Story_of_Biology

Story_of_Biology � The choice depends on your mentality... Depends on how far you want to go on life.. �

হৃৎপিণ্ড
17/08/2026

হৃৎপিণ্ড

খাদ্যে ভেজালনিরাপদ পানি সংকট এখন আবার মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ২৬টি টুথপেস্ট এ। কোনো কিছুই নিরাপদ নেই এই দেশে। মাইক্...
27/07/2026

খাদ্যে ভেজাল
নিরাপদ পানি সংকট
এখন আবার মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ২৬টি টুথপেস্ট এ। কোনো কিছুই নিরাপদ নেই এই দেশে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া ২৬টি টুথপেস্ট ও কণার পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রামে):

১. মেডিপ্লাস ফ্লুরাইড জেল — ৩২০টি কণা
২. ক্লোজ আপ রেড হট — ১৬০টি কণা
৩. ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ — ১৬০টি কণা
৪. কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি) — ১৪০টি কণা
৫. সিগন্যাল গ্রিন টি — ১২০টি কণা
৬. পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট — ১০০টি কণা
৭. হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার — ১০০টি কণা
৮. সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্ট — ৮০টি কণা
৯. পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্ট — ৬০টি কণা
১০. হোয়াইট প্লাস রেড — ৬০টি কণা
১১. হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ জেল — ৬০টি কণা
১২. মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি) — ৬০টি কণা
১৩. সিগন্যাল হোয়াইটেনিং — ৬০টি কণা
১৪. মেডিপ্লাস টিজিপি ফর্মুলা — ৬০টি কণা
১৫. এএম.পিএম. হার্বাল টুথপেস্ট — ৪০টি কণা
১৬. মেডিপ্লাস ডিএস — ৪০টি কণা
১৭. পেপসোডেন্ট জার্মিচেক+ — ৪০টি কণা
১৮. মেরিল বেবি (অরেঞ্জ) — ৪০টি কণা
১৯. ম্যাজিক হার্বাল — ৪০টি কণা
২০. মেসবাক — ৪০টি কণা
২১. ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ (স্যাশে) — ৪০টি কণা
২২. ডেন্টিন জেল টুথপেস্ট — ২০টি কণা
২৩. পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ) — ২০টি কণা
২৪. ক্লোজ আপ লেমন সি সল্ট — ২০টি কণা
২৫. ব্রাশ আপ হোয়াইটেনিং জেল — ২০টি কণা
২৬. হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ — ২০টি কণা

যে ৮টি টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি:

✅ জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)
✅ প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি – ম্যাঙ্গো (দেশীয় ব্র্যান্ড)
✅ ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)
✅ প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)
✅ সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)
✅ কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)
✅ কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)
✅ কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)

মাত্র ১৭ বছর বয়স। কিন্তু এই বয়সেই এমন একটি উদ্ভাবন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের শি...
17/07/2026

মাত্র ১৭ বছর বয়স। কিন্তু এই বয়সেই এমন একটি উদ্ভাবন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের শিক্ষার্থী ডাসিয়া টেইলর।

তার তৈরি স্বল্পমূল্যের অস্ত্রোপচারের সেলাইয়ের সুতা ক্ষতস্থানে সংক্রমণ শুরু হলে নিজেই রং বদলে সতর্ক সংকেত দিতে পারে!

ডাসিয়ার এই উদ্ভাবনের পেছনে ছিল একটি বাস্তব সমস্যা। তিনি জানতে পারেন, অনেক রোগীর পক্ষে অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যয় বহন করা সম্ভব হয় না। সেই সমস্যাকে বাধা হিসেবে না দেখে তিনি এর সহজ ও সাশ্রয়ী সমাধান খুঁজতে শুরু করেন।

হাই স্কুলে পড়ার সময়ই তিনি বিটরুটের রস দিয়ে রঞ্জিত বিশেষ ধরনের অস্ত্রোপচারের সেলাইয়ের সুতা তৈরি করেন। এই সুতা ক্ষতস্থানে সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে রং পরিবর্তন করে চিকিৎসক ও রোগীকে আগাম সতর্ক করতে পারে।

