশংসা এবং সকাল-সন্ধ্যা আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। (মুসলিম, তিরমিজী ৩৯৪১)

✅আমাদের ইবাদাত সুন্দর ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রতি নামাজ শেষে এই দোয়া পাঠ করা যায়:

‎اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبادَتِكَ

উচ্চারন: আল্লাহুম্মা আ ই’ন্নী আ’লা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হু’সনি ইবাদাতিক।

অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার স্মরণ, তোমার কৃতজ্ঞতা এবং তোমার সুন্দর ইবাদত করার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য কর।" (আবু দাউদ ১/২১৩, নাসায়ী, ইবেন হিব্বান, হাদীস সহীহ)

✅দুই সিজদার মাঝে এ দোয়া পাঠ করা:

‎اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَاهْدِنِي، وَاجْبُرْنِي، وَعَافِنِي، وَارْزُقْنِي، وَارْفَعْنِي

উচ্চারন: আল্লাহুম্মাগ ফিরলি, ওয়ার হামনী, ওয়াহদীনি, ওয়া আফিনী, ওয়ার-ঝুকনী
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমায় মাফ কর, আমাকে রহম কর, আমাকে হেদায়েত দান কর, আমাকে শান্তি দান কর এবং আমাকে রিজিক দাও| (মুসলিম, মিশকাত পৃঃ ৭৭ হা/ ৮৯৩)

✅মা আয়েশা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করেন: হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি লাইলাতুল কদর লাভ করি, তাহলে কি দুআ' করবো? তিনি (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: বলবে,
‎اللهم إنك عفو تحب العفو فاعفو عنى
উচ্চারন: "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল্ আফওয়া ফা’ফু আন্নী"। [আহমদ,৬/১৮২]
অর্থ: "হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল। ক্ষমা পছন্দ কর, তাই আমাকে ক্ষমা কর"

নামাজ আদায় শেষ করে ছোট ছোট কিছু ফজিলতপূর্ন জিকির করা যেমন:

✅সুবহানআল্লাহ ৩৩বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩বার, আল্লাহু আকবার ৩৩বার, ১বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ'দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বদীর
✅প্রত্যেকবার ফরজ নামাজ আদায় করে আয়তুল কুরসী পাঠ করা।
✅সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় (সন্ধ্যায় বলতে আসর থেকে মাগরিবের মধ্যে যে কোন সময়ে) ১০০ বার 'ছুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি'
‎(سُبْحَانَ اللّهِ وَ بِحَمْدِهِ)
পাঠ করলে কিয়ামতের দিন নিয়মিত পাঠকারীর চেয়ে বেশী সওয়াব নিয়ে আর কেও উপস্থিত হতে পারবে না। (সহিহ মুসলিম-৬৫৯৯)

যে ব্যক্তি 'ছুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' (سُبْحَانَ اللّهِ وَ بِحَمْدِهِ) প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮, সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১]

✅ কবর ও জাহান্নামের আযাব এবং জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

‎اللَّهُــمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্টতা থেকে

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি ওয়া মিন ‘আযা-বি জাহান্নামা, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামা-তি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল

বুখারী ২/১০২, নং ১৩৭৭; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৮।

✅জান্নাত প্রার্থনা করা ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া করা:

‎ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আছআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ’উযু বিকা মিনান্নার।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ৩ বার জান্নাত প্রার্থনা করে, জান্নাত আল্লাহর কাছে দুয়া করে, হে আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করো। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ৩ বার জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে, জাহান্নাম আল্লাহর কাছে দুয়া করে, হে আল্লাহ তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দাও"। (তিরমিযিঃ ২৫৭২, ইবনে মাজাহ ৪৩৪০, শায়খ আলবানি এই হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহুল জামি ৬২৭৫)

✅প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার নিচের জিকির করা

‎لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ'দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বদীর

অর্থ: একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” (সকালবেলা ১০০ বার বলবে)

যে ব্যক্তি দিনে একশত বার বলবে, সেটা তার জন্য দশটি দাসমুক্তির অনুরূপ হবে, তার জন্য একশত সাওয়াব লিখা হবে, সে দিন বিকাল পর্যন্ত সেটা তার জন্য শয়তান থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে বিবেচিত হবে; আর কেউ তার মত কিছু নিয়ে আসতে পারবে না, হ্যাঁ, সে ব্যক্তি ব্যতীত যে তার চেয়েও বেশি আমল করবে। (বুখারী, ৪/৯৫, নং ৩২৯৩; মুসলিম, ৪/২০৭১, নং ২৬৯১)

✅চারটি শব্দেই ফজর থেকে চাশত পর্যন্ত আমলের সমান সওয়াব লাভ:

‎سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ

উচ্চারণ: ছুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খালকিহি ওয়া-রিজা নাফসিহি ওয়া জিনাতা আরশিহি ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি। (সহিহ মুসলিম শরিফ: ৭০৮৮)

