17/05/2026
HSC 2027 প্রস্তাবিত রুটিন।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Physics With Abid Jafar, Educational consultant, Gulzar tower 6th floor, Chawkbazar, Chattogram, Chittagong.
"একাডেমিক ও ভর্তি প্রস্তুতির জন্য ফিজিক্সের পরিপূর্ণ গাইডলাইন!
আবিদ স্যারের তত্ত্বাবধানে-
📚 একাডেমিক ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা কোর্স।
🎯 ফিজিক্স শেখা হবে আরও সহজ, মজার ও ফলপ্রসূ।
📞 কল/হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭৯৭১৬২৪৮০
গুলজার টাওয়ার,৬ষ্ঠ তলা।
17/05/2026
HSC 2027 প্রস্তাবিত রুটিন।
17/05/2026
এস এস সি ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা,
ফিজিক্স প্র্যাক্টিক্যাল প্রশ্ন কেমন হয় দেখে নাও।
এটা ২০২৪ সালের প্রশ্ন।
14/05/2026
04/05/2026
Loading.......
Stay Tuned...
ওররেহ!
22/04/2026
✅ HSC 2026 বোর্ড পরীক্ষার রুটিন প্রকাশিত হয়েছে 👇
📌 Exam Hall-এ করণীয় – SSC 2026 পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
পরীক্ষার হলে শুধু পড়াশোনা জানলেই হয় না, সঠিকভাবে নিজেকে পরিচালনাও খুব জরুরি। মনে রাখো এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে—
✅ সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাও
পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে হলে পৌঁছালে মানসিক চাপ কম থাকবে।
✅ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে রাখো
এডমিট কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, কলম, পেন্সিল, স্কেল—সব আগেই চেক করে নাও।
✅ প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ো
তাড়াহুড়া করে উত্তর লেখা শুরু করো না। আগে পুরো প্রশ্ন বুঝে নাও।
✅ সহজ প্রশ্ন আগে দাও
যেগুলো ভালো পারো সেগুলো আগে লিখে আত্মবিশ্বাস বাড়াও।
✅ সময় ম্যানেজমেন্ট করো
প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নাও, যেন শেষে কোনো প্রশ্ন বাদ না পড়ে।
✅ লেখা পরিষ্কার রাখো
খাতা পরিষ্কার ও গোছানো হলে নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
✅ নার্ভাস হওয়া স্বাভাবিক
গভীর শ্বাস নাও, নিজেকে শান্ত রাখো—তুমি পারবে।
❌ কোনো অনৈতিক কাজে জড়াবে না
নকল বা নিয়ম ভাঙার চেষ্টা করলে ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
✨ মনে রেখো—পরীক্ষা শুধু জ্ঞান যাচাই নয়, ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস ও নিয়ন্ত্রণেরও পরীক্ষা।
সবার জন্য রইল অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা। সফলতা তোমাদের সাথেই থাকুক! 🤍
দান-ছদকা:
বেতন এর টাকাকে মাসের শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখার পরামর্শ-
ঘটনাটি এক সৌদি-যুবকের। সে তার জীবনের প্রতি মোটেও সন্তুষ্ট ছিল না। তার বেতন ছিল মাত্র চার হাজার রিয়াল। বিবাহিত হওয়ায় তার সাংসারিক খরচ বেতনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। মাস শেষ হওয়ার আগেই তার বেতনের টাকা শেষ হয়ে যেত, তাই প্রয়োজনের তাগিদে তাকে ঋণ নিতে হত। এভাবে সে আস্তে আস্তে ঋণের কাদায় ডুবে যাচ্ছিল। আর তার বেতনে এমন বিশ্বাস জন্ম নিচ্ছিল যে, তার জীবন এই অভাবেই কাটবে। অবশ্য তার স্ত্রী তার এ-অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখত। কিন্তু ঋণের বোঝা এত ভারী হযেছিল, যেন নিশ্বাস নেওয়াও দুষ্কর।
একদিন সে তার বন্ধুদের এক মজলিসে গেল। সেদিন এমন একজন বন্ধু সেখানে উপস্থিত ছিল, যে অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি। যুবকের বক্তব্য এমন ছিল যে, আমার ওই বন্ধুর সকল পরামর্শকে আমি খুব গুরুত্ব দিতাম।
কথায় কথায় যুবক তার সকল অবস্থা বন্ধুকে বলল। বিশেষত আর্থিক সমস্যাটা তার সামনে তুলে ধরল। তার বন্ধু মনোযোগ সহকারে কথাগুলো শুনল এবং বলল, আমার পরামর্শ হল- তুমি তোমার বেতন থেকে কিছু টাকা ছদকার জন্য নির্ধারণ কর। যুবক আশ্চর্য হয়ে বলল, জনাব! সাংসারিক প্রয়োজন পুরনেই ঋণ নিতে হয়; আর আপনি আমাকে ছদকার জন্য টাকা নির্ধারণ করতে বলেছেন?
