08/01/2022
প্রিয় ছাত্র ছাত্রী আপনারা যারা রিলিজ স্লিপ এর মাধ্যমে আবেদন করতে চান তারা বিস্তারিত জানতে Neural Institute of science and technology, National University College Code: 4375. অথবা 017717283224. এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। ৯ জানুয়ারী থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এই আবেদন চলবে।
26/05/2020
সামনের কঠিন পরিস্থিতিতে আপনার মানসিক শক্তিকে আরো দৃঢ় করুন। যতদিন ুধ আবিষ্কার হচ্ছে না ততদিন পর্যন্ত গুজবে নয় বরং নিজের উপর বিশ্বাস & আত্মরক্ষা বৃদ্ধি রক্ষা করতে পারে আপনার জীবন।।
🧚♀️S
16/05/2020
আজকেও হতে পারে শবে ক্বদর!
মিস হবে না শবে ক্বদর! জেনে নিন চারটি টিপস!
আজ (১৬ মে) ২২ রমাদান। আজকের মাগরিবের ওয়াক্তের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে যাবে ২৩ রমাদান। অর্থাৎ এটি শেষ দশকের একটি বিজোড় রাত। তাই আজকের রাতটিও হতে পারে মহিমান্বিত লাইলাতুল ক্বদর। যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম!
তাই আসুন খুব সহজ চারটি ইবাদত করি রমাদানের শেষের ১০ রাতে। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা শবে ক্বদরের ফজিলত হাসিল করতে পারব।
কাজগুলো হচ্ছেঃ
১। সালাত
২। কুরআন তিলাওয়াত
৩। দান সাদাকা
৪। দুআ
এবার একটু বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
১। সালাত
------------------
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
যে ব্যক্তি লাইলাতুল ক্বদ্রে ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রাত জেগে ‘ইবাদাত করে, তার পিছনের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করা হবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানসহ সওয়াবের আশায় রমযানে সিয়াম পালন করবে, তারও অতীতের সমস্ত গোনাহ মাফ করা হবে।
(বুখারী ১৯০১; http://ihadis.com/books/bukhari/hadis/1901)
তাই প্রতি রাতে, বিশেষ করে প্রতি বিজোড় রাতে মাগরিবের পর থেকে ফজরের আগ পর্যন্ত, সাহরির সময়ে সাধ্য মত ক্বদরের রাতের নিয়তে কিছু সালাত আদায় করি। ২-৪-৬-৮ যত রাকাত ইচ্ছা তত রাকাত। রাকাত সংখ্যার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সালাতের কোয়ালিটি! অর্থাৎ কতটা মনোযোগ দিলাম। কতটা দীর্ঘ রুকু ও সিজদা করলাম। রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম কত সময়? দুই সিজদার মাঝে দীর্ঘ সময় বসে দুআ করলাম কিনা? এগুলো দেখার বিষয়। আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত সালাতকে সুন্দর করার জন্য। যেই সূরা জানি সেই সূরা পড়ব সালাতে। এ রাতের সালাতের জন্য বিশেষ কোনো নিয়ম বা বিশেষ কোনো সূরা নাই।
২। কুরআন তিলাওয়াত
------------------------------