অর্থ: আমি আল্লাহতায়ালার প্রশংসাসমেত পবিত্রতা ঘোষণা করছি। তার সৃষ্টিকুলের সংখ্যার পরিমাণ, তিনি সন্তুষ্ট হওয়া পরিমাণ, তার আরশের ওজন সমপরিমাণ, তার কথা লিপিবদ্ধ করার কালি পরিমাণ।

#যাদের ছোট বেবী আছে বা বিভিন্ন শারিরীক সমস্যার কারনে দীর্ঘক্ষন একটানা ইবাদত করা সম্ভব হয়ে উঠে না তারা সহজ কিছু আযকার যিকির করতে পারে। আর ঘরের গৃহিনীদের ইফতার, সাহুর রেডি করা, পরিবেশন করা, ডিশ ওয়াশ, কিচেন ক্লিন এসব করতে যেয়েও বেশ কিছু সময় চলে যায়। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে জিকিরগুলো করে নিলে ইনশাআল্লাহ সেই সময়টুকুও ইবাদতে গন্য হবে। আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করে যাই রহমানুর রহীম আমাদের চেষ্টাটুকুই দেখবেন। আল্লাহু আকবার! 💝

✅ছোট ছোট আরও কিছু জিকির ফজিলত সহ দেয়া হলো

💓 প্রচুর পরিমানে আসতাগফিরুল্লাহ পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: আল্লাহ বলেন, "নিশ্চই আল্লাহ তাআলা তওবাকারীকে ভালবাসেন" [সূরা বাক্বারা, আয়াত ২২২]

💓 প্রতিদিন ১০০ বার ছুবহানআল্লাহ্ পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয়।[সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৩]

💓 বেশি বেশি 'আলহামদুলিল্লাহ' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: 'আলহামদুলিল্লাহ' মীযানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং সর্বোত্তম দোআ’। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]

💓 বেশি বেশি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' সর্বোত্তম যিকর। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]

💓বেশি বেশি 'ছুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: 'ছুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর' এই কালিমাগুলি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় এবং নবী মুহাম্মদ সাল্লালাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের চাইতেআমার নিকট অধিক প্রিয়। [সহীহ মুসলিম-৩/১৬৮৫, ৪/২০৭২]

💓প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার ছুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: যে ব্যক্তি 'ছুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮, সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১]

💓বেশি বেশি 'ছুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লিল আযীম' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: নবী মুহাম্মদ সাল্লালাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ 'ছুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লিল আযীম' এই কালীমাগুলি জিহ্বায় উচ্চারনে সহজ , মীযানের পাল্লায় ভারী ,দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয় । [সহিহ আল- বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭২]

💓প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার 'ছুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: যে ব্যক্তি 'ছুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮, সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১]

💓বেশি বেশি 'ছুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লিল আযীম' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: নবী মুহাম্মদ সাল্লালাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ 'ছুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লিল আযীম' এই কালীমাগুলি জিহ্বায় উচ্চারনে সহজ , মীযানের পাল্লায় ভারী ,দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয় । [সহিহ আল- বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭২]

💓বেশি বেশি 'ছুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়াবি হামদিহী' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: যে ব্যক্তি 'ছুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়াবি হামদিহী' পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতী) খেজুর গাছ রোপন করা হবে । [আত-তিরমিযী-৫/৫১১,আল-হাকীম-১/৫০১, সহীহ আল-জামে’-৫/৫৩১, সহীহ আত-তিরমিজী-৩/১৬০]

💓বেশি বেশি 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: নবী মুহাম্মদ সাল্লালাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। [ সহীহ আল-বুখারী -১১/২১৩, সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৬]

💓বেশি বেশি 'ছুবহানআল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' পাঠ করা।
🍀 ফজিলত: নবী মুহাম্মদ সাল্লালাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ 'ছুবহানআল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' এই কালীমাগুলি হচ্ছে “অবশিষ্ট নেকআ’মল সমুহ” । [ আহমাদ (সহীহ)-৫১৩, মাজমাউজ জাওয়াঈদ-১/২৯৭ ]

💓যতবার পারা যায় নবী মুহাম্মদ সাল্লালাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দুরুদ পাঠ করা। (কমপক্ষে সকালে ১০ বার বিকালে ১০বার)
🍀 ফজিলত: নবী মুহাম্মদ সাল্লালাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি দশ বার রহমত বরষন করবেন-

"আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিঁও ওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদ কামা সল্লাইতা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীম ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ আল্লাহুম্মা বারিক ’আলা মুহাম্মাদিঁও ওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদ কামা বারাকতা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীম ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ এবং তিনি মুহাম্মদ সাল্লালাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দুরুদ পাঠ করবে সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত পাবে ।"
[তাবারানী, মাজময়াউজ জাওয়াঈদ-১০/১২০, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব-১/২৭৩]

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Ward No-8, Dalainagor, Gohira, Rawzan. Chittagong
Chittagong
4343