যাইহোক, যুবক বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্ত্রীকে জানাল। তার স্ত্রী বলল, পরিক্ষা করতে সমস্যা কী? হতে পারে আল্লাহ্ তা’আলা তোমার জন্য রিযিকের দরজা খুলে দিবেন। যুবক বেতনের চার হাজার রিয়াল থেকে ত্রিশ রিয়াল ছদকার জন্য নির্ধারণের ইচ্ছা করল এবং মাসশেষে তা আদায় করতে শুরু করল।
সুবহানাল্লাহ! কসম করে বললে মোটেও ভুল হবে না, তার (আর্থিক) অবস্থা সম্পূর্ণ বদলে গেল। সে তো সবসময় টাকা-পয়সার চিন্তা টেনশনেই পড়ে থাকত; আর এখন তার জীবন যেন ফুলের মতো হয়ে গেছে। এত ঋণ থাকা সত্ত্বেও নিজেকে স্বাধীন মনে হত। মনের মধ্যে এমন এক অনাবিল শান্তি হচ্ছিল, যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়।
কয়েক মাস পর থেকে সে নিজের জীবনকে সাজাতে শুরু করল। নিজের আয়কৃত টাকা কয়েক ভাগে ভাগ করল, আর তাতে এমন বরকত হল, যা পূর্বে কখনও হয়নি। সে হিসাব করে একটা আন্দাজ করল, কত দিনে ঋণের বোঝাটা মাথা থেকে নামাতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
কিছুদিন পর আল্লাহ তা’লা তার সামনে আরও একটি পথ খুলে দিলেন। সে তার এক বন্ধুর সাথে প্রপাটি-ডিলিং এর কাজে অংশ নিতে শুরু করে। সে বন্ধুকে গ্রাহক/ক্রেতা এনে দিত, তাতে ন্যায্য প্রফিট পেত।
আলহামদুলিল্লাহ! সে যখনই কোনো গ্রাহকের কাছে যেত, গ্রাহক অবশ্যই তাকে অন্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছনোর রাস্তা দেখিয়ে দিত। এখানেও সে ঐ আমলের পুনরাবৃত্তি করত। অর্থাৎ প্রফিটের টাকা হাতে আসলে (আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) অবশ্যই তা থেকে ছদকা নির্ধারণ করত।
আল্লাহর কসম! ‘ছদকা কী’ তা কেউ জানে না; ঐ ব্যক্তি ব্যতিত যে তা পরিক্ষা করেছে। ছদকা কর এবং ছবরের সাথে চল- আল্লাহর ফযলে খায়ের বরকত নাযিল হবে, যা নিজ চোখে দেখতে পাবে।
নোট:- যদি আপনি কোনো মুসলমানকে তার উপার্জনের একটি অংশ ছদকার জন্য নির্ধারণ করতে বলেন এবং এর উপর আমল করে, আপনিও ঐ পরিমাণ ছওয়াব পাবেন যে পরিমাণ ছদকাকারী পেয়েছে। আর ছদকাকারীর ছওয়াবে কোনো কমতি আসবে না।
আপনি দুনিয়া থেকে চলে যাবেন আর আপনার অবর্তমানে কেউ আপনার কারণে ছদকা করতে থাকবে। আপনি ছওয়াব পেতে থাকবেন।
যদি আপনি তালিবে ইলমও হন এবং আপনার আয় একেবারে সীমিত ও নির্ধরিতও হয়। তবুও কম-বেশি, যতদূর সম্ভব (সামান্য কিছু হলেও) ছদকার জন্য নির্ধারণ করুন।
যদি ছদকাকারী জানতে ও বুঝতে পারে যে, তার ছদকা ফকিরের হাতে যাওয়ার আগে আল্লাহর হাতে যায়। তাহলে অবশ্যই ছদকা গ্রহণকারীর তুলনায় ছদকাদানকারী অনেক গুণ বেশি আত্মিক প্রশান্তি লাভ করবে।
◾ছদকা দানের উপকারিতা:-
ছদকা দানকারী এবং যে তার কারণ হবে সেও এ সকল ফায়েদার অন্তর্ভুক্ত।
১. ছদকা জান্নাতের দরজাসমূহের একটি।
২. ছদকা আমলের মধ্যে উত্তম আমল।
৩. ছদকা কেয়ামতের দিন ছাঁয়া হবে এবং ছদকা-আদায়কারীকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করবে।
৪. ছদকা আল্লাহ তা‘লার ক্রোধকে ঠান্ডা করে এবং কবরের উত্তপ্ততায় শীতলতার উপকরণ হবে।
৫. মৃতব্যক্তির জন্য উত্তম বদলা এবং সবচে’ উপকারী বস্তু হল ছদকা। আর ছদকার ছওয়াবকে আল্লাহ তা‘আলা ক্রমাগত বৃদ্ধি করতে থাকেন।
৬. ছদকা পবিত্রতার আসবাব, আত্মশুদ্ধির মাধ্যম ও সৎকাজের প্রবর্ধক।
৭. ছদকা কেয়ামতের দিন ছদকাকারীর চেহারার আনন্দ ও প্রফুল্লতার কারণ হবে।
৮. ছদকা কেয়ামতের ভয়াবহ অবস্থায় নিরাপত্তা হবে। অতীতের জন্য আফসোস করা থেকে বিরত রাখে।
৯. ছদকা গুনাহের ক্ষমা এবং খারাপ কাজের কাফফারা।
১০. ছদকা উত্তম মৃত্যুর সুসংবাদ এবং ফেরেস্তাদের দোয়ার কারণ।
১১. ছদকা দানকারী সর্বোত্তম বান্দাগণের অন্তর্ভুক্ত এবং ছদকার ছওয়াব প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি পায় যে কোনো না কোনোভাবে অংশিদার হয়।
১২. ছদকা দানকারীর সঙ্গে সীমাহীন কল্যাণ ও বিরাট প্রতিদানের ওয়াদা রয়েছে।
১৩. খরচ করা মানুষকে মুত্তাকীদের কাতারে শামিল করে। ছদকাকারীকে সৃষ্টিকূল মুহাব্বত করে।
১৪. ছদকা দয়া-মায়া ও দানশীলতার আলামত।
১৫. ছদকা দোয়া কবুল এবং জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম।
১৬. ছদকা বালা-মসিবত দূর করে দুনিয়াতে সততরটা খারাপির দরজা বন্ধ করে।
১৭. ছদকা হায়াত ও মাল বৃদ্ধির মাধ্যম। সফলতা এবং রিজিকের প্রশস্ততার মাধ্যম।
১৮. ছদকা চিকিৎসা, ঔষধ ও সুস্থতা।
১৯. ছদকা আগুনে পোড়া, পানিতে ডোবা ও অপহরণসহ (সকল) অপমৃত্যুর প্রতিবন্ধক।
২০. ছদকার প্রতিদান পাওয়া যায়- চাই তা পশু-পাখিকেই দেওয়া হোক না কেন।
শেষকথা: ব্যাক্তিগত জীবনে আমি আমার বেতন থেকে প্রতিমাসে এক অনাথ পরিবারকে ১৫০০/- টাকা করে ছদকা হিসেবে দান করতাম। এছাড়াও কিছু দরিদ্র বন্ধুকে মাঝে মধ্যে বেতন থেকে অর্থ সাহায্য করতাম। ভাইবোনদের বিপদ আপদে বেতন থেকে সাহায্য করতাম এবং আমার রেশন প্রায় দেড় যুগ ধরে একটি পরিবারে অনুদান হিসেবে উৎসর্গ করেছি, যা বর্তমানেও চলমান। জীবনে অনেক বড় বড় বিপদ ফেস করেছি। আল্লাহর রহমতে কেউ আমার কোন ক্ষতি করতে পারেনি। আলহামদুলিল্লাহ। কখনও আর্থিক কষ্ট অনুভব করলে আল্লাহ পুষিয়ে দিয়েছেন। সাদকা গুন এতই ফলপ্রসূ তা আমার জানা ছিল না।
এই মুহূর্তে আপনার জন্য সর্বোত্তম ছদকা হল, এই কথাগুলো ছদকার নিয়তে প্রচার করা।
✅ Breaking News
HSC :: 2026
পরীক্ষা শুরু ৭ জুন
ব্রেকিং...
অভিন্ন প্রশ্নে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর!
| Monday | 07:00 - 19:00 |
| Tuesday | 07:00 - 19:00 |
| Wednesday | 07:00 - 19:00 |
| Thursday | 07:00 - 19:00 |
| Friday | 07:00 - 19:00 |
| Saturday | 07:00 - 19:00 |
| Sunday | 07:00 - 19:00 |