শেষ দশকের প্রতি রাতে কুরআন থেকে অন্তত কিছু আয়াত তিলাওয়াত করি। কুরআন বের করে কিছু আয়াত হলেও পড়ি। সেটা সম্ভব না হলে ফোনের মাধ্যমে কিছু পড়ি। তাও সম্ভব না হলে যেই সূরাগুলো মুখস্থ আছে সেগুলো অন্তত তিলাওয়াত করি। ইনশাআল্লাহ ক্বদরের রাত্রিতে এই ইবাদত আল্লাহ বহু গুণে বাড়িয়ে দিবেন। কুরআন তিলাওয়াত করা হলে হাশরের দিন কুরআন আমাদের জন্য সুপারিশ করবে! তাই এই মুবারক রাতে কুরআন তিলাওয়াত করি।
৩। সাদাকা
---------------------------
রমাদানের শেষ দশকের প্রতি রাতে সাধ্য মত সাদাকা করি। কারো যদি সামর্থ্য একেবারেই না থাকে ৫ টাকা করে অন্তত দান হয়ত আমরা করতেই পারি। মাগরিবের পর যদি বাইরে বের হওয়া হয় তাহলে কোনো ফকির-মিসকিনকে দান করি। করোনার জন্য লকডাউন সিচুয়েশনে বের হওয়া সম্ভব না হলে গরীবদের জন্য কাজ করে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সাদাকা করতে পারি। অথবা আমাদের বাসায় সাদাকা বক্স বানাতে পারি। যেখানো প্রতি রাতেই কিছু টাকা জমা করে পরে একবারে কাউকে দিয়ে দিব। অর্থাৎ শবে ক্বদরের রাতে যেন সাদাকা করার মত এত বড় একটা ইবাদত থেকে আমরা বঞ্চিত না হই।
৪। দুআ করা
----------------------------
দুআ হচ্ছে ইবাদতের মূল। আমাদের উচিত রমাদানের প্রতিটা রাতে আল্লাহর কাছে আমাদের সকল চাওয়া-পাওয়া পেশ করা। করোনা থেকে আমাদের জাতি ও বিশ্বকে মুক্তি দেয়ার জন্য আমরা দুআ করব। আসন্ন অর্থনৈতিক মন্দা ও দুর্ভিক্ষ থেকে আল্লাহর কাছে রক্ষা চাইবো। আমাদের পড়াশোনা, চাকরি-বিজনেস, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক শান্তির জন্য দুআ করব। কবরবাসীদের জন্য দুআ করব। আমাদের নিজেদের জন্য দুআ করার পাশাপাশি আমাদের অপর ভাইয়ের জন্য দুআ করব। কারণ নিজের জন্য যে দুআ করব সেটার সাথে যদি অপর ভাইয়ের জন্যও সেই ভাল দুআ করি, তাহলে আল্লাহর উপর ওয়াজিব হয়ে যায় আমার জন্য যে দুআ করেছি সেটাকে কবুল করা! সুবহানাল্লাহ!
তাই আমরা যখনই অবসর পাব তখনই দুআ করতে থাকব। দুআ করতে তো টাকা-পয়সা লাগে না। বিশেষ ভাবে বসে ক্বিবলামুখী হয়ে যেমন দুআ করা যায়। আবার হাঁটতে চলতে, শুয়ে বসে থেকেও দুআ করা যায়। দুআ আল্লাহর সাথে বান্দার সরাসরি কানেকশন। এই কানেকশন করিয়ে দেয়ার জন্য মাঝখানে কোনো মাধ্যম নাই।
আপনি যা বলবেন, আল্লাহ তা শুনবেন। আল্লাহকে আপনার কথাগুলো বলার জন্য কোনো হুজুরের কাছে যেতে হবে না, পীরের কাছে যেতে হবে না, কোনো আল্লাহর ওলীর কাছে বা ওলীর মাজারে যেতে হবে না। আপনি মন থেকে যা বলবেন, আল্লাহ তা সবটাই শুনবেন। আল্লাহ আর তার বান্দার মাঝে সম্পর্কটা সরাসরি সম্পর্ক! মাঝে কোনো মাধ্যমত নাই।
প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার জন্য মাঝে মন্ত্রী-এমপির সুপারিশ লাগে। কারণ প্রধানমন্ত্রী আমাকে চিনেন না। কিন্তু সারা জাহানের বাদশাহ আল্লাহ তো আমাদের সবাইকে চিনেন, জানেন। তাই মনের সকল কথা তাঁর কাছে উজার করে দিতে পারি। মাঝে কোনো উকিল ধরার প্রয়োজন হয় না!