এর পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হলো- সংক্রমণ শুরু হলে ক্ষতস্থানের অম্ল-ক্ষার ভারসাম্য বা পিএইচ পরিবর্তিত হয়। সেই পরিবর্তনের প্রভাবে বিটরুটের রসে রঞ্জিত সুতার উজ্জ্বল লাল রং ধীরে ধীরে গাঢ় বেগুনিতে পরিণত হয়। ফলে সংক্রমণ দ্রুত শনাক্ত করে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ডাসিয়ার উদ্ভাবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর স্বল্প ব্যয়। তিনি এমনভাবে এটি তৈরি করতে চেয়েছেন, যাতে ব্যয়বহুল চিকিৎসা প্রযুক্তি সহজলভ্য নয়- এমন এলাকাগুলোর মানুষও এর সুবিধা পেতে পারেন। ©

নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞানের কিছু চিত্রের অঙ্কিতরূপ:
10/12/2025

নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞানের কিছু চিত্রের অঙ্কিতরূপ:

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে আবেদনের ক্ষেত্রে এসএসসি, এইচএসসি ও সেকেন্ড টাইম সংক্রান্ত তথ্যসমূহ।
19/10/2025

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে আবেদনের ক্ষেত্রে এসএসসি, এইচএসসি ও সেকেন্ড টাইম সংক্রান্ত তথ্যসমূহ।

27/08/2025


তোমরা যারা মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দিবে তারা এই এনালাইসিসটা দেখে রাখতে পারো।
প্রশ্ন প‍্যাটার্ন সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবে ইনশাআল্লাহ।

PDF link :
https://drive.google.com/file/d/1cAMm4WFoVAkjHe5-u25HkwUuPftWKHQD/view?usp=drivesdk

26/08/2025

*** "পুরো একটি জেনারেশন PCOS-এ ভুগছে" কথাটি একটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মানে হলো:

​ব্যাপকতা: এটি বোঝায় যে PCOS বা পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম এখন অনেক বেশি প্রচলিত একটি সমস্যা। অর্থাৎ, শুধুমাত্র অল্প কিছু সংখ্যক নারী নয়, বরং একই বয়সের বা একই সময়ের (একই জেনারেশন) অসংখ্য নারী এই সমস্যায় আক্রান্ত।

​সচেতনতা বৃদ্ধি: এর মাধ্যমে এটাও বোঝানো হতে পারে যে, মানুষ এখন PCOS সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন। আগে হয়তো এই সমস্যাটি ঠিকমতো ধরা পড়ত না বা এর লক্ষণগুলো অন্য কোনো রোগের লক্ষণ বলে ভুল করা হতো। এখন স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ায় অনেক নারীই এই রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম হচ্ছে।

​বর্তমান সময়ের স্বাস্থ্য সমস্যা: এটি মূলত বর্তমান সময়ের জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস এবং পরিবেশগত কারণে সৃষ্ট একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যাকে নির্দেশ করে। এটি একটি গুরুতর সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতিকে তুলে ধরে।

*** PCOS এর মূল কারণ এবং লক্ষণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

​মূল কারণ:
​যদিও PCOS-এর সঠিক কারণ এখনো পুরোপুরি অজানা, তবে কিছু বিষয় এর পেছনে ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়:

​হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: PCOS-এ আক্রান্ত নারীদের শরীরে অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) এর মাত্রা বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত হরমোন ডিম্বস্ফোটন বা ওভুলেশনে বাধা দেয়, ফলে ডিম্বাণু ঠিকমতো পরিণত হয় না বা ডিম্বাশয় থেকে বের হতে পারে না।

​ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: এই সমস্যা থাকলে শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি ঠিকমতো সাড়া দেয় না। ফলে শরীরকে আরও বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে হয়। এই অতিরিক্ত ইনসুলিন আবার অ্যান্ড্রোজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়।

​বংশগত কারণ: যদি পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের (যেমন, মা, বোন) PCOS থাকে, তাহলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

​স্থূলতা ও জীবনযাত্রা: অতিরিক্ত ওজন এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রাও PCOS এর ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

​প্রধান লক্ষণসমূহ:
​PCOS এর লক্ষণগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো:

​অনিয়মিত মাসিক: মাসিক চক্রের সময় পরিবর্তন হওয়া, নির্দিষ্ট সময় পর পর না হওয়া, অনেকদিন পর পর মাসিক হওয়া, বা অতিরিক্ত ও ভারী রক্তপাত হওয়া।

​অতিরিক্ত লোম বৃদ্ধি (Hirsutism): মুখে, বুকে, পিঠে এবং শরীরের অন্যান্য অংশে অবাঞ্ছিত লোম বা চুল গজানো।

​ব্রণ এবং তৈলাক্ত ত্বক: হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে ত্বকে ব্রণ এবং অতিরিক্ত তেল দেখা দিতে পারে।

​চুল পড়া: মাথায় চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা টাক পড়ার মতো লক্ষণ দেখা যেতে পারে।

​ওজন বৃদ্ধি: হরমোনের কারণে খুব সহজে ওজন বেড়ে যায় এবং ওজন কমানো কঠিন হয়ে পড়ে।

​ডিম্বাশয়ে সিস্ট: আলট্রাসনোগ্রাফিতে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট বা তরল ভরা থলি দেখা যেতে পারে।

​গর্ভধারণে সমস্যা: অনিয়মিত ডিম্বস্ফোটনের কারণে গর্ভধারণে অসুবিধা হতে পারে, যা বন্ধ্যাত্বের অন্যতম প্রধান কারণ।

*** PCOS হলে যেসব সমস্যা হতে পারে, তা নিচে দেওয়া হলো:

​১. প্রজনন সম্পর্কিত সমস্যা:
​বন্ধ্যাত্ব: PCOS হলো মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে ডিম্বাণু ঠিকমতো পরিণত হয় না বা ডিম্বাশয় থেকে বের হতে পারে না, ফলে গর্ভধারণ কঠিন হয়ে পড়ে।
​গর্ভাবস্থায় জটিলতা: PCOS আক্রান্ত নারীদের গর্ভধারণের পর গর্ভপাত, প্রি-এক্লাম্পসিয়া, বা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

​২. বিপাকীয় (Metabolic) সমস্যা:
​টাইপ ২ ডায়াবেটিস: ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স PCOS-এর একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য। যদি শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি ঠিকমতো সাড়া না দেয়, তাহলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায় এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
​উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগ: PCOS থাকলে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
​মেটাবলিক সিন্ড্রোম: PCOS আক্রান্তদের মেটাবলিক সিন্ড্রোম হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ রক্তে শর্করা, পেটে অতিরিক্ত চর্বি এবং অস্বাভাবিক কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রার সমষ্টি।

​৩. অন্যান্য শারীরিক ও মানসিক সমস্যা:
​অ্যান্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার: PCOS-এর কারণে অনিয়মিত মাসিকের ফলে জরায়ুর অভ্যন্তরীণ আস্তরণ (endometrium) ঘন হতে পারে। যদি এই আস্তরণ নিয়মিতভাবে ঝরে না যায়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদী এস্ট্রোজেনের প্রভাবে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
​হতাশা এবং উদ্বেগ: শারীরিক পরিবর্তন, যেমন ওজন বৃদ্ধি, ব্রণ, এবং অতিরিক্ত লোম বৃদ্ধি, মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে হতাশা, উদ্বেগ এবং শরীরের প্রতি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে।
​স্লিপ অ্যাপনিয়া: অতিরিক্ত ওজন PCOS-এর একটি সাধারণ লক্ষণ, যা ঘুম সম্পর্কিত শ্বাসকষ্টের সমস্যা (স্লিপ অ্যাপনিয়া) সৃষ্টি করতে পারে।

​সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন, যেমন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়াম, এই ঝুঁকিগুলো কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই PCOS এর লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বুধবার, ৯ জুলাই, রাজশাহীর গোদাগাড়ী জেনারেল হাসপাতালে জন্ম নেয় একটি শিশু, যার নেই পুরুষাঙ্গ এবং নেই দুটি কান।🩺 রোগটির ন...
10/07/2025

বুধবার, ৯ জুলাই, রাজশাহীর গোদাগাড়ী জেনারেল হাসপাতালে জন্ম নেয় একটি শিশু, যার নেই পুরুষাঙ্গ এবং নেই দুটি কান।

🩺 রোগটির নাম :
Pe**le Agenesis with Bilateral Anotia

( Congenital Malformation )

🔹 Agenesis of External Ear (Microtia/Anotia) – অর্থাৎ উভয় কানের জন্মগত অনুপস্থিতি ।

