21/02/2026
বিশেষ এবং জরুরি কোর্সঃ
🍁রুকইয়াহ ধারণা এবং সকাল -সন্ধ্যা দু'আ ও যিকরঃ
বর্তমানে মানুষ কুফরিতে লিপ্ত হয়ে নিজের ঈমান হারাচ্ছে। সর্বোচ্চ দুনিয়াবি লোকসান হচ্ছে, তবে এর পরিণতি ভয়াবহ।
এর থেকে বাঁচতে আমরা আরেক কুফরিতে লিপ্ত হয়।
তাই এই বিশেষ কোর্সের আয়োজন।
🍁🍁মুখতাসার রুকইয়া এবং সকাল সন্ধ্যা দু'আ ও যিকর বইঃ
মুখতাসার রুকইয়াহ,এই বইটি কুরআনিক চিকিৎসার একটি সংক্ষিপ্ত বই।বর্তমানে যোগ্য ব্যক্তিরা রুকইয়া শিখাচ্ছেন। তবে,ওনারা আপনাকে দু'আগুলো মুখস্থ করাবেন না।
আমি রুকইয়া সম্পর্কে ধারণা রাখি তবে,দক্ষ ও যোগ্য কেউ নই।
তাই, আমার উদ্দেশ্য হলো রুকইয়া কি, এর ধারণা এবং নিজের রুকইয়া বা লক্ষ্মণগুলো নিয়ে বইয়ের ভিত্তিতে আলোচনা করে,,, বোনদের কুফরি চিন্তা দুর করা এবং পরবর্তীতে ওনারা নিজেরাই কোন চিকিৎসা সঠিক এটা যেন বুঝতে পারেন।
সকাল সন্ধ্যা দু'আ ও যিকর হলো,,নিজেকে হেফাজতে রাখার একটা মাধ্যম।তাই,আমরা শাইখ আহমাদুল্লাহর,,,সকাল সন্ধ্যা দু'আ ও যিকর বইটি হিফয করব ইনশাআল্লাহ। যাতে প্রতিদিন কাজের ফাঁকে ফাঁকে পড়তে পারি।
✅JQA এর হিফয ক্লাস সম্পর্কে নিশ্চয়ই আপনারা জানেন।আমরা ক্লাস মুখে মুখে পড়ে হিফজ করি।
মাসিক ফি :২০০ টাকা
ভর্তি ফি: ৫০/-৳
মেয়াদ: ৩/৪ মাস
🚫রমাদানের পর শুরু হবে, তবে,সিট ফুল হলে ভর্তি ক্লোজ❌( ইনশাআল্লাহ)
সিট: ১৫ টি
সময়: রবিবার ও মঙ্গলবার ( সন্ধ্যা ৭.৩০ টা)
বিকাশ : 01849265507( ৫০ টাকা সেন্ড করে ভর্তি কনফার্ম করবেন।রিচার্জ না❌❌)
17/02/2026
ইফতার বিতরণ -২০২৬ ( আপডেট)
আলহামদুলিল্লাহ,,, আজকে পর্যন্ত ৮৫ পরিবারকে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
১ প্যাকেটকে ২ টা করে আরো মোটামুটি ১০ জনকে কাভার করব ইনশাআল্লাহ।
৯৫ পরিবার টার্গেট......
ইনশাআল্লাহ, ফান্ডসহ বিস্তারিত জানাবো ইনশাআল্লাহ।
ভুলত্রুটি আল্লাহ তা'য়ালা ক্ষমা করুন।
আপনারাও ক্ষমা করে দিয়েন।সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি,,নিডি মানুষগুলোর কাছে পৌছানোর।
সকলের দান আল্লাহ কবুল করুন
03/02/2026
ইফতার বিতরণ -২০২৬( আপডেট)
৩/০২/২০২৬.......
