07/05/2026
"বুনোফুল ফুটতে থাকুক জুম পাহাড়ের বুকে"
Featuring our students from the 6th batch of JUM Academy: Free Coaching for Indigenous Students who participated in the university admission test 2025-2026 and got the chance to get admitted at different public universities across Bangladesh.
We wish them a bright future, a warm congratulations to them and best wishes for the near future.
20/04/2026
"বুনোফুল ফুটতে থাকুক জুম পাহাড়ের বুকে"
Featuring our students from the 6th batch of JUM Academy: Free Coaching for Indigenous Students who participated in the Nursing admission 2025-2026 and got the chance to get admitted at different government nursing institutions across Bangladesh.
We wish them a bright future, a warm congratulations to them and best wishes for the near future.
05/04/2026
“বুনোফুল ফুটতে থাকুক, জুম পাহাড়ের বুকে”
Free Education Campaign for Indigenous Students-2026, প্রেননৈ শিক্ষালয়, ইয়াংরিং পাড়া, কুরুকপাতা, আলীকদম।
বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলার সীমান্তবর্তী কুরুকপাতা ইউনিয়নের একটি প্রান্তিক ও দুর্গম গ্রাম ইয়াংরিং পাড়া। ম্রো আদিবাসী জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত গ্রাম প্রায় বছর খানেক আগে আলীকদমের ৩৬টি পাড়াবাসীদের অর্থায়নে ও সার্বিক সহযোগিতায় প্রেননৈ শিক্ষালয় স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এ স্কুলে প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থাসহ স্কুল পরিচালনার সার্বিক খরচ পাড়াবাসীর সহায়তা ও শিক্ষার্থীদের থেকে নামমাত্র অর্থ থেকেই আসে।
ইয়াংরিং পাড়ায় ২০১৪ সালে ইয়াংরিং মাংক্রাত কারবারি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয় এবং পরবর্তীতে ২০১৭ সালে সরকারিকরণ করা হয়। কিন্তু সরকারি স্কুলের নানা অব্যবস্থাপনা ও শিক্ষক, স্কুল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে সেখানে শিক্ষার্থী সংখ্যা কম এবং অনেক অভিভাবকই নতুন নির্মিত প্রেননৈ শিক্ষালয়কে পছন্দ করে নিজেদের সন্তানদের সেখানে ভর্তি করিয়ে দেয়। প্রেননৈ স্কুলে ১৫০ শিক্ষার্থীর জন্যে মাত্র ৩ জন শিক্ষক নিয়োজিত। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকলেও, অর্থনৈতিক বাস্তবতা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণে অভাব ও খাবার সংকটের মধ্যে থেকেই সবকিছু চালিয়ে যেতে হয়। পাড়াবাসীর উপার্জনের প্রধান উৎস জুমচাষ। এছাড়াও পানি সংকটের কারণে প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে শিক্ষার্থীদের অসুখ ও নানা রোগের সাথে মোকাবিলা করতে থাকা লাগে।
জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের যৌথ উদ্যোগে গত ১৫ মার্চ হতে ১৯ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রেননৈ শিক্ষালয়ে শিক্ষা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। ক্যাম্পেইন সম্পন্ন করতে স্কুলের পরিচালক, শিক্ষকবৃন্দ ও স্থানীয় পাড়াবাসী বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দিয়ে পাশে ছিলেন। জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
জুম একাডেমি ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার
Dhaka University Jumma Students Family
05/04/2026
“বুনোফুল ফুটতে থাকুক, জুম পাহাড়ের বুকে”
Free Education Campaign for Indigenous Students-2026, বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বগাখালী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুমদুম্যা, জুরাছড়ি।
রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি উপজেলার ৪ নং দুমদুম্যা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম বগাখালী। এ এলাকায় একটা জুনিয়র হাই স্কুল ও একটা প্রাইমারি স্কুল আছে। তবে দুইটাই বেসরকারি এবং স্কুলগুলো গ্রামবাসীদের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ, কিন্তু প্রান্তিক-দুর্গম ও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে যথাযথ আধুনিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়াও দক্ষ শিক্ষক পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকায় মাত্র কয়েকজন শিক্ষক দিয়ে দুই স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের এবারের শিক্ষা ক্যাম্পেইনে একটি টিম বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বগাখালী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ১৭ মার্চ হতে ২১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে। এসময় একাডেমিক পাঠদান, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণীসহ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পেইন সম্পন্ন করতে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ নানাভাবে সহযোগী হয়েছেন এজন্য আমরা সকলকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
