"ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?"
এটি ইয়েমেনের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। শায়খ আবু ইমাদ ঘটনাটি বর্ণনা করছিলেন এভাবে:
আমার এক বন্ধু বলল, 'গতকাল আমার পাশের গলির একজন মারা গেছেন। নাম আবু নাসের, বেশ বয়স্ক মানুষ ছিলেন। আল্লাহ ওনাকে জান্নাত নসিব করুন। তো, জানাজা আর দাফন শেষে খাটিয়াটা (মৃতদেহ বহনের খাট) যখন ফেরত আনা হলো, তখন বেশ রাত। এশার নামাজ শেষ, মসজিদও বন্ধ। তাই লোকেরা খাটিয়াটা মসজিদের দরজার বাইরের উঠোনে রেখে দিল, যাতে সকালে মুয়াজ্জিন বা খাদেম এসে সেটা জায়গামতো রেখে দেয়।
রাত তখন প্রায় সাড়ে ৩টা। এক লোক মসজিদে আসল। দেখল উঠোন খোলা কিন্তু মসজিদের মেইন দরজা তালাবদ্ধ। সে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল, কিন্তু কেউ খুলল না। ওদিকে হাড় কাঁপানো শীত। হঠাৎ তার নজর পড়ল ওই খাটিয়াটার দিকে। ওটার ওপর আবার একটা চাদর বিছানো ছিল। ব্যাস! সে আর দেরি না করে খাটিয়ার ঢাকনা সরাল, ভেতরে মোটা কাপড় পাতা ছিল, আরামসে ওটার ভেতরে ঢুকে শুয়ে পড়ল। আর সাথে সাথেই গভীর ঘুম!
আধঘণ্টা পর মসজিদের খাদেম এলেন দরজা খুলতে। তিনি খাটিয়াটা দেখে ভাবলেন, হয়তো ফজরের পর জানাজা হবে, তাই লাশসহ কেউ রেখে গেছে। মুসল্লিরা আসতে শুরু করল, কেউ অজু করতে গেল, কেউ সালাম বিনিময় করল। খাদেম আর কয়েকজন মিলে খাটিয়াটা ধরাধরি করে একেবারে মেহরাবের পাশে নিয়ে রেখে দিল। সবাই ভাবছে ভেতরে লাশ আছে, তাই কেউ আর ওটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেনি। তাছাড়া ভোরের বেলা সবার চোখে তখনও ঘুমের রেশ।
ফজরের আজান হয়ে গেল। মসজিদে প্রায় ৫০ জনের মতো লোক। আমরা কাতার সোজা করে নামাজে দাঁড়ালাম। আমি ছিলাম একদম প্রথম কাতারে। দ্বিতীয় রাকাতেও সব ঠিক ছিল, হঠাৎ দেখলাম খাটিয়াটা নড়ছে! ভাবলাম, এ কী! চোখের ভুল নাকি? চোখ কচলে আবার তাকালাম। না! স্বপ্ন না! ইমাম সাহেবের ঠিক পেছনে রাখা খাটিয়াটা সবার চোখের সামনে সত্যিই নড়ছে! আমার তো ভয়ে কলিজা শুকিয়ে গেল, পুরো কাতারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল।
ঠিক তখনই খাটিয়ার ভেতর থেকে লোকটা ঘুম ভেঙে ঢাকনাটা সরাল। মাথা বের করে সোজা জিজ্ঞেস করল, 'ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?'
ওরে ভাই! এরপরের দৃশ্য আর কী বলব! আল্লাহর কসম, সেই দৃশ্য দেখার মতো ছিল। আমি জুতো ফুতোর কথা ভুলে জান নিয়ে দে দৌড়! এক দৌড়ে মনে হয় এক কিলোমিটার পার হয়ে গেছি, তাও খালি পায়ে! ওদিকে ইমাম সাহেব তো বেহুঁশ হয়ে ফ্লোরে পড়ে গেলেন। ভয়ে কেউ কেউ দেয়ালে গিয়ে মাথা ঠুকল। কেউ কেউ আমার মতো খালি পায়েই ভোঁ দৌড়। একজন তো ভয়ে অজুখানার হাউজেই পড়ে গেল। সোজা কথায়, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো মসজিদ ফাঁকা!
কিন্তু হাসির ব্যাপার হলো, ওই খাটিয়ার লোকটাও আমাদের সাথে সাথে দৌড়াতে শুরু করল! সে দৌড়াচ্ছে আর সবার পিছু পিছু চিৎকার করছে:
'ও ভাই! কী হয়েছে? কেয়ামত হয়ে গেল নাকি? আপনারা দৌড়াচ্ছেন কেন?'
আর পেছনের লোকজন যতবার দেখছে যে 'লাশ' তাদের পেছনে দৌড়াচ্ছে, তাদের দৌড়ানোর গতি তত বাড়ছে! বেচারা লোকটা তখনও চিল্লাচ্ছে, 'আমাকে ফজরের জন্য ডাক দিলেন না কেন? আল্লাহ আপনাদের বিচার করবেন!' আসলে সে বুঝতেই পারছিল না যে এই লঙ্কাকাণ্ডের মূল হোতা আসলে সে নিজেই!
-আন নাহিয়ান
Markazul Hidayah Hifz Madrasha-মারকাযুল হিদায়াহ হিফজ মাদরাসা
A Islamic education center .
বাংলাদেশের আকাশে রমাদানের চাঁদ উঠেছে।
আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা
বিল-আমনি ওয়াল ঈমান,
ওয়াস-সালামায়ি ওয়াস ইসলাম।
খোশ আমদেদ, মাহে রমাদান।
হে আল্লাহ,
এবারের রমাদানকে জীবনের সেরা রমাদান বানিয়ে দিন,
ঈমানের স্বাদ উপভোগ করার তাওফিক দিন।
10/01/2025
17/06/2024
ত্যাগের মহিমায় পরিপূর্ণ হোক
সবার হৃদয়.......!
08/06/2024
পবিত্র কুরবানী কে উদ্দেশ্য করে এই রকম " এক দিনের ক'সাই " লেখা যুক্ত পোশাক/
T- Shirt পরিধান থেকে বিরত থাকুন!
একজন মুসলিম / মুমিন আল্লাহর হুকুম পালন ও তাকওয়া অর্জনের জন্য পশু কু'রবানী করে থাকেন।
একদিনের ক'সাই হওয়ার জন্য নয়।
-হজরত ইব্রাহিম (আ:) তার পুত্র হজরত ইসমাইল ( আ:) কে যে অনুভুতি নিয়ে কু'রবানী করতে যাচ্ছিলেন, সেই অনুভুতি নিয়ে আপনার পশু কে কু'রবানী করুন!
আল্লাহতালা আমাদের কুরবানী কবুল করুন।
আমার নামায, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরন বিশ্ব জগতের প্রতিপালক একমাত্র আল্লাহতালার জন্যই।
সূরা আল-আন'আম, আয়াতঃ ১৬২
যারা রমাদানে তৃপ্তি সহকারে ইবাদাত করতে পারেন নি, এই ১০ দিন আপনাদের জন্য। একটা মুহুর্ত ও অবহেলা করে কাটাবেন না। যার যা চাওয়ার চেয়ে নিন।
🔴 জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল
৯ দিন রোজা (না পারলে অন্তত শেষের ২ দিন)
আওয়াল ওয়াক্তে ৫ ওয়াক্ত নামাজ
প্রতিদিন কমপক্ষে ২ রাকাআত তাহাজ্জুদ
ইশরাক, চাশত, যাওয়ালের স্বলাত
সামর্থ্য অনুযায়ী গোপনে দান সাদাকা
যথাসম্ভব নফল নামাজ
কমপক্ষে ১ পারা কুরআন তেলাওয়াত
অনবরত জিকির ইস্তেগফার তাসবীহ তাহলীল দুরুদ
নিজে আমল করবেন,
অন্যকে আমল করতে সহযোগিতা করবেন!
ঘূর্ণিঝড় অথবা মেঘ উঠতে দেখলে রাসূল (সা.) কী করতেন?
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন : আমি রাসূল (সা.)-কে মুখ খুলে হা-হা করে হাসতে দেখিনি। তিনি ঘা-ব-ড়িয়ে যেতেন এবং দোআ করতে শুরু করতেন। ভ-য়ের কারণে কখনো উঠতেন, কখনো বসতেন, বৃষ্টি বর্ষণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ অবস্থা বিরাজ করতো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি লোকদেরকে দেখছি যে, তারা মেঘ-বাদল দেখলে খুশি হয় যে, বৃষ্টি বর্ষিত হবে। অথচ আপনাকে দেখতে পাচ্ছি যে, মেঘ-বাদল দেখলে আপনার চেহারা পরিবর্তন হয়ে যায় এবং আপনি অস্থির হয়ে পড়েন। এর উত্তরে রাসূল (সা.) বলেন :
'হে আয়েশা! আমি কী করে নি-র্ভয় হয়ে যাব যে, এ মেঘের মধ্যে শাস্তি নিহিত নেই যে মেঘ দ্বারা আ_দ জাতিকে ধ্বং_স করা হয়েছিল সে মেঘ দেখেও তারা বলেছিল, এ মেঘ আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করবে।' (বুখারী, মুসলিম)
আর এ দোআ পাঠ করবে -
“হে আল্লাহ! বাতাসকে শান্তির বাতাস করে দাও, অশান্তির বাতাস নয়! ইয়া আল্লাহ! একে রহমত হিসেবে নাযিল কর কিন্তু আ-যাব হিসেবে নয়।”
ঘূর্ণিঝড়ের সাথে যদি ঘোর আঁধারও ছেয়ে যায় তা হলে “কুলআউযু বিরাব্বিল ফালাক্ব” ও “কুলআউযু বিরাব্বিন্নাস ও পাঠ করবে”।
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) ঘূর্ণিঝড় উঠেছে দেখতে পেলে এ দোআ পাঠ করতেন -
“ইয়া আল্লাহ! আমি তোমার নিকট এ ঘূর্ণিঝড়ের ভালো দিকের মধ্যে যা আছে তাই এবং যে উদ্দেশ্যে একে প্রেরণ করা হয়েছে তার ভালো দিক কামনা করছি। এ ঘূর্ণিঝড়ের খারাপ দিক, যা আছে তা এবং একে যে উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে তার খারাপ দিক হতে তোমার আশ্রয় কামনা করি।” (মুসলিম, তিরমিযি)
25/05/2024
আমরা সবাই সবার প্রতি সহানুভূতিশীল হই 👍
কুরবানীর জরুরি বেশ কিছু মাসআলা শেষ পর্যন্ত পড়ুন অনুগ্রহ করে।
************************************************
১.কার উপর কুরবানী ওয়াজিব?
উঃ জিলহজ্জ মাসের ১০ সুবহে সাদিক থেকে১২ তারিখ
সূর্যাস্ত পর্যন্ত কারো কাছে যদি নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে ৭ঃ৫ সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব।
২.নিছাবের মেয়াদ কত দিন?
উঃ ৩ দিন, জিলহজ্জ মাসের ১০,১১ এবং ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৩. তিন দিনের মধ্যে কোন দিন কুরবানী করা উত্তম?
উঃ ১০ তারিখে প্রথম দিন।
৪.যদি নাবালক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ না।
৫.বালেক সুস্থ মস্তিষ্ক না নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ- না
৬.যদি নাবালেক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে এর পক্ষে থেকে কুরবানী দেওয়া কি?
উঃ মুস্তাহাব, ওয়াজিব না।
৭.দরিদ্র লোকের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না, তবে যদি কুরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে
তখন সে পশু কুরবানী করা ওয়াজিব।
৮.কেউ যদি কুরবানির দিন গুলোতে কুরবানির দিতে না পারে তাহলে কি করবে, যদি সে নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে, কোন সমস্যায় দিতে পারে নি তাহলে কি করবে?
উঃ-একটা ছাগল যে কুরবানী উপযুক্ত সে ছাগলের সমপরিমাণ টাকা সদকা করে দিবে ন এটা হলো যারা পশু ক্রয় করতে পারেনি তাদের জন্য।
কিন্তু যারা পশু কিনেছেন কিন্তু তিন দিনের মাঝে কুরবানী দিতে পারেন নি তাহলে তার জন্য করণীয় হলো সে পশু সদকা করে দেওয়া।
আবার যদি কেউ তিন দিন পর জবাই করে ফেলে তাহলে সে ঐ পশুর গোশত ওজন করবে তারপর যদি ঐ পশুর ক্রয়ের টাকা থেকে কম হয় তাহলে গোশত সহ
যতো টাকার গোশত কম হয়েছে পুরো টাই সদকা করতে হবে। ধরনে আপনি ২০ হাজার দিয়ে কিনেছেন ওজন দিয়ে দেখলেন ১৮ হাজার টাকার গোশত হয়েছে
গোশতের আরও ২ হাজার টাকা সদকা করতে হবে।
৯.প্রথম দিন কখন থেকে কুরবানী করা যাবে?
উঃ যে এলাকায় জুমার নামাজ,এবং ঈদের নামাজ ওয়াজিব সে এলাকায় ঈদের নামাজের আগে কুরবানী করা জায়েজ নেই। তবে কোন প্রকার দুর্ঘটনা ঘটে গেলে
যদি ঈদের নামাজ না পড়া যায় তাহলে করনীয় হলো সূর্য মধ্যে আকাশ অতিক্রম করার পর কুরবানী করা জায়েজ হবে।
১০.রাতে কুরবানী দিলে কি হবে?
উঃ ১০,১১ তারিখে রাতে দিলে হবে ১২ তারিখ রাতে দিলে হবে না।
১১.কোন কোন পশু দিয়ে কুরবানী দেওয়া জায়েজ?
উঃ- গরু,উট,মহিষ,দুম্বা, ছাগল এবং ভেড়া।
১২.পশু দের লিঙ্গ ভেদ করতে হবে কি?
উঃ- না, পুরুষও মহিলা উভয় দিয়ে হবে।
১৩.পশুর বয়স সীমা কত?
উঃ উট কম পক্ষে ৫ বছর,গরু মহিষ ২ বছর
ভেড়া, দুম্বা ছাগল ১ বছর।
ভেড়া এবং দুম্বা ১ বছর হয়নি তবে বলিষ্ঠ মনে হয়
যে এক বছর হয়েছে তাহলে এটা দিয়ে কুরবানী হবে।
তবে ছাগল ১ বছরের নিচে কোন ভাবে হবে না।
১৪.শরীক সর্বোচ্চ কত জন হওয়া যাবে?
উঃ উট,গরু,মহিষে সর্বোচ্চ ৭ জন কমে হলে সমস্যা নেই তবে একা দেওয়া উত্তম । ছাগল, দুম্বা, ভেড়া তে একজন।
১৫.গোশত ভাগে কম বেশি হলে?
উঃ- কারো কুরবানী সহীহ হবে না।
১৬. শরীকের মাঝে কেউ যদি গোশত খাওয়ার নিয়তে দেয় তাহলে?
উঃ- কারো কুরবানী হবে না।
১৭.কুরবানীর পশুতে আকিকা দেওয়া যাবে?
উঃ- হ্যাঁ, তবে উট, গরু,এবং মহিষে।
১৮. শরীক দার দের মাঝে যদি কারো অধিকাংশ বা পুরা টাকা হারাম হয় তাহলে কি কুরবানী হবে?
উঃ- না না না! কারো কুরবানী হবে না।
১৯. গরু, মহিষ উট একা কুরবানী নিয়তে কিনার অন্য কাউকে কি শরীক করা যাবে?
উঃ- ধনী হলে পারবে অর্থাৎ যার উপর ওয়াজিব , তবে গরিব ওয়াজিব না কুরবানী তার উপর। পশু কিনে ফেলছে কুরবানীর নিয়তে তাহলে শরীক করা যাবে না একাই দিতে হবে।
২০.কোন ধরনের পশু নির্বাচন করা উত্তম?
উঃ- রিষ্ট পুষ্ট, তাজা পশু নির্বাচন করা সুন্নত।
২১.যে পশু তিন পায়ে ভর করে চলে এমন পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ- না
২২.রোগ্ন পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ- না
২৩.দাঁত ছাড়া পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ একটা দাত নেই এটা কোন ভাবেই হবে না ,অথবা কিছু আছে তবে ঘাস খেতে পারে না এমন পশু দিয়ে কুরবানী হবে না।
২৪. শিং ছাড়া পশু দিয়ে কুরবানী হবে কি ?
উঃ জন্মগত যে পশুর শিং নেই সেটা দিয়ে হবে।
তবে পরবর্তীতে যেটা ভেঙ্গে যায় আর তার ফলে মস্তিষ্কে ক্ষতি হয় এমন পশু ধারা হবে না। তবে অর্ধে হলেও হবে।
২৫.লেজ কাটা, কান কাটা পশু দিয়ে কুরবানি হবে কি?
উঃ যদি পশুর লেজ বা কান অর্ধেক বা তার বেশি কাটা হয় তাহলে সে পশু দিয়ে কুরবানী হবে না।
তবে অর্ধেকের কম হলে হবে।
২৬.অন্ধ পশু দিয়ে কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- না তবে যে পশুর এক চোখ ও অন্ধ সেটা দিয়েও হবে না।
২৭.কুরবানীর নিয়তে পশু ক্রয় করার পর হারিয়ে গেলে দাতা কি করবে?
উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
এবং গরিব ওয়াজিব নয় এমন ব্যক্তি ক্রয় করতে হবে না
তবে কিনার পরে যদি আবার প্রথম পশু ফিরে পাওয়া যায় তাহলে ধনী ব্যক্তি যেকোন একটা কুরবানী করলে হবে, তবে দুটা করা উত্তম একটা করলেও হবে।
** আর গরিব ব্যক্তি যদি হয় তাহলে দুটাই দিতে হবে।
দুটাই দেওয়া তখন ওয়াজিব।
২৮.গর্ভবতী পশু কুরবানী করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- হ্যা জায়েজ।
২৯.পশু জবাইয়ের পরে যদি বাচ্চা কে জীবিত পাওয়া যায় তাহলে কি করবে?
উঃ- বাচ্চা ও জবাই দিতে হবে।
৩০.জবাইয়ের আগ মুহূর্তে যদি পশু প্রসব অবস্থায় উপনীত হয় তখন করনীয় কি?
উঃ- সে পশু জবাই করা জায়েজ আছে, তবে মাকরূহ!
৩১.পশু ক্রয় করার পর যদি এমন কোন দোষ দেখা যায় যে দোষ গুলো থাকিলে কুরবানী হয় না তখন করনীয় কি?
উঃ- এই পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে এখানে গরিব ব্যক্তির জন্য জায়েজ আছে
ধনী ব্যক্তির জন্য জায়েজ নয়।
৩২.আপনি কোন পশু ক্রয় করার সময় জিজ্ঞেস করলেন বয়স কত সে বললো ২ বছর যদি সেটার আসলে বয়স ২ বছর না হয় তখন কি করনীয় বা কুরবানী কি হবে?
উঃ- হ্যা হবে তবে যে বিক্রেতা মিথ্যা বলেছে তার গুনা হবে।
৩৩.পশু কোথায় জবাই করা উত্তম?
উঃ- যেখানে পরিবেশ দূষিত হওয়ার আশংকা কম থাকে।
৩৪. পশু কে জবাই করা উত্তম?
উত্তমঃ- নিজের পশু নিজে কুরবানী করা উত্তম।
৩৫.বন্ধা পশু ধারা কুরবানী হবে কি?
উঃ- হ্যা হবে ।
৩৬.অনেক সময় হুজুর জবাই করার পর দেখা যায় সম্পূর্ণ হয় নি আবার অন্য জন তরবারি হাতে নিয়ে
রগ বা শিরা কাটতে যায় এটা কি জায়েজ হবে?
উত্তরঃ- হ্যা জায়েজ আছে তবে উভয় ব্যক্তি বিসমিল্লাহি আল্লাহ আকবার না বললে কুরবানী হবে না।
একজন যদি না বলে সেক্ষেত্রে ও কুরবানী বাতিল হয়ে যাবে।
৩৭. কুরবানীর পশু ধারা উপকৃত হওয়া যাবে কি?
উঃ না এটা কোন ভাবে জায়েজ নেই।
৩৮.কুরবানীর পশু ধারা যদি আপনি হাল চাষ করে ফেলেন সেক্ষেত্রে করনীয় কি?
উঃ অন্য পশু ধারা করলে যে পারিশ্রমিক আসত সে পরিমান টাকা সদকা করে দেওয়া।
৩৯.কুরবানির পশুর,দুধ পান করা যাবে কি?
উঃ- না
৪০. যদি পশুর জবাইর আগে মন হয় দুধ দহন না করলে পশুর কষ্ট হবে তাহলে করনীয় কি?
উঃ- সে দুধ দহন করে সদকা করে দিতে হবে.
ভুলে খেয়ে ফেললেন তখন যে পরিমাণ পান করেছেন সে পরিমাণ অর্থ সদকা করতে হবে।
৪১.পশু ক্রয় করার পর শরীক মারা গেল তখন কি করবে?
উঃ- তার ওয়ারিশ রা যদি বলে কুরবানী করেন তাহলে
করতে পারবেন, আর যদি বলে না করতে পারবেন না তাহলে টাকা দিয়ে দিতে হবে।
তবে চাইলে পরবর্তী আরেক জন শরীক করতে পারবেন।
৪২.জবাইয়ের আগে পশু বাচ্চা দিলে কি করবেন?