প্রজেক্ট চলবে ৭/০২/২০২৬ তারিখ পর্যন্ত( সকাল ১০ টা)
বিস্তারিত 👇
https://www.facebook.com/100076486714388/posts/895351299691086/
29/01/2026
📣📣আলহামদুলিল্লাহ, এখনো পর্যন্ত "ইফতার বিতরণ -২০২৬" এর জন্য ৬৭০০০+ এমাউন্ট জমা হয়েছে।
এই কার্যক্রম মূলত আমি শুরু করেছিলাম যাতে আমার এলাকার অসহায় মানুষগুলো অন্তত রমাদানটা আরামে কাটাতে পারে,একটু ভালো খেতে পারে। আর, আমরা যেন তাদের সাহায্য করে " রোজাদারদের ইফতার " করানোর ফজিলত অর্জন করতে পারি।
১ম বছর মাত্র /- ৮০০ টাকা এসেছিল।
আলহামদুলিল্লাহ, পরের বছর থেকে এই ভরসা বাড়তে শুরু করে। ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।
গতবছর, কিছু ঝামেলার কারণে বন্ধ রেখেছিলাম কার্যক্রম। যারা আসলেই অসহায় ছিল তারা " না" শুনে হতাশ হয়ে চলে গিয়েছিল এদিকে যারা সাহায্য করার ইচ্ছে করেছিলেন তারা ও নিরাশ হয়েছেন।
ঝামেলা হবে জেনেও বরকতের কাজে আবার ও হাত দিতে হলো।
৭/৮ তারিখ পর্যন্ত টাকা সংগ্রহ করা হবে ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত 👇
https://www.facebook.com/100076486714388/posts/895351299691086/
16/01/2026
ইফতার বিতরণ -২০২৬
রমাদান পরিকল্পনা -১
ইফতার বিতরণ
আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।
যারা এই পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করছেন আল্লাহ তা'য়ালা সকলকে কবুল করুন। JQA এর উপর ভরসা রাখার জন্য,জাযাকুমুল্লাহু খয়রন।
আমাদের এই পরিকল্পনা শুরু হয় ২০২১ থেকে আলহামদুলিল্লাহ।
২০২১- ৮০০ + টাকা সংগ্রহ হয়েছে
২০২২- ৪৬০০০+ টাকা সংগ্রহ হয়েছে
২০২৩- ৯৫০০০+ টাকা সংগ্রহ হয়েছে,
২০২৪- ৮৫০০০+টাকা সংগ্রহ হয়েছে,আলহামদুলিল্লাহ
২০২৪ সালে প্রায় ৮০+ পরিবারের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে এবং পরিকল্পনার বাইরেও অতিরিক্ত খাদ্যসামগ্রী যুক্ত করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
২০২৫ এ কিছু সমস্যার কারণে আয়োজন করা হয় নি।
দামের উর্ধ্বগতির কারণে,,, ১২৫৫ টাকা বাজেট করেছি,,, ৯ টা আইটেম আনুমানিক ধরেছি। অতিরিক্ত টাকা থাকলে আরো কিছু এড করব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ সাহায্য করুন।
আশা করি সবাই অংশগ্রহণ করবেন।
নগদ/বিকাশ: 01866699564
30/12/2025
৪৪৯। ইয়াকূব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... মালিক ইবনু সা’সা’আ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কা’বার নিকট তন্দ্রাচ্ছন্নাবস্থায় ছিলাম। হঠাৎ দেখতে পেলাম, তিনজনের একটি দলের মধ্যবর্তী ব্যাক্তিটি এগিয়ে আসল। আমার নিকট হিকমত ও ঈমানে পরিপূর্ণ একটি স্বর্ণের পাত্র আনা হল। তারপর ঐ ব্যাক্তি আমার সিনার অগ্রভাগ থেকে নাভি পর্যন্ত বিদীর্ণ করলো। তারপর যমযমের পানি দ্বারা ’কল্ব’ ধৌত করলো। তারপর হিকমত ও ঈমান দ্বারা তা ভরে দেয়া হল।
