29/05/2026
#নামজারি #দলিল #রেকর্ড
আপনার সম্পত্তি অন্যের নামে #নামজারি হয়ে গেলে আপনি কি করবেন? আপনার সম্পত্তি অন্যের নামে নামজারী হলে, আপনাকে প্রথমত জরুরী কাগজপত্র সংগ্রহ করে, সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে (এসি ল্যান্ড) গিয়ে একটি মিস কেস (মিউটেশন রিভিউ মামলা) দায়ের করতে হবে। এছাড়াও আপনি যেসব স্টেপ নিতে পারবেন তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো>>>>>>>>
১। কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে। প্রথমে আপনার মালিকানার সব প্রমাণ একত্র করুন, যেমন—
> দলিল (Sale Deed / Gift Deed / Heba ইত্যাদি)
> খতিয়ান (CS/SA/RS/BS)
> পর্চা
> জমির কর/খাজনার রসিদ
> ওয়ারিশ সনদ [উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির ক্ষেত্রে]
> পূর্বের নামজারির কপি
>নামজারির কপি সংগ্রহ করুন
যে ব্যক্তির নামে নামজারি হয়েছে তার Mutation Case নম্বর ও আদেশের কপি সংগ্রহ করুন। এতে বোঝা যাবে—
কীভাবে নামজারি হয়েছে
কোন কাগজ দেখানো হয়েছে
কোনো জাল দলিল ব্যবহার হয়েছে কি না
২. মিস কেস (মিউটেশন রিভিউ) দায়ের:
অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি ল্যান্ড বরাবর নামজারি বাতিলের জন্য একটি মিস কেস আবেদন করুন। এসি ল্যান্ড তদন্ত সাপেক্ষে ভুল বা জালিয়াতির নামজারি বাতিল করে আপনার নামে তা সংশোধন করে দেবেন।
৩. দেওয়ানি আদালতে মামলা (Title Suit):
যদি মিস কেস-এ সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে দেওয়ানি আদালতে মামলা করতে হতে পারে, যেমন—
>স্বত্ব ঘোষণার মামলা (Declaration Suit)
>ভোগদখল ফিরে পাওয়ার মামলা
>স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা (Injunction)
দেওয়ানি আদালত থেকে রায় পেলে ভূমি অফিস থেকে রেকর্ড সংশোধনীতে আর কোনো বাধা থাকে না।
৪. জালিয়াতি/প্রতারনার ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা:
যদি জাল দলিল, স্বাক্ষর জাল, প্রতারণা বা জাল কাগজ ব্যবহার করে আপনার সম্পত্তি নিজের নামে নামজারি করে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার (FIR) দায়ের করতে পারেন অথবা আদালতে ফৌজদারি মামলা করতে পারেন। (দণ্ডবিধি ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারা)।
৫. মনে রাখা উচিৎ>>>>>>>>>>>>
দীর্ঘদিন অন্যের নামে রেকর্ড থাকলে জটিলতা বাড়ে।
মূল দলিল কখনও অন্যকে দেবেন না।
নিয়মিত খতিয়ান ও নামজারী যাচাই করুন
✅ অনলাইনে (e-Mutation / e-Porcha) তথ্য দেখুন
✅ সব দলিল ও রশিদ নিরাপদে সংরক্ষণ করুন
✅ সন্দেহ হলে দেরি না করে ব্যবস্থা নিন
সম্ভব হলে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা নিন।
Israt Jareen
Advocate
Judges' Court, Chittagong
Law Beacon
27/05/2026
কোরবানী শুধুমাত্র মহান আল্লাহ্ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য। কার গরুর দাম কত? গরু কারটা বেশি বড়, কারটা ছোট? এত্ত ছোট গরু মানুষ কি বলবে? কোরবানী দেওয়ার সামর্থ নেই মানুষ কি বলবে? এসব চিন্তা মাথা থেকে এবং মন থেকে ফেলে দিন। কারণ আপনার কোরবানী মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য দেওয়া উচিৎ!
