Fahim's English Care

Fahim's English Care

Share

A Center of Excellence for Quality learning. Learn English, Lead the World. Happy learning ✌️

01/11/2025

খাতা মূল্যায়নে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা বোর্ড, ‘মানবিক নম্বর’
বোর্ড পরীক্ষার ফলাফল ভালো করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতির বিষয়ে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। ফল খারাপ হলে আনা হবে জবাবদিহিতার আওতায়। তবে খাতা মূল্যায়নে কঠোর অবস্থানেই থাকবে শিক্ষা বোর্ড। মানবিক নম্বর আর থাকবে না।

গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল। এবার পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গতবছরের থেকে পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। মানবিক নম্বর দেওয়া বন্ধ হওয়ায় এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রকৃত ফলাফল উঠে আসছে বলে দাবি করছে শিক্ষা বোর্ড। বোর্ড বলছে, এখন থেকে এই পদ্ধতিতেই খাতা দেখা হবে। এই অবস্থা থেকে কীভাবে ফল ভালো করা যায় সেটি নিয়েও কাজ শুরু করেছে বোর্ড।

এরই মধ্যে বোর্ড থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতির বিষয়েও কঠোর নিয়ম হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষকেরা নিয়মিত ক্লাস নেন না। সেই সঙ্গে ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ের দক্ষ শিক্ষকদের ঘাটতি কারণেও ফল হচ্ছে খারাপ।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, ‘বেশিকিছু জায়গায় স্কুল ও কলেজ, সেখানে স্কুলের শিক্ষক দিয়েই কলেজ চলছে। কলেজের জন্য আলাদা কোনো শিক্ষক নিয়োগ দেয়নি। শর্তসাপেক্ষে আমাদের কথা দিয়ে তারা কলেজ শাখা খোলার অনুমতি নিয়ে গেছে কিন্তু এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি।’

যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফল খারাপ হয়েছে তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা হবে। একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি সেসব প্রতিষ্ঠানকেও কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হচ্ছে।

খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, ‘গুচ্ছ গুচ্ছ আকারে আমরা কয়েকটি কলেজকে ডাকব। এখানেও তাঁদের সঙ্গে আমরা আলাপ করব এবং আমরাও তাঁদের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে আসব।’

পাস ফেল নয়, শিক্ষার মান বাড়াতে জোর দিচ্ছেন শিক্ষা গবেষকরা। শিক্ষার্থীরা যেন মোবাইল ফোনে আসক্ত না হয় সেদিকেও নজর দিতে হবে অভিভাবকদের। শিক্ষার মান নিশ্চিতে শুধু উদ্যোগই নয়, বাস্তবায়নে নিতে হবে ধাপে ধাপে পদক্ষেপ।

(সংগৃহীত)

10/07/2025

Congratulations✌️

Akshay Sutradhar.
Nasirabad Govt. High School.

He got 193 marks in English as well as total marks 1255.

Photos from Fahim's English Care's post 19/02/2025

এইচ এস সি ২০২৫ পরীক্ষার রুটিন প্রকাশিত হয়েছে।👇
💥পরীক্ষা শুরু ২৬ জুন থেকে।

07/09/2024

দ্য আলকেমিস্ট বই থেকে ১০টি শিক্ষা

বই থেকে শেখা

বিশ্বের বেশি জনপ্রিয় বইগুলোর অন্যতম হলো ব্রাজিলিয়ান লেখক পাওলো কোয়েলহোর লেখা দ্য আলকেমিস্ট। বইটি ১৯৮৮ সালে পর্তুগিজ ভাষায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এখন পর্যন্ত ৮৩টির বেশি ভাষায় বইটি অনুবাদ হয়েছে। এটি একটি উপন্যাস হলেও এর মধ্যে রয়েছে জীবনদর্শন ও শিক্ষা। বইটি পড়ে শিক্ষাগুলো লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।

নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ করা:

জীবনে বড় হতে হলে বড় স্বপ্ন থাকতে হয়। দ্য আলকেমিস্ট বইটিও স্বপ্নকে অনুসরণ করার কথা বলেছে। বইটির মূল চরিত্র সান্তিয়াগো নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ করে চলেছে। পথে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এসেছে, কিন্তু সাহস নিয়ে নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে গেছে। নিজের স্বাচ্ছন্দ্য থেকে বেরিয়ে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। ফলে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে সান্তিয়োগো প্রকৃতপক্ষে সুখী হয়েছে।

হৃদয়ের কথা শোনা:

বইয়ের গল্পটি আমাদের হৃদয়ের কথা শুনতে শিখিয়েছে। চলার পথে মানুষ তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে পরামর্শ দেবে এবং অভিজ্ঞদের কাছ থেকে সে পরামর্শ নেওয়াটা দোষের নয় কিন্তু সব সময় শুনতে হবে নিজের হৃদয়ের বা মনের কথা। কারণ, আমার হৃদয় জানে, আসলে কী চাই, যা অন্য কেউ জানে না। নিজের হৃদয়ের পথে হাঁটতে গেলে অনেক সময় সমালোচনার শিকার হতে হবে। নিজের গন্তব্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে সেসব সমালোচনা কোনো বাধাই মনে হবে না।

আধ্যাত্মিকতা বাস্তব জীবনেরই অংশ:

বইটি আমাদের আধ্যাত্মিকতা যে বাস্তব জীবনেরই অংশ, সে বিষয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে। এ জন্য সারা পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষ সৃষ্টিকর্তা ও ধর্মকে বিশ্বাস করে। পৃথিবীতে বড় বড় আবিষ্কার হতো না, যদি সবাই খুব প্র্যাকটিক্যাল চিন্তা করত বা পৃথিবীটা যেমন আছে, তেমনভাবেই মেনে নিত। অসাধারণ উদ্ভাবন ও অর্জন তখনই সম্ভব, যখন আপনি অসম্ভবকে উপেক্ষা করতে শিখবেন।

ব্যর্থতার ভয়কে জয় করা:

সান্তিয়াগোর গল্পের মাধ্যমে বোঝা যায়, ভয় হলো জীবনের লক্ষ্য অর্জনের সবচেয়ে বড় বাধা। ব্যর্থতা এবং অজানা ভয় পেয়ে সফলতার পথে আমরা এগোতে পারি না। জীবনে সফল হতে হলে অজানা ভয়কে সবচেয়ে আগে বিদায় করতে হবে। স্বপ্ন পূরণ করতে গেলে চ্যালেঞ্জ, বাধা, সমস্যা আসবেই। সেটাকে ভয় না পেয়ে সফলতার একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে হবে। ব্যর্থতার ভয়কে জয় করতে হবে।

অধ্যবসায়ী হওয়া:

অধ্যবসায়ী ও ধৈর্য ধরে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে গেলে যে সফল হওয়া যায়, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে বইটি। সান্তিয়াগো অসংখ্য বাধার সম্মুখীন হন, কিন্তু তার অটল অধ্যবসায় শেষ পর্যন্ত তাকে তার ধনভান্ডারে নিয়ে যায়। জীবনে চলার পথে বাধা আসবে, পড়ে যেতে হবে, কিন্তু অধ্যবসায়ের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। অধ্যবসায়ের বিকল্প নেই।

ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া:

সান্তিয়াগো তার যাত্রার সময় ভুল করেছে। তবে প্রতিটি ভুলকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখেছে। বইটি আমাদের ভুলগুলো থেকে শেখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। স্বপ্নপূরণের পথে ভুল হওয়া মানে এটা প্রকাশ করে না যেআমি স্বপ্ন পূরণ করতে পারব না, বরং এটি একটি নতুন শিক্ষা, যা স্বপ্নপূরণের পথে বাড়তি অর্জন। বারবার ভুল করলেও ঘুরেদাঁড়াতে হবে।

সত্যকে মেনে নেওয়া:

সত্য যত খারাপ আর কঠিন হোক, তাকে মেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সেই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে, যদি কোনো কিছু সত্যি হয়, তবে তা কখনোই অমলিন হবে না, হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে না। বইয়ের একটি অংশে লেখক তাই বলেছেন, ‘কেউ যদি বিশুদ্ধ পদার্থ খুঁজে পায়, তবে তা কখনোই নষ্ট হবে না। আর সবাই ফিরে আসতে পারে। আপনি যা খুঁজে পেয়েছিলেন, তা যদি কেবল একটি আলোর মুহূর্ত বা একটি নক্ষত্রের বিস্ফোরণের মতো হতো, তাহলে আপনি ফিরে এসে কিছুই খুঁজে পেতেন না।’

স্বপ্নপূরণে সহায়ক ‘ভালোবাসা’:

পৃথিবীর সব মানুষই জীবনে ভালোবাসা পেতে চায়। আর এই ভালোবাসাও জীবনে বড় লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হতে পারে। তা কিন্তু সান্তিয়োগো ও ফাতিমার মধ্যে ভালোবাসার প্রদর্শন দেখে বোঝা যায়। যদি সঠিক মানুষকে ভালোবাসা যায় এবং ভালোবাসার মানুষটি যদি স্বপ্নপূরণে উৎসাহ দেয়, তাহলে অনেক বড় স্বপ্নকেও স্পর্শ করা যায়।

আজকের জন্য বাঁচা:

আজকের জন্য না বেঁচে আমরা ভবিষ্যতের জন্য দুশ্চিন্তায় মশগুল হয়ে যাই। জীবনে সুখী ও সফল হতে হলে দুশ্চিন্তা বাদ দিয়ে আজকের জন্য কাজ করতে হবে। কেননা জীবনে কোনো কিছুই স্থায়ী নয়। বইয়ে লেখক বলেছেন, ‘জীবন হলো জন্ম ও মৃত্যুর মধ্যবর্তী একটা ভ্রমণ। যেখানে প্রকৃতি বা পরিবেশ পরিবর্তন হবে, মানুষ পরিবর্তন হবে, আমাদের চাওয়া-পাওয়া পরিবর্তন হবে, কিন্তু ট্রেন চলবে। জীবন হলো একটা ট্রেন; কোনো স্টেশন নয়।’
-দৈনিক আজকের পত্রিকা
©এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
লেখক: ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি,
মুজাহিদ'স ভাইভা সাজেশন,
ব্যাংকার'স ভাইভা বোর্ড।

01/07/2024

২০২৪ ষাণ্মাসিক মূল্যায়ন নির্দেশিকা & সম্ভাব্য প্রশ্নঃ

(১) পরীক্ষা হবে সর্বোচ্চ পাঁচ ঘন্টা (এসএসসির মতো)

(২) শিক্ষার্থীদের কে দুইটা জিনিস দেওয়া হবে | মূল্যায়ন নির্দেশনা এবং উত্তরপত্র | শিক্ষার্থীরা মূল্যায়ন নির্দেশনা পড়বে |

(৩) কী কী করতে হবে শিক্ষক বুঝিয়ে দিবেন |

(৪) একক কাজ, জোড়ায় কাজ, দলগত কাজের পাশাপাশি এবার লিখিত অংশ থাকবে |

(৫) সময় ফ্লেক্সিবল মানে কমবেশ লাগতে পারে | শিক্ষকের ইচ্ছায় মাঝখানে বিরতিও থাকতে পারে |

(৬) মূল্যায়ন চলাকালীন শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কাজে অংশ নিচ্ছে কিনা শিক্ষক নির্দিষ্ট ছকে তাদের কাজের রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন |

(৭) সর্বোচ্চ ২০ জন ছাত্রের জন্য একজন শিক্ষক থাকবে | শিক্ষার্থী ২০ জনের বেশি হলে ২০ জনের জন্য বিষয় শিক্ষক আর বাকি প্রতি ২০ জনের জন্য অন্য প্রত্যবেক্ষক শিক্ষক থাকতে হবে |

(৮) পরীক্ষা শেষে ২০ জনের লিখিত অংশের খাতা, পর্যবেক্ষণ রেকর্ড & অন্যান্য প্রমাণাদি যদি থাকে (পোস্টার,মডেল ইত্যাদি) শিক্ষক বাণ্ডিল করে নিয়ে যাবেন |