পরে আমার নিকট আকারে খচ্চরের চেয়ে ছোট এবং গাধার চেয়ে বড় এরূপ একটি জন্তু আনা হল। আমি জিবরীল (আলাইহিস সালাম)-এর সাথে চলতে থাকি। পরে আমরা দুনিয়ার (নিকতবর্তী) আকাশ পর্যন্ত পৌঁছি। তখন বলা হল, কে? জিবরীল (আলাইহিস সালাম) বললেন, (আমি) জিবরীল। জিজ্ঞাসা করা হল, আপনার সঙ্গে কে? জিবরীল (আলাইহিস সালাম) বললেন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। বলা হল, তাঁকে আনার জন্য কি দূত প্রেরণ করা হয়েছে? তাঁকে স্বাগতম, তাঁর আগমন কতই না শুভ।
এরপর আমি আদম (আলাইহিস সালাম) এর নিকট আসলাম, তাঁকে সালাম দিলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) পুত্র ও নবী। তারপর আমরা দ্বিতীয় আসমানে আসলাম। জিজ্ঞাসা করা হল, কে? জিবরীল (আলাইহিস সালাম) বললেন, (আমি) জিবরীল। বলা হল, আপনার সঙ্গে কে? জিবরীল (আলাইহিস সালাম) বললেন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। পুর্ববৎ তাঁকে স্বাগতম জানানো হল। এরপর আমি ইয়াহ্ইয়া ও ঈসা (আলাইহিমুস সালাম) এর নিকট আসলাম এবং তাঁদের উভয়কে সালাম দিলাম। তাঁরা বললেন স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। তারপর আমরা তৃতীয় আসমানে আসলাম। এখানেও জিজ্ঞাসা করা হল, কে? তিনি বললেন, আমি জিবরীল। বলা হল, আপনার সঙ্গে কে?
তিনি বললেন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। পুর্ববৎ তাঁকে স্বাগতম জানানো হল। এখানে আমি ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম দিলাম। তিনিও বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। এরপর আমরা পঞ্চম আসমানে আসলাম। এখানেও পুর্ববৎ প্রশ্নোত্তর হল ও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হল। পরে আমি হারুন (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম দিলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। এরপর আমরা ষষ্ঠ আসমানে আসলাম। এখানেও প্রশ্ন উত্তর সম্বর্ধনার পর আমি মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম দিলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী।
আমি যখন তাঁকে অতিক্রম করে যাই, তখন তিনি কাঁদতে থাকেন। জিজ্ঞাসা করা হল আপনি কাঁদছেন কেন? তিনি বললেন, হে আমার রব! এ যুবক, যাকে আপনি আমার পর নবীরূপে প্রেরণ করেছেন, আমার উম্মত হতে যত সংখ্যক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে, তাঁর উম্মত থেকে তার চেয়ে অধিক সংখ্যক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাঁরা মর্যাদায় হবেন শ্রেষ্ঠতর। তারপর আমরা সপ্তম আসমানে আসলাম। এখানেও পূর্বের ন্যায় প্রশ্ন-উত্তর ও সম্বর্ধনার পর আমি ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তাঁকে সালাম দিলাম। তিনি বললেন, খোশ আমদেদ স্বাগতম (হে) পুত্র ও নবী। তারপর আমার সামনে বায়তুল মা’মূর তুলে ধরা হল।
আমি জিবরীল (আলাইহিস সালাম)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, এ কোন্ স্থান? তিনি বললেন, এ বায়তুল মা’মূর। এখানে প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশ্তা সালাত আদায় করেন। একদিনে যারা এখানে সালাত আদায় করেন, তারা এখানে কোনদিন প্রত্যাবর্তন করবেন না। এটাই তাদের শেষ (প্রবেশ)। তারপর আমার সামনে ’সিদরাতুল মুনতাহা’ তুলে ধরা হল। তার (সিদরাতুল মুনতাহার) গাছের ফল আকারে হাজর (নামক স্থান-এর) কলসীর ন্যায় এবং পাতাগুলো হাতির কানের মত এবং দেখলাম যে, তার মূল হতে চারটি নহর প্রবাহমান। দু’টি অপ্রকাশ্য ও দু’টি প্রকাশ্য।
