07/03/2021
মার্টিন লুটার কিং
আমাকে কেন ভালো স্কুলে ভর্তি নেয়া হলো না সেকথা জানতে পারিনি ,
সেই কথা লুকিয়েছিলেন আমার বাবা
এখন আমি জানি বিশেষ পদে আমার নিয়োগ কেন হবে না
জানেন প্রতিটি আফ্রো - এশিয়ান
প্রান খুলে হাসতে পারিনি বহুদিন
সেকথা বলতে ও পারিনি
সে কথা বলতেই জড়ো হয়েছিলাম লিংকন মেমোরিয়ালে
সে আমার একটি স্বপ্ন
মার্টিন , সে স্বপ্নই আমরা আজ ও দেখছি
সাদা আততায়ীর গুলিতে তুমি লুটিয়ে পড়ার পরে তাই হেসেছিলাম
শান্তি আর অহিংসার কথাটি অন্তত বলতে পারব আনন্দে
এখন আমি প্রান খুলে হাসি গভীর কান্নার সমান আনন্দে
তোমরাই যদি শ্রেষ্ঠতর তাহলে আজ
আমি শ্বাস নিতে পারছিনা কেন?
শ্রেষ্ঠত্বের বাহানায় হিংসা নয়
আধিপত্যের বাহানায় হত্যা নয়
আইনি অধিকারে ও শেষ কথা নয়
হৃদয়ের আগ্রাসন ,হ্রদয়ের আগ্রাসন একান্ত জরুরি
আজ আমার নামের পরে বড়জোর দেশ জিজ্ঞেস করো
কখনো ও জিজ্ঞেস করো না কি আমার ধর্ম
তাকিয়েই বুঝে নিওনা ,কী আমার বর্ণ ।
অথচ আমার শিরা -উপশিরায় প্রবহমান স্রোতের কাছে তোমার কোন জিজ্ঞাসা নাই
সকল ধর্ম ও বর্ণ এখানে নিরুত্তর প্রবহমান
এখানে লোহিত কনিকা মিশে যাচ্ছে
ঐ মহামানবের ঢেউয়ে ,স্লোগানে ,প্লাকার্ডে
জন্মেছি মানুষ মাঝে , মানুষ হবো কবে?
শতাব্দী পেরিয়ে অপেক্ষা আছড়ে পড়ে
অপেক্ষা , হৃদয়ের ভাষায় কথা হবে বলে
অপেক্ষা আমর মামুলি অকল্যানে
তোমায় হৃদয় আতকে উঠবে বলে ।
06/03/2021
তৃতীয় পার্ট( মধ্যবিত্ত)
অন্যদের দেয়া সেকেন্ড হ্যান্ড জামাতেই
নিজেদের মানিয়ে নিতে শিখেছিলাম
তবে আমাদের মাঝে ছিলো
পদ্দ পুকুরের মতো ভীষন লজ্জা
কলেজে, ক্যাম্পাসে বা আত্নীয়স্বজনদের কাছে
আমাদের অবস্থান ছিলো সুদৃঢ় ও মর্যাদা সম্পন্ন
বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় ছিলোনা
আমাদের ভেতরে দৈন্য দশা
কারন, ছোটবেলা থেকেই
আমাদের দুৃটো শিক্ষা দেয়া হয়
এক, নিম্ন আমরা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান
আর দুই , আমরা সম্ভ্রান্ত পরিবারকে ধারন করি
আমাদের বুক ,পেট ,তলপেট ,উফর
বৃহদান্ত্র ,ক্ষুদ্রান্ত্র সব ক্ষুধার তাড়নায়
ফেতে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেলেও
আমাদের মুখে সব সময়
চাদের হাসি লেপ্টে থাকবে
এবং চাদের হাসি লেগে থাকতো ।
05/03/2021
সেকেন্ড পার্ট (মধ্যবিত্ত)
বাকিতে মৌলিক চাহিদা মেটাতে মেটাতে
শৈশব যে কোথায় ছুটে পালিয়ে ছিল
তার টের পেতে পেতে
তখন আমি ও আরেক বাবা হয়ে উঠছি
চাল-ময়দার ঠোঙ্গাগুলোকে কেটে
সেলাই করে খাতা বানাতাম
বছর শেষে আবার তাদের বিক্রি করে
নতুন ক্লাসের সেকেন্ড হ্যান্ড বই কেনা
নতুন বই কেনার কথা তো
কাস্মিনকালে ও ভাবতে পারিনি
আমিষ বিহীন পেঁপে ভাজি ,আলুর ঝোল ,
বেগুর ভর্তা খেয়েই কতো
দিন-রাত পার করেছি
অন্য কিছুর চড়া আচেঁ আমাদের
বাজারের ব্যাগ জুলে যেত সেসময়
অন্য কিছুর সামর্থ্য দিলো না বলে
ঈদে পরবে কদাচিৎ জুটেছে দামের মুরগী
আমাদের পিঠোপিঠি দু ভাইয়ের জন্য
একটিই শখের জিন্সপ্যান্ট কিনতে পেরেছিলাম
তিনশ টাকা খরচ করে
তাও , একমাসের একটি টিউশনের বেতন দিয়ে
মা যেটা আলমারিতে তুলে রাখতেন
যদি কোথাও দাওয়াত পড়ত
আমরা ভাগ করে নিতাম কে গায়ে হলুদে
যাবে সেটা পরে ,আর বর যাত্রী কে হবে
এমন কোনো অনুষ্ঠান দিলো না যে
আমরা দু ভাই একাসাথে গিয়েছি ।
উপহার কেনার সামর্থ্য কোন দিনই আমাদের ছিলোনা
তাই ,আমরা শুধু বরযাত্রী বা গায়ে হলুদেেই যেতাম
আমি একজন নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান
যাদের কোন চাহিদা থাকতে নেই
আমাদে মা তবু খুব সুখী ছিলেন
কারন ক্ষুদা লাগলে ও আমরা
ভাতের মাড় ,লবন ছিটিয়ে খেতে পারতাম
তখনও মাছের কাটা বেছে খেতে শিখিনি
মা-ও সেকথা জানতেন
দুষতেন দারিদ্রতাকে
আমি দিব্যি তরকারি দিয়ে
আয়েশ করে খেয়ে ওঠার ভান করাটা
শিখে নিয়েছিলাম
স্মুলের টিফিনের জন্য
জেদ করেছি কিনা
ঢের সন্দেহ আছে ।
স্কুলের মাইনে দেবার সাত তারিখ পার হলেই
ঝন্টু স্যার দাড় করিয়ে রাখতেন
এক পিরিয়ড প্রতিদিন
জানলে বাবা কষ্ট পায় ,
তাই বলা হয়নি সেকথা কোন দিনই
প্রায়ই হাটু ছিলে দগাদগে ক্ষত নিয়ে
ফিরতাম ফুটবল খেলে
গভীর রাতে আমরা ঘুমিয়ে পড়লে বাবা এসে
কেরোসিন লাগিয়ে দিতেন অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে
ঝর ঝর করে পানি পড়তো
তখন তার চোখ বেয়ে
কেন বাবা!কেন ফেলতে?
আমার হাটুর ক্ষত ,এই যে রক্তাক্ত চামড়া
কেন তার চোখের পুকুর টাকে
আন্দলিত করে যেত সে সময় বুঝতে পারিনি
বিদ্র: আগামীকাল তৃতীয় পার্ট আসবে )
28/02/2021
মধ্য বিত্ত (প্রথম পার্ট )
আমার বেশ মনে আছে
বাবা খুব ভোরে বেরুতেন আর ফিরতেন
সবার ঘুমিয়ে পড়ার পর
না প্রতিদিন নয়
এই থরুন ,মাসের দশ থেকে
একুশ-বাইশ তারিখ পযর্ন্ত
বাড়িওয়ালার সামনে পড়াটা এড়াতেই
এই ভোর পাচঁটা থেকে
বারোটা পযর্ন্ত অফিস।
বাবা বেশ রাগী ছিলেন ।
আমরা বাবাকে ভয়ে কিছু প্রশ্ন করতে পারতাম না।
পারলে নিশ্চয় জিজ্ঞেস করতাম
বাবা তুমি রোজ অফিসের আগে ,ছুটির পরে
সংসদ ভবনের প্যামট্রিগুলোর নীচে অন্ধকার
স্যাতস্যাতে রাস্তায় বসে মাথা হেট করে কী ভাবো?
কে তোমায় সকালের নাস্তা বানিয়ে দেয়?
লাঞ্চ করো কি কখনো?
বাড়ি ভাড়া দেয়ার তারিখ উত্তীর্ন হলেই
আমরা দু-ভাই গিয়ে দাড়াতাম
বাড়ি ওয়ালারর সামনে করুন সুখ করে
উনি গলে যেতেন
এই হঠাৎ করুন সুখ করার ব্যাপারটা
আমরা বেশ ভালোই রপ্ত করে ফেলেছিলাম
মোটর বাইক পাশ কেটে বের হলেই
আমি হা করে চেয়ে থাকতাম।
একদিন বাবা বলেছিলেন
শোনো আব্বা, নিম্ন মধ্যবিত্তের স্বপ্ন দেখারও
একটা লিমিট থাকে রে বোকা
জবাবে বাবাকে সেদিন চমকে দিয়ে বলেছিলাম
বাবা জীবনে মৌলিক চাহিদাগুলোর পূরনের
আক্ষেপ থেকে জন্ম নেয়া সুপ্ত বাসনাগুলি
যদি হঠাৎই ঘুম ভেঙে লাফ দিয়ে জেগে উঠে
হাত ধরাধরি করে হাটতে চায়?
সেও কি নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে অন্যায় হবে?
নাকি উচ্চবিত্ত হয়ে উঠার ধৃষ্টতা ?
বলেই ভাবলাম,কী যে সব ভুলভাল
বকে ফেললাম বাবার সামনে?
বেশী বলে ফেললাম নাতো?
আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে
শিক্ষা ,সততা আর আদর্শই যাদের একমাত্র সম্ভল
তাদের অন্তত বাবার মুখের ওপর
এমন বাগিতা মানায় না
গলির মুখে তিন রাস্তার মোড়ে
কার্তিক বাবুর মুদির দোকানে
তোমাকে ভয়ে কোনদিন বলেনি বাবা
ভীষন হাস্যেজ্জ্বল লোকটির সুখ আষাঢ়ের
আকাশের মতো গোমড়া হয়ে যেতো
আমাদের বাকির স্লিপ ধরা হাতগুলো দেখলেই
একটা লজেন্স কোনদিন চাইতে পারিনি
বাকির খাতার কারনে
(দ্বিতীয় পার্ট আগামীকাল)
20/02/2021
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি…
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকল ভাষা শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।
09/02/2021
Don't judge me by my success,judge me by how many times I fell down & got back up again
.....nelson mandela
09/02/2021
প্রসব বেদনা ছাড়া যেমনি কেউ কখনো মাতৃত্বের স্বাদ পায়নি, তাহলে আপনি কেন আশা করছেন কষ্ট ছাড়াই সফলতার স্বাদ পাবেন।
07/02/2021
বর্তমানে আপনি অনার্স পাশ করা বা বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করা এক বেকার যুবক। প্রতিনিয়ত চাকরির খোজে পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছেন , অনলাইন জব সাইটগুলোতে নিয়মিত চোখ রাখছেন শুধু একটি চাকরির আশায়। কিন্তু তার পরেও আপনি ব্যার্থ হন চাকরির কাছে।কিন্তু আপনি বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করেছেন এবং আপনি এখন একজন শিক্ষিত ব্যাক্তি সবার কাছে । আপনি জানেন আপনার মা-বাবা আপনার একটি চাকরির সুসংবাদ শোনার জন্য আজো পথ চেয়ে আছেন । আপনার বাবা হয়তো ভাবছেন, আপনি চাকরিতা এবার পেয়ে গেলেই আপনাকে তার অসুকের কথা বলবে। বয়স হওয়াতে হয়তো দীর্ঘদিন তিনি নানা শারীরিক যন্ত্রনায় ভুগছেন। তবু ও সহ্য করে আছেন এই ভেবে এবার তো আপনার পড়াশুনা শেষ, ছেলে এখন গ্রাজুয়েট। এবার চাকরিটা হয়ে গেলেই ডাক্তারের কাছে যাওয়া যাবে । কিন্তু বাস্তবতা নির্মম অবন্থায় চাকরিটা হচ্ছে হচ্ছে করেও আপনার হলো না। শুধু একটি চাকরির আশায় হয়তো রাত জেগে পড়তে গিয়ে আপনার আড্ডা দেয়া হয়নি বন্ধুদের সাথে ,হয়তো হাজারটা অভিমান জমে আছে আপনার প্রিয়তমা মুঠোফোনে । সবকিছুকে পেছনে ফেলে এখন আপনার চাওয়া একটায় ,ভালো একটা চাকরি চাই ।