(৯) শিক্ষক প্রথমে লিখিত অংশের মূল্যায়ন করবেন & মূল্যায়নের ফলাফল রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন |

(১০) তারপর নৈপুণ্য এপে সব PI ইনপুট দিলে মূল্যায়ন কার্যক্রম শেষ হবে | তবে এই রেকর্ড ম্যানুয়ালিও সংরক্ষণ করতে হবে যাতে এপ্সে কোন সমস্যা হলে ম্যানুয়ালিও ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি করা যায় |

শিক্ষার্থীরা মূল্যায়নের দিন কী কী নিবে?

বাংলাঃ সকল শ্রেণীর সবাই পাঠ্যবই নিয়ে যাবে |

গণিতঃ সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণী পাঠ্য বই নিয়ে যাবে | অন্যরা পুরাতন ক্যালেন্ডার ও আঠা নিয়ে যাবে |

বিজ্ঞানঃ সকল শ্রেণি বিজ্ঞান বই নিয়ে যাবে (দুইটাই)

ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞানঃ ষষ্ঠ,অষ্টম & নবম পাঠ্যবই নিয়ে যাবে |

ডিজিটাল প্রযুক্তিঃ শুধু সপ্তম শ্রেণী পাঠ্য বই নিবে | ষষ্ঠ শ্রেণি নিবে কাগজ আর পুরাতন ক্যালেন্ডার | ৮ম & ৯ম সরাসরি কম্পিউটারে পরীক্ষা নেয়া হবে (সম্ভব হলে)

স্বাস্থ্য সুরক্ষাঃ শুধু সপ্তম শ্রেণি বই নেবে (ওজন ও উচ্চতা মাপতে হবে)

ইসলাম ধর্মঃ শুধু সপ্তম শ্রেণী বই নিবে | অষ্টম এবং নবম পুরাতন ক্যালেন্ডার নিবে | অন্যান্য ধর্ম বিগত কয়েকদিনের খবর কাগজ নিবে |

গণিত বিষয়ের সম্ভাব্য কাজগুলো-

ক্লাস সিক্সঃ
১. এসো গ্রিডে পরিমাপ করি |
২. আমাদের প্রশ্ন আমাদের উত্তর |
৩. নিজের পরিবার সম্পর্কে জানি |

ক্লাস সেভেনঃ
১. সংখ্যার পাসওয়ার্ডের পাজল
২. আমাদের প্রশ্ন আমাদের উত্তর
৩. মডেল তৈরি করি (সূত্র দিয়ে)

ক্লাস এইটঃ
১. প্যাটার্ন ক্রম
২. সংখ্যা ও রাশির খেলা
৩. মুনাফার তুলনা
৪. কৃষকের সোনার পুতুল
৫. রাস্তা বানাই

নবম শ্রেণীঃ
১. সূচকীয় ধারা
২. জোড়ায় অবচয় চিনি
৩. ভেনচিত্রের মেশিন
৪. অনুক্রম ও মুনাফার খেলা

© মাহবুব অর রশিদ

Photos from Fahim's English Care's post 02/04/2024

🎯 HSC 2024 রুটিন প্রকাশ।
✍️ পরীক্ষা শুরুঃ ৩০ জুন, ২০২৪
প্রিয় HSC -24 শিক্ষার্থীরা ❤️

সময় অপচয় না করে, প্রত্যেকটা মুহুর্ত কাজে লাগাও, যেনো একটা ভালো প্রিপারেশন নিয়ে পরীক্ষায় বসতে পারো।❣️

বেস্ট অফ লাক ❣️

18/02/2024

❝২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসের আলোকে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ সালে যে সিলেবাসে পরীক্ষা হয়েছে সেই সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।❞
-অধ্যাপক তপন কুমার সরকার
সভাপতি,আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড
চেয়ারম্যান,ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড

সোর্স: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস

Photos from Fahim's English Care's post 15/02/2024

বাংলা ১ম পত্র।
𝗕𝗼𝗮𝗿𝗱 𝗤𝘂𝗲𝘀𝘁𝗶𝗼𝗻 𝗦𝗼𝗹𝘃𝗲 - 𝗖𝗛𝗜𝗧𝗧𝗔𝗚𝗢𝗡𝗚 𝗕𝗢𝗔𝗥𝗗

সবাইকে মেনশন করে উত্তরগুলো মিলিয়ে নাও ।

Photos from Fahim's English Care's post 13/02/2024

এস এস সি ২০২৪ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

তোমারদের জন্য অনেক দোয়া ও শুভকামনা ❤️

প্রিয় এসএসসি -২৪ ❤️😍

21/01/2024

হ্যামিংওয়ের লেখা পৃথিবীর
সবচেয়ে ছোট গল্প, মাত্র ছয় শব্দের!

চে গুয়েভরা ও ফিদেল কাস্ত্রোর অনুরোধে।

ছোট গল্পের ইতিহাসে সবচেয়ে ছোট গল্পগুলোর মধ্যে বিখ্যাত একটি হলো আর্নেস্ট হ্যামিংওয়ের গল্পটি। মাত্র ছয় শব্দের গল্প। গল্পটা প্রায় সকলেরই জানা। হ্যামিংওয়ে গল্পটা লিখেছিলেন বাজি ধরে। এখন মনে প্রশ্ন জাগছে নিশ্চয়ই! কার সঙ্গে বাজি ধরেছিলেন হ্যামিং?

প্রচলিত আছে বাজি ধরেছিলেন অপর দুই মহারথীর সঙ্গে।

এক গ্রীষ্মে বোটে করে মাছ ধরতে গিয়েছেন তিনজন। হ্যামিংওয়ে, ফিদেল কাস্ত্রো আর চে গুয়েভরা। অনেকক্ষণ বড়শি নিয়ে বসে থেকেও কোনো মাছের দেখা না পেয়ে বিরক্ত হয়ে উঠছেন সবাই। বিরক্তি কাটাতে চে গুয়েভরা বললেন- আরে ধূর! মাছে খায় না তো কী হয়েছে? আমরা তো খেতে পারি।

বলতে বলতে তিনি স্ন্যাক্সের প্যাকেট খুলে খাওয়া শুরু করলেন। হ্যামিংওয়ে আর ক্যাস্ত্রোই বা আর বসে থাকবেন কেন। খাওয়া শুরু করলেন তারাও। খেতে খেতে ফিদেল কাস্ত্রো হ্যামিংওয়েকে বললেন- তা কী এমন গল্প লেখো? এখন একটা গল্প লিখে দেখাও তো।

হ্যামিংওয়ে বললেন- এখন? এই মাঝ নদীতে গল্প লিখব কী করে? নোটবুক খাতাপত্র তো সব রেখে এসেছি।

চে গুয়েভরা তখন খাওয়া শেষে টিস্যু পেপারে হাত মুছছিলেন। হাত মোছা বন্ধ করে তিনি টিস্যু পেপারটা হ্যামিংওয়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন- এই নাও টিস্যু পেপার। ইচ্ছে থাকলে এখানেও লেখা যায়। হ্যামিংওয়ে হাত বাড়িয়ে টিস্যু পেপারটি নিলেন। খাওয়া বন্ধ করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন নদীর শান্ত স্বচ্ছ জলের দিকে। তারপর লিখলেন ছয়টি শব্দ।

এই ছয়টি শব্দ পরবর্তীতে পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ক্ষুদ্র ছোট গল্প হয়ে গেল। তিনি লিখলেন- ‘ফর সেল, বেবিস সুজ,নেভার ওরন।’ অর্থ্যাৎ, ‘বিক্রির জন্য, শিশুর জুতা, ব্যবহৃত নয়’।

গল্পটির ভাবার্থ এইরকম- বাচ্চার জন্য জুতা কেনা হয়েছিল। তবে সেই বাচ্চাটি পৃথিবীর আলোই দেখেনি। মায়ের গর্ভেই শিশুটির মৃত্যু হয়। ছয় শব্দে গর্ভে মারা যাওয়া শিশুর জন্য মায়ের অনুভূতি! এ ধরণের গল্পকে বলা হয় ‘ফ্ল্যাশ ফিকশন’ বা অণুগল্প। মাইক্রো শর্ট স্টোরি নামেও ডাকা হয় এসব গল্পকে। গল্পটি দারুণ পছন্দ হলো ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভরা দু’জনেরই। ক্যাস্ত্রো সঙ্গে সঙ্গে ১০ ডলার বের করে বকশিশ দিলেন হ্যামিংওয়েকে।

