Save Islam

Save Islam আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল।

12/01/2026

একবার মুফতি তাকি উসমানী কে জিজ্ঞাসা করা হল, জীবনের সারকথা কী?

তিনি উত্তরে ২০টি সুক্ষ্ম বিষয়ের কথা তুলে ধরেন:
১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।

২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না।

৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে।

৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার।

৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে।

৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না।

৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর।

৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর।

১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর।

১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।

১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।

১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের।

১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।

১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর।

১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।

১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন।

১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়।

২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেক।

সর্বশেষ এই দুয়া শিখে সর্বদা পাঠ কর। পেরেশান অবস্থায় অনেক উপকারে আসবে।رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا

Sayedur Rahman হাফিজাহুল্লাহ

24/12/2025
20/09/2025

(কেবল) দুনিয়াদারদেরকে সালাম দিতে দেখেই আমি একজন ব্যক্তির দুনিয়াপ্রীতি বুঝে ফেলি।
- সুফিয়ান সাওরী (রাহিমাহুল্লাহ)
[হিলয়াতুল আউলিয়া: ৭/৩৯]

20/09/2025

“বর্তমানে ফিতনার সময়ে ইবাদত করার চাইতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ, কম বেশি ইবাদত অনেক লোকই করতে পারে। কিন্তু গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা সেটা বর্তমান সময়ে - অসম্ভবপ্রায়।”
- মুফতি তারেকুজ্জামান হাফিজাহুল্লাহ

20/09/2025

ফজর পরবর্তী ঘুমকে না বলুন। এই সময়টা খুবই মনোরম এবং বরকতময়। নেই কোনো কোলাহল, মনও ফ্রেশ থাকে। দিনের এই সময়টা নিজের জন্য ব্যয় করুন। শরীর চর্চা করুন অথবা বই পড়ুন কিংবা নিজের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ব্যয় করুন।
- মাহমুদুল হাছান

20/09/2025

আর যদি জান্নাত পেয়ে যাও,
তাহলে আর কি হারিয়েছ?
বলুন, ‘কোন ক্ষতি নেই তাতে। অবশ্যই আমরা তো আমাদের রবের দিকেই ফিরে যাব।’ [সুরা আশ-শু'য়ারা, আয়াত ৫০]
ফলোঃ

• পাঁচটি অন্ধকারের পাঁচটি আলো আছে।ক. দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা অন্ধকার, আল্লাহর ভয় তার আলো।খ. পাপ হলো অন্ধকার আর তার আলো তা...
12/02/2025

• পাঁচটি অন্ধকারের পাঁচটি আলো আছে।

ক. দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা অন্ধকার, আল্লাহর ভয় তার আলো।

খ. পাপ হলো অন্ধকার আর তার আলো তাওবা।

গ. কবর অন্ধকার, শাহাদাহ তার আলো।

ঘ. পরকাল অন্ধকার, নেক আমল তার আলো।

ঙ. পুলসিরাত অন্ধকার, বিশ্বাসের নিশ্চয়তা তার আলো।

~ আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু

09/02/2025
ভ্যালেন্টাইন : *শ'য়তানের উৎসব সিরিজ চারপাশে ছড়িয়ে আছে বে'হায়াপনা, অ'শ্লীলতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের স্রোত। মিডিয়া থেকে শুরু করে...
08/02/2025

ভ্যালেন্টাইন : *শ'য়তানের উৎসব সিরিজ

চারপাশে ছড়িয়ে আছে বে'হায়াপনা, অ'শ্লীলতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের স্রোত। মিডিয়া থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, রাস্তাঘাট— সবখানেই হারাম সম্পর্ক ও শ'য়তানের প্রলোভনের ফাঁদ। কিন্তু এর মধ্যেও যারা নিজেদের ইজ্জত, চরিত্র ও নফসকে সংযত রাখে, তারা কতই না উত্তম! তারা জানে— সুন্দর জীবন মানে হারাম সম্পর্কে জড়ানো নয়; বরং আত্মসংযম, তাকওয়া ও পবিত্রতা বজায় রেখে জীবনসঙ্গীর জন্য নিজেকে সংরক্ষণ করা।

যারা আজ হারাম সম্পর্কের মোহে না পড়ে, নিজেদের অন্তর ও শরীরকে পবিত্র রাখছে, তারা জানে— প্রকৃত ভালোবাসা হলো হালাল সম্পর্কে। তাদের কাছে ভালোবাসা মানে ক্ষণস্থায়ী আবেগের তাড়নায় হারিয়ে যাওয়া নয়; বরং আল্লাহর দেয়া হালাল পথে একজন জীবনসঙ্গীর জন্য নিজেকে সংরক্ষণ করা। তারা জানে— পার্থিব হারাম প্রেম ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আল্লাহর পথে অবিচল থাকা প্রেম চিরস্থায়ী।

যারা নিজেদের চরিত্রকে পবিত্র রাখে, আল্লাহ তা'আলা তাদের জন্য জান্নাতে বিশেষ পুরস্কার রেখেছেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন— “যারা নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে, তারা সফলকাম।” (সূরা আল-মুমিনুন : ৫)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।” (সহীহ বুখারী : ৬৪৭৪)

এক অদ্ভুত প্রশান্তি অনুভব করে সেই হৃদয়, যে নিজেকে হারাম থেকে দূরে রেখেছে। কতই না প্রশান্তির সেই অনুভূতি, যখন কেউ জানে— তার পবিত্রতা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য; এবং সেই একান্ত জীবনসঙ্গীর জন্য, যাকে আল্লাহ তার জন্য নির্ধারিত করেছেন।

আসুন, নিজেদের চরিত্র পবিত্র রাখি, আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলি, এবং আমাদের জীবনসঙ্গীর জন্য নিজেদের হেফাজত করি। নিশ্চয়ই পবিত্রতার পথই সর্বোত্তম পথ!

লেখা : মাহমুদুল হাছান

চলবে ইনশাআল্লাহ্...

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Save Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category