30/12/2025
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন আল্লাহ তা'আলা যেন বেগম জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন আমিন।
Education, Quality education is serving.
30/12/2025
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন আল্লাহ তা'আলা যেন বেগম জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন আমিন।
16/12/2025
আজ মহান ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবময় একটি দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা অর্জন করি চূড়ান্ত বিজয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাই ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা শুধু একটি আনুষ্ঠানিক বার্তা নয়—এটি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং প্রিয় মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ।গিফ্টের বাস্কেট
বিজয়ের এই দিনে লাল-সবুজের পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে আমরা স্মরণ করি সেই অমর ত্যাগ, যে ত্যাগ আমাদের দিয়েছে স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার, নিজের পরিচয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচার শক্তি। আজকের বাংলাদেশকে আরও সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ করার শপথ নেওয়ারও দিন এই বিজয় দিবস। তাই আসুন, বিজয়ের চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা—
শুভ বিজয় দিবস ২০২৫
27/11/2025
Students left the hall with smiling faces after the exam"
17/11/2025
চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণি 'ঘ' শাখার ((দিবা বিভাগ) শিক্ষার্থী আহনাফ জারীফ জায়ান গত ১৫.১১.২৫ খ্রি. শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ হয়েছে।সে এখনও পর্যন্ত বাসায় ফিরে যায়নি।কেউ তাকে দেখে থাকলে বা সন্ধান পেলে ছবিতে প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
প্রধান শিক্ষক
15/11/2025
14/11/2025
ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে.......
দেড়যুগ ফুর্তি উপলক্ষে ভর্তিতে ৫০% ছাড়!
আসন সংখ্যা সীমিত। শিক্ষক অনুপাত শিক্ষার্থী = ১ : ৩৫
ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শেষকরা হয়।
দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পাঠদান করা হয়।
চট্টগ্রামে সরকারি কলেজ, ক্যাডেট কলেজের শিক্ষক
দ্বারা পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
বি:দ্র: চাকরিজীবীদের জন্য সপ্তাহের ছুটির দিনও অফিস
(সকাল ৯:০০ টা -৩:৩০ টা পর্যন্ত ) খোলা।
বার্ষিক ক্লাসপার্টি ও ক্রীড়াপ্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান ২০২৫ ইং
12/10/2025
*****টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন - ২০২৫ ইং ****
এ বারের স্লোগান হল...
*** টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে টিকা নেবো দল বেঁধে ***
স্থান: চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ত কলেজ
