মিল্লাত-ই-ইবরাহীম

মিল্লাত-ই-ইবরাহীম

Share

So follow the religion of Abraham, inclining toward truth; and he was not of the polytheists."

04/01/2026

সবার কাছে আমি অনেক ভালো ও সৎ মানুষ,
কিন্তু আমার আসল চেহারা তো কেবল আমার রব জানেন।
হে আল্লাহ! লোকচক্ষুতে আমাকে যেমন সম্মান দিয়েছেন,
আপনার কাছেও আমাকে তেমন সম্মানিত করুন।

07/08/2025

"আল্লাহর অস্তিত্ব" —
এটি একটি মহান ও চিরন্তন প্রশ্ন, যা মানুষ যুগে যুগে চিন্তা করেছে। এটি একটি বিশ্বাস, একটি দার্শনিক প্রশ্ন, এবং অনেকের জন্য ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধি।

---

🌙 ইসলাম ধর্মে আল্লাহর অস্তিত্ব:

✨ কুরআন বলছে:

> "তিনি আল্লাহ, যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন..."
— (সূরা আনআম 6:101)

> "তোমাদের রব কি যথেষ্ট নন? নিশ্চয়ই তিনি সব কিছুর উপর রক্ষক।"
— (সূরা হা-মীম আস-সাজদাহ 41:53)

➡️ ইসলামে, আল্লাহ হচ্ছেন একমাত্র, অদৃশ্য, নিরাকার, সর্বশক্তিমান স্রষ্টা, যিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং পরিচালনা করছেন।

---

🧠 দার্শনিক যুক্তি দিয়ে আল্লাহর অস্তিত্ব:

১. কারণ ও কার্য (Cosmological Argument):

সব কিছুর একটি কারণ আছে।

পৃথিবী, মহাবিশ্ব, জীবন – এসব কিছুই সৃষ্টি হয়েছে।

তাহলে, একটি "অসৃষ্ট স্রষ্টা" থাকা চাই — যিনি নিজে সৃষ্টি নন, কিন্তু সবকিছুর স্রষ্টা।
➡️ তিনি হচ্ছেন আল্লাহ।

---

২. নকশা তত্ত্ব (Design Argument):

জীবজগতে ও মহাবিশ্বে অগণিত নিখুঁত বিন্যাস ও জটিলতা আছে (যেমন: DNA, চোখ, সৌরজগৎ)।

এটি কাকতালীয় বা অজান্তে হতে পারে না। ➡️ এর পেছনে থাকতে হয় একজন বুদ্ধিমান নকশাকারী — অর্থাৎ আল্লাহ।

---

৩. নৈতিকতা তত্ত্ব (Moral Argument):

মানবজাতি ভালোমন্দ জানে, ন্যায়-অন্যায় বুঝে।

এই নৈতিক জ্ঞান কোথা থেকে আসে? ➡️ একটি উচ্চতর নৈতিক উৎস (ঈশ্বর) না থাকলে এটি ব্যাখ্যা করা কঠিন।

---

৪. ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা:

অনেক মানুষ তাঁদের জীবনে প্রার্থনা, দুঃখ, আনন্দ বা বিপদের সময়ে আল্লাহর অস্তিত্ব অনুভব করেন।

এসব অভিজ্ঞতা বিজ্ঞানে পরিমাপযোগ্য না হলেও, মানুষের জন্য গভীর বাস্তবতা।

---

❓ তাহলে কি বিজ্ঞান আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারে?

বিজ্ঞান পরীক্ষাযোগ্য জিনিস নিয়ে কাজ করে — যেমন বস্তু, শক্তি, পদার্থ।

আল্লাহ হলেন অধিবাস্তব (transcendent) — তিনি পদার্থগত জগতের বাইরে, তাই বিজ্ঞানে সরাসরি প্রমাণযোগ্য নন।

> ✨ যেমন আপনি ভালোবাসা "ছুঁতে" পারেন না, কিন্তু আপনি তা "অনুভব" করেন।
তেমনি, আল্লাহর অস্তিত্বও অনুভব, যুক্তি ও বিশ্বাসের সমন্বয়।

---

🕊️ নাস্তিকদের দৃষ্টিভঙ্গি:

অনেকে বলেন: “যা দেখা যায় না, তা বিশ্বাস করি না।”

তবে তারা নিজেরাই অনেক অদৃশ্য জিনিসে বিশ্বাস করে:

মস্তিষ্কের "চেতনা", ভালোবাসা, মহাবিশ্বের শুরু ইত্যাদি — যেগুলো প্রমাণ করা কঠিন।

---

✅ উপসংহার:

> আল্লাহর অস্তিত্ব একটি বিশুদ্ধ বিশ্বাসের বিষয়, যা যুক্তি, অনুভব এবং হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করা যায়।

যারা বিশ্বাস করে, তাদের জন্য তিনি আছেন।

যারা খুঁজে পেতে চায়, তাদের জন্য কুরআন, সৃষ্টি ও বিবেক উন্মুক্ত।

যারা অস্বীকার করে, তাদের জন্য আল্লাহ বলেন:

> “তারা কি নিজের প্রতি খেয়াল করে না? আমি আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছি যথাযথভাবে।”
— (সূরা রূম 30:8)

15/10/2024

An-Naml 27:82
And when the word [i.e., decree] befalls them, We will bring forth for them a creature from the earth speaking to them, [saying] that the people were, of Our verses, not certain [in faith].

09/07/2024

An-Najm ৫৩:৫-১৮

(5) তাকে শিক্ষা দিয়েছে প্রবল শক্তিধর,
(6) প্রজ্ঞার অধিকারী*। অতঃপর সে স্থির হয়েছিল,
* জিবরীল।
(7) তখন সে ঊর্ধ্ব দিগন্তে।
(8) তারপর সে নিকটবর্তী হল, অতঃপর আরো কাছে এল।
(9) তখন সে নৈকট্য ছিল দু’ ধনুকের পরিমাণ, অথবা তারও কম।
(10) অতঃপর তিনি তাঁর বান্দার প্রতি যা ওহী করার তা ওহী করলেন।
(11) সে যা দেখেছে, অন্তকরণ সে সম্পর্কে মিথ্যা বলেনি।
(12) সে যা দেখেছে, সে সম্পর্কে তোমরা কি তার সাথে বিতর্ক করবে?
(13) আর সে তো তাকে* আরেকবার** দেখেছিল।
* জিবরীলকে।
(14) সিদরাতুল মুনতাহার* নিকট।
* সিদরাতুল মুনতাহা হল সপ্তম আকাশে আরশের ডান দিকে একটি কুল জাতীয় বৃক্ষ, সকল সৃষ্টির জ্ঞানের সীমার শেষ প্রান্ত। তারপর কি আছে, একমাত্র আল্লাহই জানেন।
(15) যার কাছে জান্নাতুল মা’ওয়া* অবস্থিত।
* ফেরেশতা, শহীদদের রূহ ও মুত্তাকীদের অবস্থানস্থল।
(16) যখন কুল গাছটিকে যা আচ্ছাদিত করার তা আচ্ছাদিত করেছিল।
(17) তার দৃষ্টি এদিক-সেদিক যায়নি এবং সীমাও অতিক্রম করেনি।
(18) নিশ্চয় সে তার রবের বড় বড় নিদর্শনসমূহ থেকে দেখেছে।

(5) Taught to him by one intense in strength [i.e., Gabriel] -
(6) One of soundness.[1] And he rose to [his] true form[2]
(7) While he was in the higher [part of the] horizon.[1]
(8) Then he approached and descended
(9) And was at a distance of two bow lengths or nearer.
(10) And he revealed to His Servant[1] what he revealed [i.e., conveyed].
(11) The heart[1] did not lie [about] what it saw.
(12) So will you dispute with him over what he saw?
(13) And he certainly saw him in another descent[1]
(14) At the Lote Tree of the Utmost Boundary -
(15) Near it is the Garden of Refuge [i.e., Paradise] -
(16) When there covered the Lote Tree that which covered [it].[1]
(17) The sight [of the Prophet (ﷺ)] did not swerve, nor did it transgress [its limit].
(18) He certainly saw of the greatest signs of his Lord.

08/07/2024

Al-An'am ৬:১

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ وَجَعَلَ الظُّلُمٰتِ وَالنُّوْرَ ؕ ثُمَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِرَبِّهِمْ يَعْدِلُوْنَ

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীন এবং সৃষ্টি করেছেন অন্ধকার ও আলো। তারপর কাফিররা তাদের রবের সমতুল্য স্থির করে।

All praise is due। to Allāh, who created the heavens and the earth and made the darkness and the light. Then those who disbelieve equate [others] with their Lord.