উঃ- ঐ বাচ্চা জীবিত সদকা করে দিতে হবে।
সদকা না করলে পশুর সাথে জবাই করতে হবে।
এখানে জবাই করা বাচ্চার গোশত সদকা করে দিতে হবে, আপনে খেতে পারবেন না।
৪৩.মৃত্যু ব্যক্তির পক্ষ থেকে কি কুরবানী করা যাবে?
উঃ- হ্যা করা যাবে, তবে উসিয়ত করে গেলে গোশত সদকা করে দিতে হবে। উছিয়ত না করলে আপনে খেতে পারবেন।
৪৪.তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখা যাবে?
উঃ- হ্যা রাখা যাবে যতো দিন ইচ্ছে!
৪৫.অনুমান করে বন্টন করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- না, পূর্ণ ওজন করে ভাগ করতে হবে।
৪৬. তিনের এক অংশ গরীব কে দেওয়া, যদি সেটা না দেই তাহলে কি কুরবানী হবে? (আমরা যেটা কে সমাজের গোশত বলি)
উঃ- হ্যা হবে তবে সেটা বড় কৃপ্রনতার পরিচয়।
৪৭.গোশত চর্বি বিক্রি করা যাবে কি?
উঃ- না।
৪৮.জবাইকারী বা কসাই কে গোশত দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি?
উঃ না টাকা দিতে হবে, তবে পরে হাদিয়া হিসেবে গোশত দিতে পারবেন আগে পারিশ্রমিক দিতে হবে।
৪৯. জবাই করার অস্র কেমন হতে হবে?
উঃ দাড়ালো উত্তম।
৫০. জবাইয়ের কত সময় পর চামড়া আলাদা করা যাবে?
উঃ- নিসতেজ হওয়ার পর পশু।
৫১.এক পশু কে অন্য পশুর সামনে জবাই করা যাবে কি?
উঃ- যাবে তবে ঠিক না নবী কারীম সাঃ নিষেধ করেছেন?
৫২.কুরবানীর গোশত অন্য র্ধমের ব্যক্তি কে দেওয়া যাবে কি ?
উঃ- হ্যা তাতে কোন সমস্যা নেই।
৫৩.পশু মারা গেলে অথবা ছিনতাই হয়ে গেলে কি করনীয়?
উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
গরিব হলে লাগবে না।
৫৪.মুসাফির এর উপর কুরবানী করা কি ওয়াজিব?
উঃ না।
৫৫.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করলে কি করনীয়?
উঃ- ঐ ব্যক্তি থেকে অনুমতি নিতে হবে।
৫৬.কুরবানী গোশত খাওয়া কি?
উঃ- মুস্তাহব, না খেলেও গুনা হবে না। তবে খাওয়া উত্তম।
৫৭.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তি যদি ঋণ নিয়ে কুরবানী করে কুরবানী হবে কি?
উঃ হবে তবে সুদের উপর ঋণ নিয়ে করলে হবে না।
৫৮.হাজীরা যদি মুসাফির থাকে তখন তাদের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না।
৫৯.পাগল পশু ধারা কুরবানী কি হবে?
উঃ- না।
৬০.নবী কারীম সাঃ এর পক্ষ থেকে কুরবানী করা কি?
উঃ- উত্তম সামার্থ্যবান দের জন্য।
এটার গোশত সবায় খেতে পারবে।
৬১.খাসি কৃত পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা
৬২.বিদেশে অবস্থানে ব্যক্তির করনীয় কি?
উঃ- উনার পক্ষ থেকে দেশে কুরবানী দিলেও হবে।
৬৩.পশুর চামড়া কি নিজে ব্যবহার করা যাবে?
উঃ- হ্যা,তবে বিক্রি করলে টাকা সদকা করতে হবে।
৬৪.জবাই কারী কে পারিশ্রমিক দিতে হবে কি?
উঃ উত্তম হাদিয়া দেওয়া।
৬৫.কুরবানীর দিনে মুরগী হাঁস জবাই করা যাবে কি?
উঃ- যাবে, তবে কুরবানী নিয়তে করা যাবে না।
৬৬. জীবিত ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা যাবে।
মনোযোগ দিয়ে পড়ুন ভালো লাগলে আপন স্বজন বন্ধু আহবাব যারা কোরবানি দিচ্ছেন অথবা যারা সামনে দিবেন তাদের কাছে শেয়ার করুন এবং নিয়ত করুন আল্লাহ তায়ালা যেন তাকওয়া ও এখলাছের সাথে কুরবানী করার তৌফিক দান করেন। আমিন আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Homna Bazar, Cumilla
Chittagong
3546