আমি জিবরীল (আলাইহিস সালাম)-কে এগুলো সম্পর্কে জজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, অপ্রকাশ্য নহর দু’টি জান্নাতে প্রবাহমান। আর প্রকাশ্য নহর দু’টির একটি ফুরাত ও অন্যটি নীল। তারপর আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হল। ফেরার পথে আমি মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট এলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি করে আসলেন? বললাম, আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হয়েছে।
তিনি বললেন, আমি মানুষের (প্রকৃতি) সম্পর্কে আপনার চেয়ে অধিক অবগত। আমি বনী ইসরাঈলকে নিয়ে কঠিনভাবে চেষ্টা করেছি। একথা নিশ্চিত যে, এগুলো আদায় করতে আপনার উম্মত সক্ষম হবে না। আপনি আপনার রবের নিকট ফিরে যান এবং এ নির্দেশ সহজ করে নিয়ে আসুন। আমি আমার প্রতিপালকের নিকট পুনরায় গেলাম এবং এ বিধান সহজ করার আবেদন জানালাম। এতে তিনি চল্লিশ ওয়াক্ত করে দিলেন।
আমি আবার মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট এলাম। তিনি বললেন, আপনি কি করে আসলেন? আমি বললাম, চল্লিশ ওয়াক্ত করে দিয়েছেন। তিনি এবারও আমাকে পূর্বের ন্যায় বললেন। আমি আমার মহান প্রতিপালকের নিকট ফিরে গেলাম। তিনি এবার ত্রিশ ওয়াক্ত করে দিলেন। আমি আবার মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট এলাম এবং তাকে অবহিত করলাম। তিনি আমাকে পূর্বের মত বললেন।
আমি আবার প্রতিপালকের নিকট হাযির হলাম। তিনি বিশ ওয়াক্ত করে দিলেন। এরপর দশ ওয়াক্ত এবং তারপর পাঁচ ওয়াক্ত করে দিলেন। এরপরে আমি মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট এলাম। তিনি পূর্বের মত একই কথা বললেন। আমি বললাম, আমি আবার আল্লাহ্র নিকট যেতে লজ্জাবোধ করছি। তারপর আল্লাহ্র তরফ থেকে ঘোষণা দেয়া হল, আমি আমার বিধান চূড়ান্ত করলাম এবং আমার বান্দাদের জন্য সহজ করে দিলাম। আর আমি একটি নেককাজের বিনিময়ে দশটি প্রতিদান দিব
সহিহ, বুখারি হাঃ ৩২০৭, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ৩২৩, ৩২৪
29/12/2025
ইমানের দুর্বলতা, কারণ ও প্রতিকার :
প্রতিনিয়ত আমরা গুনাহ ইত্যাদির মাধ্যমে নিজেদের ইমানকে দুর্বল করে তুলছি; অথচ তা পরিমার্জন করার কখনো চিন্তা করছি না। এভাবে চলতে চলতে একসময় আমাদের ইমান শক্তিহীন হয়ে পড়বে। তখন তা আর কোনো কাজে আসবে না। তাই প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য হলো, নিজের ইমানের অবস্থা যাচাই করা, দুর্বলতার কারণগুলো চিহ্ণিত করা এবং যথাসময়ে পরিচর্যা করে ইমানকে পরিশুদ্ধ রাখা। নিম্নে আমরা ইমানের দুর্বলতার দশটি নিদর্শন, দশটি কারণ ও দশটি প্রতিকার উল্লেখ করছি।
ইমানের দুর্বলতার নিদর্শনসমূহ-
০১. হারাম ও গুনাহের কাজে নিমজ্জিত হওয়া
০২. চোখে পানি না আসা এবং অন্তরে কাঠিন্য অনুভব করা
