29/06/2020
আইসিটি ৩য় চেপ্টার
টপিকস সংখ্যাপদ্ধতি।
Improve Your ICT Skill
29/06/2020
আইসিটি ৩য় চেপ্টার
টপিকস সংখ্যাপদ্ধতি।
চতুর্থ অধ্যায় –
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ।
১। ওয়েব ডিজাইন কী?
ওয়েব ডিজাইন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার সাহায্যে ওয়েবপেইজের বাহ্যিক সৌন্দর্য তৈরি করা হয়। অর্থাৎ এই প্রক্রিয়ায় একটি ওয়েবপেইজের বিভিন্ন লেআউট, রং, গঠন, গ্রাফিক্স এবং ইন্টারেক্টিভ বৈশিষ্ট্যগুলি নির্ধারন করা হয়।
২। ওয়েব বা www কী?
ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ওয়েব। ওয়েব কে www (World Wide Web) ও বলা হয়। তিনটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়েব গড়ে উঠেছে। যথা-HTML ,HTTP ও Web browser।
৩। ইন্টারনেট কী?
ইন্টারনেট হলো পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমম্বয়ে গঠিত একটি বিরাট নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা । ইন্টারনেটকে যোগাযোগ ব্যবস্থাও বলা হয়।
৪। ওয়েবপেইজ কী?
ওয়েবপেইজ হলো এক ধরনের ওয়েব বা ইলেকট্রনিক ডকুমেন্ট যা বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা হয় এবং যেকোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্রাউজারের সাহায্যে যেকোন জায়গা থেকে দেখতে পারে। ওয়েব পেইজে টেক্সট, ইমেজ, ফাইল, অডিও, ভিডিও এবং এনিমেশন ইত্যাদি থাকতে পারে।
৫। ওয়েবসাইট কী?
একই ডোমেইনের অধীনে সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত এক বা একধিক ওয়েবপেইজের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলে।
৬। হোম পেইজ কী?
কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে প্রথম যে পেইজটি প্রদর্শিত হয় তাকে হোম পেইজ বলে।
৭। ওয়েব পোর্টাল কী?
ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে বিশেষভাবে পরিকল্পিত ওয়েবসাইট যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের লিংকের সমাহার। যেমন – www.bangladesh.gov.bd হচ্ছে একটি ওয়েব পোর্টাল। যেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য সংবলিত ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া আছে।
৮। সার্ভার কম্পিউটার কী?
ওয়েবপেইজ বা ওয়েবসাইট যে বিশেষ কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে তাকে বলা হয় সার্ভার কম্পিউটার। সার্ভার কম্পিউটার ২৪ ঘন্টা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকে। একটি সার্ভার কম্পিউটারে অনেক ওয়েবসাইট থাকতে পারে যা সার্ভার সফটওয়্যার এর সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
৯। ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কী?
যে কম্পিউটার থেকে আমরা ওয়েবপেইজ ব্রাউজ করি সেই কম্পিউটারকে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার বলে। ক্লায়েন্ট কম্পিউটারে ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা হয়। কিছু ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার এর উদাহরণ – Google Chrome , Opera, Firefox ইত্যাদি।
১০। আপলোড কী?
নিজের কম্পিউটার হতে কোনো ফাইল অন্যের কম্পিউটারে অথবা সার্ভারে প্রেরণকে আপলোড বলে।
১১। ডাউনলোড কী?
প্রয়োজনে অন্যের কম্পিউটার অথবা সার্ভার হতে ফাইল নিজের কম্পিউটারে নিয়ে আসাকে ডাউনলোড বলে।
১২। ওয়েব ব্রাউজার কী?
যে সফটওয়্যার এর সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত ওয়েবপেইজগুলো ব্রাউজ করা বা দেখা যায় তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে । ওয়েব ব্রাউজারের উদাহরণ – Internet Explorer, Google Chrome, Mozilla Firefox, and Apple Safari ইত্যাদি।
১৩। সার্চ ইঞ্জিন কী?
সার্চ ইঞ্জিন হল এমন একটি সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর দেওয়া কীওয়ার্ড গুলোর জন্য ওয়েবপেইজ অনুসন্ধান করে এবং সেইসব কীওয়ার্ড ধারণকারী ওয়েবপেইজগুলো ফলাফল হিসেবে উপস্থাপন করে। বর্তমানে গুগল সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সুপরিচিত সার্চ ইঞ্জিন।
১৪। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট কী?
যে সকল ওয়েবসাইটের তথ্য সাধারণত সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল নয় তাদেরকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলা হয়। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটের তথ্য ওয়েবসাইট চালু অবস্থায় পরিবর্তন করা কঠিন। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট শুধু HTML এবং CSS দিয়েই তৈরি করা যায়।
১৫। ডাইনামিক ওয়েবসাইট কী?
যে সকল ওয়েবসাইটের তথ্য সাধারণত সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল তাদেরকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলা হয়। ডাইনামিক ওয়েবসাইটের তথ্য ওয়েবসাইট চালু অবস্থায় সহজেই পরিবর্তন করা যায়। ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য HTML,CSS এর পাশাপাশি PHP বা ASP.Net এবং ডেটাবেজ যেমন- MySQL বা SQL ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
১৬। ই-কমার্স ওয়েবসাইট কী?
যে সকল ওয়েবসাইটে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় এবং মূল্য পরিশোধ করার ব্যবস্থা থাকে তাদেরকে ই-কমার্স ওয়েবসাইট বলা হয়। যেমন- amazon.com, alibaba.com ইত্যাদি।
১৭। ব্লগ ওয়েবসাইট কী?
