28/10/2019
বিজয় ফুল উৎসব ২০১৯।
তালগাঁও আল হেলাল সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়।
স্কুল পর্যায়ে পালিত কার্যক্রমের কিছু আলোকচিত্র।
চরতী, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
27/10/2019
হাকিম ইসমাঈল হিলালীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
কবি ও হাকিম মাওলানা ইসমাঈল হিলালীর ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম ইউনানী মেডিক্যাল কলেজ, সা....
25/10/2019
হাকীম ইসমাঈল হিলালী ও চট্টগ্রাম ইউনানী তিব্বিয়া কলেজ
|| হাকীম এস. এম. লুৎফুর রহমান, প্রাক্তন অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম ইউনানী তিব্বিয়া কলেজ || কথায় আছে, যে দেশে গুণীর জ্ঞানীর কদর ....
15/10/2019
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সাংবাদিক আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুন ও মুহাম্মদ সিরাজুল কবির স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল চট্টগ্রাম হযরত শাহ্ আমানত দরগাহ সংলগ্ন তনজিমুল মোছলেমীন এতিমখানা মিলনায়তনে ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বিচারপতি আমিরুল কবীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট মাহমুদুর রহমান প্রধান অতিথি ও বাগদাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফেরদৌস খান আলমগীর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আলহাজ্ব হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে ইঞ্জিনিয়ার রশীদ আহমদ চৌধুরী, আব্দুল্লাহ গালিব আল হিলালী, আলহাজ্ব সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, আলহাজ্ব এ এস এম জাফর, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ শাহ্ গোলাম আহমদ, আলহাজ্ব রফিক আহমদ, এডভোকেট আবুল হাশেম,এডভোকেট নুরুল হুদা চৌধুরী, এডভোকেট জসিম উদ্দিন, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, আলহাজ ইকবাল আলী আকবর, আলহাজ জাফরুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক হাকীম মাওলানা জামাল উদ্দীন হেজাযী, আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম হেলালী,আলহাজ্ব মাওলানা আবদুল হামিদ, এডভোকেট আফছারুল আমিন, এডভোকেট মোহাম্মদ রিয়াজ, হাফেজ লিয়াকত আলী চৌধুরী, মাওলানা আবদুর রহিম, মোহাম্মদ হোসেন, হাফেজ মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, হাফেজ ফজলুল কাদের, মাওলানা শাহ্জাহান, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ছিদ্দিকী, রোকনউদ্দিন চৌধুরী রিপন ও মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ আজাদ প্রমুখ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির ভাষনে বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট মাহমুদুর রহমান চৌধুরী বলেন- সমাজের কল্যাণে কাজ করতে পারা অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। তিনি বিত্তবান সকলকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার উদাত্ত আহবান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাগদাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফেরদৌস খান আলমগীর বলেন- সাংবাদিক আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুন ও মুহাম্মদ সিরাজুল কবির কর্মের মাঝে অমর থাকবেন।
সভাপতির ভাষণে বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী বলেন- ফেডারেশন আমার বড় আদরের এবং বিশ্বাসের ভিত্তিতে গড়ে উঠা এক প্রতিষ্ঠান। নিঃস্বার্থভাবে যারা সমাজের কল্যাণে কাজ করেন তারাই প্রকৃত সমাজকর্মী। প্রকৃত সমাজকর্মীরা মৃত্যুর পরেও স্মরণীয়। মরহুম সাংবাদিক আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুন ও মুহাম্মদ সিরাজুল কবির জীবদ্দশায় দেশ ও সমাজের ক্যলাণে যথেষ্ট অবদান রেখে গেছেন। তিনি আরও বলেন- আমাদের দেশের সমাজকর্মীদের মিলনক্ষেত্র সমাজকল্যাণ ফেডারেশন। ফেডারেশনের আরও অনেক নেতা-কর্মী আমাদের মধ্যে নেই। তারা আজ পরজগতের বাসিন্দা। তাদের আমরা ভুলি নাই। বিচারপতি আমিরুল কবীর চৌধুরী ফেডারেশনের কর্মকর্তাদেরকে সমাজ, দেশ ও জাতিকে উদ্ধার করার জন্য সাহস, সততা ও একাগ্রতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে তনজিমুল মোছলেমীন এতিমখানার ছাত্ররা খতমে কুরআন, খতমে তাহলিল আদায়ের পর বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন অধ্যাপক হাকীম মাওলানা জামাল উদ্দীন হেযাজী।
12/10/2019
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত মরহুম সাংবাদিক আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুন স্মরণে শোকসভা।
