18/11/2024
জাপানে স্টুডেন্ট ভিসায় আসার পরিপূর্ণ উপায়::
স্টুডেন্ট ভিসা সংক্রান্ত ---
*শিক্ষাগত যোগ্যতা :
============
HSC / আলীম / ডিপ্লোমা এবং সমমান পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে।
অনার্স / মাস্টার্স পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীরাও আবেদন করতে পারবে তবে Study Gap মেক্সিমাম ৫ বছর গ্রহণযোগ্য ।
*ভর্তি সেশন :
=======
জাপানে সকল স্কুলে ভর্তি সেশন ৪ টি :
জানুয়ারী - এপ্রিল - জুলাই - অক্টোবর
এর ভিতর এপ্রিল ও অক্টোবর সেশনে বেশি সংখ্যক স্টুডেন্ট ভর্তি হয়।
*বিদেশী ছাত্রদের জাপানে কি কি সুযোগ-সুবিধা রয়েছে ::
=============================
০১. মেধাবী ছাত্রদের স্কলারশীপের সু-ব্যবস্থা।
০২. ৫ বছর পর সিটিজেনশীপের সুযোগ।
০৩. পার্ট টাইম জব এর সুবিধা।
০৪. সরকারী ভাবে অনুমোদিত প্রতি মাসে ১২০ ঘন্টা কাজ করা যায়।
০৫. জাপানে যাওয়ার পর দেশ থেকে টাকা নিতে হয় না।
০৬. অনার্স / মাস্টার্স করা থাকলে ল্যাংগুয়েজ প্রোগ্রামের পর ফুলটাইম ওয়ার্ক পারমিট অর্থাৎ জবে ঢুকার সুযোগ।
০৭. উন্নতমানের শিক্ষা ব্যবস্থা। যে কোন বিষয়ে পড়াশুনার সুযোগ।
০৮. তুলনামূলক ভিসা পাওয়া সহজ। এবং প্রতক্ষ্য প্রসেসিং।
০৯. জাপান বিশ্বের ৩য় অর্থনৈতিক উন্নত দেশ ।
১০. ঘন্টা প্রতি কাজের মজুরী ১১৫০ ইয়েন থেকে ১৩৫০ ইয়েন।
*ভিসা প্রসেসিং ::
===========
জাপানি ভিসা প্রসেসিং এর ব্যাপারে একটি কথায় মাথায় রাখবেন আপনি নিজে নিজে ইচ্ছা করলে আপনি ভিসা প্রসেসিং করতে পারবেন। এই ব্যাপারে অন্য কোনো সময় পোস্ট করবো। আজ প্রসেসিং নিয়ে আলোচনা করছি।
প্রথমেই আপনাকে জাপানি ভাষা শিখতে হবে। বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা ভাষা শিক্ষার কোর্স করিয়ে থাকে।
১৮০ ঘন্টার জাপানী ভাষার কোর্স থাকা টা বাধ্যতামূলক। শুধু কোর্স সার্টিফিকেট থাকাটাই যথেস্ট নয় কারন ২০১৮ সালে অনেক এর ইলিজিবিলিটি(প্রি ভিসা) মিস হয়েছে ভাল সার্টিফিকেট না থাকার জন্য। তাই পরামর্শ থাকবে আপনারা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত NAT, JLPT,(N5 )পরীক্ষা দিবেন।এটি আন্তর্জাতিক পরীক্ষা জাপানি ভাষার দক্ষতা যাচাই এর। যেমন টা IELTS, তবে এত কঠিন নয়। একটু পড়লেই পারবেন।
দ্বিতীয়ত :: আপনাকে জাপানের ভাষা শিক্ষার স্কুলে পরীক্ষা দিতে হবে। এটি স্কাইপ অথবা স্পোট এডমিশন ও হতে পারে। ইন্টারভিউতে সাধারন জীবন বৃতান্ত জিজ্ঞাসা করা হয়ে থাকে। এই ব্যাপারে কনসাল্টেন্সি গুলো বিশেষ ক্লাস করায় যাতে আপনি সহজেই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিতে পারেন। সো ভয় পাবার কিছু নেই।
আপনাকে জাপানের স্কুলে সিলেক্ট হবার পর আপনার সমস্থ ডকুমেন্ট স্কুলে পাঠিয়ে দিতে হবে।
তৃতীয়ত :: নির্ভুল ভাবে ও জাপানিজ ট্রান্সলেশন করে সমস্থ ডকুমেন্ট আপনি স্কুলে পাঠাবেন। জাপানিজ ট্রান্সলেশন ও স্কুলে ডকুমেন্ট প্রেরনের জন্য এজেন্সি গুলো সাধারণত ৩৫ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ নেয়।
ডকুমেন্ট সমুহ :
* আপনার সকল একাডেমিক সার্টিফিকেট, মার্কশিট।
* জন্ম নিবন্ধন অথবা ভোটার আইডি কার্ড।
* ফ্যামিলি রিলেশনশিপ।
* আপনার জাপানিজ ভাষার সার্টিফিকেট।
* স্পন্সর রিলেশনশিপ ( রক্তের সম্পর্কিত আত্নীয় স্পন্সর হতে পারবে)
* ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( পিতা মাতা হলে ১২ লাখা সর্বনিম্ন। অন্য জনের ক্ষেত্রে ১৫ লাখ)।
* আপনার ছবি।
* স্পন্সর এর ট্রেড লাইসেন্স এবং টিন সার্টিফিকেট।
* আপনার সকল কাগজ জাপানি ভাষায় ট্রান্সলেট।