পুরাতন চান্দগাঁও, ,চট্টগ্রাম।
সকল অভিভাবক নিজ নিজ সন্তানদের টিকা নিতে সোচ্চার ছিলেন।
সকল সরকারি কর্মচারি ও অভিভাবকদের আন্তরিক ধন্যবাদ।
পক্ষে চট্টগ্রাম ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ
সাপের এন্টিভেনম মূলত ককটেল জাতীয় হয়। আপনাকে যে বিষধর সাপেই কামড় দিক, এন্টিভেনম একই।
তাই সাপ চেনা জরুরী না৷ ওঝার কাছে না গিয়ে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া জরুরী।
( বাংলাদেশে মোট ৪ প্রকার বিষধর সাপের কামড় লক্ষ্য করা যায়।
১.পদ্ম গোখরা ( নিউরোটক্সিন)
২.খয়া গোখরা ( নিউরোটক্সিন)
৩. কালাচ ( নিউরোটক্সিন)
৪. রাসেলস ভাইপার ( হেমোটক্সিন)
এই চার প্রকার সাপের ভেনম সংগ্রহ করে একসাথে এন্টিভেনম তৈরি করা হয়৷ সুতরাং, আপনাকে যে সাপেই কামড় দিক,ওষুধ একই।
উপরের চারটি সাপ বাদেও আমাদের দেশে শঙ্খচূর নামে ( ব্রান্ডেড ক্রেইট) কালো হলুদ ব্রান্ড করা একটা সাপ পাওয়া যায় যেটা মারাত্মক বিষধর। কিন্তু এযাবৎকালে এই সাপের কামড়ের কোন নজির নেই৷ এটা কাউকে কামড় দেয় না।
* সাপে কামড় দিলে হাত পায়ে বা শরীরের যেকোন স্থানে বাধন দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই৷ এতে উপকার হয় ই না,বরং আপনার বাধন দেওয়া অঙ্গে রক্ত চলাচলে অসুবিধার কারনে অঙ্গটি নষ্ট হতে পারে৷ ( রাসেলস ভাইপার এর কামড়ে হেমোটক্সিন বিষের প্রভাবে অঙ্গহানী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে)
* আক্রান্ত স্থান ব্লেড দিয়ে চিড়ে দেওয়ার কোন দরকার নেই। এতে রোগী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যেতে পারে।
* সাপ কামড় দিলে আতঙ্কগ্রস্থ হওয়ার কিছু নেই। সঠিক সময়ে এন্টিভেনম নিলে বাঁচার সম্ভাবনা প্রায় ১০০%।
আতঙ্কগ্রস্থ হলে হার্ট ফেইলার হয়ে আপনি মারা যেতে পারেন।
* কালাচ সাপের কামড়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়৷ এরা রাতে মানুষের বিছানার পাশে চলে আসে। এদের বিষে জ্বালা যন্ত্রণা করে না এবং কামড় দিলে চিহ্ন ঠিকভাবে বোঝা যায় না ( বিষদাঁত খুব ছোট) বলে মানুষ বুঝতে পারে না তার সাপে কামড় দিয়েছে। তাই মেঝেতে ঘুমাবেন না,মশারী লাগিয়ে ঘুমাবেন।
*** সর্বোপরি যে সাপেই কামড় দিক,ওঝার কাছে কখনই যাবেন না।
মনে রাখবেন, একমাত্র এন্টিভেনমই আপনাকে বাঁচাতে পারে৷ তাছাড়া দুনিয়ার আর কিছুই আপনাকে সাপের কামড় থেকে বাঁচাতে পারবে না৷
সংগৃহীত।।
আমরা সবাই যদি স্ট্রোক চেনার এই ছোট্ট কৌশলটা শিখে ফেলি, হয়তো একদিন সেটা আমাদের প্রিয়জনের জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন—স্ট্রোকের পর প্রথম ৩ ঘণ্টা হচ্ছে “গোল্ডেন টাইম”। এই সময়ের মধ্যে রোগীকে হাসপাতালে নিতে পারলে অনেক সময় সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব।
কিন্তু এর জন্য প্রথমে চেনা শিখতে হবে।
স্ট্রোক চেনার সহজ ৩ ধাপ – S T R
যখন সন্দেহ হবে, রোগীকে এই তিনটি কাজ করাতে বলুন—
1. S – Smile
তাঁকে হাসতে বলুন। মুখের একপাশ বেঁকে গেলে সতর্ক হন।
2. T – Talk
তাঁকে একটি সহজ বাক্য বলতে বলুন, যেমন:
> “আজকের দিনটা সুন্দর।”
কথা জড়িয়ে গেলে, ভুল উচ্চারণ হলে সতর্ক হন।
3. R – Raise both hands
তাঁকে দুই হাত একসাথে তুলতে বলুন। এক হাত দুর্বল হয়ে নামতে থাকলে দেরি না করে হাসপাতালে নিন।
---
আরেকটি বাড়তি টিপস – Tongue (জিভ)
যদি সুযোগ থাকে, রোগীকে জিভ বের করতে বলুন।
জিভ যদি বেঁকে একদিকে চলে যায়, তাও স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে।
---
আপনার করণীয়
📌 S, T, R – এই তিন ধাপ মনে রাখুন।
📌 যে কোনও একটি পরীক্ষায় সমস্যা হলে সময় নষ্ট করবেন না।
📌 সরাসরি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং ডাক্তারকে বিস্তারিত বলুন।
-খনার চিকিৎসা বচন (১)
“মাংসে মাংস বৃদ্ধি, ঘিতে বৃদ্ধি বল
দুধে বীর্য বৃদ্ধি, শাকে বৃদ্ধি মল”
অর্থ:
মাংস খেলে মাংস বাড়ে,
ঘি খেলে শরীরে বল আসে।
দুধ খেলে বীর্য বৃদ্ধি হয়,
আর শাক খেলে পেট পরিষ্কার থাকে।
খনার চিকিৎসা বচন (২)
“রসুনে রক্ত, আদায় গতি,
হলুদের গুণ ধরে না স্মৃতি।
তুলসী পাতায় কাশি যায়,
পেঁয়াজ খেলে যৌবন চায়।”
অর্থ:
রসুন রক্ত পরিষ্কার করে, আদা হজম বাড়ায়,
হলুদ রোগ প্রতিরোধে কার্যকর, তুলসী কাশি সারায়।
পেঁয়াজ খেলে যৌনশক্তি বাড়ে।
খনার চিকিৎসা বচন (৩)
“কাঁচা আমে পেটের শান্তি,
পাকা আমে রসের ভাঁড়।
বেলের শাঁসে পেটের জাদু,
তেঁতুল খেলে মুখে ছাঁদ।”
অর্থ:
কাঁচা আম হজমে সহায়ক, পাকা আম শক্তি দেয়,
বেল পেট পরিষ্কার করে,
তেঁতুল মুখে স্বাদ বাড়ায়।
খনার চিকিৎসা বচন (৪)
“ধনে পাতা গরম কমায়,
পুদিনা মুখ ঠান্ডা চায়।
লেবুতে মল, কচুতে রক্ত,
এই সবজিতে জীবন শক্ত।”
অর্থ:
ধনে গরম কমায়, পুদিনা ঠান্ডা দেয়,
লেবু হজমে সহায়, কচু রক্ত বাড়ায়।
খনার চিকিৎসা বচন (৫)
“তেঁতুল দিলে মুখে রস,
পাকা কলায় চলে গস।
নিম পাতা করে শোধন,
তুলসী পাতায় হয় রোগ ক্ষয়ন।”
অর্থ:
তেঁতুল মুখে টক-মিষ্টি স্বাদ আনে,
পাকা কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
নিম পাতা রক্ত পরিশোধ করে,
তুলসী রোগ প্রতিরোধে সহায়।
খনার চিকিৎসা বচন (৬)
“আদায় গরম, রসুনে বল,
মেথি খেলে কমে কল।
চিরতা জলে পিত্ত ধোয়,
তেতো কাহার কভু ক্ষয়?”
অর্থ:
আদা গরম, রসুন শক্তিদায়ক,
মেথি গ্যাস-অম্বল কমায়।
চিরতা পিত্ত দূর করে,
আর তেতো শরীরের রোগ কমায়।
খনার চিকিৎসা বচন (৭)
“কচুতে রক্ত, চাল কুমড়ো ঠান্ডা,
তালের রসে শীতল ফাঁদা।
আনারসে গ্যাসে শান্তি,
দুধে খেলে শরীর ভারী।”
অর্থ:
কচু রক্ত বাড়ায়, চাল কুমড়ো ঠান্ডা দেয়,
তালের রস ঠান্ডা রাখে, আনারস গ্যাস কমায়।
দুধ শরীর মজবুত করে।
খনার চিকিৎসা বচন (৮)
“মধু মুখে দিলে জ্বালা যায়,
তিলের তেলে চুলে আয়।
লাউয়ে জ্বর, করলাতে পিত্ত,
জ্বরের দিনে করো না হিত।”
অর্থ:
মধু মুখ ঠান্ডা রাখে,
তিলের তেল চুলে দিলে উজ্জ্বল হয়।
লাউ জ্বর কমায়, করলা পিত্ত দূর করে,
তবে জ্বরে করলা খাওয়া ঠিক নয়।