বরেণ্য সাংবাদিক আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুন সাংবাদিকতার পাশাপাশি আজীবন শিক্ষা, সমাজসেবা ও অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। প্রবীণ এই সাংবাদিকের শোকসভা উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা এভাবে তাঁকে মূল্যায়ন করেন। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটি ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্চে ওই সভার আয়োজন করে। সভায় এক সময়কার তার সহকর্মী, সুহ্নদ, প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের বর্তমান এবং সাবেক নেতৃবৃন্দ আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুনের বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর আলোচনা ও স্মৃতিচারণ করেন। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার বলেন, ‘সাংবাদিকতায় তার অবদান কখনোই ভুলবার নয়। নিবৃতচারী হেলাল হুমায়ুন ভাই নিজেকে আড়াল করে রাখতেন। তার জ্ঞানের পরিধি, জ্ঞানের আলো তাকে উচ্চ মাপে পৌছে দিয়েছেন। তারমধ্যে মানুষকে আপন করে নেয়ার অনন্য শক্তি ছিল। মনের দিক থেকে তিনি ছিলেন সমৃদ্ধ ও ধনী। যা অনেকের মধ্যে নেই। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে আপসহীন সাংবাদিকতার মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হতে পারলেই হেলাল হুমায়ুন ভাই এর প্রতি যথাযথ সম্মান জানানো হবে। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম বলেন, ‘হেলাল হুমায়ুন ভাই ছিলেন সৎজন। তার অফিসে কোন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ গেলে তিনি তাকে মন্ত্রীর মতো করে গ্রহণ করতেন। তার মত হাতেগোণা কয়েকজন সাংবাদিক রয়েছে দেশে। তিনি বলেন, আজ একজন ভাল অগ্রজকে হারালাম। দেশ প্রেমিক এ সংবাদিক সমাজ,সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার বিকাশের জন্য যে কাজ করে গেছেন ওই কাজের মধ্যে দিয়ে তিনি আজীবন বেঁচে থাকবেন। চট্টগ্রাম সংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেন, এটা সবাই স্বীকার করবেন যে, হেলাল হুমায়ুন ভাই ছিলেন সাহসী সাংবাদিক, আপসহীন। তাঁর সাংবাদিকতার জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। দাবি আদায়ে তিনি ছিলেন সাহসী ও বলিষ্ঠ। প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউল হাকিম বলেন, পেশাগত জীবন ও ব্যক্তি জীবনে এক অনন্য মানুষ ছিলেন হেলাল হুমায়ুন। প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণে ১৯৯০ সালে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অত্যন্ত সহজ সরল জীবন যাপন করেছেন। সাংবাদিক হিসেবে ছিলেন অতুলনীয়। সাংবাদিকতার জটিল বিষয়গুলোকেও খুব সহজভাবে উপস্থাপন করতেন। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস বলেন, সদা হাস্যোজ্জ্বল,হেলাল হুমায়ুন ভাই নিজেকে একজন দক্ষ সাংবাদিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ছিলেন। প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সালাহউদ্দীন রেজা বলেন, হেলাল হুমায়ুন ভাই দক্ষ সাংবাদিক ও সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। আমরা দোয়া করি আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুক। চট্টগ্রাম সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটির সভাপতি মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, তিনি দেশ প্রেমিক ছিলেন। সকল দলের,সকল মতের মানুষকে কাছে টানার প্রকট শক্তি ছিল তার মধ্যে। অসচ্ছ্বল সাংবাদিকদের জন্য নিবৃত্তে তিনি কাজ করে গেছেন। যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য আসিফ সিরাজ বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। হেলাল হুমায়ুন ভাইকে অনুসরণ করে সাংবাদিকদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম নাসিরুল হক বলেন, হেলাল হুমায়ূন ছিলেন একজন বিনয়ী ও সদালাপী সাংবাদিক। তার বিনয় সবাইকে দ্রুত আপন করে নিতেন। ইনকিলাবের ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, হেলাল হুমায়ুন ভাই এর মধ্যে এক ধরনের চঞ্চলতা ছিল। সহজ সরল ভাষায় প্রতিবেদনকে কতটা বিস্তৃত করা যায় সেই চেষ্টা তার সবসময় থাকতো। আরেকটি বড় বিষয় হচ্ছে, আপোস করার মতো কেনো চরিত্র ছিলেন না। তিনি আমার অনেক বড় হলেও তবে আমার বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। যদিও আমি ছিলাম তাঁর অনুরাগী ও ভক্ত।’ চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইসকান্দর আলী চৌধুরী বলেন, অনুসন্ধানী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় তাঁর জুড়ি ছিল না। তিনি জীবনভর সুনাম বজায় রেখে সাংবাদিকতা করেছেন। হেলাল হুমায়ুনের ছেলে আব্দুল্লাহ গালিব আল হিলালী বলেন, আশা করি আপনারা সব সময় আমাদের পাশে থাকবেন। পাশাপাশি বাবার জন্য দোয়া করবেন। স্মরণসভার সঞ্চালক ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। সভায় আরও বক্তব্য দেন দৈনিক নয়াবাংলার সম্পাদক জিয়া উদ্দিন এম এনায়েত উল্লাহ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক সিরাজুল করিম মানিক, মবহুমের শ্বশুর ওয়াকিল আহমদ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা লেখিকা আলেয়া চৌধুরী প্রমুখ। স্মরণ সভার আগে জাতীয় চার নেতা সহ মরহুম সাংবাদিক হেলাল হুমায়ূন এবং প্রেসক্লাবের এপর্যন্ত মৃত্যুবরণকারী সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা জামাল উদ্দিন।