এমন অনেকেই আছেন যারা হয়তো একটা সময় কোরবানী দিতে পারতো কিন্তু এখন পারছেনা কারণ রিজিকে নেই। আবার কেও হয়তো সামর্থ ছিলো না বলে অনেকবছর কোরবানী দিতে পারেনি কিন্তু এখন পারছে।
কিন্তু কথা হচ্ছে কোরবানীর পশুর ছবি, ভিডিও এসব অনেকেই হয়তো আনন্দের সাথে এফ বি তে পোস্ট করছেন, দাম উল্লেখ করছেন ১ লাখ, দুই লাখ, তিন লাখ বা আরও বেশি! একবার কি ভেবে দেখেছেন আপনার খুব কাছের কেও হয়তো কোরবানী দিতে পারছেনা কিন্তু আপনি সেটা জানেন না। আপনার পোস্ট দেখে কিন্তু তার কষ্ট লাগতে পারে এবং এমনটি হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই কোরবানী যেহেতু শুধুমাত্র আল্লাহ্র জন্য এবং ইবাদতের অংশ তাই কোরবানীর পশুর দাম, ছবি এসব শেয়ার না করাই ভালো।
[পশু কোরবানীর রক্তাক্ত ছবি, ভিডিও পোস্ট করা থেকে বিরত থাকুন! মনে রাখা ভালো কোরবানী আল্লাহ্র পথে ত্যাগ, আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য, কাওকে দেখানোর জন্য বা হিংস্রতা প্রকাশের জন্য কোরবানী নয়]
সবাইকে পবিত্র ঈদ উল আযহা মোবারক।
Israt Jareen
Advocate
Judges' Court, Chittagong
Law Beacon
27/05/2026
কারোও বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ এসেছে তার মানে এই নয় যে তিনি অপরাধটি করেছেন বা তিনিই অপরাধী!
অনেক ক্ষেত্রে কাওকে মিথ্যে মামলায় জড়ানো হয় রিভেঞ্জফুল মাইন্ড থেকে! কিন্তু কোনটি সত্য এবং কোনটি মিথ্যে, কে দোষী বা কে নির্দোষ তা প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজন বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ তুলে ধরা এবং বিচারপ্রার্থীর প্রপার স্টেটমেন্ট সাবমিট করা!
26/05/2026
পুলিশ জোর করে ভয় দেখিয়ে অপরাধ স্বীকার করিয়েছে বা স্বীকারোক্তি গ্রহন করেছে! এক্ষেত্রে আপনি কি করবেন? আপনার দেওয়া এমন স্বীকারোক্তি কি আপনার বিরুদ্ধে আদালতে প্রমাণ হিসেবে ব্যাবহার করা যাবে?
"আমিতো এই বিষয়ে কিছুই জানিনা/ আমিতো অপরাধ সংগঠনের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলাম না, দেশের বাহিরে/অন্য জেলায়/ অন্যস্থানে ছিলাম, আমাকে পুলিশ ভয় দেখিয়ে, হুমকি প্রদানের মাধ্যমে আমার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করে!"
উপরোক্ত পরিস্থিতি বা এমন অবস্থার সম্মুখিন হওয়া ব্যাক্তিরা বা অভিযুক্তরা প্রায় সময় এমনটি দাবী করে থাকেন যে পুলিশ তাদের নিকট থেকে জোর পূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করেছেন, এখন তারা কি করবেন বা এমন স্বীকারোক্তি কতটুকু গ্রহনযোগ্য? চলুন জেনে নিই বিস্তারিত.........
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ [ The Evidence Act, 1872 এর ২৪–৩০ ধারা মূলত স্বীকারোক্তি (Confession) প্রসঙ্গে]
ধারা ২৪ — প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে নেওয়া স্বীকারোক্তি
যদি কোনো আসামি ভয় দেখিয়ে, প্রলোভন দিয়ে বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়।
ধারা ২৫ — পুলিশ কর্মকর্তার নিকট স্বীকারোক্তি
পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তি সাধারণত আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায় না।
ধারা ২৬ — পুলিশ হেফাজতে দেওয়া স্বীকারোক্তি
যদি কোনো ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থেকে স্বীকারোক্তি দেয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়; তবে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দিলে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
ধারা ২৭ — আলামত উদ্ধারের ক্ষেত্রে স্বীকারোক্তির অংশ
আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যদি নতুন কোনো বস্তু বা তথ্য/আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে সেই অংশটুকু আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
ধারা ২৮ — ভয় বা প্রলোভনের প্রভাব দূর হলে স্বীকারোক্তি
যদি পরে প্রমাণ হয় যে ভয়, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির প্রভাব আর নেই এবং ব্যক্তি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিয়েছে, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
পুলিশ জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করলে প্রথমেই আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকতে হবে। আইনি বিধান অনুযায়ী, পুলিশের কাছে দেওয়া কোনো স্বীকারোক্তি আদালতে চুড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারেন:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সত্য কথা বলুন: পুলিশ জোর করে বা নির্যাতন করে আপনার কাছ থেকে কোনো কাগজে সই নিলে বা কথা আদায় করলে ভয় পাবেন না। আদালতে (ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে) হাজির করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেটকে স্পষ্ট করে জানাবেন যে পুলিশের কাছে দেওয়া ওই স্বীকারোক্তি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং তা জোরপূর্বক বা ভয়ের কারণে নেওয়া হয়েছে।
আইনজীবীর সহায়তা নিন: যত দ্রুত সম্ভব একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
প্রমাণ সংরক্ষণ: শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকলে আদালতের কাছে মেডিকেল পরীক্ষা করানোর আবেদন করুন।
Israt Jareen
Advocate
Judges' Court Chittagong
Law Beacon
25/05/2026
মন খারাপ করবেন না প্লিজ! যাদের এক্সাম তারা পড়তে বসুন!
