আফরাজ মাম্মি হাবিবা ইয়াছমিন

আফরাজ মাম্মি হাবিবা ইয়াছমিন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আফরাজ মাম্মি হাবিবা ইয়াছমিন, Banshkali, Chittagong.

আমি হাবিবা ইয়াছমিন। গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বেকার মেয়েদের স্বপ্নকে জাগিয়ে দিই, ঘরোয়া কৃষি ও আয় উপার্জনের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভর হতে সাহায্য করি। আমি চাই তারা নিজের পরিশ্রম ও প্রতিভায় আলোর পথ তৈরি করে নিজের ও সমাজের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক।

বস্তিতে আগুন লাগলে নেটিজেনরা খুব একটা কিছু  বলেন না। গরীব মানুষ থাকে তাই? আর কড়াইল বস্তিতে যে নিয়মিত বিরতিতে আগুন লাগে,...
25/11/2025

বস্তিতে আগুন লাগলে নেটিজেনরা খুব একটা কিছু বলেন না। গরীব মানুষ থাকে তাই? আর কড়াইল বস্তিতে যে নিয়মিত বিরতিতে আগুন লাগে, তার একটা পুরনো গল্প ছিল। সেটি কি এখনো সক্রিয় ?

হাসিনা ক্ষমতায় গিয়ে জাতির উপর নিয়েছিলো তার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ, আর জামাত ক্ষমতায় এলে নেবে ৭১'র পরাজয়ের প্রতিশোধ।
25/11/2025

হাসিনা ক্ষমতায় গিয়ে জাতির উপর নিয়েছিলো তার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ, আর জামাত ক্ষমতায় এলে নেবে ৭১'র পরাজয়ের প্রতিশোধ।

25/11/2025

ভূমি'কম্পের প্রথম ধাক্কায়ই বাবা স'ন্তানকে ফেলে দৌড় দিয়েছে!
তাহলে ভাবুন, কে'য়ামতের দিন অবস্থা কতটা ভ'য়াবহ হবে!

21/11/2023

নতুন শিক্ষাক্রমের ভবিষ্যৎ ভয়াবহতার আখ্যান:

নতুন বইয়ের নবম শ্রেণীতে শিক্ষার্থীরা ৫৮ পাতার ৩টা পদার্থবিজ্ঞানের চ্যাপ্টার পড়বে। প্রথম চ্যাপ্টারে নিউটনের সূত্র, দ্বিতীয় চ্যাপ্টারে তাপমাত্রা ও তাপ আর তৃতীয় চ্যাপ্টারে পড়বে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান যেখানে তরঙ্গ-পার্টিকেল ডুয়ালিটি, হেইসেনবার্গের অনিশ্চয়তার প্রিন্সিপল ইত্যাদি। একই দেশের ইংরেজি মাধ্যমের সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী (মানে আমার বড় কন্যা পড়েছিল) ২১৬ পাতার ৮ চ্যাপ্টারের পদার্থবিজ্ঞানের বই যেখানে ছিল ইউনিটস এবং মেজারমেন্ট, ইলেকট্রিসিটি, ফোর্সেস এন্ড মোশন, রশ্মি এবং তরঙ্গ, আর্থ এন্ড স্পেস, এনার্জি, মাগনেটস এন্ড কারেন্ট, atoms এন্ড nuclei প্রভৃতি পড়বে। অর্থাৎ ইংরেজি মাধ্যমের সপ্তম শিক্ষার্থীরা যা পড়বে বা জানবে আমাদের বাংলা মাধ্যমের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরাও তা পড়বে বা জানবে না।

আর নবম দশম অর্থাৎ ও লেভেলে আছে ২৭১ পাতার পূর্ণাঙ্গ পদার্থবিজ্ঞান বই যেখানে আছে ৮টি ইউনিট। প্রথম ইউনিট হলো ফোর্স এন্ড মোশন, দ্বিতীয় ইউনিট হলো ইলেকট্রিসিটি, তৃতীয় ইউনিট হলো ওয়েভস, চতুর্থ ইউনিট হলো এনার্জি রিসোর্সেস, পঞ্চম ইউনিট হলো সলিড্স, লিকুইডস এন্ড গ্যাসেস, ষষ্ঠ ইউনিট হলো মাগনেটিজম এন্ড ইলেক্ট্রোমেগনেটিজম, সপ্তম ইউনিট হলো রেডিওএক্টিভিটি এন্ড পার্টিকেল এবং অষ্টম ইউনিট এস্ট্রোফিজিক্স।