জুম একাডেমি ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার
Dhaka University Jumma Students Family
04/04/2026
"বুনোফুল ফুটতে থাকুক, জুম পাহাড়ের বুকে"
Free Education Campaign for Indigenous Students-2026, উজাংছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভূষণছড়া, বরকল।
উজাংছড়ি (উজ্জেংছড়ি) রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। এ এলাকায় একমাত্র জুনিয়র হাই স্কুল উজাংছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় যেখানে ৫-৭ জন শিক্ষক নিজ এলাকারই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার আলো জ্বালানোর তাগিদে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক সংকট খুবই প্রকট। গ্রামবাসীর জন্যে জুম চাষই প্রধান আয়ের উৎস, কিন্তু চাষযোগ্য জমির পরিমাণ খুবই কম। ধান চাষ করা গেলেও বছরে মাত্র এক মৌসুম করা যায়, কারণ বর্ষা মৌসুমে কাপ্তাই লেকে পানি বেড়ে যায়। এছাড়া পানির সংকট ও বিদ্যুতের অভাবও সেখানে তীব্র। তারা ঝিরির পানি দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
এলাকার ১৫০ জন পরিবারের সম্মিলিত অর্থে ২০২৩ সালে এই নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যেখানে পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন স্কুলে আসে সকালবেলা খেয়ে অথবা না খেয়ে।
জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের উদ্যোগে এবারের শিক্ষা ক্যাম্পেইন উজাংছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ১৯ মার্চ হতে ২২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে স্থানীয় গ্রামবাসী, এলাকার সচেতন তরুণ সমাজ ও স্কুল শিক্ষকবৃন্দ নানাভাবে সহযোগিতা দিয়েছেন। আমরা তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী আগামীতেও এ স্কুলে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করার প্রচেষ্টা থাকবে।
জুম একাডেমি ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার
Dhaka University Jumma Students Family
03/04/2026
"বুনোফুল ফুটতে থাকুক, জুম পাহাড়ের বুকে"
Free Education Campaign for Indigenous Students-2026, থোয়াইংগ্য পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুহালং, বান্দরবান।
জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের যৌথ উদ্যোগে এবারের এডুকেশন ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে বান্দরবান সদর থেকে আনুমানিক ৫ কিলোমিটার দূরে কুহালং ইউনিয়নের থোয়াইংগ্য পাড়ায় ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। গ্রামের একমাত্র স্কুল থোয়াইংগ্য পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৫-৪০ জন শিক্ষার্থী বর্তমানে অধ্যয়ন করছে। ক্যাম্পেইন টিম গত ১৮ মার্চ হতে ২১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত পাঠদান, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, খেলাধুলা, শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সেমিনার আয়োজন করে।
আমাদের ক্যাম্পেইন টিমের কার্যক্রম সফল করতে গ্রামের কার্বারী-ইউনিয়ন মেম্বার, অভিভাবকবৃন্দ ও তরুণ সমাজ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দিয়েছেন। আমরা তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
জুম একাডেমি ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার
Dhaka University Jumma Students Family
02/04/2026
“বুনোফুল ফুটতে থাকুক, জুম পাহাড়ের বুকে”
Free Education Camapaign for Indigenous Students-2026, মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাকুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি।
জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের যৌথ উদ্যোগে এবারের শিক্ষা ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার দুইটি স্কুলে শিক্ষা সেমিনার আয়োজন করা হয়। তার মধ্যে একটি মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং অপরটি সারোয়াতলী ইউনিয়নের পাকুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেমিনার আয়োজনে দুই স্কুলের শিক্ষক, স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে পাশে ছিলেন। আমরা তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
জুম একাডেমি ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার
২ এপ্রিল ২০২৬
01/04/2026
“বুনোফুল ফুটতে থাকুক, জুম পাহাড়ের বুকে”