যখন কোন ব্যক্তি কোন নির্দিস্ট এক বা একাধিক বিষয়ের উপর লেখা প্রকাশের উদ্দেশ্যে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে, তখন ঐ ওয়েবসাইটকে সাধারণত ব্লগিং সাইট বা ব্লগ ওয়েবসাইট বলা হয়।
১৮। নিউজ প্রোর্টাল কী?
চলমান সংবাদ বিশ্বের যেকোন প্রান্তে প্রচার করার জন্য যেসকল ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় তাদেরকে নিউজ পোর্টাল বলা হয়।যেমন- bbc.com, prothomalo.com ইত্যাদি।
১৯। ওয়েব অ্যাড্রেস/URL কী?
প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি সুনির্দিষ্ট ও অদ্বিতীয় অ্যাড্রেস বা ঠিকানা রয়েছে যার সাহায্যে ইন্টারনেটে সংযুক্ত থেকে ওয়েব ব্রাউজারের সাহায্যে যেকোন জায়গা থেকে ঐ ওয়েবসাইটের পেইজগুলো ব্রাউজ করা যায়; সেই ঠিকানাকে ওয়েব অ্যাড্রেস বলে। ওয়েব অ্যাড্রেস URL নামেও পরিচিত। URL অর্থ Universal /Uniform Resource Locator ।
২০। আইপি(IP) অ্যাড্রেস কী?
IP Address এর পূর্নরুপ Internet Protocol Address। ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটার বা যন্ত্রের বা ওয়েবসাইটের একটি অদ্বিতীয় অ্যাড্রেস বা ঠিকানা থাকে এই অদ্বিতীয় অ্যাড্রেসকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস।
২১। ডোমেইন নেইম কী?
ডোমেইন নেইম হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র টেক্সট অ্যাড্রেস যা আইপি অ্যাড্রেস কে প্রতিনিধিত্ব করে।
২২। প্রোটোকল কী?
প্রোটোকল হল কতগুলো নিয়মের সমষ্টি। যেমন – http একটি প্রোটোকল যা HTML ডকুমেন্ট এক্সেস করা বা ওয়েব সার্ভার ও ক্লায়েন্টের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
২৩। HTTP/HTTPS/FTP/TCP কী?
২৪। DNS সার্ভার কী?
DNS সার্ভার এর পূর্নরুপ Domain Name System সার্ভার। DNS সার্ভার ডোমেইন নেইম বা ওয়েব অ্যাড্রেসকে IP অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে।
২৫। ওয়েবসাইট কাঠামো কী?
ওয়েবসাইটের কাঠামো বলতে বুঝায় ওয়েবসাইটের পেইজগুলো কিভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকবে। যেমনঃ হোম পেইজের সাতে সাব-পেইজগুলো আবার সাব-পেইজগুলো নিজেদের মধ্যে কিভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকবে।
২৬। HTML ট্যাগ কী?
HTML ট্যাগ হলো এক ধরণের লুকায়িত কীওয়ার্ড যা একটি ওয়েবপেইজের তথ্য বা বিষয়বস্তু কীভাবে বিন্যাস এবং প্রদর্শন করবে তা সুনির্দিষ্ট করে।
২৭। কন্টেইনার ট্যাগ কী?
যে সকল ট্যাগের ওপেনিং ট্যাগ, ট্যাগের বিষয়বস্তু ও ক্লোজিং ট্যাগ থাকে তাকে কনটেইনার ট্যাগ বলে। যেমন: …, … ইত্যাদি।
২৮। এম্পটি ট্যাগ কী?
যে সকল ট্যাগের ওপেনিং ট্যাগ আছে কিন্তু ক্লোজিং ট্যাগ নাই তাকে এম্পটি ট্যাগ বলে। যেমন: , , ইত্যাদি।
২৯। HTML এলিমেন্ট কী?
ওপেনিং ট্যাগ থেকে শুরু করে ক্লোজিং ট্যাগ পর্যন্ত সকল কিছুকে HTML এলিমেন্ট বলে। ওপেনিং ট্যাগ ও ক্লোজিং ট্যাগের মধ্যবর্তী সবকিছুই হলো HTML এলিমেন্ট এর কনটেন্ট।
৩০। HTML অ্যাট্রিবিউট কী?
HTML অ্যাট্রিবিউট হচ্ছে HTML এলিমেন্ট সমূহের বৈশিষ্ট্য নির্ধারক। অ্যাট্রিবিউট সবসময় ওপেনিং ট্যাগে লেখা হয়। একটি অ্যাট্রিবিউটের দুটি অংশ থাকে। যথা: Attribute Name এবং Attribute Value।
৩১। হাইপারলিঙ্ক কী?
হাইপারলিঙ্ক এর মাধ্যমে একটি ওয়েবপেইজের সাথে অন্য একটি ওয়েবপেইজ/ডকুমেন্টের সংযোগ করা হয়। HTML এ এঙ্কর ( ) ট্যাগ ব্যবহার করে হাইপারলিংক করা হয়।
৩২। ওয়েবসাইট পাবলিশিং কী?
একটি ওয়েবসাইটকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ইন্টারনেটে প্রকাশের প্রক্রিয়াকেই ওয়েবসাইট পাবলিশিং বলা হয়ে থাকে। এজন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পর সেটিকে সার্ভারে সংরক্ষন করতে হয় এবং পাশাপাশি এটিকে সনাক্ত করার জন্য এর অদ্বিতীয় নামকরণের প্রয়োজন হয়।
৩৩। ওয়েবপেইজ হোস্টিং কী?