তাহলে একই দেশের নবম দশম শ্রেণী পাশ করা ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের পার্থক্য বুঝতে পারছেন? একটা দেশে অর্থেবিত্তে ইংরেজি মাধ্যমের খরচ বহন করতে পারবে সেই ধনীর সন্তানরা সপ্তম শ্রেণীতেই যতটা পদার্থবিজ্ঞান পড়বে আমাদের বাংলা মাধ্যমের নবম শ্রেনীতে এসেও ততটা গভীরে পড়বে না। এই বৈষম্য আপনি কিভাবে ঘুচাবেন? কোনদিন ঘুচবে না। আবার উচ্চতর গণিততো নবম দশম শ্রেণী থেকে সম্পূর্ণ বাদ। অথচ ইংরেজি মাধ্যমের নবম দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা গণিতে পড়ে ৪৪৩ পাতার একটি পূর্ণাঙ্গ বই। এই বইয়ে আছে ১২টি চ্যাপ্টার যেখানে আছে নাম্বার, এলজেব্রা-১, Mensuration, জিওমেট্রি, এলজেব্রা-২, ট্রিগোনোমেট্রি, গ্রাফস, সেট্স ভেক্টরস এন্ড functions, matrices & ট্রান্সফর্মাশন্স, স্ট্যাটিসটিক্স এন্ড প্রোবাবিলিটি, ইনভেস্টিগেশনস, প্রাকটিক্যাল প্রব্লেমস এন্ড ধাঁধা। যেহেতু বিভাগ উঠিয়ে দিয়েছে তাই বর্তমান শিক্ষাক্রমের এইসব বিষয়ের সামান্যতম রাখলেও সবার জন্য করা যাবে না। তাহলে গণিতও কত কম জানবে বুঝতে পারছেন? একই কথা বলা চলে রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে। শুধু ইংরেজি মাধ্যমে না। চীন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জার্মানিতে যারা বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে পড়ে তারা আরো ডিপ লেভেলে ফিজিক্স পড়ে। দুইদিন আগেই বলেছিলাম ১০০ বছরেরও অনেক আগে ম্যাক্স প্ল্যাংক মাত্র ১০ বছর বয়সে শক্তির নিত্যতা সূত্র সম্মন্ধে স্কুলে পড়েছিলেন।

৯ম বা ১০ম শ্রেণীর নতুন পাঠ্যক্রমের ভেতরে কতটুকু বিজ্ঞান আর গণিত রয়েছে, সেটা কি একাদশ শ্রেণীতে উঠে তাদের যেই বর্তমান সিলেবাস আছে সেটার সাথে কোপ করার মত করে তাদের তৈরী করা হবে? একদম না। নতুন শিক্ষাক্রমে একটা মাত্ৰ বিজ্ঞানের বই পড়ে একাদশে ওরা ফিজিক্স, কেমেস্ট্রি আর বায়োলজির আলাদা তিনটে বিশাল সিলেবাসের ভার বইতে পারবে না না না। এই সামান্য জিনিসটা বুঝতে কি বড় বিজ্ঞানী হওয়া লাগবে? এইটা বোঝা তো কমনসেন্সের ব্যাপার। তার মানে এখন উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাসও কেটেছেঁটে লঘু করতে হবে! তাহলে নতুন শিক্ষাক্রম পড়ে আমাদের ছেলেমেয়েরা কিভাবে গণিত অলিম্পিয়াড করবে? কিভাবে ফিজিক্স অলিম্পিয়াড করবে? অথচ বর্তমান কারিকুলাম পড়ে আমাদের ছেলেমেয়েরা এই দুটিসহ অন্যান্য সব অলিম্পিয়াডে খুবই ভালো করছে। এরা আরো ভালো করতো যদি আমাদের স্কুলগুলোতে আরো ভালো মানের শিক্ষক দিতে পারতাম। আমাদের স্কুলের শিক্ষকরা যদি শ্রেণীকক্ষে আরো অধিক মনোযোগী হতেন। হবে কিভাবে? এত অল্প বেতনে এরাতো চলতে পারে না।

বাংলা মাধ্যমের বর্তমান সিলেবাসের উপর একটা কালিমা লেপে দেওয়া আছে। একটা কথা চালু আছে যে বাংলা মাধ্যমের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাটা মুখস্থনির্ভর, কোচিং নির্ভর। না বুঝলেতো মুখস্ত করতেই হবে। পদার্থবিজ্ঞান কিংবা গণিততো মুখস্তের তেমন কিছু নাই। অথচ মুখস্তের কালিমা লেপে এইগুলোকেই কেটে ছেঁটে দেওয়া হয়েছে। সমস্যা হলো শ্রেণী কক্ষে বিজ্ঞানকে সার্জারি করে স্লাইস করে করে লজিক্যাললি পড়াতে পারার মত যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় না। কিছু কিছু কোচিং সেন্টারে ভালো শিক্ষক আছে বলেই শিক্ষার্থীরা কোচিং মুখী হয়েছে। কিন্তু যত ভালো শিক্ষকই সেখানে থাকুক কোচিং একটা ব্যবসা। সেখানে সঠিকভাবে পড়ানোর বদলে ওই মেধাবী শিক্ষকরা ট্রিকস বা শর্টকাট রাস্তা শেখায়। অথচ কোচিং এর শিক্ষকদের মানের শিক্ষকই যদি বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তাদের যথেষ্ট বেতন দেওয়া হয় আর তারা যদি বিদ্যালয়ে যথেষ্ট সময় দেয় তাহলেই বর্তমান বাংলা মাধ্যমের সিলেবাস দিয়ে ম্যাজিক্যাল সাফল্য সম্ভব।