এবং আপনার চাকরির সংবাদ শোনার আশায় প্রিয়তমা বসে আছে অনেক ভালো পাত্রপক্ষকে বিদায় দিয়ে। এদিকে আপনার একটা চাকরির আশায় আপনার অপেক্ষায় থাকা প্রিয়সীর বয়সটাও বেড়ে যায় । শুধু আপনি চাকরিটা পাবেন বলে আপনার মা কত স্বপ্ন বুনেছে মনে। চাকরিটা আপনি পেলেই এবার হয়তো আপনার ছোট বোনটি অনেক শপিং করবে বলে বড় এক লিস্ট বানিয়ে রেখেছে । কত খুশি তার বড় ভাইয়ের অনার্স পাশের সংবাদে। আপনার ছোট বোনটি হয়তো অনেকদিন ধরে বড় বড় শপিং সেন্টারে বান্ধবীদের সাথে শুধু শপিং করাটাই চেয়ে চেয়ে দেখেছে,আর হয়তো মনে মনে বলেছে ভাইয়া এবার চাকরিটা পেলেই ঐ নতুন জামার কথাটা ভাইয়াকে বলব । সে ভাইয়ার চাকরিটা এখনো হল না। তার পরে ও যুদ্ধ করে যাচ্ছেন একের পর এক নিজের সাথে প্রতিনিয়ত। প্রত্যেকে যদি চাকরি চিন্তা করি এবং একজন চাকরি করছে বলে আমাকেও চাকরি করতে হবে এমন না । পৃথিবীতে তারাই জীবনে পরিপূর্ন প্রতিষ্ঠিত করেছেন , যারা প্রত্যেকের থেকে আলাদা কিছু চিন্তা বা কাজ করেছেন এবং যারা নিজের ভুল ধরার নিজে আবিষ্কার করতে পেরেছেন।তাহলে আপনি শুধু চাকরি কথা চিন্তা না করে
প্রতিদিন কিছু না কিছু কাজ করতে চেষ্ঠা করেন ,কিছু না কিছু শিখতে চেষ্টা করেন । দেখবেন আপনার জীবনে এই একটু একটু কাজ গুলো এক সময় বড় আকারে রুপ ধারন করবে । তাহলে আপনার জীবন পরিবর্তন হবে এবং ভালো এক অবস্থানে আবিষ্কার হবে ।
02/02/2021
Hidden key of Success
(নিজেকে পরিপূর্ণ ও শ্রেষ্ঠত্বে আনয়নের চাবিটি)
যারা এগুলো নিজ থেকে মেনে নিয়ে অনুসরন করে । তারা জীবনে উন্নতি ও ভালো পর্যায়ে যেতে পারবে ......
১. নিজের ভুল বের করার ক্ষমতা
২. ঝুকি নেওয়ার ক্ষমতা
৩. সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা
৪. ব্যর্থতা মেনে নেওয়ার ক্ষমতা
৫.দোষ স্বীকার করার ক্ষমতা
৬. অন্যকে প্রশংসা করার ক্ষমতা
৭. নিজের সেবাটুকু খুঁজে পাওয়ার ক্ষমতা
02/02/2021
যদি আপনার মাঝারি মনের অবস্থাকে পেছনে ফেলে আসতে চান এবং আপনার সম্ভাবনাকে সবোর্চ্চ পর্যায়ে কাজে লাগাতে চান তাহলে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু কাজ করুন আর শিখুন। এটি মনে হবে সহজ আর সাধারন। তবে এই কাজটি আপনাকে সেই চাবিটি দেবে যা দ্বারা আপনি আপনার ভেতরে অমিত শক্তির ঘর তার তালাটি খুলতে পারবেন। যা আপনাকে সাধারন থেকে অসাধারন ব্যাক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। শুধু তাই নয় আপনাকে সফলতার যোগ্যতম স্থানে পৌছে দিতে সাহায্যে করবে।