ওয়েবসাইটের জন্য তৈরিকৃত ওয়েবপেইজগুলোকে একটি রেজিস্ট্রেশনকৃত ডোমেইন এর আন্ডারে কোন ওয়েব সার্ভারে হোস্ট করাকে ওয়েবপেইজ হোস্টিং বলা হয়।
৩৪। SEO কী?
SEO এর পূর্ণরূপ Search Engine Optimization। হোস্টিংকৃত ওয়েবসাইটটি আরো বেশি প্রচারমুখী করার জন্য ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সংযুক্ত করতে হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে SEO বলা হয়।
৩৫। ISP কী?
ISP এর পূর্ণরূপ Internet Service Provider। যেসকল কোম্পানি ইন্টারনেটের সাহায্যে বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান করে তাদেরকে ISP বলা হয়।
ICT 's ICT Care
চতুর্থ অধ্যায় পাঠ-১ঃ
ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি এবং এই সম্পর্কিত বিভিন্ন টার্ম সমূহ।
এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-
১। ওয়েব ডিজাইন ব্যাখ্যা করতে পারবে।
২। ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত বিভিন্ন টার্ম গুলো ব্যাখ্যা করতে পারবে।
●ওয়েব ডিজাইনঃ ওয়েব ডিজাইন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার সাহায্যে ওয়েবপেইজের বাহ্যিক সৌন্দর্য তৈরি করা হয়। অর্থাৎ এই প্রক্রিয়ায় একটি ওয়েবপেইজ বা ওয়েবসাইটের বিভিন্ন লেআউট, রং, গঠন, গ্রাফিক্স এবং ইন্টারেক্টিভ বৈশিষ্ট্যগুলি নির্ধারন করা হয়। ওয়েব ডিজাইনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সফটওয়্যার এবং টুলস ব্যবহার করা হয়। যেমন- Dreamweaver, Photoshop ইত্যাদি।
●ইন্টারনেটঃ ইন্টারনেট হলো পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমম্বয়ে গঠিত একটি বিরাট নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা । ইন্টারনেটকে যোগাযোগ ব্যবস্থাও বলা হয়। 1969 সালে যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম আরপানেট (Arpanet-Advanced Research Projects Administration Network)দিয়ে যাত্রা শুরু হয়।
●ওয়েবঃ ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ওয়েব। ওয়েব কে www (World Wide Web) ও বলা হয়। তিনটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়েব গড়ে উঠেছে। যথা-
প্রথমত, HTML (Hyper Text Markup Language) যার দ্বারা ওয়েবপেইজ তৈরি করা হয়।দ্বিতীয়ত, HTTP (Hyper Text Transfer Protocol)তৃতীয়ত, Web browser; যে প্রোগ্রাম সার্ভার থেকে ডেটা রিসিভ ও অনুবাদ করে ক্লায়েন্টকে তার ফলাফল প্রদর্শন করে।
●ওয়েবপেইজঃ ওয়েবপেইজ হলো এক ধরনের ওয়েব বা ইলেকট্রনিক ডকুমেন্ট যা সাধারণত HTML(Hypertext Markup Language) এ লেখা হয় এবং বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা হয়। যেকোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্রাউজারের সাহায্যে URL এর মাধ্যমে যেকোন জায়গা থেকে এটি দেখতে পারে। একটি ওয়েবপেইজে টেক্সট, ইমেজ, ফাইল, অডিও, ভিডিও এবং এনিমেশন ইত্যাদি থাকতে পারে। এখন যে পেইজটি পড়ছো, এটিই একটি ওয়েবপেইজের উদাহরণ।
●ওয়েবসাইটঃ একই ডোমেইনের অধীনে সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত এক বা একধিক ওয়েবপেইজের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলে। কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে প্রথম যে পেইজটি প্রদর্শিত হয় তাকে হোম পেইজ বলে।
●ওয়েব পোর্টালঃ ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে বিশেষভাবে পরিকল্পিত ওয়েবসাইট যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের লিংকের সমাহার। যেমন – www.bangladesh.gov.bd হচ্ছে একটি ওয়েব পোর্টাল। যেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য সংবলিত ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া আছে।
●সার্ভার / সার্ভার কম্পিউটারঃ সার্ভার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা অন্যান্য কম্পিউটারগুলিতে তথ্য সরবরাহ করে। বিভিন্ন ধরণের সার্ভার রয়েছে। যেমন- ওয়েব সার্ভার, মেইল সার্ভার, ফাইল সার্ভার ইত্যাদি। প্রতিটি সার্ভার কম্পিউটার নির্দিস্ট কাজে নির্দিষ্ট সফটওয়্যার চালায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি ওয়েব সার্ভার Apache বা Microsoft IIS সফটওয়্যার চালাতে পারে, যা উভয়েই ইন্টারনেটের সাহায্যে ওয়েবসাইটগুলিতে অ্যাক্সেস দেয়। একটি মেইল সার্ভার Exim বা iMail সফটওয়্যার চালাতে পারে, যা ইমেল প্রেরণ এবং গ্রহণ করার জন্য SMTP(Simple Mail Transfer Protocol) সেবা প্রদান করে। একটি ফাইল সার্ভার, নেটওয়ার্কে ফাইল শেয়ার করার জন্য Samba সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের বিল্ট-ইন ফাইল শেয়ারিং সার্ভিস ব্যবহার করতে পারে।