কুরআন অ্যাপ পেতে: https://gtaf.org/apps/quran

27/06/2024

An-Najm ৫৩:৩২

اَلَّذِيْنَ يَجْتَنِبُوْنَ كَبٰٓئِرَ الْاِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ اِلَّا اللَّمَمَ ؕ اِنَّ رَبَّكَ وَاسِعُ الْمَغْفِرَةِ ؕ هُوَ اَعْلَمُ بِكُمْ اِذْ اَنْشَاَكُمْ مِّنَ الْاَرْضِ وَاِذْ اَنْتُمْ اَجِنَّةٌ فِيْ بُطُوْنِ اُمَّهٰتِكُمْ ۚ فَلَا تُزَكُّوْۤا اَنْفُسَكُمْ ؕ هُوَ اَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقٰي

Bangla - Bayaan Foundation

যারা ছোট খাট দোষ-ত্রুটি ছাড়া বড় বড় পাপ ও অশ্লীল কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকে, নিশ্চয় তোমার রব ক্ষমার ব্যাপারে উদার, তিনি তোমাদের ব্যাপারে সম্যক অবগত। যখন তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যখন তোমরা তোমাদের মাতৃগর্ভে ভ্রূণরূপে ছিলে। কাজেই তোমরা আত্মপ্রশংসা করো না। কে তাকওয়া অবলম্বন করেছে, সে সম্পর্কে তিনিই সম্যক অবগত।

English - Sahih International

Those who avoid the major sins and immoralities, only [committing] slight ones. Indeed, your Lord is vast in forgiveness. He was most knowing of you when He produced you from the earth and when you were fetuses in the wombs of your mothers. So do not claim yourselves to be pure; He is most knowing of who fears Him.

Copy paste from : https://gtaf.org/apps/quranp

Photos from মিল্লাত-ই-ইবরাহীম's post 12/06/2024

From 1966 onward Coca-Cola has been a staunch supporter of Israel.[47] According to the Israeli Consulate in Atlanta "The Consulate and Coca-Cola share a strong relationship and the firm is one of Israel's close trading partners."[34]

In 1997 the Government of Israel Economic Mission honored Coca-Cola at the Israel Trade Award Dinner for its continued support of Israel for the last 30 years and for "refusing to abide by the Arab League economic boycott of Israel. For decades, this cost Coca-Cola the opportunity to sell its products in Arab countries." [48] [ In contrast Pepsi abided by the Arab League boycott of Israel which ended in May 1991, after 1992 Pepsi is also trading in Israel - see [49] ]
Close ties to American-Israel Chamber of Commerce

Coca Cola has always been very closely linked to the American-Israel Chamber of Commerce (AICC). The AICC's mission statement is to boost the Israeli economy by fostering business relationships between Israel and the US (Southeast). Since its founding in 1992, AICC has been involved in completed transactions with Israel valued at more than $950 million.

