26/12/2025
আলহামদুলিল্লাহ! 🌸
মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানিতে মুহাম্মদীয়া তাজবীদুল কোরআন মাদরাসা আবারও একটি গৌরবময় ও আনন্দঘন অর্জনে সম্মানিত হয়েছে। এই সাফল্য একান্তই আল্লাহর দান—তিনি যাকে চান, যেভাবে চান, সম্মানিত করেন।
নূরানী তালীমুল কোরআন বোর্ড, চট্টগ্রাম-এর অধীনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় মোট ৭২৯,৭৩৯ জন শিক্ষার্থীর বিশাল অংশগ্রহণের মাঝে আমাদের মাদরাসা থেকে ১৮ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে—
✨ ১২ জন (A+)
✨ ০৪ জন (A)
✨ ০২ জন (A-)
অর্জনের মাধ্যমে ১০০% পাশের গৌরব অর্জন করেছে।
এই ফলাফল শুধু কিছু গ্রেডের নাম নয়—এটি শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রম, অভিভাবকদের ধৈর্য ও দোয়া এবং সর্বোপরি আল্লাহ তাআলার বিশেষ সাহায্যের বাস্তব প্রমাণ। প্রতিদিনের কষ্ট, ঘাম ঝরানো চেষ্টা ও কুরআনের সাথে গভীর সম্পর্কেরই ফল আজকের এই সাফল্য।
আমরা মহান রবের দরবারে বিনীতভাবে দোয়া করি—
🤲 হে আল্লাহ! এই অর্জনকে তুমি কবুল করে নাও।
🤲 আমাদের শিক্ষার্থীদের কুরআনের আলোয় জীবন গড়ার তাওফিক দাও।
🤲 আমাদের শিক্ষক ও মাদরাসার সাথে জড়িত সবাইকে ইখলাস ও বারাকাহ দান করো।
🤲 ভবিষ্যৎ পথচলায় আরও বড় সাফল্য, দ্বীনের খেদমত ও নেক আমলের তাওফিক নসিব করো।
01/07/2025
কখনো শিক্ষকের চোখের পানি ছাত্রের সফলতার কারণ। আবার কখনো ব্যর্থতার কারণ হয়।
গন্তব্য নির্ভর করে অনুভূতির উপর,,,,,,,
অনেক শিক্ষককে চুপি চুপি কাঁদতে দেখেছি। শিক্ষক ও অভিভাবক একযোগে সন্তানের জন্য পরিশ্রম করুন। সন্তানকে বুঝতে দিন শিক্ষক ও অভিভাবক দুজনই সন্তানের অসাধারণ প্রশিক্ষক! সন্তানের সামনে শিক্ষককে বা সন্তানের সামনে বাবা-মাকে ছোট করবেন না।
COMMENT & SHARE plz.
05/10/2024
পৃথিবীর বুকে শিক্ষকই একমাত্র ব্যক্তি, যে অন্যের সন্তানের সাফলতা দেখে নিজে গর্ববোধ করে।
31/08/2024
যে প্রতিষ্ঠানের কোনো নিজস্ব নিয়ম-নীতি থাকে না, মূর্খের কথার উপর ভিত্তি করে চলে,
সেই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আদর্শ মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে না।
...S A Rafi....