তবে এই গল্পটার রচনা নিয়ে আরো একটি গল্প চালু আছে। হ্যামিংওয়ে একদিন তার অফিসের ছয় কলিগের সঙ্গে গল্প করছিলেন। হঠাৎ তিনি বললেন- মাত্র ছয় টি শব্দ দিয়ে তিনি একটি চমৎকার গল্প লিখতে পারবেন। তার কলিগরা হেসেই উড়িয়ে দিলো। বললো, ঠিক আছে। ১০ ডলারের বাজি। হ্যামিংওয়ে গল্পটা লিখলেন এবং বাজিতে জিতে গেলেন।


মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। তিনি সাতটি উপন্যাস, ছয়টি ছোট গল্প সংকলন এবং দুটি নন ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশ করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর আরো তিনটি উপন্যাস, চারটি ছোট গল্প সংকলন এবং তিনটি নন-ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছিল। তার প্রকাশিত গ্রন্থের অনেকগুলোই আমেরিকান সাহিত্যের চিরায়ত বা ক্লাসিক গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

পৃথিবীর আরেকটি ক্ষুদ্রতম গল্প বা ফ্ল্যাশ ফিকশনের কথা জানেন কি? 'নক' নামের এ গল্পটির লিখেছিলেন ফ্রেড্ররিক ব্রাউন। এটি এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ভূতের গল্প। এ গল্পের লেখক ফ্রেড্ররিক ব্রাউনও ছিলেন আমেরিকান। গল্পটি নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছা করছে? গল্পটি হলো-

‘দ্য লাস্ট ম্যান অন আর্থ সেট আ রুম। দেয়ার ওয়াজ আ নক অন দা ডোর’। এর অনুবাদ করলে দাঁড়ায়, পৃথিবীর সর্বশেষ মানুষটি একাকী একটা রুমে বসে আছেন। হঠাৎ কে যেন তার দরজায় নক করল।

লাইনটি পড়তে পড়তে আপনার মনে হয়তো অনেক প্রশ্নের উদয় হয়েছে? ভাবছেন পৃথিবীর শেষ মানুষ... তাহলে দরজায় নক করলে কে? এজন্যই এই লাইন দুটি জায়গা করে নিয়েছে ছোট গল্পের তালিকায়।

সূত্র... অবজারভার

#সংগৃহীত

Photos from Fahim's English Care's post 31/12/2023

২০২৪ সালের শিক্ষাবর্ষের জন্য ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। এক শিফট ও দুই শিফটের স্কুলের জন্য আলাদা রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণয়ন করা এ রুটিন প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

রুটিনে বলা হয়েছে, নতুন রুটিন অনুযায়ী এক শিফটের স্কুলগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। আর দুই শিফটের স্কুলগুলো চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। প্রথম শিফট সাড়ে ১২টায় শেষ হয়ে দ্বিতীয় শিফট শুরু হবে। রুটিনে যেভাবে যে বিষয় উল্লেখ আছে, সেভাবেই ক্লাস নিতে হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে একই দিনের বিষয়গুলোর ক্লাস পারস্পরিক পরিবর্তন করা যাবে। আর রুটিনে দশম শ্রেণির অংশ ফাঁকা রাখা হয়েছে। স্কুলগুলোকে দশম শ্রেণির রুটিনের বিষয়গুলো নিজেদের মতো করে করতে হবে।

Photos from Fahim's English Care's post 21/12/2023

My dear SSC 24 Batch ❤️
Your routine has been published today.
So, don"t waste your time.
From now every moment is very valuable for you.
Wish you all the best ✌️

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Mistri Para, Beside Children's Garden School. Room No-01. Dewanhat
Chittagong
4100