Full story
http://www.inminds.com/boycott-coca-cola.html

No thanks! App for finding Complete list of Israleli products/services link

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.bashsoftware.boycott

02/03/2024

সূরা আশ শু'আরা ২৬:১০-৬৮

(10) আর স্মরণ কর, যখন তোমার রব মূসাকে ডেকে বললেন, ‘তুমি যালিম সম্প্রদায়ের কাছে যাও’।
(11) ‘ফির‘আউনের সম্প্রদায়ের কাছে। তারা কি ভয় করবে না’?
(12) মূসা বলল, ‘হে আমার রব, আমি অবশ্যই আশঙ্কা করছি যে, তারা আমাকে অস্বীকার করবে’।
(13) ‘আর আমার বক্ষ সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। আমার জিহবা চলছে না। সুতরাং আপনি হারুনের প্রতি ওহী পাঠান’।
(14) ‘আর আমার বিরুদ্ধে তাদের কাছে একটি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ফলে আমি আশঙ্কা করছি যে, তারা আমাকে হত্যা করে ফেলবে’।
(15) আল্লাহ বললেন, ‘কখনো নয়। তোমরা উভয়ে আমার নিদর্শনাদিসহ যাও। অবশ্যই আমি আছি তোমাদের সাথে শ্রবণকারী’।
(16) ‘সুতরাং তোমরা উভয়ে ফির‘আউনের কাছে গিয়ে বল, নিশ্চয় আমরা বিশ্বজগতের রবের রাসূল’।
(17) ‘যাতে তুমি বনী ইসরাঈলকে আমাদের সাথে পাঠাও’।
(18) ফির‘আউন বলল, ‘আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদের মাঝে লালন পালন করিনি? আর তুমি তোমার জীবনের অনেক বছর আমাদের মধ্যে অবস্থান করেছ’।
(19) ‘আর তুমি তোমার কর্ম যা করার তা করেছ এবং তুমি অকৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত’।
(20) মূসা বলল, ‘আমি এটি তখন করেছিলাম, যখন আমি ছিলাম বিভ্রান্ত’।
(21) ‘অতঃপর যখন আমি তোমাদেরকে ভয় করলাম, তখন আমি তোমাদের থেকে পালিয়ে গেলাম। তারপর আমার রব আমাকে প্রজ্ঞা দান করলেন এবং আমাকে রাসূলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন’।
(22) ‘আর এই তো সে অনুগ্রহ যার খোঁটা তুমি আমাকে দিচ্ছ যে, তুমি বনী ইসরাঈলকে দাস বানিয়ে রেখেছ’।
(23) ফির‘আউন বলল, ‘সৃষ্টিকুলের রব কে?’
(24) মূসা বলল, ‘আসমানসমূহ ও যমীন এবং এতদোভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হয়ে থাক।’
(25) ফির‘আউন তার আশেপাশে যারা ছিল তাদেরকে বলল, ‘তোমরা কি মনোযোগসহ শুনছ না’?
(26) মূসা বলল, ‘তিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও রব’।
(27) ফির‘আউন বলল, ‘তোমাদের কাছে প্রেরিত তোমাদের এই রাসূল নিশ্চয়ই পাগল’।
(28) মূসা বলল, ‘তিনি পূর্ব ও পশ্চিম এবং এতদোভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, যদি তোমরা বুঝে থাক’।
(29) ফির‘আউন বলল, ‘যদি তুমি আমাকে ছাড়া কাউকে ইলাহরূপে গ্রহণ কর, তাহলে অবশ্যই আমি তোমাকে কয়েদীদের অন্তর্ভুক্ত করব’।
(30) মূসা বলল, ‘যদি আমি তোমার কাছে স্পষ্ট কোন বিষয় নিয়ে আসি, তবুও’?
(31) ফির‘আউন বলল, ‘তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে তা নিয়ে এসো’।
(32) অতঃপর সে তার লাঠি ফেলে দিল, ফলে তৎক্ষণাৎ তা একটি স্পষ্ট অজগর হয়ে গেল।
(33) আর সে তার হাত বের করল, ফলে তা তৎক্ষণাৎ দর্শকদের সামনে উজ্জ্বল-সাদা হয়ে দেখা দিল।
(34) ফির‘আউন তার আশপাশের পারিষদদের উদ্দেশ্যে বলল, ‘এ তো এক বিজ্ঞ যাদুকর।’
(35) ‘সে তোমাদেরকে তার যাদুর মাধ্যমে তোমাদের দেশ থেকে বের করতে চায়। অতএব, তোমরা আমাকে কী পরামর্শ দাও?’