20/06/2024
যে ঘরে টিভি থাকবে, সে ঘরে সিজদার পরিমাণ কমে যাবে।
18/06/2024
যে ঘরে পর্দার বিধান পালিত হয় না,
সে ঘর হতে আলেম তৈরি হওয়া দুর্লভ।
16/06/2024
মুসলিমদের ঈদ যেমন আনন্দের; তেমনি ইবাদতেরও। ঈদের নামাজ, পশু কুরবানি, তাকবির প্রদানসহ নানা আমল রয়েছে এদিন। তবে ঈদুল আজহার সবচেয়ে বড় আমল হলো আল্লাহর নামে পশু কুরবানি করা। কুরবানির মাধ্যমে আল্লাহ পরীক্ষা করেন- বান্দা কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করতে পারে তার রবের জন্য। একই সঙ্গে সামর্থ্যবান ব্যক্তির সম্পদ থেকে পশু কুরবানির মাধ্যমে গরিবের ঘরেও আনন্দ বিলানোর ব্যবস্থা করেন আল্লাহ। কুরবানির গোশত কুরবানিদাতা একা খেতে পারবে না; পাড়া-প্রতিবেশী অসহায়-গরিবকেও দিতে হবে। কুরবানির গোশত তিন ভাগ করা সুন্নত। এক ভাগ নিজের পরিবারের জন্য, এক ভাগ আত্মীয়-প্রতিবেশীদের জন্য, আরেক ভাগ অসহায়-গরিবের জন্য। এভাবেই কুরবানি মুসলিম সমাজে উদ্যমতা তৈরি করে। ধনী-গরিবের পার্থক্য মিটিয়ে সবাইকে এক কাতারে নিয়ে আসে।
ঈদুল আজহার দিনে করণীয় :
১/ ঈদের সালাতের আগে গোসল করা সুন্নত।
২/ উত্তম পোশাক পরিধান করা সুন্নত।
৩/ সুগন্ধি ব্যবহার সুন্নত।
৪/ কোরবানির দিনে ঈদের নামাজের আগে কিছু না
খাওয়া মুস্তাহাব।
৫/ ঈদগাহে এক পথ দিয়ে যাওয়া ও অন্যপথ দিয়ে ফেরা
সুন্নত।
৬/ সম্ভব হলে ঈদগাহে হেঁটে যাওয়াও সুন্নত।
৭/ ঈদের দিন তাকবির পাঠের মাধ্যমে আল্লাহকে বেশি
বেশি স্মরণ করা সুন্নত। পুরুষেরা তাকবির উঁচু
আওয়াজে পাঠ করবে, মেয়েরা নীরবে।
৮/ ঈদের নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ, অনেকে ওয়াজিব
বলেছেন।
৯/ নামাজের পর খুতবা শুনা ওয়াজিব।
১০/ ঈদের দিনে ছোট-বড় সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা
বিনিময় করা সুন্নত।
১১/ কুরবানির পশু নিজে জবেহ করা উত্তম।
১২/ ঈদুল আজহায় পশুর রক্ত, আবর্জনা ও হাড় থেকে
যেন পরিবেশ দূষিত না হয় সেদিকে প্রত্যেক
মুসলমানের সতর্ক হওয়া উচিত। কোরবানি শেষ
হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রক্ত, আবর্জনা ও হাড় নিরাপদ
দূরত্বে নির্দিষ্ট জায়গায় মাটিতে পুঁতে ফেলা উচিত।
কুরবানির পশুর চামড়ার ক্ষেত্রে করণীয় :
কুরবানির পশুর চামড়া বিক্রি করা যাবে। তবে বিক্রিত অর্থ কুরবানিকারী নিজ কাজে খরচ করতে পারবে না। আর তা নিজের কাজে খরচ করা জায়েজও নেই। এ অর্থ গরিব-মিসকিনদের মাঝে বিতরণ করে দিতে হবে। হজরত আলি (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করীম (সা.) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, আমি যেন কুরবানির মজুরি বাবদ গোশত বা চামড়া থেকে কসাইকে কোনো কিছু প্রদান না করি। সেইসাথে যারা জাকাত, ফিতরা পাওয়ার উপযুক্ত তারাই কুরবানির চামড়ার অর্থ পাওয়ার হকদার। তবে এক্ষেত্রে ইয়াতিম, গরিব তালিবুল ইলম তথা ইলমে দ্বীনের গরিব শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা দেয়া যাবে। তালিবুল ইলম তথা ইলমে দ্বীনের শিক্ষার্থী যদি ইয়াতিম বা গরিব হয় তবে তাকে জাকাত, ফিতরা ও কুরবানির চামড়ার মূল্য দানে অধিক সাওয়াব রয়েছে। সুতরাং ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে কুরবানির চামড়া দান করা উত্তম।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করুন,,,(আমিন)
#কুরবানি
#ঈদুলআজহা
19/04/2024
📢ভর্তি চলছে ------ভর্তি চলছে----- ভর্তি চলছে📢
মোহাম্মদিয়া তাজবীদুল কোরআন মাদরাসা
করইয়ানগর, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
নূরানী প্লে থেকে ইবতেদায়ী পঞ্চম,
কিতাব বিভাগ,