শবে ক্বদরের ইবাদতের মধ্যে হাদীসের সরাসরি নির্দেশনা পাওয়া যায় দুআ করার ব্যাপারে। একটা বিশেষ দুআও হাদীসে উল্লেখ আছে। আমাদের দুনিয়া আখিরাতের অন্যান্য দুআর সাথে বেশি বেশি করে নিচের দুআটি পড়ব।
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
"হে আল্লাহ! তুমি সম্মানিত ক্ষমাকারী, তুমি মাফ করতেই পছন্দ কর, অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও"
(তিরমিযি ৩৫১৩)
আমরা জানি গফুর আল্লাহর একটি গুণবাচক নাম যার অর্থ ক্ষমাশীল, আবার 'আফুউন অর্থও ক্ষমাশীল। কিন্তু দুটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। গফুর অর্থ এমন ক্ষমা যেটা ক্ষমা করার পরও আমলনামায় লিপিবদ্ধ থাকবে। কিয়ামতের দিন সমগ্র মানবজাতির সামনে সেটা প্রকাশ পাবে। অপরপক্ষ আফুউন বলতে এমন ক্ষমাকারীকে বুঝায় যিনি ক্ষমা করবেন এমন ভাবে যে সেটা একেবারে মুছে যাবে। কিয়ামতের দিন সেটা প্রকাশ পাবে না। প্রথমটাকে তুলনা করতে পারি কম্পিউটারের ডিলেট অপশনের সাথে। আর শেষেরটা হচ্ছে শিফট-ডিলেটের মত। অর্থাৎ পরিপূর্ণ ভাবে ক্ষমা।
আল্লাহ আমাদেরকে এমন ভাবে ক্ষমা করুন যেন গুনাহগুলো দুনিয়া বা আখিরাতে কারো সামনে প্রকাশ হয়ে না পড়ে। আমীন।
আল্লাহ আমাদের সবার জীবনে বেশি বেশি শবে ক্বদর পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।
💝💝💝
(লেখাটির মূল ভাব নেয়া হয়েছে মাওলানা আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ এর ৫ মিনিটের এই ভিডিও থেকেঃ https://youtu.be/n0K2ZmYr9c8 )
24/04/2020
গ্রামে এক চোর পেঁয়াজ চুরি করতে গিয়ে ধরা খাইছে। গ্রাম্য শালিসে মাতবররা চোরকে বলল, হয় তুমি ১০০ টা কাঁচা পেঁয়াজ খাবা নয়তো একশটা বেতের বাড়ি খাবা। তোমার মর্জি।
চোর ভেবে চিনতে কয়, পেঁয়াজ খাব। ১৫ টা পেঁয়াজ খাওয়ার পর মনে হয় সে পেঁয়াজ না, বিষ খাইতেছে৷
চোর বলে পেঁয়াজ না, আমি বেতের বাড়িই খাবো। ১৫ টা বেতের বাড়ি খাওয়ার পর চোরের মনে হয় শরীরের হাড্ডি মাংস আলাদা হয়ে যাচ্ছে। চোর কয়, থামেন, বেতের বাড়ি না, আমি পেঁয়াজ খাবো।
এভাবে ১৫ টা বেতের বাড়ি, ১৫ টা পেঁয়াজ খেতে খেতে একসময় ১৪০ টা পেঁয়াজ, ১৪০ টা বেতের বাড়ি খাওয়া শেষ। তারপরও টানা ১০০ টা পূরণ হয় না। চোরের জান যায় যায় অবস্থা।
আমাদের হইছে একই দশা। লকডাউন বাড়াইতেছি। মৃত্যুও বাড়তেছে। না লকডাউন মানা হচ্ছে, না মৃত্যু থামানো যাইতেছে। দিনশেষে দেখা যাবে, লকডাউনে দেশ আটকে আছে ঠিকই, মৃত্যুর মিছিল থামে নাই।😑
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।
22/04/2020
একবার এক চোরকে সামান্য ম্যানহোলের ঢাকনা চুরির অপরাধে মৃত্যুদন্ড দেয়া হল। তখন সে চোর তার শেষ ইচ্ছা হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার সুযোগ চাইল।
যখন তাকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিয়ে আসা হলো তখন সে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলল, 'স্যার, আপনার সাথে দেখা করতে চাওয়ার একটাই কারণ তা হলো, আমার কাছে এমন একটা গাছের বীজ আছে যে গাছটা মনের সব ইচ্ছা পূরন করতে পারে। আমি আপনার জন্য এই গাছটা রোপণ করে দিয়ে যেতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী তাকে জিজ্ঞেস করল, 'তোমার চারা লাগাতে কত দিন লাগবে?'