●ক্লায়েন্ট / ক্লায়েন্ট কম্পিউটারঃ ক্লায়েন্ট হলো এমন একটি কম্পিউটার যা একটি দূরবর্তী কম্পিউটার বা সার্ভারকে সংযুক্ত করে এবং রিসোর্স ব্যবহার করে। ক্লায়েন্ট কম্পিউটারে বিভিন্ন ক্লায়েন্ট সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ওয়েব ব্রাউজার (Google Chrome , Opera, Firefox, ইত্যাদি) হলো এক ধরণের ক্লায়েন্ট সফ্টওয়্যার যা ওয়েব সার্ভারের সাথে সংযোগ করে এবং ওয়েবপেইজ প্রদর্শন করে থাকে। ই-মেইল ক্লায়েন্ট মেইল সার্ভার থেকে ই-মেইল প্রদর্শন করে।
●আপলোডঃ নিজের কম্পিউটার হতে কোনো ডেটা বা ফাইল অন্যের কম্পিউটারে অথবা সার্ভারে প্রেরণকে আপলোড বলে।
●ডাউনলোডঃ প্রয়োজনে অন্যের কম্পিউটার অথবা সার্ভার হতে কোন ডেটা বা ফাইল নিজের কম্পিউটারে নিয়ে আসাকে ডাউনলোড বলে।
●ওয়েব ব্রাউজারঃ যে সফটওয়্যার এর সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত ওয়েবপেইজগুলো ব্রাউজ করা বা দেখা যায় তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে । ওয়েব ব্রাউজারের উদাহরণ – Internet Explorer, Google Chrome, Mozilla Firefox, and Apple Safari ইত্যাদি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত ওয়েবপেইজ পরিদর্শন করাকে ওয়েব ব্রাউজিং বলা হয়।
●সার্চ ইঞ্জিনঃ সার্চ ইঞ্জিন হল এমন একটি সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর দেওয়া কীওয়ার্ড গুলোর জন্য ওয়েবপেইজ অনুসন্ধান করে এবং সেইসব কীওয়ার্ড ধারণকারী ওয়েবপেইজগুলো ফলাফল হিসেবে উপস্থাপন করে। বর্তমানে গুগল সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সুপরিচিত সার্চ ইঞ্জিন। প্রথম অনুসন্ধান ইঞ্জিনটি “আর্কিকে” বিবেচনা করা হয়, যা এফটিপি ফাইল অনুসন্ধান করতে ব্যবহৃত হত। প্রথম টেক্সট ভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিনটি “ভেরোনিকা” হিসাবে বিবেচিত। সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরণ- Google, Bing and Yahoo! ইত্যাদি।
পাঠ মূল্যায়ন-
জ্ঞানমূলক প্রশ্নসমূহঃ
ক। ওয়েব ডিজাইন কী?
ক। ওয়েব বা WWW কী?
ক। ইন্টারনেট কী?
ক। ওয়েবপেইজ কী?
ক। ওয়েবসাইট কী?
ক। হোম পেইজ কী?
ক। ওয়েব পোর্টাল কী?
ক। ক্লায়েন্ট বা ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কী?
ক। সার্ভার বা সার্ভার কম্পিউটার কী?
ক। আপলোড কী?
ক। ডাউনলোড কী?
ক। ওয়েব ব্রাউজার কী?
ক। সার্চ ইঞ্জিন কী?
's ICT Care
♥আইসিটি বই এর কিছু পূর্ণরুপ
০১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
০২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol.
০৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure.
০৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource
Locator.
০৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
০৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized.
০৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity
Module.
০৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
০৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application
Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic
Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme (series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for
GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless Application
Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area
Network.
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.
♥♦কমিউনিকেশন সিস্টেম ও নেটওয়াকিং
Communication System & Networking
অধ্যায়ঃ দ্বিতীয়
টপিকসঃ১ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন সমূহ (৪)।
♥৫১. ইনফ্রারেড কত দূরত্বের মধ্যে ডেটা প্রেরণ করে?
উত্তরঃ- সাধারণত দশমিক ৭ থেকে ৩০০ মাইক্রোমিটার দূরত্বের ডিভাইসের মধ্যে ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
♦৫২. ওয়্যারলেস প্যান কী?
উত্তরঃ- ব্লুটুথ ও ইনফ্রারেডের মাধ্যমে হ্যান্ডসেট বা ল্যাপটপের মধ্যে যোগাযোগ পদ্ধতি হলো ওয়্যারলেস প্যান।
♦৫৩. ওয়্যারলেস ল্যান কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস ল্যান পদ্ধতিতে প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে একটি রেডিও মডেম এবং এন্টেনা থাকে যার সাহায্যে প্রতিটি কম্পিউটার অপর কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
♥৫৪. ওয়াইম্যাক্স কী?
উত্তরঃ- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি টেলিকমিউনিকেশন প্রোটোকল যা মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহ্রত হয়।
♦৫৫. রেডিওলিনজা কী?
উত্তরঃ- ১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি GSM2G অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যবসায়িকভাবে এবং GSM2G স্ট্যান্ডার্ডে 2G তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
♥৫৬. TDMA প্রযুক্তি কয়টি মহাদেশে ব্যবহ্রত হচ্ছে?
উত্তরঃ- TDMA প্রযুক্তি ইউরোপের হলেও ৬টি মহাদেশের প্রায় সকল দেশেই এ প্রযুক্তি ব্যবহ্রত হচ্ছে।
♥৫৭. CDMA প্রযুক্তি কোথায় ব্যবহ্রত হয়?
