NB DEEN islam18
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ *
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও তার পরিবার-পরিজনদের উপর রহমত বর্ষণ করুন।
ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ
Assalamu alaikum
02/11/2025
আহ্ সুদান।
পুরো বিশ্ব আজ নীরব।
আমরা না এক উম্মাহ। আমরা না ভাই ভাই।
এই নীরবতা আর কতোদিন?
ইয়া রব আমাদের সুদানের ভাইদের সাহায্য করুন।
07/10/2025
যখন তুমি বউ তখন শাশুড়ি খারাপ,
আর যখন তুমি শাশুড়ি তখন বউ খারাপ।
যখন তুমি ননদ তখন ভাবি খারাপ,
যখন তুমি ভাবি তখন ননদ খারাপ।
নারীর এমন বহুরূপী আচরণে বহু পরিবার ধ্বংসের পথে।
19/08/2025
কোনো মুসলমান যদি শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন না চায় সে কাফের (মুসলমানই না) ” "
- শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফি.
02/08/2025
আহ্!
একটা জাতি এভাবে অনাহারে থেকে মারা যাচ্ছে আর আমরা মুসলিম উম্মাহ তাদের জন্য কিছুই করতে পারছিনা। এটা এই উম্মাহর জন্য লজ্জার! এর কি জবাব দিবো রবের কাছে?
✏️ মোহাম্মদ নবির হোসেণ
21/07/2025
শিশুগুলো জানতো না, আজই তাদের জীবনের শেষ সকাল।বাবা-মায়েরাও বুঝতে পারেনি, শেষবারের মতো ব্যাগটা গুছিয়ে দিছে। আকাশে ছিল রোদের আড়ালে লুকানো অশ্রুবর্ষা—নেমে এলো এক চিরকালীন বিদায় নিয়ে..
🖋️ : মোহাম্মদ নবির হোসেণ
18/07/2025
মূসা (আঃ) বললেন, মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
(বাকারা ০২:৬৭)
30/06/2025
"মানুষ কি মনে করে যে.
( তার মরার পরে)আমি তার
হাড়গুলো -একএিত করবো না??
সূরা আল-কিয়ামাহ্. ৭৫:৩
মহররম মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা। এই দিনে রোজা রাখার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ইসলামিক বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে আল্লাহ তায়ালা মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন।
তাই, ১০ই মহররমের সাথে আরো একদিন, অর্থাৎ ৯ই মহররম অথবা ১১ই মহররম রোজা রাখা সুন্নত বা ভালো। এতে করে ইহুদিদের সাথে রোজার সাদৃশ্য এড়ানো যায় এবং দুইটি রোজার মাধ্যমে অধিক ফজিলত লাভ করা যায়।
ইসলামে মহররম মাসের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয় এবং এই দিন রোজা রাখার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হযরত মুহাম্মদ (সা.) যখন মদিনায় হিজরত করেন, তখন তিনি দেখতে পান যে ইহুদিরা এই দিনে রোজা রাখছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় যে, এই দিনে আল্লাহ তায়ালা মুসা (আ.) ও বনী ইসরাঈলকে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। তখন নবীজি (সা.) বলেন, "আমরা মুসার অধিকতর ঘনিষ্ট ও হকদার।" তাই তিনি নিজে রোজা রাখেন এবং সাহাবিদেরও এই দিনে রোজা রাখার নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে, নবীজি (সা.) বলেন, "যদি আমি আগামী বছর বেঁচে থাকি, তাহলে ৯ তারিখও রোজা রাখব।" এই কারণে, সুন্নি মুসলমানরা সাধারণত ৯ ও ১০ই মহররম অথবা ১০ ও ১১ই মহররম রোজা রাখে। এই দুইটি রোজার মাধ্যমে আশুরার দিনের রোজার ফজিলত যেমন পাওয়া যায়, তেমনি ইহুদিদের সাথে সাদৃশ্যও এড়ানো যায়।
অতএব, মহররমের রোজা দুইটি রাখার পেছনে মূল কারণ হলো:
নবী (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ করা।
ইহুদিদের সাথে সাদৃশ্য এড়ানো।
আশুরার দিনের রোজার সাথে আরো একটি রোজা রাখার মাধ্যমে অধিক ফজিলত লাভ করা।
এই বিষয় টি আমরা অনেকেই যানি না
তাই এটা যানানো
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chittagong