(36) তারা বলল, ‘তাকে ও তার ভাইকে কিছু সময়ের জন্য অবকাশ দাও, আর সংগ্রহকারীদেরকে নগরে-নগরে পাঠিয়ে দাও।’
(37) ‘তারা তোমার নিকট প্রত্যেক বিজ্ঞ যাদুকরকে নিয়ে আসুক’।
(38) অতঃপর এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে যাদুকরদের একত্র করা হল।
(39) আর লোকদের বলা হল, ‘তোমরা কি সমবেত হবে?’
(40) ‘যাতে আমরা যাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি, যদি তারা বিজয়ী হয়’।
(41) অতঃপর যখন যাদুকররা আসল,তারা ফির‘আউনকে বলল,‘যদি আমরাই বিজয়ী হই, তবে আমাদের জন্য কি সত্যিই পুরস্কার আছে?’
(42) সে বলল, ‘হ্যাঁ এবং নিশ্চয় তোমরা তখন আমার ঘনিষ্টজনদের অন্তর্ভুক্ত হবে’।
(43) মূসা তাদের বলল, ‘তোমরা যা নিক্ষেপ করার তা নিক্ষেপ কর’।
(44) অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ‘ফির‘আউনের মর্যাদার কসম! অবশ্যই আমরা বিজয়ী হব।’
(45) তারপর মূসা তার লাঠি ফেলল, ফলে তৎক্ষণাৎ তা তাদের মিথ্যা প্রদর্শনীগুলো গ্রাস করে ফেলল।
(46) ফলে যাদুকররা সিজদাবনত হয়ে পড়ল।
(47) তারা বলল, ‘আমরা ঈমান আনলাম সকল সৃষ্টির রবের প্রতি’।
(48) ‘মূসা ও হারুনের রব’।
(49) ফির‘আউন বলল, ‘আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা তার প্রতি ঈমান আনলে? নিশ্চয় সে তোমাদের গুরু যে তোমাদের যাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতএব অচিরেই তোমরা জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাতসমূহ ও তোমাদের পাসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলব এবং অবশ্যই তোমাদের সকলকে শূলিবিদ্ধ করব’।
(50) তারা বলল, ‘কোন ক্ষতি নেই তাতে। অবশ্যই আমরা তো আমাদের রবের দিকেই ফিরে যাব।’
(51) ‘আমরা আশা করি যে, আমাদের রব আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন, কারণ আমরা মুমিনদের মধ্যে প্রথম।’
(52) আর আমি মূসার প্রতি এ মর্মে ওহী পাঠিয়েছিলাম যে, ‘আমার বান্দাদের নিয়ে রাত্রিকালে যাত্রা শুরু কর, নিশ্চয়ই তোমাদের পিছু নেয়া হবে।’
(53) অতঃপর ফির‘আউন নগরে- নগরে একত্রকারীদেরকে পাঠাল।
(54) ‘নিশ্চয়ই এরা তো ক্ষুদ্র একটি দল।’
(55) ‘আর এরা অবশ্যই আমাদের ক্রোধের উদ্রেক ঘটিয়েছে।’
(56) ‘আর আমরা সবাই তো যথেষ্ট সতর্ক।’
(57) তারপর আমি তাদেরকে উদ্যানমালা ও ঝর্ণাধারাসমূহ থেকে বের করে আনলাম।
(58) আর ধনভান্ডার ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান থেকে।
(59) এরূপই এবং আমি বনী ইসরাঈলকে এসবের ওয়ারিস বানিয়েছিলাম।
(60) তারপর তারা সূর্যোদয়ের প্রাক্কালে তাদের পিছু নিল।
(61) অতঃপর যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল, তখন মূসার সাথীরা বলল, অবশ্যই ‘আমরা ধরা পড়ে গেলাম!’
(62) মূসা বলল, ‘কক্ষনো নয়; আমার সাথে আমার রব রয়েছেন। নিশ্চয় অচিরেই তিনি আমাকে পথনির্দেশ দেবেন’।
(63) অতঃপর আমি মূসার প্রতি ওহী পাঠালাম, ‘তোমার লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত কর।’ ফলে তা বিভক্ত হয়ে গেল। তারপর প্রত্যেক ভাগ বিশাল পাহাড়সদৃশ হয়ে গেল।
(64) আর আমি অপর দলটিকে সেই জায়গায় নিকটবর্তী করলাম,
(65) আর আমি মূসা ও তার সাথে যারা ছিল সকলকে উদ্ধার করলাম,
(66) তারপর অপর দলটিকে ডুবিয়ে দিলাম।
(67) নিশ্চয় এর মধ্যে রয়েছে নিদর্শন। আর তাদের অধিকাংশই মুমিন নয়।
(68) আর নিশ্চয় তোমার রব তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