নাজেরা বিভাগ ও হিফ্জ বিভাগ
--------------------------------------------------------------------------
ভর্তি শুরু : ১০ই শাওয়াল/২০ এপ্রিল ২০২৪ থেকে
--------------------------------------------------------------------------
আমাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ
★ কুরআন-হাদিসের জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য।
★ ছাত্রদেরকে ধার্মিক, সৎ, দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
★ দ্বীনি ইলম শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি ও গণিত দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পাঠদানের ব্যবস্থা।
★ প্রত্যেক বিষয়ের পাঠদানে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড রয়েছে।
★ কিতাব বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি পরিক্ষা দেওয়ার সু ব্যবস্থা,,
★ হাফেজদের জন্য দরসে নেজামীর পাশাপাশি চার বছরে দাখিল পরিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
★ হিফ্জ বিভাগের ছাত্রদের আন্তর্জাতিক হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের সুযোগ।
★ ইসলামী সংগীত, হামদ, নাত, গীতিকাব্য রচনা ও বিশুদ্ধ শব্দ উচ্চারণের সপ্তাহিক ক্লাস।
★ এতিম-অনাথ ছাত্রদের জন্য বিশেষ ছাড়।
আবাসিক বৈশিষ্ট্য
★ সুন্দর মনোরম ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা।
★ সর্বাধিক সময় শিক্ষকদের নজরদারিতে পাঠদান।
★ যথাসম্ভব স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা।
★ দৈনিক ৩ বেলা রুটিন মাফিক খানা।
★ এতিম ছাত্রদের জন্য ফ্রী খাওয়া, থাকা।
★ কিতাব বিভাগে মমতাজ হওয়া ছাত্রদের জন্য ভর্তি ফ্রী।
★ এছাড়াও আবাসিক VIP শাখা চালু হয়েছে।
--------------------------------------------------------------------
ঠিকানা : সাতকানিয়া ঠাকুর দীঘি বাজার হতে পশ্চিমে, ধলিয়ার দোকানের উত্তরে ,করইয়ানগর স্কুল রোড়ের পাশে।
---------------------------------------------------------------------
মুহতামিম: মাও : তৌওহীদুর রহমান সাহেব দাঃ বাঃ
মোবাইল : +8801815-527250
26/03/2024
....হযরত ওমর ফারুক (রা) এর ঈদ শপিং....
ঈদের আগের দিন মুসলিম জাহানের খলিফা হযরত ওমর (রা) এর স্ত্রী নিজ স্বামী কে বললেন, "আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় নাহলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে"।
খলিফা ওমর (রা) বললেন আমার কাছে নতুন কাপড় কেনার মতো সামর্থ্য নেই।
পরে খলিফা তার অর্থমন্ত্রী আবু ওবাইদা(রা) কে একমাসের অগ্রিম বেতন দেওয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।
সমগ্র মুসলিম জাহানের খলিফা যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবীর শাসক, তার এ ধরনের চিঠি পেয়ে আবু ওবাইদা(রা)এর চোখে পানি এসে গেল।
অর্থমন্ত্রী আবু ওবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখেছেন, " আমিরুল মুমেনীন, অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য আপনাকে দুটো বিষয়ে ফায়সাল দিতে হবে"।
প্রথমত; আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বাঁচবেন কি না?
দ্বিতীয়ত; বেঁচে থাকলেও আগামী মাস পর্যন্ত দেশের জনসাধারণ আপনাকে খেলাফতের দ্বায়িত্বে বহাল রাখবে কি না?।
চিঠি পাঠ করে ওমর (রা) কোন প্রতিউত্তর তো পাঠালেনই না, বরং এতো কেঁদেছেন যে চোখের পানিতে তার দাড়ি ভিজে গেল। আর একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে আবু ওবাইদা (রা) এর জন্য হাত তুলে দোয়া করলেন।