04/04/2024
রমযান মাসে মসজিদে তারাবীহ নামাজের কারনে সবাই মোটামুটি একই সময় দীর্ঘক্ষণ থাকা হয়।যে বিষয়টি বাংলাদেশের প্রায় সব মসজিদে হয়, দিন দিন কমার কথা কিন্তু বাড়ছে।
প্রসঙ্গে আসি, যারা নিয়মিত মসজিদে যান, তারা একটি বিষয় লক্ষ্য করবেন কতক ব্যক্তি মসজিদে ছোট্ট শিশুদের আনাগোনা, দুষ্টামি মোটেই সহ্য করতে পারেন না।আজ দেখলাম একজন পিছন থেকে যে শিশুগুলো দুষ্টামি করছে বা নামাজ পরছে না, তাদের কে একে একে বাইরে চলে যেতে বলছে। অনেক সময় দেখা যায় ,চোখ রাঙিয়ে অভিভাবক কে বলা হয় বাচ্চা কন্ট্রোল করেন, করতে না পারলে মসজিদে কেন আনছেন?আর অনেক কথা বলেন যারা মসজিদে যান , তাদের এ বিষয়টি দৃষ্টি গোচর হওয়ার কথা।
এরা কই যাবে? আপনারা বা আমরা কি ছোট বেলায় দুষ্টামি করতেন না?এখন বেশিরভাগ একক পরিবার যদি একের অধিক সন্তান থাকে তাহলে বাধ্য এক সন্তান কে বাবার সাথে মসজিদে নিতে হয়/অনেক সময় বাবার সাথে মসজিদে যেতে বায়না ধরে, সন্তানের জন্য বাবা মসজিদে রমযান মাসে মসজিদে তারাবীহ নামাজের কারনে সবাই মোটামুটি একই সময় দীর্ঘক্ষণ থাকা হয়।যে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের প্রায় সব মসজিদে হয়, মনে করছিলাম রুয়াপে ব্যতিক্রম হবে। না হয় নাই। আসলে জায়গা ফ্যকটর না,ফ্যকটর মানুষের মন মানসিকতা।
প্রসঙ্গে আসি, যারা নিয়মিত মসজিদে যান, তারা একটি বিষয় লক্ষ্য করবেন কতক ব্যক্তি মসজিদে ছোট্ট শিশুদের আনাগোনা, দুষ্টামি মোটেই সহ্য করতে পারেন না।আজ দেখলাম একজন পিছন থেকে যে শিশুগুলো দুষ্টামি করছে বা নামাজ পরছে না, তাদের কে একে একে বাইরে চলে যেতে বলছে। অনেক সময় দেখা যায় ,চোখ রাঙিয়ে অভিভাবক কে বলা হয় বাচ্চা কন্ট্রোল করেন, করতে না পারলে মসজিদে কেন আনছেন?আর অনেক কথা বলেন যারা মসজিদে যান , তাদের এ বিষয়টি দৃষ্টি গোচর হওয়ার কথা।
এরা কই যাবে? আপনারা বা আমরা কি ছোট বেলায় দুষ্টামি করতেন না?এখন বেশিরভাগ একক পরিবার যদি একের অধিক সন্তান থাকে তাহলে বাধ্য এক সন্তান কে বাবার সাথে মসজিদে নিতে হয়/অনেক সময় বাবার সাথে মসজিদে যেতে বায়না ধরে, সন্তানের জন্য বাবা মসজিদে নামাজ পরতে যেতে পারবে না? নাকি বাবা মসজিদে ভীতসন্ত্রস্ত থাকতে হবে?
আবার কেউ কেউ বলে বসেন আপনার বাচ্চা আসলে বেশি দুষ্টামি করে, আমার বাচ্চা দেখেন সুন্দর করে বসে আছে!
আংকেল (নিজ ও আংকেল হয়ে গেছি) আপনাদের অপশন কম ছিল, আপনারা কঠোর শাসনে শাসিত ছিলেন, মসজিদ থেকে বের করে দিলে হয়ত বাসায় ফিরে আসতেন ,না হয় শান্ত সুবোধ বালকের মতো বসে থাকতেন, বাসায় ফিরলে কঠিন উত্তম মধ্যম খেয়ে মসজিদে পরের দিন ফিরে আসতে বাধ্য ছিলেন ।
এখন অপশন অনেক, একবার বের করে দিলে মসজিদে ফেরানো কঠিন হয়ে পড়বে। নাস্তিকতা বলেন, ধর্মবিমুখ বলেন, উশৃঙ্খলতা বলেন পরোক্ষভাবে এগুলোর পিছনে আমরা জড়িত।এত সুন্দর মসজিদ দিয়ে কি করবেন,যদি না পরবর্তী প্রজন্ম মসজিদ বিমূখ হয়ে যায় আমাদের ছোট ছোট কারনে বা আমাদের ইগোর কারণে।
সেজন্য ছোট ছোট ছেলে মেয়ে উৎসাহ দিতে হবে মসজিদে আসার জন্য,করুক দুষ্টামি আমাদের ধয্ শক্তি বাড়াতে হবে।নবী(সা:)এর মতো আপনার পিঠের উপর বসে থাকে না, আপনাকে সেজদায় উনার(সা:) মতো দীর্ঘক্ষণ থাকতে হয় না। আসলে আমাদের নামাজে মনোযোগ বাড়াতে হবে, কানেক্ট হতে হবে আল্লাহ সাথে গভীরভাবে শিশুদের কোলাহল-দূরন্তপনা থাকবে। আপনার গভীরতা দেখে আপনাআপনি শিশুদের মনে আল্লাহর প্রতি গভীর প্রেম তৈরি হয়ে যাবে মসজিদ প্রানবন্ত থাকবে।
আমার অনেক খারাপ সময় পার করছি, আগামী দিনগুলোতে সুন্দর করতে চাইলে/সুন্দর একটা প্রজন্ম রেখে যেতে চাইলে,আমাদের প্রতিটি কর্মকান্ডে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।আমার ব্যক্তিগত মতামত সবাইকে ইফতার করার চেয়ে ছোট ছোট বাচ্চাদের জন্য প্রতিটি মসজিদে চকলেট,ক্যান্ডি,জুস রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি মালয়েশিয়ায় দেখেছি মসজিদের ভেতরে শিশুদের জন্য প্লেগ্রাউন্ট করে রাখছে , চকলেট,জুস তো থাকেই, মাঝে মাঝে বিভিন্ন কোম্পানি/সরকারের থেকে বাচ্চাদের জন্য গ্রিফট দিয়ে রায়।
আমাদের ছোট ছোট ভূল ভবিষ্যতে চরম মাসুল দিতে হতে পারে। আমরা একটু নিজেরে বদলাই সুন্দর আগামীর জন্য।কেউ আমার লিখায় মনঃকষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পরতে যেতে পারবে না? নাকি বাবা মসজিদে ভীতসন্ত্রস্ত থাকতে হবে?
আবার কেউ কেউ বলে বসেন আপনার বাচ্চা আসলে বেশি দুষ্টামি করে, আমার বাচ্চা দেখেন সুন্দর করে বসে আছে!
আংকেল (নিজ ও আংকেল হয়ে গেছি) আপনাদের অপশন কম ছিল, আপনারা কঠোর শাসনে শাসিত ছিলেন, মসজিদ থেকে বের করে দিলে হয়ত বাসায় ফিরে আসতেন ,না হয় শান্ত সুবোধ বালকের মতো বসে থাকতেন, বাসায় ফিরলে কঠিন উত্তম মধ্যম খেয়ে মসজিদে পরের দিন ফিরে আসতে বাধ্য ছিলেন ।
এখন অপশন অনেক, একবার বের করে দিলে মসজিদে ফেরানো কঠিন হয়ে পড়বে। নাস্তিকতা বলেন, ধর্মবিমুখ বলেন, উশৃঙ্খলতা বলেন পরোক্ষভাবে এগুলোর পিছনে আমরা জড়িত।এত সুন্দর মসজিদ দিয়ে কি করবেন,যদি না পরবর্তী প্রজন্ম মসজিদ বিমূখ হয়ে যায় আমাদের ছোট ছোট কারনে বা আমাদের ইগোর কারণে।
সেজন্য ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের উৎসাহ দিতে হবে মসজিদে আসার জন্য,করুক দুষ্টামি আমাদের ধর্য্য শক্তি বাড়াতে হবে।নবী(সা:)এর মতো আপনার পিঠের উপর বসে থাকে না, আপনাকে সেজদায় উনার(সা:) মতো দীর্ঘক্ষণ থাকতে হয় না। আসলে আমাদের নামাজে মনোযোগ বাড়াতে হবে, কানেক্ট হতে হবে আল্লাহ সাথে গভীরভাবে শিশুদের কোলাহল-দূরন্তপনা থাকবে। আপনার গভীরতা দেখে আপনাআপনি শিশুদের মনে আল্লাহর প্রতি গভীর প্রেম তৈরি হয়ে যাবে মসজিদ প্রানবন্ত থাকবে।
আমার অনেক খারাপ সময় পার করছি, আগামী দিনগুলোতে সুন্দর করতে চাইলে/সুন্দর একটা প্রজন্ম রেখে যেতে চাইলে,আমাদের প্রতিটি কর্মকান্ডে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।আমার ব্যক্তিগত মতামত সবাইকে ইফতার করার চেয়ে ছোট ছোট বাচ্চাদের জন্য প্রতিটি মসজিদে চকলেট,ক্যান্ডি,জুস রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি মালয়েশিয়ায় দেখেছি মসজিদের ভেতরে শিশুদের জন্য প্লেগ্রাউন্ট করে রাখছে , চকলেট,জুস তো থাকেই, মাঝে মাঝে বিভিন্ন কোম্পানি/সরকারের থেকে বাচ্চাদের জন্য গ্রিফট দিয়ে রায়।
আমাদের ছোট ছোট ভূল ভবিষ্যতে চরম মাসুল দিতে হতে পারে। আমরা একটু নিজেরে বদলাই সুন্দর আগামীর জন্য।কেউ আমার লিখায় মনঃকষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।