উত্তরঃ- প্রযুক্তি আমেরিকা ও এশিয়ার অংশ বিশেষে ব্যবহ্রত হয়।
♥৫৮. নেটওয়ার্ক কী?
উত্তরঃ- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুই বা ততোধিক কম্পিউটার একসাথে যুক্ত থাকে।
♥৫৯. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী?
উত্তরঃ- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হচ্ছে কতকগুলো ইন্টারফেস প্রোগ্রামের সমষ্টি যার মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা নেটওয়্যার্কের সাথে যুক্ত হয়ে নেটওয়্যার্কে বিদ্যমান বিভিন্ন সম্পদ ভাগাভাগি করতে পারে।
♥৬০. ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- যে পদ্ধতির মাধ্যমে যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে, প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠানে, এক দেশ হতে অন্য দেশে, তথ্য আদান প্রদান করা যায় তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বলা হয়।
♥৬১. ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কী?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে দূরবর্তী কোন কম্পিটারে ডেটা ট্রান্সমিট করতে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা-ই ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড।
♦৬২. কো-এক্সিয়াল কাকে বলে?
উত্তরঃ- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল চার স্তর বিশিষ্ট। এ ক্যাবল দুটো পরিবাহী বা কন্ডাক্টর ও অপরিবাহী বা পরা বৈদ্যূতিক পদার্থের সাহায্যে তৈরী।
♦৬৩. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল হলো দুটো পরিবাহী তামার তার যা এক সাথে সুষমভাবে প্যাঁচানো এবং তার দুটোকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ দ্বারা আবদ্ধ একটি পরিবাহী তার।
♥৬৪. অপটিক্যাল ফাইবার কী?
উত্তরঃ- অপটিক্যাল ফাইবার হলো সর্বপ্রথম আবিস্কৃত তার যার মধ্যে দিয়ে আলোকে তরঙ্গ প্রবাহিত হয়। অপটিক্যাল ফাইবার মূলত কোর, ক্লাডিং, এবং বাফার আবরণ এ তিনটি উপাদানে দিয়ে গঠিত।
♥৬৫. রেডিও ওয়েভ কাকে বলে?
উত্তরঃ- রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ হলো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বর্ণনালি।
♥৬৬. মাইক্রোওয়েভ কাকে বলে?
উত্তরঃ- মাইক্রোওয়েভ হলো এক ধরনের তরঙ্গ যা ১ মিলি মিটার থেকে ১ মিটার দৈর্ঘ্যওে হতে পারে। অথবা ০.৩ মেগাহার্জ থেকে ৩০০ গেগাহার্জ বিশিষ্ট কম্পাংক হতে পারে । মাইক্রোওয়েভের সাহায্যে ছবি, শব্দ, ও তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব।
♥৬৭. ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম এমন এক ধরনের নেটওয়ার্ক সিস্টেম যেখানে কোনো ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয় না। কাজেই বলা যায় এটি একটি তারবিহীন মাধ্যম।
♥৬৮. ব্লুটুথ কী?
উত্তরঃ- দুই বা ততোধিক যন্ত্রের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ পদ্ধতি হচ্ছে ব্লুটুথ। ব্লুটুথ হলো ক্ষুদ্র দূরত্বের জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি। টেলিকম ভেওর এরিকসন ১৯৯৪ সালে এটি উদ্ভাবন করেন এবং দশম শতাব্দীতে ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর ন্মা অনুসারে এ প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়।এটি ক্ষুদ্র পাল্লার বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।
♥৬৯. ওয়াই-ফাই কাকে বলে?
উত্তরঃ- ওয়াই-ফাই হলো একটি প্রচলিত তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার কওে তারবিহীন উচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে। ওয়াই-ফাই বলতে আমরা তারবিহীন লোক্যাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কে বুঝে থাকি, যা তৈরী করা হয়েছে ইন্সটিটিউট অফ ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারর্স।
♥৭০. মোবাইল যোগাযোগ কী?
উত্তরঃ- আমরা সবাই মোবাইল ফোন চিনি এবং ব্যবহার করে থাকি। মোবাইল ফোনকে সেলুলার ফোন বা সেলফোন বা মুঠোফোন বলে।
♥♦কমিউনিকেশন সিস্টেম ও নেটওয়াকিং
Communication System & Networking
অধ্যায়ঃ দ্বিতীয়
টপিকসঃ১ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন সমূহ (৩)।
♣৩১.বিট সিনক্রোনাইজেশন কাকে বলে?
উত্তরঃ- সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহ্রত পদ্ধতিকে বিট সিনক্রোনাইজেশন বলে।
♦৩২. এসিনক্রোনাস কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক থেকে গ্রাহকে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন হয় তাকে এসিনক্রোনাস বলে।
♦৩৩. সিনক্রোনাস কাকে বলে?
উত্তরঃ- ডেটাসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
♥৩৪. সিমপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- যে পদ্ধতিতে ডেটা শুধু এক দিক থেকে প্রেরণ করা যায় তাকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
♥৩৫. হাফ ডুপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- হাফ ডুপ্লেক্স মোড উভয় দিক থেকে আদান-প্রদানের ব্যবস্থা থাকে কিন্তু এক সাথে আদান-প্রদান সম্ভব নয়।
♥৩৬. ফুল ডুপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- ফুল ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডেটা উভয় দিকে প্রেরণ করা যায়। অর্থাৎ প্রেরণ ও প্রাপক উভয়ই এক সাথে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
♥৩৭. ইউনিকাস্ট মোড কাকে বলে?
উত্তরঃ- সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোড বলে।
♥৩৮. ব্রডকাস্ট মোড কী?
উত্তরঃ- নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোনো যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে সকল নোডই গ্রহন করে। যেমন-টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোনো অনুষ্ঠান সম্প্রচার করলে তা সকলেই দেখতে পারে।
♥৩৯. মাল্টিকাস্ট মোড কী?
উত্তরঃ- মাল্টিকাস্ট মোড নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে সকল নোডই গ্রহন করতে পারেনা। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রাহক বা সদস্য গ্রহন করতে পারে।
♦৪০. চ্যানেল কাকে বলে?
উত্তরঃ- প্রেরক কম্পিউটার ও প্রাপক কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য সংযোগ ব্যবস্থাকে চ্যানেল বলে।
♦৪১. ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম কী?
উত্তরঃ- চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত মাধ্যম বা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম বা মিডিয়া বলে।
♦৪২. কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের কয়টি অংশ?
উত্তরঃ- কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের অংশ ৪টি।
♣৪৩. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- দুটি পরিবাহী কপার বা তামার তারকে সুষমভাবে পেঁচিয়ে এ ধরনের ক্যাবল তৈরী করা হয়।
♣৪৪. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হচ্ছে কাঁচের তন্তুর তৈরী এক ধরনের ক্যাবল যার মাধ্যমে আলোর গতিতে ডেটা আদান প্রদান করা হয়।
♥৪৫. ওয়্যারলেস ডেটা কমিউনিকেশন কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস ডেটা কমিউনিকেশন মোবাইল কম্পিউটিং এর একটি সাধারণ উপাদান।
♣৪৬. বেতার তরঙ্গ কী?
উত্তরঃ- বেতার তরঙ্গ এক প্রকারের তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে সীমা মিলিমিটার থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
♦৪৭. ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ- সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
♦৪৮. মাইক্রোওয়েভ এর কাজ কী?
উত্তরঃ- কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থার মাধ্যমে মাইক্রোওয়েভের সাহায্যে প্রেরক ও গ্রাহক কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব।
♦৪৯. টেরিস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ কোন ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহ্রত হয়।
উত্তরঃ- টেরিস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে ভূ-পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার বসানো হয়। এতে মেগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি সীমার নিচের দিকে ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হয়।
♥৫০. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে কোন উপগ্রহের সহায়তা নিতে হয়?
উত্তরঃ- স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে যোগাযোগ উপগ্রহের সহায়তা নিতে হয়।
♦♦কমিউনিকেশন সিস্টেম ও নেটওয়াকিং
Communication System & Networking
অধ্যায়ঃ দ্বিতীয়
টপিকসঃ১ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন সমূহ (২)
♥১১. STP কী?
উত্তরঃ- STP হলো Shielded Twiested Pair ।
♦১২. ফটো ডিটিকটর কী?
উত্তরঃ- ফটো ডিটিকটর অপটিক্যাল ফাইবার থেকে ডেটা করে।
♥১৩. IC কী?
উত্তরঃ- IC হলো Integrated Circuit, এটি এক ধরনের চিপ।
♥১৪. হটস্পট কী?
উত্তরঃ- পরস্পর সংযুক্ত ইন্টারনেট প্রবেশ বিন্দু বা এক্সেস পয়েন্টগুলোকে হটস্পট বলে।
♥১৫. GPS কী?
উত্তরঃ- GPS হলো Global Positioning System এর সাহায্যে গাড়ির চালক, নৌকা ও জাহাজের নাবিক, বিমানের পাইলটের গতি জানা যায়।
♦১৬. মডেম কোন গতিতে ডেটা পাঠায়?
উত্তরঃ- মডেম bit per second গতিতে ডেট পাঠায়।
♠১৭. বেতার তরঙ্গ কত প্রকার?
উত্তরঃ- বেতার তরঙ্গ দুই প্রকার।
♣১৮. ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা কত?
উত্তরঃ- ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা মিলিওয়াট।
♣১৯. ইন্টারনেট কোন ধরনের টপোলজি?
উত্তরঃ- ইন্টারনেট হলো হাইব্রিড টপোলজি।
♦২০. জ্যাকেট এর ব্যাস কত?
উত্তরঃ- জ্যাকেট এর ব্যাস 8০০ মাইক্রোমিটার।
♥২১. IMSI কী?
উত্তরঃ- IMSI হলো স্যাটেলাইট ফোন ডিভাইসগুলোর একটি একক identity নম্বর। এর দ্বারা International Mobile Subscriber Identity বোঝানো হয়।
♣২২. WWAN কী?
উত্তরঃ- WWAN হলো Wireless Wide Area Network ।
♦২৩. কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান কী?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদানগুলো হলো কমিউনিকেশনের একটি পদ্ধতি যেমন-খেলাধুলা সম্প্রচার, গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা ইত্যাদি।
♥২৪. কমিউনিকেশন সিস্টেমের মৌলিক উপাদান কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেমের মৌলিক উপাদান পাঁচটি যথা-
১.উৎস
২.প্রেরক
৩.মাধ্যম
৪.গ্রাহক ব প্রাপক
৫. গন্তব্য।
♦২৫. মাধ্যম কাকে বলে?
উত্তরঃ- যার মাধ্যমে ডেটাসমূহ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয় তাকে মাধ্যম বলে।
♦২৬. প্রাপক কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে যন্ত্র ডেটা গ্রহণ করে তাকে প্রাপক বলে। প্রাপক যন্ত্র হিসেবে মডেম ব্যবহার করা হয়। গ্রাহক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে।
♥২৭. মডেম কিভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ- মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট প্রেরণ করে। গ্রাহক কম্পিউটারের ব্যবহারপোযোগী করে। প্রেরক ও গ্রাহক উভয় প্রান্তে মডেম ব্যবহার করেন।
♥২৮. কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেম হলো একক সংগ্রহ যা কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক, ট্রান্সমিশন, রিলে স্টেশন, উপকেন্দ্র ও ডেটা টার্মিনাল যন্ত্রপাতির সাথে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করা।
♦২৯. ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড কী?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
♥৩০. ব্যান্ড উইডথ কাকে বলে?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পি
♦♦কমিউনিকেশন সিস্টেম ও নেটওয়াকিং
Communication System & Networking
অধ্যায়ঃ দ্বিতীয়
টপিকসঃ১ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন সমূহ (১)
♥০১. v-32 কী?
উত্তরঃ- একটি সাধারন মডেম যা তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারের টেলিফোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌছে দেয়।
♠০২. ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা স্থানান্তরের গতি কত?
উত্তরঃ- ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা স্থানান্তরের গতি 45bps থেকে 300bps পর্যন্ত।
♣০৩. BPS কী?
উত্তরঃ- প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমান বিট ট্রান্সফার হয় তাকে bps দিয়ে bit per second বোঝান হয়।
♠০৪. থিকনেট কি?
উত্তরঃ- থিকনেট হলো ভারী ও নন ফ্লেক্সিবল মিডিয়া।
♣০৫. ভিডিও কনফারেনসি এ কোনো ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন করা হয়?
উত্তরঃ- মাল্টিকাস্ট মোড ব্যবহার করা হয়।
♦০৬. ক্লাডিং কী?
উত্তরঃ- ক্লাডিং অপটিক্যাল ফাইবারের একটি অংশ যা কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরী।
♥০৭. UTP কী?
উত্তরঃ- UTP হলো Unshielded Twisted Pair ।
♥০৮. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের ফ্রিকোয়েন্সি কত?
উত্তরঃ- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের ফ্রিকোয়েন্সি 0-5 MHZ
♥০৯. DECT কী?
উত্তরঃ- DECT হলো ডিজিটাল ইনহেন্স কর্ডলেস টেলিকমিউনিকেশন। এটি এক ধরনের কর্ডলেস ফোন।
♥১০. অ্যামচার কী?
উত্তরঃ- অ্যামচার এক ধরনের রেডিও সেবা।
♦♦অধ্যায় ১:তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত।
♣টপিকস ১:জ্ঞানমূলক প্রশ্ন সমূহ(৬)।
♥৫১।বুলেটিন বোর্ড কি?
উত্তরঃ বুলেটিন বোর্ড একটি শক্তিশালী বোর্ড, যা কেন্দ্রিয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারও টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
♦৫২। এক্সপার্ট সিস্টেম কী?
উত্তরঃ কোন বিষয়ের ওপর বিশাল তথ্য সংগ্রহ করে ঐ বিষয়ের ওপর যে কোন প্রশ্ন কম্পিউটার থেকে জেনে নেওয়ার ব্যবস্থ্য রাখা হয়। এ ধরনের ব্যবস্থ্যকে এক্সপার্ট সিস্টেম বলে।
♥৫৩। রিজার্ভেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ রিজার্ভেশন সিস্টেম হলো ইলেকট্রনিক উপায়ে আসন ব্যবস্থা কর।
৫৪। ইলেকট্রনিং ফান্ড ট্রান্সফার কী?
উত্তরঃ আধুনিক কম্পিউটার ব্যবস্থ্যয় টেলিফোন ও ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে দ্রুত অর্থ স্থানান্তর করা হয়। এ পদ্ধতিকে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বলে।
♥৫৫। ATM কী?
উত্তরঃ ATM দ্বারা বোঝায় Automated Teller machine. এটি একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়।
♦৫৬। ই- মেইল কী .?
উত্তরঃ ডেটা কমিউনিকেশন ই - মেইল হলো কম্পিউটার ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদনে ব্যবস্থা ।
♠৫৭। বিশ্বগ্রাম কী ?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যাবহারের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি সাধিত হচ্ছে । এখন মানুষ তাৎক্ষনিকভাবে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলতে পারে । বৈশিক যোগাগের এ ব্যবস্থাকে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম বলে ।
♠৫৮। ICT তে কর্মসংস্থানের একটি উদাহরণ দাও?
উত্তরঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক স্থান হতে অন্য স্থানে দ্রুত টাকা আদান-প্রদানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে কর্মসংস্থানের বহুমূখী ক্ষেত্র সুষ্টি হয়েছে। বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে মোবাইল ফোনের সেবা প্রদানে রিচার্জ করার জন্য প্রচুর লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
♥৫৯। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলতে কি বোঝ?
উত্তরঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশে মগ্ন হয়ে, বাস্তবতার অনুকরনে সৃষ্ট দৃশ্য উপভোগ করতে, সেই সাথে বাস্তবের ন্যায় শ্রবণানুভূতি এবং দৈহিক ও মানসিক ভাবাবেগ, উত্তেজনা, অনূভূতি প্রভৃতি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।
♥৬০। Artificial Intelligent বলতে কী বোঝ?
উত্তরঃ বুদ্ধিমত্তা চিন্তা করার ক্ষমতা প্রাণীর আছে কিন্তু জড়বস্তুর নেই। তবে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় যন্ত্রের মধ্যমে চিন্তা করার ক্ষমতা প্রদান করতে সমর্থ হয়েছেন। এটি মূলত Artificial Intelligent বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা। অন্যভাবে বলা যায় মানুষের চিন্তা-ভাবনাগুলো কৃত্তিম উপায়ে কম্পিউটারের মধ্যে রূপ দেয়াকে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
♦৬১। সাইবার ক্রাইম কী?
উত্তরঃ ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যে সকল ক্রাইম বা অপরাধ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার ক্রাইম বলে।
♣৬২। সফটওয়্যার পাইরেসি কী ?
উত্তরঃ প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমোতিতে কোন সফটওয়্যার কপি করা, নিজের নামে বিতরন করা কিংবা কোন প্রকারে পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলে।
♥৬৩। সাইবার আক্রমন কী ?
উত্তরঃ সাইবার আক্রমন হলো কোন কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রন অর্জনের প্রচষ্টা এবং কোন ব্যক্তি বা গ্রুপের অনুমতি ছাড়াই তাদের সমগ্র গতিবিধিকে ট্রাক করা অর্থ্যাৎ তাদের ফাইল, প্রোগ্রাম কিংবা হার্ডওয়্যার ধ্বংস বা ক্ষতির উদ্দেশ্য আক্রমন করা।
♥৬৪। হ্যাকিং কী ?
উত্তরঃ প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে অনুমতি ব্যাতীত কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার হতে প্রয়োজনীয় ফাইল চুরি করা কে হ্যাকিং বলে। যে এই কাজটি করে তাকে হ্যাকার বলে।
♥৬৫। কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে?
উত্তরঃ VIRUS এর পূর্ণনাম Vital Information Resource Under Seize । কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে এক ধরনের অনিষ্টকারী প্রোগ্রাম। ইহা কম্পিউটারের স্বাভাবিক প্রোগ্রামগুলোর কাজে বিঘ্ন ঘটায়। ভাইরাসের প্রথম ভয়ংকর দিকটি হচ্ছে এরা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অগোচরে নিজেরা নিজেদের কপি তৈরি করতে পারে। শুধু তাই নয়, এরা অন্য একটি প্রোগ্রামের সাথে সংযুক্ত হয়ে নিজেদের লুকিয়ে রাখতে পারে। ভাইরাস সাধারণত সিডি, ইমেইল বা কোন একটি প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে কম্পিউটারে ঢুকে তথ্য মুছে ফেলা থেকে শুরু করে, অপারেটিং সিস্টেম অকেজো করে দেওয়া বা মুছে ফেলা, অন্য সিস্টেমে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
♦♦অধ্যায় ১:তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত।
♣টপিকস ১:জ্ঞানমূলক প্রশ্ন সমূহ(৫)।
♥৪১। বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত সফটওয়্যার গুলো কী কী?
উত্তরঃ বায়োইনফরমেটিক্সের জন্য সাধারন ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো- Java C, C++, Python, SQL, C #, XML, Perl, CUDA, MATLAB, Spreadsheet applications (MS- Excel)
♥৪২। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কি?
উত্তরঃ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো জেনেটিক পরিবর্তন, যা বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে জীবদেহে পরির্বতন ঘটিয়ে থাকে।
♥৪৩। ন্যানো টেকনোলজি কি?
উত্তরঃ ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুত্তিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়। ন্যানো টেকনোলজি পদার্থকে আনবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রন করার বিদ্যা।
♥৪৪। ন্যানো প্রযুত্তির জনক কে?
উত্তরঃ রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানো প্রযু্ক্তির জনক বলা হয়।
♥৪৫। ন্যানোমিটার কাকে বলে?
উত্তরঃ এক মিটার এর ১,০০০,০০০,০০০ (১০০ কোটি) ভাগের ন্যানোমিটার বলা হয়।
♣৪৬। আধুনিক মোবাইল ফোনের সুবাদা কী?
উত্তরঃ আধুনিক মোবাইল ফোনগুলো বিভিন্ন ধরনের সেবা যেমন- মোবাইল থেকে ই-মেইল, ইন্টারনেট, এসএমএস, জিপিআরএস, এমএমএস, ভয়েস কল, মুহুর্তে মধ্যে টাকা পাঠানো ইত্যাদি নানামুখী সুবিদা প্রদান করছে।
♥৪৭। টেলি কনফারেন্সিং উদ্ভাবন করেন কে কত সালে?
উত্তরঃ মরি টারফ১৯৭৫ সালে টেলিকনফারেন্সিং উদ্ভাবন করেন।
♦৪৮। টেলিকনফারেন্সিং কত প্রকার?
উত্তরঃ টেলিকনফারেন্সিং ৩ প্রকার যথা- ১। পাবলিক কনফারেন্স
২। ক্লোজড কনফারেন্স।
৩। রিড অনলি কনফারেন্স।
♦৪৯। ভিডিও কনফারেন্সিং কী?
উত্তরঃ যে ব্যবস্থায় কনফারেন্সে অংশগ্রহনকারীরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের ছবি দেখতে পারে এবং কথোপকথন শুনতে পারে তাকে ভিডিও কনফারেন্স বলে।
♦৫০। ভিডিও কনফারেন্সিং সংযোগ কী লাগে।
উত্তরঃ ওয়েব ক্যামেরা, ভিডিও ক্যাপচার কার্ড সাউন্ড কার্ড স্পীকার, মাইক্রোফোন, মাল্টিমিডিয়া কম্পিউটার, মডেম, টেলিফোন লাইন/ ইন্টারনেট সংযোগ ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইত্যাদি।