20/05/2026
রামিসার লাশ পাওয়ার পরেও কেনো রেপিস্ট জানোয়ারটাকে অক্ষত রাখা হলো?
শুধুমাত্র একজন আইনজীবী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবে, নাগরিক হিসেবে বলছি এরা ধরা পরা মাত্রই একমাত্র বিচার হওয়া উচিৎ "প্রকাশ্যে জনসম্মুখে মৃত্যুদন্ড"!!!!!!!
16/05/2026
তার মৃত্যুতে "আলহামদুলিল্লাহ" বলার মত বা তার অসুস্থ থাকাকালীন তাকে নিয়ে বিশ্রী-বাজে মন্তব্য করার মত কোনো ক্ষতি সে ব্যাক্তিগতভাবে কারও সাথে করেছে কি?
উত্তর নিশ্চয় "না"! তাহলে তার অসুস্থ হওয়ার দিন থেকে স্টার্ট করে মৃত্যু পর্যন্ত নোংরা বাজে মন্তব্য কেনো?
সবাই কিন্তু করছে না। এমনটি করছে কেবল একটি নির্দিষ্ট মানসিকতার মানুষজন তাদের নোংরা মাইন্ড থেকে।
কারিনা কাইসার যিনি একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত, তিনি অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থাতে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন এবং তার সকল গুনাহ মাফ করে দিয়ে তাকে শান্তিতে রাখুন।
13/05/2026
Get Ready!
Bar Council Enrollment [MCQ] Examination will be held on 12th June 2026!
09/05/2026
সারাজীবন একা কাটিয়ে দিন,তাও একজন ড্রাগ এডিক্টেড/চরিত্রহীন/লোভী মানুষের সাথে নিজের জীবনকে জড়াবেন না!
এদের সাথে কোনো কম্প্রোমাইজ এর প্রশ্ন আসে না!
02/05/2026
আপনার পূর্বপুরুষের সম্পত্তি কোথায় কি পরিমাণ আছে আপনি জানেন না! এখন আপনি কিভাবে জানবেন পূর্বপূরুষের সম্পত্তির ডিটেলস?
👇👇
DLRMS অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে পূর্বপুরুষের সম্পত্তি খোঁজার জন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে 'DLRMS - Apps on Google Play' অ্যাপটি ইনস্টল করুন। অ্যাপে গিয়ে বিভাগ, জেলা, উপজেলা এবং মৌজা নির্বাচন করে খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম দিয়ে সার্চ করলেই জমির তথ্য, মালিকানা এবং খতিয়ান ডাউনলোড করা যাবে।
ধাপসমূহ:
১. অ্যাপ ইনস্টল: প্লে স্টোর থেকে DLRMS অ্যাপ ইনস্টল করে ওপেন করুন। অথবা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। প্রথমে DLMRS-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। 👉 dlmrs.land.gov.bd (গুগলে “DLMRS Bangladesh” লিখলেও পাবেন। Apps টি ওপেন করার পরে রেজিস্ট্রেশন করে লগ ইন করুন কিংবা গেস্ট ইউজার হিসেবেও প্রবেশ করতে পারেন।
২. সার্ভে সিলেকশন/খতিয়ান অনুসন্ধান (Search Khatian) অপশনে যান।
এরপরে স্থান নির্বাচন: করুন যেমন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, এবং মৌজা (গ্রাম/এলাকা) নির্বাচন করুন।
৩। খতিয়ানের ধরন' (যেমন- সিএস, এসএ, আরএস, বি আর এস) যার যেটা অনুসন্ধানের প্রয়োজন সেটাই সিলেক্ট করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাবা/দাদার সম্পত্তির অনুসন্ধান করে থাকেন অনেকেই, তাই দাদার সম্পত্তির ক্ষেত্রে সিএস এবং বাবার ক্ষেত্রে আর এস/বিএস খতিয়ন সিলেক্ট করবেন।
৪। তথ্য অনুসন্ধান: অ্যাপ এর নিচে অধিকতর অনুসন্ধানে গেলেই দেখতে পাবেন দাগ নং, এবং মালিকের নাম। সেক্ষেত্রে পূর্বপুরুষের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করতে পারেন। এরপরে স্ক্রিনে খতিয়ানের তথ্যসমূহ চলে আসবে। অর্থাৎ মালিকের নাম, খতিয়ান নং, দাগ নং, জমির পরিমাণ সবকিছুই স্ক্রীনে শো করবে।
Israt Jareen
Advocate
Judges' Court, Chittagong
Law Beacon