গতবার যারা অনার্স শেষ করেছিল তাদের অনেকেই অত্যন্ত মেধাবী কিছু শিক্ষার্থী ছিল। এদের একজন জার্মানি চলে গিয়েছে, কয়েকজন তত্তীয় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে চলে গিয়েছে বাকিরা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগেই আছে। তত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানেও আমি একটি কোর্স পড়াই বলে ওদের সবাইকেই আমি পড়িয়েছি। পড়িয়ে আমি মুগ্ধ। এদের অন্তত একজন ভর্তি পলীক্ষায় একদম প্রথম দিকে থেকেও পদার্থবিজ্ঞানেই ভর্তি হয়েছে। সে বুয়েটেও সুযোগ পেয়েছিল। সম্প্রতি এদের কয়েকজন ফিজিক্স সাবজেক্ট জিআরই দিয়েছিল। এদের অন্তত দুজনের কথা জানি যারা ৯৩০ এর উপরে পেয়েছে, ১ জন সাধারণ জিআরইতে ৩২৩ পেয়েছে, IELTS-এ ৮.৫ পেয়েছে। এছাড়া আমার আরো ৩ জন ছাত্র খুবই অল্প প্রস্তুতিতে IELTS-এ ৮পেয়েছে। এরা সবাই বাংলা মাধ্যমে পড়ে এসেছে। এরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আমি এদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়ে এত আনন্দ পাই। আমার আশংকা নতুন শিক্ষাক্রম যারা পড়ে আসবে তাদের মধ্যে থেকে এমন মেধাবী আর হয়ত পাব না। আমার এই আশংকার কারণগুলো নিশ্চই উপরের লেখা থেকে বুঝতে পারছেন? বর্তমান বাংলা মাধ্যমের কারিকুলামকে আরেকটু কেটেছেঁটে, স্কুলগুলোতে ভালো শিক্ষক দিয়েই আমরা অভূতপূর্ব সাফল্য পেতে পারতাম। আসলে বিজ্ঞানের বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। এই দেশ থেকে আর বড় বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার ও ডাক্তার পাব না।

ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত আপনারা সিভিক আইন সেখান, রান্না বান্না সেখান, সুস্থ থাকা সেখান, বনে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে পরিবেশ ও প্রাণীদের সম্মন্ধে সেখান। পরীক্ষা কম থাকুক। এইসবে আমার কোন আপত্তি নাই। কিন্তু সপ্তম শ্রেণী থেকে আস্তে আস্তে সিরিয়াস জিনিস পড়াতে হবে। নবম শ্রেণীতে এসে যাদের গণিত ও বিজ্ঞানের বিষয় ভালো লাগবে তাদেরকে গণিত ও বিজ্ঞান নিতে দিন, যাদের মানবিকের বিষয় ভালো লাগবে তাদের মানবিকের বিষয় নিতে দিন আর যাদের ব্যবসার বিষয় ভালো লাগবে তাদের ঐসব বিষয় নিতে দিন। এই সময়টাই ভিত্তি গড়ার সময়। বড় বহুতল ভবন বানাতে হলে যেমন ভিত্তির জন্য মাটির নিচে গভীরে যেতে হয় অর্থাৎ যত বেশি উঁচু ভবন হবে তত বেশি গভীরে ফাউন্ডেশন দিতে হবে। তাই সম্পটোম শ্রেণী থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন তৈরির কাজকে স্কুল ও কলেজকে করতে হয়।
Courtesy: Dr.Kamrul Hassan Mamun Sir, Professor of Physics,DU.