Free Education Campaign for Indigenous Students-2026, ক্রংলেং পাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুরুকপাতা, আলীকদম, ১৭ মার্চ–২২ মার্চ ২০২৬
কুরুকপাতা ইউনিয়ন, বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলার একটি সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন। এ ইউনয়নের প্রান্তিক ও দুর্গম একটি গ্রাম হলো ক্রংলেং পাড়া। গ্রামে প্রায় ৭০ ম্রো আদিবাসী পরিবারের বসবাস। গ্রামবাসীদের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এবং নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত এ এলাকার একমাত্র স্কুল ক্রংলেং পাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যেখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০-এর বেশি হলেও পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় শুধুমাত্র তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। স্কুল পরিচালনাসহ ১ জন শিক্ষকের বেতন গ্রামবাসীদের সহযোগিতা থেকে আসে। পর্যাপ্ত শিক্ষক ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে এ গ্রামের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত বাস্তবতা অনেক পিছিয়ে আছে। এলাকার মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থা অনুন্নত এবং অধিকাংশই জুম চাষের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। অন্যান্য উপার্জনের উৎস প্রায় নেই বললেই চলে তাই গ্রামবাসীদের অর্থনৈতিক সংকট চরম পর্যায়ে। তার বিপরীতে নিজেদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার তীব্র ইচ্ছাই তাদেরকে স্বউদ্যোগে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে প্রেরণা দেয়।
পাহাড়ের বাস্তবতা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়—শিক্ষা এখনও সবার জন্য সমানভাবে পৌঁছে যায়নি। যেখানে লুকিয়ে আছে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, অবহেলা এবং উন্নয়ন বৈষম্যের গল্প। শিক্ষা, যা একটি সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার মূল চালিকাশক্তি, তা এখনও পাহাড়ের প্রতিটি শিশুর কাছে সমানভাবে পৌঁছাতে পারেনি। দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান, পর্যাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের অভাব, অর্থনৈতিক সংকট এবং নানা সামাজিক রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা এই পথকে আরও কঠিন করে তুলেছে। তবুও এসব সীমাবদ্ধতার মাঝেও পাহাড়ি শিশুদের শেখার প্রতি অদম্য আগ্রহ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তাদের নিষ্পাপ চোখে লুকিয়ে থাকা স্বপ্ন, নতুন কিছু জানার আকাঙ্ক্ষা এবং জীবনে এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় আমাদেরকে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের কথা বারবার মনে করিয়ে দেয়।
জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের যৌথ উদ্যোগে এবারের শিক্ষা ক্যাম্পেইনে ক্রংলেং পাড়ায় গত ১৭ মার্চ হতে ২২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষা ক্যাম্পেইন, শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা, পুরস্কার বিতরণী ও সেমিনার পরিচালনা করা হয়। ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে গ্রামের অভিভাবক, স্কুলের শিক্ষক ও কার্বারী-মুরুব্বিসহ বিভিন্ন সচেতন ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতা ছিল। আমরা তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
জুম একাডেমি ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার
১ এপ্রিল ২০২৬
Dhaka University Jumma Students Family
31/03/2026
“বুনোফুল ফুটতে থাকুক, জুম পাহাড়ের বুকে”
Free Education Campaign for Indigenous Students-2026, ডুলুছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বড় হরিণা, বরকল, রাঙ্গামাটি- ১৯ মার্চ-২২ মার্চ ২০২৬।
রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলার বড় হরিণা ইউনিয়নের একটি সীমান্তবর্তী গ্রাম ডুলুছড়ি (কুকিছড়া)। সেখানকার এলাকার মানুষের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত স্কুল ডুলুছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ স্কুলটি ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এলাকার প্রান্তিকতা, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সরকারি সুযোগ-সুবিধার অভাবে স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখনও পর্যন্ত অধরায় রয়েছে। প্রায় ৩৫ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে বর্তমানে সেখানে ৫ জন স্কুল শিক্ষক নিয়োজিত এবং স্কুল পরিচালনা ও শিক্ষকদের বেতন সবকিছু স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা থেকে আসে। স্কুল পরিচালনা কমিটিই যাবতীয় সবকিছুর তত্ত্বাবধান করে থাকে।
আধুনিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ না থাকা এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় শিক্ষার্থীদের বেসিক অনেক দুর্বল। যেহেতু সেখানকার বাসিন্দারা জুম চাষ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে যুক্ত, শিক্ষার চেয়ে জুম চাষ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতার কাজেই অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের বেশি উৎসাহিত করে থাকেন। ছেলে শিক্ষার্থীরা একটু বড় হলেই তারা আয় রোজগারের সাথে যুক্ত হয় যা তাদের মধ্যে পড়ালেখার সাথে দূরত্ব সৃষ্টি করে। এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দা জুম চাষী। জুমচাষ ভিন্ন তাদের অন্য কোনো উৎপাদন ব্যবস্থা না থাকায় আর্থিকভাবে সেখানকার বাসিন্দারা খুব স্বচ্ছল না। বছরের একটা সময় বর্ষার মৌসুমে তাদের বাড়ি ঘর সব পানিতে ডুবে যায়। কড়া গ্রীষ্মের মৌসুমে পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়।
জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের উদ্যোগে এবারের শিক্ষা ক্যাম্পেইনে একটি টিম ডুলুছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ১৯ মার্চ হতে ২২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষা ক্যাম্পেইন, বিভিন্ন সহ-শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা ও সেমিনার পরিচালনা করে। এ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে স্কুলের শিক্ষক, স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকের উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা ছিল। আমরা তাদের সকলকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি প্রবল উৎসাহ বলে দেয়, তারা যদি আরেকটু সুযোগ-সুবিধা পায় তবে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে।
জুম একাডেমি ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার
৩১ মার্চ ২০২৬
Dhaka University Jumma Students Family
29/03/2026
“বুনোফুল ফুটতে থাকুক, জুম পাহাড়ের বুকে”
Free Education Campaign for Indigenous Students-2026, লাংকম পাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুরাবী ভাষা থারকিম ও জয়চন্দ্র ত্রিপুরা পাড়া, সরই, লামা, ১৭ মার্চ – ২৩ মার্চ ২০২৬
বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের তিনটি দুর্গম গ্রাম লাংকম পাড়া, রেংয়েন পাড়া ও জয়চন্দ্র ত্রিপুরা পাড়া। তিন গ্রামে যথাক্রমে লাংকম পাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুরাবী ভাষা থারকিম ও জয়চন্দ্র ত্রিপুরা পাড়া স্কুল নামে তিনটা স্কুল আছে। এলাকার মানুষদের নিজস্ব অর্থায়নে প্রত্যেক স্কুল পরিচালনা করা হয়। তবে তিন গ্রামেরই পরিবার সংখ্যা অনুযায়ী উত্তোলিত অর্থ দিয়ে স্কুলগুলোর খরচ চালাতে অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার এবং একইসাথে গ্রামবাসীর আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার যে সংকট সব মিলিয়ে সেখানকার কোমলমতি শিশুদের আধুনিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থেকে দূরে রেখেছে। এছাড়াও পানির সংকট, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, দক্ষ ও পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব ইত্যাদি সমস্যা তো রয়েছেই।
বর্তমানে লাংকম পাড়া স্কুলে মোট ৭ জন শিক্ষার্থী, রেংয়েন পাড়া স্কুলে ২২ জন এবং জয়চন্দ্র ত্রিপুরা পাড়া স্কুলে ২৬ জন শিক্ষার্থী আছে এবং প্রত্যেক স্কুলে ১ জন করে শিক্ষক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। গ্রামের বাসিন্দাদের আর্থ-সামাজিক ও শিক্ষাগত বাস্তবতা প্রান্তিক হওয়া এবং অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে তিন গ্রামে শিশুদের পড়াশোনার প্রতি অনেক আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তারা পর্যাপ্ত হারে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে না।
জুম একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবারের যৌথ উদ্যোগে এবার আয়োজিত ক্যাম্পেইনে ৬ জনের একটি টিম এই তিন গ্রাম গত ১৭ মার্চ হতে ২৩ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষা ক্যাম্পেইন, সহ-শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা, শিক্ষা সামগ্রী ও পুরস্কার বিতরণ ও বিভিন্ন খেলাধুলা পরিচালনা করে। ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে তিন গ্রামের শিক্ষকবৃন্দ, কার্বারী ও অন্যান্য সচেতন ব্যক্তিবর্গ নানাভাবে আমাদের টিমকে সহযোগিতা দিয়েছেন। আমরা তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
জুম একাডেমি ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুম্ম শিক্ষার্থী পরিবার
২৯ মার্চ ২০২৬
Dhaka University Jumma Students Family