HSC CHEMISTRY-Nazmul Sir

HSC CHEMISTRY-Nazmul Sir

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HSC CHEMISTRY-Nazmul Sir, boubazar, Chittagong.

02/05/2026
27/02/2026
22/02/2026

রসায়ন পরীক্ষায় খারাপ করার কারণ কি?

09/07/2024

ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখাটা ঠিকমতো করো। ভাষা শিখো। আইএলটিএস দাও। জিআরই দাও।

সুযোগ হলে বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করো।

দক্ষিণ কোরিয়া যাও। চীন, জাপান, মালয়শিয়াতে যাও। ইউরোপের অনেক দেশ এখনো টিউশন ফি ছাড়াই ডিগ্রি দেয়। সেখানে যাও।

নর্থ আমেরিকা আছে।

লেগে থাকলে কোন না কোন দেশে যেতেই পারবে।

দেশ ছাড়লে আর কোন প্রশ্ন ফাঁস থাকবে না। কোটা থাকবে না। ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হবে না। কারো পদলেহন করতে হবে না।

জীবনের কিছু গ্লানি থেকে মুক্তি পাবে।

নিজেকে গড়তে পারলে দেশকেও গড়া যাবে।
রউফুল আলম

07/07/2024

HSC পরীক্ষা 2024 রসায়ন এর ফাইনাল সাজেশন দেয়া হবে। যাদের লাগবে কমেন্টস কর।

02/06/2024

HSC crash Online Course করতে যোগাযোগ করুন

31/10/2023

~ আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা - কীভাবে ও কখন থেকে প্রস্তুতি শুরু করবেন? ~
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে যাবার সিদ্ধান্ত যদি নিয়ে থাকেন, তাহলে প্রশ্ন হল কখন থেকে সেজন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন।

অনেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য অর্থাৎ মাস্টার্স বা পিএইচডি তে ভর্তির জন্য কেবলমাত্র ব্যাচেলর্স শেষ হওয়ার পরেই প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেন।

কিন্তু এই ব্যাপারটা একটু বড় মস্ত বড় ভুল। কারণ এই পুরো প্রক্রিয়াটি অনেক দীর্ঘ একটি প্রক্রিয়া এজন্য যা যা করা লাগে ও জানা লাগে সেগুলো আসলে স্নাতক পর্যায়ের মাঝামাঝি থেকেই শুরু করা দরকার।

আসুন দেখা যাক, প্রস্তুতির জন্য কী কী কাজ করতে হবে এবং তার জন্য কতটা সময় আগে থেকে কাজ শুরু করতে হবে।

** মাইন্ডসেট: শুরুতেই আসে মাইন্ডসেট বা চিন্তাধারার কথা। উচ্চশিক্ষার জন্য যদি আমেরিকায় আসতে চান, সেটা আগে থেকেই টার্গেট হিসাবে ঠিক করে রাখুন। লক্ষ্য স্থির থাকলে তবেই তো সেই লক্ষ্যে পৌছাবার তাগাদা আসবে, তাই না?

** ইংরেজি জ্ঞান ও কমিউনিকেশন স্কিল: উচ্চশিক্ষার মাধ্যম হবে ইংরেজি। কাজেই ইংরেজিতে শুদ্ধভাবে যোগাযোগ করা অভ্যাস করুন। প্রফেশনাল কমিউনিকেশনে সংক্ষিপ্ত বাক্য এবং সহজ শব্দ ব্যবহৃত হয়, সেভাবে লেখা অভ্যাস করুন। এটা করা দরকার আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ে পড়ার শুরুর দিক থেকেই।

** স্নাতকের ফলাফল: ভর্তির ক্ষেত্রে আপনার স্নাতক পর্যায়ের ফলাফল দেখা হবে গুরুত্বের সাথে। কাজেই স্নাতক পর্যায়ে ভাল ফল বজায় রাখার চেষ্টা করুন পুরোটা সময়। বিশেষ করে আপনার স্নাতকের বিষয়ভিত্তিক ডিপার্টমেন্টাল কোর্সগুলোতে ভাল গ্রেড পাওয়ার চেষ্টা করুন।