🔹 Pe**le Agenesis – অর্থাৎ জন্মগতভাবে পুরুষাঙ্গের অনুপস্থিতি ।

🧬 কারণ :

গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বিকাশের সময় জেনেটিক মিউটেশন বা বিকৃতি

টেরাটোজেনিক এক্সপোজার (যেমন: বিষাক্ত রাসায়নিক, সংক্রমণ, ওষুধ)

Chromosomal abnormalities (যেমন: HOX gene mutation)

এর পেছনে থাকতে পারে জেনেটিক সমস্যা, গর্ভকালীন সংক্রমণ বা অজানা কোন কারণ।

📚 জন্মের আগেই যদি সচেতনতা বাড়ানো যায়, তবে এমন অনেক শিশুর ভবিষ্যৎ রক্ষা সম্ভব।

🔁 শেয়ার করুন, সচেতনতা ছড়ান।

©

এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে টানা চার ঘণ্টা, রোগীকে শুয়ে থাকতে হয় একটানা, নড়াচড়া ছাড়া।একজন ডায়ালাইসিস রোগীকে সপ্তাহে তিনবার এ ...
07/07/2025

এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে টানা চার ঘণ্টা, রোগীকে শুয়ে থাকতে হয় একটানা, নড়াচড়া ছাড়া।

একজন ডায়ালাইসিস রোগীকে সপ্তাহে তিনবার এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়—

মাসে ১২ বার, মোট ৪৮ ঘণ্টা যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল জীবন।🥲

অন্যদিকে, যারা সুস্থ—তাদের কিডনি এই কাজটি করে ফেলে দিনে ৩৬ বার,

না কোনো যন্ত্রের সাহায্য, না কোনো কষ্ট, না কোনো সময়ক্ষেপন।🤲

“অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?”☝️

সূরা আর রহমান,আয়াত-১৩

©

💤 ডান দিকে কাত হয়ে ঘুমানোর উপকারিতা:১.হৃদপিণ্ডের উপর চাপ কমায়:যেহেতু হৃদপিণ্ড শরীরের বাম পাশে থাকে, ডান দিকে শোওয়ার ফলে ...
06/07/2025

💤 ডান দিকে কাত হয়ে ঘুমানোর উপকারিতা:

১.হৃদপিণ্ডের উপর চাপ কমায়:যেহেতু হৃদপিণ্ড শরীরের বাম পাশে থাকে, ডান দিকে শোওয়ার ফলে হৃদপিণ্ডের উপর চাপ কিছুটা কম পড়ে, বিশেষ করে যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য এটি সহায়ক হতে পারে।

২. লিভারের উপর কম চাপ পড়ে:লিভার ডান পাশে থাকে। ডান পাশে শুলে এটি নিচের দিকে থাকে, ফলে শরীরের উপরিভাগে চাপ কম পড়ে এবং হজমে সাহায্য করতে পারে।

৩. অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমায়:অনেক সময় বাম পাশে শুলে পাকস্থলীর অ্যাসিড উপরে উঠে বুক জ্বালাপোড়ার (heartburn) সৃষ্টি করতে পারে। ডান দিকে শুলে এই সমস্যা কিছুটা কমে।

৪. লিম্ফ্যাটিক নিষ্কাশনে সহায়ক:শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজে সহায়ক লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, ডান দিকে শোওয়া কিছু ক্ষেত্রে শরীরের লিম্ফ নিষ্কাশনে সহায়তা করতে পারে।

৫. গর্ভবতী নারীদের জন্য উপকারী নয় – সতর্কতা,তবে গর্ভবতী নারীদের জন্য বাম দিকে শোওয়াই বেশি উপকারী বলে ধরা হয়, কারণ তাতে গর্ভাশয়ে রক্তপ্রবাহ ঠিক থাকে।

৬. শ্বাস প্রশ্বাসের উন্নতি:যাদের নিদ্রায় শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয় বা স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, অনেক সময় ডান পাশে ঘুমানো আরামদায়ক হতে পারে।

Dr Nasim Rahman
Physician & Acupuncturist
American wellness center

©

Address

Bakalia
Chittagong

Telephone

+8801402497714

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Story_of_Biology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Story_of_Biology:

Shortcuts

Share

Category