আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, চট্টগ্রাম

আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, চট্টগ্রাম

Share

A religious academic institution based on the syllabus of Quran & authentic Hadeeth.

12/10/2024

আসসালামু আলাইকুম,
মাদরাসার অভিভাবক, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং শুভানুধ্যায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাদরাসার ২০২৫ সালের শিক্ষাবর্ষ আরোও উন্নত, আরোও পরিমার্জিত এবং আরোও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। তাই আপনারা আপনাদের মুল্যবান #পরামর্শ, #অভিযোগ, অনুযোগ মেসেঞ্জারে, ওয়াটসাপ বা সরাসরি কল করার মাধ্যমে মাদরাসা কমিটিকে জানানোর অনুরোধ রইল। নিচে মাদরাসা কমিটির সকলের নাম্বার দেওয়া হলো:

🟩ড. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন
সভাপতি, 📞01715-002380
🟥হাফেজ শেখ সাদী
সহ-সভাপতি, 📞+8801715-880866
🟧ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রহমান
সাধারণ সম্পাদক, 📞+1 (214) 876-4545
🟥ইঞ্জিনিয়ার আসিফুল ইসলাম
কোষাধ্যক্ষ, 📞01860602864

বি:দ্র: এটাই মাদরাসার একমাত্র পেইজ যা কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।

Photos from আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, চট্টগ্রাম's post 11/10/2024

আসসালামু আলাইকুম,
হাদীছ ফাউন্ডেশন শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক পরিচালিত আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী(মাদরাসা এবং ইয়াতীমখানা) চট্টগ্রামের বাতসরিক সিলেবাস পরিচিত।

🟧📜আজকের পর্ব: ১ম শ্রেণী

এই সিলেবাস আপনার সন্তানকে আদর্শ মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য উপযোগী।

Photos from আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, চট্টগ্রাম's post 10/10/2024

আসসালামু আলাইকুম,
হাদীছ ফাউন্ডেশন শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক পরিচালিত আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী(মাদরাসা এবং ইয়াতীমখানা) চট্টগ্রামের বাতসরিক সিলেবাস পরিচিত।

🟥আজকের পর্ব: শিশু শ্রেণী

সিলেবাস দেখে সিদ্ধান্ত নিন আপনার সন্তান আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীতে পড়লে উন্নতি করতে পারবে কিনা?

08/10/2024

🔴শিক্ষার মান

একটি বেসরকারী সংস্থার হিসাব মতে এবারে পঞ্চম শ্রেণী সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের শতকরা ৭৫ জন বাংলা লিখতে জানে না’। ইংরেজী ও গণিতের অবস্থা আরও করুণ। বলা হয়েছে, গত বছর ইন্টারমিডিয়েট থেকে উত্তীর্ণ জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ৮০ শতাংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হ’তে পারেনি। এগুলো সেই সময়কার টাটকা হিসাব যখন অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ-৫ পাওয়ায় আমাদের শিক্ষামন্ত্রী (২০১৪) মহা উল্লসিত। কিন্তু ভুক্তভোগীদের নিকট এগুলি দুঃসংবাদ মাত্র। কারণগুলির কিছু কিছু নিম্নে তুলে ধরা হ’ল।-

(১) বোর্ড কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশে পরীক্ষকদের অধিক নম্বর দিতে চাপ দেওয়া। (২) অল্প সময়ের মধ্যে অধিক খাতা মূল্যায়নে বাধ্য হওয়া।
(৩) দলীয় বিবেচনায় অযোগ্য শিক্ষকদের পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া।
(৪) হাতের লেখার সৌন্দর্য ও বানান ভুলের জন্য নম্বর কর্তনের বিধান না থাকা। (৫) ছাত্র-ছাত্রীদের ল্যাপটপ ও কম্পিউটারের প্রতি অধিক জোর দেওয়া।
(৬) মোবাইলের মাধ্যমে এবং এক শ্রেণীর অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা ও নকল সরবরাহ করা। এমনকি বই দেখে লেখা।
(৭) ব্যাকরণ শিক্ষা ও ভাষাগত ভিত মযবুত করার চাইতে কথিত সৃজনশীল পদ্ধতি ও এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতির প্রতি অধিক তাকীদ দেওয়া।
(৮) ক্লাসে ও প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা বিকাশের বাড়তি কোন সুযোগ না থাকা। (৯) বিশাল সিলেবাসের বোঝা চাপানো, ঘন ঘন পরীক্ষা নেওয়া, বিষয়ভিত্তিক কোচিং করানো ইত্যাদির মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাভাবিক মেধা বিকাশে বাধা সৃষ্টি করা এবং তাদেরকে ‘শিক্ষার্থী’ হওয়ার বদলে ‘পরীক্ষার্থী’ হিসাবে গণ্য করা। (১০) শিক্ষকদের মধ্যে মানুষ গড়ার কারিগর হবার বদলে স্রেফ চাকুরী ও অর্থোপার্জনের মানসিকতা সৃষ্টি হওয়া।
(১০) ঘুষ, ডোনেশন ও দলীয় বিবেচনায় ডিগ্রীসর্বস্ব অযোগ্য শিক্ষক নিযুক্ত হওয়া। (১১) শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে শ্রদ্ধা ও স্নেহের সম্পর্কের বদলে ‘বন্ধু’ ও ‘ভাই’ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতি অতি উৎসাহ প্রদর্শন করা ইত্যাদি।

🔰ডাক্তারী শিক্ষা : পত্রিকান্তরে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে অন্যান্যদের চাইতে ডাক্তার ও প্রকৌশলীদের মধ্যে বেকারের সংখ্যা বেশী। যা ভাবতেও অবাক লাগে। অথচ এরাই সমাজের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অংশ এবং সর্বোচ্চ মেধাসম্পন্ন পেশাজীবী। কিন্তু এজন্য দায়ী কে?

(১) সবচেয়ে বড় দায়ী হ’ল সরকার। কেননা বিসিএস (BCS) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রত্যেক পেশার জন্য পৃথক না করে কলেজ-মাদ্রাসা-মেডিকেল ছাত্র সবার জন্য একই ধরনের প্রশ্নপত্র তৈরী করা। স্বাভাবিকভাবেই এতে অংশগ্রহণে তারা অনীহা বোধ করে এবং অংশ নিলেও ফেল করে।

(২) চাকুরী ক্ষেত্রে উৎকট দলীয়করণ, অন্যায় পোস্টিং ও ট্রান্সফারের খড়গ, প্রয়োজনীয় সুবিধাদি থেকে বঞ্চিতকরণ এবং সর্বোপরি অন্যদের সমান গণ্য করে তাদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত হওয়ায় তাদেরকে সর্বদা হীনমন্যতায় ভুগতে হয়।

(৩) উচ্চতর ডিগ্রী ব্যতীত এমবিবিএস (MBBS) ডাক্তারদের মূল্যায়ন না করা, উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনে সিনিয়র প্রফেসরদের অঘোষিত বাধা সৃষ্টি ও ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়া।

(৪) এক বিষয়ে ফেল করলে পুনরায় নতুনভাবে সকল বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া এবং দলাদলির অভিশাপ ছাড়াও নানারূপ বাধা তাদেরকে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনে নিরুৎসাহিত করে।

(৫) মহিলা শিক্ষার্থীদের বোরকা খোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করা, এমনকি এজন্য তাদেরকে ফেল করিয়ে দেওয়ার মত অমানবিক ঘটনা ঘটানো (৬) শিক্ষার্থীদের প্রতি সিনিয়র প্রফেসরদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ও নোংরা ব্যবহার

(৭) মেডিকেলের অধিকাংশ উচ্চতর প্রশিক্ষণ ঢাকা কেন্দ্রিক হওয়ায় মফস্বল শিক্ষার্থীদের উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করা অসম্ভব হয়ে পড়া

(৮) বিদেশে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের উচ্চ বেতন ও মর্যাদা তাদেরকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও দেশত্যাগে বাধ্য করে। ফলে জাতি তাদের মূল্যবান সেবা থেকে বঞ্চিত হয়।

(৯) নিম্নমানের ভেজাল ঔষধ কোম্পানীগুলি বিভিন্ন গিফ্ট দিয়ে ডাক্তারদের অধিক দামের বাজে কিংবা অপ্রয়োজনীয় ঔষধ লিখতে প্রলুব্ধ করা।

(১০) সরকারী দলের ক্যাডারদের চাপে বা উচ্চতর তদবীরে ডাক্তারদের অনেক ক্ষেত্রে অন্যায় রিপোর্ট লিখতে এমনকি তাদেরকে পেশা বহির্ভূত কাজে বাধ্য করা। না করলে ট্রান্সফার-ওএসডি, পদাবনতি ইত্যাকার হুমকি। যা সৎ ও মেধাবী ডাক্তারদের সর্বদা সরকারী চাকুরীতে নিরুৎসাহিত করে।

(১১) ট্রান্সফার ও পদোন্নতির জন্য এমনকি পরীক্ষায় পাস করার জন্য সরকার দলীয় ছাত্রনেতা বা শিক্ষক নেতাদের কাছে তদবীর করা। যা অত্যন্ত অমর্যাদাকর হওয়া সত্ত্বেও বাস্তবতা তাদেরকে অনেক সময় বাধ্য করে। যা তাদেরকে অত্র পেশায় নিরুৎসাহিত করে।

(১২) পাবলিক মেডিকেলে সুযোগ না পেয়ে বহু টাকার বিনিময়ে বেসরকারী মেডিকেল থেকে ডিগ্রী অর্জনকারীদের মর্যাদা সমান গণ্য করায় মেধাবীরা এ পেশা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। ফলে ডাক্তারীর মত সেবামূলক ও জনগুরুত্বপূর্ণ পেশায় ক্রমেই মানহীনদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

(১৩) বহু বছরের অভিজ্ঞ ডাক্তারদের উচ্চতর ডিগ্রী না থাকায় তাদেরকে আজীবন জুনিয়র করে রাখা অত্যন্ত অমানবিক বিষয়। অথচ সেটাই হচ্ছে। তাদেরকে সংক্ষিপ্ত কোর্স করে উচ্চতর ডিগ্রী দিয়ে তাদের অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করা উচিত ছিল। অনেক ক্ষেত্রে তারা তাদের ছাত্রদের অধীনস্ত হয়ে হীনকর অবস্থায় চাকুরী করছেন। (১৪) হাসপাতালগুলিতে মহিলা রোগীদের জন্য মহিলা ডাক্তারদের অগ্রাধিকার না দিয়ে নারী-পুরুষ সমান গণ্য করায় মেধাবী ভদ্র ও পর্দানশীন মহিলা ডাক্তারগণ এই পেশার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। অথচ বাস্তবে কোন মহিলা রোগীই কোন পুরুষ ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে চান না।
মাদ্রাসা শিক্ষা : এবারে আসা যাক মাদ্রাসা শিক্ষার বিষয়ে। এটা সবাই জানেন যে, ধর্মনিরপেক্ষ কোন সরকারই ইসলামী শিক্ষার প্রতি আন্তরিক নয়। তারা যা সামান্য কিছু করেন, কেবল ভোটের স্বার্থে করেন। বৃটিশ সরকার যেভাবে ওল্ডস্কীম-নিউস্কীম ও আলিয়া নেছাব সৃষ্টি করে ইসলামী শিক্ষার গলা টিপে ধরেছিল, স্বাধীন দেশের মুসলিম সরকারগুলি তার চেয়ে নিকৃষ্টভাবে এটা করে যাচ্ছে। কোন কোন মন্ত্রী মাদ্রাসাগুলিকে ‘জঙ্গী প্রজনন কেন্দ্র’ বলছেন নির্লজ্জভাবে। আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষকদের জাতীয় সংগঠন ‘জমিয়াতুল মুদার্রেছীন’ বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী (২০০৯-২০১৯) ও প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কারণ সরকার তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করেছেন এবং তাদের দাবী মতে ‘ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১৩’ পাস করেছেন।
প্রথমতঃ এর মাধ্যমে সরকার তাদের মুখ বন্ধ করেছে। দ্বিতীয়তঃ ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় যে কেমন ‘সোনার পাথরবাটি’ তা আজও কেউ জানতে না পারলেও ফাযেল-কামিল ডিগ্রীগুলি অনার্স ও মাস্টার্সের মান পাবে বলা হয়েছে। তাদের জন্য মুফতী, ফক্বীহ, মুহাদ্দিছ, প্রধান মুহাদ্দিছ-এর মত অতি উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন পদ সমূহ সৃষ্টি করা হয়েছে। যা ঐসব লকবের সাথে নিতান্তই বেমানান। কাউকে ধ্বংস করতে গেলে তাকে প্রথমে মাথায় তুলে পরে ছুঁড়ে ফেলতে হয়। আলিয়ার শিক্ষকদের সাথে সেটাই করা হচ্ছে। তাছাড়া শিক্ষক সংখ্যা প্রয়োজন অনুপাতে বৃদ্ধি করা হয়নি। সিলেবাসে ২০০ নম্বরের ইংরেজী ও অন্যান্য বস্ত্তগত বিষয় চাপিয়ে দিয়ে একে অত্যন্ত কঠিন করা হয়েছে। ফলে অধিকাংশ ছাত্র ফেল করবে এবং একসময় ছাত্র না পেয়ে মাদ্রাসাগুলি আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে।
অতঃপর সরকার এখন কওমী শিক্ষকদের পিছনে লেগেছে। ইতিমধ্যে তাদেরকে দু’ভাগ করা হয়ে গেছে। বাকীটা সত্বর হবে। অবশেষে এরাও টোপ গিলবেন। অতঃপর এদের হাত দিয়েই ইসলামী শিক্ষা ধ্বংসের বাকী কাজটি সারা হবে। ইতিমধ্যেই ফলাফল দাঁড়িয়েছে এই যে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মত মাদ্রাসা শিক্ষিতরাও অনেকটা কেবল ডিগ্রীসর্বস্ব ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। মেধা, যোগ্যতা ও উন্নত চরিত্রের ছোঁয়া সেখানে নেই বললেও চলে। এমনকি বাহ্যিক দাড়ি-টুপী-ঢিলা পোষাক ও চাল-চলনের পার্থক্যটুকুও প্রায় ঘুঁচে যেতে বসেছে। সামাজিক মর্যাদাও নিম্নতম পর্যায়ে চলে গেছে।
দূরীকরণের উপায় :
এ বিষয়ে ইতিপূর্বে আমরা সরকারের নিকট কতগুলি পরামর্শ পেশ করেছি। তার মধ্যে প্রথম ও প্রধান বিষয়টি পুনরায় পেশ করছি। আর তা হ’ল-
(১) শিক্ষাকে জাতীয়করণ করতে হবে এবং সরকারকে কেবল সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে।
(২) বেসরকারী উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে হবে।
(৩) ডিগ্রীকে সাধারণ মান রেখে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বেতন-ভাতার উচ্চতর মান নির্ধারণ করতে হবে।
(৪) তাদের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো নির্ধারণ করতে হবে (৫) শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিচার বিভাগে যাবতীয় রাজনৈতিক দলাদলি নিষিদ্ধ করতে হবে। সাথে সাথে এসবের প্রশাসনিক কাঠামোকে সরকারী ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হ’তে মুক্ত রাখতে হবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হৌন- আমীন

13/07/2024
10/06/2024

ঈদুল আযহার বন্ধ সংক্রান্ত জরুরী বিজ্ঞপ্তি।

Photos from আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, চট্টগ্রাম's post 03/06/2024

আলহামদুলিল্লাহ আজকে থেকে বালক-বালিকা শাখায় অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

21/05/2024

আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।

অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার রূটিন

19/05/2024

🔳🟥মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা পরিচালনা পর্ষদ 🟧

🟣ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন
সভাপতি
⚫হাফেজ মুহাম্মাদ শেখ সাদী
সহ-সভাপতি, 📞+8801715880866
🟤ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রহমান
সাধারণ সম্পাদক
🔴ইঞ্জিনিয়ার আসিফুল ইসলাম
কোষাধ্যক্ষ, ☎️ 01860602864
🟢আরজু হোসাইন সাব্বির
সচিব, 📞 +8801325-240700

✴️উক্ত মারকাযে ইয়াতীমদের সম্পূর্ণ ফ্রী এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের বিশেষ ছাড়ে পাঠদান করা হয়। ইয়াতীম এবং দুস্থদের আর্থিক সহায়তা দানের উপর নির্ভরশীল। তাই আপনারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যত বেশী দান করবেন ততবেশী আমরা আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের পড়ার সুযোগ করে দিতে পারব। তাই দানশীল ভাইবোনদের বিশেষ আবেদন আপনার দানের হাত প্রসারিত করে কুরআন এবং ছহীহ হাদীছের দাওয়াত সর্বত্র পৌছাতে সহায়তা করুন এরই সাথে আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ আমাদের প্রদান করুন যাতে আমরা মারকাযের উন্নতি সাধন করতে পারি।

Photos from আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, চট্টগ্রাম's post 09/05/2024

আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।

সম্মানিত অভিভাবক -অভিভাবিকাদের অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আমাদের হিফয বিভাগের ছোট্ট সোনামণি আবদুল্লাহ রফিক ১০ বছর বয়সে ১ বছর ১০ মাসে অত্র মাদরাসা থেকে আজ ০৯/০৫/২০২৪ ইং বৃহস্পতিবারে তার হিফয শেষ করেছে ফালিল্লাহিল হামদ ।সবাই আমাদের সোণামণি আবদুল্লাহ রফিক এর জন্য দোয়া করবেন সে যেন বড় আলেম ও মুখলেছ দ্বা'য়ী হতে পারে ।

আরজু হোসাইন ছাব্বীর
মুহতামিম
আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, চট্টগ্রাম

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Steel Mil Bazar, Rohom Ali Sowdagor, Gali Hosen Ahmed Para, Chattogram
Chittagong
4204