18/05/2026
একটা বই লেখার পেছনে অনেক ত্যাগ এবং ধৈর্য রাখতে হয়, সেটা একমাত্র লেখকরাই জানেন।
আমার লেখা ঔপনিবেশিক আফ্রিকার ইতিহাস বইয়ের পেছনেও অনেক না জানা তথ্য বা কেন বইটি লিখলাম, কাকে উৎসর্গ করা বা এর বিষয়সূচি কী ইত্যাদি তুলে ধরলাম।
আশা করি বইটি কিনে পাঠক হতাশ হবেন না।
ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম।
03/05/2026
আমার নতুন বই
ঔপনিবেশিক আফ্রিকার ইতিহাস
পনেরো শতকের ভৌগোলিক আবিষ্কারের ফলে ইউরোপীয় দেশগুলো এশিয়া ও আফ্রিকায় উপনিবেশ বিস্তার শুরু করে। প্রাথমিক পর্যায়ে এসব অভিযান ছিল দেশ আবিষ্কার বা শ্বেতাঙ্গদের প্রকৃতিনির্ভর অনুসন্ধানমূলক উদ্যোগ; তবে এর পেছনে মূলত কাজ করেছিল ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, ধর্ম প্রচার এবং ধন-সম্পদ আহরণের আকাঙ্ক্ষা। ফলে পরবর্তীতে এই প্রক্রিয়া রূপ নেয় সম্পদ লুণ্ঠন, রাজ্য জয়, জোরপূর্বক বসতি স্থাপন এবং নিষ্ঠুর দাস ব্যবসায়। এর চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে আফ্রিকা দখলের প্রতিযোগিতায়, যা ইতিহাসে ‘স্ক্র্যাম্বল ফর আফ্রিকা’ নামে পরিচিত।
উনিশ শতকের শেষদিকে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে প্রায় সমগ্র আফ্রিকা ইউরোপীয় শক্তিগুলোর অধিকারে চলে যায়। প্রথম মহাযুদ্ধের পূর্বে কেবল ইথিওপিয়া ও লাইবেরিয়া ব্যতীত আফ্রিকার প্রায় সব অঞ্চলই ইউরোপীয় দেশগুলোর করায়ত্তে ছিল। আফ্রিকায় সাম্রাজ্যবাদের বিস্তার এবং তার অনিবার্য পরিণতিস্বরূপ বিদ্রোহ ও সশস্ত্র প্রতিরোধ দক্ষিণ, পূর্ব, উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতীয়তাবাদী, স্বদেশী, বৈপ্লবিক এবং সাংবিধানিক ধারার স্বাধীনতা সংগ্রাম দ্রুত বিকশিত হয়। এর ফলে আফ্রিকার দেশগুলো ক্রমান্বয়ে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। আফ্রিকায় ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠার এই বহুমাত্রিক ইতিহাসের গভীরে গিয়ে ঔপনিবেশিক আফ্রিকার ইতিহাস গ্রন্থটিতে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
কৃতজ্ঞতা Harunor Roshid
প্রকাশক: নভেল পাবলিশিং হাউস,
২/৩, প্যারিদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা।
16/04/2026
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত (১৬/০৪/২০২৬)সেমিনার-১ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও পিএইচডি গবেষক মোহাম্মদ জমালুল আকবর চৌধুরী স্যার।
প্রবন্ধের শিরোনাম- "ঔপনিবেশিক শাসনামলে বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার জনস্বাস্থ্য (১৮৪৮-১৯৪৭): একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের বরিষ্ঠ অধ্যাপক ও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য এবং পিএইচ.ডি সুপারভাইজার প্রফেসর ড. আনোয়ারুল ইসলাম স্যার, সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইতিহাস বিভাগের সম্মানিত সভাপতি প্রফেসর ড. শামীমা হায়দার ম্যাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক স্যার ,প্রফেসর ড. মো. নুরুল ইসলাম স্যার, প্রফেসর ড. আনন্দ বিকাশ চাকমা স্যার, সহযোগী অধ্যাপক নাজিফা রশিদ ম্যাম, সহযোগী অধ্যাপক ফারহানা আজিজ ম্যাম, প্রভাষক জনাব শরীফুল ইসলাম সজীব স্যারসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা।
সঞ্চালনায় ছিলেন সেমিনার সিম্পোজিয়াম কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. সালমা বিনতে শফিক ম্যাম।
23/01/2026
বাংলা প্রদেশের তৎকালীন মুসলিম জনসংখ্যার শতকরা হিসাব।
সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার হার বগুড়া ও নোয়াখালী।
22/01/2026
সেই করিডর।
কত আবেগ, কত স্মৃতি।
28/12/2025
২৮.১২.২০২৫
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস. রহমান হলে গতকাল ড. সুনীতি ভূষণ কানুনগো স্মৃতি পরিষদ, চট্টগ্রাম কর্তৃক আয়োজিত কানুনগো স্যারের স্মরণসভায়---
https://sarabangla.net/literature/post-1102110/
22/11/2025
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রথিতযশা অধ্যাপক ড. সুনীতিভূষণ কানুনগো স্যারের স্মরণে আলোচনা অনুষ্ঠান।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব
২২ নভেম্বর ২০২৫
[ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম বক্তৃতার কিছু অংশ ]