** রিসার্চ: স্নাতকের ৩য় বর্ষ থেকে চেষ্টা করুন কোন রিসার্চ প্রজেক্টের সাথে জড়িত হওয়া যায় কি না। তখন থেকে চেষ্টা শুরু করে যদি পাশ করার সময় পর্যন্ত কাজ করে ছোটখাট একটা পেপারও পাবলিশ করতে পারেন, সেটা আপনার পিএইচডিতে ভর্তির ক্ষেত্রে খুব কাজে আসবে। এটা বাধ্যতামূলক না তবে ফান্ডিং সহ পিএইচডিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এটা অনেক বেশি কাজে আসবে। মাস্টার্সে ভর্তির ক্ষেত্রে এটা অতটা গুরুত্বপূর্ণ না।

** ইউনিভার্সিটি রিসার্চ: মোটামুটিভাবে স্নাতকের ৩য় বর্ষ থেকে শুরু করুন ইউনিভার্সিটি রিসার্চ। এটা আবার কী? এটা হল নানা ইউনিভার্সিটির আপনার পছন্দের ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইট ঘেঁটে তাদের পিএইচডি বা মাস্টার্স প্রোগ্রামের তথ্য পড়ে দেখুন। কী কী রিকয়ারমেন্ট আছে তা একটা স্প্রেডশিটে টুকে রাখুন। সেই ডিপার্টমেন্টের প্রফেসরদের ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখুন তাঁরা কীসের উপরে কাজ করছেন। তাঁদের কী কী পেপার আছে। সেই ডিপার্টমেন্টে যদি বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রী কেউ থেকে থাকেন, তাদের সাথে যোগাযোগ করে দেখুন।

এই সংক্রান্ত সব তথ্য যা যা পাবেন, তা স্প্রেডশিটে সেইভ করে রাখুন। ইউএসনিউজ বা এরকম অন্যান্য রাংকিং সাইট থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে কোন কোন ইউনিভার্সিটি সেরা, সেটা জেনে নিন।

এটা করার কারণ কী? কারণ হল আস্তে আস্তে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্পর্কে ধারণা বাড়লে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিতে সুবিধা হবে, আর প্রফেসরদের কাজকর্ম সম্পর্কে ধারণা হলে তাঁদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন সহজে। ইমেইল করার সময়ে যদি প্রফেসর বুঝতে পারেন যে আপনি উনার কাজ সম্পর্কে জানেন, তাহলে সেটা অনেক ভাল ইম্প্রেশন তৈরীতে কাজে আসবে।

** প্রফেসরদের সাথে যোগাযোগ: উচ্চতর শিক্ষা বিশেষ করে পিএইচডি পর্যায়ে ফান্ডিং এর একটা বড় উৎস হল প্রফেসরদের কাছ থেকে রিসার্চ অ্যাসিস্টেন্টশিপ পাওয়া। কিন্তু একজন প্রফেসর আপনাকে না দেখে কেবল একটি ইমেইলের ভিত্তিতে কেন ফান্ডিং দিবেন? সেজন্য আসলে আপনাকে প্রফেসরদের সাথে অনেকদিন ধরে যোগাযোগ করতে হবে।

আগের ধাপে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবেন, তখন আরো একটা কাজ করবেন তা হল প্রফেসরদের ইমেইল ঠিকানা যোগাড় করা। সেটা করার পরে তাঁদের সম্পর্কে ভাল মত রিসার্চ করে তার পর সাহস করে ইমেইল পাঠাবেন। এই বইয়ের একটি অধ্যায়ে বলা আছে, কীভাবে সেই যোগাযোগটা করতে হবে। সেই ইমেইলের শুরুতেই ফান্ডিং দেন বলা ঠিক না, বরং প্রফেসরের কাজের কথা আপনি জানেন সেটা বোঝাতে হবে, এবং কায়দা করে আপনি সেই বিষয়ে আগ্রহী সেটা বোঝাতে হবে (বিস্তারিত সেই অধ্যায়ে দেখুন)। এভাবে অনেকদিন ধরে ইমেইল চালাচালি করে প্রফেসরের সাথে সম্পর্ক স্থাপন হলে সহজেই ফান্ডিং পাওয়া সম্ভব।

** টেস্ট স্কোর: উচ্চতর শিক্ষার আবেদনের জন্য আপনার লাগবে ইংরেজি ভাষার টেস্ট স্কোর (টোফেল, আইএলটিএস, ডুওলিঙ্গো) এবং জিআরই। অনেকেই একটা ভুল করেন — তাঁরা ভাবেন যে ব্যাচেলর্স শেষ হলে তার পরেই কেবল এই পরীক্ষা গুলো দিবেন। আসলে পাশ করার পরে চাকুরি বা অন্যান্য কাজে সবাই এতোই ব্যস্ত হয়ে যান এই পরীক্ষাগুলোর জন্য পড়ার উদ্যম বা সময় কোনটাই থাকে না। ফলে চেষ্টা করেও ভাল স্কোর তোলা যায় না। সেজন্য আসলে আমি পরামর্শ দিব তৃতীয় বর্ষের শেষ বা চতুর্থ বর্ষের শুরু থেকে এই পরীক্ষাগুলোর পড়া শুরু করুন এবং স্নাতক শেষ হওয়ার আগেই এগুলো দিয়ে দিন। যদি ফল আশানুরূপ নাও হয়, তাহলেও পাশ করার পরে আবার পরীক্ষাগুলো দিতে পারবেন।

** চাকুরি করার পরে পিএইচডি/মাস্টার্সে আবেদন: অনেকে প্রশ্ন করেছেন আমাকে নানা সময়ে — তাঁদের বয়স ৩০ এর কোঠায়। বেশ কয়েক বছর চাকুরি করেছেন। এই অবস্থায় উচ্চশিক্ষায় আমেরিকায় যাওয়া ঠিক হবে কি না।

এই প্রশ্নের জবাব আসলে অনেক কিছুর উপরে নির্ভর করে। পরিবার ও সন্তান আছে কি না তা একটা বড় ফ্যাক্টর। মাস্টার্সের মেয়াদ কম, তাই মাস্টার্সের জন্য অল্প সময়ে পরিবারকে দেশে রেখে পড়াশোনা করা সম্ভব। অথবা পরিবার নিয়ে এসেও অল্প সময়ের জন্য কষ্ট করে চালিয়ে নেয়া যায়।

পিএইচডি করার সময়টা দীর্ঘ। এই দীর্ঘ সময় ধরে পিএইচডি শিক্ষার্থীর স্বল্প বেতনে সন্তানসহ পরিবার চালানো বেশ কষ্টকর। তার উপরে পিএইচডি শেষ করতে যদি চল্লিশের কোঠায় বয়স চলে যায়, তাহলে সেই বয়সে একেবারে শুরু থেকে ক্যারিয়ার গড়াও অনেক কঠিন।

যদি দেশে বা অন্যত্র ফিরে যাবার পরিকল্পনা ও সুযোগ থাকে তাহলে এই বয়সে পিএইচডি করা হয়তো চলে। অধিকাংশের জন্যই পরামর্শ দিব, বয়স ২০ বা ৩০ এর কোঠায় থাকতেই উচ্চ শিক্ষা শুরু করে দিন। এর পরে যে সম্ভব না তা নয়, কিন্তু সেটা অনেক কষ্টকর, নিজের ও পরিবার দুইটার জন্যই।

***** আগ্রহীদের জন হোমটাস্কের তালিকা *****
১) উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে মনস্থির করুন এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হন।

২) ইংরেজি জ্ঞানের উন্নতির জন্য অনেকদিন আগে থেকেই কাজ শুরু করুন।

৩) স্নাতক পর্যায়ে সম্মানজনক ফলাফল ধরে রাখার জন্য সচেষ্ট হন।

৪) সম্ভব হলে স্নাতক পর্যায়ে কিছু গবেষণার কাজ শুরু করুন।

৫) স্নাতক পর্যায়ের মাঝামাঝি থেকেই নানা বিশ্ববিদ্যালয়, ডিপার্টমেন্ট, এবং প্রফেসরদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ শুরু করুন।

৬) নানা স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট (টোফেল, জিআরই) সম্পর্কে জানুন এবং স্নাতক শেষের বছর দেড় বা দুই আগে থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করুন, এবং স্নাতক শেষের আগেই পরীক্ষাগুলো দিয়ে দিন।

(লেখাটি আমার "আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা" বই থেকে নেয়া)

#আমেরিকায়উচ্চশিক্ষা

Photos from HSC CHEMISTRY-Nazmul Sir's post 20/08/2023

জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ এর ২০/০৮/২০২৩ এ আয়োজিত আন্তঃক্যান্টনমেন্ট বিতর্ক অনুষ্ঠান।

My DAAD 15/08/2023

ডাড স্কলারশিপ নিয়ে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা, আবেদন করবেন যেভাবে
শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তিসহ নানাদিক দিয়ে ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় দেশ জার্মানি। উন্নত এবং বিশ্বের ধনী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম দেশ এটি। বিশেষ করে জার্মানির শিক্ষাব্যবস্থা অনেক আধুনিক ও যুগোপযোগী। এছাড়াও রয়েছে বিশ্বের অনেক বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়। জার্মানির বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ লাখের মধ্যে ১২ শতাংশের বেশি বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে থাকেন। বাংলাদেশসহ বহির্বিশ্বের প্রায় সব দেশ থেকেই ছাত্র ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে প্রতি বছর জার্মানি আসে।
এর মূল কারণ হচ্ছে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার জন্য রয়েছে না ধরনের নজরকাড়া কতগুলো স্কলারশিপ। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডাড(DAAD) স্কলারশিপ। জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার জন্যে সবচেয়ে বড় স্কলারশিপ হলো এটি। চলুন জেনে নেওয়া যাক ডাড (DAAD)স্কলারশিপ সম্পর্কিত নানা ধরনের তথ্য ।

German Academic Exchange Service অথবা ডাড (DAAD) তাদের কার্যক্রম শুরু করে ১৯২৫ সালে। এই স্কলারশিপ প্রতিবছর প্রায় ১৫০,০০০ ছাত্রছাত্রীদের অর্থায়ন করে থাকে। যারা স্কলারশিপ নিয়ে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য ডাড (DAAD) স্কলারশিপটি একটি দারুণ সুযোগ।

যারা আবেদন করতে পারবেনঃ-
ডাড (DAAD) স্কলারশিপের জন্য সাধারনত ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পি এইচ ডি, পোস্ট ডক্টোরাল ছাত্রছাত্রীরা আবেদন করতে পারে।
ডাড(DAAD) স্কলারশিপে যেসকল বিষয়ে আবেদন করা যায়ঃ-
1.অর্থনৈতিক বিজ্ঞান (Economic Sciences)।
2.রাজনৈতিক অর্থনীতি (Political Economics)।
3.উন্নয়ন সহযোগিতা (Development Cooperation)।
4.ব্যবসা প্রশাসন (Business Administration)।
5.চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য (Medicine and public health)
6.কৃষি ও বন বিজ্ঞান (Agricultural and Forest Sciences)
7.প্রাকৃতিক এবং পরিবেশ বিজ্ঞান (Natural and Environmental Sciences)
8.ম্যাথম্যাটিকস প্রকৌশল সম্পর্কিত বিজ্ঞান (Engineering and related sciences)।
9.মিডিয়া স্টাডিজ (Media Studies)।
10.আঞ্চলিক ও নগর পরিকল্পনা (Regional and Urban Planning)।
11.সামাজিক বিজ্ঞান (Social Sciences) শিক্ষা ও আইন (Education and Law)।
সুযোগ-সুবিধাঃ-
জার্মানিতে অন্যান্য স্কলারশিপের তুলনায় ডাড(DAAD) এর সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশী। এই স্কলারশিপের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যে সকল সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে,

* টিউশন ফি ও পরীক্ষার ফি ।
* মাসিক ভাতা (পি এইচ ডি = ১২০০ ইউরো, মাস্টার্স = ৮৬১ ইউরো) ।
* বিমান ভাড়া।
* স্বাস্থ্যবীমা।
* বাড়ি ভাড়া এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা।

আবেদনের যোগ্যতাসমূহঃ-
ডাড(DAAD) স্কলারশিপের জন্য আপনার নিম্নোক্ত যোগ্যতা থাকতে হবে,

* ন্যূনতম বিএসসি ডিগ্রী থাকতে হবে।
* কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ২ বছরের।
* আইএলটিএস (IELTS) স্কোর ৬.৫ থাকা লাগবে । তবে বেশ কিছু প্রোগ্রামে আবেদন করতে Medium Instruction English থাকলেই চলবে। তাই অবশ্যই আবেদনের সময় জেনে নিতে হবে আসলে আপনার কি কি লাগছে।
* প্রার্থীকে উন্নয়নশীল দেশের হতে হবে।
* স্টাডি গ্যাপ যেন ৬ বছরের কম থাকতে হবে।
যেসকল নথিপত্রের প্রয়োজন হবেঃ-

* Online আবেদন ফর্ম।
* পাসপোর্ট।
* এনাইডি (NID)।
* Euro Pas Formatted CV ।
* সকল একাডেমিক সার্টিফিকেট।
* সকল একাডেমিক মার্কশিট ।
* মোটিভেশন লেটার (SOP) সাইন ও সিলসহ রিকোমেন্ডেশন লেটার (২টি)।
* আইএলটিএস (IELTS)।
* কাজের অভিজ্ঞতা সার্টিফিকেট ।
* অফার লেটার (যদি থাকে) ।

আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সীমাঃ-
আপনাকে প্রথমে ডাড (DAAD) স্কলারশিপের আওতাভুক্ত কোর্স থেকে কোর্স নির্বাচন করে আপনার পছন্দ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই করে আবেদন করতে হবে। আপনি সর্বোচ্চ তিনটি কোর্সে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করবে এবং আপনি যদি নির্বাচিত হোন তাহলে তারাই আপনাকে ডাড (DAAD) স্কলারশিপে আবেদন করতে বলবে। এরপর আপনাকে এই লিংকের মাধ্যমে (https://www.mydaad.de/en/) আবেদন সম্পূর্ণ করতে হবে। ডাড (DAAD) স্কলারশিপের বিভিন্ন ফিল্ডের বিভিন্ন সাবজেক্টের আবেদনের সময়সীমা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই আপনাকে ডাড এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত সকল তথ্য জেনে আবেদন করতে হবে।

ডাড এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটঃ- https://www.daad.de/en/

My DAAD The DAAD offers a variety of attractive services on Mein DAAD - all with just one login.

Stop Non-Consensual Intimate Image Abuse | StopNCII.org 02/08/2023

যদি কেউ AI বা ফটোশপ দিয়ে আপনার ছবি এডিট করে n**e ছবি তৈরি করে তাহলে আপনি https://stopncii.org/ এই এড্রেসে গিয়ে আসল ছবি আর এই এডিটেড ছবি জমা দিবেন, তাহলেই তারা ইন্টারনেট এর যত জায়গায় এই এডিটেড ছবি আছে তা সরিয়ে দিবে। এর জন্য আপনার কারো সাথে সরাসরি কথা ও বলা লাগবে না। নিজের পরিচয় ও গোপন থাকবে।

যদি কেউ আপনার ছবি এরকম ভাইরাল করে ব্যাপারটি তাৎক্ষণিক সাইবার নিরাপত্তা দল কে জানান, তাদের কাছে কেইস করে দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্হা নিতে পারবে।

ধন্যবাদ

Stop Non-Consensual Intimate Image Abuse | StopNCII.org StopNCII.org is operated by the Revenge P**n Helpline which is part of SWGfL, a charity that believes that all should benefit from technology, free from harm.

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Boubazar
Chittagong