20/11/2023

ধন্যবাদ. কামরুল হাসান স্যার(প্রফেসর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান) ।।।।।। স্কুল ও কলেজের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সিলেবাস কখনো একবারে শতভাগ পরিবর্তনের নজির পৃথিবীতে নাই। সাধারণত বছরে ১০ থেকে ২০ শতাংশ পরিবর্তন করা হয়। এর আগে ১৯৬২-৬৩ সালে পাকিস্তানের স্বৈরিশাসক আয়ুব খান শরীফ কমিশন তৈরী করে হঠাৎ ব্যাপক পরিবর্তন আনেন। তিনি এসএসসিতে ‘সমাজবিদ্যা’ নামক নতুন একটি বিষয় যোগ করেন। এছাড়া এসএসসি পরীক্ষাকে দুই ভাগে নবমশ্রেণীর শেষে একটি এবং দশম শ্রেণীর শেষে আরেকটি পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি প্রথম পর্ব এবং এসএসসি দ্বিতীয় পর্বে ভাগ করা হয়। দুই বছরে এসএসসি চূড়ান্ত পরীক্ষা (৪০০+৬০০); বিস্ময়করই বটে! পরে মানুষের দুর্বার আন্দোলনের মুখে এসএসসি পরীক্ষা দুই বছরে ভাগ করে নবম ও দশম শ্রেণিতে নেওয়ার ব্যবস্থা এবং আবশ্যিক নতুন বিষয় হিসাবে সমাজবিদ্যা ১৯৬৩ সালের পর বাতিল হয়ে যায়। ছাত্র-জনতাকে দমনে তখন রক্তপাতও হয়েছিল। বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনের গৌরবদীপ্ত সেই সব ঘটনা নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা দরকার।

কিন্তু আজ এত বছর পর স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানের স্বৈরিশাসক আয়ুব খানের চেয়েও শুধু বেশিই বরং শতভাগ পরিবর্তন আনছে। এমন পরীক্ষা পদ্ধতিও। এর আগে এত বড় পরিবর্তন কোন সরকার কোন দেশে আনেনি। এত ব্যাপক পরিবর্তন আনার আগে ভালো মানের শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষক ট্রেনিং, শিক্ষকের যথাযোগ্য বেতন বৃদ্ধি ইত্যাদি আনা অধিকতর জরুরি ছিল। এইসব কোন কিছু না করে একটা সম্পূর্ণ নতুন একটা শিক্ষাক্রম জাতির উপর চাপিয়ে দেওয়া হলো। উদ্দেশ্য আমাদের ছেলেমেয়েদের তথ্য প্রযুক্তি শেখাবে, প্রজনন স্বাস্থ্য শেখাবে, রান্নাবান্না শেখাবে, কিছু করে খাওয়ার শিক্ষা দিবে ইত্যাদি। এইগুলো সব কিছুই ঠিক আছে বড়জোর ষষ্ঠশ্রেণী পর্যন্ত। কিন্তু সরকার এইগুলোকে ক্যামোফ্লাজ হিসাবে ব্যবহার করে এইগুলোকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত নিয়ে গেছে। এইটা করতে গিয়ে নবম-দশম শ্রেণীতে যে বিভাগ থাকার কারণে নিজের পছন্দ মত বিষয় নির্বাচন করতে পারতো সেইটা শতভাগ তুলে দিয়েছে। এখন সবাইকে ঘাড়ে ধরে ১০টি বিষয় পড়তে বাধ্য করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর উচ্চতর গণিত একদম বাদ দিয়েছে এবং বিজ্ঞান শিক্ষাকে তিন ভাগের ১ ভাগ করেছে। এইগুলো দিয়ে আমাদের ছেলেমেয়েরা বিজ্ঞান পড়তে নিরুৎসাহিত হবে, ভয় পাবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াডে খারাপ করবে।

ফলে বাংলা মাধ্যমের একটা বড় অংশ কষ্ট হলেও ইংরেজি মাধ্যমে চলে যাবে। যাদের একটা অংশ বিদেশে চলে যাবে। এইভাবে আমরা আমাদের মেধাবীদের হারাতে থাকবো। আজকের এই লেখাটি যুগান্তরে প্রকাশিত আমার বাজিতপুর কলেজের শেষ ভালো এবং আলোকিত শিক্ষক বিমল সরকারের একটি লেখা থেকে নেওয়া। লেখাটি কমেন্ট থ্রেডের প্রথম কমেন্টে দিলাম এবং সবাইকে অনুরোধ করলাম লেখাটি যেন সবাই পড়ে।

14/11/2023

আল্লাহ দিয়েও পরীক্ষা করেন। আবার কেড়ে নিয়েও পরীক্ষা করেন। আল্লাহ যেটা দেন, সেটা নেয়ামত। আর যেটা দেন না, সেটা হিকমত। যেটা দিয়ে আবার নিয়ে নেন সেটা পরীক্ষা। আর ধৈর্যের পর যেটা দেন সেটা কুদরত। আলহামদুলিল্লাহ।

Address

Banshkali
Chittagong
4393

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আফরাজ মাম্মি হাবিবা ইয়াছমিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to আফরাজ মাম্মি হাবিবা ইয়াছমিন:

Shortcuts

Share