০৩. ইবাদতে শৈথিল্যতা প্রদর্শন করা
০৪. কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া
০৫. অনর্থক ঝগড়া-বিবাদ বা তর্ক-বিতর্ক করা
০৬. মুসলমান ভাইয়ের বিপদাপদে খুশি হওয়া
০৭. দুনিয়ার প্রতি আকর্ষণ ও এর প্রতি ঝুঁকে পড়া
০৮. হারাম কাজ সংঘটিত হতে দেখলেও ক্রোধের সঞ্চার না হওয়া
০৯. কথা ও কাজে অমিল হওয়া
১০. মুসলমানদের সমস্যার ব্যাপারে গুরুত্ব না দেওয়া
ইমানের দুর্বলতার কারণসমূহ-
০১.ইমানি পরিবেশ থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকা
০২. সৎ ও অনুকরণযোগ্য ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা
০৩. শরিয়তের জ্ঞান ও ইমানি বইপত্র থেকে দূরে থাকা
০৪. গুনাহগারদের মাঝে অবস্থান করা
০৫. গুনাহকে হালকা ভাবা
০৬. ধন-সম্পদ ও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মেতে থাকা
০৭. বদদ্বীন, মুনাফিক ও কাফির শাসকদের সাথে উঠাবসা করা
০৮. বেশি খাওয়া, বেশি ঘুমানো ও অত্যধিক রাত্রি জাগরণ
০৯. অনর্থক কথাবার্তা বলা
১০.দুনিয়ার মোহে মগ্ন হওয়া
ইমানের দুর্বলতা দূরকরণের উপায়সমূহ-
০১. অধিক পরিমাণে কুরআন তিলাওয়াত করা
০২. বিনয়ী হওয়া ও দুনিয়ার চাকচিক্য পরিত্যাগ করা
০৩. বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করা
০৪. নিয়মিত ইসলামি আলোচনা সভায় উপস্থিত হওয়া
০৫. নফল আমলে অভ্যস্ত হয়ে ওঠা
০৬. আল্লাহকে ভালোবাসা ও অধিকহারে তাঁর জিকির করা
০৭. মুমিনদের সাথে সম্পর্ক ও কাফিরদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করা
০৮. আত্মসমালোচনা করা
০৯. কামনা-বাসনা কম করা
১০. আল্লাহর নিকট রোনাজারি ও দুআ করা
আমাদের প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত, ইমানের দুর্বলতার এসব কারণ নিজের মধ্যে আছে কিনা। থাকলে কেন এবং কীভাবে তা দূর করা যায়, সেটা নিয়ে আজ থেকেই ফিকির করা। নইলে অন্তর একসময় পাথরে পরিণত হয়ে যাবে। তখন হাজারো চেষ্টা করলেও তা আর ঠিক হবে না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইমানের দুর্বলতা দূর করে ইমানকে শক্তিশালী করার তাওফিক দান করুন।
লেখাঃ Tarekuzzaman হাফি।
27/12/2025
রজব মাসের তিন আমল।
১. এই মাসকে বিশেষ সম্মান করা।
(সহিহ বুখারী, ৩১৯৭)
২. যাবতীয় গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা।
(সুরা তাওবা, ৩৬)
৩. নির্ধারিত কোনো ইবাদত নয়। তবে দৈনন্দিন অন্যান্য সকল ইবাদতে যত্নবান হওয়া।
(তাফসিরে মাআরিফুল কুরআন, ৪/৩৭২)
সংগৃহীত
17/12/2025
সর্বপ্রথম ও সর্বশেষ নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সুরা কোনটি?
10/12/2025
রমাদান পরিকল্পনা -১
❝অর্থসহ কুরআন তিলাওয়াত ❞
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ
রমাদান উপলক্ষে ১৫/১২/২০২৫ থেকে শুরু হবে"৯০ দিনে অর্থ সহ কুরআন তিলাওয়াত "
১সপ্তাহ পর পর পড়ার আপডেট জানাতে হবে।
নিয়ম:
🚫১ আয়াত পড়ে,সাথে তার অর্থ পড়বেন। অর্থ যেকোনো ভাষায় পড়তে পারেন।
🚫দৈনিক টার্গেক পুর্ণ করার জন্য ১/১.৫ ঘন্টা সময় লাগতে পারে।