English - Sahih International

(10) And [mention] when your Lord called Moses, [saying], "Go to the wrongdoing people -
(11) The people of Pharaoh. Will they not fear Allāh?"
(12) He said, "My Lord, indeed I fear that they will deny me
(13) And that my breast will tighten and my tongue will not be fluent, so send for Aaron.
(14) And they have upon me a [claim due to] sin, so I fear that they will kill me."
(15) [Allāh] said, "No. Go both of you with Our signs; indeed, We are with you, listening.
(16) Go to Pharaoh and say, 'We are the messengers[1] of the Lord of the worlds,
(17) [Commanded to say], "Send with us the Children of Israel."'"
(18) [Pharaoh] said, "Did we not raise you among us as a child, and you remained among us for years of your life?
(19) And [then] you did your deed which you did,[1] and you were of the ungrateful."
(20) [Moses] said, "I did it, then, while I was of those astray [i.e., ignorant].
(21) So I fled from you when I feared you. Then my Lord granted me judgement [i.e., wisdom and prophethood] and appointed me [as one] of the messengers.
(22) And is this a favor of which you remind me - that you have enslaved the Children of Israel?"
(23) Said Pharaoh, "And what is the Lord of the worlds?"
(24) [Moses] said, "The Lord of the heavens and earth and that between them, if you should be convinced."
(25) [Pharaoh] said to those around him, "Do you not hear?"
(26) [Moses] said, "Your Lord and the Lord of your first forefathers."
(27) [Pharaoh] said,[1] "Indeed, your 'messenger' who has been sent to you is mad."
(28) [Moses] said, "Lord of the east and the west and that between them, if you were to reason."
(29) [Pharaoh] said, "If you take a god other than me, I will surely place you among those imprisoned."
(30) [Moses] said, "Even if I brought you something [i.e., proof] manifest?"
(31) [Pharaoh] said, "Then bring it, if you should be of the truthful."
(32) So [Moses] threw his staff, and suddenly it was a serpent manifest.[1]
(33) And he drew out his hand; thereupon it was white for the observers.
(34) [Pharaoh] said to the eminent ones around him, "Indeed, this is a learned magician.
(35) He wants to drive you out of your land by his magic, so what do you advise?"
(36) They said, "Postpone [the matter of] him and his brother and send among the cities gatherers
(37) Who will bring you every learned, skilled magician."
(38) So the magicians were assembled for the appointment of a well-known day.[1]
(39) And it was said to the people, "Will you congregate
(40) That we might follow the magicians if they are the predominant?"
(41) And when the magicians arrived, they said to Pharaoh, "Is there indeed for us a reward if we are the predominant?"
(42) He said, "Yes, and indeed, you will then be of those near [to me]."
(43) Moses said to them, "Throw whatever you will throw."
(44) So they threw their ropes and their staffs and said, "By the might of Pharaoh, indeed it is we who are predominant."
(45) Then Moses threw his staff, and at once it devoured what they falsified.
(46) So the magicians fell down in prostration [to Allāh].
(47) They said, "We have believed in the Lord of the worlds,
(48) The Lord of Moses and Aaron."
(49) [Pharaoh] said, "You believed him [i.e., Moses] before I gave you permission. Indeed, he is your leader who has taught you magic, but you are going to know. I will surely cut off your hands and your feet on opposite sides, and I will surely crucify you all."
(50) They said, "No harm. Indeed, to our Lord we will return.
(51) Indeed, we aspire that our Lord will forgive us our sins because we were the first of the believers."
(52) And We inspired to Moses, "Travel by night with My servants; indeed, you will be pursued."
(53) Then Pharaoh sent among the cities gatherers[1]
(54) [And said], "Indeed, those are but a small band,
(55) And indeed, they are enraging us,
(56) And indeed, we are a cautious society..."
(57) So We removed them from gardens and springs
(58) And treasures and honorable station[1] -
(59) Thus. And We caused to inherit it the Children of Israel.
(60) So they pursued them at sunrise.
(61) And when the two companies saw one another, the companions of Moses said, "Indeed, we are to be overtaken!"
(62) [Moses] said, "No! Indeed, with me is my Lord; He will guide me."
(63) Then We inspired to Moses, "Strike with your staff the sea," and it parted, and each portion was like a great towering mountain.
(64) And We advanced thereto the others [i.e., the pursuers].
(65) And We saved Moses and those with him, all together.
(66) Then We drowned the others.
(67) Indeed in that is a sign, but most of them were not to be believers.
(68) And indeed, your Lord - He is the Exalted in Might, the Merciful.

কুরআন অ্যাপ পেতে: https://gtaf.org/apps/quran

01/02/2024

সূরা আল কাহফ
আয়াত:110
উদ্ঘাটন স্থান :মক্কা
নামকরন: এই সূরাটির নাম 9 নং থেকে যার মধ্যে ( আল-কাহফ ) শব্দটি এসেছে।

বিষয়বস্তু:
এই সূরাটি তিনটি প্রশ্নের উত্তরে অবতীর্ণ হয়েছিল যা মক্কার মুশরিকরা আহলে কিতাবের সাথে পরামর্শ করে মহানবী (সা.)-কে পরীক্ষা করার জন্য দিয়েছিল। এগুলি ছিল: (1) "গুহার সাথী" কারা ছিলেন? (2) খিদরের আসল ঘটনা কি? এবং (3) আপনি যুল-কারনাইন সম্পর্কে কি জানেন? যেহেতু এই তিনটি প্রশ্ন খ্রিস্টান ও ইহুদিদের ইতিহাসের চারপাশে আবর্তিত হয়েছিল এবং হিজাজে অজানা ছিল, তাই মহানবী (সা.)-এর কাছে গোপন ও অদৃশ্যের জ্ঞানের কোনো উৎস ছিল কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য একটি পছন্দ করা হয়েছিল। আল্লাহ অবশ্য তাদের প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তরই দেননি বরং ইসলাম ও কুফরের মধ্যে মক্কায় তৎকালীন যে দ্বন্দ্ব চলছিল তাতে ইসলামের বিরোধীদের ক্ষতির জন্য তিনটি কাহিনীকে কাজে লাগিয়েছেন:

প্রশ্নকারীদের বলা হয়েছিল যে "গুহার সাথীরা" তৌহিদের একই মতবাদে বিশ্বাস করেছিল যা কুরআনে পেশ করা হয়েছিল এবং তাদের অবস্থা মক্কার নির্যাতিত মুসলমানদের অবস্থার মতো ছিল। অন্যদিকে কুরাইশদের কাফেররা মুসলমানদের প্রতি যে আচরণ করত, গুহাবাসীর সাহাবায়ে কেরামের নির্যাতকরা তাদের প্রতি সেরকমই আচরণ করেছিল। এর পাশাপাশি মুসলমানদের শেখানো হয়েছে যে, একজন মুমিন নিষ্ঠুর সমাজ দ্বারা নির্যাতিত হলেও মিথ্যার সামনে মাথা নত না করে প্রয়োজনে আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সেখান থেকে দেশত্যাগ করতে হবে। প্রসঙ্গত, মক্কার কাফেরদের বলা হয়েছিল যে, গুহার সাহাবীদের ঘটনাটি আখেরাতের বিশ্বাসের সুস্পষ্ট প্রমাণ ছিল, কারণ এতে প্রমাণিত হয়েছিল যে দীর্ঘ ঘুমের পরেও আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পুনরুত্থিত করার ক্ষমতা রাখেন। তিনি গুহার সাহাবীদের ক্ষেত্রে করেছেন।
গুহার সঙ্গীদের গল্পটি মক্কার প্রধানদের সতর্ক করার জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে যারা ছোট নবগঠিত মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার করছিল। একই সাথে, মহানবীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে তিনি কোন অবস্থাতেই তাদের নির্যাতকদের সাথে আপোষ করবেন না এবং তাদেরকে তাঁর দরিদ্র অনুসারীদের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করবেন না। অন্যদিকে, সেই প্রধানদেরকে উপদেশ দেওয়া হয়েছে যে, তারা তখন যে আনন্দের ক্ষণস্থায়ী জীবন উপভোগ করছিল তাতে তাদের ফুঁসবে না, বরং স্থায়ী ও চিরস্থায়ী শ্রেষ্ঠত্বের সন্ধান করতে হবে।
খিদর ও মূসার কাহিনী এমনভাবে সম্বন্ধিত হয়েছে যাতে কাফেরদের প্রশ্নের উত্তর সরবরাহ করা যায় এবং মুমিনদেরও সান্ত্বনা দেওয়া যায়। এই গল্পে যে শিক্ষা রয়েছে তা হল "আল্লাহর ইচ্ছা অনুসারে ঐশ্বরিক কারখানায় যা ঘটছে তার প্রজ্ঞার উপর আপনার পূর্ণ বিশ্বাস থাকা উচিত। বাস্তবতা আপনার কাছ থেকে লুকিয়ে থাকায় আপনি প্রজ্ঞা বোঝার ক্ষতি করছেন। যা ঘটছে, এবং কখনও কখনও যদি দেখা যায় যে জিনিসগুলি আপনার বিরুদ্ধে যাচ্ছে, আপনি চিৎকার করে বলছেন, 'কীভাবে এবং কেন এটি ঘটেছে'। আসল বিষয়টি হল যে যদি "অদৃশ্য" থেকে পর্দা সরিয়ে দেওয়া হয় তবে আপনি নিজেই আসবেন। জেনে রাখুন যে এখানে যা ঘটছে তা সর্বোত্তম জন্য। এমনকি যদি কখনও কখনও মনে হয় যে কিছু আপনার বিরুদ্ধে যাচ্ছে, আপনি দেখতে পাবেন যে শেষ পর্যন্ত এটি আপনার জন্য কিছু ভাল ফলাফলও বয়ে আনে।
যুল-কারনাইনের কাহিনীর ক্ষেত্রেও এটি সত্য কারণ এটি প্রশ্নকারীদেরকে উপদেশ দেয়, যেন বলে, "হে মক্কার অসার নেতারা, তোমরা যুল-কারনাইনের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর। যদিও তিনি ছিলেন একজন মহান শাসক, মহান বিজয়ী। এবং মহান সম্পদের মালিক, তিনি সর্বদা তাঁর স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন, অথচ আপনি তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছেন যদিও আপনি তাঁর তুলনায় নগণ্য সর্দার। তিনি বিশ্বাস করতেন যে প্রাচীর তার শত্রুদের বিরুদ্ধে তাকে রক্ষা করতে পারে যতক্ষণ না এটি আল্লাহর ইচ্ছা থাকে এবং এতে ফাটল এবং গর্ত থাকবে, যখন এটি তাঁর ইচ্ছা হবে : যদিও তোমরা যারা তাঁর তুলনায় নগণ্য দুর্গযুক্ত আবাস ও বাসস্থানের অধিকারী, তোমরা নিজেদেরকে সব ধরনের দুর্যোগ থেকে স্থায়ীভাবে নিরাপদ ও নিরাপদ মনে কর।"

Collected from-
www.Quran.com

05/01/2024

কুরআনে বর্ণিত 25 জন নবীদের মধ্যে রয়েছেন:
আদম, ইদ্রিস (এনোক), নূহ (নূহ), হুদ (হেবার), সালেহ (মেথুসালেহ), লুত (লূত), ইব্রাহিম (ইব্রাহিম), ইসমাইল (ইসমাঈল), ইসহাক (ইসহাক), ইয়াকুব (আঃ) জ্যাকব), ইউসুফ (যোসেফ), শুয়াইব (জেথ্রো), আইয়ুব (জব), যুলকিফল (ইজেকিয়েল), মুসা (মুসা), হারুন (হারুন), দাউদ (ডেভিড), সুলায়মান (সোলায়মান), ইলিয়াস (ইলিয়াস), আলিয়াসা (ইলিশা), ইউনুস (জোনা), জাকারিয়া (জাকারিয়া), ইয়াহিয়া (জন দ্য ব্যাপটিস্ট), ইসা (যীশু) এবং মুহাম্মদ। তাদের সকলের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
The 25 prophets mentioned in Quran:
1. Adam,
2. Idris (Enoch),
3. Nuh (Noah),
4. Hud (Heber),
5. Saleh (Methusaleh),
6. Lut (Lot),
7. Ibrahim (Abraham),
8. Ismail (Ishmael),
9. Ishaq (Isaac),
10. Yaqub (Jacob),
11. Yusuf (Joseph),
12. Shu’aib (Jethro),
13. Ayyub (Job),
14. Dhulkifl (Ezekiel),
15. Musa (Moses),
16. Harun (Aaron),
17. Dawud (David),
18. Sulayman (Solomon),
19. Ilyas (Elias),
20. Alyasa (Elisha),
21. Yunus (Jonah),
22. Zakariya (Zachariah),
23. Yahya (John the Baptist),
24. Isa (Jesus),
25. Muhammad
Peace be upon them all.

04/01/2024

সূরা আল-বাকারাহ, এটি কুরআনের দীর্ঘতম সূরা এবং বহু বছর ধরে অবতীর্ণ হয়েছে। সূরা আল-বাকারাহ 286টি আয়াত নিয়ে গঠিত এবং থিম/বিষয়ের উপর ভিত্তি করে নয়টি প্রধান বিভাগে বিভক্ত করা যেতে পারে (বন্ধনীতে আয়াত সংখ্যা):
1. বিশ্বাস বনাম অবিশ্বাস (1 - 20)।
2. আল্লাহর সৃষ্টি এবং জ্ঞান (21 - 39)।
3. বনি ইসরাইল'দের আইনের বিতরণ (40 - 103)।
4. ইব্রাহীম (আ) কে পরীক্ষা করা (104 - 141)।
5. কা'বা হল নতুন কিবলা (142 - 152)।
6. মুসলমানদের পরীক্ষা করা হবে (153 - 177)।
7. মুসলমানদের কাছে আইনের বিতরণ (178 - 253)।
8. আল্লাহর সৃষ্টি এবং জ্ঞান (254 - 284)।
9. বিশ্বাস বনাম অবিশ্বাস (285 - 286)।

আল-বাকারাহ রিং স্ট্রাকচার:
একটি রিং কম্পোজিশনে ফিট করার জন্য এই তালিকাটি পুনরায় সাজানো:
A বিশ্বাস বনাম অবিশ্বাস (1 - 20)।
—— B আল্লাহর সৃষ্টি ও জ্ঞান (২১ – ৩৯)।
————C বনি ইসরাইল'কে আইনের বিতরণ (40 – 103)।
——————D ইব্রাহীম (আ) কে পরীক্ষা করা (104 – 141)।
———————E কাবা হল নতুন কিবলা (142 – 152)।
——————D' মুসলমানদের পরীক্ষা করা হবে (153 - 177)।
————C' মুসলিমদের কাছে আইনের বিতরণ (178–253)।
—–B'আল্লাহর সৃষ্টি এবং জ্ঞান (254 - 284)।
A' বিশ্বাস বনাম অবিশ্বাস (285 - 286)।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Chittagong
4000