https://www.facebook.com/mohonatvctgbureau/videos/1445591685459684/
12/10/2019
সাংবাদিক আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুন ও আলহাজ্ব ড. মাহমুদ হাসান স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি ড. মাহমুদ হাসান ও নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুনের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ডাক্তার সলিল কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভা চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতির অর্থ সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতাল সমাজেসেবা অফিসার ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল পাশা ভূঁইয়া। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতির সহসভাপতি ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার আবদুর রব, ই.এন.টি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার মামুন ইবনে আমীন, শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার শংকর কুমার ঘোষ, সমাজসেবী হাসিনা জাফর, নির্বাহী সদস্য জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, লায়ন জানে আলম, রোগীকল্যাণ সমিতির আজীবন সদস্য আব্দুল্লাহ গালিব আল হিলালী, লায়ন নুরুল আবছার ও বেলায়েত হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ড. মাহমুদ হাসান ও সাংবাদিক আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুনের বহুমুখী অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন এবং অনুষ্ঠান শেষে তাদের রূহের মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ।
10/10/2019
আল হেলাল আদর্শ ডিগ্রি কলেজে ওরিয়েন্টেশন, সাংবাদিক হেলাল হুমায়ুন স্মৃতি বৃত্তি প্রদান ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার চরতী ইউনিয়ন এ অবস্হিত আল হেলাল আদর্শ ডিগ্রি কলেজে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান অধ্যক্ষ মোহাং হারুনর রশিদ এর সভাপতিত্বে কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। কলেজ শিল্পীবৃন্দের এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবশনায় এবং প্রভাষক আয়েশা ছিদ্দিকার সঞ্চালনায় এই বর্ণ্যঢ্য অনুষ্ঠানে কলেজ গভনিং বডির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুল্লাহ গালিব আল হিলালী, বিজিসি ট্রাস্টের রেজিস্ট্রার এএফএম আখতারুজ্জামান কায়সার এবং অভিবাবক সদস্য মাওলানা ইউসুফ ছাদেক উপস্হিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইদ্রিস, মো: নুরুল আলম, মো: ইউনুছ মিঞা ও মো: ইসমাঈল হোসেন।
অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষা মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করে, চিন্তার প্রসারতা বাড়ায়, বুঝ শক্তি শানিত করে এবং জগৎ সম্পর্কে ভাবতে শেখায়। সমকালিন বিশ্বে কি ধরনের জ্ঞান চর্চা ও গবেষনা হচ্ছে তার সাথে সংযোগ ঘটিয়ে নবীনদের সামনের পথে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন এবং কলেজের অগ্রগতিতে সম্ভাব্য সব রকম সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।বক্তারা আরো উল্লেখ করেন, প্রয়াত সাংবাদিক ও কলেজ প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব হেলাল হুমায়ুন অত্র এলাকায় উচ্চ শিক্ষা বিস্তারের অগ্রগতির পাশাপাশি নারী শিক্ষা প্রসার, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন এবং সকলেই তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখে ফাতেমা জান্নাত তানিশা, উম্মে সায়েমা, তাসফিকুর রহমান সিকদার ও জাহেদ মিয়া।
প্রতি বছর ন্যায় এবারও ১২ জন শিক্ষার্থীকে সাংবাদিক হেলাল হুমায়ুন স্মৃতি বৃত্তি এবং ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে উচ্চ মাধ্যমিক পরিক্ষায় অত্র কলেজ থেকে জিপিএ ৫.০০ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে সকলের মঙ্গল কামনা করে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন সিনিয়র প্রভাষক মোঃ জামাল উদ্দীন হায়দার।