🚫ক্লাস হবে না,, নিজেরা টার্গেট হিসেবে পড়তে হবে
উদ্দেশ্য :
এই উছিলায় যেন আমরা আল্লাহর কথাগুলো অনুধাবন করতে পারি এবং জীবন পরিচালনা করতে পারি।
রেজিষ্ট্রেশন ফি: ১২০ টাকা
(এই টাকাগুলো থেকে হাদিয়া দেওয়া হবে )
বিকাশঃ01927494902
(সেন্ড মানি করে,লাস্ট ডিজিট মেসেজ করবেন)
রিচার্জ করবেন না ❌
08/12/2025
কখনো লাশ গোসল করিয়েছেন? অধিকাংশ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাটা সুখকর কিছু না। আমরা সাধারণ মৃতদের সম্মানিত করার একটা চেষ্টা করি। মৃত মানুষদের স্মৃতিকে পবিত্র একটা রূপ দেওয়ার চেষ্টা আমরা করি। যদি মৃত ব্যাক্তিটি নেতাগোছের বা বিখ্যাত কোন ব্যাক্তি হয় তাহলে তো আর কথাই নেই। কিন্তু আমি মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি একজন ডাকসাইটে নেতার বা বড় কোন অভিনেতার বা শীর্ষ স্থানীয় কোন কোম্পানীর মালিক বা সরকারী ডাকসাইটে অফিসার এর নিষ্প্রাণ দেহকে গোসল করানোর দৃশ্যও যদি আপনি দেখেন তাহলে আপনার মধ্যে কোন পবিত্র অনুভূতি হবে না। বড়জোর নিষ্প্রাণ দেহটাকে অপরিচিত মানুষদের হাতে নাড়াচাড়া হতে দেখে মায়া লাগতে পারে।
মৃত মানুষকে গোসল করানোর একটা আবশ্যক অংশ হল লাশকে বসিয়ে এবং পাশ ফিরিয়ে আস্তে আস্তে পেটে চাপ দিয়ে পেটের ভেতরে রয়ে যাওয়া বর্জ্য বের করে দেওয়া। এতো গেল সাধারণ অবস্থা। নিয়মিত লাশ গোসল করানো মানুষদের কাছে শুনতে পাবেন আরো অনেক ধরনের তথ্য। লিভার বা পাকস্থলীর অসুখ নিয়ে মারা যাওয়া, কিংবা পেটে অপারেশান করা মানুষদের লাশ গোসল করানোর সময় পেট থেকে বেরিয়ে আসে পুঁজ, লিভারের খণ্ডবিখণ্ড গলিত অংশ আর রক্ত। সাথে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ। সবচেয়ে মহান রাজনৈতিক নেতা থেকে সবচেয়ে জনপ্রিয় সেলেব্রিটিকে এ অবস্থায় কল্পনা করুন। এখানে কি সম্মানজনক কিছু আছে?
আমরা মানুষরা অনেক ভাব ধরি। নিজেদের অনেক বড় কিছু, অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু, পুতঃপবিত্র কিছু হিসেবে উপস্থাপন করতে চাই। আমরা নিজেদের চারপাশে একটা খোলস তৈরি করে নেই। কিন্তু মৃত্যু তিলে তিলে গড়ে তোলা এ খোলসকে ধ্বংস করে দেয়। আমরা একটা খেলাঘর তৈরি করি। কিন্তু মৃত্যু এসব কিছু, সব সাজসজ্জা, সব অলংকার, সব আরোপিত আবরনকে সরিয়ে উন্মুক্ত করে দেয়।
আমরা সম্মানজনক জীবনের কথা খুব চিন্তা করি, কিন্তু সম্মানজনক মৃত্যু নিয়ে কি আমরা ভাবি? মানবজাতির অধিকাংশের মৃত্যুর মাঝেই সম্মানজনক কিছু নেই। ব্যাতিক্রম তারাই যাদের সম্মানিত করেছেন সমগ্র সৃষ্টির একচ্ছত্র অধিপতি, আল্লাহ সুবহানহু ওয়া তা’আলা। মানুষের দেওয়া সম্মানের মূল্য দেহ শীতল হবার আগ পর্যন্তই। কিন্তু যাকে সম্মানিত করেন মালিকুল মুলক আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তিনিই প্রকৃত অর্থে সম্মানিত। দুঃখজনক বিষয়টা হল, আমরা মূল্যহীনের পেছনে ছুটতে ছুটতে মূল্যবানকে হারিয়ে ফেলি।
আল্লাহতালা আমাদের সকলকে দুই জীবনে হেফাজত/রক্ষা করুন। আমীন.....
-সংগৃহীত
07/12/2025
আপনার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন???