03/12/2022
Pandoravirus yedoma নামক এই ভাইরাসটা রাশিয়ার সাইবেরিয়ার বরফাচ্ছন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয় ৷ বিজ্ঞানী সেখানে ১৩ প্রজাতির ভাইরাস খুঁজে পেয়েছেন তার মধ্যে Pandoravirus yedoma ৪৮,৫০০ বছরের পুরোনো ৷ তাহলে 'জম্বি ভাইরাস' বলা হচ্ছে কেন ? কারণ ৪৮,৫০০ বছর ধরে বরফে জমে থাকলেও ভাইরাসটা মরেনি বরং সুপ্তাবস্থায় ছিল ৷ মুক্ত হতেই সুপ্তাবস্থা ভেঙে জেগে উঠেছে ৷ বলা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ গলতে থাকায় ভবিষ্যতে এমন আরও অনেক জীবাণু মুক্ত হবে ৷ ভাইরাসটার নমুনা পরীক্ষার জন্য সংরক্ষিত আছে ৷
জম্বি বাস্তবে পুরোপুরি অসম্ভব নয় ৷ Ophiocordyceps unilateralis নামক ছত্রাকটি জম্বি ফাংগাস নামে পরিচিত কারণ এর স্পোর জীবনচক্র সম্পাদনের জন্য পিঁপড়াদের আক্রমণ করে ৷ পিঁপড়া নিজের দেহের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে ৷ তখন ছত্রাকের স্পোর পিঁপড়াকে নিয়ন্ত্রণ করে ৷ স্পোর যেদিকে নিয়ে যাবে, পিঁপড়াও সেদিকে যাবে ৷ পিঁপড়া মরে গেলে পূর্ণাঙ্গ ছত্রাক পিঁপড়ার দেহ ভেদ করে গজায় ৷
মরা মানুষ জেগে উঠে জম্বিতে পরিণত হওয়ার বিষয়টা কাল্পনিক ৷ তবে মানুষের কিছু স্নায়ুতন্ত্রজনিত রোগ আছে যেগুলোতে জম্বির মতো লক্ষণ দেখা যায় ৷ তার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত ও সবচেয়ে বেশি যেটা দেখা যায় সেটা হলো Rabies বা জলাতঙ্ক ৷ কুকুর, বিড়াল, বাদুড়, শিয়াল, বেজি ইত্যাদির কামড়-আঁচড়ে মানুষে এ রোগ সংক্রমিত হয় ৷ রোগের শেষ পর্যায়ে রেবিস ভাইরাস কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করলে মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে, তখন রোগী মাঝে মধ্যে হিংস্র হয়ে তেড়ে আসতে পারে ৷ এই রোগী কাউকে কামড় বসিয়ে দিলে সেই ব্যক্তিও জলাতঙ্কে আক্রান্ত হবে যদিও এমন ঘটনা এখনও ঘটেনি ৷
03/12/2022
মধু আহরণকারী পিঁপড়া (Honeypot ants) 🐜🐜
মধু আহরণকারী মৌমাছির কথা তো আমরা সকলেই জানি, কিন্তু মধু আহরণকারী পিঁপড়ার কথা আমরা খুব কম মানুষই জানি।
Camponotus inflatus যা Honeypot ants নামে পরিচিত, অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে বসবাস করে। বিভিন্ন প্রজাতির পিঁপড়াদের মধ্যে বসবাসকারী Honeypot বা মধুপাত্র পিঁপড়া হলো বিশেষ কর্মী যারা খাদ্যের অভাব হলে তাদের নিজ উপনিবেশের জন্য জীবন্ত খাদ্য সঞ্চয়স্থান হিসেবে কাজ করে। পিঁপড়া কর্মীদের একটি দল বিভিন্ন গাছপালা, ফুল হতে নেকটার সংগ্রহ করে এবং মধু পিঁপড়াদের খাওয়াতে থাকে। ততক্ষণ পর্যন্ত খাওয়াতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত মধু পিঁপড়াদের পেট ফুলে উঠে ফেঁটে যাওয়ার উপক্রম হয়। মধুপাত্র পিঁপড়াদের পেট ফুলে উঠে ছোট আঙুরের আকার ধারণ করে এবং এর পেটের ভিতরে 'অ্যাম্বার' নামক তরল ছড়িয়ে পড়ে। মধুপাত্র পিঁপড়াদের পেটে সঞ্চিত যেকোনো খাদ্য মধুতে পরিণত হয়ে থাকে। মধুপাত্র পিঁপড়ার পেট বড়সড় হয়ে যাওয়ায় তারা নড়াচড়া করতে অক্ষম হয়ে পড়ে, তাই তারা তাদের আবাসস্থলের ছাদ থেকে ঝুলে থাকে।
পিঁপড়াদের উপনিবেশ কোনো প্রতিকূল পরিবেশে খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হলে মধুপাত্র পিঁপড়াদের কাছ হতে মধু সংগ্রহ করে থাকে। মধু পিঁপড়াগুলো এতটাই মূল্যবান যে অন্যান্য পিঁপড়া উপনিবেশগুলোও মাঝে মাঝে তাদের আক্রমণ করে এবং চুরি করে নিয়ে আসে।
মৌমাছি এবং মধুপাত্র পিঁপড়ার মধু বাহ্যিক দৃষ্টিতে এক মনে হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য আছে। মধুপাত্র পিঁপড়ার মধুর ঘনত্ব মৌমাছির মধুর চেয়ে কম। এছাড়া আমরা যেরকম মিষ্টি মধু খেয়ে অভ্যস্ত মধুপাত্র পিঁপড়ার মধু সেরকম মিষ্টি নয়। এমনকি এই মধুতে হালকা টক স্বাদ পাওয়া যায়।
এই দুই ধরনের মধুর মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হল যে, পিঁপড়ার মধুতে ফ্রুক্টোজের তুলনায় গ্লুকোজ বেশি পরিমাণে উপস্থিত থাকে, যেখানে মৌমাছির মধুর ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ বিপরীত। তবে উভয় ধরনের মধুতেই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি।
Honeypot ants এর মধু কিন্তু বিভিন্ন দেশের মানুষও খেয়ে থাকে।
03/12/2022
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠলে চোখের কোনায় ময়লা জমে কেন?
ঘুম থেকে উঠলে চোখে যে ময়লা থাকে তাকে বলে Sleep Crust। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে Rheum। স্লিপ ক্রাস্ট হলো মূলত মিউকাস, এক্সফোলিয়েট ত্বক কোষ, তেল, অশ্রুর সংমিশ্রণে তৈরি। এটি তৈরি হওয়া চোখের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। দিনে বেলা আমরা যখন বার বার চোখের পাতা ফেলি তখন এই উপাদানগুলো চোখের পানিতে ধুয়ে যায়। কিন্তু রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে চোখের পাতা ফেলা হয়না, যার জন্য গ্রাভিটি এর প্রভাবে চোখের কোণে ময়লাগুলো জমে থাকে। যাদের চোখে অ্যালার্জি আছে বা চোখ শুষ্ক থাকে তাদের চোখে বেশি ময়লা জমে।
03/12/2022
পানির কি কোন স্বাদ আছে 🤔?