বিঃদ্রঃ স্পন্সর রক্তের কাউকে বানানোই ভাল তবে আপনি আত্মীয় স্বজন কেউ বানাতে পারেন। স্পন্সরের ১৫ লক্ষ টাকার মত দেখাতে হয়। যদি কারো এই পরিমান টাকা না থাকে তা হলে এই বিষয়ে এজেন্সি গুলো আপনাকে ব্যাংকের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে পারে।
*চতুর্থত :: আপনার পাঠানো ফাইল স্কুল কর্তৃপক্ষ জাপানের ইমিগ্রেশন এ পাঠাবে। মিনিস্ট্রি অফ জাস্টিস জাপান গভর্নমেন্ট আপনার ফাইল দেখে ইলিজিবিলিটি COE ( প্রি ভিসা) দিয়ে থাকে। মনে রাখতে হবে ফাইল এর কাগজে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দেওয়ার কারনে আপনার ইলিজিবিলিটি COE পাবার সম্ভাবনা থাকবে না। তাই যথা সম্ভব সঠিক ও নির্ভুল ভাবে ফাইল প্রসেসিং করবেন।
*পঞ্চমত :: ৯০ দিনের ভিতরে জাপান ইমিগ্রেশন ইলিজিবিলিটি প্রদান করে থাকে। ভিসা পাবার ক্ষেত্রে ইলিজিবিলিটি প্রথমত দরকার। এটি মিস হলে ভিসা কেউ দিতে পারবে না। সবাই এই ব্যাপারে সজাগ থাকবেন।
ষষ্টত : ইলিজিবিলিটি বা COE (প্রি ভিসা) আসার পর আপনাকে আপনার নির্ধারিত স্কুলে টিউশন ফি বাবদ নির্ধারিত টাকা বাংলাদেশের ব্যাংক এর মাধ্যমে পাঠাতে হবে। আপনি নিজে থেকে পাঠাবেন।
স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলে দেয় এমন যে কোন ব্যাংক থেকেই টিউশন ফি এর টাকা পাঠানো যায়।
নোট :: আপনার স্পন্সর এর ৩ বছর এর ট্যাক্স সার্টিফিকেট লাগবে। যদি থাকে তো ভালো। না থাকলে উকিল দিয়ে বানিয়ে নিবেন। ট্যাক্স সার্টিফিকেট এম্বাসির ভাইবা তে দিতে হবে। এটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজ।
সপ্তম :: টিউশন ফি পাঠানোর পর আপনার সমস্থ ডকুমেন্ট জাপানস্থ স্কুল কর্তৃপক্ষ তা আপনার কাছে বা এজেন্সির কাছে পাঠিয়ে দিবে।
অষ্টম :: ভিসা এপ্লিকেশন পুরন করবেন। এখানে ১ কপি ছবি আটা দিয়ে লাগিয়ে দিবেন নির্ধারিত স্থান এ। সমস্থ ডকুমেন্ট এর ৩ সেট করে রাখবেন। ২ সেট ভাইবা তে জমা দিতে হয়।ভিসা এপ্লিকেশন এর জন্য কোন ধরনের টাকা লাগে না। জাপান এটি ফ্রি দিয়ে থাকে।
বর্তমানে এক সেট নোটারি জমা দিতে হয়।
নোট :: জাপানে আসার বিমান এর টিকেট এর বুকিং স্লিপ নিবেন। অবশ্যই তার ডেট থাকতে হবে এম্বাসি ফেস এর দিন থেকে পরবর্তি ৭ দিন পর্যন্ত।
* নবম:: এম্বাসীতে ইমেইল করে আপনার ইন্টারভিউ এর জন্য ডেট নিবেন। সমস্থ কাগজ নিয়ে নির্ধারিত দিনে সকালে এম্বাসি চলে যাবেন। ৯ টা বাজে সবাই কে ভিতরে প্রবেশ করায়। ভিতরে প্রবেশ করার পর সিরিয়াল অনুযায়ী আপনার কাগজ জমা নিবে একজন। এর পর সিরিয়াল অনুযায়ী এক জন জাপানিজ আপনার ভাইবা নিবেন। আপনার ল্যাংগুয়েজ পারফরমেন্স ভাল থাকলে আপনাকে ৭ দিন পর পাসপোর্ট নিয়ে যাওয়ার ডেট দিবে। আপনার কাগজ ঠিক ঠাক থাকলে ৭ দিন পর এসে আপনি ভিসা পেয়ে যাবেন। এর পর জাপানে আসার জন্য ৩ মাস সময় পাবেন। আশা করি ৩ মাস আগেই চলে আসবেন সপ্নের দেশ জাপানে।
বি: দ্র: ভিসা পাইয়ে দিবে এই কথা বলে কারো সাথে লেনদেন করবেন না। কন্টাকে ভিসা পাইয়ে দিবে এটা ও কেউ বিশ্বাস করবেন না। কিছু কিছু দালাল আছে আপনাকে ধোকা দিবে।তবে কিছু কিছু এজেন্সি আছে যারা আপনি ভিসার পাবার পর সার্ভিসিং চার্জ গ্রহন করে। এর পরিমান ১ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়। জাপান এর ক্ষেত্রে একটি কথায় মাথায় রাখবেন ভিসার সম্পুর্ন কাজ টি আপনাকেই করতে হবে। কাউকে কোন ধরনের টাকা দিবেন না। আপনার যদি লিংক থাকে তা হলে নিজে নিজেই সব কিছু করতে পারবেন। কোন এজেন্সির ও দরকার হবে না।
আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করবেন। আপনাদের সুবিদার্থে জানিয়ে দেওয়া হবে।
05/07/2024
16/11/2023
24/09/2023
23/09/2023
23/09/2023
14/09/2023
13/09/2023
08/09/2023