চোর উত্তর দিল, 'এইতো স্যার, সাত দিন।'
সাতদিন পর তাকে আবার মন্ত্রিসভায় হাজির করা হল।
একজন জিজ্ঞেস করল, 'তোমার চারার কী খবর?'
চোর বলল, 'আসলে জমি তো রেডি কিন্তু বীজটা পরিপক্ক হতে আরও তিনদিন লাগবে।'
তিনদিন পর তাকে আবার হাজির করা হল।
প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন, 'বীজ রেডি তো এবার?'
চোর বলল, 'স্যার জমি বীজ সবই রেডি কিন্তু আমিতো তা রোপণ করতে পারব না।'
প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন, 'কেন?'
চোর বলল, 'এটা এমন একজনের হাতে রোপণ করতে হবে যে কোনদিন চুরি করেনি। না হলে এটা কার্যকারিতা হারাবে।'
সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে নির্দেশ দিলেন বীজ রোপন করতে।
অর্থমন্ত্রী কাচুমাচু হয়ে বললেন, 'স্যার, সারা দেশের অর্থ নিয়ে আমার কাজ। এত কাজের মধ্যে দু একটা তো এদিক সেদিক হতেই পারে।'
এরপর প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিলেন পরিবহনমন্ত্রীকে।
পরিবহনমন্ত্রী কাচুমাচু হয়ে বললেন, 'স্যার, কত কত গাড়ি ঘোড়া আমার প্রতিনিয়ত অনুমোদন দিতে হয়, এর মাঝে তো দু একটা এদিক সেদিক হতেই পারে।'
এরপর প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীও কাচুমাচু হয়ে বললেন, 'স্যার, এতো দেশের সাথে যোগাযোগ, এতো দেশে যাওয়া আসা, বাণিজ্য লেনদেন এর মধ্যে তো আমারও দু একটা এদিক সেদিক হতেই পারে।'
প্রধানমন্ত্রী এরপর যাকেই বলেন সেই এদিক সেদিকের দোহাই দিয়ে এড়িয়ে যায়।
হঠাৎ সবাই প্রধানমন্ত্রীকেধরলেন, 'স্যার, আপনিই রোপণ করুন না।'
তখন প্রধানমন্ত্রী বললেন, 'তোমাদের তো দায়িত্ব ছোট ছোট, আমি পুরো দেশ চালাই। আমার কি একটু আধটু এদিক সেদিক হতে পারে না!'
তখন সবাই চুপ হয়ে গেল। হঠাৎ একজন বলে উঠলেন, 'তাহলে স্যার, এই লোক তো সামান্য একটা ম্যানহোলের ঢাকনা চোর। একে মৃত্যুদন্ড দেয়া কি ঠিক? একে ছেড়ে দেয়া হোক।'
আরেকজন বললেন, 'না একে ছেড়ে দেয়া যাবে না। তাহলে সে বাইরে গিয়ে সব ফাস করে দেবে।'
সবাই চিন্তায় পড়ে গেল একে নিয়ে কী করা যায়? তখন একজন বলল, 'স্যার এক কাজ করুন। একে আমাদের মতোই একটা পদ দিয়ে আমাদের সাথে সামিল করে নেন।'
যেই ভাবা সেই কাজ, সেই চোর হয়ে গেল মন্ত্রীসভার সদস্য!
:)