আমরা সবাই জানি ,পানির অপর নাম জীবন। পানি খাওয়া নিয়ে প্রতিদিন হাজারো পরামর্শ। তবে পানির কোনো স্বাদ নেই। সত্যিই কি তাই? পানি কি সত্যিই স্বাদহীন? এ নিয়ে তর্কের শেষ নেই। দীর্ঘদিন থেকেই গবেষকরা বলছেন, পানির স্বাদ পানির মতোই। আসলে পানির স্বাদ কেমন? তা অজানা বা অধরাই থেকে গেছে এতোকাল। পানির আসল স্বাদের খবর এবার জানা গেল। পানি প্রকৃত কী স্বাদের হয় সম্প্রতি তা জানালেন একদল বিজ্ঞানী ।
কোন বস্তুর স্বাদ কেমন, তা নির্ধারিত হয় মস্তিষ্কের ক্রিয়া দ্বারাই। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কিউরিওসিটি.কম-এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়েরএকটি গবেষকদল ইঁদুরের জিভে অবস্থিত স্বাদকোষ আর তার সঙ্গে মস্তিষ্কের ক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্বাদকোষকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখেন এবং ইঁদুরগুলোকে পানি খেতে দেন।
এমন অবস্থায় দেখা যায়, যে স্বাদকোষগুলো জলের স্বাদে সাড়া দিচ্ছে, তা ‘টক’ স্বদের জন্য নির্ধারিত। পরে সেই স্বাদকোষ বন্ধ করে ইঁদুরদের পানির পাশাপাশি প্রকৃতই স্বাদহীন সিলিকন অয়েল পান করানো হয়। দেখা যায়, তাদের স্বাদকোষ কোনোটির স্বাদই ঠিকঠাক নির্ধারণ করতে পারছে না।
02/12/2022
পানির ফোঁটা মাটিতে পড়ার সময় গোলাকার আকৃতি ধারণ করে কেন🤔?
স্বল্প আয়তনের তরল পদার্থ সব সময় গোলকের আকার ধারন করে। কারন নির্দিষ্ট আয়তনের তরলের মুক্ত তলের ক্ষেত্রফল গোলক আকৃতিতে সর্বনিম্ন হয়। তরলের মুক্ত পৃষ্ঠ বরাবর সব সময় একটি টান থাকে। এ টানকে পৃষ্ঠটান বলে । এ টানকে কারনেই পানির ফোঁটা গোল হয়ে পড়ে।
02/12/2022
মশা কামড়ালে ঐ স্থান ফুলে যায় কেন 🤔?
মশা কামড়ালে মশার লালা আমাদের শরীরে ঢুকে। এর থেকে হিস্টামিন নামে একটা অ্যলার্জিক বস্তু বের হয়। যা ঐ জায়গায় চুলকানি তৈরি করে ও জায়গাটা ফুলিয়ে দেয় কারন ওখানকার ব্লাড ভেসেলগুলো ফুলে যায়। তাছাড়া মশা যখন কামড়ায় তখন মশার হুল থেকে স্পোরোজয়েট (এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ) গুলো দেহে প্রবেশ করে। অনাকাঙ্খিতভাবে এসব রাসায়ানিক উপাদান দেহে প্রবেশের ফলে দেহের স্বাভাবিক রাসায়ানিক উপাদান গুলোর অনুপাতের মাঝে ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় সাময়িক ভাবে দেহ ত্বক ফুলে যায় হয়ে এবং সেই স্থানে জ্বালা করে। একইসাথে ওখানকার নার্ভ রিসেপ্টরগুলোকে স্টিমুলেটেড করে তাই কামড় দেয়ার পরে টের পাই।
22/10/2022
আপনি জানেন কি ?
টাকা বিদ্যুৎ পরিবহন করে ।
টাকাতে যে জলছাপ দেওয়া হয় তাতে ফ্লুরোসেন্স ফসফরাস ব্যবহার করা হয়।
আর এই ফ্লুরোসেন্স ফসফরাস মুক্ত ইলেকট্রন পরিবহন করতে পারে । তা ছাড়া টাকায় মানুষের ঘাম মিশ্রিত থাকে। মানুষের ঘামে আছে লবণ। আমার জানি, লবণ বিদ্যুৎ পরিবাহী এবং রং টাকা আদ্র থাকে।তাই টাকা বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে।
22/10/2022
রাডার আবিস্কারের পুর্বে এভাবে শত্রু পক্ষের বিমান শনাক্ত করা হতো ।
10/10/2022
চাঁদের ৪৮ টি রঙ ক্যাপচার করতে ফটোগ্রাফার মার্সেলা জুলিয়া পেসের ১০ বছর সময় লাগে ।